Loading...

Loading...
বইসমূহ
৮৪ হাদিসসমূহ
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রতি বছর জিব্রীল (আঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে একবার কুরআন মাজীদ শোনাতেন ও শুনতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু’বার শুনিয়েছেন। প্রতি বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানে দশ দিন ই’তিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি বিশ দিন ই’তিকাফ করেন। [২০৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خالد بن يزيد، حدثنا ابو بكر، عن ابي حصين، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال كان يعرض على النبي صلى الله عليه وسلم القران كل عام مرة، فعرض عليه مرتين في العام الذي قبض، وكان يعتكف كل عام عشرا فاعتكف عشرين في العام الذي قبض {فيه}
মাসরুক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদের কথা উল্লেখ পূর্বক বলেছেন, আমি তাঁকে ঐ সময় থেকে ভালবাসি, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি যে, তোমরা চার ব্যক্তি থেকে কুরআন শিক্ষা কর- ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ), সালিম (রাঃ), মু‘আয (রাঃ) এবং উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)। [৩৭৫৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عمرو، عن ابراهيم، عن مسروق، ذكر عبد الله بن عمرو عبد الله بن مسعود فقال لا ازال احبه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " خذوا القران من اربعة من عبد الله بن مسعود وسالم ومعاذ وابى بن كعب
শাকীক ইবন সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! সত্তরেরও কিছু অধিক সূরাহ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুখ থেকে হাসিল করেছি। আল্লাহর কসম! নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীরা জানেন, আমি তাঁদের চেয়ে আল্লাহর কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞাত; অথচ আমি তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। শাকীক (রহ.) বলেন, সাহাবীগণ তাঁর কথা শুনে কী বলেন তা শোনার জন্য আমি মাজলিসে বসে থাকলাম, কিন্তু আমি কাউকে অন্যরকম কথা বলে আপত্তি করতে শুনিনি। [মুসলিম ৪৪/২২, হাঃ ২৪৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثنا شقيق بن سلمة، قال خطبنا عبد الله فقال والله لقد اخذت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم بضعا وسبعين سورة، والله لقد علم اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم اني من اعلمهم بكتاب الله وما انا بخيرهم. قال شقيق فجلست في الحلق اسمع ما يقولون فما سمعت رادا يقول غير ذلك
‘আলক্বামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হিম্স শহরে ছিলাম। এ সময় ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূরাহ ইউসুফ তিলাওয়াত করলেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, এটা এভাবে অবতীর্ণ হয়নি। এ কথা শুনে ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বললেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে এ সূরাহ তিলাওয়াত করেছি। তিনি বলেছেন, তুমি সুন্দর পড়েছ। এ সময় তিনি ঐ লোকটির মুখ থেকে মদের গন্ধ পেলেন। তাই তিনি তাকে বললেন, তুমি আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে মিথ্যা বলা এবং মদ পানের অপরাধ এক সঙ্গে করছ? এরপর তিনি তার ওপর নির্ধারিত শাস্তি জারি করলেন। [মুসলিম ৬/৪০, হাঃ ৮০১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، قال كنا بحمص فقرا ابن مسعود سورة يوسف، فقال رجل ما هكذا انزلت قال قرات على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال احسنت. ووجد منه ريح الخمر فقال اتجمع ان تكذب بكتاب الله وتشرب الخمر. فضربه الحد
মাসরূক (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! যিনি ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই, আল্লাহর কিতাবের অবতীর্ণ প্রতিটি সূরাহ সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আয়াত সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোন্ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি যদি জানতাম যে, কোন ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং সেখানে উট পৌঁছতে পারে, তাহলে সওয়ার হয়ে সেখানে পৌঁছে যেতাম। [মুসলিম ৪৪/২২, হাঃ ২৪৬৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثنا مسلم، عن مسروق، قال قال عبد الله رضى الله عنه والله الذي لا اله غيره ما انزلت سورة من كتاب الله الا انا اعلم اين انزلت ولا انزلت اية من كتاب الله الا انا اعلم فيم انزلت، ولو اعلم احدا اعلم مني بكتاب الله تبلغه الابل لركبت اليه
ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় কোন্ কোন্ ব্যক্তি কুরআন সংগ্রহ করেছেন? তিনি বললেন, চারজন এবং তাঁরা চারজনই ছিলেন আনসারী সাহাবী। তাঁরা হলেনঃ উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ), মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। (অন্য সানাদে) ফাদল (রহ.) .... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [৩৮১০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا همام، حدثنا قتادة، قال سالت انس بن مالك رضى الله عنه من جمع القران على عهد النبي صلى الله عليه وسلم قال اربعة كلهم من الانصار ابى بن كعب ومعاذ بن جبل، وزيد بن ثابت، وابو زيد. تابعه الفضل عن حسين بن واقد عن ثمامة عن انس
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন। তখন চারজন ব্যতীত আর কেউ কুরআন সংগ্রহ করেননি। তাঁরা হলেন আবুদ্ দারদা (রাঃ), মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা আবূ যায়দ (রাঃ)-এর উত্তরসুরী। [৩৮১০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا عبد الله بن المثنى، قال حدثني ثابت البناني، وثمامة، عن انس، قال مات النبي صلى الله عليه وسلم ولم يجمع القران غير اربعة ابو الدرداء ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت وابو زيد. قال ونحن ورثناه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, ‘আলী (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম বিচারক এবং উবাই (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম কারী। এতদ্সত্ত্বেও তিনি যা তিলাওয়াত করেছেন, আমরা তার কিছু অংশ বাদ দিই, অথচ তিনি বলছেন, আমি তা আল্লাহর রাসূলের যবান থেকে শুনেছি, কোন কিছুর বিনিময়ে আমি তা ত্যাগ করব না। আল্লাহ্ বলেছেন, ‘‘আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে তা হতে উত্তম কিংবা তার মত কোন আয়াত এনে দিই।’’ ৪৪৮১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا صدقة بن الفضل، اخبرنا يحيى، عن سفيان، عن حبيب بن ابي ثابت، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال عمر ابى اقرونا وانا لندع من لحن ابى، وابى يقول اخذته من في رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا اتركه لشىء قال الله تعالى {ما ننسخ من اية او ننساها نات بخير منها او مثلها}
আবূ সা‘ঈদ ইবনু মু‘আল্লা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সালাত আদায়রত ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডাকলেন; কিন্তু আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম না। পরে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি সালাত আদায়রত ছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা কি বলেননি, ‘‘হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্ ও রাসূল যখন তোমাদেরকে আহবান করেন তখন আল্লাহ্ ও রাসূলের আহবানে সাড়া দাও।’’ (সূরাহ আল-আনফাল ৮/২৪) তারপর তিনি বললেন, তোমার মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরাহ শিক্ষা দেব না? তখন তিনি আমার হাত ধরলেন। যখন আমরা মাসজিদ থেকে বের হতে ইচ্ছা করলাম তখন আমি বললাম, আপনি তো বলেছেন মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরার কথা বলবেন। তিনি বললেন, সেটা হলঃ ‘‘আল হামদুলিল্লাহ রাব্বিল ‘আলামীন’’। এটা পুনঃ পুনঃ পঠিত সাতটি আয়াত এবং কুরআন আজীম যা আমাকে দেয়া হয়েছে। [৪৪৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا شعبة، قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن ابي سعيد بن المعلى، قال كنت اصلي فدعاني النبي صلى الله عليه وسلم فلم اجبه قلت يا رسول الله اني كنت اصلي. قال " الم يقل الله {استجيبوا لله وللرسول اذا دعاكم} ثم قال الا اعلمك اعظم سورة في القران قبل ان تخرج من المسجد ". فاخذ بيدي فلما اردنا ان نخرج قلت يا رسول الله انك قلت لاعلمنك اعظم سورة من القران. قال "{الحمد لله رب العالمين} هي السبع المثاني والقران العظيم الذي اوتيته
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা সফরে চলছিলাম। (পথিমধ্যে) অবতরণ করলাম। তখন একটি বালিকা এসে বলল, এখানকার গোত্রের সরদারকে সাপে কেটেছে। আমাদের পুরুষগণ বাড়িতে নেই। অতএব, আপনাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি, যিনি ঝাড়-ফুঁক করতে পারেন? তখন আমাদের মধ্য থেকে একজন ঐ বালিকাটির সঙ্গে গেলেন। যদিও আমরা ভাবিনি যে সে ঝাড়-ফুঁক জানে। এরপর সে ঝাড়-ফুঁক করল এবং গোত্রের সরদার সুস্থ হয়ে উঠল। এতে সর্দার খুশী হয়ে তাকে ত্রিশটি বক্রী দান করলেন এবং আমাদের সকলকে দুধ পান করালেন। ফিরে আসার পথে আমরা জিজ্ঞেস করলাম, তুমি ভালভাবে ঝাড়-ফুঁক করতে জান (অথবা রাবীর সন্দেহ) তুমি কি ঝাড়-ফুঁক করতে পার? সে উত্তর করল, না, আমি তো কেবল উম্মুল কিতাব- সূরাহ ফাতিহা দিয়েই ঝাড়-ফুঁক করেছি। আমরা তখন বললাম, যতক্ষণ না আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছে তাঁকে জিজ্ঞেস করি ততক্ষণ কেউ কিছু বলবে না। এরপর আমরা মদিনা্য় পৌঁছে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ঘটনাটি বললাম। তিনি বললেন, সে কেমন করে জানল যে, তা (সূরাহ ফাতিহা) রোগ আরোগ্যের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে? তোমরা নিজেদের মধ্যে এগুলো বণ্টন করে নাও এবং আমার জন্যও একটা ভাগ রেখো। আবূ মা‘মার .... আবূ সা‘ঈদ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [২২৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا وهب، حدثنا هشام، عن محمد، عن معبد، عن ابي سعيد الخدري، قال كنا في مسير لنا فنزلنا فجاءت جارية فقالت ان سيد الحى سليم، وان نفرنا غيب فهل منكم راق فقام معها رجل ما كنا نابنه برقية فرقاه فبرا فامر له بثلاثين شاة وسقانا لبنا فلما رجع قلنا له اكنت تحسن رقية او كنت ترقي قال لا ما رقيت الا بام الكتاب. قلنا لا تحدثوا شييا حتى ناتي او نسال النبي صلى الله عليه وسلم فلما قدمنا المدينة ذكرناه للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " وما كان يدريه انها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم ". وقال ابو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا هشام حدثنا محمد بن سيرين حدثني معبد بن سيرين عن ابي سعيد الخدري بهذا
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করে....। [৪০০৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا شعبة، عن سليمان، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن، عن ابي مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قرا بالايتين
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি রাতে সূরাহ বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। [৪০০৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن ابي مسعود رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من قرا بالايتين من اخر سورة البقرة في ليلة كفتاه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রমাযানে যাকাতের মাল হিফাজতের দায়িত্ব দিলেন। এক সময় এক ব্যক্তি এসে খাদ্য-সামগ্রী উঠিয়ে নেয়ার উপক্রম করল। আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি তোমাকে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে যাব। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করেন। তখন লোকটি বলল, যখন আপনি ঘুমাতে যাবেন, তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবেন। এর কারণে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত করা হবে এবং ভোর পর্যন্ত শায়ত্বন আপনার কাছে আসতে পারবে না। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঘটনা শুনে) বললেন, (যে তোমার কাছে এসেছিল) সে সত্য কথা বলেছে, যদিও সে বড় মিথ্যাচারী শায়ত্বন। [২৩১১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان فاتاني ات فجعل يحثو من الطعام فاخذته فقلت لارفعنك الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقص الحديث فقال اذا اويت الى فراشك فاقرا اية الكرسي لن يزال معك من الله حافظ ولا يقربك شيطان حتى تصبح. وقال النبي صلى الله عليه وسلم " صدقك وهو كذوب ذاك شيطان
বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ‘সূরাহ কাহ্ফ’ তিলাওয়াত করছিলেন। তার ঘোড়াটি দু’টি রশি দিয়ে তার পাশে বাঁধা ছিল। তখন এক টুকরো মেঘ এসে তার উপর ছায়া দান করল। মেঘখন্ড ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসতে লাগল। আর তার ঘোড়াটি ভয়ে লাফালাফি শুরু করে দিল। সকাল বেলা যখন লোকটি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উক্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন, তখন তিনি বললেন, এ ছিল আস্সাকিনা (প্রশান্তি), যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে নাযিল হয়েছিল। [৩৬১৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن خالد، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، عن البراء، قال كان رجل يقرا سورة الكهف والى جانبه حصان مربوط بشطنين فتغشته سحابة فجعلت تدنو وتدنو وجعل فرسه ينفر فلما اصبح اتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال " تلك السكينة تنزلت بالقران
আসলাম (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে রাত্রিকালে চলছিলেন এবং ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তাঁর সঙ্গে ছিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) তাঁর কাছে কিছু জিজ্ঞেস করলেন; কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কোন উত্তর দিলেন না। তারপর আবার জিজ্ঞেস করলেন; কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, এবারও তিনি কোন উত্তর দিলেন না। এমন সময় ‘উমার (রাঃ) নিজেকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! তুমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তিনবার প্রশ্ন করে কোন উত্তর পাওনি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এরপর আমি আমার উটকে দ্রুত হাঁকিয়ে লোকেদের অগ্রভাগে চলে গেলাম এবং আমি শঙ্কিত হলাম, না জানি আমার সম্পর্কে কুরআন অবতীর্ণ হয় নাকি। কিছুক্ষণ পর কেউ আমাকে ডাকছে, এ রকম আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি মনে আশংকা করলাম যে, হয়তো আমার ব্যাপারে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে গেলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন আজ রাতে আমার উপর এমন একটি সূরাহ নাযিল হয়েছে, যা আমার কাছে সূর্যালোকিত সকল স্থান হতে উত্তম। এরপর তিনি পাঠ করলেন, إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُّبِيْنً ‘‘নিশ্চয় আমি তোমাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি।’’ [৪১৭৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسير في بعض اسفاره وعمر بن الخطاب يسير معه ليلا فساله عمر عن شىء فلم يجبه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ساله فلم يجبه ثم ساله فلم يجبه، فقال عمر ثكلتك امك نزرت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات كل ذلك لا يجيبك، قال عمر فحركت بعيري حتى كنت امام الناس وخشيت ان ينزل في قران فما نشبت ان سمعت صارخا يصرخ قال فقلت لقد خشيت ان يكون نزل في قران قال فجيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فقال " لقد انزلت على الليلة سورة لهي احب الى مما طلعت عليه الشمس ". ثم قرا {انا فتحنا لك فتحا مبينا}
فِيْهِ : عَمْرَةُ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم তাতেঃ ‘আয়িশাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামহতে বর্ণনা করেছেন। ৫০১৩. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি আরেক ব্যক্তিকে ‘কুল হুআল্লাহু আহাদ’ পড়তে শুনলেন। সে বার বার তা মুখে উচ্চারণ করছিল। পরদিন সকালে তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে এ ব্যাপারে বললেন। যেন ঐ ব্যক্তি তাকে কম মনে করলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার জীবন। এ সূরাহ হচ্ছে সমগ্র কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান। [৬৬৪৩, ৭৩৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن ابي صعصعة، عن ابيه، عن ابي سعيد الخدري، ان رجلا، سمع رجلا، يقرا {قل هو الله احد} يرددها فلما اصبح جاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له وكان الرجل يتقالها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده انها لتعدل ثلث القران
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) বললেনঃ আমার ভাই ক্বাতাদাহ ইবনু নু‘মান আমাকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় এক ব্যক্তি শেষ রাতে সালাতে ‘‘কুল হুআল্লাহু আহাদ’’ ব্যতীত আর কোন সূরাই তিলাওয়াত করেননি। পরদিন সকালে লোকটি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন। বাকী অংশ আগের হাদীসের মত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وزاد ابو معمر حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن مالك بن انس، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن ابي صعصعة، عن ابيه، عن ابي سعيد الخدري، اخبرني اخي، قتادة بن النعمان ان رجلا، قام في زمن النبي صلى الله عليه وسلم يقرا من السحر {قل هو الله احد} لا يزيد عليها، فلما اصبحنا اتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে বলেছেন, তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করা সাধ্যাতীত মনে কর? এ প্রশ্ন তাদের জন্য কঠিন ছিল। এরপর তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাদের মধ্যে কার সাধ্য আছে যে, এটা পারবে? তখন তিনি বললেন, ‘‘কুল হুআল্লাহ আহাদ’’ অর্থাৎ সূরাহ ইখ্লাস কুরআনের তিন ভাগের এক ভাগ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثنا ابراهيم، والضحاك المشرقي، عن ابي سعيد الخدري، رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لاصحابه " ايعجز احدكم ان يقرا ثلث القران في ليلة ". فشق ذلك عليهم وقالوا اينا يطيق ذلك يا رسول الله فقال " الله الواحد الصمد ثلث القران ". قال ابو عبد الله عن ابراهيم مرسل وعن الضحاك المشرقي مسند
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, যখনই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হতেন তখনই তিনি ‘সূরায়ে মু‘আব্বিযাত’ পড়ে নিজের উপর ফুঁক দিতেন। যখন তাঁর রোগ কঠিন হয়ে গেল, তখন বাকাত অর্জনের জন্য আমি এই সূরাহ পাঠ করে তাঁর হাত দিয়ে শরীর মাসহ(মাসেহ)্ করিয়ে দিতাম। [৪৪৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، رضى الله عنها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا اشتكى يقرا على نفسه بالمعوذات وينفث، فلما اشتد وجعه كنت اقرا عليه وامسح بيده رجاء بركتها
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, প্রতি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিছানায় যাওয়ার প্রাক্কালে সূরাহ ইখ্লাস, সূরাহ ফালাক ও সূরাহ নাস পাঠ করে দু’হাত একত্র করে হাতে ফুঁক দিয়ে যতদূর সম্ভব সমস্ত শরীরে হাত বুলাতেন। মাথা ও মুখ থেকে আরম্ভ করে তাঁর দেহের সম্মুখ ভাগের উপর হাত বুলাতেন এবং তিনবার এরূপ করতেন। [৫৭৪৮, ৬৩১৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المفضل، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا اوى الى فراشه كل ليلة جمع كفيه ثم نفث فيهما فقرا فيهما {قل هو الله احد} و{قل اعوذ برب الفلق} و{قل اعوذ برب الناس} ثم يمسح بهما ما استطاع من جسده يبدا بهما على راسه ووجهه وما اقبل من جسده يفعل ذلك ثلاث مرات