Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫০৪ হাদিসসমূহ
سُوْرَةُ بَرَاءَةَ সূরাহ (৯) : বারাআত বা আত্-তওবা (وَلِيْجَةً) كُلُّ شَيْءٍ أَدْخَلْتَهُ فِيْ شَيْءٍ (مُرْصَدٌ) طَرِيْقٌ (الشُّقَّةُ)السَّفَرُ (الْخَبَالُ) الْفَسَادُ وَالْخَبَالُ الْمَوْتُ (وَلَاتَفْتِنِّيْ) لَا تُوَبِّخْنِيْ كَرْهًا وَ (كُرْهًا) وَاحِدٌ (مُدَّخَلًا) يُدْخَلُوْنَ فِيْهِ (يَجْمَحُوْنَ)يُسْرِعُوْنَ (وَالْمُؤْتَفِكَاتِ) ائْتَفَكَتْ انْقَلَبَتْ بِهَا الْأَرْضُ (أَهْوَى) أَلْقَاهُ فِيْ هُوَّةٍ (عَدْنٍ)خُلْدٍ عَدَنْتُ بِأَرْضٍ أَيْ أَقَمْتُ وَمِنْهُ مَعْدِنٌ وَيُقَالُ فِيْ مَعْدِنِ صِدْقٍ فِيْ مَنْبَتِ صِدْقٍ (الْخَوَالِفُ) الْخَالِفُ الَّذِيْ خَلَفَنِيْ فَقَعَدَ بَعْدِيْ وَمِنْهُ يَخْلُفُهُ فِي الْغَابِرِيْنَ وَيَجُوْزُ أَنْ يَكُوْنَ النِّسَاءُ مِنَ الْخَالِفَةِ وَإِنْ كَانَ جَمْعَ الذُّكُوْرِ فَإِنَّهُ لَمْ يُوْجَدْ عَلَى تَقْدِيْرِ جَمْعِهِ إِلَّا حَرْفَانِ فَارِسٌ وَفَوَارِسُ وَهَالِكٌ وَهَوَالِكُ (الْخَيْرَاتُ) وَاحِدُهَا خَيْرَةٌ وَهِيَ الْفَوَاضِلُ (مُرْجَئُوْنَ) مُؤَخَّرُوْنَ (الشَّفَا) شَفِيْرٌ وَهُوَ حَدُّهُ وَالْجُرُفُ مَا تَجَرَّفَ مِنْ السُّيُوْلِ وَالأَوْدِيَةِ (هَارٍ) هَائِرٍ لَأَوَّاهٌ شَفَقًا وَفَرَقًا وَقَالَ الشَّاعِرُ. إِذَا قُمْتُ أَرْحَلُهَا بِلَيْلٍ تَأَوَّهُ آهَةَ الرَّجُلِ الْحَزِيْنِ. يُقَالُ : تَهَوَّرَتْ الْبِئْرُ إِذَا انْهَدَمَتْ وَانْهَارَ مِثْلُهُ. وَلِيْجَةً- এমন বস্তু যাকে তুমি আরেকটা বস্তুর মধ্যে ঢুকিয়ে দিলে। الشُّقَّةُ- সফর, ভ্রমণ, الْخَبَالُ- বিশৃঙ্খলা, বিপর্যয়, الْخَبَالُ- মৃত্যু। وَلَاتَفْتِنِّيْ- আমাকে হুমকি দিও না। كَرْهًا-وَ- كُرْهًا- বাধ্যবাধকতা, উভয়টা একই অর্থবোধক, مُدَّخَلًا- প্রবেশস্থল, যেথায় তারা প্রবেশ করবে। يَجْمَحُوْنَ- তারা ত্বরান্বিত করবে। وَالْمُؤْتَفِكَاتِ-যাদের নিয়ে ভূমি উল্টে গেছে। أَهْوَى- তাকে গর্তে নিক্ষেপ করল। عَدْنٍ- স্থায়িত্ব অবস্থান, যেমন, عَدَنْتُبِأَرْضٍ- আমি অবস্থান করলাম, এগুলো থেকে مَعْدِنٍ শব্দ আসছে এবং বলা হয় فِيْ مَعْدِنِ صِدْقٍ -অর্থাৎ সত্যের উৎপত্তিস্থল। الْخَوَالِفُ-الْخَالِفُ- শব্দের বহুবচন অর্থ, যে আমার পিছনে থাকল। এবং আমার পরে বসে থাকল এবং এর অর্থ থেকে يُخْلِفُهُ فِي الْغَابِرِيْنَ- অর্থ, অবশিষ্টদের মধ্যে পিছনে রাখা হয় এবং الْخَالِفَةُ - শব্দের বহুবচন হিসাবে الْخَوَالِفُ স্ত্রীলিঙ্গে ব্যবহার করা বৈধ আছে যদিও তা পুরুষ শব্দের বহুবচন, তা হলে তার এভাবে বহুবচন আরবী ভাষায় দু’টি শব্দ ব্যতীত পাওয়া যায় না, যথা فَارِسٌ- এর বহুবচন فَوَارِسُ এবং هَالِكٌ-এর বহুবচন هَوَالِكُ الْخَيْرَاتُ শব্দের এক বচন خَيْرَةٌ অর্থ, কল্যাণ ও মর্যাদাসম্পন্ন বস্তু। مُرْجَئُوْنَ-বিলম্বিত ব্যক্তিবর্গ। الشَّفَا কিনারা বা পার্শ্ব। الْجُرُفُ- যা উঁচু স্থান বা উপত্যকা থেকে প্রবাহিত হয়। هَائِرٍ-هَارٍ পতিত হওয়া। যেমন বলা হয়, কুয়া ভেঙ্গে পড়েছে যখন তা ধ্বংস হয়ে যায়, আর এরূপভাবে انْهَدَمَتْ শব্দের অর্থ হয়ে থাকে। لَأَوَّاهٌ-অধিক কোমল হৃদয়, ভয়-ভীতির কারণে। কবি বলেন, ‘‘যখন আমি রাতের বেলায় উষ্ট্রীর পিঠে আরোহণ করলাম, তখন সেটি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ ব্যক্তির মত দীর্ঘশ্বাস ফেলে আহ! করতে থাকে।’’ 65/9/1. بَاب قَوْلِهِ :(بَرَآءَةٌ مِّنَ اللهِ وَرَسُوْلِهٰٓإِلَى الَّذِيْنَ عٰهَدْتُّمْ مِّنَ الْمُشْرِكِيْنَ) ৬৫/৯/১. অধ্যায়: আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে দায়মুক্তির ঘোষণা সেসব মুশরিকের সম্পর্কে যাদের সঙ্গে তোমরা সন্ধিচুক্তি করেছিলে। (সূরাহ বারাআত ৯/১) (أَذَانٌ) إِعْلَامٌ. [أشار به إلى قوله تعالى : (وَأَذَنٌ مِّنَ اللهِ وَرَسُوْلِهٰ) وفسره بقوله : إعلام، وهذا ظاهر]. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ (أُذُنٌ) يُصَدِّقُ (تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيْهِمْ بِهَا) وَنَحْوُهَا كَثِيْرٌ وَالزَّكَاةُ الطَّاعَةُ وَالإِخْلَاصُ (لَا يُؤْتُوْنَ الزَّكَاةَ) لَا يَشْهَدُوْنَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ (يُضَاهُوْنَ) يُشَبِّهُوْنَ ইব্ন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, أَذَنٌ-কারো কথা শুনে তা সত্য বলে ধারণা করা। تُطَهِّرُهُمْ এবং تُزَكِّيْهِمْ এর একই অর্থ, এ ব্যবহার পদ্ধতি অধিক। সে পবিত্র করে। زَكْوَةٌ ‘ইবাদাত ও নিষ্ঠা لَا يُؤْتُوْنَ الزَّكَاةَ (তারা যাকাত প্রদান করে না) (এবং) তারা এ সাক্ষ্যও প্রদান করে না যে, আর কোন উপাস্য নেই এক আল্লাহ ব্যতীত। يُضَاهُوْنَ- তারা তুলনা দিচ্ছে। ৪৬৫৪. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বলেছেনঃ সর্বশেষে যে আয়াত অবতীর্ণ হয়, তা হল يَسْتَفْتُوْنَكَ قُلِ اللهُ يُفْتِيْكُمْ فِي الْكَلَالَةِ-লোকেরা আপনার কাছে বিধান জানতে চায়। আপনি বলুনঃ আল্লাহ্ তোমাদের বিধান দিচ্ছেন ‘‘কালালা’’- (পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি) সম্বন্ধে- (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৭৬)। এবং সর্বশেষে যে সূরাটি অবতীর্ণ হয়, তা হল সূরায়ে বারাআত। [৪৩৬৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت البراء رضى الله عنه يقول اخر اية نزلت {يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة} واخر سورة نزلت براءة
(فَسِيْحُوْا فِي الْأَرْضِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَّاعْلَمُوْآ أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللهِ لاوَأَنَّ اللهَ مُخْزِي الْكٰفِرِيْنَ) তারপর তোমরা এদেশে চার মাসকাল ঘুরে বেড়াও। আর জেনে রেখো, তোমরা আল্লাহকে অক্ষম করতে পারবে না এবং আল্লাহ অবশ্যই কাফিরদের অপদস্থ করে থাকেন। (সূরাহ বারাআত ৯/২) سِيْحُوْا -سِيْرُوْا-পরিভ্রমণ করা ৪৬৫৫. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) নবম হিজরীর হাজ্জে আমাকে এ আদেশ দিয়ে পাঠিয়ে দেন যে, আমি কুরবানীর দিন ঘোষণাকারীদের সঙ্গে মিনায় (সমবেত লোকদের) এ ঘোষণা করে দেই যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। আল্লাহর ঘর নগ্নদেহে তাওয়াফ করবে না। হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আলী (রাঃ)-কে পুনরায় এ নির্দেশ দিয়ে প্রেরণ করলেন যে, তুমি সূরায়ে বারাআতের বিধানসমূহ ঘোষণা করে দাও। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, মীনায় অবস্থানকারীদের মাঝে (কুরবানীর পর) ‘আলী (রাঃ) আমাদের সঙ্গে ছিলেন এবং সূরায়ে বারাআতের বিধানসমূহ ঘোষণা করলেন, এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। কেউ নগ্ন অবস্থায় ঘর তওয়াফ করবে না। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেনঃ اَذَنَهُمْ অর্থ, তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন। [৩৬৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، واخبرني حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة رضى الله عنه قال بعثني ابو بكر في تلك الحجة في موذنين، بعثهم يوم النحر يوذنون بمنى ان لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان. قال حميد بن عبد الرحمن ثم اردف رسول الله صلى الله عليه وسلم بعلي بن ابي طالب، وامره ان يوذن ببراءة. قال ابو هريرة فاذن معنا علي يوم النحر في اهل منى ببراءة، وان لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) আমাকে সে কুরবানীর দিন ঘোষণাকারীদের সঙ্গে মিনায় এ (কথা) ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পরে আর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। আল্লাহর ঘর নগ্ন অবস্থায় কাউকে তওয়াফ করতে দেয়া হবে না। হুমাইদ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরে পুনরায় ‘আলী ইবনু আবূ তালিবকে পাঠালেন এবং বললেনঃ সূরায়ে বারাআতের নির্দেশাবলী ঘোষণা করে দাও। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ‘আলী (রাঃ) আমাদের সঙ্গেই মীনাবাসীদের মধ্যে সূরায়ে বারাআত কুরবানীর দিন ঘোষণা করলেন- এ বছরের পরে কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না এবং নগ্নদেহে আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করবে না। [৩৬৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، حدثني عقيل، قال ابن شهاب فاخبرني حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، قال بعثني ابو بكر رضى الله عنه في تلك الحجة في الموذنين، بعثهم يوم النحر يوذنون بمنى ان لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان. قال حميد ثم اردف النبي صلى الله عليه وسلم بعلي بن ابي طالب، فامره ان يوذن ببراءة. قال ابو هريرة فاذن معنا علي في اهل منى يوم النحر ببراءة، وان لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان
ইসহাক (রহ.) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হাজ্জের পূর্বের বছর আবূ বাকর (রাঃ)-কে যে হাজ্জের আমীর বানিয়ে পাঠিয়েছিলেন, সেই হাজ্জে তিনি যেন লোকেদের মধ্যে ঘোষণা দেন, এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না এবং নগ্নদেহে কেউ আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেন, [আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)]’র হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, হাজ্জুল আকবারের দিন হল কুরবানীর দিন। [৩৬৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، ان حميد بن عبد الرحمن، اخبره ان ابا هريرة اخبره ان ابا بكر رضى الله عنه بعثه في الحجة التي امره رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها قبل حجة الوداع في رهط يوذن في الناس ان لا يحجن بعد العام مشرك ولا يطوف بالبيت عريان. فكان حميد يقول يوم النحر يوم الحج الاكبر. من اجل حديث ابي هريرة
যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা হুযাইফাহ (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম, তখন তিনি বলেন, এ আয়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের মধ্যে শুধু তিনজন মুসলিম এবং চারজন মুনাফিক বেঁচে আছে। এমন সময় একজন বেদুঈন বলেন, আপনারা সকলে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী। আমাদের এমন লোকদের অবস্থা সম্পর্কে খবর দিন যারা আমাদের ঘরে সিঁদ কেটে ঘরের অতি মূল্যবান জিনিসগুলো চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে, কেননা তাদের অবস্থা সম্পর্কে আমরা জানি না। হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, তারা সবাই ফাসিক। হ্যাঁ, তাদের মধ্য হতে চার ব্যক্তি এখনও জীবিত-তাদের মধ্যে একজন এতই বৃদ্ধ যে, শীতল পানি পান করার পর তার শীতলতা অনুভব করতে পারে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، حدثنا اسماعيل، حدثنا زيد بن وهب، قال كنا عند حذيفة فقال ما بقي من اصحاب هذه الاية الا ثلاثة، ولا من المنافقين الا اربعة. فقال اعرابي انكم اصحاب محمد صلى الله عليه وسلم تخبرونا فلا ندري فما بال هولاء الذين يبقرون بيوتنا ويسرقون اعلاقنا. قال اوليك الفساق، اجل لم يبق منهم الا اربعة. احدهم شيخ كبير لو شرب الماء البارد لما وجد برده
(وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ). আর যারা জমা করে রাখে স্বর্ণ ও রৌপ্য এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে আপনি শুনিয়ে দিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ। (সূরাহ বারাআত ৯/৩৪) ৪৬৫৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের মধ্যে কারো জমাকৃত সম্পদ (যার যাকাত আদায় করা হয় না) কিয়ামতের দিন বিষাক্ত সর্পের রূপ ধারণ করবে। [১৪০৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحكم بن نافع، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، ان عبد الرحمن الاعرج، حدثه انه، قال حدثني ابو هريرة رضى الله عنه انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يكون كنز احدكم يوم القيامة شجاعا اقرع
যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা রাবাযা নামক স্থানে আবূ যার (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি (তাকে) জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কেন এ ভূমিতে এসেছেন? তিনি বললেন, আমি সিরিয়ায় ছিলাম, তখন আমি [মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর সামনে] এ আয়াত পাঠ করে শোনালাম। وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ ‘‘আর যারা জমা করে রাখে স্বর্ণ ও রৌপ্য এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে আপনি শুনিয়ে দিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ।’’ (সূরাহ বারাআত ৯/৩৪) মু‘আবিয়াহ (রাঃ) এ আয়াত শুনে বললেন, এ আয়াত আমাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়নি। বরং আহলে কিতাবদের (ইয়াহূদী ও নাসারাদের) ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি বললাম, এ আয়াত আমাদের ও তাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (এ তর্কবিতর্কের কারণে চলে এসেছি।) [১৪০৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن حصين، عن زيد بن وهب، قال مررت على ابي ذر بالربذة فقلت ما انزلك بهذه الارض قال كنا بالشام فقرات {والذين يكنزون الذهب والفضة ولا ينفقونها في سبيل الله فبشرهم بعذاب اليم} قال معاوية ما هذه فينا، ما هذه الا في اهل الكتاب. قال قلت انها لفينا وفيهم
(يَّوْمَ يُحْمٰى عَلَيْهَا فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوٰى بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُهُمْ وَظُهُوْرُهُمْ طهٰذَا مَا كَنَزْتُمْ لِاَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ). সে দিন যখন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দিয়ে দাগিয়ে দেয়া হবে তাদের কপাল, তাদের পাঁজর এবং তাদের পৃষ্ঠদেশ, বলা হবেঃ এগুলো হল তা, যা তোমরা নিজেদের জন্য জমা করে রেখেছিলে। সুতরাং যা তোমরা জমা করে রাখতে তার স্বাদ গ্রহণ কর। (সূরাহ বারাআত ৯/৩৫) ৪৬৬১. খালিদ ইবনু আসলাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে বের হলাম। তখন তিনি বললেন, এ আয়াতটি যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বের। এরপর যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হলে আল্লাহ তা সম্পদের পরিশুদ্ধকারী করেন। [১৪০৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وقال احمد بن شبيب بن سعيد حدثنا ابي، عن يونس، عن ابن شهاب، عن خالد بن اسلم، قال خرجنا مع عبد الله بن عمر فقال هذا قبل ان تنزل، الزكاة، فلما انزلت جعلها الله طهرا للاموال
(ذٰلِكَ الدِّيْنُ الْقَيِّمُ هُوَ الْقَائِمُ) القَيِّمُ : هُوَ القائمُ. [فَلَا تَظْلِمُوْا فِيْهِنَّ أَنْفُسَكُمْ]. القَيِّمُ শব্দটি القائمُ (প্রতিষ্ঠিত) অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪৬৬২. আবূ বাকর (রাঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, আল্লাহ যেদিন আসমান যমীন সৃষ্টি করেন সেদিন যেভাবে যামানা ছিল তা আজও তেমনি আছে। বারমাসে এক বছর, তার মধ্যে চার মাস পবিত্র। যার তিন মাস ধারাবাহিক যথা যিলকাদ, যিলহাজ্জ ও মুহার্রম আর মুযার গোত্রের রাজব যা জামাদিউসসানী ও শাবান মাসের মধ্যবর্তী। [৬৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن محمد، عن ابن ابي بكرة، عن ابي بكرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الزمان قد استدار كهييته يوم خلق الله السموات والارض، السنة اثنا عشر شهرا منها، اربعة حرم، ثلاث متواليات، ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب مضر الذي بين جمادى وشعبان
(ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِهٰلَا تَحْزَنْ إِنَّ اللهَ مَعَنَا) তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন, যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন যখন তিনি তার সাথীকে বললেন, চিন্তা কর না, নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন। (সূরাহ বারাআত ৯/৪০) أَيْ نَاصِرُنَا السَّكِيْنَةُ فَعِيْلَةٌ مِنْ السُّكُوْنِ. مَعَنَا আল্লাহ আমাদের সাহায্যকারী فَعِيْلَةٌ السَّكِيْنَةُ-এর সম ওযনে سَكُوْن থেকে, অর্থ প্রশান্তি। ৪৬৬৩. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে (সওর) গুহায় ছিলাম। তখন আমি মুশরিকদের পদচিহ্ন দেখতে পেয়ে [নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে] বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদি তাদের কেউ পা উঠায় তাহলে আমাদের দেখে ফেলবে। তখন তিনি বললেন, এমন দু’জন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা, যাদের তৃতীয় জন হলেন আল্লাহ। [৩৬৫৩] (আ. প্র. ৪৩০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا حبان، حدثنا همام، حدثنا ثابت، حدثنا انس، قال حدثني ابو بكر رضى الله عنه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في الغار، فرايت اثار المشركين قلت يا رسول الله، لو ان احدهم رفع قدمه رانا. قال " ما ظنك باثنين الله ثالثهما
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তার ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে (বাইআত নিয়ে) মতভেদ ঘটল, তখন আমি বললাম, তার পিতা যুবায়র, তার মাতা আসমা (রাঃ) ও তার খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ), তার নানা আবূ বাকর (রাঃ) ও তার নানী সুফিয়া (রাঃ)। আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম, এর সানাদ বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, حَدَّثَنَا এবং ইবনু জুরাইজ (রহ.) বলার আগেই অন্য এক ব্যক্তি তাকে ব্যস্ত করে ফেললেন। [৪৬৬৫, ৪৬৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن ابن جريج، عن ابن ابي مليكة، عن ابن عباس رضى الله عنهما انه قال حين وقع بينه وبين ابن الزبير قلت ابوه الزبير، وامه اسماء، وخالته عايشة، وجده ابو بكر، وجدته صفية. فقلت لسفيان اسناده. فقال حدثنا، فشغله انسان ولم يقل ابن جريج
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে বাই‘আত নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হল, তখন আমি ইবনু ‘আব্বাসের কাছে গিয়ে বললাম, আপনি কি আল্লাহ যা হারাম করেছেন, তা হালাল করে ইবনু যুবায়রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান? তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কাছে পানাহ্ চাচ্ছি, এ কাজ তো ইবনু যুবায়র ও বানী ‘উমাইয়াহর জন্যই আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আল্লাহর কসম! কখনও তা আমি হালাল মনে করব না, (আবূ মুলাইকাহ বলেন) তখন লোকজন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলল, আপনি ইবনু যুবায়রের পক্ষে বাই‘আত গ্রহণ করুন। তখন ইবনু ‘আব্বাস বললেন, তাতে ক্ষতির কী আছে? তিনি এটার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা যুবায়র তো নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহায্যকারী ছিলেন, তার নানা আবূ বাকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সওর গুহার সঙ্গী ছিলেন। তার মা আসমা, যার উপাধি ছিল যাতুন নেতাক। তার খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ) উম্মুল মু’মিনীন ছিলেন, তার ফুফু খাদীজাহ (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ছিলেন, আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফুফু সফীয়্যাহ ছিলেন তাঁর দাদী। এ ব্যতীত তিনি (ইবনু যুবায়র) তো ইসলামী জগতে নিষ্কলুষ ব্যক্তি ও কুরআনের ক্বারী। আল্লাহর কসম! যদি তারা (বানী ‘উমাইয়াহ) আমার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে তবে তারা আমার নিকটাত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখল। আর যদি তারা আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে তবে তারা সমকক্ষ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরই রক্ষণাবেক্ষণ করল। ইবনু যুবায়র, বানী আসাদ, বানী তুয়াইত, বানী উসামা-এসব গোত্রকে আমার চেয়ে নিকটতম করে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই আবিল আস্-এর পুত্র অর্থাৎ ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান অহঙ্কারী চালচলন আরম্ভ করেছে। নিশ্চয়ই তিনি অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) তার লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন। [৪৬৬৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، قال حدثني يحيى بن معين، حدثنا حجاج، قال ابن جريج قال ابن ابي مليكة وكان بينهما شىء فغدوت على ابن عباس فقلت اتريد ان تقاتل ابن الزبير، فتحل حرم الله. فقال معاذ الله، ان الله كتب ابن الزبير وبني امية محلين، واني والله لا احله ابدا. قال قال الناس بايع لابن الزبير. فقلت واين بهذا الامر عنه اما ابوه فحواري النبي صلى الله عليه وسلم، يريد الزبير، واما جده فصاحب الغار، يريد ابا بكر، وامه فذات النطاق، يريد اسماء، واما خالته فام المومنين، يريد عايشة، واما عمته فزوج النبي صلى الله عليه وسلم، يريد خديجة، واما عمة النبي صلى الله عليه وسلم فجدته، يريد صفية، ثم عفيف في الاسلام، قاري للقران. والله ان وصلوني وصلوني من قريب، وان ربوني ربني اكفاء كرام، فاثر التويتات والاسامات والحميدات، يريد ابطنا من بني اسد بني تويت وبني اسامة وبني اسد، ان ابن ابي العاص برز يمشي القدمية، يعني عبد الملك بن مروان، وانه لوى ذنبه، يعني ابن الزبير
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) বলেন, আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি ইবনু যুবায়রের বিষয়ে বিস্মিত হবে না? তিনি তো তার এ কাজে (খিলাফতের কাজে) দাঁড়িয়েছেন। [ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, আমি অবশ্য মনে মনে তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করি, কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ) কিংবা ‘উমার (রাঃ)-এর ব্যাপারে এতটুকু চিন্তা-ভাবনা করিনি। সব দিক থেকে তাঁর চেয়ে তারা উভয়ে উত্তম ছিলেন। আমি বললাম, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফুফু সফীয়্যাহ (রাঃ)-এর সন্তান, যুবায়রের ছেলে, আবূ বাকর (রাঃ)-এর নাতি। খাদীজাহ (রাঃ)-এর ভাতিজা, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর বোন আসমার ছেলে। কিন্তু তিনি (নিজেকে বড় মনে করে) আমার থেকে দূরে সরে থাকেন এবং তিনি আমার সহযোগিতা কামনা করেন না। আমি বললাম, আমি নিজে থেকে এজন্য তা প্রকাশ করি না যে, হয়ত তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন এবং আমি মনে করি না যে, তিনি এটা ভাল করছেন। কারণ অন্য কোন ব্যক্তি দেশের শাসক হওয়ার চেয়ে আমার চাচার ছেলে অর্থাৎ আমার আপনজন শাসক হওয়া আমার নিকট উত্তম। [৪৬৬৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون، حدثنا عيسى بن يونس، عن عمر بن سعيد، قال اخبرني ابن ابي مليكة، دخلنا على ابن عباس فقال الا تعجبون لابن الزبير قام في امره هذا فقلت لاحاسبن نفسي له ما حاسبتها لابي بكر ولا لعمر، ولهما كانا اولى بكل خير منه، وقلت ابن عمة النبي صلى الله عليه وسلم، وابن الزبير، وابن ابي بكر، وابن اخي خديجة، وابن اخت عايشة فاذا هو يتعلى عني ولا يريد ذلك فقلت ما كنت اظن اني اعرض هذا من نفسي، فيدعه، وما اراه يريد خيرا، وان كان لا بد لان يربني بنو عمي احب الى من ان يربني غيرهم
قَالَ مُجَاهِدٌ يَتَأَلَّفُهُمْ بِالْعَطِيَّةِ. মুজাহিদ বলেছেন, তাদেরকে দানের মাধ্যমে আকৃষ্ট করতেন। ৪৬৬৭. আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কিছু জিনিস প্রেরণ করা হল। এরপর তিনি সেগুলো চারজনের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন। আর বললেন, তাদেরকে (এর দ্বারা) আকৃষ্ট করছি। তখন এক ব্যক্তি বলল, আপনি সুবিচার করেননি। (এটা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এ ব্যক্তির বংশ থেকে এমন সব লোক জন্ম নেবে যারা দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে। [৩৩৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن ابيه، عن ابن ابي نعم، عن ابي سعيد رضى الله عنه قال بعث الى النبي صلى الله عليه وسلم بشىء، فقسمه بين اربعة وقال " اتالفهم ". فقال رجل ما عدلت. فقال " يخرج من ضيضي هذا قوم يمرقون من الدين
(الَّذِيْنَ يَلْمِزُوْنَ الْمُطَّوِّعِيْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ فِي الصَّدَقَاتِ) মু‘মিনদের মধ্যে যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সদাকাহ দেয় এবং যারা নিজেদের পরিশ্রমলব্ধ বস্তু ব্যতীত ব্যয় করার কিছুই পায় না, তাদেরকে যারা দোষারোপ করে ও ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে, আল্লাহ তাদের বিদ্রূপ করেন। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরাহ বারাআত ৯/৭৯) يَلْمِزُوْنَ يَعِيْبُوْنَ (وَجُهْدَهُمْ) وَجَهْدَهُمْ طَاقَتَهُمْ. يَلْمِزُوْنَ-তাদের পরিশ্রমে ত্রুটি ধরে, وَجُهْدَهُمْ -তাদের সাধ্যমত, وَجَهْدَهُمْ তাদের ক্ষমতা। ৪৬৬৮. আবূ মাস‘উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমাদের সদাকাহ দানের আদেশ দেয়া হল, তখন আমরা মজুরীর বিনিময়ে বোঝা বহন করতাম। একদিন আবূ ‘আকীল (রাঃ) অর্ধ সা’ খেজুর (দান করার উদ্দেশে) নিয়ে আসলেন এবং অন্য এক ব্যক্তি (‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ) তার চেয়ে অধিক মালামাল নিয়ে উপস্থিত হলেন। মুনাফিকরা বলতে লাগল, আল্লাহ এ ব্যক্তির সদাকাহর মুখাপেক্ষী নন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি [‘আবদুর রহমান ইবন ‘আওফ (রাঃ)] শুধু মানুষ দেখানোর জন্য অধিক মালামাল দান করেছে। এ সময় এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়- ‘‘মু‘মিনদের মধ্যে যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সদাকাহ দেয় এবং যারা নিজেদের পরিশ্রমলব্ধ বস্তু ব্যতীত ব্যয় করার কিছুই পায় না, তাদেরকে যারা দোষারোপ করে ও ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে, আল্লাহ তাদের বিদ্রূপ করেন। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি’’- (সূরাহ বারাআত ৯/৭৯)।[১৪১৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني بشر بن خالد ابو محمد، اخبرنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سليمان، عن ابي وايل، عن ابي مسعود، قال لما امرنا بالصدقة كنا نتحامل فجاء ابو عقيل بنصف صاع، وجاء انسان باكثر منه، فقال المنافقون ان الله لغني عن صدقة هذا، وما فعل هذا الاخر الا رياء. فنزلت {الذين يلمزون المطوعين من المومنين في الصدقات والذين لا يجدون الا جهدهم} الاية
আবূ মাস‘ঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদাকাহ করার নির্দেশ দিলে আমাদের মধ্য হতে কেউ কেউ অত্যন্ত পরিশ্রম করে, (গম অথবা খেজুর ইত্যাদি) এক মুদ্দ আনতে পারত কিন্তু এখন আমাদের মধ্যে কারো কারো এক লাখ পরিমাণ (দিরহাম) রয়েছে। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) যেন (এ কথা বলে) নিজের দিকে ইশারা করলেন। [১৪১৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، قال قلت لابي اسامة احدثكم زايدة عن سليمان عن شقيق عن اب��ي مسعود الانصاري قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يامر بالصدقة، فيحتال احدنا حتى يجيء بالمد، وان لاحدهم اليوم ماية الف. كانه يعرض بنفسه
(اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لَا تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِيْنَ مَرَّةً فَلَنْ يَغْفِرَ اللهُ لَهُمْ). আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন অথবা নাই করেন (উভয়ই সমান)। যদি আপনি তাদের জন্য সত্তর বারও ক্ষমা প্রার্থনা করেন তবুও আল্লাহ তাদেরকে কখনই ক্ষমা করবেন না। কারণ তারা তো কুফরী করেছে আল্লাহর সঙ্গে এবং তাঁর রাসূলের সঙ্গেও। আল্লাহ ফাসিক লোকদেরকে হিদায়াত দান করেন না। (সূরাহ বারাআত ৯/৮০) ৪৬৭০. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার ছেলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে আসলেন এবং তার পিতাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জামাটি দিয়ে কাফন দেবার আবেদন করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামা প্রদান করলেন, এরপর তিনি জানাযার সালাত আদায়ের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আবেদন জানালেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার সালাত পড়ানোর জন্য (বসা থেকে) উঠে দাঁড়ালেন, ইত্যবসরে ‘উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড় টেনে ধরে আবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তার জানাযার সালাত আদায় করতে যাচ্ছেন? অথচ আপনার রব আপনাকে তার জন্য দু‘আ করতে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তা‘আলা এ ব্যাপারে আমাকে (দু‘আ) করা বা না করার সুযোগ দিয়েছেন। আর আল্লাহ তো ইরশাদ করেছেন, ‘‘তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর; যদি সত্তরবারও তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর তবু আমি তাদের ক্ষমা করব না’’। সুতরাং আমি তার জন্য সত্তরবারের চেয়েও বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, সে তো মুনাফিক, শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযার সালাত আদায় করলেন, এরপর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়। ‘‘তাদের (মুনাফিকদের) কেউ মারা গেলে আপনি কক্ষনো তাদের জানাযার সালাত আদায় করবেন না এবং তাদের কবরের কাছেও দাঁড়াবেন না। [১২৬৯; মুসলিম ৪৪/২, হাঃ ২৪০০, আহমাদ ৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، عن ابي اسامة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال لما توفي عبد الله جاء ابنه عبد الله بن عبد الله الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساله ان يعطيه قميصه يكفن فيه اباه فاعطاه، ثم ساله ان يصلي عليه، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي فقام عمر فاخذ بثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله تصلي عليه وقد نهاك ربك ان تصلي عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انما خيرني الله فقال {استغفر لهم او لا تستغفر لهم ان تستغفر لهم سبعين مرة} وسازيده على السبعين ". قال انه منافق. قال فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فانزل الله {ولا تصل على احد منهم مات ابدا ولا تقم على قبره}
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূল মারা গেল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তার জানাযাহর সালাত আদায়ের জন্য আহবান করা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (জানাযার জন্য) উঠে দাঁড়ালেন, আমি তাঁর কাছে গিয়ে আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি ইবনু উবাই-এর জানাযার সালাত পড়াবেন? অথচ সে লোক অমুক দিন অমুক অমুক কথা বলেছে। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি তার কথাগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে এক একটি করে উল্লেখ করছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসি দিয়ে আমাকে বললেন, হে ‘উমার! আমাকে যেতে দাও। আমি বারবার বলাতে তিনি বললেন, আল্লাহ আমাকে করা বা না করার অবকাশ দিয়েছেন। আমি তা গ্রহণ করেছি। আমি যদি জানতে পারি যে, সত্তরবারের চেয়েও বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাকে আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমা করে দেবেন, তবে আমি সত্তরবারের অধিক ক্ষমা প্রার্থনা করব। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযার সালাত আদায় করলেন এবং (জানাযাহ) থেকে ফিরে আসার পরই সূরাহ বারাআতের এ আয়াত অবতীর্ণ হয়, ‘‘তাদের কেউ মারা গেলে কখনও তার জানাযাহর সালাত আদায় করবে না। এরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি অবিশ্বাস করেছে এবং ফাসিক অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। (সূরাহ বারাআত ৯/৮৪) ‘উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে আমার এ দুঃসাহসের জন্য পরে আমি আশ্চর্য হতাম। বস্তুতঃ আল্লাহ ও তার রাসূল অধিক জ্ঞাত। [১৩৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل،. وقال غيره حدثني الليث، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن عمر بن الخطاب رضى الله عنه انه قال لما مات عبد الله بن ابى ابن سلول دعي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي عليه فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وثبت اليه، فقلت يا رسول الله، اتصلي على ابن ابى وقد قال يوم كذا كذا وكذا قال اعدد عليه قوله، فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " اخر عني يا عمر ". فلما اكثرت عليه قال " اني خيرت فاخترت، لو اعلم اني ان زدت على السبعين يغفر له لزدت عليها ". قال فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم انصرف فلم يمكث الا يسيرا حتى نزلت الايتان من براءة {ولا تصل على احد منهم مات ابدا} الى قوله {وهم فاسقون} قال فعجبت بعد من جراتي على رسول الله صلى الله عليه وسلم والله ورسوله اعلم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন (মুনাফিক) ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার ছেলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন। তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম] তার নিজ জামাটি তাকে দিয়ে দিলেন এবং এর দ্বারা তার পিতার কাফনের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশ দিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযার সালাত আদায়ের জন্য উঠে দাঁড়ালেন। তখন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড় ধরে নিবেদন করলেন, [হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম] আপনি কি তার (‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই)-এর জানাযাহর সালাত আদায় করবেন? সে তো মুনাফিক, অথচ আল্লাহ তা‘আলা তাদের (মুনাফিকদের) জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে আপনাকে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (হে ‘উমার!) আল্লাহ আমাকে করা বা না করার অবকাশ দিয়েছেন, অথবা বলেছেন, আল্লাহ আমাকে অবহিত করেছেন এবং বলেছেন, ‘‘আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন অথবা নাই করেন (উভয়ই সমান)। যদি আপনি তাদের জন্য সত্তর বারও ক্ষমা প্রার্থনা করেন তবুও আল্লাহ তাদেরকে কখনই ক্ষমা করবেন না।’’ (সূরাহ বারাআত ৯/৮০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি সত্তরবারের চেয়েও অধিকবার ক্ষমা প্রার্থনা করব। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযাহর সালাত আদায় করলেন। আমরাও তার সঙ্গে জানাযাহর সালাত আদায় করলাম। এরপর এ আয়াত অবতীর্ণ হল, ‘‘তাদের (মুনাফিকদের) কেউ মারা গেলে আপনি তার জানাযাহর সালাত কখনও আদায় করবেন না এবং তার কবরের পার্শ্বে দাঁড়াবেন না। তারা তো আল্লাহ ও তার রাসূলকে অস্বীকার করেছে এবং ফাসিক অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করেছে’’- (সূরাহ বারাআত ৯/৮৪)।[১২৬৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني ابراهيم بن المنذر، حدثنا انس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما انه قال لما توفي عبد الله بن ابى جاء ابنه عبد الله بن عبد الله الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعطاه قميصه وامره ان يكفنه فيه ثم قام يصلي عليه، فاخذ عمر بن الخطاب بثوبه فقال تصلي عليه وهو منافق وقد نهاك الله ان تستغفر لهم. قال " انما خيرني الله او اخبرني فقال {استغفر لهم او لا تستغفر لهم ان تستغفر لهم سبعين مرة فلن يغفر الله لهم} فقال سازيده على سبعين ". قال فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم وصلينا معه ثم انزل الله عليه {ولا تصل على احد منهم مات ابدا ولا تقم على قبره انهم كفروا بالله ورسوله وماتوا وهم فاسقون}
(سَيَحْلِفُوْنَ بِاللهِ لَكُمْ إِذَا انْقَلَبْتُمْ إِلَيْهِمْ لِتُعْرِضُوْا عَنْهُمْ طفَأَعْرِضُوْا عَنْهُمْ جإِنَّهُمْ رِجْسٌ زوَّمَأْوٰﯨهُمْ جَهَنَّمُ ججَزَآءًم بِمَا كَانُوْا يَكْسِبُوْنَ). যখন তোমরা তাদের কাছে ফিরে আসবে তখন তারা তোমাদের সামনে আল্লাহর নামে কসম করবে যাতে তোমরা তাদেরকে তাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দাও; সুতরাং তোমরা তাদের থেকে বিরত থাক। তারা তো অপবিত্র। আর তাদের বাসস্থান হল জাহান্নাম। (সূরাহ বারাআত ৯/৯৫) ৪৬৭৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি যখন তাবূকের যুদ্ধে পিছনে রয়ে গেলেন, আল্লাহর কসম! তখন আল্লাহ আমাকে এমন এক নিয়ামত দান করেন যে মুসলিম হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এত বড় নিয়ামত পাইনি। তা হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে সত্য কথা প্রকাশ করা। আমি তাঁর কাছে মিথ্যা বলিনি। যদি মিথ্যা বলতাম, তবে অন্যান্য (মুনাফিক ও) মিথ্যাচারী যেভাবে ধ্বংস হয়েছে, আমিও সেভাবে ধ্বংস হয়ে যেতাম। যে সময় ওয়াহী অবতীর্ণ হল- ‘‘তারা তোমাদের সামনে কসম করবে যাতে তোমরা তাদের প্রতি রাজি হও। যদি তোমরা তাদের প্রতি রাজি হয়ে যাও তবুও আল্লাহ এসব ফাসিক লোকদের প্রতি রাজি হবেন না’’- (সূরাহ বারাআত ৯/৯৬)।[২৭৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن عبد الله، ان عبد الله بن كعب بن مالك، قال سمعت كعب بن مالك، حين تخلف عن تبوك، والله، ما انعم الله على من نعمة بعد اذ هداني اعظم من صدقي رسول الله صلى الله عليه وسلم ان لا اكون كذبته فاهلك كما هلك الذين كذبوا حين انزل الوحى {سيحلفون بالله لكم اذا انقلبتم اليهم} الى {الفاسقين}