Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫২৫ হাদিসসমূহ
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى : (إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُوْنَ.ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُوْنَ). মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই আপনিও মরণশীল আর তারাও মরণশীল। অতঃপর কিয়ামতের দিনে তোমরা উভয় দলই নিজ নিজ মোকাদ্দমা স্বীয় রবের সামনে পেশ করবে। (সূরাহ আয্-যুমার ৩৯/৩০-৩১) ৪৪২৮. ইউনুস (রহ.) ... যুহরী ও ‘উরওয়াহ (রহ.) সূত্রে বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে ইন্তিকাল করেন সে সময় তিনি বলতেন, হে ‘আয়িশাহ! আমি খাইবারে (বিষযুক্ত) যে খাবার খেয়েছিলাম আমি সর্বদা তার যন্ত্রণা অনুভব করছি। আর এখন মনে হচ্ছে সে বিষক্রিয়ার ফলে আমার শিরাগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
وقال يونس عن الزهري، قال عروة قالت عايشة رضى الله عنها كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول في مرضه الذي مات فيه " يا عايشة ما ازال اجد الم الطعام الذي اكلت بخيبر، فهذا اوان وجدت انقطاع ابهري من ذلك السم
উম্মুল ফযল বিনতে হারিস [1] (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মাগরিবের সালাতে সূরাহ وَالْمُرْسَلَاتِ عُرْفًا পাঠ করতে শুনেছি। তারপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রূহ কবজ করা পর্যন্ত তিনি আমাদের নিয়ে আর কোন সালাত আদায় করেননি। [৭৬৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن عبد الله بن عباس رضى الله عنهما عن ام الفضل بنت الحارث، قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرا في المغرب ب {المرسلات عرفا} ثم ما صلى لنا بعدها حتى قبضه الله
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে তাঁর কাছে বসাতেন।[1] এতে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমাদেরও তো ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বয়সী ছেলেপুলে আছে! তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, সে কেমন মর্যাদার লোক তা তো আপনারাও জানেন। এরপর ‘উমার (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে إِذَا جَآءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُএই আয়াতের মর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি বললেন, এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের খবর। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ত্থেকে তুমি যা (অর্থ) বুঝেছ আমিও তাই বুঝেছি। [৩৬২৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عرعرة، حدثنا شعبة، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كان عمر بن الخطاب رضى الله عنه يدني ابن عباس فقال له عبد الرحمن بن عوف ان لنا ابناء مثله. فقال انه من حيث تعلم. فسال عمر ابن عباس عن هذه الاية {اذا جاء نصر الله والفتح} فقال اجل رسول الله صلى الله عليه وسلم اعلمه اياه، فقال ما اعلم منها الا ما تعلم
সা‘ঈদ ইবনু জুবাইর (রহ.) থেকে বণিত, তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, বৃহস্পতিবার! বৃহস্পতিবারের ঘটনা কী? নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ-জ্বালা প্রবল হয়ে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমরা আমার কাছে এসো, আমি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দিয়ে যাই যাতে তোমরা এরপর কখনও বিভ্রান্ত না হও। তখন তারা পরস্পর মতভেদ করতে থাকে। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সান্নিধ্যে মতভেদ করা শোভনীয় নয়। এরপর কিছু সংখ্যক লোক বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবস্থা কেমন? তিনি কি বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন? তোমরা তাঁর কাছে থেকে বিষয়টি জেনে নাও। এতে তারা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ব্যাপারটি আবার উত্থাপন করল। তখন তিনি বললেন, তোমরা আমাকে আমার অবস্থায় থাকতে দাও, তোমরা যে কাজের দিকে আমাকে ডাকছ তার চেয়ে আমি ভাল অবস্থায় অবস্থান আছি। আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের তিনটি ওয়াসীয়াত করলেন- (১) আরব উপদ্বীপ[1] থেকে মুশরিকদের বহিষ্কার করে দিবে, (২) দূতদের সেরূপ সমাদর করবে যেমন আমি করতাম এবং তৃতীয়টি বলা থেকে তিনি চুপ থাকলেন অথবা বর্ণনাকারী বলেন, তৃতীয়টি আমি ভুলে গেছি। [১১৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا سفيان، عن سليمان الاحول، عن سعيد بن جبير، قال قال ابن عباس يوم الخميس وما يوم الخميس اشتد برسول الله صلى الله عليه وسلم وجعه فقال " ايتوني اكتب لكم كتابا لن تضلوا بعده ابدا ". فتنازعوا، ولا ينبغي عند نبي تنازع، فقالوا ما شانه اهجر استفهموه فذهبوا يردون عليه. فقال " دعوني فالذي انا فيه خير مما تدعوني اليه ". واوصاهم بثلاث قال " اخرجوا المشركين من جزيرة العرب، واجيزوا الوفد بنحو ما كنت اجيزهم ". وسكت عن الثالثة، او قال فنسيتها
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের সময় যখন ঘনিয়ে এলো এবং ঘরে ছিল লোকের সমাবেশ, তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা এসো, আমি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দেই, যেন তোমরা পরবর্তীতে পথভ্রষ্ট না হয়ে যাও। তখন তাদের মধ্যকার কিছুলোক বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ-যন্ত্রণা কঠিন হয়ে গেছে, আর তোমাদের কাছে তো কুরআন মওজুদ আছে। আল্লাহর কিতাবই আমাদের জন্য যথেষ্ট। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারের লোকজনের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয় এবং তারা পরস্পর বাক-বিতন্ডা করতে থাকেন। তাদের কেউ বললেন, তোমরা তার নিকট যাও, তিনি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দিবেন। যাতে তোমরা তাঁর পরে কোন বিভ্রান্তিতে না পড়। আবার কেউ বললেন অন্য কথা। বাক-বিতন্ডা ও মতভেদ যখন চরমে পৌঁছল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা উঠে চলে যাও। ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলতেন, এ ছিল অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণের (রাঃ) জন্য কিছু লিখে দেয়ার ব্যাপারে তাদের মতবিরোধ ও চেঁচামেচিই মূলত প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। [১১৪; মুসলিম ২৫/৫, হাঃ ১৬৩৭, আহমাদ ৪৪৩২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال لما حضر رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي البيت رجال، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هلموا اكتب لكم كتابا لا تضلوا بعده ". فقال بعضهم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد غلبه الوجع وعندكم القران، حسبنا كتاب الله. فاختلف اهل البيت واختصموا، فمنهم من يقول قربوا يكتب لكم كتابا لا تضلوا بعده. ومنهم من يقول غير ذلك، فلما اكثروا اللغو والاختلاف قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قوموا ". قال عبيد الله فكان يقول ابن عباس ان الرزية كل الرزية ما حال بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين ان يكتب لهم ذلك الكتاب لاختلافهم ولغطهم
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু-রোগকালে ফাতিমাহ (রাঃ)-কে ডেকে আনলেন এবং চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন ফাতেমাহ (রাঃ) কেঁদে ফেললেন; এরপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় তাঁকে ডেকে চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন হাসলেন। আমরা এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে আক্রান্ত আছেন এ রোগেই তাঁর ইন্তিকাল হবে এ কথাই তিনি গোপনে আমাকে বলেছেন। তখন আমি কাঁদলাম। আবার তিনি আমাকে চুপে চুপে বললেন, তাঁর পরিজনের মধ্যে সর্বপ্রথম আমিই তাঁর সঙ্গে মিলিত হব, তখন আমি হাসলাম। [৩৬২৩, ৩৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يسرة بن صفوان بن جميل اللخمي، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها قالت دعا النبي صلى الله عليه وسلم فاطمة عليها السلام في شكواه الذي قبض فيه، فسارها بشىء، فبكت، ثم دعاها فسارها بشىء فضحكت فسالنا عن ذلك. فقالت سارني النبي صلى الله عليه وسلم انه يقبض في وجعه الذي توفي فيه فبكيت، ثم سارني فاخبرني اني اول اهله يتبعه فضحكت
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু-রোগকালে ফাতিমাহ (রাঃ)-কে ডেকে আনলেন এবং চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন ফাতেমাহ (রাঃ) কেঁদে ফেললেন; এরপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় তাঁকে ডেকে চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন হাসলেন। আমরা এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে আক্রান্ত আছেন এ রোগেই তাঁর ইন্তিকাল হবে এ কথাই তিনি গোপনে আমাকে বলেছেন। তখন আমি কাঁদলাম। আবার তিনি আমাকে চুপে চুপে বললেন, তাঁর পরিজনের মধ্যে সর্বপ্রথম আমিই তাঁর সঙ্গে মিলিত হব, তখন আমি হাসলাম। [৩৬২৩, ৩৬২৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يسرة بن صفوان بن جميل اللخمي، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها قالت دعا النبي صلى الله عليه وسلم فاطمة عليها السلام في شكواه الذي قبض فيه، فسارها بشىء، فبكت، ثم دعاها فسارها بشىء فضحكت فسالنا عن ذلك. فقالت سارني النبي صلى الله عليه وسلم انه يقبض في وجعه الذي توفي فيه فبكيت، ثم سارني فاخبرني اني اول اهله يتبعه فضحكت
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এ কথা শুনেছিলাম যে, কোন নবী মারা যান না যতক্ষণ না তাঁকে বলা হয় দুনিয়া বা আখিরাতের একটি বেছে নিতে। যে রোগে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন সে রোগে আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যন্ত্রণায় কাতর অবস্থায় বলতে শুনেছি, তাঁদের সঙ্গে যাঁদের প্রতি আল্লাহ তা‘আলা নি‘য়ামাত প্রদান করেছেন- [তাঁরা হলেন- নবী (আঃ)-গণ, সিদ্দীকগণ এবং শাহীদগণ] (সূরাহ আন-নিসা ৪/৬৯)। তখন আমি ধারণা করলাম যে, তাঁকেও একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে। [৪৪৩৬, ৪৪৩৭, ৪৪৬৩, ৪৫৮৬, ৬৩৪৮, ৬৫০৯; মুসলিম ৪৪/১৩, হাঃ ২৪৪৪, আহমাদ ২৬৪৭৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن سعد، عن عروة، عن عايشة، قالت كنت اسمع انه لا يموت نبي حتى يخير بين الدنيا والاخرة، فسمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في مرضه الذي مات فيه واخذته بحة يقول {مع الذين انعم الله عليهم} الاية، فظننت انه خير
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু-রোগে আক্রান্ত হন, তখন তিনি বলছিলেন, فِي الرَّفِيْقِ الْأَعْلَى অর্থাৎ উচ্চে সমাসীন বন্ধুর সঙ্গে (মিলিত হতে চাই)। [৪৪৩৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، عن سعد، عن عروة، عن عايشة، قالت لما مرض النبي صلى الله عليه وسلم المرض الذي مات فيه جعل يقول " في الرفيق الاعلى
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থাবস্থায় বলতেন, জান্নাতে তাঁর স্থান দেখানো ব্যতীত কোন নবী (আঃ)-এর প্রাণ কখনো কবজ করা হয়নি। তারপর তাঁকে জীবন বা মৃত্যু একটি গ্রহণ করতে বলা হয়। এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হয়ে পড়লেন এবং তাঁর মাথা ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর উরুতে রাখাবস্থায় তাঁর জান কবজের সময় উপস্থিত হল তখন তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে গেলেন। এরপর যখন তিনি সংজ্ঞা ফিরে পেলেন তখন তিনি ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, হে আল্লাহ! উচ্চে সমাসীন বন্ধুর সঙ্গে (মিলিত হতে চাই)। অনন্তর আমি বললাম, তিনি আর আমাদের মাঝে থাকতে চাচ্ছেন না। এরপর আমি উপলব্ধি করলাম যে, এটা হচ্ছে ঐ কথা যা তিনি আমাদের কাছে সুস্থাবস্থায় বর্ণনা করতেন। [৪৪৩৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال عروة بن الزبير ان عايشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو صحيح يقول " انه لم يقبض نبي قط حتى يرى مقعده من الجنة ثم يحيا او يخير ". فلما اشتكى وحضره القبض وراسه على فخذ عايشة غشي عليه، فلما افاق شخص بصره نحو سقف البيت ثم قال " اللهم في الرفيق الاعلى ". فقلت اذا لا يجاورنا. فعرفت انه حديثه الذي كان يحدثنا وهو صحيح
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলেন। তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমার বুকে হেলান দেয়া অবস্থায় রেখেছিলাম এবং ‘আবদুর রহমানের হাতে তাজা মিসওয়াকের ডাল ছিল যা দিয়ে সে দাঁত পরিষ্কার করছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলেন। আমি মিসওয়াকটি নিলাম এবং তা চিবিয়ে নরম করলাম। তারপর তা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দিয়ে দাঁত মর্দন করলেন। আমি তাঁকে এর পূর্বে এত সুন্দরভাবে মিসওয়াক করতে আর কখনও দেখিনি। এ থেকে অবসর হয়েই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উভয় হাত অথবা আঙ্গুল উপরে উঠিয়ে তিনবার বললেন, উচ্চে সমাসীন বন্ধুর সঙ্গে (মিলিত হতে চাই) তারপর তিনি ইন্তিকাল করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলতেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বুক ও থুতনির মাঝে ইন্তিকাল করেন। [৮৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، حدثنا عفان، عن صخر بن جويرية، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، دخل عبد الرحمن بن ابي بكر على النبي صلى الله عليه وسلم وانا مسندته الى صدري، ومع عبد الرحمن سواك رطب يستن به، فابده رسول الله صلى الله عليه وسلم بصره، فاخذت السواك فقصمته ونفضته وطيبته، ثم دفعته الى النبي صلى الله عليه وسلم فاستن به، فما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم استن استنانا قط احسن منه، فما عدا ان فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم رفع يده او اصبعه ثم قال " في الرفيق الاعلى ". ثلاثا ثم قضى، وكانت تقول مات بين حاقنتي وذاقنتي
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হয়ে পড়তেন তখন তিনি আশ্রয় প্রার্থনার দুই সূরাহ (ফালাক ও নাস) পাঠ করে নিজ দেহে ফুঁক দিতেন এবং স্বীয় হাত দ্বারা শরীর মাসাহ করতেন। এরপর যখন মৃত্যু-রোগে আক্রান্ত হলেন, তখন আমি আশ্রয় প্রার্থনার সূরাহ দু’টি দিয়ে তাঁর শরীরে ফুঁ দিতাম, যা দিয়ে তিনি ফুঁ দিতেন। আর আমি তাঁর হাত দ্বারা তাঁর শরীর মাসাহ করিয়ে দিতাম। [৫০১৬, ৫৭৩৫, ৫৭৫১; মুসলিম ৩৯/২, হাঃ ২১৯২, আহমাদ ২৬২৪৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني حبان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة، ان عايشة رضى الله عنها اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا اشتكى نفث على نفسه بالمعوذات ومسح عنه بيده فلما اشتكى وجعه الذي توفي فيه طفقت انفث على نفسه بالمعوذات، التي كان ينفث، وامسح بيد النبي صلى الله عليه وسلم عنه
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পূর্বে যখন তাঁর পিঠ আমার উপর হেলান দেয়া অবস্থায় ছিল, তখন আমি কান ঝুঁকিয়ে দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার উপর রহম করুন এবং মহান বন্ধুর সঙ্গে আমাকে মিলিত করুন। [৫৬৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا عبد العزيز بن مختار، حدثنا هشام بن عروة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، ان عايشة، اخبرته انها، سمعت النبي صلى الله عليه وسلم واصغت اليه قبل ان يموت، وهو مسند الى ظهره يقول " اللهم اغفر لي وارحمني، والحقني بالرفيق
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সেই রোগাবস্থায় যাত্থেকে তিনি আর সেরে উঠেননি- বলেন, ইয়াহূদীদের প্রতি আল্লাহ লা’নত করেছেন। তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরগুলোকে সিজদার জায়গা করে নিয়েছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) মন্তব্য করেন, তা না হলে তবে তাঁর কবরকেও সিজদার জায়গা বানানোর আশঙ্কা ছিল। [৪৩৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الصلت بن محمد، حدثنا ابو عوانة، عن هلال الوزان، عن عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه " لعن الله اليهود، اتخذوا قبور انبيايهم مساجد ". قالت عايشة لولا ذلك لابرز قبره. خشي ان يتخذ مسجدا
নবী সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ প্রবল হল ও ব্যথা বেড়ে গেল, তখন তিনি আমার ঘরে সেবা-শুশ্রূষা পাওয়ার ব্যাপারে তাঁর স্ত্রীগণের নিকট অনুমতি চাইলেন। তাঁরা অনুমতি দিলেন। তারপর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হয়ে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও অপর একজন সাহাবীর মাঝে যমীনের উপর পা হিঁচড়ে চলতে লাগলেন। ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে ‘আয়িশাহ কথিত ব্যক্তি সম্পর্কে জানালাম, তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, তুমি কি সেই অন্য ব্যক্তিকে জান যার নাম ‘আয়িশাহ (রাঃ) উল্লেখ করেননি? আমি বললাম, না। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তিনি হলেন ‘আলী (রাঃ)। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করতেন যে, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর ব্যথা বেড়ে গেল, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন সাত মশক যার মুখ এখনও খোলা হয়নি, তা থেকে আমার শরীরে পানি ঢেলে দাও। যেন আমি (সুস্থ হয়ে) লোকদের নাসীহাত দিতে পারি। এরপর আমরা তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী হাফসাহ (রাঃ)-এর একটি বড় গামলায় বসালাম। তারপর আমরা উক্ত মশক হতে তাঁর উপর ততক্ষণ পর্যন্ত পানি ঢালতে লাগলাম যতক্ষণ না তিনি তাঁর হাত দ্বারা আমাদের ইশারা করে জানালেন যে, তোমরা তোমাদের কাজ পুরা করেছ। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তারপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে জামা‘আতে সালাত আদায় করলেন এবং তাদের উদ্দেশে খুতবা দিলেন। [১৯৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم واشتد به وجعه استاذن ازواجه ان يمرض في بيتي، فاذن له، فخرج وهو بين الرجلين تخط رجلاه في الارض، بين عباس بن عبد المطلب وبين رجل اخر. قال عبيد الله فاخبرت عبد الله بالذي قالت عايشة، فقال لي عبد الله بن عباس هل تدري من الرجل الاخر الذي لم تسم عايشة قال قلت لا. قال ابن عباس هو علي. وكانت عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما دخل بيتي واشتد به وجعه قال " هريقوا على من سبع قرب لم تحلل اوكيتهن لعلي اعهد الى الناس ". فاجلسناه في مخضب لحفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، ثم طفقنا نصب عليه من تلك القرب، حتى طفق يشير الينا بيده ان قد فعلتن قالت ثم خرج الى الناس فصلى لهم وخطبهم
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহ.) আমাকে জানালেন যে, ‘আয়িশাহ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উভয়ে বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগ-যাতনায় অস্থির হতেন তখন তিনি তাঁর কালো চাদর দিয়ে নিজ মুখমন্ডল ঢেকে রাখতেন। আবার যখন জ্বরের উষ্ণতা কমত তখন মুখমন্ডল থেকে চাদর সরিয়ে ফেলতেন। রাবী বলেন, এরূপ অবস্থায়ও তিনি বলতেন, ইয়াহূদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর লা‘নত, তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কৃতকর্ম থেকে সতর্ক করা হয়েছে। [৪৩৫, ৪৩৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
واخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عايشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فاذا اغتم كشفها عن وجهه وهو كذلك يقول " لعنة الله على اليهود والنصارى، اتخذوا قبور انبيايهم مساجد ". يحذر ما صنعوا
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহ.) আমাকে জানালেন যে, ‘আয়িশাহ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উভয়ে বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগ-যাতনায় অস্থির হতেন তখন তিনি তাঁর কালো চাদর দিয়ে নিজ মুখমন্ডল ঢেকে রাখতেন। আবার যখন জ্বরের উষ্ণতা কমত তখন মুখমন্ডল থেকে চাদর সরিয়ে ফেলতেন। রাবী বলেন, এরূপ অবস্থায়ও তিনি বলতেন, ইয়াহূদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর লা‘নত, তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কৃতকর্ম থেকে সতর্ক করা হয়েছে। [৪৩৫, ৪৩৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
واخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عايشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فاذا اغتم كشفها عن وجهه وهو كذلك يقول " لعنة الله على اليهود والنصارى، اتخذوا قبور انبيايهم مساجد ". يحذر ما صنعوا
‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) বলেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি আবূ বাকর (রাঃ)-এর ইমামতের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বারবার আপত্তি করেছি। আর আমার তাঁর কাছে বারবার আপত্তি করার কারণ ছিল এই, আমার অন্তরে এ কথা আসেনি যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে তাঁর স্থলে কেউ দাঁড়ালে লোকেরা তাকে পছন্দ করবে। বরং আমি মনে করতাম যে, কেউ তাঁর স্থলে দাঁড়ালে লোকেরা তাঁর প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করবে, তাই আমি ইচ্ছা করলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দায়িত্ব আবূ বাকর (রাঃ)-এর পরিবর্তে অন্য কাউকে প্রদান করুন। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, এ হাদীস ইবনু ‘উমার, আবূ মূসা ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। [১৯৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
اخبرني عبيد الله، ان عايشة، قالت لقد راجعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك، وما حملني على كثرة مراجعته الا انه لم يقع في قلبي ان يحب الناس بعده رجلا قام مقامه ابدا، ولا كنت ارى انه لن يقوم احد مقامه الا تشاءم الناس به، فاردت ان يعدل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ابي بكر. رواه ابن عمر وابو موسى وابن عباس رضى الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করার সময় আমার বুক ও থুতনির মাঝে ছিলেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর (মৃত্যু-যন্ত্রণার) পর আমি আর কারো জন্য মৃত্যু-যন্ত্রণাকে খারাপ মনে করি না। [৮৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال حدثني ابن الهاد، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، قالت مات النبي صلى الله عليه وسلم وانه لبين حاقنتي وذاقنتي، فلا اكره شدة الموت لاحد ابدا بعد النبي صلى الله عليه وسلم
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছ হতে বের হয়ে আসেন যখন তিনি মৃত্যুরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তখন সাহাবীগণ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবুল হাসান! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ কেমন আছেন? তিনি বললেন, আল্-হাম্দুলিল্লাহ, তিনি কিছুটা সুস্থ। তখন ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) তাঁর হাত ধরে তাঁকে বললেন, আল্লাহর কসম! তুমি তিন দিন পরে হবে লাঠির দাস।[1] আল্লাহর শপথ! আমি মনে করি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই রোগে অচিরেই ইনতিকাল করবেন। কারণ, আমি আবদুল মুত্তালিবের বংশের অনেকের মৃত্যুকালীন অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছি। চল যাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করি যে, তিনি (নেতৃত্বের) দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত করে যাচ্ছেন। যদি আমাদের মধ্যে থাকে তো তা আমরা জানব। আর যদি আমাদের ব্যতীত অন্যদের উপর ন্যস্ত করে যান, তাহলে তাও আমরা জানতে পারব এবং তিনি অসীয়াত করে যাবেন। তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! যদি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমরা জিজ্ঞেস করি আর তিনি আমাদের নিষেধ করে দেন, তবে তারপরে লোকেরা আর আমাদের তা প্রদান করবে না। আল্লাহর কসম! আমি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করব না। [৬২৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق، اخبرنا بشر بن شعيب بن ابي حمزة، قال حدثني ابي، عن الزهري، قال اخبرني عبد الله بن كعب بن مالك الانصاري وكان كعب بن مالك احد الثلاثة الذين تيب عليهم ان عبد الله بن عباس اخبره ان علي بن ابي طالب رضى الله عنه خرج من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجعه الذي توفي فيه، فقال الناس يا ابا حسن، كيف اصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اصبح بحمد الله باريا، فاخذ بيده عباس بن عبد المطلب، فقال له انت والله بعد ثلاث عبد العصا، واني والله لارى رسول الله صلى الله عليه وسلم سوف يتوفى من وجعه هذا، اني لاعرف وجوه بني عبد المطلب عند الموت، اذهب بنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلنساله فيمن هذا الامر، ان كان فينا علمنا ذلك، وان كان في غيرنا علمناه فاوصى بنا. فقال علي انا والله لين سالناها رسول الله صلى الله عليه وسلم فمنعناها لا يعطيناها الناس بعده، واني والله لا اسالها رسول الله صلى الله عليه وسلم