Loading...

Loading...
বইসমূহ
১২৭ হাদিসসমূহ
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ‘আয়িশাহ! জিবরাঈল (আঃ) তোমাকে সালাম বলেছেন। আমি উত্তরে বললাম, ‘‘ওয়া আলাইহিস্ সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। আপনি যা দেখতে পান আমি তা দেখতে পাই না। এ কথা দ্বারা তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বুঝিয়েছেন। (৩২১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، قال ابو سلمة ان عايشة رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما " يا عايش، هذا جبريل يقريك السلام ". فقلت وعليه السلام ورحمة الله وبركاته، ترى ما لا ارى. تريد رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু নারীদের মধ্যে মারইয়াম বিনত ‘ইমরান ও ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়া (রহ.) ছাড়া অন্য কেউ তাদের মত পূর্ণতাপ্রাপ্ত হননি। আর ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অন্যান্য নারীদের উপর এমন যেমন সারীদ অর্থাৎ গোশ্ত এবং রুটি দ্বারা তৈরী খাদ্য বিশেষ এর মর্যাদা অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের উপর। (৩৪১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، قال وحدثنا عمرو، اخبرنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن مرة، عن ابي موسى الاشعري رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كمل من الرجال كثير، ولم يكمل من النساء الا مريم بنت عمران، واسية امراة فرعون، وفضل عايشة على النساء كفضل الثريد على ساير الطعام
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা নারীদের উপর এমন যেমন সারীদের মর্যাদা অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের উপর। (৪৫১৯, ৫৪২৮, মুসলিম ৪৪/১৩ হাঃ ২৪৪৬, আহমাদ ১৩৭৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثني محمد بن جعفر، عن عبد الله بن عبد الرحمن، انه سمع انس بن مالك رضى الله عنه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " فضل عايشة على النساء كفضل الثريد على الطعام
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাঃ) যখন (মৃত্যু) রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লেন। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এসে বললেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! আপনি প্রথম সত্যবাদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর-এর নিকট যাচ্ছেন। (৪৭৫৩, ৪৭৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب بن عبد المجيد، حدثنا ابن عون، عن القاسم بن محمد، ان عايشة، اشتكت، فجاء ابن عباس فقال يا ام المومنين، تقدمين على فرط صدق على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى ابي بكر
আবূ ওয়াইল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) তাঁর স্বপক্ষে জিহাদে সাহায্য করার জন্য লোক সংগ্রহের জন্য আম্মার ও হাসান (রাঃ)-কে কুফায় পাঠান। আম্মার (রাঃ) তাঁর ভাষণে একদা বললেন, এ কথা আমি ভালভাবেই জানি যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুনিয়া ও আখিরাতের সম্মানিতা স্ত্রী। কিন্তু এখন আল্লাহ্ তোমাদেরকে পরীক্ষা করছেন যে তোমরা কি ‘আলী (রাঃ)-এর আনুগত্য করবে, না ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর আনুগত্য করবে? (৭১০০, ৭১০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن الحكم، سمعت ابا وايل، قال لما بعث علي عمارا والحسن الى الكوفة ليستنفرهم خطب عمار فقال اني لاعلم انها زوجته في الدنيا والاخرة، ولكن الله ابتلاكم لتتبعوه او اياها
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আসমা (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি হার চেয়ে নিয়েছিলেন। পরে হারটি হারিয়ে যায়। এর অনুসন্ধানে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু সাহাবীকে পাঠালেন। ইতোমধ্যে সালাতের সময় হয়ে গেলে তাঁরা পানির অভাবে উযূ ব্যতীতই সালাত আদায় করলেন। তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে এই বিষয়ে অভিযোগ পেশ করলেন। তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হল। উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) বললেন, (হে ‘আয়িশাহ) আল্লাহ্ আপনাকে উত্তম প্রতিদানে পুরস্কৃত করুন। আল্লাহর কসম! যখনই আপনি কোন সমস্যায় পড়েছেন, তখনই আল্লাহ তা‘আলা তা থেকে আপনাকে বের করে এনেছেন এবং মুসলিমদের জন্য এর মধ্যে বরকত রেখে দিয়েছেন। (৩৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها انها استعارت من اسماء قلادة فهلكت، فارسل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناسا من اصحابه في طلبها، فادركتهم الصلاة، فصلوا بغير وضوء، فلما اتوا النبي صلى الله عليه وسلم شكوا ذلك اليه، فنزلت اية التيمم. فقال اسيد بن حضير جزاك الله خيرا، فوالله ما نزل بك امر قط الا جعل الله لك منه مخرجا، وجعل للمسلمين فيه بركة
‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত্যু রোগে আক্রান্ত তখন সহধর্মিণীদের ঘরে পালাক্রমে থাকতে লাগলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থানের ইচ্ছায় এ কথাটি বলতেন, ‘‘আগামীকাল আমি কার ঘরে থাকব? আগামীকাল আমি কার ঘরে থাকব? ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমার ঘরে অবস্থানের দিনই তিনি শান্তি লাভ করলেন। (৮৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما كان في مرضه، جعل يدور في نسايه ويقول " اين انا غدا اين انا غدا ". حرصا على بيت عايشة، قالت عايشة فلما كان يومي سكن
‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাদীয়া প্রদানের জন্য ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর গৃহে তাঁর অবস্থানের দিন হিসাব করতেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, একদা আমার সতীনগণ উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর নিকট সমবেত হয়ে বললেন, হে উম্মু সালামাহ! আল্লাহর কসম, লোকজন তাদের উপঢৌকনসমূহ প্রেরণের জন্য ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর গৃহে অবস্থানের দিন গণনা করেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর মত আমরাও কল্যাণ আকাঙ্ক্ষা করি। আপনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলুন, তিনি যেন লোকদের বলে দেন, তারা যেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন যেখানেই অবস্থান করেন সেখানেই তারা হাদীয়া পাঠিয়ে দেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে এ বিষয় উল্লেখ করলেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কথা শুনে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পরে আমার গৃহে অবস্থানের জন্য পুনরায় আসলে আমি ঐ কথা তাঁকে বলি। এবারও তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন। তৃতীয়বারেও আমি ঐ কথা তাঁকে বললাম, তিনি বললেন, হে উম্মু সালামাহ! ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর ব্যাপারে তোমরা আমাকে কষ্ট দিও না। আল্লাহর কসম, তোমাদের মধ্যে ‘আয়িশাহ (রাঃ) ছাড়া অন্য কারো শয্যায় শায়িত থাকা কালীন আমার উপর ওয়াহী নাযিল হয়নি। (২৫৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا حماد، حدثنا هشام، عن ابيه،، قال كان الناس يتحرون بهداياهم يوم عايشة قالت عايشة فاجتمع صواحبي الى ام سلمة، فقلن يا ام سلمة، والله ان الناس يتحرون بهداياهم يوم عايشة، وانا نريد الخير كما تريده عايشة، فمري رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يامر الناس ان يهدوا اليه حيث ما كان او حيث ما دار، قالت فذكرت ذلك ام سلمة للنبي صلى الله عليه وسلم قالت فاعرض عني، فلما عاد الى ذكرت له ذاك فاعرض عني، فلما كان في الثالثة ذكرت له فقال " يا ام سلمة لا توذيني في عايشة، فانه والله ما نزل على الوحى وانا في لحاف امراة منكن غيرها