Loading...

Loading...
বইসমূহ
১২৭ হাদিসসমূহ
وَمَنْ صَحِبَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ رَآهُ مِنْ الْمُسْلِمِيْنَ فَهُوَ مِنْ أَصْحَابِهِ মুসলিমদের মধ্য হতে যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গ লাভ করেছেন অথবা তাঁকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিনি দেখেছেন তিনি তাঁর সাহাবী। ৩৬৪৯. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, লোকেদের উপর এমন এক সময় আসবে যখন তাদের বিরাট সৈন্যবাহিনী জিহাদের জন্য বের হবে। তখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহচর্য লাভ করেছেন? তাঁরা বলবেন, হাঁ আছেন। তখন তাদেরকে জয়ী করা হবে। অতঃপর জনগণের উপর পুনরায় এমন এক সময় আসবে যখন তাদের বিরাট বাহিনী যুদ্ধে লিপ্ত থাকবে। তখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহচর্য প্রাপ্ত কোন ব্যক্তির সাহচর্য লাভ করেছেন? তখন তারা বলবেন, হাঁ আছেন। তখন তাদেরকে জয়ী করা হবে। অতঃপর লোকদের উপর এমন এক সময় আসবে, যখন তাদের বিরাট বাহিনী জিহাদে অংশগ্রহণ করবে। তখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি, যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের সাহচর্য প্রাপ্ত কোন ব্যক্তির সাহচর্য প্রাপ্ত হয়েছেন? বলা হবে আছেন। তখন তাদেরকে জয়ী করা হবে। (২৮৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، قال سمعت جابر بن عبد الله رضى الله عنهما يقول حدثنا ابو سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ياتي على الناس زمان فيغزو فيام من الناس، فيقولون فيكم من صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم. فيفتح لهم. ثم ياتي على الناس زمان فيغزو فيام من الناس، فيقال هل فيكم من صاحب اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم. فيفتح لهم، ثم ياتي على الناس زمان فيغزو فيام من الناس، فيقال هل فيكم من صاحب من صاحب اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم. فيفتح لهم
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মাতের সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ আমার যুগ। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, তিনি তাঁর যুগের পর দু’যুগ অথবা তিন যুগ বলেছেন তা আমার স্মরণ নেই। অতঃপর এমন লোকের আগমন ঘটবে যারা সাক্ষ্য প্রদানে আগ্রহী হবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। বিশ্বাস ভঙ্গের কারণে তাদেরকে কেউ বিশ্বাস করবে না। তারা মানত করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। তারা হবে চর্বিওয়ালা মোটাসোটা। (২৬৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق، حدثنا النضر، اخبرنا شعبة، عن ابي جمرة، سمعت زهدم بن مضرب، سمعت عمران بن حصين رضى الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير امتي قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ". قال عمران فلا ادري اذكر بعد قرنه قرنين او ثلاثا " ثم ان بعدكم قوما يشهدون ولا يستشهدون، ويخونون ولا يوتمنون، وينذرون ولا يفون، ويظهر فيهم السمن
আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমার উম্মাতের সর্বোত্তম মানুষ আমার যুগের মানুষ (সাহাবীগণ)। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। অতঃপর এমন লোকদের আগমন হবে যাদের কেউ সাক্ষ্য দানের পূর্বে কসম এবং কসমের পূর্বে সাক্ষ্য দান করবে। ইব্রাহীম (নাখ্য়ী; রাবী) বলেন, ছোট বেলায় আমাদের মুরুববীগণ আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য এবং ওয়াদা-অঙ্গীকার করার কারণে আমাদেরকে মারধর করতেন। (২৬৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الناس قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم، ثم يجيء قوم تسبق شهادة احدهم يمينه ويمينه شهادته ". قال ابراهيم وكانوا يضربونا على الشهادة والعهد ونحن صغار
مِنْهُمْ أَبُوْ بَكْرٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِيْ قُحَافَةَ التَّيْمِيُّ তাদের মধ্য হতে আবূ বাকর ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ কুহাফা তায়মী (রাঃ)। وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى : لِلْفُقَرَآءِ الْمُهَاجِرِيْنَ الَّذِيْنَ أُخْرِجُوْا مِنْ دِيَارِهِمْ وَأَمْوَالِهِمْ يَبْتَغُوْنَ فَضْلًا مِّنْ اللهِ وَرِضْوَانًا وَيَنْصُرُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَه” أُوْلٰٓئِكَ هُمْ الصَّادِقُوْنَ (الحشر : 8) وَقَالَ اللهُ إِلَّا تَنْصُرُوْهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللهُ إِلَى قَوْلِهِ إِنَّ اللهَ مَعَنَا (التوبة : 40) قَالَتْ عَائِشَةُ وَأَبُوْ سَعِيْدٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَكَانَ أَبُوْ بَكْرٍ مَعَ النَّبِيِّ فِي الْغَارِ মহান আল্লাহর বাণীঃ এ সম্পদ অভাবগ্রস্ত মুহাজিরদের জন্য.....(আল-হাশর ৮) এবং মহান আল্লাহর বাণীঃ যদি তোমরা তাকে সাহায্য না কর তবে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছিলেন। (আত্-তওবা ৪০) ‘আয়িশাহ, আবূ সা‘ঈদ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাওর পর্বতের গুহায় ছিলেন। ৩৬৫২. বারাআ (ইবনু ‘আযিব) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) ‘আযিব (রাঃ)-এর নিকট হতে তের দিরহামের একটি হাওদা কিনলেন। আবূ বাকর (রাঃ) ‘আযিবকে বললেন, তোমার ছেলে বারাকে হাওদাটি আমার নিকট পৌঁছে দিতে বল। ‘আযিব (রাঃ) বললেন, আমি বারাকে বলব না যতক্ষণ আপনি আমাদেরকে সবিস্তারে বর্ণনা করে না শুনাবেন যে আপনি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী করছিলেন যখন আপনারা মক্কা হতে বেরিয়ে পড়েছিলেন? আর মক্কার মুশরিকগণ আপনাদের পিছু ধাওয়া করেছিল। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমরা মক্কা হতে বেরিয়ে সারা রাত এবং পরের দিন দুপুর পর্যন্ত অবিরত চললাম। যখন ঠিক দুপুর হয়ে গেল, এবং উত্তাপ তীব্র হলো আমি চারদিকে চেয়ে দেখলাম কোথাও কোন ছায়া দেখা যায় কিনা, যেন আমরা সেখানে বিশ্রাম নিতে পারি। তখন একটি বড় আকারের পাথরে চোখে পড়ল। এই পাথরটির পাশে কিছু ছায়াও আছে। আমি সেখানে আসলাম এবং ঐ ছায়াপূর্ণ জায়গাটি সমতল করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য বিছানা করে দিলাম এবং বললাম, হে আল্লাহর নবী! আপনি এখানে শুয়ে পড়ুন। তিনি শুয়ে পড়লেন। আমি চারদিকের অবস্থা দেখার জন্য বেরিয়ে পড়লাম, আমাদের খোঁজে কেউ আসছে কিনা? ঐ সময় আমি দেখতে পেলাম, একজন মেষ পালক তার ভেড়া ছাগল হাঁকিয়ে ঐ পাথরের দিকে আসছে। সেও আমাদের মত ছায়া খোঁজ করছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, হে যুবক! তুমি কার রাখাল? সে একজন কুরাঈশের নাম বলল, আমি তাকে চিনতে পারলাম। আমি তাকে শুধালাম, তোমার বক্রীর পালে দুধেল বকরী আছে কি? সে বলল, হাঁ আছে। আমি বললাম। তুমি কি আমাদেরকে দুধ দোহন করে দিবে? সে বলল, হাঁ, দিব। আমি তাকে তা দিতে বললে তৎক্ষণাৎ সে বক্রীর পাল হতে একটি বক্রী ধরে নিয়ে এল এবং পিছনের পা দু’টি বেঁধে নিল। আমি তাকে বললাম, বকরীর স্তন দু’টি ঝেড়ে মুছে ধূলাবালি হতে পরিষ্কার করে নাও এবং তোমার হাত দু’টি পরিষ্কার কর। তিনি এক হাত অন্য হাতের উপর মেরে (পরিষ্কারের ধরণ) দেখালেন। অতঃপর সে আমাদেরকে পাত্র ভরে দুধ এনে দিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য একটি চামড়ার পাত্র সঙ্গে রেখে ছিলাম যার মুখ কাপড় দ্বারা বাঁধা ছিল। আমি দুধে অল্প পানি মিশিয়ে দিলাম যেন দুধের নিম্নভাগও ঠান্ডা হয়ে যায়। অতঃপর আমি দুধ নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হয়ে দেখলাম তিনি জেগেছেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি দুধ পান করুন। তিনি দুধ পান করলেন। আমি খুশী হলাম। অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের রওয়ানা হওয়ার সময় হয়েছে কি? তিনি বললেন, হাঁ হয়েছে। আমরা রওয়ানা দিলাম। মক্কাবাসী মুশরিকরা আমাদের খোঁজে ছুটাছুটি করছে। কিন্তু সুরাকা ইবনু মালিক ইবনু জু‘শাম ছাড়া আমাদের সন্ধান তাদের অন্য কেউ পায়নি। সে ঘোড়ায় চড়ে আসছিল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! খোঁজকারী আমাদের দেখা পেয়ে গেল। তিনি বললেন, চিন্তা করো না, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ্ আমাদের সঙ্গে আছেন। (২৪৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন গুহায় আত্মগোপন করেছিলাম তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম, যদি কাফিররা তাদের পায়ের নীচের দিকে দৃষ্টিপাত করে তবে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবূ বাকর, ঐ দুই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার কী ধারণা আল্লাহ্ যাঁদের তৃতীয় জন। (৩৯২২, ৪৬৬৩, মুসলিম ৪৪/১, হাঃ ২৩৮১, আহমাদ ১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا همام، عن ثابت، عن انس، عن ابي بكر رضى الله عنه قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم وانا في الغار لو ان احدهم نظر تحت قدميه لابصرنا. فقال " ما ظنك يا ابا بكر باثنين الله ثالثهما
قَالَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ এ বিষয়ে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ৩৬৫৪. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা সাহাবীদের উদ্দেশ্যে খুত্বার কালে বললেন, আল্লাহ্ তাঁর এক প্রিয় বান্দাকে পার্থিব ভোগ বিলাস এবং তাঁর নিকট রক্ষিত নি‘মাতসমূহ এ দু’য়ের মধ্যে যে কোন একটি বেছে নেয়ার স্বাধীনতা দান করেছেন এবং ঐ বান্দা আল্লাহর নিকট রক্ষিত নিয়ামতসমূহ বেছে নিয়েছে। রাবী বলেন তখন আবূ বাকর (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন। তাঁর কান্না দেখে আমরা আশ্চর্যান্বিত হলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বান্দার খবর দিচ্ছেন যাকে এভাবে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে (তাতে কান্নার কী কারণ থাকতে পারে?) কিন্তু পরে আমরা বুঝতে পারলাম, ঐ বান্দা স্বয়ং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি তার ধন-সম্পদ দিয়ে, তার সঙ্গ দিয়ে আমার উপর সর্বাধিক ইহসান করেছে সে ব্যক্তি হল আবূ বাকর (রাঃ)। আমি যদি আমার রব ছাড়া অন্য কাউকে আন্তরিক বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তাহলে অবশ্যই আবূ বাকরকে করতাম। তবে তার সঙ্গে আমার দ্বীনী ভ্রাতৃত্ব, আন্তরিক ভালবাসা আছে। মসজিদের দিকে আবূ বাকরের দরজা ছাড়া অন্য কোন দরজা খোলা রাখা যাবে না। (৪৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عامر، حدثنا فليح، قال حدثني سالم ابو النضر، عن بسر بن سعيد، عن ابي سعيد الخدري رضى الله عنه قال خطب رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس وقال " ان الله خير عبدا بين الدنيا وبين ما عنده فاختار ذلك العبد ما عند الله ". قال فبكى ابو بكر، فعجبنا لبكايه ان يخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن عبد خير. فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم هو المخير وكان ابو بكر اعلمنا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان من امن الناس على في صحبته وماله ابا بكر، ولو كنت متخذا خليلا غير ربي لاتخذت ابا بكر، ولكن اخوة الاسلام ومودته، لا يبقين في المسجد باب الا سد، الا باب ابي بكر
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সাহাবীগণের পারস্পরিক মর্যাদা নির্ণয় করতাম। আমরা সর্বাপেক্ষা মর্যাদা দিতাম আবূ বাকর (রাঃ)-কে তাঁরপর ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে, অতঃপর ‘উসমান ইবনু আফ্ফান (রাঃ)-কে। (৩৬৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كنا نخير بين الناس في زمن النبي صلى الله عليه وسلم فنخير ابا بكر، ثم عمر بن الخطاب، ثم عثمان بن عفان رضى الله عنهم
قَالَهُ أَبُوْ سَعِيْدٍ আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) এটা বর্ণনা করেছেন। ৩৬৫৬. আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি আমার উম্মাতের কাউকে যদি আন্তরিক বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে আবূ বাকরকেই গ্রহণ করতাম। তবে তিনি আমার ভাই ও আমার সাহাবী। (৪৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ولو كنت متخذا من امتي خليلا لاتخذت، ابا بكر ولكن اخي وصاحبي
আইয়ুব (রহ.) হতে বর্ণিত। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি কাউকে আন্তরিক বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে তাকেই আন্তরিক বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। কিন্তু ইসলামী ভ্রাতৃত্বই শ্রেয়তম। কুতায়বা (রহ.)....আইয়ুব (রহ.) হতে ঐরূপ বর্ণনা করেন। (৪৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى، وموسى، قالا حدثنا وهيب، عن ايوب، وقال، " لو كنت متخذا خليلا لاتخذته خليلا، ولكن اخوة الاسلام افضل ". حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الوهاب، عن ايوب، مثله
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুফাবাসীগণ দাদার (অংশ) সম্পর্কে জানতে চেয়ে ইবনু যুবায়রের নিকট পত্র পাঠালেন, তিনি বললেন, ঐ মহান ব্যক্তি যাঁর সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ উম্মাতের কাউকে যদি আন্তরিক বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে তাকেই করতাম, (অর্থাৎ আবূ বাকর (রাঃ) তিনি দাদাকে মিরাসের ক্ষেত্রে পিতার সম মর্যাদা দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، اخبرنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن عبد الله بن ابي مليكة، قال كتب اهل الكوفة الى ابن الزبير في الجد. فقال اما الذي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كنت متخذا من هذه الامة خليلا لاتخذته ". انزله ابا يعني ابا بكر
জুবায়র ইবনু মুত‘ঈম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক স্ত্রীলোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এল। তিনি তাঁকে আবার আসার জন্য বললেন। স্ত্রীলোকটি বলল, আমি এসে যদি আপনাকে না পাই তবে কী করব? এ কথা দ্বারা স্ত্রীলোকটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর প্রতি ইশারা করেছিল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি আমাকে না পাও তাহলে আবূ বাকরের নিকট আসবে। (৭২২০, ৭৩৬০, মুসলিম ৪৪/১, হাঃ ২৩৮৬, আহমাদ ১৬৭৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، ومحمد بن عبد الله، قالا حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن ابيه، قال اتت امراة النبي صلى الله عليه وسلم فامرها ان ترجع اليه. قالت ارايت ان جيت ولم اجدك كانها تقول الموت. قال عليه السلام " ان لم تجديني فاتي ابا بكر
আম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমন অবস্থায় দেখেছি যে তাঁর সঙ্গে মাত্র পাঁচজন গোলাম, দু’জন মহিলা এবং আবূ বাকর (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। (৩৮৫৭) আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ
حدثني احمد بن ابي الطيب، حدثنا اسماعيل بن مجالد، حدثنا بيان بن بشر، عن وبرة بن عبد الرحمن، عن همام، قال سمعت عمارا، يقول رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم وما معه الا خمسة اعبد وامراتان وابو بكر
আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় আবূ বাকর (রাঃ) পরনের কাপড়ের একপাশ এমনভাবে ধরে আসলেন যে তার দু’ হাঁটু বেরিয়ে পড়ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের এ সাথী এই মাত্র কারো সঙ্গে ঝগড়া করে আসছে। তিনি সালাম করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এবং ‘উমার ইবনু খাত্তাবের মাঝে একটি বিষয়ে কিছু কথা কাটাকাটি হয়ে গেছে। আমিই প্রথমে কটু কথা বলেছি। অতঃপর আমি লজ্জিত হয়ে তার কাছে মাফ চেয়েছি। কিন্তু তিনি মাফ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এখন আমি আপনার নিকট হাযির হয়েছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ তোমাকে মাফ করবেন, হে আবূ বাকর (রাঃ)! এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আবূ বাকর (রাঃ)-এর বাড়িতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ বাকর কি বাড়িতে আছেন? তারা বলল, ‘না’। তখন ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট চলে আসলেন। (তাকে দেখে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। আবূ বাকর (রাঃ) ভীত হয়ে নতজানু হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমিই প্রথমে অন্যায় করেছি। এ কথাটি তিনি দু’বার বললেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ যখন আমাকে তোমাদের নিকট রাসূলরূপে প্রেরণ করেছেন তখন তোমরা সবাই বলেছ, তুমি মিথ্যা বলছ আর আবূ বাকর বলেছে, আপনি সত্য বলছেন। তাঁর জান মাল সবকিছু দিয়ে আমার সহানুভূতি দেখিয়েছে। তোমরা কি আমার সম্মানে আমার সাথীকে অব্যাহতি দিবে? এ কথাটি তিনি দু’বার বললেন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ)-কে আর কখনও কষ্ট দেয়া হয়নি। (৪৬৪০) আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ
حدثني هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا زيد بن واقد، عن بسر بن عبيد الله، عن عايذ الله ابي ادريس، عن ابي الدرداء رضى الله عنه قال كنت جالسا عند النبي صلى الله عليه وسلم اذ اقبل ابو بكر اخذا بطرف ثوبه حتى ابدى عن ركبته، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اما صاحبكم فقد غامر ". فسلم، وقال اني كان بيني وبين ابن الخطاب شىء فاسرعت اليه ثم ندمت، فسالته ان يغفر لي فابى على، فاقبلت اليك فقال " يغفر الله لك يا ابا بكر ". ثلاثا، ثم ان عمر ندم فاتى منزل ابي بكر فسال اثم ابو بكر فقالوا لا. فاتى الى النبي صلى الله عليه وسلم، فسلم فجعل وجه النبي صلى الله عليه وسلم يتمعر حتى اشفق ابو بكر، فجثا على ركبتيه فقال يا رسول الله، والله انا كنت اظلم مرتين. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان الله بعثني اليكم فقلتم كذبت. وقال ابو بكر صدق. وواساني بنفسه وماله، فهل انتم تاركو لي صاحبي ". مرتين فما اوذي بعدها
‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে যাতুস্ সালাসিল যুদ্ধের সেনাপতি করে পাঠিয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, মানুষের মধ্যে কে আপনার নিকট সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন, ‘আয়িশাহ্। আমি বললাম, পুরুষদের মধ্যে কে? তিনি বললেন, তাঁর পিতা (আবূ বাকর)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, অতঃপর কোন লোকটি? তিনি বললেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব অতঃপর আরো কয়েকজনের নাম করলেন। (৪৩৫৮, মুসলিম ৪৪/হাঃ ২৩৮৪, আহমাদ ১৭৮৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، قال خالد الحذاء حدثنا عن ابي عثمان، قال حدثني عمرو بن العاص رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم بعثه على جيش ذات السلاسل، فاتيته فقلت اى الناس احب اليك قال " عايشة ". فقلت من الرجال فقال " ابوها ". قلت ثم من قال " ثم عمر بن الخطاب ". فعد رجالا
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি; এক সময় এক রাখাল তার বকরীর পালের নিকট ছিল। এমন সময় একটি নেকড়ে বাঘ আক্রমণ করে পাল হতে একটি বকরী নিয়ে গেল। রাখাল নেকড়ে বাঘের পিছু ধাওয়া করে বকরীটি ছিনিয়ে আনল। তখন বাঘটি তাকে উদ্দেশ্য করে বলল, তুমি বকরীটি ছিনিয়ে নিলে? হিংস্র জন্তুর আক্রমণের দিন কে তাকে রক্ষা করবে, যেদিন তার জন্য আমি ছাড়া কোন রাখাল থাকবে না। এক সময় এক লোক একটি গাভীর পিঠে আরোহণ করে সেটিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন গাভীটি তাকে লক্ষ্য করে বলল, আমি এ কাজের জন্য সৃষ্ট হয়নি। বরং আমি কৃষি কাজের জন্য সৃষ্ট হয়েছি। একথা শুনে সকলেই বিস্ময়ের সঙ্গে বলতে লাগল ‘‘সুবহানাল্লাহ’’! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমি, আবূ বাকর এবং ‘উমার ইবনু খাত্তাব এ কথা বিশ্বাস করি। (২৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " بينما راع في غنمه عدا عليه الذيب، فاخذ منها شاة، فطلبه الراعي، فالتفت اليه الذيب فقال من لها يوم السبع، يوم ليس لها راع غيري، وبينا رجل يسوق بقرة قد حمل عليها، فالتفتت اليه فكلمته فقالت اني لم اخلق لهذا، ولكني خلقت للحرث ". قال الناس سبحان الله. قال النبي صلى الله عليه وسلم " فاني اومن بذلك وابو بكر وعمر بن الخطاب رضى الله عنهما
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। স্বপ্নে আমি আমাকে এমন একটি কূপের কিনারায় দেখতে পেলাম যেখানে বালতিও রয়েছে আমি কূপ হতে পানি উঠালাম যে পরিমাণ আল্লাহ্ ইচ্ছা করলেন। অতঃপর বালতিটি ইবনু আবূ কুহাফা নিলেন এবং এক বা দু’বালতি পানি উঠালেন। তার উঠানোতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্ তার দুর্বলতাকে ক্ষমা করে দিবেন। অতঃপর ‘উমার ইবনু খাত্তাব বালতিটি তার হাতে নিলেন। তার হাতে বালতিটির আয়তন বেড়ে গেল। পানি উঠানোতে আমি ‘উমারের মত শক্তিশালী বাহাদুর ব্যক্তি কাউকে দেখিনি। শেষে মানুষ নিজ নিজ আবাসে অবস্থান নিল।* (৭০২১, ৭০২২, ৭৪৭৫, মুসলিম ৪৪/২, হাঃ ২৩৯২, আহমাদ ৮২৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال اخبرني ابن المسيب، سمع ابا هريرة رضى الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " بينا انا نايم رايتني على قليب عليها دلو، فنزعت منها ما شاء الله، ثم اخذها ابن ابي قحافة، فنزع بها ذنوبا او ذنوبين، وفي نزعه ضعف، والله يغفر له ضعفه، ثم استحالت غربا، فاخذها ابن الخطاب، فلم ار عبقريا من الناس ينزع نزع عمر، حتى ضرب الناس بعطن
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গর্বের সঙ্গে পরনের কাপড় টাখ্নুর নিম্নভাগে ঝুলিয়ে চলাফিরা করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিবেন না। এ শুনে আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমার অজ্ঞাতে কাপড়ের একপাশ কোন কোন সময় নীচে নেমে যায়। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তো ফখরের সঙ্গে তা করছ না। মূসা (রহ.) বলেন, আমি সালিমকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কি ‘যে ব্যক্তি তার লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলল’ বলেছেন? সালিম (রহ.) বললেন, আমি তাকে শুধু কাপড়ের কথা উল্লেখ করতে শুনেছি। (৫৭৮৩, ৫৭৮৪, ৫৭৯১, ৬০৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا موسى بن عقبة، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من جر ثوبه خيلاء لم ينظر الله اليه يوم القيامة ". فقال ابو بكر ان احد شقى ثوبي يسترخي الا ان اتعاهد ذلك منه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انك لست تصنع ذلك خيلاء " قال موسى فقلت لسالم اذكر عبد الله من جر ازاره قال لم اسمعه ذكر الا ثوبه
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন জিনিসের জোড়া জোড়া আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করবে তাকে জান্নাতে প্রবেশের জন্য সকল দরজা হতে আহবান করা হবে। বলা হবে, হে আল্লাহর বান্দা! এ দরজাই উত্তম। যে ব্যক্তি সালাত সম্পাদনকারী হবে তাঁকে সালাতের দরজা দিয়ে প্রবেশের জন্য ডাকা হবে। যে ব্যক্তি জিহাদকারী হবে তাকে জিহাদের দরজা হতে ডাকা হবে। যে ব্যক্তি সদাকাহকারী হবে, তাকে সদাকাহর দরজা দিয়ে ডাকা হবে। যে ব্যক্তি সওম পালনকারী হবে তাকে সওমের দরজা বাবুররাইয়ান হতে ডাকা হবে। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, কোন ব্যক্তিকে সকল দরজা দিয়ে ডাকা হবে এমন তো অবশ্য জরুরী নয়, তবে কি এরূপ কাউকে ডাকা হবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হাঁ, হবে। আমি আশা করছি তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে, হে আবূ বাকর। (১৮৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، حدثنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، ان ابا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من انفق زوجين من شىء من الاشياء في سبيل الله دعي من ابواب يعني الجنة يا عبد الله هذا خير، فمن كان من اهل الصلاة دعي من باب الصلاة، ومن كان من اهل الجهاد دعي من باب الجهاد، ومن كان من اهل الصدقة دعي من باب الصدقة، ومن كان من اهل الصيام دعي من باب الصيام، وباب الريان ". فقال ابو بكر ما على هذا الذي يدعى من تلك الابواب من ضرورة، وقال هل يدعى منها كلها احد يا رسول الله قال " نعم، وارجو ان تكون منهم يا ابا بكر
আবূ বাকর (রাঃ) আল্লাহ্ তা‘আলার হামদ ও সানা বর্ণনা করে বললেন, যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘ইবাদাতকারী ছিলে তারা জেনে রাখ, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা গেছেন। আর যারা আল্লাহর ‘ইবাদাত করতে তারা নিশ্চিত জেনে রাখ আল্লাহ্ চিরঞ্জীব, তিনি অমর। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই আপনি মরণশীল আর তারা সকলেই মরণশীল’’- (আয্ যুমার ৩০)। আরো তিলাওয়াত করলেনঃ মুহাম্মাদ তো একজন রাসূল ব্যতিরেকে আর কিছু নয়। তার পূর্বেও অনেক রাসূল চলে গেছে। অতএব যদি সে মারা যায় অথবা নিহত হয় তাহলে কি তোমরা ইসলাম ত্যাগ কর?? আর যদি কেউ সেরূপ পেছনে ফিরেও যায়, তবে সে কখনও আল্লাহর বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না- (আলে ইমরান ১৪৪)। আল্লাহ্ তাঁর কৃতজ্ঞ বান্দাদেরকে পুরস্কৃত করবেন। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাঃ)-এর এ কথাগুলি শুনে সবাই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। রাবী বলেন, আনসারগণ সাকীফা বনূ সায়িদায়ে সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ (রাঃ)-এর নিকট সমবেত হলেন এবং বলতে লাগলেন, আমাদের মধ্য হতে একজন আমীর হবেন এবং তোমাদের মধ্য হতে একজন আমীর হবেন। আবূ বাকর (রাঃ), ‘উমার ইবনু খাত্তাব, আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু জার্রাহ (রাঃ)-এ তিনজন আনসারদের নিকট গমন করলেন। ‘উমার (রাঃ) কথা বলতে চাইলে, আবূ বাকর (রাঃ) তাকে থামিয়ে দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, আমি বক্তব্য রাখতে চেয়েছিলাম এই জন্য যে, আমি আনসারদের মাহফিলে বলার জন্য চিন্তা-ভাবনা করে এমন কিছু যুক্তিযুক্ত কথা প্রস্তুত করেছিলাম যার প্রেক্ষিতে আমার ধারণা ছিল হয়ত আবূ বাকর (রাঃ)-এর চিন্তা চেতনা এতটা গভীরে নাও যেতে পারে। কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ) অত্যন্ত জোরালো ও যুক্তিপূর্ণ ভাষণ রাখলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বললেন, আমীর আমাদের মধ্য হতে একজন হবেন এবং তোমাদের মধ্য হতে হবেন উযীর। তখন হুবাব ইবনু মুনযির (রহ.) বললেন, আল্লাহর কসম! আমরা এমন করব না বরং আমাদের মধ্যে একজন ও আপনাদের মধ্যে একজন আমীর হবেন। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, না, তা হয় না। আমাদের মধ্য হতে খলীফা এবং তোমাদের মধ্য হতে উযীর হবেন। কেননা কুরাইশ গোত্র অবস্থানের দিক দিয়ে যেমন আরবের মধ্যস্থানে, বংশ ও রক্তের দিকে থেকেও তারা তেমনি শ্রেষ্ঠ। তাঁরা নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতায় সবার শীর্ষে। ‘‘তোমরা ‘উমার (রাঃ) অথবা আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু জাররাহ (রাঃ)-এর হাতে বায়‘আত করে নাও। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমরা কিন্তু আপনার হাতেই বায়‘আত করব। আপনি আমাদের নেতা। আপনিই আমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমাদের মাঝে আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়তম ব্যক্তি। এ বলে ‘উমার (রাঃ) তাঁর হাত ধরে বায়‘আত করে নিলেন। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সকলেই বায়‘আত করলেন। তখন জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলেন, আপনারা সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে মেরে ফেললেন? ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তাকে মেরে ফেলেছেন। (১২৪২) (আ. প্র. ৩৩৯৫ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪০২ প্রথমাংশ)
আবূ বাকর (রাঃ) আল্লাহ্ তা‘আলার হামদ ও সানা বর্ণনা করে বললেন, যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘ইবাদাতকারী ছিলে তারা জেনে রাখ, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা গেছেন। আর যারা আল্লাহর ‘ইবাদাত করতে তারা নিশ্চিত জেনে রাখ আল্লাহ্ চিরঞ্জীব, তিনি অমর। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই আপনি মরণশীল আর তারা সকলেই মরণশীল’’- (আয্ যুমার ৩০)। আরো তিলাওয়াত করলেনঃ মুহাম্মাদ তো একজন রাসূল ব্যতিরেকে আর কিছু নয়। তার পূর্বেও অনেক রাসূল চলে গেছে। অতএব যদি সে মারা যায় অথবা নিহত হয় তাহলে কি তোমরা ইসলাম ত্যাগ কর?? আর যদি কেউ সেরূপ পেছনে ফিরেও যায়, তবে সে কখনও আল্লাহর বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না- (আলে ইমরান ১৪৪)। আল্লাহ্ তাঁর কৃতজ্ঞ বান্দাদেরকে পুরস্কৃত করবেন। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাঃ)-এর এ কথাগুলি শুনে সবাই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। রাবী বলেন, আনসারগণ সাকীফা বনূ সায়িদায়ে সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ (রাঃ)-এর নিকট সমবেত হলেন এবং বলতে লাগলেন, আমাদের মধ্য হতে একজন আমীর হবেন এবং তোমাদের মধ্য হতে একজন আমীর হবেন। আবূ বাকর (রাঃ), ‘উমার ইবনু খাত্তাব, আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু জার্রাহ (রাঃ)-এ তিনজন আনসারদের নিকট গমন করলেন। ‘উমার (রাঃ) কথা বলতে চাইলে, আবূ বাকর (রাঃ) তাকে থামিয়ে দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, আমি বক্তব্য রাখতে চেয়েছিলাম এই জন্য যে, আমি আনসারদের মাহফিলে বলার জন্য চিন্তা-ভাবনা করে এমন কিছু যুক্তিযুক্ত কথা প্রস্তুত করেছিলাম যার প্রেক্ষিতে আমার ধারণা ছিল হয়ত আবূ বাকর (রাঃ)-এর চিন্তা চেতনা এতটা গভীরে নাও যেতে পারে। কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ) অত্যন্ত জোরালো ও যুক্তিপূর্ণ ভাষণ রাখলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বললেন, আমীর আমাদের মধ্য হতে একজন হবেন এবং তোমাদের মধ্য হতে হবেন উযীর। তখন হুবাব ইবনু মুনযির (রহ.) বললেন, আল্লাহর কসম! আমরা এমন করব না বরং আমাদের মধ্যে একজন ও আপনাদের মধ্যে একজন আমীর হবেন। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, না, তা হয় না। আমাদের মধ্য হতে খলীফা এবং তোমাদের মধ্য হতে উযীর হবেন। কেননা কুরাইশ গোত্র অবস্থানের দিক দিয়ে যেমন আরবের মধ্যস্থানে, বংশ ও রক্তের দিকে থেকেও তারা তেমনি শ্রেষ্ঠ। তাঁরা নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতায় সবার শীর্ষে। ‘‘তোমরা ‘উমার (রাঃ) অথবা আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু জাররাহ (রাঃ)-এর হাতে বায়‘আত করে নাও। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমরা কিন্তু আপনার হাতেই বায়‘আত করব। আপনি আমাদের নেতা। আপনিই আমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমাদের মাঝে আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়তম ব্যক্তি। এ বলে ‘উমার (রাঃ) তাঁর হাত ধরে বায়‘আত করে নিলেন। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সকলেই বায়‘আত করলেন। তখন জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলেন, আপনারা সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে মেরে ফেললেন? ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তাকে মেরে ফেলেছেন। (১২৪২) (আ. প্র. ৩৩৯৫ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪০২ প্রথমাংশ)
حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا اسراييل، عن ابي اسحاق، عن البراء، قال اشترى ابو بكر رضى الله عنه من عازب رحلا بثلاثة عشر درهما فقال ابو بكر لعازب مر البراء فليحمل الى رحلي. فقال عازب لا حتى تحدثنا كيف صنعت انت ورسول الله صلى الله عليه وسلم حين خرجتما من مكة والمشركون يطلبونكم قال ارتحلنا من مكة، فاحيينا او سرينا ليلتنا ويومنا حتى اظهرنا وقام قايم الظهيرة، فرميت ببصري هل ارى من ظل فاوي اليه، فاذا صخرة اتيتها فنظرت بقية ظل لها فسويته، ثم فرشت للنبي صلى الله عليه وسلم فيه، ثم قلت له اضطجع يا نبي الله. فاضطجع النبي صلى الله عليه وسلم ثم انطلقت انظر ما حولي، هل ارى من الطلب احدا فاذا انا براعي غنم يسوق غنمه الى الصخرة يريد منها الذي اردنا، فسالته فقلت له لمن انت يا غلام قال لرجل من قريش سماه فعرفته. فقلت هل في غنمك من لبن قال نعم. قلت فهل انت حالب لبنا قال نعم. فامرته فاعتقل شاة من غنمه، ثم امرته ان ينفض ضرعها من الغبار، ثم امرته ان ينفض كفيه، فقال هكذا ضرب احدى كفيه بالاخرى فحلب لي كثبة من لبن، وقد جعلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم اداوة على فمها خرقة، فصببت على اللبن حتى برد اسفله، فانطلقت به الى النبي صلى الله عليه وسلم فوافقته قد استيقظ، فقلت اشرب يا رسول الله. فشرب حتى رضيت ثم قلت قد ان الرحيل يا رسول الله. قال " بلى ". فارتحلنا والقوم يطلبونا، فلم يدركنا احد منهم غير سراقة بن مالك بن جعشم على فرس له. فقلت هذا الطلب قد لحقنا يا رسول الله. فقال " لا تحزن ان الله معنا
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، حدثنا سليمان بن بلال، عن هشام بن عروة، عن عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مات وابو بكر بالسنح قال اسماعيل يعني بالعالية فقام عمر يقول والله ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم. قالت وقال عمر والله ما كان يقع في نفسي الا ذاك وليبعثنه الله فليقطعن ايدي رجال وارجلهم. فجاء ابو بكر فكشف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبله قال بابي انت وامي طبت حيا وميتا، والذي نفسي بيده لا يذيقك الله الموتتين ابدا. ثم خرج فقال ايها الحالف على رسلك. فلما تكلم ابو بكر جلس عمر. فحمد الله ابو بكر واثنى عليه وقال الا من كان يعبد محمدا صلى الله عليه وسلم فان محمدا قد مات، ومن كان يعبد الله فان الله حى لا يموت. وقال {انك ميت وانهم ميتون} وقال {وما محمد الا رسول قد خلت من قبله الرسل افان مات او قتل انقلبتم على اعقابكم ومن ينقلب على عقبيه فلن يضر الله شييا وسيجزي الله الشاكرين} قال فنشج الناس يبكون قال واجتمعت الانصار الى سعد بن عبادة في سقيفة بني ساعدة فقالوا منا امير ومنكم امير، فذهب اليهم ابو بكر وعمر بن الخطاب وابو عبيدة بن الجراح، فذهب عمر يتكلم فاسكته ابو بكر، وكان عمر يقول والله ما اردت بذلك الا اني قد هيات كلاما قد اعجبني خشيت ان لا يبلغه ابو بكر، ثم تكلم ابو بكر فتكلم ابلغ الناس فقال في كلامه نحن الامراء وانتم الوزراء. فقال حباب بن المنذر لا والله لا نفعل، منا امير ومنكم امير. فقال ابو بكر لا، ولكنا الامراء وانتم الوزراء هم اوسط العرب دارا، واعربهم احسابا فبايعوا عمر او ابا عبيدة. فقال عمر بل نبايعك انت، فانت سيدنا وخيرنا واحبنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم. فاخذ عمر بيده فبايعه، وبايعه الناس، فقال قايل قتلتم سعد بن عبادة. فقال عمر قتله الله
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، حدثنا سليمان بن بلال، عن هشام بن عروة، عن عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مات وابو بكر بالسنح قال اسماعيل يعني بالعالية فقام عمر يقول والله ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم. قالت وقال عمر والله ما كان يقع في نفسي الا ذاك وليبعثنه الله فليقطعن ايدي رجال وارجلهم. فجاء ابو بكر فكشف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبله قال بابي انت وامي طبت حيا وميتا، والذي نفسي بيده لا يذيقك الله الموتتين ابدا. ثم خرج فقال ايها الحالف على رسلك. فلما تكلم ابو بكر جلس عمر. فحمد الله ابو بكر واثنى عليه وقال الا من كان يعبد محمدا صلى الله عليه وسلم فان محمدا قد مات، ومن كان يعبد الله فان الله حى لا يموت. وقال {انك ميت وانهم ميتون} وقال {وما محمد الا رسول قد خلت من قبله الرسل افان مات او قتل انقلبتم على اعقابكم ومن ينقلب على عقبيه فلن يضر الله شييا وسيجزي الله الشاكرين} قال فنشج الناس يبكون قال واجتمعت الانصار الى سعد بن عبادة في سقيفة بني ساعدة فقالوا منا امير ومنكم امير، فذهب اليهم ابو بكر وعمر بن الخطاب وابو عبيدة بن الجراح، فذهب عمر يتكلم فاسكته ابو بكر، وكان عمر يقول والله ما اردت بذلك الا اني قد هيات كلاما قد اعجبني خشيت ان لا يبلغه ابو بكر، ثم تكلم ابو بكر فتكلم ابلغ الناس فقال في كلامه نحن الامراء وانتم الوزراء. فقال حباب بن المنذر لا والله لا نفعل، منا امير ومنكم امير. فقال ابو بكر لا، ولكنا الامراء وانتم الوزراء هم اوسط العرب دارا، واعربهم احسابا فبايعوا عمر او ابا عبيدة. فقال عمر بل نبايعك انت، فانت سيدنا وخيرنا واحبنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم. فاخذ عمر بيده فبايعه، وبايعه الناس، فقال قايل قتلتم سعد بن عبادة. فقال عمر قتله الله