Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩০৯ হাদিসসমূহ
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) আল্লাহর রাহে আরোহণের জন্য একটি ঘোড়া দান করেন। অতঃপর তিনি সে ঘোড়াটিকে বিক্রি হতে দেখতে পান। তিনি তা কিনে নিতে ইচ্ছা করলেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ওটা কিনিও না এবং তোমার দেয়া সদাকাহ ফেরত নিও না। (১৪৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان عمر بن الخطاب، حمل على فرس في سبيل الله فوجده يباع، فاراد ان يبتاعه، فسال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا تبتعه، ولا تعد في صدقتك
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাহে একটি ঘোড়া দান করি। সে ওটা বিক্রি করতে চেয়েছিল কিংবা যার নিকট সেটা ছিল সে তাকে বিনষ্ট করার উপক্রম করেছিল। আমি ঘোড়াটি কেনার ইচ্ছা করলাম। আর আমি ধারণা করেছিলাম যে, সে তাকে সস্তায় বিক্রি করে দিবে। আমি এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন, তুমি ওটা ক্রয় কর না, যদিও তা একটি মাত্র দিরহামের বিনিময়ে হয়। কেননা সদাকাহ করার পর ফেরত গ্রহণকারী এমন কুকুরের মত, যে বমি করে আবার তা ভক্ষণ করে। (১৪৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، حدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، قال سمعت عمر بن الخطاب رضى الله عنه يقول حملت على فرس في سبيل الله فابتاعه او فاضاعه الذي كان عنده، فاردت ان اشتريه، وظننت انه بايعه برخص، فسالت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لا تشتره وان بدرهم، فان العايد في هبته كالكلب يعود في قييه
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিহাদে যাবার অনুমতি প্রার্থনা করল। তখন তিনি বললেন, তোমার পিতামাতা জীবিত আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তবে তাঁদের খিদমতের চেষ্টা কর।’ (৫৯৭২) (মুসলিম ৪৫/১ হাঃ ২৫৪৯, আহমাদ ৬৭৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا حبيب بن ابي ثابت، قال سمعت ابا العباس الشاعر وكان لا يتهم في حديثه قال سمعت عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما يقول جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فاستاذنه في الجهاد فقال " احى والداك ". قال نعم. قال " ففيهما فجاهد
আবূ বাশীর আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সফরে তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। (রাবী) ‘আবদুল্লাহ্ বলেন, আমার মনে হয়, তিনি (আবূ বাশীর আনসারী) বলেছেন যে, মানুষ শয্যায় ছিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সংবাদ বহনকারীকে পাঠালেন যে, কোন উটের গলায় যেন ধনুকের রশির মালা কিংবা মালা না ঝুলে, আর ঝুললে তা যেন কেটে ফেলা হয়।১ (মুসলিম ৩৭/২৮ হাঃ ২১১৫, আহমাদ ২১৯৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، عن عباد بن تميم، ان ابا بشير الانصاري رضى الله عنه اخبره انه، كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض اسفاره قال عبد الله حسبت انه قال والناس في مبيتهم، فارسل رسول الله صلى الله عليه وسلم رسولا ان لا يبقين في رقبة بعير قلادة من وتر او قلادة الا قطعت
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন পুরুষ যেন অপর মহিলার সঙ্গে নিভৃতে অবস্থান না করে, কোন স্ত্রীলোক যেন কোন মাহরাম সঙ্গী ছাড়া সফর না করে। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক যুদ্ধের জন্য আমার নাম লেখা হয়েছে। কিন্তু আমার স্ত্রী হাজ্জযাত্রী। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তবে যাও তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হাজ্জ কর।’ (১৮৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابي معبد، عن ابن عباس رضى الله عنهما انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يخلون رجل بامراة، ولا تسافرن امراة الا ومعها محرم ". فقام رجل فقال يا رسول الله، اكتتبت في غزوة كذا وكذا، وخرجت امراتي حاجة. قال " اذهب فحج مع امراتك
(وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )لَا تَتَّخِذُوْا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَآءَ ( التَّجَسُّسُ التَّبَحُّثُ আর আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ তোমরা আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। (মুমতাহিনাহ ১) التَّجَسُّسُ অর্থ হচ্ছে খোঁজ-খবর নেয়া। ৩০০৭. ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং যুবায়র ও মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ)-কে পাঠিয়ে বললেন, ‘তোমরা খাখ্ বাগানে যাও। সেখানে তোমরা এক মহিলাকে দেখতে পাবে। তার নিকট একটি পত্র আছে, তোমরা তার কাছ থেকে তা নিয়ে আসবে।’ তখন আমরা রওনা দিলাম। আমাদের ঘোড়া আমাদের নিয়ে দ্রুত বেগে চলছিল। অবশেষে আমরা উক্ত খাখ্ নামক বাগানে পৌঁছে গেলাম এবং সেখানে আমরা মহিলাটিকে দেখতে পেলাম। আমরা বললাম, ‘পত্র বাহির কর।’ সে বলল, ‘আমার নিকট তো কোন পত্র নেই।’ আমরা বললাম, ‘তুমি অবশ্যই পত্র বের করে দিবে, নচেৎ তোমার কাপড় খুলতে হবে।’ তখন সে তার চুলের খোঁপা থেকে পত্রটি বের করে দিল। আমরা তখন সে পত্রটি নিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাজির হলাম। দেখা গেল, তা হাতিব ইবনু বালতাআ (রাঃ)-এর পক্ষ থেকে মক্কার কয়েকজন মুশরিকের প্রতি লেখা হয়েছে। যাতে তাদেরকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন পদক্ষেপ সম্পর্কে সংবাদ দেয়া হয়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে হাতিব! একি ব্যাপার?’ তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার ব্যাপারে কোন তড়িত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। আসলে আমি কুরাইশ বংশোদ্ভূত নই। তবে তাদের সঙ্গে মিশে ছিলাম। আর যারা আপনার সঙ্গে মুহাজিরগণ রয়েছেন, তাদের সকলেরই মক্কাবাসীদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। যার কারণে তাঁদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ নিরাপদ। তাই আমি চেয়েছি, যেহেতু আমার বংশগতভাবে এ সম্পর্ক নেই, কাজেই আমি তাদের প্রতি এমন কিছু অনুগ্রহ দেখাই, যদ্দবারা অন্তত তারা আমার আপন জনদের রক্ষা করবে। আর আমি তা কুফরী কিংবা মুরতাদ হবার উদ্দেশ্যে করিনি এবং কুফরীর প্রতি আকৃষ্ট হবার কারণেও নয়।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হাতিব তোমাদের নিকট সত্য কথা বলছে।’ তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এই মুনাফিকের গর্দান উড়িয়ে দেই।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘সে বাদার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। তোমার হয়ত জানা নেই, আল্লাহ্ তা‘আলা বাদার যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদের ব্যাপারে অবহিত আছেন। তাই তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল কর। আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।’ সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন এ সনদটি খুবই উত্তম। (৩০৮১, ৩৯৮৩, ৪২৭৪, ৪৮৯০, ৬২৫৯, ৬৯৩৯) (মুসলিম ৪৪/৩৬ হাঃ ২৪৯৪, আহমাদ ৬০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، سمعته منه، مر��ين قال اخبرني حسن بن محمد، قال اخبرني عبيد الله بن ابي رافع، قال سمعت عليا رضى الله عنه يقول بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم انا والزبير والمقداد بن الاسود قال " انطلقوا حتى تاتوا روضة خاخ، فان بها ظعينة ومعها كتاب، فخذوه منها ". فانطلقنا تعادى بنا خيلنا حتى انتهينا الى الروضة، فاذا نحن بالظعينة فقلنا اخرجي الكتاب. فقالت ما معي من كتاب. فقلنا لتخرجن الكتاب او لنلقين الثياب. فاخرجته من عقاصها، فاتينا به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاذا فيه من حاطب بن ابي بلتعة الى اناس من المشركين من اهل مكة، يخبرهم ببعض امر رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا حاطب، ما هذا ". قال يا رسول الله، لا تعجل على، اني كنت امرا ملصقا في قريش، ولم اكن من انفسها، وكان من معك من المهاجرين لهم قرابات بمكة، يحمون بها اهليهم واموالهم، فاحببت اذ فاتني ذلك من النسب فيهم ان اتخذ عندهم يدا يحمون بها قرابتي، وما فعلت كفرا ولا ارتدادا ولا رضا بالكفر بعد الاسلام. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقد صدقكم ". قال عمر يا رسول الله دعني اضرب عنق هذا المنافق. قال " انه قد شهد بدرا، وما يدريك لعل الله ان يكون قد اطلع على اهل بدر فقال اعملوا ما شيتم، فقد غفرت لكم ". قال سفيان واى اسناد هذا
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন বাদার যুদ্ধের দিন কাফির বন্দীদেরকে হাযির করা হল এবং ‘আব্বাস (রাঃ)-কেও আনা হল তখন তাঁর শরীরে পোশাক ছিল না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর শরীরের জন্য উপযোগী জামা খুঁজতে গিয়ে দেখতে পেলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর জামা তাঁর গায়ের উপযুক্ত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে জামাটি তাঁকেই পরিয়ে দিলেন। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের জামা খুলে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উবাইকে (মৃত্যুর পর) পরিয়ে দিয়েছিলেন। ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উবাই-এর এটি সৌজন্য ছিল, তাই তিনি তার প্রতিদান দিতে চেয়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن عمرو، سمع جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال لما كان يوم بدر اتي باسارى، واتي بالعباس ولم يكن عليه ثوب، فنظر النبي صلى الله عليه وسلم له قميصا فوجدوا قميص عبد الله بن ابى يقدر عليه، فكساه النبي صلى الله عليه وسلم اياه، فلذلك نزع النبي صلى الله عليه وسلم قميصه الذي البسه. قال ابن عيينة كانت له عند النبي صلى الله عليه وسلم يد فاحب ان يكافيه
সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধের দিন বলেন, আগামীকাল আমি এমন এক ব্যক্তির হাতে পতাকা দিব, যার হাতে আল্লাহ্ তা‘আলা বিজয় দিবেন। সে আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভালবাসে, আর আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাকে ভালবাসেন। লোকেরা সারা রাত কাটিয়ে দেয় যে, কাকে এ পতাকা দেয়া হয়? আর পরদিন সকালে প্রত্যেকেই সেটা পাবার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আলী কোথায়? বলা হল, তাঁর চোখে অসুখ। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চোখে আপন মুখের লালা লাগিয়ে দিলেন এবং তাঁর জন্য দু‘আ করলেন। তাতে তিনি আরোগ্য লাভ করলেন। যেন তাঁর চোখে কোন অসুবিধাই ছিল না। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাতে পতাকা দিলেন। ‘আলী (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, আমি তাদের সঙ্গে ততক্ষণ যুদ্ধ চালিয়ে যাব যতক্ষণ না তারা আমাদের মত হয়ে যায়। তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন, ‘তুমি স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে গিয়ে তাদের আঙিণায় অবতরণ কর। অতঃপর তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান কর এবং ইসলাম গ্রহণ করার পর তাদের জন্য যা আবশ্যকীয় তা তাদেরকে জানিয়ে দাও। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ্ তা‘আলা যদি তোমার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন, তবে তা তোমার জন্য রক্তিম বর্ণের উট পাওয়ার চেয়ে উত্তম। (২৯৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري، عن ابي حازم، قال اخبرني سهل رضى الله عنه يعني ابن سعد قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر " لاعطين الراية غدا رجلا يفتح على يديه، يحب الله ورسوله، ويحبه الله ورسوله ". فبات الناس ليلتهم ايهم يعطى فغدوا كلهم يرجوه فقال " اين علي ". فقيل يشتكي عينيه، فبصق في عينيه ودعا له، فبرا كان لم يكن به وجع، فاعطاه فقال اقاتلهم حتى يكونوا مثلنا. فقال " انفذ على رسلك حتى تنزل بساحتهم، ثم ادعهم الى الاسلام، واخبرهم بما يجب عليهم، فوالله لان يهدي الله بك رجلا خير لك من ان يكون لك حمر النعم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা সে সকল লোকের উপর সন্তুষ্ট হন, যারা শৃঙ্খলিত অবস্থায় জান্নাতে দাখিল হবে। (৪৫৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " عجب الله من قوم يدخلون الجنة في السلاسل
আবূ বুরদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন প্রকার লোককে দ্বিগুণ নেকী দান করা হবে। যে ব্যক্তির একটি বাঁদী আছে, সে তাকে শিক্ষা দান করে, উত্তমরূপে শিক্ষা দান করে, আদব শিক্ষা দেয় এবং তাকে উত্তমরূপে শিষ্টাচার শিক্ষা দান করে। অতঃপর তাকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিবাহ করে। সে ব্যক্তির জন্য দ্বিগুণ নেকী রয়েছে। আর আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে মু’মিন ব্যক্তি যে তার নবীর প্রতি ঈমান এনেছিল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ঈমান এনেছে। তার জন্য দ্বিগুণ নেকী রয়েছে। আর যে গোলাম আল্লাহর হক যথাযথভাবে আদায় করে এবং নিজ মনিবের দেয়া দায়িত্বও সঠিকরূপে পালন করে, (তার জন্যও দ্বিগুণ নেকী রয়েছে) শা‘বী (রহ.) এ হাদীসটি বর্ণনা করে সালেহকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি তোমাকে এ হাদীসটি কোন বিনিময় ব্যতীতই শুনিয়েছি। অথচ এর চেয়ে সহজ হাদীস শোনার জন্য লোকেরা মদিনা্ পর্যন্ত সফর করতেন। (৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا صالح بن حى ابو حسن، قال سمعت الشعبي، يقول حدثني ابو بردة، انه سمع اباه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ثلاثة يوتون اجرهم مرتين الرجل تكون له الامة فيعلمها فيحسن تعليمها، ويودبها فيحسن ادبها، ثم يعتقها فيتزوجها، فله اجران، ومومن اهل الكتاب الذي كان مومنا، ثم امن بالنبي صلى الله عليه وسلم فله اجران، والعبد الذي يودي حق الله وينصح لسيده ". ثم قال الشعبي واعطيتكها بغير شىء وقد كان الرجل يرحل في اهون منها الى المدينة
بَيَاتًا : لَيْلاً لَنُبَيِّتَنَّهُ لَيْلاً يُبَيَّتُ : لَيْلاً পবিত্র কুরআনে উল্লেখিতبَيَاتًا এবং يُبَيَّتশব্দগুলোর দ্বারা রাতের সময় বুঝানো হয়েছে। ৩০১২. সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবওয়া অথবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে আমার কাছ দিয়ে অতিক্রম করেন। তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, যে সকল মুশরিকদের সঙ্গে যুদ্ধ হচ্ছে, যদি রাত্রিকালীন আক্রমণে তাদের মহিলা ও শিশুরা নিহত হয়, তবে কী হবে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তারাও তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আর আমি তাকে আরো বলতে শুনেছি যে, সংরক্ষিত চারণভূমি আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া অন্য কারো জন্য হতে পারে না। (মুসলিম ৩২/৯ হাঃ ১৭৪৫, আহমাদ ১৬৪২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن ابن عباس، عن الصعب بن جثامة رضى الله عنهم قال مر بي النبي صلى الله عليه وسلم بالابواء او بودان وسيل عن اهل الدار يبيتون من المشركين، فيصاب من نسايهم وذراريهم قال " هم منهم ". وسمعته يقول " لا حمى الا لله ولرسوله صلى الله عليه وسلم
স‘আব হতে মুশরিকদের সন্তান সম্পর্কে বর্ণিত ‘আমর ইবনু শিহাবের সূত্রে নবী হতে বর্ণনা করেছেন। . . . . . . . স‘আব বলেন, তারা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। ‘আমর একথা বলেননি যে, তারা তাদের পিতামাতাদের অর্ন্তভূক্ত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ নাই) (২৩৭০, মুসলিম ৩২/৯ হাঃ)
وعن الزهري، انه سمع عبيد الله، عن ابن عباس، حدثنا الصعب، في الذراري كان عمرو يحدثنا عن ابن شهاب، عن النبي صلى الله عليه وسلم فسمعناه من الزهري، قال اخبرني عبيد الله، عن ابن عباس، عن الصعب، قال " هم منهم " ولم يقل كما قال عمرو " هم من ابايهم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক যুদ্ধে এক নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী ও শিশুদের হত্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। (৩০১৫) (মুসলিম ৩২/৮ হাঃ ১৭৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، اخبرنا الليث، عن نافع، ان عبد الله رضى الله عنه اخبره ان امراة وجدت في بعض مغازي النبي صلى الله عليه وسلم مقتولة، فانكر رسول الله صلى الله عليه وسلم قتل النساء والصبيان
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন এক যুদ্ধে জনৈকা মহিলাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলা ও শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করেন। (৩০১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، قال قلت لابي اسامة حدثكم عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال وجدت امراة مقتولة في بعض مغازي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قتل النساء والصبيان
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন এবং বলেন, ‘তোমরা যদি অমুক ও অমুক ব্যক্তিকে পাও, তবে তাদের উভয়কে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে।’ অতঃপর আমরা যখন বের হতে চাইলাম, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আল্লাহ ছাড়া কেউ আগুন দিয়ে শাস্তি দিতে পারবে না। কাজেই তোমরা যদি তাদের উভয়কে পাও, তবে তাদেরকে হত্যা কর।’ (২৯৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن بكير، عن سليمان بن يسار، عن ابي هريرة رضى الله عنه انه قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعث فقال " ان وجدتم فلانا وفلانا فاحرقوهما بالنار " ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين اردنا الخروج " اني امرتكم ان تحرقوا فلانا وفلانا، وان النار لا يعذب بها الا الله، فان وجدتموهما فاقتلوهما
ইকরামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আলী (রাঃ) এক সম্প্রদায়কে আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন। এ সংবাদ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, ‘যদি আমি হতাম, তবে আমি তাদেরকে জ্বালিয়ে ফেলতাম না। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আল্লাহর আযাব দ্বারা কাউকে আযাব দিবে না। বরং আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লোক তার দ্বীন বদলে ফেলে, তাকে হত্যা করে ফেল।’ (৬৯২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن ايوب، عن عكرمة، ان عليا رضى الله عنه حرق قوما، فبلغ ابن عباس فقال لو كنت انا لم احرقهم، لان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تعذبوا بعذاب الله ". ولقتلتهم كما قال النبي صلى الله عليه وسلم " من بدل دينه فاقتلوه
بَابُ فَإِمَّا مَنًّام بَعْدُ وَإِمَّا فِدَآءً ৫৬/১৫০. অধ্যায় : (বন্দী সম্পর্কে আল্লাহ্ বলেন) তারপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর অথবা মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দাও- যে পর্যন্ত না যুদ্ধবাজ শত্রুপক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করে। (মুহাম্মাদ ৪) فِيْهِ حَدِيْثُ ثُمَامَةَ وَقَوْلُهُ عَزَّ وَجَلَّ )مَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ تَكُوْنَ لَهُ أَسْرٰى حَتّٰى يُثْخِنَ فِي الْأَرْضِ ( يَعْنِيْ يَغْلِبَ فِي الأَرْضِ) تُرِيْدُوْنَ عَرَضَ الدُّنْيَا ( الْآيَةَ এ প্রসঙ্গে সুমামাহ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি রয়েছে আর আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ কোন নবীর পক্ষে সমীচীন নয় বন্দীদেরকে নিজের কাছে রাখা যতক্ষণ পর্যন্ত না দেশে পুরোপুরিভাবে শত্রুকে পরাভূত করা হয়। তোমরা তো পার্থিব ধন-সম্পদ কামনা কর। (আল-আনফালঃ ৬৭) 56/151. بَابُ هَلْ لِلأَسِيْرِ أَنْ يَقْتُلَ وَيَخْدَعَ الَّذِيْنَ أَسَرُوْهُ حَتَّى يَنْجُوَ مِنْ الْكَفَرَةِ ৫৬/১৫১. অধ্যায় : কোন মুসলিম বন্দী কুফরীর বন্দীদশা হতে মুক্তির জন্য বন্দীকারীকে হত্যা বা কোন কৌশল অবলম্বন করবে কি? فِيْهِ الْمِسْوَرُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ এ প্রসঙ্গে মিসওয়ার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ৩০১৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘উক্ল নামক গোত্রের আট ব্যক্তির একটি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এল। মদিনার আবহাওয়া তারা উপযোগী মনে করেনি। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের জন্য দুগ্ধবতী উটনীর ব্যবস্থা করুন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা বরং সদাকাহর উটের পালের নিকট যাও। তারা সেখানে গিয়ে সেগুলোর পেশাব ও দুধ পান করে সুস্থ এবং মোটাতাজা হয়ে গেল। অতঃপর তারা উটের রাখালকে হত্যা করে উটের পাল হাঁকিয়ে নিয়ে গেল এবং মুসলিম হবার পর তারা মুরতাদ হয়ে গেল। তখন এক সংবাদ দাতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়-সওয়ারদেরকে তাদের সন্ধানে পাঠালেন। তখন পর্যন্ত দিনের আলো প্রকাশ পায়নি ‘সে সময় তাদেরকে নিয়ে আসা হল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের হাত পা কেটে ফেললেন। অতঃপর তাঁর নির্দেশে লৌহ শলাকা গরম করে তাদের চোখে ঢুকানো হয় এবং তাদেরকে উত্তপ্ত ভূমিতে ফেলে রাখা হয়। তারা পানি চেয়েছিল কিন্তু তাদেরকে পানি দেয়া হয়নি। অবশেষে তাদের মৃত্যু ঘটে। আবূ কিলাবা (রাঃ) বলেন, তারা হত্যা করেছে, চুরি করেছে, আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যুদ্ধ করেছে এবং পৃথিবীতে ফাসাদ ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করেছে। (২৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا وهيب، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن انس بن مالك رضى الله عنه ان رهطا، من عكل ثمانية قدموا على النبي صلى الله عليه وسلم فاجتووا المدينة فقالوا يا رسول الله، ابغنا رسلا. قال " ما اجد لكم الا ان تلحقوا بالذود ". فانطلقوا فشربوا من ابوالها والبانها حتى صحوا وسمنوا، وقتلوا الراعي، واستاقوا الذود، وكفروا بعد اسلامهم، فاتى الصريخ النبي صلى الله عليه وسلم، فبعث الطلب، فما ترجل النهار حتى اتي بهم، فقطع ايديهم وارجلهم، ثم امر بمسامير فاحميت فكحلهم بها، وطرحهم بالحرة، يستسقون فما يسقون حتى ماتوا. قال ابو قلابة قتلوا وسرقوا وحاربوا الله ورسوله صلى الله عليه وسلم وسعوا في الارض فسادا
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কোন একজন নবীকে একটি পিপীলিকা কামড় দেয়। তিনি পিপীলিকার সমগ্র আবাসটি জ্বালিয়ে দেয়ার আদেশ করেন এবং তা জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করেন, তোমাকে একটি পিপীলিকা কামড় দিয়েছে আর তুমি আল্লাহর তাসবীহকারী একটি জাতিকে জ্বালিয়ে দিয়েছ। (৩৩১৯) (মুসলিম ৩৯/৩৯ হাঃ ২২১৪, ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، وابي، سلمة ان ابا هريرة رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " قرصت نملة نبيا من الانبياء، فامر بقرية النمل فاحرقت، فاوحى الله اليه ان قرصتك نملة احرقت امة من الامم تسبح الله
জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি আমাকে যুলখালাসার ব্যাপারে শান্তি দিবে না? খাশ‘আম গোত্রের একটি মূর্তি ঘর ছিল। যাকে ইয়ামানের কা‘বা নামে আখ্যায়িত করা হত। জারীর (রাঃ) বলেন, তখন আমি আহমাসের দেড়শ’ অশ্বারোহীকে সঙ্গে নিয়ে রওয়ানা করলাম। তারা সূদক্ষ অশ্বারোহী ছিল। জারীর (রাঃ) বলেন, আর আমি অশ্বের উপর স্থির থাকতে পারতাম না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বুকে এমনভাবে আঘাত করলেন যে, আমি আমার বুকে তাঁর অঙ্গুলির চিহ্ন দেখতে পেলাম এবং তিনি আমার জন্য এ দু‘আ করলেন, ‘হে আল্লাহ্! তাকে স্থির রাখুন এবং হিদায়াত প্রাপ্ত, পথ প্রদর্শনকারী করুন।’ অতঃপর জারীর (রাঃ) সেখানে যান এবং যুলখালাসা মন্দির ভেঙ্গে ফেলেন ও জ্বালিয়ে দেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ খবর দেখার জন্য এক ব্যক্তিকে তাঁর নিকট প্রেরণ করেন। তখন জারীর (রাঃ)-এর দূত বলতে লাগল, কসম সে মহান আল্লাহ্ তা‘আলার! যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমি আপনার নিকট তখনই এসেছি যখন যুলখালাসাকে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি। যুলখালাসার মন্দিরটি যে পাঁচড়া যুক্ত উটের মত। জারীর (রাঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহমাসের অশ্ব ও অশ্বারোহীদের জন্য পাঁচবার বরকতের দু‘আ করেন। (৩০৩৬, ৩০৭৬, ৩৮২৩, ৪৩৫৫, ৪৩৫৬, ৪৩৫৭, ৬০৮৯, ৬৩৩৩) (মুসলিম ৪৪/২৯ হাঃ ২৪৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن اسماعيل، قال حدثني قيس بن ابي حازم، قال قال لي جرير قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا تريحني من ذي الخلصة ". وكان بيتا في خثعم يسمى كعبة اليمانية قال فانطلقت في خمسين وماية فارس من احمس، وكانوا اصحاب خيل قال وكنت لا اثبت على الخيل، فضرب في صدري حتى رايت اثر اصابعه في صدري وقال " اللهم ثبته واجعله هاديا مهديا ". فانطلق اليها فكسرها وحرقها، ثم بعث الى رسول الله صلى الله عليه وسلم يخبره فقال رسول جرير والذي بعثك بالحق، ما جيتك حتى تركتها كانها جمل اجوف او اجرب. قال فبارك في خيل احمس ورجالها خمس مرات
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী নাযীরের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। (২৩২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال حرق النبي صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير