Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৪ হাদিসসমূহ
(وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلمe وَصِيَّةُ الرَّجُلِ مَكْتُوْبَةٌ عِنْدَهُ وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )كُتِبَ عَلَيْكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ إِنْ تَرَكَ خَيْرَا نِالْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِيْنَ بِالْمَعْرُوْفِ حَقًّا عَلَى الْمُتَّقِيْنَ فَمَنْم بَدَّلَهُ بَعْدَ مَا سَمِعَهُ فَإِنَّمَا إِثْمُهُ عَلَى الَّذِيْنَ يُبَدِّلُوْنَهُ إِنَّ اللهَ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ فَمَنْ خَافَ مِنْ مُّوْصٍ جَنَفًا أَوْ إِثْمًا فَأَصْلَحَ بَيْنَهُمْ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ إِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ( ( البقرة : 180-182) এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী, মানুষের অসীয়াত তার নিকট লিখিত থাকবে। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন তোমাদের কারো মৃত্যুকাল উপস্থিত হলে সে যদি ধন-সম্পত্তি রেখে যায় তবে তা ন্যায্য পন্থায় তার পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসিয়াত করার বিধান .....পক্ষপাতিত্ব পর্যন্ত। (আল-বাকারাহঃ ১৮০-১৮২) جَنَفًاঅর্থ-ঝুঁকে যাওয়া, পক্ষপাতিত্ব করা مُتَجَانِفٌ ঐ ব্যক্তি, যে ঝুঁকে পড়ে, পক্ষপাতিত্ব করে। ২৭৩৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন মুসলিম ব্যক্তির উচিত নয় যে, তার অসীয়াতযোগ্য কিছু (সম্পদ) রয়েছে, সে দু’রাত কাটাবে অথচ তার নিকট তার অসীয়াত লিখিত থাকবে না। মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম (রহ.) এ হাদীস বর্ণনায় মালিক (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। এ সনদে ‘আমর (রহ.) ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। (মুসলিম ২৫/আউয়ালুল কিতাব হাঃ ১৬২৭, আহমাদ ৫৯৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما حق امري مسلم له شىء، يوصي فيه يبيت ليلتين، الا ووصيته مكتوبة عنده ". تابعه محمد بن مسلم عن عمرو عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর শ্যালক অর্থাৎ উম্মুল মুমিনীন জুওয়াইরিয়া বিনতু হারিসের ভাই ‘আমর ইবনুল হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মৃত্যুকালে তাঁর সাদা খচ্চরটি, তাঁর হাতিয়ার এবং সে জমি যা তিনি সদাকাহ করেছিলেন, তাছাড়া কোন স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা, কোন দাস-দাসী কিংবা কোন জিনিস রেখে যাননি।’ (২৮৭৩, ২৯১২, ৩০৯৮, ৪৪৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن الحارث، حدثنا يحيى بن ابي بكير، حدثنا زهير بن معاوية الجعفي، حدثنا ابو اسحاق، عن عمرو بن الحارث، ختن رسول الله صلى الله عليه وسلم اخي جويرية بنت الحارث قال ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم عند موته درهما ولا دينارا ولا عبدا ولا امة ولا شييا، الا بغلته البيضاء وسلاحه وارضا جعلها صدقة
ত্বলহা ইবনু মুসাররিফ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী আওফা (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি অসীয়াত করেছিলেন? তিনি বলেন, না। আমি বললাম, তাহলে কিভাবে লোকদের উপর অসীয়াত ফরজ করা হলো, কিংবা ওয়াসিয়াতের নির্দেশ দেয়া হলো? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর কিতাব মুতাবিক ‘আমল করার জন্য অসীয়াত করেছেন। (৪৪৬০, ৫০২২) (মুসলিম ২৪/৩ হাঃ ১৬৩৪, আহমাদ ১৪৪৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا مالك، حدثنا طلحة بن مصرف، قال سالت عبد الله بن ابي اوفى رضى الله عنهما هل كان النبي صلى الله عليه وسلم اوصى فقال لا. فقلت كيف كتب على الناس الوصية او امروا بالوصية قال اوصى بكتاب الله
আসওয়াদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীগণ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট আলোচনা করলেন যে, ‘আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ওয়াসী১ ছিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, ‘তিনি কখন তাঁর প্রতি অসীয়াত করলেন? অথচ আমি তো আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমার বুকে অথবা বলেছেন আমার কোলে হেলান দিয়ে রেখেছিলাম। তখন তিনি পানির তস্তুরি চাইলেন, অতঃপর আমার কোলে ঢলে পড়লেন। আমি বুঝতেই পারিনি যে, তিনি ইন্তিকাল করেছেন। অতএব তাঁর প্রতি কখন অসীয়াত করলেন?’ (৪৪৫৯) (মুসলিম ২৫/৫ হাঃ ১৬৩৬, আহমাদ ২৪০৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن زرارة، اخبرنا اسماعيل، عن ابن عون، عن ابراهيم، عن الاسود، قال ذكروا عند عايشة ان عليا رضى الله عنهما كان وصيا. فقالت متى اوصى اليه وقد كنت مسندته الى صدري او قالت حجري فدعا بالطست، فلقد انخنث في حجري، فما شعرت انه قد مات، فمتى اوصى اليه
সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার আমাকে রোগাক্রান্ত অবস্থায় দেখতে আসেন। সে সময় আমি মক্কা্য় ছিলাম। কোন ব্যক্তি যে স্থান থেকে হিজরত করে, সেখানে মৃত্যুবরণ করাকে তিনি অপছন্দ করতেন। এজন্য তিনি বলতেন, আল্লাহ্ রহম করুন ইবনু আফ্রা-র উপর। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমি কি আমার সমুদয় মালের ব্যবহারের অসীয়াত করে যাব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে অর্ধেক? তিনি ইরশাদ করলেন, না। আমি বললাম, তবে এক তৃতীয়াংশ? তিনি ইরশাদ করলেন, (হ্যাঁ) এক তৃতীয়াংশ আর এক তৃতীয়াংশও অনেক। ওয়ারিসগণকে দরিদ্র পরমুখাপেক্ষী করে রেখে যাবার চেয়ে ধনী অবস্থায় রেখে যাওয়া উত্তম। তুমি যখনই কোন খরচ করবে, তা সদাকাহরূপে গণ্য হবে। এমনকি সে লোকমাও যা তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দিবে। হয়ত আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং লোকেরা তোমার দ্বারা উপকৃত হবেন, আবার কিছু ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সে সময় তার একটি মাত্র কন্যা ব্যতীত কেউ ছিল না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن سعد بن ابراهيم، عن عامر بن سعد، عن سعد بن ابي وقاص رضى الله عنه قال جاء النبي صلى الله عليه وسلم يعودني وانا بمكة، وهو يكره ان يموت بالارض التي هاجر منها قال " يرحم الله ابن عفراء ". قلت يا رسول الله، اوصي بمالي كله قال " لا ". قلت فالشطر قال " لا ". قلت الثلث. قال " فالثلث، والثلث كثير، انك ان تدع ورثتك اغنياء خير من ان تدعهم عالة يتكففون الناس في ايديهم، وانك مهما انفقت من نفقة فانها صدقة، حتى اللقمة التي ترفعها الى في امراتك، وعسى الله ان يرفعك فينتفع بك ناس ويضر بك اخرون ". ولم يكن له يوميذ الا ابنة
وَقَالَ الْحَسَنُ لَا يَجُوْزُ لِلذِّمِّيِّ وَصِيَّةٌ إِلَّا الثُّلُثَ وَقَالَ اللهُ تَعَالَى(وَأَنِ احْكُمْ بَيْنَهُمْ بِمَآ أَنْزَلَ اللهُ) ( المائدة : 49) হাসান বাসরী (রহ.) বলেন, যিম্মির জন্য এক তৃতীয়াংশের বেশি অসীয়াত করা বৈধ নয়। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তিনি যেন আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী যিম্মিদের মধ্যে ফয়সালা করেন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেনঃ তাদের মধ্যে ফয়সালা কর, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী। (আল-মায়িদাহ ৪৯) ২৭৪৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা যদি এক চতুর্থাংশে নেমে আসত। কেননা, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এক তৃতীয়াংশ এবং তৃতীয়াংশই বিরাট অথবা তিনি বলেছেন বেশী। (মুসলিম ১/২৫ হাঃ ১৬২৯, আহমাদ ১৫৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال لو غض الناس الى الربع، لان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الثلث، والثلث كثير او كبير
আমির ইবনু সা‘দ (রহ.)-এর পিতা সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে দেখতে আসেন। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, তিনি যেন আমাকে পেছন দিকে ফিরিয়ে না নেন।১ তিনি বললেন, ‘আশা করি আল্লাহ্ তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তোমার দ্বারা লোকদের উপকৃত করবেন।’ আমি বললাম, ‘আমি অসীয়াত করতে চাই। আমার তো একটি মাত্র কন্যা রয়েছে।’ আমি আরো বললাম, ‘আমি অর্ধেক অসীয়াত করতে চাই।’ তিনি বললেন, অর্ধেক অনেক অধিক। আমি বললাম, এক তৃতীয়াংশ। তিনি বললেন, আচ্ছা এক তৃতীয়াংশ এবং এক তৃতীয়াংশও অধিক বা তিনি বলেছেন বিরাট। সা‘দ (রাঃ) বলেন, অতঃপর লোকেরা এক তৃতীয়াংশ অসীয়াত করতে লাগল। আর তা-ই তাদের জন্য জায়িয হয়ে গেল। (৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، حدثنا زكرياء بن عدي، حدثنا مروان، عن هاشم بن هاشم، عن عامر بن سعد، عن ابيه رضى الله عنه قال مرضت فعادني النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ادع الله ان لا يردني على عقبي. قال " لعل الله يرفعك وينفع بك ناسا ". قلت اريد ان اوصي، وانما لي ابنة قلت اوصي بالنصف قال " النصف كثير ". قلت فالثلث. قال " الثلث، والثلث كثير او كبير ". قال فاوصى الناس بالثلث، وجاز ذلك لهم
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উত্বা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) তাঁর ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে এই বলে অসীয়াত করেন যে, যাম‘আর দাসীর ছেলেটি আমার ঔরসজাত। তাকে তুমি তোমার অধিকারে আনবে। মক্কা্ বিজয়ের বছর সা‘দ (রাঃ) তাকে নিয়ে নেন এবং বলেন, সে আমার ভাতিজা, আমাকে এর ব্যাপারে ওয়াসিয়াত করে গেছেন। আব্দ ইবনু যাম‘আহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, সে আমার ভাই এবং আমার পিতার দাসীর পুত্র। আমার পিতার বিছানায় তার জন্ম হয়েছে। তারা উভয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসেন। সা‘দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে আমার ভাইয়ের পুত্র এবং তিনি আমাকে তার সম্পর্কে ওয়াসিয়াত করে গেছেন। ‘আব্দ ইবনু যাম‘আহ (রাঃ) বললেন, সে আমার ভাই এবং আমার পিতার দাসীর পুত্র। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আব্দ ইবনু যাম‘আহ! সে তোমারই প্রাপ্য। কেননা যার বিছানায় সন্তান জন্মেছে, সে-ই সন্তানের অধিকারী। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। অতঃপর তিনি সাওদ বিন্তু যাম‘আহ (রাঃ)-কে বললেন, ‘তুমি এই ছেলেটি থেকে পর্দা কর।’ কেননা তিনি ছেলেটির সঙ্গে উত্বা-র সদৃশ্য দেখতে পান। ছেলেটির আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত সে কখনো সাওদাহ (রাঃ)-কে দেখেনি। (২০৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت كان عتبة بن ابي وقاص عهد الى اخيه سعد بن ابي وقاص ان ابن وليدة زمعة مني، فاقبضه اليك. فلما كان عام الفتح اخذه سعد فقال ابن اخي، قد كان عهد الى فيه. فقام عبد بن زمعة فقال اخي، وابن امة ابي، ولد على فراشه. فتساوقا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم. فقال سعد يا رسول الله، ابن اخي، كان عهد الى فيه. فقال عبد بن زمعة اخي وابن وليدة ابي. وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هو لك يا عبد ابن زمعة، الولد للفراش، وللعاهر الحجر ". ثم قال لسودة بنت زمعة " احتجبي منه ". لما راى من شبهه بعتبة، فما راها حتى لقي الله
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। এক ইয়াহূদী একটি মেয়ের মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে তা থেঁতলে ফেলে। তাকে জিজ্ঞেস করা হল, কে তোমাকে এমন করেছে? কি অমুক, না অমুক ব্যক্তি? অবশেষে যখন সেই ইয়াহূদীর নাম বলা হল তখন মেয়েটি মাথা দিয়ে ইশারা করল, হ্যাঁ। অতঃপর সেই ইয়াহূদীকে নিয়ে আসা হল এবং তাকে বারবার জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে সে স্বীকার করল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন। তখন পাথর দিয়ে তার মাথা থেঁতলিয়ে দেয়া হলো। (২৪১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حسان بن ابي عباد، حدثنا همام، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه ان يهوديا، رض راس جارية بين حجرين، فقيل لها من فعل بك، افلان او فلان حتى سمي اليهودي، فاومات براسها، فجيء به، فلم يزل حتى اعترف، فامر النبي صلى الله عليه وسلم فرض راسه بالحجارة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পদ পেতো সন্তান আর পিতা-মাতার জন্য ছিল অসীয়াত। অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা তাঁর পছন্দ মত এ বিধান রহিত করে ছেলের অংশ মেয়ের দ্বিগুণ, পিতামাতা প্রত্যেকের জন্য এক ষষ্ঠাংশ, স্ত্রীর জন্য এক অষ্টমাংশ, এক চতুর্থাংশ, স্বামীর জন্য অর্ধেক, এক চতুর্থাংশ নির্ধারণ করেন। (৪৫৭৮, ৬৭৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، عن ورقاء، عن ابن ابي نجيح، عن عطاء، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان المال للولد، وكانت الوصية للوالدين، فنسخ الله من ذلك ما احب، فجعل للذكر مثل حظ الانثيين، وجعل للابوين لكل واحد منهما السدس، وجعل للمراة الثمن والربع، وللزوج الشطر والربع
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! উত্তম সদাকাহ কোনটি? তিনি বলেন, সুস্থ এবং সম্পদের প্রতি অনুরাগ থাকা অবস্থায় দান খয়রাত করা, যখন তোমার ধনী হবার আকাঙ্ক্ষা থাকে এবং তুমি দারিদ্রের আশংকা কর, আর তুমি এভাবে অপেক্ষায় থাকবে না যে, যখন তোমার প্রাণ কন্ঠাগত হবে, তখন তুমি বলবে, অমুকের জন্য এতটুকু, অমুকের জন্য এতটুকু অথচ তা অমুকের জন্য হয়েই গেছে। (১৪১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن سفيان، عن عمارة، عن ابي زرعة، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يا رسول الله، اى الصدقة افضل قال " ان تصدق وانت صحيح حريص. تامل الغنى، وتخشى الفقر، ولا تمهل حتى اذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا، وقد كان لفلان
(وَيُذْكَرُ أَنَّ شُرَيْحًا وَعُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيْزِ وَطَاوُسًا وَعَطَاءً وَابْنَ أُذَيْنَةَ أَجَازُوْا إِقْرَارَ الْمَرِيْضِ بِدَيْنٍ وَقَالَ الْحَسَنُ أَحَقُّ مَا تَصَدَّقَ بِهِ الرَّجُلُ آخِرَ يَوْمٍ مِنْ الدُّنْيَا وَأَوَّلَ يَوْمٍ مِنْ الْآخِرَةِ وَقَالَ إِبْرَاهِيْمُ وَالْحَكَمُ إِذَا أَبْرَأَ الْوَارِثَ مِنْ الدَّيْنِ بَرِئَ وَأَوْصَى رَافِعُ بْنُ خَدِيْجٍ أَنْ لَا تُكْشَفَ امْرَأَتُهُ الْفَزَارِيَّةُ عَمَّا أُغْلِقَ عَلَيْهِ بَابُهَا وَقَالَ الْحَسَنُ إِذَا قَالَ لِمَمْلُوكِهِ عِنْدَ الْمَوْتِ كُنْتُ أَعْتَقْتُكَ جَازَ وَقَالَ الشَّعْبِيُّ إِذَا قَالَتْ الْمَرْأَةُ عِنْدَ مَوْتِهَا إِنَّ زَوْجِيْ قَضَانِيْ وَقَبَضْتُ مِنْهُ جَازَ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لَا يَجُوْزُ إِقْرَارُهُ لِسُوءِ الظَّنِّ بِهِ لِلْوَرَثَةِ ثُمَّ اسْتَحْسَنَ فَقَالَ يَجُوْزُ إِقْرَارُهُ بِالْوَدِيْعَةِ وَالْبِضَاعَةِ وَالْمُضَارَبَةِ وَقَدْ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيْثِ وَلَا يَحِلُّ مَالُ الْمُسْلِمِيْنَ لِقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم آيَةُ الْمُنَافِقِ إِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ وَقَالَ اللهُ تَعَالَى )إِنَّ اللهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمٰنَاتِ إِلٰٓى أَهْلِهَا (( النساء : 58) فَلَمْ يَخُصَّ وَارِثًا وَلَا غَيْرَهُ فِيْهِ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم উল্লেখ করা হয়েছে যে, শুরাইহ, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয, তাউস, ‘আত্বা ও ইবনু ‘উয়ায়নাহ (রহ.) রোগগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণের স্বীকারোক্তিকে বৈধ বলেছেন। হাসান (রহ.) বলেন, দুনিয়ার শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে উপনীত হওয়া মানুষ যে স্বীকারোক্তি করে তাই অধিক গ্রহণযোগ্য। ইবরাহীম ও হাকাম (রহ.) বলেন, উত্তরাধিকারী যদি ঋণ মাফ করে দেয়, তবে সে মুক্ত হয়ে যাবে। রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রহ.) অসীয়াত করেন যে, যে সকল মাল ফাযারিয়া গোত্রের তার স্ত্রীর ঘরে আবদ্ধ রয়েছে, তা যেন বের করা না হয়। হাসান (রহ.) বলেন, কেউ যদি মৃত্যুর সময় তার ক্রীতদাসকে বলে, আমি তোমাকে আযাদ করেছি তবে তা বৈধ। শাবী (রহ.) বলেন, যদি কোন স্ত্রী মৃত্যুকালে বলে, আমার স্বামী আমার হক আদায় করে দিয়েছেন এবং আমি তা নিয়ে নিয়েছি, তবে তা বৈধ। কেউ কেউ বলেন যে, ওয়ারিস সম্পর্কে রোগাক্রান্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়, কেননা তাতে তার সম্বন্ধে কুধারণা হতে পারে। অতঃপর ইস্তিহসান করে বলেন যে, রোগাক্রান্ত ব্যক্তির আমানত, পুঁজি ও শরীকী ব্যবসা সম্বন্ধীয় স্বীকারোক্তি বৈধ। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা খারাপ ধারণা থেকে বেঁচে থাক, কেননা খারাপ ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা। কোন মুসলিমের মাল হালাল নয়; কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুনাফিকের আলামত হল-তার নিকট কিছু আমানাত রাখা হলে সে তার খেয়ানাত করে। আল্লাহ্ তায়ালার বাণীঃ ‘‘আল্লাহ্ তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা আমানাত তার হকদারের নিকট অবশ্যই ফিরিয়ে দিবে’’- (আন-নিসা ৫৮)। এতে তিনি উত্তরাধিকারী কিংবা অন্য কাউকে নির্দিষ্ট করেননি। এই প্রসঙ্গে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ২৭৪৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, মুনাফিকের আলামত তিনটি কথা বললে মিথ্যা বলে, আমানত রাখলে খেয়ানত করে এবং প্রতিশ্রুতি দিলে ভঙ্গ করে। (৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(وَيُذْكَرُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلمe قَضَى بِالدَّيْنِ قَبْلَ الْوَصِيَّةِ. وَقَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ )إِنَّ اللهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمٰنَاتِ إِلٰٓى أَهْلِهَا(( النساء : 58) فَأَدَاءُ الأَمَانَةِ أَحَقُّ مِنْ تَطَوُّعِ الْوَصِيَّةِ وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لا صَدَقَةَ إِلَّا عَنْ ظَهْرِ غِنًى وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَا يُوصِي الْعَبْدُ إِلَّا بِإِذْنِ أَهْلِهِ وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْعَبْدُ رَاعٍ فِيْ مَالِ سَيِّدِهِ উল্লেখ রয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসীয়াতের পূর্বে ঋণ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আল্লাহ্ তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা আমানতসমূহ তার হক্দারের নিকট ফিরিয়ে দিবে’’- (আন-নিসা ৫৮)। কাজেই নফল অসীয়াত পূরণ করার আগে আমানত আদায়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ স্বচ্ছলতা ব্যতীত সদাকাহ নাই। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, গোলাম তার মালিকের অনুমতি ব্যতীত অসীয়াত করবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, গোলাম তার মালিকের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারী। ২৭৫০. হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আমি সওয়াল করলাম, তিনি আমাকে দান করলেন। আবার সওয়াল করলাম, তিনি আমাকে দান করলেন। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, ‘হে হাকীম! এই ধন সম্পদ সবুজ-শ্যামল, মধুর। যে ব্যক্তি দানশীলতার মনোভাব নিয়ে তা গ্রহণ করবে, তাতে তার বরকত হবে। আর যে ব্যক্তি প্রতীক্ষা কাতর অন্তরে তা গ্রহণ করবে, তাতে তার বরকত হবে না। সে ঐ ব্যক্তির মত যে খায়; কিন্তু তৃপ্ত হয় না। উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম।’ হাকীম (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আপনার পরে আমি দুনিয়া থেকে বিদায়ের আগে আর কারো কাছে কিছু চাইব না। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) কিছু দান করার জন্য হাকীমকে আহবান করেন, কিন্তু হাকীম (রাঃ) তাঁর নিকট হতে কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ)-ও হাকীম (রাঃ)-কে কিছু দান করার জন্য ডেকে পাঠান, কিন্তু তাঁর কাছ থেকেও কিছু গ্রহণ করতে তিনি অস্বীকার করেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে মুসলিম সমাজ! আমি আল্লাহ্ প্রদত্ত গনীমতের মাল থেকে প্রাপ্য তাঁর অংশ তাঁর সামনে পেশ করেছি, কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন; হাকীম (রাঃ) তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পরে আর কারো নিকট কিছু চাননি। (১৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الاوزاعي، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، وعروة بن الزبير، ان حكيم بن حزام رضى الله عنه قال سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعطاني، ثم سالته فاعطاني ثم قال لي " يا حكيم، ان هذا المال خضر حلو، فمن اخذه بسخاوة نفس بورك له فيه، ومن اخذه باشراف نفس لم يبارك له فيه، وكان كالذي ياكل ولا يشبع، واليد العليا خير من اليد السفلى ". قال حكيم فقلت يا رسول الله، والذي بعثك بالحق لا ارزا احدا بعدك شييا حتى افارق الدنيا. فكان ابو بكر يدعو حكيما ليعطيه العطاء فيابى ان يقبل منه شييا، ثم ان عمر دعاه ليعطيه فيابى ان يقبله فقال يا معشر المسلمين، اني اعرض عليه حقه الذي قسم الله له من هذا الفىء فيابى ان ياخذه. فلم يرزا حكيم احدا من الناس بعد النبي صلى الله عليه وسلم حتى توفي رحمه الله
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্ববান এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। শাসক হলেন দায়িত্ববান, তার দায়িত্ব সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্ববান এবং তাকে তার দায়িত্ব সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হবে। স্ত্রী তার স্বামীর ঘরের সম্পদের দায়িত্ববান, তার সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হবে। গোলাম তার মালিকের ধন-সম্পদের দায়িত্ববান, তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। রাবী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এও বলেছেন যে, পুত্র তার পিতার সম্পদের দায়িত্ববান। (৮৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن محمد السختياني، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، قال اخبرني سالم، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " كلكم راع ومسيول عن رعيته، والامام راع ومسيول عن رعيته، والرجل راع في اهله ومسيول عن رعيته، والمراة في بيت زوجها راعية ومسيولة عن رعيتها، والخادم في مال سيده راع ومسيول عن رعيته ". قال وحسبت ان قد قال " والرجل راع في مال ابيه
وَقَالَ ثَابِتٌ عَنْ أَنَسٍ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِأَبِيْ طَلْحَةَ اجْعَلْهَا لِفُقَرَاءِ أَقَارِبِكَ فَجَعَلَهَا لِحَسَّانَ وَأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ وَقَالَ الأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنِيْ أَبِيْ عَنْ ثُمَامَةَ عَنْ أَنَسٍ مِثْلَ حَدِيْثِ ثَابِتٍ قَالَ اجْعَلْهَا لِفُقَرَاءِ قَرَابَتِكَ قَالَ أَنَسٌ فَجَعَلَهَا لِحَسَّانَ وَأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ وَكَانَا أَقْرَبَ إِلَيْهِ مِنِّي وَكَانَ قَرَابَةُ حَسَّانٍ وَأُبَيٍّ مِنْ أَبِيْ طَلْحَةَ وَاسْمُهُ زَيْدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ الأَسْوَدِ بْنِ حَرَامِ بْنِ عَمْرِو بْنِ زَيْدِ مَنَاةَ بْنِ عَدِيِّ بْنِ عَمْرِو بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّجَّارِ وَحَسَّانُ بْنُ ثَابِتِ بْنِ المُنْذِرِ بْنِ حَرَامٍ فَيَجْتَمِعَانِ إِلَى حَرَامٍ وَهُوَ الأَبُ الثَّالِثُ وَحَرَامُ بْنُ عَمْرِو بْنِ زَيْدِ مَنَاةَ بْنِ عَدِيِّ بْنِ عَمْرِو بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّجَّارِ فَهُوَ يُجَامِعُ حَسَّانَ وَأَبَا طَلْحَةَ وَأُبَيًّا إِلَى سِتَّةِ آبَاءٍ إِلَى عَمْرِو بْنِ مَالِكٍ وَهُوَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبِ بْنِ قَيْسِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ زَيدِ بْنِ مُعَاوِيَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّجَّارِ فَعَمْرُوْ بْنُ مَالِكٍ يَجْمَعُ حَسَّانَ وَأَبَا طَلْحَةَ وَأُبَيًّا وَقَالَ بَعْضُهُمْ إِذَا أَوْصَى لِقَرَابَتِهِ فَهُوَ إِلَى آبَائِهِ فِي الإِسْلَامِ সাবিত (রহ.) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ ত্বলহাকে বলেন, তুমি তোমার গরীব আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে দাও। অতঃপর তিনি বাগানটি হাস্সান ও উবাই ইবনু কা‘বকে দিয়ে দেন। আনসারী (রহ.) বলেন, আমার পিতা সুমামা এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) থেকে সাবিত (রাঃ)-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, বাগানটি তোমার গরীব আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আবু ত্বলহা (রাঃ) বাগানটি হাস্সান এবং উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে দিলেন আর তারা উভয়েই আমার চেয়ে তার নিকটাত্মীয় ছিলেন। আবু ত্বলহা (রাঃ)-এর সঙ্গে হাস্সান এবং উবাই (রাঃ)-এর সম্পর্ক ছিল এরূপঃ আবূ ত্বলহা (রাঃ) নাম-যায়দ ইবনু সাহল ইবনু আসওয়াদ ইবনু হারাম ইবনু ‘আমর ইবনু যায়দ যিনি ছিলেন মানাত ইবনু আদী ইবনু আমর ইবনু মালিক ইবনু নাজ্জার। (হাস্সানের বংশ পরিচয় হলোঃ) হাস্সান ইবনু সাবিত ইবনু মুন্যির ইবনু হারাম। কাজেই উভয়ে হারাম নামক পুরুষে মিলিত হন। যিনি তৃতীয় পিতৃপুরুষ ছিলেন এবং হারাম ইবনু আমর ইবনু যায়দ যিনি মানাত ইবনু আদী ইবনু আমর ইবনু মালিক ইবনু নাজ্জার। অতএব হাস্সান, আবূ ত্বলহা ও উবাই (রাঃ) ষষ্ঠ পুরুষে এসে ‘‘আমর ইবনু মালিকের সঙ্গে মিলিত হন। আর উবাই হলেন উবাই ইবনু কা‘ব ইবনু কায়স ইবনু ‘উবাইদ ইবনু যায়দ ইবনু মু‘আবিয়াহ ইবনু ‘আমর ইবনু মালিক ইবনু নাজ্জার। কাজেই আমর ইবনু মালিক এসে হাস্সান, আবূ ত্বলহা ও উবাই একত্র হয়ে যায়। কারো কারো মতে নিজের আত্মীয়-স্বজনের জন্য অসীয়াত করলে তা তার মুসলিম পিতৃ-পিতামহের জন্য প্রযোজ্য হবে। ২৭৫২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ ত্বলহা (রাঃ)-কে বলেন আমার মত হলো, তোমার বাগানটি তোমার আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে দাও। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলেন, আমি তা-ই করব হে আল্লাহর রাসূল! তাই আবূ ত্ব্র, হে বানূ আদী! তোমরা সতর্ক হও। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন যে, যখন কুরআনের এই লহা (রাঃ) তার বাগানটি তার আত্মীয়-স্বজন ও চাচাত ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করে দেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যখন এই আয়াতটি নাযিল হলঃ ‘‘(হে মুহাম্মাদ) আপনার নিকট আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দেন’’- (শু‘আরা ১৪)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুরায়শ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন গোত্রদের ডেকে বললেন, হে বানূ ফিহআয়াত নাযিল হলোঃ ‘‘আপনি আপনার নিকটাত্মীদেরকে সতর্ক করে দিন’’- (শু‘আরা ২১৪)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে কুরায়শ সম্প্রদায়। (১৪৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনের এই আয়াতটি নাযিল করলেন, ‘‘আপনি আপনার নিকটাত্মীদেরকে সতর্ক করে দিন’’ (শু‘আরা ২১৪) তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং বললেন, ‘হে কুরায়শ সম্প্রদায়! কিংবা অনুরূপ শব্দ বললেন, তোমরা আত্মরক্ষা কর। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। হে বানূ আব্দ মানাফ! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। হে ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ! আল্লাহর রাসূলের ফুফু, আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে ফাতিমাহ বিন্তে মুহাম্মদ! আমার ধন-সম্পদ থেকে যা ইচ্ছা চেয়ে নাও। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। আসবাগ (রহ.) ইবনু ওয়াহব (রহ.) .... আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় আবুল ইয়ামান (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৩৫২৭, ৪৭৭১) (মুসলিম ১/৮৯ হাঃ ২০৩, আহমাদ ১০৭৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني سعيد بن المسيب، وابو سلمة بن عبد الرحمن ان ابا هريرة رضى الله عنه قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم حين انزل الله عز وجل {وانذر عشيرتك الاقربين } قال " يا معشر قريش او كلمة نحوها اشتروا انفسكم، لا اغني عنكم من الله شييا، يا بني عبد مناف لا اغني عنكم من الله شييا، يا عباس بن عبد المطلب لا اغني عنك من الله شييا، ويا صفية عمة رسول الله لا اغني عنك من الله شييا، ويا فاطمة بنت محمد سليني ما شيت من مالي لا اغني عنك من الله شييا ". تابعه اصبغ عن ابن وهب عن يونس عن ابن شهاب
وَقَدْ اشْتَرَطَ عُمَرُ لَا جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهُ أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا وَقَدْ يَلِي الْوَاقِفُ وَغَيْرُهُ وَكَذَلِكَ كُلُّ مَنْ جَعَلَ بَدَنَةً أَوْ شَيْئًا ِللهِ فَلَهُ أَنْ يَنْتَفِعَ بِهَا كَمَا يَنْتَفِعُ غَيْرُهُ وَإِنْ لَمْ يَشْتَرِطْ ‘উমার (রাঃ) শর্তারোপ করেছিলেন, যে ব্যক্তি ওয়াক্ফের মুতাওয়াল্লী হবে, তার জন্য তা থেকে কিছু খাওয়াতে কোন দোষ নেই। ওয়াক্ফকারী নিজেও মুতাওয়াল্লী হতে পারে, আর অন্য কেউও হতে পারে। অনুরূপ যে ব্যক্তি উট বা অন্য কিছু আল্লাহর নামে উৎসর্গ করে তার জন্যও তা থেকে নিজে উপকৃত হওয়া বৈধ, যেমন অন্যদের জন্য তা থেকে উপকৃত হওয়া বৈধ, শর্তারোপ না করলেও। ২৭৫৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা দেখতে পেলেন যে, এক ব্যক্তি কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ব্যক্তিটিকে বললেন, এর উপর সওয়ার হও। সে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তৃতীয়বার বা চতুর্থবার তাকে বললেন, তার উপর সওয়ার হয়ে যাও, দুর্ভোগ তোমার জন্য কিংবা বললেন, তোমার জন্য আফসোস। (১৬৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم راى رجلا يسوق بدنة، فقال له " اركبها ". فقال يا رسول الله انها بدنة. قال في الثالثة او الرابعة " اركبها، ويلك، او ويحك
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন যে, সে একটি কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, এর উপর সওয়ার হও। লোকটি বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো কুরবানীর উট।’ তিনি দ্বিতীয়বার কিংবা তৃতীয়বার বললেন, এর উপর সওয়ার হও, দুর্ভোগ তোমার জন্য। (১৬৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، حدثنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى رجلا يسوق بدنة، فقال " اركبها ". قال يا رسول الله انها بدنة. قال " اركبها، ويلك ". في الثانية او في الثالثة
بَابُ إِذَا وَقَفَ شَيْئًا قَبْلَ أَنْ يَدْفَعَهُ إِلَى غَيْرِهِ فَهُوَ جَائِزٌ ৫৫/১৩. কোন কিছু ওয়াক্ফ করতঃ অন্যের কাছে হস্তান্তর না করলেও তা জায়িয। لِأَنَّ عُمَرَ أَوْقَفَ وَقَالَ لَا جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهُ أَنْ يَأْكُلَ وَلَمْ يَخُصَّ إِنْ وَلِيَهُ عُمَرُ أَوْ غَيْرُهُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِأَبِيْ طَلْحَةَ أَرَى أَنْ تَجْعَلَهَا فِي الأَقْرَبِيْنَ فَقَالَ أَفْعَلُ فَقَسَمَهَا فِيْ أَقَارِبِهِ وَبَنِيْ عَمِّهِ কেননা, ‘উমার (রাঃ) এই রকম ওয়াক্ফ করেছিলেন এবং বলেছিলেন, মুতাওয়াল্লীর জন্য তা থেকে কিছু খেতে দোষ নেই। তিনি নিজে মুতাওয়াল্লী হবেন, না অন্য কেউ তা তিনি নির্দিষ্ট করেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ ত্বলহা (রাঃ)-কে বলেন, আমার অভিমত এই যে, তুমি তা (বাগানটি) তোমার নিকটাত্মীয়দের দিয়ে দাও। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলেন, আমি তা-ই করব। অতঃপর তিনি তাঁর নিকটাত্মীয় ও চাচাত ভাইদের মধ্যে তা বণ্টন করে দিলেন। 55/14. بَابُ إِذَا قَالَ دَارِيْ صَدَقَةٌ لِلهِ وَلَمْ يُبَيِّنْ لِلْفُقَرَاءِ أَوْ غَيْرِهِمْ فَهُوَ جَائِزٌ وَيَضَعُهَا فِي الأَقْرَبِيْنَ أَوْ حَيْثُ أَرَادَ ৫৫/১৪. যদি কেউ বলে যে, আমার বাড়ীটি আল্লাহর ওয়াস্তে সদাকাহ এবং ফকীর বা অন্য কারো কথা উল্লেখ না করে তবে তা জায়িয। সে তা আত্মীয়দের মধ্যে কিংবা যাদের ইচ্ছা দান করতে পারে। قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِأَبِيْ طَلْحَةَ حِيْنَ قَالَ أَحَبُّ أَمْوَالِيْ إِلَيَّ بَيْرُحَاءَ وَإِنَّهَا صَدَقَةٌ لِلهِ فَأَجَازَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ذَلِكَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ لَا يَجُوْزُ حَتَّى يُبَيِّنَ لِمَنْ وَالأَوَّلُ أَصَحُّ আবূ ত্বলহা (রাঃ) যখন বললেন যে, আমার সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ হল বায়রূহা বাগানটি এবং আমি তা আল্লাহর উদ্দেশে সদাকাহ করলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা জায়িয রেখেছেন। কোন কোন ফকীহ বলেছেন, যতক্ষণ না কারো জন্য তা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জায়িয হবে না। কিন্তু প্রথম অভিমতটি অধিকতর সহীহ। ২৭৫৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ)-এর মা মারা গেলেন এবং তিনি সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা আমার অনুপস্থিতিতে মারা যান। আমি যদি তাঁর পক্ষ থেকে কিছু সদাকাহ করি, তাহলে কি তাঁর কোন উপকারে আসবে?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’ সা‘দ (রাঃ) বললেন, ‘তাহলে আমি আপনাকে সাক্ষী করছি আমার মিখরাফ্ নামক বাগানটি তাঁর জন্য সদাকাহ করলাম।’ (২৭৬২-২৭৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، اخبرنا مخلد بن يزيد، اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني يعلى، انه سمع عكرمة، يقول انبانا ابن عباس رضى الله عنهما ان سعد بن عبادة رضى الله عنه توفيت امه وهو غايب عنها، فقال يا رسول الله ان امي توفيت وانا غايب عنها، اينفعها شىء ان تصدقت به عنها قال " نعم ". قال فاني اشهدك ان حايطي المخراف صدقة عليها
কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার তাওবা হিসেবে আমি আমার যাবতীয় মাল আল্লাহ্ ও আল্লাহর রাসূলের উদ্দেশে সদাকাহ করে মুক্ত হতে চাই। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কিছু মাল নিজের জন্য রেখে দাও, তা তোমার জন্য উত্তম। আমি বললাম, ‘তাহলে আমি আমার খায়বারের অংশটি নিজের জন্য রেখে দিলাম।’ (২৯৪৭, ২৯৪৮, ২৯৪৯, ২৯৫০, ৩০৮৮, ৩৫৫৬, ৩৮৮৯, ৩৯৫১, ৪৪১৮, ৪৬৭৩, ৪৬৭৬, ৪৬৭৭, ৪৬৭৮, ৬২৫৫, ৬৬৯০,৭২২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، ان عبد الله بن كعب، قال سمعت كعب بن مالك رضى الله عنه. قلت يا رسول الله، ان من توبتي ان انخلع من مالي صدقة الى الله والى رسوله صلى الله عليه وسلم. قال " امسك عليك بعض مالك فهو خير لك ". قلت فاني امسك سهمي الذي بخيبر
حدثنا سليمان بن داود ابو الربيع، حدثنا اسماعيل بن جعفر، حدثنا نافع بن مالك بن ابي عامر ابو سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اية المنافق ثلاث، اذا حدث كذب، واذا اوتمن خان، واذا وعد اخلف
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، انه سمع انسا رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لابي طلحة " ارى ان تجعلها في الاقربين ". قال ابو طلحة افعل يا رسول الله. فقسمها ابو طلحة في اقاربه وبني عمه. وقال ابن عباس لما نزلت {وانذر عشيرتك الاقربين} جعل النبي صلى الله عليه وسلم ينادي " يا بني فهر، يا بني عدي ". لبطون قريش. وقال ابو هريرة لما نزلت {وانذر عشيرتك الاقربين} قال النبي صلى الله عليه وسلم " يا معشر قريش