Loading...

Loading...
বইসমূহ
৮ হাদিসসমূহ
وَقَوْلِهِ تَعَالَى (وَإِنْ كُنْتُمْ عَلَى سَفَرٍ وَلَمْ تَجِدُوا كَاتِبًا فَرِهَانٌ مَقْبُوضَةٌ) মহান আল্লাহর বাণীঃ যদি তোমরা সফরে থাক এবং কোন লেখক না পাও, তবে বন্ধক রাখা বৈধ। (আল-বাকারাঃ ২৮৩) ২৫০৮. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যবের বিনিময়ে তাঁর বর্ম বন্ধক রেখেছিলেন। আমি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে যবের রুটি এবং দুর্গন্ধ যুক্ত চর্বি নিয়ে গেলাম, তখন তাঁকে বলতে শুনলাম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পরিবার পরিজনের কাছে কোন সকাল বা সন্ধ্যায় এক সা‘ এর অতিরিক্ত (কোন খাদ্য) দ্রব্য থাকে না। [আনাস (রাঃ) বলেন] সে সময়ে তারা মোট নয় ঘর (নয় পরিবার) ছিলেন। (২০৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن انس رضى الله عنه قال ولقد رهن النبي صلى الله عليه وسلم درعه بشعير، ومشيت الى النبي صلى الله عليه وسلم بخبز شعير واهالة سنخة، ولقد سمعته يقول " ما اصبح لال محمد صلى الله عليه وسلم الا صاع، ولا امسى ". وانهم لتسعة ابيات
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ইয়াহূদীর কাছ হতে নির্দিষ্ট মেয়াদে খাদ্য শস্য খরিদ করেন এবং নিজের বর্ম তার কাছে বন্ধক রাখেন। (২০৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الاعمش، قال تذاكرنا عند ابراهيم الرهن، والقبيل في السلف، فقال ابراهيم حدثنا الاسود عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم اشترى من يهودي طعاما الى اجل ورهنه درعه
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কা‘ব ইবনু আশরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিতে পারবে? আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সে তো কষ্ট দিয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) তখন বললেন, আমি। পরে তিনি তার কাছে গিয়ে বললেন, আমরা তোমার কাছে এক ওয়াসাক অথবা বলেছেন, দু’ওয়াসাক (খাদ্য) ধার চাচ্ছি। সে বলল, তোমাদের মহিলাদেরকে আমার কাছে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, তুমি হলে আরবের সেরা সুন্দর ব্যক্তি। তোমার কাছে কিভাবে মহিলাদেরকে বন্ধক রাখতে পারি? সে বলল, তাহলে তোমাদের সন্তানদের আমার কাছে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, কিভাবে সন্তানদেরকে তোমার কাছে বন্ধক রাখি। পরে এই বলে তাদের নিন্দা করা হবে যে, দু’ এক ওয়াসাকের জন্য তারা বন্ধক ছিল, এটা আমাদের জন্য হবে বিরাট কলঙ্ক। তার চেয়ে বরং আমরা তোমার কাছে আমাদের অস্ত্র বন্ধক রাখতে পারি। রাবী সুফিয়ান (রহ.) اللاَّمَةَ শব্দের অর্থ করেছেন অস্ত্র। তারপর তিনি তাকে পরে আসার প্রতিশ্রুতি দিলেন এবং (পরে এসে) তাঁরা তাকে হত্যা করলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে সে সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন। (৩০৩১, ৩০৩২, ৩০৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله رضى الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من لكعب بن الاشرف فانه اذى الله ورسوله صلى الله عليه وسلم ". فقال محمد بن مسلمة انا. فاتاه فقال اردنا ان تسلفنا وسقا او وسقين. فقال ارهنوني نساءكم. قالوا كيف نرهنك نساءنا، وانت اجمل العرب قال فارهنوني ابناءكم. قالوا كيف نرهن ابناءنا فيسب احدهم، فيقال رهن بوسق او وسقين هذا عار علينا ولكنا نرهنك اللامة قال سفيان يعني السلاح فوعده ان ياتيه فقتلوه، ثم اتوا النبي صلى الله عليه وسلم فاخبروه
وَقَالَ مُغِيرَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ تُرْكَبُ الضَّالَّةُ بِقَدْرِ عَلَفِهَا وَتُحْلَبُ بِقَدْرِ عَلَفِهَا وَالرَّهْنُ مِثْلُهُ মুগীরা (রহ.) ইবরাহীম (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন, হারিয়ে যাওয়া প্রাণী যে পাবে সে তার ঘাসের (ও অন্যান্য প্রয়োজনীয়) খরচ পরিমাণ আরোহণ করতে পারবে এবং ঘাসের খরচ পরিমাণ দুধ দোহন করতে পারবে। বন্ধক প্রাণীর ব্যাপারটিও অনুরূপ। ২৫১১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বন্ধকী প্রাণীর উপর তার খরচ পরিমাণ আরোহণ করা যাবে। তদ্রূপ দুধেল প্রাণী বন্ধক থাকলে (খরচ পরিমাণ) তার দুধ পান করা যাবে। (২৫১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا زكرياء، عن عامر، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يقول " الرهن يركب بنفقته، ويشرب لبن الدر اذا كان مرهونا
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বাহনের পশু বন্ধক থাকলে তার খরচের পরিমাণে তাতে আরোহণ করা যাবে। তদ্রূপ দুধেল প্রাণী বন্ধক থাকলে তার খরচের পরিমাণে দুধ পান করা যাবে। (মোট কথা) আরোহণকারী এবং দুধ পানকারীকেই খরচ বহন করতে হবে। (২৫১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا زكرياء، عن الشعبي، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم. " الرهن يركب بنفقته اذا كان مرهونا، ولبن الدر يشرب بنفقته اذا كان مرهونا، وعلى الذي يركب ويشرب النفقة
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ইয়াহূদী হতে কিছু খাদ্যদ্রব্য কিনেছিলেন এবং তার কাছে নিজের বর্ম বন্ধক রেখেছিলেন। (২০৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت اشترى رسول الله صلى الله عليه وسلم من يهودي طعاما ورهنه درعه
ইবনু আবূ মুলাইকা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট আমি (একবার বাদী বিবাদীর মতবিরোধ সম্পর্কে) লিখে পাঠালাম। তার জবাবে তিনি আমাকে লিখলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ফায়সালা দিয়েছেন যে, (বাদী সাক্ষী পেশ করতে ব্যর্থ হলে) কসম করা বিবাদীর কর্তব্য। (৪৫৫২, ২৬৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا نافع بن عمر، عن ابن ابي مليكة، قال كتبت الى ابن عباس فكتب الى ان النبي صلى الله عليه وسلم قضى ان اليمين على المدعى عليه
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিথ্যা কসম করে যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদ হস্তগত করে সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এ অবস্থায় যে, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর] উক্ত বাণী সমর্থন করে আয়াত নাযিল করলেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, তারা পরকালে কোন অংশ পাবে না আর কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাদের সাথে কথাও বলবেন না এবং তাদের প্রতি দৃষ্টিপাতও করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, আর তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে’’- (আলে ইমরান ৭৭)। (রাবী বলেন) পরে আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ আবদুর রহমান (ইবনু মাসঊদ) তোমাদের কী হাদীস শুনালেন (রাবী বলেন), আমরা তাকে হাদীসটি শুনালে তিনি বললেন, তিনি নির্ভুল হাদীস শুনিয়েছেন। আমাকে কেন্দ্র করেই তো আয়াতটি নাযিল হয়েছিল। কুয়া (এর মালিকানা) নিয়ে আমার সাথে এক লোকের ঝগড়া চলছিল। পরে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে(বিরোধটি উত্থাপন করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমাকে) বললেন, তুমি দু’জন সাক্ষী উপস্থিত করবে, নতুবা সে হলফ করবে। আমি বললাম, তবে তো সে নির্দ্বিধায় হলফ করে বসবে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা হলফ করে অর্থ-সম্পদ হস্তগত করবে, সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এ অবস্থায় যে, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন। তিনি (আশ‘আস) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা এর সমর্থনে আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর তিনি (আশ‘আস) এই আয়াত : (إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً) হতে (وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ) তিলাওয়াত করলেন। (২৩৫৬, ২৩৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، قال قال عبد الله رضى الله عنه من حلف على يمين، يستحق بها مالا وهو فيها فاجر، لقي الله وهو عليه غضبان، فانزل الله تصديق ذلك {ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا} فقرا الى {عذاب اليم}.ثم ان الاشعث بن قيس خرج الينا فقال ما يحدثكم ابو عبد الرحمن قال فحدثناه قال فقال صدق لفي والله انزلت، كانت بيني وبين رجل خصومة في بير فاختصمنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شاهدك او يمينه ". قلت انه اذا يحلف ولا يبالي. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف على يمين يستحق بها مالا هو فيها فاجر، لقي الله وهو عليه غضبان ". فانزل الله تصديق ذلك، ثم اقترا هذه الاية {ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا} الى {ولهم عذاب اليم}
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিথ্যা কসম করে যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদ হস্তগত করে সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এ অবস্থায় যে, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর] উক্ত বাণী সমর্থন করে আয়াত নাযিল করলেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, তারা পরকালে কোন অংশ পাবে না আর কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাদের সাথে কথাও বলবেন না এবং তাদের প্রতি দৃষ্টিপাতও করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, আর তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে’’- (আলে ইমরান ৭৭)। (রাবী বলেন) পরে আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ আবদুর রহমান (ইবনু মাসঊদ) তোমাদের কী হাদীস শুনালেন (রাবী বলেন), আমরা তাকে হাদীসটি শুনালে তিনি বললেন, তিনি নির্ভুল হাদীস শুনিয়েছেন। আমাকে কেন্দ্র করেই তো আয়াতটি নাযিল হয়েছিল। কুয়া (এর মালিকানা) নিয়ে আমার সাথে এক লোকের ঝগড়া চলছিল। পরে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে(বিরোধটি উত্থাপন করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমাকে) বললেন, তুমি দু’জন সাক্ষী উপস্থিত করবে, নতুবা সে হলফ করবে। আমি বললাম, তবে তো সে নির্দ্বিধায় হলফ করে বসবে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা হলফ করে অর্থ-সম্পদ হস্তগত করবে, সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এ অবস্থায় যে, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন। তিনি (আশ‘আস) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা এর সমর্থনে আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর তিনি (আশ‘আস) এই আয়াত : (إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً) হতে (وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ) তিলাওয়াত করলেন। (২৩৫৬, ২৩৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، قال قال عبد الله رضى الله عنه من حلف على يمين، يستحق بها مالا وهو فيها فاجر، لقي الله وهو عليه غضبان، فانزل الله تصديق ذلك {ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا} فقرا الى {عذاب اليم}.ثم ان الاشعث بن قيس خرج الينا فقال ما يحدثكم ابو عبد الرحمن قال فحدثناه قال فقال صدق لفي والله انزلت، كانت بيني وبين رجل خصومة في بير فاختصمنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شاهدك او يمينه ". قلت انه اذا يحلف ولا يبالي. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف على يمين يستحق بها مالا هو فيها فاجر، لقي الله وهو عليه غضبان ". فانزل الله تصديق ذلك، ثم اقترا هذه الاية {ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا} الى {ولهم عذاب اليم}