Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৫ হাদিসসমূহ
وَكَيْفَ قِسْمَةُ مَا يُكَالُ وَيُوزَنُ مُجَازَفَةً أَوْ قَبْضَةً قَبْضَةً لَمَّا لَمْ يَرَ الْمُسْلِمُونَ فِي النَّهْدِ بَأْسًا أَنْ يَأْكُلَ هَذَا بَعْضًا وَهَذَا بَعْضًا وَكَذَلِكَ مُجَازَفَةُ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَالْقِرَانُ فِي التَّمْرِ মাপ ও ওজনের দ্রব্য কিরূপে বিতরণ করা হবে। অনুমানের ভিত্তিতে নাকি মুঠো মুঠো করে? যেহেতু মুসলিমেরা সফরের জিনিসপত্রে এটা কোন দূষণীয় মনে করেন না যে, কোন্ দ্রব্য সে খাবে, (অর্থাৎ যার যেটা পছন্দ সে তা ভক্ষণ করবে এতে দোষের কিছু নেই। তেমনিভাবে স্বর্ণ রৌপ্য অনুমানের ভিত্তিতে বণ্টন ও এক সাথে জোড়া জোড়া খেজুর ভক্ষণ করা)। ২৪৮৩. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমুদ্র তীর অভিমুখে বাহিনী প্রেরণ করেন এবং আবূ উবায়দা ইবনু জাররাহ (রাঃ)-কে তাদের সেনাপতি নিয়োগ করলেন। এ বাহিনীতে তিনশ’ লোক ছিলেন। আমি তাদের মধ্যে ছিলাম। আমরা রওয়ানা হলাম। কিন্তু মাঝপথেই আমাদের পাথেয় শেষ হয়ে গেল। তখন আবূ উবায়দা (রাঃ) দলের সকলকে নিজ নিজ খাদ্যদ্রব্য এক জায়গায় জমা করার নির্দেশ দিলেন। তাই সমস্ত খাদ্যদ্রব্য জমা করা হল। এতে মোট দু’থলে খেজুর জমা করা হল। আবূ উবায়দা (রাঃ) প্রতিদিন আমাদের এই খেজুর হতে কিছু কিছু করে খেতে দিলেন। অবশেষে তাও শেষ হওয়ার উপক্রম হল এবং জনপ্রতি একটা করে খেজুর ভাগে পড়তে লাগল। (রাবী বলেন) আমি [জাবির (রাঃ)-কে] বললাম, একটি খেজুর কি যথেষ্ট হত। তিনি বললেন, তার মূল্য তখন বুঝতে পারলাম, যখন তাও শেষ হয়ে গেল। তিনি বলেন, এরপর আমরা সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছে গেলাম। হঠাৎ ছোট পাহাড়ের ন্যায় একটা মাছ আমরা পেয়ে গেলাম এবং এ বাহিনী আঠারো দিন পর্যন্ত এই মাছ হতে খেল। তারপর আবূ উবায়দাহ (রাঃ)-এর আদেশে সে মাছের পাঁজর হতে দু’টো কাঁটা দাঁড় করানো হল। তারপর তিনি হাওদা লাগাতে বললেন। হাওদা লাগানো হল। এরপর উট তার পাঁজরের নীচ দিয়ে চলে গেল কিন্তু উটের দেহ সে দু’টো কাঁটা স্পর্শ করল না। (২৯৮৩, ৪৩৬০-৪৩৬২, ৫৪৯৩, ৫৪৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما انه قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثا قبل الساحل، فامر عليهم ابا عبيدة بن الجراح وهم ثلاثماية وانا فيهم، فخرجنا حتى اذا كنا ببعض الطريق فني الزاد، فامر ابو عبيدة بازواد ذلك الجيش فجمع ذلك كله فكان مزودى تمر، فكان يقوتنا كل يوم قليلا قليلا، حتى فني فلم يكن يصيبنا الا تمرة تمرة. فقلت وما تغني تمرة فقال لقد وجدنا فقدها حين فنيت. قال ثم انتهينا الى البحر فاذا حوت مثل الظرب، فاكل منه ذلك الجيش ثماني عشرة ليلة، ثم امر ابو عبيدة بضلعين من اضلاعه فنصبا، ثم امر براحلة فرحلت ثم مرت تحتهما فلم تصبهما
সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সফরে লোকেদের পাথেয় কমে গিয়েছিল এবং তারা অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়লেন। তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট তাদের উট যবেহ করার অনুমতি নেয়ার জন্য এলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের অনুমতি দিলেন। তারপর তাদের সঙ্গে ‘উমার (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হলে তারা তাঁকে এ খবর দিলেন। তিনি বললেন, উট শেষ হয়ে যাবার পর তোমাদের বাঁচার কী উপায় থাকবে? তারপর ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! উট শেষ হয়ে যাবার পর তাদের বাঁচার কী উপায় হবে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লোকেদের কাছে ঘোষণা করে দাও যে, যাদের কাছে অতিরিক্ত যে খাদ্য সামগ্রী আছে, তা যেন আমার কাছে নিয়ে আসে। এর জন্য একটা চামড়া বিছিয়ে দেয়া হল। তারা সেই চামড়ার উপর তা রাখলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তাতে বরকতের জন্য দু‘আ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে তাদের পাত্রগুলো নিয়ে আসতে বললেন, লোকের দু’হাত ভর্তি করে করে নিল। সবার নেয়া শেষ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল। (২৯৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن مرحوم، حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن يزيد بن ابي عبيد، عن سلمة رضى الله عنه قال خفت ازواد القوم واملقوا، فاتوا النبي صلى الله عليه وسلم في نحر ابلهم فاذن لهم، فلقيهم عمر فاخبروه فقال ما بقاوكم بعد ابلكم، فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما بقاوهم بعد ابلهم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ناد في الناس فياتون بفضل ازوادهم ". فبسط لذلك نطع، وجعلوه على النطع. فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا وبرك عليه ثم دعاهم باوعيتهم فاحتثى الناس حتى فرغوا، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهد ان لا اله الا الله واني رسول الله
রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে আসরের সালাত আদায় করে উট যবেহ করতাম। তারপর সে গোশত দশ ভাগে ভাগ করা হত এবং সূর্যাস্তের পূর্বেই আমরা রান্না করা গোশত আহার করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الاوزاعي، حدثنا ابو النجاشي، قال سمعت رافع بن خديج رضى الله عنه قال كنا نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم العصر فننحر جزورا، فتقسم عشر قسم، فناكل لحما نضيجا قبل ان تغرب الشمس
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আশ‘আরী গোত্রের লোকেরা যখন জিহাদে গিয়ে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ে বা মদ্বীনাতেই তাদের পরিবার পরিজনদের খাবার কম হয়ে যায়, তখন তারা তাদের যা কিছু সম্বল থাকে, তা একটা কাপড়ে জমা করে। তারপর একটা পাত্র দিয়ে মেপে তা নিজেদের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে নেয়। কাজেই তারা আমার এবং আমি তাদের। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا حماد بن اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان الاشعريين اذا ارملوا في الغزو، او قل طعام عيالهم بالمدينة جمعوا ما كان عندهم في ثوب واحد، ثم اقتسموه بينهم في اناء واحد بالسوية، فهم مني وانا منهم
আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাতের বিধান হিসাবে যা নির্দিষ্ট করেছিলেন, আবূ বাকর (রাঃ) তা আমাকে লিখে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, যেখানে দু’জন অংশীদার থাকে (যাকাত প্রদানের পর) তারা দু’জনে নিজ নিজ অংশ আদান-প্রদান করে নেবে। (১৪৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عبد الله بن المثنى، قال حدثني ابي قال، حدثني ثمامة بن عبد الله بن انس، ان انسا، حدثه ان ابا بكر رضى الله عنه كتب له فريضة الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " وما كان من خليطين فانهما يتراجعان بينهما بالسوية
রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যুল-হুলায়ফাতে ছিলাম। সাহাবীগণ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েন, তারা কিছু উট ও বকরী পেলেন। রাফি‘ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দলের পিছনে ছিলেন। তারা তাড়াহুড়া করে গনীমতের মাল বণ্টনের পূর্বে সেগুলোকে যবেহ করে পাত্রে চড়িয়ে দিলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশে পাত্র উলটিয়ে ফেলা হল। তারপর তিনি (গনীমতের মাল) বণ্টন শুরু করলেন। তিনি একটি উটের সমান দশটি বকরী নির্ধারণ করেন। হঠাৎ একটি উট পালিয়ে গেল। সাহাবীগণ উটকে ধরার জন্য ছুটলেন, কিন্তু উটটি তাঁদেরকে ক্লান্ত করে ছাড়ল। সে সময় তাঁদের নিকট অল্প সংখ্যক ঘোড়া ছিল। অবশেষে তাঁদের মধ্যে একজন সেটির প্রতি তীর ছুড়লেন। তখন আল্লাহ উটটাকে থামিয়ে দিলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিশ্চয়ই পলায়নপর বন্য জন্তুদের মতো এ সকল চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে কতক পলায়নপর হয়ে থাকে। কাজেই যদি এসব জন্তুর কোনটা তোমাদের উপর প্রবল হয়ে উঠে তবে তার সাথে এরূপ করবে। (রাবী বলেন), তখন আমার দাদা [রাফি‘ (রাঃ)] বললেন, আমরা আশঙ্কা করছি যে, কাল শত্রুর সাথে মুকাবিলা হবে। আর আমাদের নিকট কোন ছুরি নেই। তাই আমরা ধারালো বাঁশ দিয়ে যবেহ করতে পারব কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে বস্তু রক্ত প্রবাহিত করে এবং যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়, সেটা তোমরা আহার করতে পার। কিন্তু দাঁত বা নখ দিয়ে যেন যবেহ না করা হয়। আমি তোমাদেরকে এর কারণ বলে দিচ্ছি। দাঁত তো হাড় আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি। (২৫০৭, ৩০৭৫, ৫৪৯৮, ৫৫০৩, ৫৫০৬, ৫৫০৯, ৫৫৪৩, ৫৫৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن الحكم الانصاري، حدثنا ابو عوانة، عن سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج، عن جده، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم بذي الحليفة فاصاب الناس جوع فاصابوا ابلا وغنما. قال وكان النبي صلى الله عليه وسلم في اخريات القوم فعجلوا وذبحوا ونصبوا القدور، فامر النبي صلى الله عليه وسلم بالقدور فاكفيت، ثم قسم فعدل عشرة من الغنم ببعير فند منها بعير، فطلبوه فاعياهم، وكان في القوم خيل يسيرة فاهوى رجل منهم بسهم فحبسه الله ثم قال " ان لهذه البهايم اوابد كاوابد الوحش فما غلبكم منها فاصنعوا به هكذا ". فقال جدي انا نرجو او نخاف العدو غدا، وليست معنا مدى افنذبح بالقصب. قال " ما انهر الدم وذكر اسم الله عليه، فكلوه، ليس السن والظفر، وساحدثكم عن ذلك، اما السن فعظم واما الظفر فمدى الحبشة
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এক সাথে খেতে বসে) সঙ্গীদের অনুমতি ব্যতীত কাউকে এক সঙ্গে দু’টো করে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। (২৪৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، حدثنا جبلة بن سحيم، قال سمعت ابن عمر رضى الله عنهما يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يقرن الرجل بين التمرتين جميعا، حتى يستاذن اصحابه
জাবালাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মদ্বীনায় ছিলাম। একবার আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ি। তখন ইবনু যুবাইর (রাঃ) আমাদেরকে (প্রত্যহ) খেজুর খেতে দিতেন। একদিন ইবনু ‘উমার (রাঃ) আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। (আমাদের খেজুর খেতে দেখে) তিনি বললেন, তোমরা এক সাথে দু’টো করে খেজুর খেও না। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে তার ভাইয়ের অনুমতি ব্যতীত দু’টো করে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। (২৪৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن جبلة، قال كنا بالمدينة فاصابتنا سنة، فكان ابن الزبير يرزقنا التمر، وكان ابن عمر يمر بنا فيقول لا تقرنوا فان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الاقران، الا ان يستاذن الرجل منكم اخاه
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (শরীকী) গোলাম হতে কেউ নিজের অংশ আযাদ করে দিলে এবং তার কাছে গোলামের ন্যায্য মূল্য পরিমাণ অর্থ থাকলে সে গোলাম (সম্পূর্ণ) আযাদ হয়ে যাবে (তবে আযাদকারী ন্যায্য মূল্যে শরীকদের ক্ষতিপূরণ দিবে) আর সে পরিমাণ অর্থ না থাকলে যতটুকু সে মুক্ত করবে ততটুকুই মুক্ত হবে। (২৫০৩, ২৫২১-২৫২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمران بن ميسرة، حدثنا عبد الوارث، حدثنا ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اعتق شقصا له من عبد او شركا او قال نصيبا وكان له ما يبلغ ثمنه بقيمة العدل، فهو عتيق، والا فقد عتق منه ما عتق ". قال لا ادري قوله عتق منه ما عتق. قول من نافع او في الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ তার (শরীক) গোলাম হতে অংশ আযাদ করে দিলে তার দায়িত্ব হয়ে পড়ে নিজস্ব অর্থে সেই গোলামকে পূর্ণ আযাদ করা। যদি তার প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকে, তাহলে গোলামের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। তারপর (অন্য শরীকদের অংশ পরিশোধের জন্য) তাকে উপার্জনে যেতে হবে, তবে তার উপর অতিরিক্ত কষ্ট চাপানো যাবে না। (২৫০৪, ২৫২৬, ২৫২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن النضر بن انس، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اعتق شقيصا من مملوكه فعليه خلاصه في ماله، فان لم يكن له مال قوم المملوك، قيمة عدل ثم استسعي غير مشقوق عليه
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মহান আল্লাহর নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত থাকে এবং যে সীমা লঙ্ঘন করে, তাদের দৃষ্টান্ত সেই যাত্রীদলের মতো, যারা কুরআ’র মাধ্যমে এক নৌযানে নিজেদের স্থান নির্ধারণ করে নিল। তাদের কেউ স্থান পেল উপর তলায় আর কেউ নীচ তলায় (পানির ব্যবস্থা ছিল উপর তলায়) কাজেই নীচের তলার লোকেরা পানি সংগ্রহ কালে উপর তলার লোকদের ডিঙ্গিয়ে যেত। তখন নীচ তলার লোকেরা বলল, উপর তলার লোকেদের কষ্ট না দিয়ে আমরা যদি নিজেদের অংশে একটি ছিদ্র করে নেই (তবে ভালো হয়) এমতাবস্থায় তারা যদি এদেরকে আপন মর্জির উপর ছেড়ে দেয় তাহলে সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। আর যদি তারা এদের হাত ধরে রাখে (বিরত রাখে) তবে তারা এবং সকলেই রক্ষা পাবে। (২৬৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا زكرياء، قال سمعت عامرا، يقول سمعت النعمان بن بشير رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " مثل القايم على حدود الله والواقع فيها كمثل قوم استهموا على سفينة، فاصاب بعضهم اعلاها وبعضهم اسفلها، فكان الذين في اسفلها اذا استقوا من الماء مروا على من فوقهم فقالوا لو انا خرقنا في نصيبنا خرقا، ولم نوذ من فوقنا. فان يتركوهم وما ارادوا هلكوا جميعا، وان اخذوا على ايديهم نجوا ونجوا جميعا
‘উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি একবার ‘আয়িশাহ (রাযি.)-কে আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘আর যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, ইয়াতীম বালিকাদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না তাহলে অন্য মহিলাদের মধ্য হতে তোমাদের পছন্দ মতো দু’জন বা তিনজন কিংবা চারজনকে বিয়ে করতে পার’’- (আন-নিসাঃ ৩)। এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে ‘আয়িশাহ (রাযি.) বললেন, আমার ভাগিনা! এ হচ্ছে সেই ইয়াতীম মেয়ের কথা, যে অভিভাবকের আশ্রয়ে থাকে এবং তার সম্পদে অংশীদার হয়। এদিকে মেয়ের ধন-রূপে মুগ্ধ হয়ে তার অভিভাবক মোহরানার ব্যাপারে সুবিচার না করে অর্থাৎ, অন্য কেউ যে পরিমাণ মোহরানা দিতে রাজী হত, তা না দিয়েই তাকে বিয়ে করতে চাইত। তাই প্রাপ্য মোহরানা আদায়ের মাধ্যমে সুবিচার না করা পর্যন্ত তাদেরকে আশ্রিতা ইয়াতীম বালিকাদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং পছন্দমত অন্য মহিলাদেরকে বিয়ে করতে বলা হয়েছে। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেছেন, পরে সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট (মহিলাদের সম্পর্কে) ফাতওয়া জিজ্ঞেস করলেন তখন আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করেন- ‘‘তারা আপনার নিকট মহিলাদের সম্পর্কে ফাতওয়া জিজ্ঞেস করে, আপনি বলুন, আল্লাহই তাদের সম্পর্কে তোমাদের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আর ইয়াতীম মেয়েদের সম্পর্কে কিতাব হতে তোমাদেরকে পাঠ করে শোনানো হয়, তাদের জন্য যা বিধিবদ্ধ রয়েছে, তা তোমরা তাদের দাও না অথচ তাদের তোমরা বিয়ে করতে চাও’’- (আন-নিসা : ১২৭)। يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ বলে আল্লাহ তা‘আলা পূর্বোক্ত আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন; যেখানে বলা হয়েছে- (وَإِنْ خِفْتُمْ أَنْ لاَ تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنْ النِّسَاءِ) ‘‘আর যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে অন্য নারীদের মধ্যে হতে তোমাদের পছন্দ মতো দু’জন বা তিনজন কিংবা চারজন বিয়ে করতে পারবে’’। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, আর অপর আয়াতে আল্লাহ তা‘আলার ইরশাদ এর মর্ম হল, ‘‘ধন ও রূপের স্বল্পতা হেতু তোমাদের আশ্রিতা ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি তোমাদের অনাগ্রহ’’। তাই ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি অনাগ্রহ সত্ত্বেও শুধু ধন-রূপের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। অবশ্য ন্যায়সঙ্গত মোহরানা আদায় করে বিয়ে করতে পারে। (২৭৬৩, ৪৫৭৩, ৪৫৭৪, ৪৬০০, ৫০৬৪, ৫০৯২, ৫০৯৮, ৫১২৮, ৫১৩১, ৫১৪০, ৬৯২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله العامري الاويسي، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن صالح، عن ابن شهاب، اخبرني عروة، انه سال عايشة رضى الله عنها وقال الليث حدثني يونس عن ابن شهاب قال اخبرني عروة بن الزبير انه سال عايشة رضى الله عنها عن قول الله تعالى {وان خفتم} الى {ورباع}. فقالت يا ابن اختي هي اليتيمة تكون في حجر وليها تشاركه في ماله، فيعجبه مالها وجمالها، فيريد وليها ان يتزوجها بغير ان يقسط في صداقها، فيعطيها مثل ما يعطيها غيره، فنهوا ان ينكحوهن الا ان يقسطوا لهن ويبلغوا بهن اعلى سنتهن من الصداق، وامروا ان ينكحوا ما طاب لهم من النساء سواهن. قال عروة قالت عايشة ثم ان الناس استفتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الاية فانزل الله {ويستفتونك في النساء} الى قوله {وترغبون ان تنكحوهن} والذي ذكر الله انه يتلى عليكم في الكتاب الاية الاولى التي قال فيها {وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء} قالت عايشة وقول الله في الاية الاخرى {وترغبون ان تنكحوهن} يعني هي رغبة احدكم ليتيمته التي تكون في حجره، حين تكون قليلة المال والجمال، فنهوا ان ينكحوا ما رغبوا في مالها وجمالها من يتامى النساء الا بالقسط من، اجل رغبتهم عنهن
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে সব (স্থাবর) সম্পত্তি এখনো ভাগ করা হয়নি, সেগুলোর ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুফ‘আহ এর (তথা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার) বিধান দিয়েছেন। এরপর সীমানা ঠিক করা হলে এবং পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আহর অধিকার থাকে না। (২২১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال انما جعل النبي صلى الله عليه وسلم الشفعة في كل ما لم يقسم، فاذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব ধরনের অবণ্টিত স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে শুফ‘আহর ফায়সালা দিয়েছেন। এরপর সীমানা নির্ধারণ করে পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না। (২২১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالشفعة في كل ما لم يقسم، فاذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة
আবূ মুসলিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবুল মিনহাল (রহ.)-কে মুদ্রার নগদ বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি এবং আমার এক অংশীদার একবার কিছু মুদ্রা নগদে ও বাকীতে বিনিময় করেছিলাম। এরপর বারা‘ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) আমাদের কাছে এলে আমরা তাকে (সে সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি এবং আমার অংশীদার যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) এরূপ করেছিলাম। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নগদে যা বিনিময় করেছ, তা বহাল রাখ, আর বাকীতে যা বিনিময় করেছ, তা ফিরিয়ে নাও। (২০৬০, ২০৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا ابو عاصم، عن عثمان يعني ابن الاسود، قال اخبرني سليمان بن ابي مسلم، قال سالت ابا المنهال عن الصرف، يدا بيد فقال اشتريت انا وشريك، لي شييا يدا بيد ونسيية، فجاءنا البراء بن عازب فسالناه، فقال فعلت انا وشريكي زيد بن ارقم، وسالنا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " ما كان يدا بيد فخذوه، وما كان نسيية فذروه
আবূ মুসলিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবুল মিনহাল (রহ.)-কে মুদ্রার নগদ বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি এবং আমার এক অংশীদার একবার কিছু মুদ্রা নগদে ও বাকীতে বিনিময় করেছিলাম। এরপর বারা‘ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) আমাদের কাছে এলে আমরা তাকে (সে সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি এবং আমার অংশীদার যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) এরূপ করেছিলাম। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নগদে যা বিনিময় করেছ, তা বহাল রাখ, আর বাকীতে যা বিনিময় করেছ, তা ফিরিয়ে নাও। (২০৬০, ২০৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا ابو عاصم، عن عثمان يعني ابن الاسود، قال اخبرني سليمان بن ابي مسلم، قال سالت ابا المنهال عن الصرف، يدا بيد فقال اشتريت انا وشريك، لي شييا يدا بيد ونسيية، فجاءنا البراء بن عازب فسالناه، فقال فعلت انا وشريكي زيد بن ارقم، وسالنا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " ما كان يدا بيد فخذوه، وما كان نسيية فذروه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের জমি এ শর্তে ইয়াহূদীদের দিয়েছিলেন যে, তারা নিজেদের শ্রমে তাতে চাষাবাদ করবে, তার বিনিময়ে উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক তাদের হবে। (২২৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا جويرية بن اسماء، عن نافع، عن عبد الله رضى الله عنه قال اعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر اليهود ان يعملوها ويزرعوها ولهم شطر ما يخرج منها
‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর কিছু বকরী সাহাবীদের মাঝে ভাগ করার জন্য তাকে (দায়িত্ব) দিয়েছিলেন। ভাগ করা শেষে এক বছর বয়সী একটা ছাগল রয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সে কথা জানালে তিনি ইরশাদ করলেন, ওটা তুমিই কুরবানী কর। (২৩০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي الخير، عن عقبة بن عامر رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اعطاه غنما يقسمها على صحابته ضحايا، فبقي عتود فذكره لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ضح به انت
‘আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। তার মা যায়নাব বিনতে হুমাইদ (রাযি.) একবার তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! একে বায়‘আত করে নিন। তিনি বললেন, সে তো ছোট। তখন তিনি তার মাথায় হাত বুলালেন এবং তার জন্য দু‘আ করলেন। (একই সনদে) যুহরা ইবনু মা‘বাদ (রহ.) হতে আরো বর্ণিত আছে যে, তার দাদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম (রাঃ) তাকে নিয়ে বাজারে যেতেন, খাদ্য সামগ্রী খরিদ করতেন। পথে ইবনু ‘উমার (রাঃ) ও ইবনু যুবাইরের সাথে দেখা হলে তারা তাকে বলতেন (আপনার সাথে ব্যবসায়ে) আমাদেরও শরীক করে নিন। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার জন্য বরকতের দু‘আ করেছেন। এ কথায় তিনি তাদের শরীক করে নিতেন। অনেক সময় (লভ্যাংশ হিসাবে) এক উট বোঝাই মাল তিনি ভাগে পেতেন আর তা বাড়ীতে পাঠিয়ে দিতেন। (২৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اصبغ بن الفرج، قال اخبرني عبد الله بن وهب، قال اخبرني سعيد، عن زهرة بن معبد، عن جده عبد الله بن هشام وكان قد ادرك النبي صلى الله عليه وسلم وذهبت به امه زينب بنت حميد الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله بايعه. فقال " هو صغير ". فمسح راسه ودعا له. وعن زهرة بن معبد، انه كان يخرج به جده عبد الله بن هشام الى السوق فيشتري الطعام فيلقاه ابن عمر وابن الزبير رضى الله عنهم فيقولان له اشركنا، فان النبي صلى الله عليه وسلم قد دعا لك بالبركة فيشركهم، فربما اصاب الراحلة كما هي، فيبعث بها الى المنزل
‘আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। তার মা যায়নাব বিনতে হুমাইদ (রাযি.) একবার তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! একে বায়‘আত করে নিন। তিনি বললেন, সে তো ছোট। তখন তিনি তার মাথায় হাত বুলালেন এবং তার জন্য দু‘আ করলেন। (একই সনদে) যুহরা ইবনু মা‘বাদ (রহ.) হতে আরো বর্ণিত আছে যে, তার দাদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম (রাঃ) তাকে নিয়ে বাজারে যেতেন, খাদ্য সামগ্রী খরিদ করতেন। পথে ইবনু ‘উমার (রাঃ) ও ইবনু যুবাইরের সাথে দেখা হলে তারা তাকে বলতেন (আপনার সাথে ব্যবসায়ে) আমাদেরও শরীক করে নিন। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার জন্য বরকতের দু‘আ করেছেন। এ কথায় তিনি তাদের শরীক করে নিতেন। অনেক সময় (লভ্যাংশ হিসাবে) এক উট বোঝাই মাল তিনি ভাগে পেতেন আর তা বাড়ীতে পাঠিয়ে দিতেন। (২৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اصبغ بن الفرج، قال اخبرني عبد الله بن وهب، قال اخبرني سعيد، عن زهرة بن معبد، عن جده عبد الله بن هشام وكان قد ادرك النبي صلى الله عليه وسلم وذهبت به امه زينب بنت حميد الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله بايعه. فقال " هو صغير ". فمسح راسه ودعا له. وعن زهرة بن معبد، انه كان يخرج به جده عبد الله بن هشام الى السوق فيشتري الطعام فيلقاه ابن عمر وابن الزبير رضى الله عنهم فيقولان له اشركنا، فان النبي صلى الله عليه وسلم قد دعا لك بالبركة فيشركهم، فربما اصاب الراحلة كما هي، فيبعث بها الى المنزل