Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৫ হাদিসসমূহ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হই। তখন তিনি বলেন, তুমি কি মনে কর, তোমাদের উটটি আমার নিকট বিক্রি করবে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর আমি সেটি তাঁর নিকট বিক্রি করলাম। পরে তিনি মদিনা্য় এলেন, আমি সকাল বেলা উটটি নিয়ে তাঁর নিকট গেলাম। তখন তিনি আমাকে এর মূল্য প্রদান করলেন। (৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، اخبرنا جرير، عن المغيرة، عن الشعبي، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم قال " كيف ترى بعيرك اتبيعنيه ". قلت نعم. فبعته اياه، فلما قدم المدينة غدوت اليه بالبعير، فاعطاني ثمنه
‘আবদুল ওয়াহিদ সূত্রে আ‘মাশ (রহ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমরা ইবরাহীম নাখ‘ঈর কাছ ধার (বাকীতে) ক্রয় করা সম্পর্কে আলোচনা করলাম। তখন তিনি বললেন, আসওয়াদ (রাঃ) ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ইয়াহূদীর নিকট হতে এক নির্দিষ্ট মেয়াদে (বাকীতে) খাদ্য ক্রয় করেন এবং তার নিকট নিজের লোহার বর্মটি বন্ধক রাখেন। (২০৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الاعمش، قال تذاكرنا عند ابراهيم الرهن في السلم فقال حدثني الاسود عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم اشترى طعاما من يهودي الى اجل، ورهنه درعا من حديد
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের মাল (ধার) নেয় পরিশোধ করার উদ্দেশে আল্লাহ তা‘আলা তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা নেয় বিনষ্ট করার নিয়্যাতে আল্লাহ তা‘আলা তাকে ধ্বংস করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله الاويسي، حدثنا سليمان بن بلال، عن ثور بن زيد، عن ابي الغيث، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اخذ اموال الناس يريد اداءها ادى الله عنه، ومن اخذ يريد اتلافها اتلفه الله
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (إِنَّ اللهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الأَمَانَاتِ إِلَى أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُمْ بَيْنَ النَّاسِ أَنْ تَحْكُمُوا بِالْعَدْلِ إِنَّ اللهَ نِعِمَّا يَعِظُكُمْ بِهِ إِنَّ اللهَ كَانَ سَمِيعًا بَصِيرًا) আর আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘আমানত তার হকদারকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন। আর যখনি তোমরা মানুষের মধ্যে বিচার পরিচালনা করবে, তখন ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের যে উপদেশ দেন তা কত উৎকৃষ্ট। আল্লাহ সব শুনেন, সব দেখেন।’’ (আন-নিসা (৪) : ৫৮) ২৩৮৮. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। যখন তিনি উহুদ পাহাড় দেখলেন, তখন বললেন, আমি পছন্দ করি না যে, এই পাহাড়টি আমার জন্য সোনায় পরিণত করা হোক এবং এর মধ্য হতে একটি দ্বীনারও (স্বর্ণ মুদ্রা) আমার নিকট তিন দিনের বেশী থাকুক, সেই দ্বীনার ব্যতীত যা আমি ঋণ আদায়ের জন্য রেখে দেই। তারপর তিনি বললেন, যারা অধিক সম্পদশালী তারাই (সাওয়াবের দিক দিয়ে) স্বল্পের অধিকারী। কিন্তু যারা এভাবে ওভাবে ব্যয় করেন (তারা ব্যতীত) (বর্ণনাকারী) আবূ শিহাব তার সামনের দিকে এবং ডান ও বাম দিকে ইশারা করেন এবং এরূপ লোক খুব কম আছে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি এখানেই অবস্থান কর। তিনি একটু দূরে গেলেন। আমি কিছু শব্দ শুনতে পেলাম। তখন আমি তাঁর কাছে আসতে চাইলাম। এরপর ‘‘আমি ফিরে আসা পর্যন্ত তুমি এখানে অবস্থান কর’’ তাঁর এ কথাটি আমার মনে পড়ল। তিনি যখন আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যা আমি শুনলাম অথবা বললেন যে আওয়াজটি আমি শুনতে পেলাম তা কী? তিনি বললেন, তুমি কী শুনেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমার কাছে জিবরীল (আঃ) এসেছিলেন এবং তিনি বললেন, আপনার কোন উম্মাত আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছু শরীক না করে মারা গেলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদিও সে এরূপ, এরূপ কাজ করে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (১২৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا ابو شهاب، عن الاعمش، عن زيد بن وهب، عن ابي ذر رضى الله عنه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم فلما ابصر يعني احدا قال " ما احب انه يحول لي ذهبا يمكث عندي منه دينار فوق ثلاث، الا دينارا ارصده لدين ". ثم قال " ان الاكثرين هم الاقلون، الا من قال بالمال هكذا وهكذا ". واشار ابو شهاب بين يديه وعن يمينه وعن شماله وقليل ما هم وقال مكانك. وتقدم غير بعيد، فسمعت صوتا، فاردت ان اتيه، ثم ذكرت قوله مكانك حتى اتيك، فلما جاء قلت يا رسول الله، الذي سمعت او قال الصوت الذي سمعت قال " وهل سمعت ". قلت نعم. قال " اتاني جبريل عليه السلام فقال من مات من امتك لا يشرك بالله شييا دخل الجنة ". قلت وان فعل كذا وكذا قال " نعم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার কাছে যদি উহুদ পাহাড়ের সমান সোনা থাকত, তাহলেও আমার পছন্দ নয় যে, তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর তার কিছু অংশ আমার কাছে থাকুক। তবে এতটুকু পরিমাণ ব্যতীত, যা আমি ঋণ পরিশোধ করার জন্য রেখে দেই। সালিহ ও ‘উকাইল (রহ.) যুহরী (রহ.) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৬৪৪৫, ৭২২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن شبيب بن سعيد، حدثنا ابي، عن يونس، قال ابن شهاب حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، قال قال ابو هريرة رضى الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كان لي مثل احد ذهبا، ما يسرني ان لا يمر على ثلاث وعندي منه شىء، الا شىء ارصده لدين ". رواه صالح وعقيل عن الزهري
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে তার পাওনা আদায়ের কড়া তাগাদা দিল। সাহাবায়ে কিরাম তাকে শায়েস্তা করতে উদ্যত হলেন। তিনি বলেন, তাকে ছেড়ে দাও। কেননা, পাওনাদারের কথা বলার অধিকার রয়েছে। তার জন্য একটি উট কিনে আন এবং তাকে তা দিয়ে দাও। তাঁরা বললেন, তার উটের চেয়ে বেশী বয়সের উট ছাড়া আমরা পাচ্ছি না। তিনি বললেন, সেটিই কিনে তাকে দিয়ে দাও। কারণ, তোমাদের উত্তম লোক সেই, যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، اخبرنا سلمة بن كهيل، قال سمعت ابا سلمة، ببيتنا يحدث عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رجلا، تقاضى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاغلظ له، فهم اصحابه، فقال " دعوه، فان لصاحب الحق مقالا. واشتروا له بعيرا، فاعطوه اياه ". وقالوا لا نجد الا افضل من سنه. قال " اشتروه فاعطوه اياه، فان خيركم احسنكم قضاء
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, একজন লোক মারা গেল, তাকে জিজ্ঞেস করা হল, তুমি কী বলতে? সে বলল, আমি লোকজনের সাথে বেচা-কেনা করতাম। ধনীদেরকে অবকাশ দিতাম এবং গরীবদেরকে হ্রাস করে দিতাম। কাজেই তাকে মাফ করে দেয়া হল। আবূ মাসঊদ (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট হতে এ হাদীস শুনেছি। (২০৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، عن عبد الملك، عن ربعي، عن حذيفة رضى الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " مات رجل، فقيل له قال كنت ابايع الناس، فاتجوز عن الموسر، واخفف عن المعسر، فغفر له ". قال ابو مسعود سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একজন লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট তার (প্রাপ্য) উটের তাগাদা দিতে আসে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের বললেন, তাকে একটি উট দিয়ে দাও। তাঁরা বললেন, তার চেয়ে উত্তম বয়সের উটই পাচ্ছি। লোকটি বলল, আপনি আমাকে পূর্ণ হক দিয়েছেন, আল্লাহ আপনাকে যেন পূর্ণ হক দেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে সেটি দিয়ে দাও। কেননা, মানুষের মধ্যে সেই উত্তম, যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، عن يحيى، عن سفيان، قال حدثني سلمة بن كهيل، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رجلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم يتقاضاه بعيرا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعطوه ". فقالوا ما نجد الا سنا افضل من سنه. فقال الرجل اوفيتني اوفاك الله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعطوه فان من خيار الناس احسنهم قضاء
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যিম্মায় একজন লোকের এক নির্দিষ্ট বয়সের উট ঋণ ছিল। লোকটি তাঁর নিকট সেটির তাগাদা করতে আসল। তিনি সাহাবীদের বললেন, তাকে একটি উট দিয়ে দাও। তাঁরা সে বয়সের উট তালাশ করলেন। কিন্তু তার চেয়ে বেশী বয়সের উট ছাড়া পাওয়া গেল না। তিনি বললেন, সেটি তাকে দিয়ে দাও। লোকটি বলল, আপনি আমাকে পূর্ণ হক দিয়েছেন, আল্লাহ আপনার পূর্ণ বদলা দিন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের মধ্যে উত্তম লোক সেই, যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن سلمة، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال كان لرجل على النبي صلى الله عليه وسلم سن من الابل فجاءه يتقاضاه فقال صلى الله عليه وسلم " اعطوه ". فطلبوا سنه، فلم يجدوا له الا سنا فوقها. فقال " اعطوه ". فقال اوفيتني، وفى الله بك. قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان خياركم احسنكم قضاء
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আসলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। মিসআর (রহ.) বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন, তা ছিল চাশতের ওয়াক্ত। তিনি বললেন, দু’রাক‘আত সালাত আদায় কর। তাঁর কাছে আমার কিছু ঋণ প্রাপ্য ছিল। তিনি আমার ঋণ আদায় করলেন এবং পাওনার চেয়েও বেশী দিলেন। (৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خلاد، حدثنا مسعر، حدثنا محارب بن دثار، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو في المسجد قال مسعر اراه قال ضحى فقال " صل ركعتين ". وكان لي عليه دين فقضاني وزادني
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা উহুদের যুদ্ধে শহীদ হন এবং তাঁর উপর কিছু ঋণ ছিল। পাওনাদাররা তাদের পাওনা সম্পর্কে কড়াকড়ি শুরু করে দিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সমীপে আসলাম। তিনি তাদেরকে আমার বাগানের ফল নিয়ে নিতে এবং আমার পিতার অবশিষ্ট ঋণ মাফ করে দিতে বললেন। কিন্তু তারা তা মানল না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে আমার বাগানটি দিলেন না। আর তিনি (আমাকে) বলেন, আমরা সকালে তোমার কাছে আসব। তিনি সকাল বেলায় আমাদের কাছে আসলেন এবং বাগানের চারদিকে ঘুরে বরকতের জন্য দু‘আ করলেন। আমি ফল পেড়ে তাদের সমস্ত ঋণ আদায় করে দিলাম এবং আমার নিকট কিছু অতিরিক্ত খেজুর অবশিষ্ট রয়ে গেল। (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، قال حدثني ابن كعب بن مالك، ان جابر بن عبد الله رضى الله عنهما اخبره ان اباه قتل يوم احد شهيدا، وعليه دين فاشتد الغرماء في حقوقهم، فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فسالهم ان يقبلوا تمر حايطي ويحللوا ابي فابوا، فلم يعطهم النبي صلى الله عليه وسلم حايطي، وقال " سنغدو عليك ". فغدا علينا حين اصبح، فطاف في النخل، ودعا في ثمرها بالبركة، فجددتها فقضيتهم، وبقي لنا من تمرها
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত যে, তাঁর পিতা একজন ইয়াহূদীর কাছে হতে নেয়া ত্রিশ ওসাক (খেজুর) ঋণ রেখে ইন্তিকাল করেন। জাবির (রাঃ) তার নিকট (ঋণ পরিশোধের জন্য) সময় চান। কিন্তু সে সময় দিতে অস্বীকার করে। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কথা বললেন, যেন তিনি তার জন্য ইয়াহূদীর কাছে সুপারিশ করেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং ইয়াহূদীর সাথে কথা বললেন, ঋণের বদলে সে যেন তার খেজুর গাছের ফল নিয়ে নেয়। কিন্তু সে তা অস্বীকার করল। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাগানে প্রবেশ করে সেখানে গাছের (চারদিকে) হাঁটাচলা করলেন। তারপর তিনি জাবির (রাঃ)-কে বললেন, ফল পেড়ে তার সম্পূর্ণ প্রাপ্য আদায় করে দাও। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে আসার পর তিনি ফল পাড়লেন এবং তাকে পূর্ণ ত্রিশ ওসাক (খেজুর) দিয়ে দিলেন এবং সতর ওসাক (খেজুর) অতিরিক্ত রয়ে গেল। জাবির (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বিষয়টি অবহিত করার জন্য ইচ্ছা করলেন। তিনি তাঁকে আসরের সালাতরত অবস্থায় পেলেন। তিনি সালাত শেষ করলে তাঁকে অতিরিক্ত খেজুরের কথা অবহিত করলেন। তিনি বললেন, খবরটি ইবনু খাত্তাব (উমর)-কে পৌঁছাও। জাবির (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে খবরটি পৌঁছালেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বাগানে প্রবেশ করে হাঁটাচলা করলেন, তখনই আমি বুঝতে পারছিলাম যে, নিশ্চয় এতে বরকত দান করা হবে। (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا انس، عن هشام، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما انه اخبره ان اباه توفي، وترك عليه ثلاثين وسقا لرجل من اليهود، فاستنظره جابر، فابى ان ينظره، فكلم جابر رسول الله صلى الله عليه وسلم ليشفع له اليه، فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وكلم اليهودي لياخذ ثمر نخله بالذي له فابى، فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم النخل، فمشى فيها ثم قال لجابر " جد له فاوف له الذي له ". فجده بعد ما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم فاوفاه ثلاثين وسقا، وفضلت له سبعة عشر وسقا، فجاء جابر رسول الله صلى الله عليه وسلم ليخبره بالذي كان، فوجده يصلي العصر، فلما انصرف اخبره بالفضل، فقال " اخبر ذلك ابن الخطاب ". فذهب جابر الى عمر، فاخبره. فقال له عمر لقد علمت حين مشى فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ليباركن فيها
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে এই বলে দু‘আ করতেন, হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে গুনাহ এবং ঋণ হতে পানাহ চাচ্ছি। একজন প্রশ্নকারী বলল, (হে আল্লাহর রাসূল)! আপনি ঋণ হতে এত বেশী বেশী পানাহ্ চান কেন? তিনি জওয়াব দিলেন, মানুষ ঋণগ্রস্ত হলে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে এবং ওয়াদা করলে তা খেলাফ করে। (৮৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، ح وحدثنا اسماعيل، قال حدثني اخي، عن سليمان، عن محمد بن ابي عتيق، عن ابن شهاب، عن عروة، ان عايشة رضى الله عنها اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو في الصلاة ويقول " اللهم اني اعوذ بك من الماثم والمغرم ". فقال له قايل ما اكثر ما تستعيذ يا رسول الله من المغرم قال " ان الرجل اذا غرم حدث فكذب ووعد فاخلف
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মাল রেখে গেল, তা তার ওয়ারিশদের। আর যে দায়-দায়িত্বের বোঝা রেখে গেল, তা আমার যিম্মায়। (২২৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن ابي حازم، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ترك مالا فلورثته، ومن ترك كلا فالينا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুনিয়া ও আখিরাতে আমি প্রত্যেক মু’মিনেরই সবচেয়ে ঘনিষ্ঠতর। যদি তোমরা ইচ্ছা কর তাহলে এ আয়াতটি তিলাওয়াত করে দেখঃ ( النَّبِيُّ أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ ) ‘‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মু’মিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর’’। তাই যখন কোন মু’মিন মারা যায় এবং মাল রেখে যায়, তা হলে তার যে আত্মীয়-স্বজন থাকে তারা তার ওয়ারিস হবে; আর যদি সে ঋণ কিংবা অসহায় পরিজন রেখে যায়, তবে তারা যেন আমার নিকট আসে; আমিই তাদের অভিভাবক। (২২৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عامر، حدثنا فليح، عن هلال بن علي، عن عبد الرحمن بن ابي عمرة، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما من مومن الا وانا اولى به في الدنيا والاخرة اقرءوا ان شيتم {النبي اولى بالمومنين من انفسهم} فايما مومن مات وترك مالا فليرثه عصبته من كانوا، ومن ترك دينا او ضياعا فلياتني فانا مولاه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ধনী ব্যক্তির (ঋণ আদায়ে) গড়িমসি করা যুলম। (২২৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الاعلى، عن معمر، عن همام بن منبه، اخي وهب بن منبه انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مطل الغني ظلم
وَيُذْكَرُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَيُّ الْوَاجِدِ يُحِلُّ عُقُوبَتَهُ وَعِرْضَهُ قَالَ سُفْيَانُ عِرْضُهُ يَقُولُ مَطَلْتَنِي وَعُقُوبَتُهُ الْحَبْسُ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, মালদার ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে টালবাহানা তার মানহানি ও শাস্তি বৈধ করে দেয়। সুফইয়ান (রহ.) বলেন, তার মানহানি অর্থ-পাওনাদারের এ কথা বলা যে, তুমি আমার সঙ্গে টালবাহানা করছ আর তার শাস্তির অর্থ হচ্ছে বন্দী করা। ২৪০১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এক লোক (ঋণ পরিশোধের) তাগাদা দিতে আসল এবং কড়া কথা বলল। সাহাবীগণ তাকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। হাক্বদারের (কড়া) কথা বলার অধিকার আছে। (২৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، عن سلمة، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه اتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل يتقاضاه فاغلظ له فهم به اصحابه. فقال " دعوه فان لصاحب الحق مقالا
وَقَالَ الْحَسَنُ إِذَا أَفْلَسَ وَتَبَيَّنَ لَمْ يَجُزْ عِتْقُهُ وَلاَ بَيْعُهُ وَلاَ شِرَاؤُهُ وَقَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ قَضَى عُثْمَانُ مَنْ اقْتَضَى مِنْ حَقِّهِ قَبْلَ أَنْ يُفْلِسَ فَهُوَ لَهُ وَمَنْ عَرَفَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ হাসান [বসরী (রহ.)] বলেন, যদি সে প্রকাশ্যে দেউলিয়া (নিঃসম্বল) হয়ে যায়, তাহলে তার দাসমুক্তি ও ক্রয়-বিক্রয় জায়িয নয়। সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাঃ) বলেন, উসমান (রাঃ) ফায়সালা দিয়েছেন যে, কারো নিঃসম্বল ঘোষিত হওয়ার আগে যদি কেউ তার প্রাপ্য আদায় করে নেয়, তবে তা তারই। আর যে তার মাল সনাক্ত করতে পারে, সে তার বেশী হক্বদার। ২৪০২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিংবা তিনি বলেছেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, যখন কেউ তার মাল এমন লোকের কাছে পায়, যে নিঃসম্বল হয়ে গেছে, তবে অন্যের চেয়ে সে-ই তার বেশী হকদার। (আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, এ সনদে উল্লেখিত রাবীগণ বিচারকের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তারা হলেন ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মাদ, ‘উমার ইবনু আবদুল আযীয, আবূ বাকর ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহ.) ও আবূ বাকর (রহ.) তারা সকলেই মদিনা্য় বিচারক ছিলেন।) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا يحيى بن سعيد، قال اخبرني ابو بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، ان عمر بن عبد العزيز، اخبره ان ابا بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام اخبره انه، سمع ابا هريرة رضى الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم او قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من ادرك ماله بعينه عند رجل او انسان قد افلس، فهو احق به من غيره
بَاب مَنْ أَخَّرَ الْغَرِيمَ إِلَى الْغَدِ أَوْ نَحْوِهِ وَلَمْ يَرَ ذَلِكَ مَطْلاً ৪৩/১৫. অধ্যায় : যে ব্যক্তি পাওনাদারকে দু’এক দিনের জন্য বিলম্বিত করলো আর এটাকে টালবাহানা মনে করে না। وَقَالَ جَابِرٌ اشْتَدَّ الْغُرَمَاءُ فِي حُقُوقِهِمْ فِي دَيْنِ أَبِي فَسَأَلَهُمْ النَّبِيُّ أَنْ يَقْبَلُوا ثَمَرَ حَائِطِي فَأَبَوْا فَلَمْ يُعْطِهِمْ الْحَائِطَ وَلَمْ يَكْسِرْهُ لَهُمْ وَقَالَ سَأَغْدُو عَلَيْكَ غَدًا فَغَدَا عَلَيْنَا حِينَ أَصْبَحَ فَدَعَا فِي ثَمَرِهَا بِالْبَرَكَةِ فَقَضَيْتُهُمْ জাবির (রাঃ) বলেন, আমার পিতার ঋণের ব্যাপারে পাওনাদাররা তাদের পাওনার জন্য কঠোর ব্যবহার করে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে আমার বাগানের ফল গ্রহণ করতে বললেন। কিন্তু তারা অস্বীকার করল। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বাগান দিলেন না এবং তাদের জন্য ফলও নির্ধারণ করে দিলেন না। তিনি বললেন, আমি আগামীকাল সকালে তোমার ওখানে আসব। সকাল হলে তিনি আমাদের কাছে এলেন এবং বাগানের ফলের মধ্যে বারকাতের জন্য দু‘আ করলেন। তারপর আমি তাদের পাওনা পরিশোধ করে দিলাম। (মুসলিম ২২/৫, হাঃ ১৫৫৯, আহমাদ ৭১২৭) ২৪০৩. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কেউ তার গোলামকে মরণোত্তর শর্তে আযাদ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কে আমার হতে এই গোলামটি ক্রয় করবে? তখন নু‘আঈম ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) সেটি ক্রয় করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দাম গ্রহণ করে গোলামের মালিককে দিয়ে দিলেন। (২১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا حسين المعلم، حدثنا عطاء بن ابي رباح، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال اعتق رجل غلاما له عن دبر فقال النبي صلى الله عليه وسلم " من يشتريه مني ". فاشتراه نعيم بن عبد الله، فاخذ ثمنه، فدفعه اليه
قَالَ ابْنُ عُمَرَ فِي الْقَرْضِ إِلَى أَجَلٍ لاَ بَأْسَ بِهِ وَإِنْ أُعْطِيَ أَفْضَلَ مِنْ دَرَاهِمِهِ مَا لَمْ يَشْتَرِطْ وَقَالَ عَطَاءٌ وَعَمْرُو بْنُ دِينَارٍ هُوَ إِلَى أَجَلِهِ فِي الْقَرْضِ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ নিতে কোন দোষ নেই। আর শর্ত করা ব্যতীত তার পাওনা টাকার বেশী দেয়া হলে কোন ক্ষতি নেই। ‘আতা ও ‘আমর ইবনু দ্বীনার (রহ.) বলেন, ঋণ গ্রহীতা নির্ধারিত মেয়াদ মেনে চলবে। ২৪০৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ইসরাঈল সম্প্রদায়ের এক লোকের কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে, সে তার নিজ গোত্রের একজন লোকের নিকট ঋণ চায়। এরপর সে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ দেয় এবং এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (১৪৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল ইসতিকরাদ অনুচ্ছেদ-১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
وقال الليث حدثني جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه ذكر رجلا من بني اسراييل، سال بعض بني اسراييل ان يسلفه، فدفعها اليه الى اجل مسمى. فذكر الحديث