Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯২ হাদিসসমূহ
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, মিথ্যা কসম পণ্য চালু করে দেয় বটে, কিন্তু বরকত নিশ্চিহ্ন করে দেয়। (মুসলিম ২২/২৭, হাঃ ১৬০৬, আহমাদ ২২৬০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، قال ابن المسيب ان ابا هريرة رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الحلف منفقة للسلعة ممحقة للبركة
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি বাজারে পণ্য আমদানী করে আল্লাহর নামে কসম খেল যে, এর এত দাম বলা হয়েছে; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা কেউ বলেনি। এতে তার উদ্দেশ্য সে যেন কোন মুসলিমকে পণ্যের ব্যাপারে ধোঁকায় ফেলতে পারে। এ প্রসঙ্গে আয়াত অবতীর্ণ হয়, ‘‘যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে’’- (আলে ‘ইমরান ৭৭)। (২৬৭৫, ৪৫৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن محمد، حدثنا هشيم، اخبرنا العوام، عن ابراهيم بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن ابي اوفى رضى الله عنه ان رجلا، اقام سلعة، وهو في السوق، فحلف بالله لقد اعطى بها ما لم يعط، ليوقع فيها رجلا من المسلمين، فنزلت {ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا}
وَقَالَ طَاوُسٌ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ النَّبِيُّ لاَ يُخْتَلَى خَلاَهَا وَقَالَ الْعَبَّاسُ إِلاَّ الإِذْخِرَ فَإِنَّهُ لِقَيْنِهِمْ وَبُيُوتِهِمْ فَقَالَ إِلاَّ الإِذْخِرَ তাউস (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মক্কার কাঁচা ঘাস কাটা যাবে না। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস ব্যতীত। কেননা তা মক্কা্বাসীদের কর্মকারদের ও তাদের ঘরের কাজে ব্যবহৃত হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আচ্ছা ইযখির ঘাস ব্যতীত। ২০৮৯. হুসাইন ইবনু ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, (বদর যুদ্ধের) গনীমতের মাল হতে আমার অংশের একটি উটনী ছিল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর খুমুস্ হতে একটি উটনী আমাকে দান করলেন। যখন আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে বাসর রাত যাপনের ইচ্ছা করলাম সে সময় আমি কায়নুকা গোত্রের একজন স্বর্ণকারের সাথে এই চুক্তি করেছিলাম যে, সে আমার সঙ্গে (জঙ্গলে) যাবে এবং ইযখির ঘাস বহন করে আনবে এবং তা স্বর্ণকারদের নিকট বিক্রি করে তার মূল্য দ্বারা আমার বিবাহের ওয়ালীমার ব্যবস্থা করব। (২৩৭৫, ৩০৯১, ৪০০৩, ৫৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني علي بن حسين، ان حسين بن علي رضى الله عنهما اخبره ان عليا عليه السلام قال كانت لي شارف من نصيبي من المغنم، وكان النبي صلى الله عليه وسلم اعطاني شارفا من الخمس، فلما اردت ان ابتني بفاطمة عليها السلام بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم واعدت رجلا صواغا من بني قينقاع ان يرتحل معي فناتي باذخر اردت ان ابيعه من الصواغين، واستعين به في وليمة عرسي
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মক্কা্ বিজয়ের দিন) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা মক্কা্য় (রক্তপাত) হারাম করে দিয়েছেন। আমার আগেও কারো জন্য মক্কা্ হালাল করা হয়নি এবং আমার পরেও কারো জন্য হালাল করা হবে না। আমার জন্য শুধুমাত্র দিনের কিছু অংশে মক্কা্য় (রক্তপাত) হালাল হয়েছিল।[1] মক্কার কোন ঘাস কাটা যাবে না, কোন গাছ কাটা যাবে না। কোন শিকারকে তাড়ানো যাবে না। ঘোষণাকারী ব্যতীত কেউ মক্কার জমিনে পড়ে থাকা মাল উঠাতে পারবে না। ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস, যা আমাদের স্বর্ণকারদের ও আমাদের ঘরের ছাদের জন্য ব্যবহৃত তা ব্যতীত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইযখির ঘাস ব্যতীত। রাবী ইকরাম (রহ.) বলেন, তুমি জানো শিকার তাড়ানোর অর্থ কী? তা হল, ছায়ায় অবস্থিত শিকারকে তাড়িয়ে তার স্থানে নিজে বসা। ‘আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) সূত্রে বলেছেন, আমাদের স্বর্ণকারদের জন্য ও আমাদের কবরের জন্য। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق، حدثنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الله حرم مكة، ولم تحل لاحد قبلي، ولا لاحد بعدي، وانما حلت لي ساعة من نهار، ولا يختلى خلاها، ولا يعضد شجرها، ولا ينفر صيدها ولا يلتقط لقطتها الا لمعرف ". وقال عباس بن عبد المطلب الا الاذخر لصاغتنا ولسقف بيوتنا. فقال " الا الاذخر ". فقال عكرمة هل تدري ما ينفر صيدها هو ان تنحيه من الظل، وتنزل مكانه. قال عبد الوهاب عن خالد لصاغتنا وقبورنا
খাব্বাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলীয়্যাতের যুগে আমি কর্মকারের পেশায় ছিলাম। ‘আস ইবনু ওয়াইলের কাছে কিছু পাওনা ছিল আমি তার কাছে তাগাদা করতে গেলে সে বলল, যতক্ষণ তুমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে অস্বীকার না করবে ততক্ষণ আমি তোমাকে তোমার পাওনা দিব না। আমি বললাম, আল্লাহ তোমাকে মৃত্যু দিয়ে তারপর তোমাকে পুনরুত্থিত করা পর্যন্ত আমি তাঁকে অস্বীকার করব না। সে বলল, আমি মরে পুনরুত্থিত হওয়া পর্যন্ত আমাকে অব্যাহতি দাও। শীগ্গীরই আমাকে সম্পদ ও সন্তান দেয়া হবে, তখন আমি তোমার পাওনা পরিশোধ করব। এ প্রসঙ্গে এ আয়াত নাযিল হলঃ ‘‘তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে, যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবেই’’- (মারইয়াম ৭৭-৭৮)। (২২৭৫, ২৪২৫, ৪৭৩২ হতে ৪৭৩৫, মুসলিম ৫০/৪, হাঃ ২৭৯৫, আহমাদ ২১১২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، عن شعبة، عن سليمان، عن ابي الضحى، عن مسروق، عن خباب، قال كنت قينا في الجاهلية، وكان لي على العاص بن وايل دين، فاتيته اتقاضاه قال لا اعطيك حتى تكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم. فقلت لا اكفر حتى يميتك الله، ثم تبعث. قال دعني حتى اموت وابعث، فساوتى مالا وولدا فاقضيك فنزلت {افرايت الذي كفر باياتنا وقال لاوتين مالا وولدا * اطلع الغيب ام اتخذ عند الرحمن عهدا}
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক দরজী খাবার তৈরী করে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দাওয়াত করলেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে রুটি এবং ঝোল যাতে লাউ ও গোশতের টুকরা ছিল, পেশ করলেন। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখতে পেলাম যে, পেয়ালার কিনারা হতে তিনি লাউয়ের টুকরা খোঁজ করে নিচ্ছেন। সেদিন হতে আমি সব সময় লাউ ভালবাসতে থাকি। (৫৩৭৯, ৫৪২০, ৫৪৩৩, ৫৪৩৫, ৪৫৩৭, ৫৪৩৯, মুসলিম ৩৬/২১, হাঃ ২০৪১, আহমাদ ১২৮৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، انه سمع انس بن مالك رضى الله عنه يقول ان خياطا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام صنعه، قال انس بن مالك فذهبت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى ذلك الطعام، فقرب الى رسول الله صلى الله عليه وسلم خبزا ومرقا فيه دباء وقديد، فرايت النبي صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء من حوالى القصعة قال فلم ازل احب الدباء من يوميذ
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা একটি বুরদা আনলেন। [সাহল (রাঃ)] বললেন, তোমরা জান বুরদা কী? তাকে বলা হয়, হ্যাঁ, তা হল এমন চাদর, যার পাড় বুনানো। মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে পরিধান করানোর জন্য আমি এটি নিজ হাতে বুনে নিয়ে এসেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা গ্রহণ করলেন এবং তাঁর এটির প্রয়োজন ছিল। তারপর তিনি তা তহবন্দরূপে পরিধান করে আমাদের সামনে এলেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে একজন বলে উঠলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা আমাকে পরিধান করতে দিন। তিনি বললেন, আচ্ছা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ মজলিসে বসে পরে ফিরে গেলেন। তারপর চাদরটি ভাঁজ করে সে লোকটির কাছে পাঠিয়ে দিলেন। লোকজন সে ব্যক্তিকে বললেন, তুমি ভাল করনি, তুমি তাঁর কাছে চাদরটি চেয়ে ফেললে, অথচ তুমি জান যে, তিনি কোন যাচ্ঞাকারীকে ফিরিয়ে দেন না। সে লোকটি বললেন, আল্লাহর কসম, আমি চাদরটি এ জন্যই চেয়েছি যে, তা যাতে আমার মৃত্যুর পর আমার কাফন হয়। রাবী সাহল (রাঃ) বলেন, সেটি তার কাফন হয়েছিল। (১২৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن ابي حازم، قال سمعت سهل بن سعد رضى الله عنه قال جاءت امراة ببردة قال اتدرون ما البردة فقيل له نعم، هي الشملة، منسوج في حاشيتها قالت يا رسول الله، اني نسجت هذه بيدي اكسوكها. فاخذها النبي صلى الله عليه وسلم محتاجا اليها. فخرج الينا وانها ازاره. فقال رجل من القوم يا رسول الله، اكسنيها، فقال " نعم ". فجلس النبي صلى الله عليه وسلم في المجلس، ثم رجع فطواها، ثم ارسل بها اليه. فقال له القوم ما احسنت، سالتها اياه، لقد علمت انه لا يرد سايلا. فقال الرجل والله ما سالته الا لتكون كفني يوم اموت. قال سهل فكانت كفنه
আবূ হাযিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু লোক সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ)-এর কাছে এসে মিম্বরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন (আনসারী) মহিলা- সাহল (রাঃ) যার নাম উল্লেখ করেছিলেন- তার কাছে তিনি সংবাদ পাঠালেন যে, তোমার সূত্রধর গোলামকে বল, সে যেন আমার জন্য কাঠ দিয়ে একটি (মিম্বর) তৈরী করে দেয়। লোকদের সাথে কথা বলার সময় যার উপর আমি বসতে পারি। সে মহিলা তাকে গাবা নামক স্থানের কাঠ দিয়ে মিম্বর বানানোর নির্দেশ দিলেন। তারপর গোলামটি তা নিয়ে এল এবং সে মহিলা এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে পাঠিয়ে দিলেন। তাঁর নির্দেশক্রমে তা স্থাপন করা হল, পরে তার উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপবেশন করলেন। (৩৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৪৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن ابي حازم، قال اتى رجال الى سهل بن سعد يسالونه عن المنبر، فقال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم الى فلانة امراة قد سماها سهل " ان مري غلامك النجار، يعمل لي اعوادا اجلس عليهن اذا كلمت الناس ". فامرته يعملها من طرفاء الغابة ثم جاء بها، فارسلت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم بها، فامر بها فوضعت، فجلس عليه
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একজন আনসারী মহিলা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আপনার জন্য এমন একটি জিনিস বানিয়ে দিব না, যার উপর আপনি বসবেন? কেননা, আমার একজন কাঠমিস্ত্রি গোলাম আছে। তিনি বললেন, যদি তুমি তা চাও। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর সে মহিলা তাঁর জন্য মিম্বার তৈরী করলেন। যখন জুমু‘আর দিন হলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই তৈরী মিম্বারের উপরে বসলেন। সে সময় যে খেজুর গাছের কান্ডের উপর ভর দিয়ে তিনি খুতবা দিতেন, সেটি এমনভাবে চীৎকার করে উঠল, যেন তা ফেটে পড়বে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেমে এসে তাকে নিজের সঙ্গে জড়িয়ে ধরলেন। তখন সেটি ফোঁপাতে লাগল, যেমন ছোট শিশুকে চুপ করানোর সময় ফোঁপায়।[1] অবশেষে তা স্থির হয়ে গেল। (রাবী বলেন) খেজুর কান্ডটি যে যিক্র-নসীহত শুনত, তা হারানোর কারণে কেঁদেছিল। (৪৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا عبد الواحد بن ايمن، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما ان امراة من الانصار قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله، الا اجعل لك شييا تقعد عليه فان لي غلاما نجارا. قال " ان شيت ". قال فعملت له المنبر، فلما كان يوم الجمعة قعد النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر الذي صنع، فصاحت النخلة التي كان يخطب عندها حتى كادت ان تنشق، فنزل النبي صلى الله عليه وسلم حتى اخذها فضمها اليه، فجعلت تين انين الصبي الذي يسكت حتى استقرت. قال " بكت على ما كانت تسمع من الذكر
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ اشْتَرَى النَّبِيُّ جَمَلاً مِنْ عُمَرَ وَاشْتَرَى ابْنُ عُمَرَ بِنَفْسِهِ وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ جَاءَ مُشْرِكٌ بِغَنَمٍ فَاشْتَرَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُ شَاةً وَاشْتَرَى مِنْ جَابِرٍ بَعِيرًا ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি উট খরিদ করেছিলেন। ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) বলেন, জনৈক মুশরিক তার ছাগলের পাল নিয়ে আসলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হতে একটি বকরী খরিদ করেন। আর তিনি জারির (রাঃ) হতে একটি উট খরিদ করেছিলেন। ২০৯৬. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ইয়াহূদী হতে বাকীতে খাদ্য ক্রয় করেন এবং নিজের লৌহ বর্ম তার কাছে বন্ধক রাখেন। (২০৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت اشترى رسول الله صلى الله عليه وسلم من يهودي طعاما بنسيية، ورهنه درعه
هَلْ يَكُونُ ذَلِكَ قَبْضًا قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِعُمَرَ بِعْنِيهِ يَعْنِي جَمَلاً صَعْبًا জন্তু বা উট খরিদ কালে বিক্রেতা যদি তার পিঠে আরোহী অবস্থায় থাকে তবে তার অবতরণের পূর্বেই কি ক্রেতার হস্তগত হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, আমার কাছে তা অর্থাৎ অবাধ্য উট বিক্রয় করে দাও। ২০৯৭. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। আমার উটটি অত্যন্ত ধীরে চলছিল বরং চলতে অক্ষম হয়ে পড়েছিল। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এলেন এবং বললেন, জাবির? আমি বললাম, জী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার অবস্থা কী? আমি বললাম, আমার উট আমাকে নিয়ে অত্যন্ত ধীরে চলছে এবং অক্ষম হয়ে পড়ছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গেছি। তখন তিনি নেমে চাবুক দিয়ে উটটিকে আঘাত করতে লাগলেন। তারপর বললেন, এবার আরোহণ কর। আমি আরোহণ করলাম। এরপর অবশ্য আমি উটটিকে এমন পেলাম যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অগ্রসর হওয়ায় বাধা দিতে হয়েছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি বিবাহ করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিবাহিতা? আমি বললাম, বিবাহিতা। তিনি বললেন, তরুণী বিবাহ করলে না কেন? তুমি তার সাথে হাসি-তামাসা এবং সে তোমার সাথে পূর্ণভাবে হাঁসি-তামাসা করত। আমি বললাম, আমার কয়েকটি বোন রয়েছে, ফলে আমি এমন এক মহিলাকে বিবাহ করতে পছন্দ করলাম, যে তাদেরকে মিল-মহববতে রাখতে, তাদের পরিচর্যা করতে এবং তাদের উপর উত্তমরূপে কর্তৃত্ব করতে সক্ষম হয়। তিনি বললেন, শোন! তুমি তো বাড়ীতে পৌঁছবে? যখন তুমি পৌঁছবে তখন তুমি বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেবে। তিনি বললেন, তোমার উটটি বিক্রি করবে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি তা এক উকীয়ার বিনিময়ে আমার নিকট হতে কিনে নিলেন। তারপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার আগে (মদ্বীনায়) পৌঁছলেন এবং আমি (পরের দিন) ভোরে পৌঁছলাম। আমি মসজিদে নাববীতে গিয়ে তাঁকে দরজার সামনে পেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এখন এলে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমার উটটি রাখ এবং মসজিদে প্রবেশ করে দু’রাক‘আত সালাত আদায় কর। আমি মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করলাম। তারপর তিনি বিলাল (রাঃ)-কে উকীয়া ওজন করে আমাকে দিতে বললেন। বিলাল (রাঃ) ওজন করে দিলেন এবং আমার পক্ষে ঝুঁকিয়ে দিলেন। আমি রওয়ানা হলাম। যখন আমি পিছনে ফিরেছি তখন তিনি বললেন, জাবিরকে আমার কাছে ডাক। আমি ভাবলাম, এখন হয়তো উটটি আমাকে ফিরিয়ে দেবেন। আর আমার নিকট এর চেয়ে অপছন্দনীয় আর কিছুই ছিল না। তিনি বললেন, তোমার উটটি নিয়ে যাও এবং তার দামও তোমার। (৪৪৩, মুসলিম ৬/১১, হাঃ ৭১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا عبيد الله، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في غزاة، فابطا بي جملي واعيا، فاتى على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " جابر ". فقلت نعم. قال " ما شانك ". قلت ابطا على جملي واعيا، فتخلفت. فنزل يحجنه بمحجنه، ثم قال " اركب ". فركبت، فلقد رايته اكفه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تزوجت ". قلت نعم. قال " بكرا ام ثيبا ". قلت بل ثيبا. قال " افلا جارية تلاعبها وتلاعبك ". قلت ان لي اخوات، فاحببت ان اتزوج امراة تجمعهن، وتمشطهن، وتقوم عليهن. قال " اما انك قادم، فاذا قدمت فالكيس الكيس ". ثم قال " اتبيع جملك ". قلت نعم. فاشتراه مني باوقية، ثم قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلي، وقدمت بالغداة، فجينا الى المسجد، فوجدته على باب المسجد، قال " الان قدمت ". قلت نعم. قال " فدع جملك، فادخل فصل ركعتين ". فدخلت فصليت، فامر بلالا ان يزن له اوقية. فوزن لي بلال، فارجح في الميزان، فانطلقت حتى وليت فقال " ادع لي جابرا ". قلت الان يرد على الجمل، ولم يكن شىء ابغض الى منه. قال " خذ جملك ولك ثمنه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, উকায, মাজান্না ও যুল-মাজায জাহিলী যুগের বাজার ছিল, ইসলামের আবির্ভাবের পরে লোকেরা তথায় ব্যবসা করা গুনাহের কাজ মনে করল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেনঃ তোমাদের উপর কোন গুনাহ নাই ....... (অর্থাৎ) হাজ্জের মওসুমে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এরূপ পড়েছেন। (১৭৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كانت عكاظ ومجنة وذو المجاز اسواقا في الجاهلية، فلما كان الاسلام تاثموا من التجارة فيها، فانزل الله {ليس عليكم جناح} في مواسم الحج، قرا ابن عباس كذا
الْهَائِمُ الْمُخَالِفُ لِلْقَصْدِ فِي كُلِّ شَيْءٍ. হায়িম বলা হয় যে কোন ব্যাপারে মধ্যম পন্থা বর্জনকারীকে। ২০৯৯. ‘আমর (ইবনু দ্বীনার) (রহ.) বলেন, এখানে নাওওয়াস নামক এক ব্যক্তি ছিল। তার নিকট অতি পিপাসা রোগে আক্রান্ত একটি উট ছিল। ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার শরীকের কাছ হতে সে উটটি কিনে নেন। পরে তার শরীক তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, সে উটটি বিক্রি করে দিয়েছি। নাওওয়াস জিজ্ঞেস করলেন, কার কাছে বিক্রি করেছ? সে বলল, এমন আকৃতির এক বৃদ্ধের কাছে। নাওওয়াস বলে উঠলেন, আরে কি সর্বনাশ! তিনি তো আল্লাহর কসম ইবনু ‘উমার (রাঃ) ছিলেন। এরপর নাওওয়াস তাঁর নিকট এলেন এবং বললেন, আমার শরীক আপনাকে চিনতে না পেরে আপনার কাছে একটি পিপাসাক্রান্ত উট বিক্রি করেছে। তিনি বললেন, তবে উটটি নিয়ে যাও। সে যখন উটটি নিয়ে যেতে উদ্যত হলো, তখন তিনি বললেন, রেখে দাও। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ফায়সালায় সন্তুষ্ট যে, রোগে কোন সংক্রমণ নেই। সুফয়ান (রহ.) ‘আমর (রহ.) হতে উক্ত হাদীসটি শুনেছেন। (২৮৫৮, ৫০৯৩, ৫০৯৪, ৫৭৫৩, ৫৭৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي، حدثنا سفيان، قال عمرو كان ها هنا رجل اسمه نواس، وكانت عنده ابل هيم، فذهب ابن عمر رضى الله عنهما فاشترى تلك الابل من شريك له، فجاء اليه شريكه فقال بعنا تلك الابل. فقال ممن بعتها قال من شيخ، كذا وكذا. فقال ويحك ذاك والله ابن عمر. فجاءه فقال ان شريكي باعك ابلا هيما، ولم يعرفك. قال فاستقها. قال فلما ذهب يستاقها فقال دعها، رضينا بقضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم لا عدوى. سمع سفيان عمرا
وَكَرِهَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ بَيْعَهُ فِي الْفِتْنَةِ ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) ফিতনার সময় অস্ত্র বিক্রয়কে অপছন্দ করতেন। ২১০০. আবূ কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে হুনাইনের যুদ্ধে গমন করেছিলাম। তখন তিনি আমাকে একটি বর্ম দিয়েছিলেন। আমি সেটি বিক্রয় করে তার মূল্য দ্বারা বণূ সালিমা গোত্রের এলাকায় একটি বাগান ক্রয় করি। এ ছিল ইসলাম গ্রহণের পর আমার প্রথম স্থাবর সম্পত্তি অর্জন। (৩১৪২, ৩৪২১, ৩৩২, ৭১৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن ابن افلح، عن ابي محمد، مولى ابي قتادة عن ابي قتادة رضى الله عنه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حنين، فاعطاه يعني درعا فبعت الدرع، فابتعت به مخرفا في بني سلمة، فانه لاول مال تاثلته في الاسلام
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ মিস্ক বিক্রেতা ও কর্মকারের হাপরের ন্যায়। আতর বিক্রেতাদের থেকে শূন্য হাতে ফিরে আসবে না। হয় তুমি আতর খরিদ করবে, না হয় তার সুঘ্রাণ পাবে। আর কর্মকারের হাপর হয় তোমার ঘর অথবা তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে, না হয় তুমি তার দুর্গন্ধ পাবে। (৫৫৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا ابو بردة بن عبد الله، قال سمعت ابا بردة بن ابي موسى، عن ابيه رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل الجليس الصالح والجليس السوء كمثل صاحب المسك، وكير الحداد، لا يعدمك من صاحب المسك اما تشتريه، او تجد ريحه، وكير الحداد يحرق بدنك او ثوبك او تجد منه ريحا خبيثة
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তায়বা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে শিঙ্গা লাগালেন তখন তিনি তাকে এক সা‘ পরিমাণ খেজুর দিতে আদেশ করলেন এবং তার মালিককে তার দৈনিক পারিশ্রমিকের হার কমিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (২২১০, ২২৭৭, ২২৮০, ২২৮১, ৫৬৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن حميد، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال حجم ابو طيبة رسول الله صلى الله عليه وسلم فامر له بصاع من تمر، وامر اهله ان يخففوا من خراجه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিঙ্গা লাগালেন এবং যে তাঁকে শিঙ্গা লাগিয়েছে, তাকে তিনি মজুরী দিলেন। যদি তা হারাম হতো তবে তিনি তা দিতেন না। (১৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا خالد هو ابن عبد الله حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم واعطى الذي حجمه، ولو كان حراما لم يعطه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট একটি রেশমী চাদর পাঠিয়ে দেন, পরে তিনি তা তাঁর গায়ে দেখতে পেয়ে বলেন, আমি তা তোমাকে এ জন্য দেইনি যে, তুমি তা পরিধান করবে। অবশ্য তা তারাই পরিধান করে, যার (আখিরাতে) কোন অংশ নেই। আমি তো তা তোমার কাছে এজন্য পাঠিয়েছি যে, তুমি তা দিয়ে উপকৃত হবে অর্থাৎ তা বিক্রি করবে। (৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا ابو بكر بن حفص، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن ابيه، قال ارسل النبي صلى الله عليه وسلم الى عمر رضى الله عنه بحلة حرير او سيراء فراها عليه، فقال " اني لم ارسل بها اليك لتلبسها، انما يلبسها من لا خلاق له، انما بعثت اليك لتستمتع بها ". يعني تبيعها
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি একটি ছবিওয়ালা বালিশ ক্রয় করেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দেখতে পেয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন, ভিতরে প্রবেশ করলেন না। আমি তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টি ভাব দেখতে পেলাম। তখন বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কাছে তওবা করছি। আমি কী অপরাধ করেছি? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বালিশের কী ব্যাপার? ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, আমি বললাম, আমি এটি আপনার জন্য ক্রয় করেছি, যাতে আপনি টেক লাগিয়ে বসতে পারেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ছবি তৈরীকারীদের কিয়ামতের দিন শাস্তি দেয়া হবে। তাদের বলা হবে, তোমরা যা তৈরী করেছিলে, তা জীবিত কর। তিনি আরো বলেন, যে ঘরে এ সব ছবি থাকে, সে ঘরে (রহমতের) ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না। (৩২২৪, ৫১৮১, ৫৯৫৭, ৫৯৬১, ৭৫৫৭, মুসলিম ৩৭/২৬, হাঃ ২১০৭, আহমাদ ২৬১৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن القاسم بن محمد، عن عايشة ام المومنين رضى الله عنها انها اخبرته انها اشترت نمرقة فيها تصاوير، فلما راها رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على الباب، فلم يدخله، فعرفت في وجهه الكراهية، فقلت يا رسول الله، اتوب الى الله والى رسوله صلى الله عليه وسلم ماذا اذنبت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما بال هذه النمرقة ". قلت اشتريتها لك لتقعد عليها وتوسدها. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اصحاب هذه الصور يوم القيامة يعذبون، فيقال لهم احيوا ما خلقتم ". وقال " ان البيت الذي فيه الصور لا تدخله الملايكة
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে বানূ নাজ্জার! আমাকে তোমাদের বাগানের মূল্য বল। বাগানটিতে ঘরের ভাঙা চুরা অংশ ও খেজুর গাছ ছিল। (২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الوارث، عن ابي التياح، عن انس رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " يا بني النجار ثامنوني بحايطكم ". وفيه خرب ونخل