Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৩ হাদিসসমূহ
‘আমর ইবনু দ্বীনার (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘উমরাহ’র মাঝে বাইতুল্লাহর তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহর তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। ‘‘আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহর রাসূলের মাঝেই’’- (আল-আহযাবঃ ২১)। (৯৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، قال سالنا ابن عمر رضى الله عنهما عن رجل، طاف بالبيت في عمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، اياتي امراته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة سبعا، وقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة. قال وسالنا جابر بن عبد الله رضى الله عنهما فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة
‘আমর ইবনু দ্বীনার (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘উমরাহ’র মাঝে বাইতুল্লাহর তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়াহর তাওয়াফ না করে যে স্ত্রীর নিকট গমন করে, এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মক্কায়) এসে বায়তুল্লাহ’র সাতবার তাওয়াফ করে মাকামে ইব্রাহীমের পাশে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর সাতবার সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করেছেন। ‘‘আর তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ তো রয়েছে আল্লাহর রাসূলের মাঝেই’’- (আল-আহযাবঃ ২১)। (৯৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، قال سالنا ابن عمر رضى الله عنهما عن رجل، طاف بالبيت في عمرة، ولم يطف بين الصفا والمروة، اياتي امراته فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة سبعا، وقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة. قال وسالنا جابر بن عبد الله رضى الله عنهما فقال لا يقربنها حتى يطوف بين الصفا والمروة
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার বাতহায় অবতরণ করলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি হাজ্জ করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিসের ইহরাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ইহরামের মত আমিও ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভাল করেছ। এখন বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়ার সা‘য়ী করে হালাল হয়ে যাও। অতঃপর আমি বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়ার সা‘য়ী করে কায়স গোত্রের এক মহিলার কাছে গেলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম এবং ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফত পর্যন্ত আমি এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি আমরা আল্লাহর কিতাব গ্রহণ করি সেটা তো আমাদের পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বাণী গ্রহণ করি তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর পশু তার স্থানে পৌঁছার (যবহ করার) পূর্ব পর্যন্ত হালাল হননি। (১৫৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن ابي موسى الاشعري رضى الله عنه قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم بالبطحاء وهو منيخ فقال " احججت ". قلت نعم. قال " بما اهللت ". قلت لبيك باهلال كاهلال النبي صلى الله عليه وسلم قال " احسنت. طف بالبيت وبالصفا والمروة ثم احل ". فطفت بالبيت، وبالصفا والمروة، ثم اتيت امراة من قيس، ففلت راسي، ثم اهللت بالحج. فكنت افتي به، حتى كان في خلافة عمر فقال ان اخذنا بكتاب الله فانه يامرنا بالتمام، وان اخذنا بقول النبي صلى الله عليه وسلم فانه لم يحل حتى يبلغ الهدى محله
আবুল আসওয়াদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ)-এর কন্যা আসমা (রাযি.)-এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, যখনই আসমা (রাযি.) হাজ্জূন এলাকা দিয়ে গমন করতেন তখনই তাঁকে বলতে শুনেছেন صَلَّى اللهُ عَلَى رَسُولِهِ আল্লাহ তাঁর রাসূলের প্রতি রহমত নাযিল করুন, এ স্থানে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে অবতরণ করেছিলাম। তখন আমাদের বোঝা ছিল খুব অল্প, যানবাহন ছিল একেবারে নগণ্য এবং সম্বল ছিল খুবই কম। আমি, আমার বোন ‘আয়িশাহ (রাযি.), যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরাহ আদায় করলাম। তারপর বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করে আমরা সকলেই হালাল হয়ে গেলাম এবং সন্ধ্যাকালে হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। (১৬১৫, মুসলিম ১৫/২৯, হাঃ ১২৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، اخبرنا عمرو، عن ابي الاسود، ان عبد الله، مولى اسماء بنت ابي بكر حدثه انه، كان يسمع اسماء تقول كلما مرت بالحجون صلى الله على محمد لقد نزلنا معه ها هنا، ونحن يوميذ خفاف، قليل ظهرنا، قليلة ازوادنا، فاعتمرت انا واختي عايشة والزبير وفلان وفلان، فلما مسحنا البيت احللنا، ثم اهللنا من العشي بالحج
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোন যুদ্ধ, বা হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং পরে বলতেন : অর্থাৎ ‘‘আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তওবা্কারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশে সিজদা্কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, স্বীয় বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদলকে পরাজিত করেছেন।’’ (২৯৯৫, ৩০৮৪, ৪১১৬, ৬৩৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬৮. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا قفل من غزو او حج او عمرة يكبر على كل شرف من الارض ثلاث تكبيرات، ثم يقول " لا اله الا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، ايبون تايبون عابدون ساجدون لربنا حامدون، صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الاحزاب وحده
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় এলে ‘আবদুল মুত্তালিব গোত্রীয় কয়েকজন তরুণ তাঁকে স্বাগত জানায়। তিনি একজনকে তাঁর সাওয়ারীর সামনে ও অন্যজনকে পেছনে তুলে নেন। (৫৯৬৮, ৫৯৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৬৯. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة استقبلته اغيلمة بني عبد المطلب، فحمل واحدا بين يديه واخر خلفه
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে,আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার উদ্দেশে বের হয়ে ‘মসজিদে শাজারাতে’ সালাত আদায় করতেন। আর যখন ফিরতেন, যুল-হুলাইফার বাতনুল-ওয়াদীতে সালাত আদায় করতেন এবং এখানে সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করতেন। (৪৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭০. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن الحجاج، حدثنا انس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا خرج الى مكة يصلي في مسجد الشجرة، واذا رجع صلى بذي الحليفة ببطن الوادي وبات حتى يصبح
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত্রে কখনো পরিবারের নিকট প্রবেশ করতেন না। তিনি প্রভাতে কিংবা বৈকালে ছাড়া পরিবারের নিকট প্রবেশ করতেন না। (মুসলিম ৩৩/৫৬, হাঃ ১৯২৮, আহমাদ ১৩১১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭১. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا همام، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن انس رضى الله عنه قال كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يطرق اهله، كان لا يدخل الا غدوة او عشية
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা পরিবারের কাছে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন। (৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭২. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا شعبة، عن محارب، عن جابر رضى الله عنه قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يطرق اهله ليلا
হুমাইদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর হতে ফিরে যখন মদিনার উঁচু রাস্তাগুলো দেখতেন তখন তিনি তাঁর উটনী দ্রুতগতিতে চালাতেন আর বাহন অন্য জানোয়ার হলে তিনি তাকে তাড়া দিতেন। অপর একটি বর্ণনায় হুমাইদ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,دَرَجَاتِ (উঁচু রাস্তা)-এর পরিবর্তে جُدُرَاتِ (দেয়ালগুলো) শব্দ বলেছেন। হারিস ইবনু ‘উমাইর (রহ.) ইসমা‘ঈল (রহ.)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেন। (১৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، اخبرنا محمد بن جعفر، قال اخبرني حميد، انه سمع انسا رضى الله عنه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قدم من سفر، فابصر درجات المدينة اوضع ناقته، وان كانت دابة حركها. قال ابو عبد الله زاد الحارث بن عمير عن حميد حركها من حبها. حدثنا قتيبة، حدثنا اسماعيل، عن حميد، عن انس، قال جدرات. تابعه الحارث بن عمير
আবূ ইসহাক (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, এ আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। হাজ্জ করে এসে আনসারগণ তাদের বাড়িতে সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ না করে পেছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করতেন। এক আনসার ফিরে এসে তার বাড়ির সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ করলে তাকে এ জন্য লজ্জা দেয়া হয়। তখনই নাযিল হয়ঃ ‘‘পশ্চাৎ দিক দিয়ে তোমাদের গৃহ-প্রবেশ করাতে কোন কল্যাণ নেই। বরং কল্যাণ আছে যে তাকওয়া অবলম্বন করে। সুতরাং তোমরা (সামনের) দরজা দিয়ে গৃহে প্রবেশ কর’’- (আল-বাকারাঃ ১৮৯)। (৪৫১২, মুসলিম ৫৪/৫৪, হাঃ ৩০২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭৪. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت البراء رضى الله عنه يقول نزلت هذه الاية فينا، كانت الانصار اذا حجوا فجاءوا لم يدخلوا من قبل ابواب بيوتهم، ولكن من ظهورها، فجاء رجل من الانصار، فدخل من قبل بابه، فكانه عير بذلك، فنزلت {وليس البر بان تاتوا البيوت من ظهورها ولكن البر من اتقى واتوا البيوت من ابوابها}
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, সফর ‘আযাবের অংশ বিশেষ। তা তোমাদের যথাসময় পানাহার ও নিদ্রায় ব্যঘাত ঘটায়। কাজেই সকলেই যেন নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অবিলম্বে আপন পরিজনের কাছে ফিরে যায়। (৩০০১, ৫৪২৯, মুসলিম ৩৩/৫৫, হাঃ ১৯২৭, আহমাদ ৭২২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا مالك، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " السفر قطعة من العذاب، يمنع احدكم طعامه وشرابه ونومه، فاذا قضى نهمته فليعجل الى اهله
আসলাম (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মক্কার রাস্তায় আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। সাফিয়্যা বিনতু আবূ ‘উবায়দ (রাঃ)-এর মারাত্নক অসুস্থ হওয়ার খবর তাঁর নিকট পৌঁছল। তখন তিনি গতি বৃদ্ধি করলেন। (পশ্চিম আকাশের) লালিমা চলে যাবার পর সাওয়ারী হতে অবতরণ করে মাগরিব ও ‘ইশা একত্রে আদায় করেন। অতঃপর বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখেছি, সফরে তাড়াতাড়ি চলার দরকার হলে তিনি মাগরিবকে দেরি করে মাগরিব ও ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন। (১০৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، اخبرنا محمد بن جعفر، قال اخبرني زيد بن اسلم، عن ابيه، قال كنت مع عبد الله بن عمر رضى الله عنهما بطريق مكة، فبلغه عن صفية بنت ابي عبيد شدة وجع فاسرع السير، حتى كان بعد غروب الشفق نزل، فصلى المغرب والعتمة، جمع بينهما، ثم قال اني رايت النبي صلى الله عليه وسلم اذا جد به السير اخر المغرب، وجمع بينهما