Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬০ হাদিসসমূহ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশা এক সাথে আদায় করেন। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হয়। তবে উভয়ের মধ্যে বা পরে তিনি কোন নফল সালাত আদায় করেননি। (১০৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا ابن ابي ذيب، عن الزهري، عن سالم بن عبد الله، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال جمع النبي صلى الله عليه وسلم بين المغرب والعشاء بجمع، كل واحدة منهما باقامة، ولم يسبح بينهما ولا على اثر كل واحدة منهما
আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হাজ্জের সময় মুযদালিফায় মাগরিব এবং ‘ইশা একত্রে আদায় করেছেন। (৪৪১৪, মুসলিম ১৫/৪৭, হাঃ ১২৮৭, আহমাদ ২৩৬২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان بن بلال، حدثنا يحيى بن سعيد، قال اخبرني عدي بن ثابت، قال حدثني عبد الله بن يزيد الخطمي، قال حدثني ابو ايوب الانصاري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع في حجة الوداع المغرب والعشاء بالمزدلفة
‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হাজ্জ আদায় করলেন। তখন ‘ইশার আযানের সময় বা তার কাছাকাছি সময় আমরা মুযদালিফায় পৌঁছলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে আদেশ দিলেন। সে আযান দিল এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বলল। তিনি মাগরিব আদায় করলেন এবং এরপর আরো দু’ রাক‘আত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি রাতের খাবার আনালেন এবং তা খেয়ে নিলেন। (রাবী বলেন) অতঃপর তিনি একজনকে আদেশ দিলেন। আমার মনে হয়, লোকটি আযান দিল এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বলল। ‘আমর (রহ.) বলেন, আমার বিশ্বাস এ সন্দেহ যুহাইর (রহ.) হতেই হয়েছে। অতঃপর তিনি দু’ রাক‘আত ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। ফজর হওয়া মাত্রই তিনি বললেনঃ এ সময়, এ দিনে, এ স্থানে, এ সালাত ব্যতীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন সালাত আদায় করেননি। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ দু’টি সালাত তাদের প্রচলিত ওয়াক্ত হতে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই লোকেরা মুযদালিফা পৌঁছার পর মাগরিব আদায় করেন এবং ফজরের সময় হওয়া মাত্র ফজরের সালাত আদায় করেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এরূপ করতে দেখেছি। (১৬৮২, ১৬৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن خالد، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد، يقول حج عبد الله رضى الله عنه فاتينا المزدلفة حين الاذان بالعتمة، او قريبا من ذلك، فامر رجلا فاذن واقام، ثم صلى المغرب، وصلى بعدها ركعتين، ثم دعا بعشايه فتعشى، ثم امر ارى رجلا فاذن واقام قال عمرو لا اعلم الشك الا من زهير ثم صلى العشاء ركعتين، فلما طلع الفجر قال ان النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يصلي هذه الساعة الا هذه الصلاة، في هذا المكان، من هذا اليوم. قال عبد الله هما صلاتان تحولان عن وقتهما صلاة المغرب بعد ما ياتي الناس المزدلفة، والفجر حين يبزغ الفجر. قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يفعله
সালিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর পরিবারের দুর্বল লোকদের আগেই পাঠিয়ে দিয়ে রাতে মুযদালিফাতে মাশ‘আরে হারামের নিকট উকূফ করতেন এবং সাধ্যমত আল্লাহর যিকর করতেন। অতঃপর ইমাম (মুযদালিফায়) উকূফ করার ও রওয়ানা হওয়ার আগেই তাঁরা (মিনায়) ফিরে যেতেন। তাঁদের মধ্যে কেউ মিনাতে আগমন করতেন ফজরের সালাতের সময় আর কেউ এরপরে আসতেন, মিনাতে এসে তাঁরা কঙ্কর মারতেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, তাদের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কড়াকড়ি শিথিল করে সহজ করে দিয়েছেন। (মুসলিম ১৫/৪৯, হাঃ ১২৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، قال سالم وكان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما يقدم ضعفة اهله، فيقفون عند المشعر الحرام بالمزدلفة بليل، فيذكرون الله ما بدا لهم، ثم يرجعون قبل ان يقف الامام، وقبل ان يدفع، فمنهم من يقدم منى لصلاة الفجر، ومنهم من يقدم بعد ذلك، فاذا قدموا رموا الجمرة، وكان ابن عمر رضى الله عنهما يقول ارخص في اوليك رسول الله صلى الله عليه وسلم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রাতে মুযদালিফা হতে পাঠিয়েছেন। (১৬৭৮, ১৮৫৬, মুসলিম ১৫/৪৯, হাঃ ১২৯৩, ১২৯৪, আহমাদ ২২০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم من جمع بليل
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফার রাতে তাঁর পরিবারের যে সব লোককে এখানে পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁদের একজন। (১৬৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي، حدثنا سفيان، قال اخبرني عبيد الله بن ابي يزيد، سمع ابن عباس رضى الله عنهما يقول انا ممن، قدم النبي صلى الله عليه وسلم ليلة المزدلفة في ضعفة اهله
আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি মুযদালিফার রাতে মুযদালিফার কাছাকাছি স্থানে পৌঁছে সালাতে দাঁড়ালেন এবং কিছুক্ষণ সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, হে বৎস! চাঁদ কি অস্তমিত হয়েছে? আমি বললাম, না। তিনি আরো কিছুক্ষণ সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, হে বৎস! চাঁদ কি ডুবেছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, চল। আমরা রওয়ানা হলাম এবং চললাম। পরিশেষে তিনি জামরায় কঙ্কর মারলেন এবং ফিরে এসে নিজের অবস্থানের জায়গায় ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর আমি তাঁকে বললাম, হে মহিলা! আমার মনে হয়, আমরা বেশি অন্ধকার থাকতেই আদায় করে ফেলেছি। তিনি বললেন, বৎস! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের জন্য এর অনুমতি দিয়েছেন। (মুসলিম ১৫/৪৯, হাঃ ১২৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، عن يحيى، عن ابن جريج، قال حدثني عبد الله، مولى اسماء عن اسماء، انها نزلت ليلة جمع عند المزدلفة، فقامت تصلي، فصلت ساعة، ثم قالت يا بنى هل غاب القمر قلت لا. فصلت ساعة، ثم قالت هل غاب القمر قلت نعم. قالت فارتحلوا. فارتحلنا، ومضينا حتى رمت الجمرة، ثم رجعت فصلت الصبح في منزلها. فقلت لها يا هنتاه ما ارانا الا قد غلسنا. قالت يا بنى، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذن للظعن
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সওদা (রাঃ) মুযদালিফার রাতে (মিনা যাওয়ার জন্য) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অনুমতি চাইলেন, তিনি তাঁকে অনুমতি দেন। সওদাহ (রাঃ) ছিলেন ভারী ও ধীরগতিসম্পন্না নারী। (১৬৮১, মুসলিম ১৫/৪৮, হাঃ ১২৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، حدثنا عبد الرحمن هو ابن القاسم عن القاسم، عن عايشة رضى الله عنها قالت استاذنت سودة النبي صلى الله عليه وسلم ليلة جمع وكانت ثقيلة ثبطة فاذن لها
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মুযদালিফায় অবতরণ করলাম। মানুষের ভিড়ের আগেই রওয়ানা হওয়ার জন্য সওদা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে অনুমতি চাইলেন। আর তিনি ছিলেন ধীরগতি মহিলা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে অনুমতি দিলেন। তাই তিনি লোকের ভিড়ের আগেই রওয়ানা হলেন। আর আমরা সকাল পর্যন্ত সেখানেই রয়ে গেলাম। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রওয়ানা হলেন, আমরা তাঁর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। সওদার মত আমিও যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অনুমতি চেয়ে নিতাম তাহলে তা আমার জন্য হতে অধিক সন্তুষ্টির ব্যাপার হতো।(১৬৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا افلح بن حميد، عن القاسم بن محمد، عن عايشة رضى الله عنها قالت نزلنا المزدلفة فاستاذنت النبي صلى الله عليه وسلم سودة ان تدفع قبل حطمة الناس، وكانت امراة بطيية، فاذن لها، فدفعت قبل حطمة الناس، واقمنا حتى اصبحنا نحن، ثم دفعنا بدفعه، فلان اكون استاذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استاذنت سودة احب الى من مفروح به
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু’টি সালাত ব্যতীত আর কোন সালাত তার নির্দিষ্ট সময় ব্যতীত আদায় করতে দেখিনি। তিনি মাগরিব ও ‘ইশা একত্রে আদায় করেছেন এবং ফজরের সালাত তার ওয়াক্তের আগে আদায় করেছেন। (১৬৭৫, মুসলিম ১৫/৪৮, হাঃ ১২৮৯, আহমাদ ৩৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، قال حدثني عمارة، عن عبد الرحمن، عن عبد الله رضى الله عنه قال ما رايت النبي صلى الله عليه وسلم صلى صلاة بغير ميقاتها الا صلاتين جمع بين المغرب والعشاء، وصلى الفجر قبل ميقاتها
‘আব্দুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে মক্কা্ রওয়ানা হলাম। এরপর আমরা মুযদালিফায় পৌঁছলাম। তখন তিনি পৃথক পৃথক আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের সাথে উভয় সালাত (মাগরিব ও ‘ইশা) আদায় করলেন এবং এ দু’ সালাতের মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিলেন। অতঃপর ফজর হতেই তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। কেউ কেউ বলছিল যে, ফজরের সময় হয়ে গেছে, আবার কেউ বলছিল যে, এখনো ফজরের সময় আসেনি। এরপর ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দু’ সালাত অর্থাৎ মাগরিব ও ‘ইশা এ স্থানে তাদের নিজ সময় হতে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই ‘ইশার ওয়াক্তের আগে কেউ যেন মুযদালিফায় না আসে। আর ফজরের সালাত এই মুহূর্তে। এরপর তিনি ফর্সা হওয়া পর্যন্ত সেখানে উকূফ করেন। এরপর বললেন, আমীরুল মুমিনীন যদি এখন রওয়ানা হন তাহলে তিনি সুন্নাত মুতাবিক কাজ করলেন। (রাবী বলেন) আমার জানা নেই, তাঁর কথা দ্রুত ছিল, না ‘উসমান (রাঃ)-এর রওয়ানা হওয়াটা। এরপর তিনি তালবিয়া পাঠ করতে থাকলেন, কুরবানীর দিন জামরায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত। (মুসলিম ১৫/৪৮, হাঃ ১২৮৯, আহমাদ ৩৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا اسراييل، عن ابي اسحاق، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال خرجنا مع عبد الله رضى الله عنه الى مكة، ثم قدمنا جمعا، فصلى الصلاتين، كل صلاة وحدها باذان واقامة، والعشاء بينهما، ثم صلى الفجر حين طلع الفجر، قايل يقول طلع الفجر. وقايل يقول لم يطلع الفجر. ثم قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان هاتين الصلاتين حولتا عن وقتهما في هذا المكان المغرب والعشاء، فلا يقدم الناس جمعا حتى يعتموا، وصلاة الفجر هذه الساعة ". ثم وقف حتى اسفر، ثم قال لو ان امير المومنين افاض الان اصاب السنة. فما ادري اقوله كان اسرع ام دفع عثمان رضى الله عنه فلم يزل يلبي حتى رمى جمرة العقبة يوم النحر
‘আমর ইবনু মায়মূন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি মুযদালিফাতে ফজরের সালাত আদায় করে (মাশ‘আরে হারামে) উকূফ করলেন এবং তিনি বললেন, মুশরিকরা সূর্য না উঠা পর্যন্ত রওয়ানা হত না। তারা বলত, হে সাবীর! আলোকিত হও। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিপরীত করলেন এবং তিনি সূর্য উঠার আগেই রওয়ানা হলেন। (৩৮৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، سمعت عمرو بن ميمون، يقول شهدت عمر رضى الله عنه صلى بجمع الصبح، ثم وقف فقال ان المشركين كانوا لا يفيضون حتى تطلع الشمس، ويقولون اشرق ثبير. وان النبي صلى الله عليه وسلم خالفهم، ثم افاض قبل ان تطلع الشمس
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাযল (রাঃ)-কে তাঁর সওয়ারীর পেছনে বসিয়েছিলেন। সেই ফাযল (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায় পৌঁছে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم الضحاك بن مخلد، اخبرنا ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم اردف الفضل، فاخبر الفضل انه لم يزل يلبي حتى رمى الجمرة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আরাফা হতে মুযদালিফা আসার পথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওয়ারীর পেছনে উসামাহ (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর মুযদালিফা হতে মিনার পথে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাযলকে সওয়ারীর পেছনে বসালেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা উভয়েই বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর না মারা পর্যন্ত অনবরত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي، عن يونس الايلي، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان اسامة بن زيد رضى الله عنهما كان ردف النبي صلى الله عليه وسلم من عرفة الى المزدلفة، ثم اردف الفضل من المزدلفة الى منى قال فكلاهما قالا لم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى جمرة العقبة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আরাফা হতে মুযদালিফা আসার পথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওয়ারীর পেছনে উসামাহ (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর মুযদালিফা হতে মিনার পথে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাযলকে সওয়ারীর পেছনে বসালেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা উভয়েই বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর না মারা পর্যন্ত অনবরত তালবিয়া পাঠ করছিলেন। (১৫৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي، عن يونس الايلي، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان اسامة بن زيد رضى الله عنهما كان ردف النبي صلى الله عليه وسلم من عرفة الى المزدلفة، ثم اردف الفضل من المزدلفة الى منى قال فكلاهما قالا لم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى جمرة العقبة
আবূ জামরাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে তামাত্তু‘ হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা আদায় করতে আদেশ দিলেন। এরপর আমি তাঁকে কুরবানী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তামাত্তু‘র কুরবানী হলো একটি উট, গরু বা বকরী অথবা এক কুরবানীর পশুর মধ্যে শরীকানা এক অংশ। আবূ জামরাহ (রহ.) বলেন, লোকেরা তামাত্তু‘ হাজ্জকে যেন অপছন্দ করত। একদা আমি ঘুমালাম তখন দেখলাম, একটি লোক যেন (আমাকে লক্ষ্য করে) ঘোষণা দিচ্ছে, উত্তম হাজ্জ এবং মাকবূল তামাত্তু‘। এরপর আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে এসে স্বপ্নের কথা বললাম। তিনি আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করে বললেন, এটাই তো আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সুন্নাত। আদম, ওয়াহাব ইবনু জারীর এবং গুনদার (রহ.) শু‘বাহ্ (রহ.) হতে মাকবূল ‘উমরাহ এবং উত্তম হাজ্জ বলে উল্লেখ করেছেন। (১৫৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ১০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا النضر، اخبرنا شعبة، حدثنا ابو جمرة، قال سالت ابن عباس رضى الله عنهما عن المتعة، فامرني بها، وسالته عن الهدى، فقال فيها جزور او بقرة او شاة او شرك في دم قال وكان ناسا كرهوها، فنمت فرايت في المنام كان انسانا ينادي حج مبرور، ومتعة متقبلة. فاتيت ابن عباس رضى الله عنهما فحدثته فقال الله اكبر سنة ابي القاسم صلى الله عليه وسلم قال وقال ادم ووهب بن جرير وغندر عن شعبة عمرة متقبلة، وحج مبرور
(وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُمْ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ لَكُمْ فِيهَا خَيْرٌ فَاذْكُرُوا اسْمَ اللهِ عَلَيْهَا صَوَافَّ فَإِذَا وَجَبَتْ جُنُوبُهَا فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ كَذَلِكَ سَخَّرْنَاهَا لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ لَنْ يَنَالَ اللهَ لُحُومُهَا وَلاَ دِمَاؤُهَا وَلَكِنْ يَنَالُهُ التَّقْوَى مِنْكُمْ كَذَلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا اللهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَبَشِّرْ الْمُحْسِنِينَ) قَالَ مُجَاهِدٌ سُمِّيَتْ الْبُدْنَ لِبُدْنِهَا وَالْقَانِعُ السَّائِلُ وَالْمُعْتَرُّ الَّذِي يَعْتَرُّ بِالْبُدْنِ مِنْ غَنِيٍّ أَوْ فَقِيرٍ وَشَعَائِرُ اسْتِعْظَامُ الْبُدْنِ وَاسْتِحْسَانُهَا وَالْعَتِيقُ عِتْقُهُ مِنْ الْجَبَابِرَةِ وَيُقَالُ وَجَبَتْ سَقَطَتْ إِلَى الأَرْضِ وَمِنْهُ وَجَبَتْ الشَّمْسُ ‘‘আর উটকে আমি করেছি তোমাদের জন্য আল্লাহ্র নিদর্শনাবলীর মধ্যে অন্যতম নিদর্শন, তোমাদের জন্য এতে রয়েছে মঙ্গল। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো অবস্থায় তাদের উপর তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর; তারপর যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তোমরা তা থেকে খাও এবং সাহায্য কর ধৈর্যশীল অভাবগ্রস্তকে এবং যাচ্ঞাকারী অভাবগ্রস্তকেও। আমি এভাবে ঐ পশুগুলোকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছি যেন তোমরা শোকর কর। আর আল্লাহ্র কাছে পৌঁছে না এগুলোর গোশত এবং না এগুলোর রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া। এভাবেই তিনি এগুলোকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন যেন তোমরা আল্লাহ্র মহত্ব ঘোষণা কর, যেহেতু তিনি তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন। সুতরাং আপনি সুসংবাদ দিন সৎকর্মশীলদেরকে।’’ (আল-হাজ্জঃ ৩৬-৩৭) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, কুরবানীর উটগুলোকে মোটা তাজা হওয়ার কারণে الْبُدْنَ বলা হয়, الْقَائِ অর্থাৎ যাচ্ঞাকারী, الْمُعْتَرُّ ঐ ব্যক্তি, যে ধনী হোক বা দরিদ্র, কুরবানীর উটের গোশত খাওয়ার জন্য ঘুরে বেড়ায়। شَعَائِرُ অর্থাৎ কুরবানীর উটের প্রতি সম্মান করা এবং ভাল জানা। الْعَتِيقُ অর্থাৎ যালিমদের হতে মুক্ত হওয়া وَجَبَتْ অর্থ যমীনে লুটিয়ে পড়ে। এ অর্থেই হল وَجَبَتْ الشَّمْسُ সূর্য অস্তমিত হয়েছে। ১৬৮৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর। সে বলল, এ তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এর পিঠে সওয়ার হয়ে চল। এবারও লোকটি বলল, এ-তো কুরবানীর উট। এরপরও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর, তোমার সর্বনাশ! এ কথাটি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারে বলেছেন। (১৭০৬, ২৭৫৫, ৬১৬০, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১৩২২, আহমাদ ১০৩১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى رجلا يسوق بدنة فقال " اركبها ". فقال انها بدنة. فقال " اركبها ". قال انها بدنة. قال " اركبها، ويلك ". في الثالثة او في الثانية
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। সে বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। লোকটি বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি বললেন, এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (২৭৫৪, ৬১৫৯, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১২২৩, আহমাদ ১২০৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، وشعبة، قالا حدثنا قتادة، عن انس رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم راى رجلا يسوق بدنة، فقال " اركبها ". قال انها بدنة. قال " اركبها ". قال انها بدنة. قال " اركبها ". ثلاثا
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ ও ‘উমরাহ একসাথে পালন করেছেন। তিনি হাদী পাঠান অর্থাৎ যুল-হুলাইফা হতে কুরবানীর জানোয়ার সাথে নিয়ে নেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধেন, এরপর হাজ্জের ইহরাম বাঁধেন। সাহাবীগণ তাঁর সঙ্গে ‘উমরাহ’র ও হাজ্জের নিয়্যাতে তামাত্তু‘ করলেন। সাহাবীগণের কতেক হাদী সাথে নিয়ে চললেন, আর কেউ কেউ হাদী সাথে নেননি। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ পৌঁছে সাহাবীগণকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যারা হাদী সাথে নিয়ে এসেছ, তাদের জন্য হাজ্জ সমাপ্ত করা পর্যন্ত কোন নিষিদ্ধ জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যারা হাদী সাথে নিয়ে আসনি, তারা বাইতুল্লাহর এবং সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ করে চুল কেটে হালাল হয়ে যাবে। এরপর হাজ্জের ইহরাম বাঁধবে। তবে যারা কুরবানী করতে পারবে না তারা হাজ্জের সময় তিনদিন এবং বাড়িতে ফিরে গিয়ে সাতদিন সওম পালন করবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ পৌঁছেই তাওয়াফ করলেন। প্রথমে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করলেন এবং তিন চক্কর রামল করে আর চার চক্কর স্বাভাবিকভাবে হেঁটে তাওয়াফ করলেন। বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করে তিনি মাকামে ইব্রাহীমের নিকট দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন, সালাম ফিরিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফায় আসলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাত চক্কর সা‘ঈ করলেন। হাজ্জ সমাধান করা পর্যন্ত তিনি যা কিছু হারাম ছিল তা হতে হালাল হয়নি। তিনি কুরবানীর দিনে হাদী কুরবানী করলেন, সেখান হতে এসে তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। অতঃপর তাঁর উপর যা হারাম ছিল সে সব কিছু হতে তিনি হালাল হয়ে গেলেন। সাহাবীগণের মধ্যে যাঁরা হাদী সাথে নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা সেরূপ করলেন, যেরূপ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان ابن عمر رضى الله عنهما قال تمتع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بالعمرة الى الحج، واهدى فساق معه الهدى من ذي الحليفة، وبدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاهل بالعمرة، ثم اهل بالحج، فتمتع الناس مع النبي صلى الله عليه وسلم بالعمرة الى الحج، فكان من الناس من اهدى فساق الهدى، ومنهم من لم يهد، فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة، قال للناس " من كان منكم اهدى فانه لا يحل لشىء حرم منه حتى يقضي حجه، ومن لم يكن منكم اهدى فليطف بالبيت، وبالصفا والمروة، وليقصر، وليحلل، ثم ليهل بالحج، فمن لم يجد هديا فليصم ثلاثة ايام في الحج وسبعة اذا رجع الى اهله ". فطاف حين قدم مكة، واستلم الركن اول شىء، ثم خب ثلاثة اطواف، ومشى اربعا، فركع حين قضى طوافه بالبيت عند المقام ركعتين، ثم سلم، فانصرف فاتى الصفا فطاف بالصفا والمروة سبعة اطواف، ثم لم يحلل من شىء حرم منه حتى قضى حجه ونحر هديه يوم النحر، وافاض فطاف بالبيت، ثم حل من كل شىء حرم منه، وفعل مثل ما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم من اهدى وساق الهدى من الناس
‘উরওয়া (রহ.) ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ পালন করেন এবং তাঁর সঙ্গে সাহাবীগণও তামাত্তু’ করেন, যেমনি বর্ণনা করেছেন সালিম (রহ.) ইব্ন ‘উমার (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে। (মুসলিম ১৫/২৪, হাঃ ১২২৭, ১২২৮, আহমাদ ৬২৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৮২ শেষাংশ)
وعن عروة، ان عايشة رضى الله عنها اخبرته عن النبي صلى الله عليه وسلم في تمتعه بالعمرة الى الحج فتمتع الناس معه بمثل الذي اخبرني سالم عن ابن عمر رضى الله عنهما عن رسول الله صلى الله عليه وسلم