Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬০ হাদিসসমূহ
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর পুত্র ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতাকে বললেন, আপনি (এবার বাড়িতেই) অবস্থান করুন। কেননা, বাইতুল্লাহ হতে আপনার বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তাহলে আমি তাই করব যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ’’- (আহযাবঃ ২১)। সুতরাং আমি তোমাদের সাক্ষী করে বলছি, (এবার) ‘উমরাহ আদায় করা আমি আমার উপর ওয়াজিব করে নিয়েছি। তাই তিনি ‘উমরাহ’র জন্য ইহরাম বাঁধলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি রওয়ানা হলেন, যখন বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি হাজ্জ এবং ‘উমরাহ উভয়টির জন্য ইহরাম বেঁধে বললেন, হাজ্জ এবং ‘উমরাহ’র ব্যাপার তো একই। এরপর তিনি কুদাইদ নামক স্থান হতে কুরবানীর জানোয়ার কিনলেন এবং মক্কা্ পৌঁছে (হাজ্জ ও ‘উমরাহ) উভয়টির জন্য একটি তাওয়াফ করলেন। উভয়ের সব কাজ শেষ করা পর্যন্ত তিনি ইহরাম খুললেন না। (১৬৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد، عن ايوب، عن نافع، قال قال عبد الله بن عبد الله بن عمر رضى الله عنهم لابيه اقم، فاني لا امنها ان ستصد عن البيت. قال اذا افعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد قال الله {لقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة} فانا اشهدكم اني قد اوجبت على نفسي العمرة. فاهل بالعمرة، قال ثم خرج حتى اذا كان بالبيداء اهل بالحج والعمرة، وقال ما شان الحج والعمرة الا واحد. ثم اشترى الهدى من قديد، ثم قدم فطاف لهما طوافا واحدا، فلم يحل حتى حل منهما جميعا
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা ও মারওয়ান (রাযি.) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়েই বলেছেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাজারেরও অধিক সাহাবী নিয়ে মাদ্বীনা হতে বের হয়ে যুল-হুলাইফা পৌঁছে কুরবানীর পশুটিকে কিলাদা পরালেন এবং ইশ‘আর করলেন। এরপর তিনি ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধলেন। (১৬৯৪=১৮১১, ২৭১২, ২৭৩১, ৪১৫৮, ৪১৭৮, ৪১৮১) (১৬৯৫=২৭১১, ২৭৩২, ৪১৫৭, ৪১৭৯, ৪১৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن المسور بن مخرمة، ومروان، قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم من المدينة زمن الحديبية في بضع عشرة ماية من اصحابه، حتى اذا كانوا بذي الحليفة قلد النبي صلى الله عليه وسلم الهدى واشعر واحرم بالعمرة
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা ও মারওয়ান (রাযি.) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়েই বলেছেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাজারেরও অধিক সাহাবী নিয়ে মাদ্বীনা হতে বের হয়ে যুল-হুলাইফা পৌঁছে কুরবানীর পশুটিকে কিলাদা পরালেন এবং ইশ‘আর করলেন। এরপর তিনি ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধলেন। (১৬৯৪=১৮১১, ২৭১২, ২৭৩১, ৪১৫৮, ৪১৭৮, ৪১৮১) (১৬৯৫=২৭১১, ২৭৩২, ৪১৫৭, ৪১৭৯, ৪১৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن المسور بن مخرمة، ومروان، قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم من المدينة زمن الحديبية في بضع عشرة ماية من اصحابه، حتى اذا كانوا بذي الحليفة قلد النبي صلى الله عليه وسلم الهدى واشعر واحرم بالعمرة
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি তাকে কিলাদা পরিয়ে ইশ‘আর করার পর পাঠিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁর জন্য যা হালাল ছিল এতে তা হারাম হয়নি। (১৬৯৮, ১৬৯৯, ১৭০১ হতে ১৭০৫, ২৩১৭, ৫৫৬৬, মুসলিম ১৫/৬৪, হাঃ ১৩২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا افلح، عن القاسم، عن عايشة رضى الله عنها قالت فتلت قلايد بدن النبي صلى الله عليه وسلم بيدى، ثم قلدها واشعرها واهداها، فما حرم عليه شىء كان احل له
হাফসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! লোকদের কী হল তারা হালাল হয়ে গেল আর আপনি হালাল হলেন না? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তো আমার মাথার তালবিদ করেছি এবং আমার কুরবানীর জানোয়ারকে কিলাদা পরিয়ে দিয়েছি, তাই হাজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (১৫৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، رضى الله عنهم قالت قلت يا رسول الله ما شان الناس حلوا ولم تحلل انت قال " اني لبدت راسي، وقلدت هديي، فلا احل حتى احل من الحج
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদ্বীনা হতে কুরবানীর পশু পাঠাতেন, আমি তার গলায় কিলাদার মালা পাকিয়ে দিতাম। এরপর মুহরিম যে কাজ বর্জন করে, তিনি তার কিছু বর্জন করতেন না। (১৬৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، حدثنا ابن شهاب، عن عروة، وعن عمرة بنت عبد الرحمن، ان عايشة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهدي من المدينة، فافتل قلايد هديه، ثم لا يجتنب شييا مما يجتنبه المحرم
وَقَالَ عُرْوَةُ عَنْ الْمِسْوَرِ قَلَّدَ النَّبِيُّ الْهَدْيَ وَأَشْعَرَهُ وَأَحْرَمَ بِالْعُمْرَةِ ‘উরওয়া (রহ.) মিসওয়ার (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর পশুর কিলাদা পরান ও ইশ‘আর করেন এবং ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধেন। ১৬৯৯. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিলাম। এরপর তিনি তার ইশ‘আর করলেন এবং তাকে তিনি কিলাদা পরিয়ে দিলেন অথবা আমি একে কিলাদা পরিয়ে দিলাম। এরপর তিনি তা বাইতুল্লাহর দিকে পাঠালেন এবং নিজে মাদ্বীনায় থাকলেন এবং তাঁর জন্য যা হালাল ছিল তা হতে কিছুই তাঁর জন্য হারাম হয়নি। (১৬৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا افلح بن حميد، عن القاسم، عن عايشة رضى الله عنها قالت فتلت قلايد هدى النبي صلى الله عليه وسلم ثم اشعرها وقلدها او قلدتها ثم بعث بها الى البيت، واقام بالمدينة، فما حرم عليه شىء كان له حل
যিয়াদ ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর নিকট পত্র লিখলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু (মক্কা্) পাঠায় তা যবহ না করা পর্যন্ত তার জন্য ঐ সমস্ত কাজ হারাম হয়ে যায়, যা হাজীদের জন্য হারাম। (বর্ণনাকারিণী) আমরাহ (রহ.) বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) যেমন বলেছেন, ব্যাপার তেমন নয়। আমি নিজ হাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি আর তিনি নিজ হাতে তাকে কিলাদা পরিয়ে দেন। এরপর আমার পিতার সঙ্গে তা পাঠান। সে জানোয়ার যবহ করা পর্যন্ত আল্লাহ কর্তৃক হালাল করা কোন বস্তুই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রতি হারাম হয়নি। (১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن عمرو بن حزم، عن عمرة بنت عبد الرحمن، انها اخبرته ان زياد بن ابي سفيان كتب الى عايشة رضى الله عنها ان عبد الله بن عباس رضى الله عنهما قال من اهدى هديا حرم عليه ما يحرم على الحاج حتى ينحر هديه. قالت عمرة فقالت عايشة رضى الله عنها ليس كما قال ابن عباس، انا فتلت قلايد هدى رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدى، ثم قلدها رسول الله صلى الله عليه وسلم بيديه، ثم بعث بها مع ابي فلم يحرم على رسول الله صلى الله عليه وسلم شىء احله الله حتى نحر الهدى
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর জন্য বকরী পাঠালেন। (১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت اهدى النبي صلى الله عليه وسلم مرة غنما
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর (কুরবানীর পশুর) কিলাদাগুলো পাকিয়ে দিতাম আর তিনি তা বকরীর গলায় পরিয়ে দিতেন। এরপর তিনি নিজ পরিবারে হালাল অবস্থায় থেকে যেতেন। (১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الاعمش، حدثنا ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت كنت افتل القلايد للنبي صلى الله عليه وسلم فيقلد الغنم، ويقيم في اهله حلالا
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বকরীর কিলাদা পাকিয়ে দিতাম আর তিনি সেগুলো পাঠিয়ে দিয়ে হালাল অবস্থায় থেকে যেতেন। (১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد، حدثنا منصور بن المعتمر،. وحدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت كنت افتل قلايد الغنم للنبي صلى الله عليه وسلم فيبعث بها، ثم يمكث حلالا
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি, তাঁর ইহরাম বাঁধার আগে। (১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا زكرياء، عن عامر، عن مسروق، عن عايشة رضى الله عنها قالت فتلت لهدى النبي صلى الله عليه وسلم تعني القلايد قبل ان يحرم
উম্মুল মুমিনীন [‘আয়িশাহ (রাযি.)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছে যে পশম ছিল আমি তা দিয়ে কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। (১৭৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا ابن عون، عن القاسم، عن ام المومنين رضى الله عنها قالت فتلت قلايدها من عهن كان عندي
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একটি কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেনঃ এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। লোকটি বলল, এটি কুরবানীর উট। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর উপর সওয়ার হয়ে যাও। বর্ণনাকারী বলেন, আমি লোকটিকে দেখেছি যে, সে ঐ পশুটির পিঠে চড়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সাথে চলছিল আর পশুটির গলায় জুতার মালা ঝুলানো ছিল। মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহ.) এ বর্ণনার অনুসরণ করেছেন। ‘উসমান ইবনু ‘উমার (রহ.)...আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। (১৬৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، اخبرنا عبد الاعلى بن عبد الاعلى، عن معمر، عن يحيى بن ابي كثير، عن عكرمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان نبي الله صلى الله عليه وسلم راى رجلا يسوق بدنة، قال " اركبها ". قال انها بدنة. قال " اركبها ". قال فلقد رايته راكبها يساير النبي صلى الله عليه وسلم والنعل في عنقها. تابعه محمد بن بشار حدثنا عثمان بن عمر، اخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى، عن عكرمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ يَشُقُّ مِنْ الْجِلاَلِ إِلاَّ مَوْضِعَ السَّنَامِ وَإِذَا نَحَرَهَا نَزَعَ جِلاَلَهَا مَخَافَةَ أَنْ يُفْسِدَهَا الدَّمُ ثُمَّ يَتَصَدَّقُ بِهَا ইবনু ‘উমার (রাঃ) শুধু কুঁজের স্থানের ঝুল ফেড়ে দিতেন। আর তা নহর করার সময় নষ্ট করে দেয়ার আশঙ্কায় ঝুলটি খুলে নিতেন এবং পরে তা সদাকাহ করে দিতেন। ১৭০৭. ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যবেহকৃত কুরবানীর উটের পৃষ্ঠের আবরণ এবং তার চামড়া সদাকাহ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। (১৭১৬, ১৭১৬, ১৭১৭, ১৭১৮, ২২৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن علي رضى الله عنه قال امرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اتصدق بجلال البدن التي نحرت وبجلودها
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু যুবাইরের খিলাফতকালে খারিজীদের হাজ্জ আদায়ের বছর ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজ্জ পালন করার ইচ্ছা করেন। তখন তাঁকে বলা হল, লোকেদের মাঝে পরস্পর লড়াই সংঘটিত হতে যাচ্ছে, আর তারা আপনাকে বাধা দিতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করি। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, (আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন) ‘‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ’’- (আল-আহযাবঃ ২১)। কাজেই আমি সেরূপ করব যেরূপ করেছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী করে বলছি, আমি আমার উপর ‘উমরাহ ওয়াজিব করে ফেলেছি। এরপর বায়দার উপকন্ঠে পৌঁছে তিনি বললেন, হাজ্জ এবং ‘উমরাহ’র ব্যাপার তো একই। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী করে বলছি, ‘উমরাহ’র সাথে আমি হাজ্জকেও একত্রিত করলাম। এরপর তিনি কিলাদা পরিহিত কুরবানীর জানোয়ার নিয়ে চললেন, যেটি তিনি আসার পথে কিনেছিলেন। অতঃপর তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা‘ঈ করলেন। তাছাড়া অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং সে সব বিষয় হতে হালাল হননি যেসব বিষয় তাঁর উপর হারাম ছিল- কুরবানীর দিন পর্যন্ত। তখন তিনি মাথা মুড়ালেন এবং কুরবানী করলেন। তাঁর মতে প্রথম তাওয়াফ দ্বারা হাজ্জ ও ‘উমরাহ’র তাওয়াফ সম্পন্ন হয়েছে। এ সব করার পর তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপই করেছেন। (১৬৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا ابو ضمرة، حدثنا موسى بن عقبة، عن نافع، قال اراد ابن عمر رضى الله عنهما الحج عام حجة الحرورية في عهد ابن الزبير رضى الله عنهما فقيل له ان الناس كاين بينهم قتال، ونخاف ان يصدوك. فقال {لقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة} اذا اصنع كما صنع، اشهدكم اني اوجبت عمرة. حتى كان بظاهر البيداء قال ما شان الحج والعمرة الا واحد، اشهدكم اني جمعت حجة مع عمرة. واهدى هديا مقلدا اشتراه حتى قدم، فطاف بالبيت وبالصفا، ولم يزد على ذلك، ولم يحلل من شىء حرم منه حتى يوم النحر، فحلق ونحر وراى ان قد قضى طوافه الحج والعمرة بطوافه الاول، ثم قال كذلك صنع النبي صلى الله عليه وسلم
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যিল-কা‘দাহ মাসের পাঁচ দিন বাকী থাকতে আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। হাজ্জ আদায় করা ব্যতীত আমাদের অন্য কোন ইচ্ছা ছিল না। যখন আমরা মক্কার কাছাকাছি পৌঁছলাম, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করলেনঃ যার সাথে কুরবানীর জানোয়ার নেই সে যেন বাইতুল্লাহর তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সা‘ঈ করে হালাল হয়ে যায়। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, কুরবানীর দিন আমাদের কাছে গরুর গোশ্ত আনা হলে আমি বললাম, এ কী? তারা বলল, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে কুরবানী করেছেন। ইয়াহইয়া (রহ.) বলেন, উক্ত হাদীসখানা কাসিমের নিকট আলোচনা করলে তিনি বললেন, সঠিকভাবেই তিনি হাদীসটি তোমার কাছে বর্ণনা করেছেন। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن، قالت سمعت عايشة رضى الله عنها تقول خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لخمس بقين من ذي القعدة، لا نرى الا الحج، فلما دنونا من مكة امر رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يكن معه هدى، اذا طاف وسعى بين الصفا والمروة ان يحل، قالت فدخل علينا يوم النحر بلحم بقر. فقلت ما هذا قال نحر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ازواجه. قال يحيى فذكرته للقاسم، فقال اتتك بالحديث على وجهه
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কুরবানীর স্থানে কুরবানী করতেন। ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) বলেন, (অর্থাৎ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কুরবানীর স্থানে। (৯৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، سمع خالد بن الحارث، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، ان عبد الله رضى الله عنه كان ينحر في المنحر. قال عبيد الله منحر رسول الله صلى الله عليه وسلم
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) মুযদালিফা হতে শেষ রাতের দিকে হাজীদের সাথে, যাদের মধ্যে আযাদ ও ক্রীতদাস থাকত, নিজ কুরবানীর জানোয়ার পাঠিয়ে দিতেন, যাতে তা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কুরবানীর স্থানে পৌঁছে যায়। (৯৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا انس بن عياض، حدثنا موسى بن عقبة، عن نافع، ان ابن عمر رضى الله عنهما كان يبعث بهديه من جمع من اخر الليل، حتى يدخل به منحر النبي صلى الله عليه وسلم مع حجاج فيهم الحر والمملوك
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে সাতটি উট দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কুরবানী করেন এবং মদ্বীনাতেও হৃষ্টপুষ্ট শিং বিশিষ্ট সুন্দর দু’টি দুম্বা তিনি কুরবানী করেছেন। এখানে হাদীসটি সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে। (১০৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سهل بن بكار، حدثنا وهيب، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن انس وذكر الحديث قال ونحر النبي صلى الله عليه وسلم بيده سبع بدن قياما، وضحى بالمدينة كبشين املحين اقرنين. مختصرا