Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬০ হাদিসসমূহ
যুহরী (রহ.) হতে বর্ণিত যে, মসজিদে মিনার দিক হতে প্রথমে অবস্থিত জামরায় যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কঙ্কর মারতেন, সাতটি কঙ্কর মারতেন এবং প্রত্যেকটি কঙ্কর মারার সময় তিনি তাকবীর বলতেন। এরপর সামনে এগিয়ে গিয়ে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে উভয় হাত উঠিয়ে দু‘আ করতেন এবং এখানে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। অতঃপর দ্বিতীয় জামরায় এসে সাতটি কঙ্কর মারতেন এবং প্রতিটি কঙ্কর মারার সময় তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর বাঁ দিকে মোড় নিয়ে ওয়াদীর কাছে এসে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াতেন এবং উভয় হাত উঠিয়ে দু‘আ করতেন। অবশেষে ‘আকাবার কাছে জামরায় এসে তিনি সাতটি কঙ্কর মারতেন এবং প্রতিটি কঙ্কর মারার সময় তাকবীর বলতেন। এরপর ফিরে যেতেন, এখানে বিলম্ব করতেন না। যুহরী (রহ.) বলেন, সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.)-কে তাঁর পিতার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। (রাবী বলেন) ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও তাই করতেন। (১৭৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩১. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وقال محمد حدثنا عثمان بن عمر، اخبرنا يونس، عن الزهري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا رمى الجمرة التي تلي مسجد منى يرميها بسبع حصيات، يكبر كلما رمى بحصاة، ثم تقدم امامها فوقف مستقبل القبلة رافعا يديه يدعو، وكان يطيل الوقوف، ثم ياتي الجمرة الثانية، فيرميها بسبع حصيات، يكبر كلما رمى بحصاة، ثم ينحدر ذات اليسار مما يلي الوادي، فيقف مستقبل القبلة رافعا يديه يدعو، ثم ياتي الجمرة التي عند العقبة فيرميها بسبع حصيات، يكبر عند كل حصاة، ثم ينصرف ولا يقف عندها. قال الزهري سمعت سالم بن عبد الله يحدث مثل هذا عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم وكان ابن عمر يفعله
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার এ দু’ হাত দিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে খুশবু লাগিয়েছি, যখন তিনি ইহরাম বাঁধার ইচ্ছা করেছেন এবং তাওয়াফে যিয়ারাহর পূর্বে যখন তিনি ইহরাম খুলে হালাল হয়েছেন। এ কথা বলে তনি তাঁর উভয় হাত প্রসারিত করলেন। (১৫৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩২. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا عبد الرحمن بن القاسم، انه سمع اباه وكان افضل اهل زمانه يقول سمعت عايشة رضى الله عنها تقول طيبت رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدى هاتين حين احرم، ولحله حين احل، قبل ان يطوف. وبسطت يديها
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেদের আদেশ দেয়া হয় যে, তাদের শেষ কাজ যেন হয় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ। তবে এ হুকুম ঋতুমতী মহিলাদের জন্য শিথিল করা হয়েছে। (৩২৯, মুসলিম ১৫/৬৭, হাঃ ১৩২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال امر الناس ان يكون اخر عهدهم بالبيت، الا انه خفف عن الحايض
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর, ‘আসর, মাগরিব ও ‘ইশার সালাত আদায় করে উপত্যকায় কিছুক্ষণ শুয়ে থাকেন। অতঃপর সওয়ারীতে আরোহণ করে বাইতুল্লাহর দিকে এসে তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করেন। লায়স (রহ.)...আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীস বর্ণনায় ‘আমর ইবনু হারিস (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (১৭৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৪. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اصبغ بن الفرج، اخبرنا ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن قتادة، ان انس بن مالك رضى الله عنه حدثه ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر والعصر، والمغرب والعشاء، ثم رقد رقدة بالمحصب، ثم ركب الى البيت فطاف به. تابعه الليث حدثني خالد، عن سعيد، عن قتادة، ان انس بن مالك رضى الله عنه حدثه عن النبي صلى الله عليه وسلم
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সহধর্মিণী সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ) ঋতুমতী হলেন এবং পরে এ কথাটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে অবগত করানো হয়। তখন তিনি বললেনঃ সে কি আমাদের যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে? তারা বললেন, তিনি তো তাওয়াফে যিয়ারাহ্ সমাধা করে নিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তো আর বাধা নেই। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان صفية بنت حيى، زوج النبي صلى الله عليه وسلم حاضت، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " احابستنا هي ". قالوا انها قد افاضت. قال " فلا اذا
‘ইকরিমা (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তাওয়াফে যিয়ারাহর পর ঋতু এসেছে এমন মহিলা সম্পর্কে মদিনা্বাসী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি তাদের বললেন, সে রওয়ানা হয়ে যাবে। তারা বললেন, আমরা আপনার কথা গ্রহণ করব না এবং যায়দের কথাও বর্জন করব না। তিনি বললেন, তোমরা মদিনা্য় ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করে নেবে। তাঁরা মদিনা্য় এসে জিজ্ঞেস করলেন যাঁদের কাছে তাঁরা জিজ্ঞেস করেছিলেন তাঁদের মধ্যে উম্মে সুলাইম (রাঃ)-ও ছিলেন। তিনি তাঁদের সাফিয়্যা (উম্মুল মু’মিনীন) (রাঃ)-এর ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। হাদীসটি খালিদ ও কাতাদাহ (রহ.) ‘ইকরিমা (রহ.) হতে বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد، عن ايوب، عن عكرمة، ان اهل المدينة، سالوا ابن عباس رضى الله عنهما عن امراة، طافت ثم حاضت، قال لهم تنفر. قالوا لا ناخذ بقولك وندع قول زيد. قال اذا قدمتم المدينة فسلوا. فقدموا المدينة فسالوا، فكان فيمن سالوا ام سليم، فذكرت حديث صفية. رواه خالد وقتادة عن عكرمة
‘ইকরিমা (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তাওয়াফে যিয়ারাহর পর ঋতু এসেছে এমন মহিলা সম্পর্কে মদিনা্বাসী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি তাদের বললেন, সে রওয়ানা হয়ে যাবে। তারা বললেন, আমরা আপনার কথা গ্রহণ করব না এবং যায়দের কথাও বর্জন করব না। তিনি বললেন, তোমরা মদিনা্য় ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করে নেবে। তাঁরা মদিনা্য় এসে জিজ্ঞেস করলেন যাঁদের কাছে তাঁরা জিজ্ঞেস করেছিলেন তাঁদের মধ্যে উম্মে সুলাইম (রাঃ)-ও ছিলেন। তিনি তাঁদের সাফিয়্যা (উম্মুল মু’মিনীন) (রাঃ)-এর ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। হাদীসটি খালিদ ও কাতাদাহ (রহ.) ‘ইকরিমা (রহ.) হতে বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد، عن ايوب، عن عكرمة، ان اهل المدينة، سالوا ابن عباس رضى الله عنهما عن امراة، طافت ثم حاضت، قال لهم تنفر. قالوا لا ناخذ بقولك وندع قول زيد. قال اذا قدمتم المدينة فسلوا. فقدموا المدينة فسالوا، فكان فيمن سالوا ام سليم، فذكرت حديث صفية. رواه خالد وقتادة عن عكرمة
বর্ণনাকারী বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সে মহিলা রওয়ানা হতে পারবে না। পরবর্তীতে তাঁকে এ কথাও বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনুমতি দিয়েছেন। (৩৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم، حدثنا وهيب، حدثنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال رخص للحايض ان تنفر اذا افاضت. قال وسمعت ابن عمر، يقول انها لا تنفر. ثم سمعته يقول بعد ان النبي صلى الله عليه وسلم رخص لهن
বর্ণনাকারী বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সে মহিলা রওয়ানা হতে পারবে না। পরবর্তীতে তাঁকে এ কথাও বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনুমতি দিয়েছেন। (৩৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم، حدثنا وهيب، حدثنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال رخص للحايض ان تنفر اذا افاضت. قال وسمعت ابن عمر، يقول انها لا تنفر. ثم سمعته يقول بعد ان النبي صلى الله عليه وسلم رخص لهن
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বের হলাম। হাজ্জই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় পৌঁছে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা ও মারওয়ার সা‘য়ী করলেন। তবে ইহরাম খুলেননি। তাঁর সঙ্গে কুরবানীর জানোয়ার ছিল। তাঁর সহধর্মিণী ও সাহাবীগণের মধ্যে যারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁরাও তাওয়াফ করলেন। তবে যাদের সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল না, তাঁরা হালাল হয়ে গেলেন। এরপর ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) ঋতুমতী হয়ে পড়লেও (বর্ণনাকারী বলেন) আমরা হাজ্জের সমুদয় হুকুম-আহকাম আদায় করলাম। এরপর যখন লায়লাতুল-হাসবা অর্থাৎ রওয়ানা হওয়ার রাত হল, তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি ব্যতীত আপনার সকল সাহাবী তো হাজ্জ ও ‘উমরাহ করে ফিরছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমরা যে রাতে এসেছি সে রাতে তুমি কি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করনি? আমি বললাম, না। অতঃপর তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ভাইয়ের সঙ্গে তান‘ঈম (নামক স্থানে) চলে যাও এবং সেখান হতে ‘উমরাহ’র ইহরাম বেঁধে নাও। আর অমুক অমুক স্থানে তোমার সঙ্গে সাক্ষাতের ওয়াদা থাকল। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, এরপর আমি ‘আবদুর রাহমান (রাঃ)-এর সঙ্গে তান‘ঈমের দিকে গেলাম এবং ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধলাম। আর সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাযি.)-এর ঋতু দেখা দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনে বিরক্ত হয়ে বলেনঃ তুমি তো আমাদেরকে আটকিয়ে ফেললে। তুমি কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করেছিলে? তিনি বললেন, হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে কোন বাধা নেই, রওয়ানা হও। [‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন] আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে মিলিত হলাম। এমতাবস্থায় যে, তিনি মক্কার উপরের দিকে উঠছিলেন, আর আমি নিচের দিকে নামছিলাম। অথবা আমি উঠছিলাম আর তিনি নামছিলেন। মুসাদ্দাদ (রহ.)-এর বর্ণনায় এ হাদীসে (হাঁ)-এর পরিবর্তে ‘লা’ (না) রয়েছে। রাবী জারীর (রহ.) মনসূর (রহ.) হতে এ হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদ (রহ.)-এর অনুরূপ ‘লা’ (না) বর্ণনা করেছেন। (২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৮. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا ابو عوانة، عن منصور، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ولا نرى الا الحج، فقدم النبي صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت وبين الصفا والمروة، ولم يحل وكان معه الهدى، فطاف من كان معه من نسايه واصحابه، وحل منهم من لم يكن معه الهدى، فحاضت هي، فنسكنا مناسكنا من حجنا، فلما كان ليلة الحصبة ليلة النفر، قالت يا رسول الله كل اصحابك يرجع بحج وعمرة غيري. قال " ما كنت تطوفي بالبيت ليالي قدمنا ". قلت لا. قال " فاخرجي مع اخيك الى التنعيم فاهلي بعمرة، وموعدك مكان كذا وكذا ". فخرجت مع عبد الرحمن الى التنعيم، فاهللت بعمرة، وحاضت صفية بنت حيى، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " عقرى حلقى، انك لحابستنا، اما كنت طفت يوم النحر ". قالت بلى. قال " فلا باس. انفري ". فلقيته مصعدا على اهل مكة، وانا منهبطة، او انا مصعدة، وهو منهبط. وقال مسدد قلت لا. تابعه جرير عن منصور في قوله لا
‘আবদুল ‘আযীয ইবনু রুফা‘য় (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মনে রেখেছেন এমন কিছু কথা আমাকে বলুন, তারবিয়ার দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের সালাত কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, মিনাতে। আমি বললাম, প্রত্যাবর্তনের দিন ‘আসরের সালাত কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, আবতাহ নামক স্থানে। (তারপর বললেন,) তুমি তাই কর, যেভাবে তোমার শাসকগণ করেন। (১৬৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৯. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا اسحاق بن يوسف، حدثنا سفيان الثوري، عن عبد العزيز بن رفيع، قال سالت انس بن مالك اخبرني بشىء، عقلته عن النبي صلى الله عليه وسلم اين صلى الظهر يوم التروية قال بمنى. قلت فاين صلى العصر يوم النفر قال بالابطح. افعل كما يفعل امراوك
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর, ‘আসর, মাগরিব ও ‘ইশার সালাত আদায়ের পর মুহাস্সাবে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকেন, পরে সওয়ার হয়ে বাইতুল্লাহর দিকে গেলেন এবং বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। (১৭৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪০. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد المتعال بن طالب، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني عمرو بن الحارث، ان قتادة، حدثه عن انس بن مالك رضى الله عنه حدثه عن النبي صلى الله عليه وسلم انه صلى الظهر والعصر، والمغرب والعشاء، ورقد رقدة بالمحصب، ثم ركب الى البيت فطاف به
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তা হল একটি মানযিল মাত্র, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবতরণ করতেন, যাতে বেরিয়ে যাওয়া সহজতর হয় অর্থাৎ এর দ্বারা আবতাহ বুঝানো হয়েছে। (মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১১, আহমাদ ২৫৭৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪১. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت انما كان منزل ينزله النبي صلى الله عليه وسلم ليكون اسمح لخروجه. يعني بالابطح
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাস্সাবে অবতরণ করা (হজ্জের- কিছুই নয়। এ তো শুধু একটি মানযিল, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবতরণ করেছিলেন। (মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১২, আহমাদ ১৯২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪২. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو عن عطاء، عن ابن عباس رضى الله عنهما ليس التحصيب بشىء، انما هو منزل نزله رسول الله صلى الله عليه وسلم
َالنُّزُولِ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ إِذَا رَجَعَ مِنْ مَكَّةَ মক্কা্ হতে ফেরার সময় যুল-হুলাইফার বাতহাতে অবতরণ। ১৭৬৭. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) দু’ পাহাড়ের মধ্যস্থিত যু-তুয়া নামক স্থানে রাত যাপন করতেন। এরপর মক্কার উঁচু গিরিপথের দিক হতে প্রবেশ করতেন। হাজ্জ বা ‘উমরাহ আদায়ের জন্য মক্কা্ আসলে তিনি মসজিদে হারামের দরজার সামনে ব্যতীত কোথাও উট বসাতেন না। অতঃপর মসজিদে প্রবেশ করে হাজারে আসওয়াদের কাছে আসতেন এবং সেখান হতে তাওয়াফ আরম্ভ করতেন এবং সাত চক্কর তাওয়াফ করতেন। তিনবার দ্রুতবেগে আর চারবার স্বাভাবিক গতিতে। এরপর ফিরে এসে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন এবং নিজের মানযিলে ফিরে যাওয়ার আগে সাফা-মারওয়ার মধ্যে সা‘য়ী করতেন। আর যখন হাজ্জ বা ‘উমরাহ হতে ফিরতেন তখন যুল-হুলাইফা উপত্যকার বাতহা নামক স্থানে অবতরণ করতেন, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবতরণ করেছিলেন। (৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا ابو ضمرة، حدثنا موسى بن عقبة، عن نافع، ان ابن عمر رضى الله عنهما كان يبيت بذي طوى بين الثنيتين، ثم يدخل من الثنية التي باعلى مكة، وكان اذا قدم مكة حاجا او معتمرا لم ينخ ناقته الا عند باب المسجد، ثم يدخل فياتي الركن الاسود فيبدا به، ثم يطوف سبعا ثلاثا سعيا، واربعا مشيا، ثم ينصرف فيصلي سجدتين، ثم ينطلق قبل ان يرجع الى منزله، فيطوف بين الصفا والمروة، وكان اذا صدر عن الحج او العمرة اناخ بالبطحاء التي بذي الحليفة التي كان النبي صلى الله عليه وسلم ينيخ بها
খালিদ ইবনু হারিস (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘উবায়দুল্লাহ (রহ.)-কে মুহাসসাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি নাফি‘ (রহ.) হতে আমাদের কাছে বর্ণনা করলেন যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , ‘উমার ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) সেখানে অবতরণ করেছেন। নাফি‘ (রহ.) হতে আরো বর্ণিত রয়েছে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) মুহাসসাবে যোহর ও ‘আসরের সালাত আদায় করতেন। আমার মনে হচ্ছে, তিনি মাগরিবের কথাও বলেছেন, খালিদ (রাঃ) বলেন, ঈসা সম্পর্কে আমার কোন সন্দেহ নেই এবং তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নিদ্রা যেতেন। এ কথা ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেই বর্ণনা করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৪. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، قال سيل عبيد الله عن المحصب، فحدثنا عبيد الله، عن نافع،، قال نزل بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وعمر وابن عمر. وعن نافع ان ابن عمر رضى الله عنهما كان يصلي بها يعني المحصب الظهر والعصر احسبه قال والمغرب. قال خالد لا اشك في العشاء، ويهجع هجعة، ويذكر ذلك عن النبي صلى الله عليه وسلم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বর্ণিত যে, তিনি যখনই মক্কা্ আসতেন তখনই যু-তুয়া উপত্যকায় রাত যাপন করতেন। আর সকাল হলে (মক্কা্য়) প্রবেশ করতেন। ফিরার সময়ও তিনি যু-তুয়ার দিকে যেতেন এবং সেখানে ভোর পর্যন্ত অবস্থান করতেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতেন। (৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ৪৮ কিতাবুল হাজ্জ্ব. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وقال محمد بن عيسى حدثنا حماد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما انه كان اذا اقبل بات بذي طوى، حتى اذا اصبح دخل، واذا نفر مر بذي طوى وبات بها حتى يصبح، وكان يذكر ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يفعل ذلك
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহিলী যুগে যুল-মাজায ও ‘উকায লোকেদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল। ইসলাম আসার পর মুসলিমগণ যেন তা অপছন্দ করতে লাগল, অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলঃ ‘হাজ্জের মৌসুমে তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহ সন্ধান করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই’- (আল-বাকারাঃ ১৯৮)। (২০৫০, ২০৯৮, ৪৫১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن الهيثم، اخبرنا ابن جريج، قال عمرو بن دينار قال ابن عباس رضى الله عنهما كان ذو المجاز وعكاظ متجر الناس في الجاهلية، فلما جاء الاسلام كانهم كرهوا ذلك حتى نزلت {ليس عليكم جناح ان تبتغوا فضلا من ربكم} في مواسم الحج
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। হাজ্জ আদায় করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। আমরা (মক্কা্য়) আসলাম, তখন আমাদের হালাল হওয়ার নির্দেশ দেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তনের রাত এলে সাফিয়্যাহ বিন্তু হুয়াই (রাযি.)-এর ঋতু আরম্ভ হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হালকা’ ‘আকরা’, বলে বিরক্তি প্রকাশ করে বললেনঃ আমার ধারণা, সে তোমাদের আটকিয়েই ফেলবে। অতঃপর বললেনঃ তুমি কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করেছিলে? সাফিয়্যাহ (রাযি.) বললেন, হাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে চল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো (‘উমরা আদায় করে) হালাল হইনি। তিনি বললেনঃ তাহলে এখন তুমি তান‘ঈম হতে ‘উমরাহ আদায় করে নাও। অতঃপর তাঁর সঙ্গে তার ভাই [‘আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ)] গেলেন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, (‘উমরা আদায় করার পর) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, যখন তিনি শেষ রাতে (বিদায়ী তওয়াফের জন্য) যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ অমুক স্থানে তোমরা সাক্ষাৎ করবে। (২৯৪, মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১, আহমাদ ২৬২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثني ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت حاضت صفية ليلة النفر، فقالت ما اراني الا حابستكم. قال النبي صلى الله عليه وسلم " عقرى حلقى اطافت يوم النحر ". قيل نعم. قال " فانفري ". قال ابو عبد الله وزادني محمد حدثنا محاضر، حدثنا الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لا نذكر الا الحج، فلما قدمنا امرنا ان نحل، فلما كانت ليلة النفر حاضت صفية بنت حيى، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " حلقى عقرى، ما اراها الا حابستكم ". ثم قال " كنت طفت يوم النحر ". قالت نعم. قال " فانفري ". قلت يا رسول الله. اني لم اكن حللت. قال " فاعتمري من التنعيم ". فخرج معها اخوها، فلقيناه مدلجا. فقال " موعدك مكان كذا وكذا
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। হাজ্জ আদায় করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। আমরা (মক্কা্য়) আসলাম, তখন আমাদের হালাল হওয়ার নির্দেশ দেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তনের রাত এলে সাফিয়্যাহ বিন্তু হুয়াই (রাযি.)-এর ঋতু আরম্ভ হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হালকা’ ‘আকরা’, বলে বিরক্তি প্রকাশ করে বললেনঃ আমার ধারণা, সে তোমাদের আটকিয়েই ফেলবে। অতঃপর বললেনঃ তুমি কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করেছিলে? সাফিয়্যাহ (রাযি.) বললেন, হাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে চল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো (‘উমরা আদায় করে) হালাল হইনি। তিনি বললেনঃ তাহলে এখন তুমি তান‘ঈম হতে ‘উমরাহ আদায় করে নাও। অতঃপর তাঁর সঙ্গে তার ভাই [‘আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ)] গেলেন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, (‘উমরা আদায় করার পর) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, যখন তিনি শেষ রাতে (বিদায়ী তওয়াফের জন্য) যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ অমুক স্থানে তোমরা সাক্ষাৎ করবে। (২৯৪, মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১, আহমাদ ২৬২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثني ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت حاضت صفية ليلة النفر، فقالت ما اراني الا حابستكم. قال النبي صلى الله عليه وسلم " عقرى حلقى اطافت يوم النحر ". قيل نعم. قال " فانفري ". قال ابو عبد الله وزادني محمد حدثنا محاضر، حدثنا الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لا نذكر الا الحج، فلما قدمنا امرنا ان نحل، فلما كانت ليلة النفر حاضت صفية بنت حيى، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " حلقى عقرى، ما اراها الا حابستكم ". ثم قال " كنت طفت يوم النحر ". قالت نعم. قال " فانفري ". قلت يا رسول الله. اني لم اكن حللت. قال " فاعتمري من التنعيم ". فخرج معها اخوها، فلقيناه مدلجا. فقال " موعدك مكان كذا وكذا