Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬০ হাদিসসমূহ
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে হাজ্জ আদায় করে কুরবানীর দিন তাওয়াফে যিয়ারাহ্ করলাম। এ সময় সাফিয়্যাহ (রাযি.)-এর ঋতু দেখা দিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গে তা ইচ্ছা করছিলেন যা একজন পুরুষ তার স্ত্রীর সঙ্গে ইচ্ছা করে থাকে। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো ঋতুমতী। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে তো সে আমাদের আটকিয়ে ফেলবে। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সাফিয়্যাহ (রাযি.) তো কুরবানীর দিন তাওয়াফে যিয়ারা করে নিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে রওয়ানা হও। কাসিম, ‘উরওয়া ও আসাদ (রহ.) সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, সাফিয়্যা কুরবানীর দিন তাওয়াফে যিয়ারাহ্ আদায় করেছেন। (২৯৪, মুসলিম ১৫/৬৭, হাঃ ১২১১, আহমাদ ২৪৫৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৪. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن الاعرج، قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، ان عايشة رضى الله عنها قالت حججنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فافضنا يوم النحر، فحاضت صفية، فاراد النبي صلى الله عليه وسلم منها ما يريد الرجل من اهله. فقلت يا رسول الله انها حايض. قال " حابستنا هي ". قالوا يا رسول الله، افاضت يوم النحر. قال " اخرجوا ". ويذكر عن القاسم وعروة والاسود عن عايشة رضى الله عنها افاضت صفية يوم النحر
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে যবহ করা, মাথা কামান ও কঙ্কর মারা এবং (এ কাজগুলো) আগে-পিছে করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। (৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم قيل له في الذبح والحلق والرمى والتقديم والتاخير فقال " لا حرج
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে মিনাতে কুরবানীর দিন (বিভিন্ন বিষয়ে) জিজ্ঞেস করা হত, তখন তিনি বলতেনঃ কোন দোষ নেই। তাঁকে এক সাহাবী জিজ্ঞেস করে বললেন, আমি যবহ (কুরবানী) করার আগেই মাথা কামিয়ে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ যবহ করে নাও, এতে দোষ নেই। সাহাবী আরো বললেন, আমি সন্ধ্যার পর কঙ্কর মেরেছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন দোষ নেই। (৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يسال يوم النحر بمنى، فيقول " لا حرج ". فساله رجل، فقال حلقت قبل ان اذبح. قال " اذبح، ولا حرج ". وقال رميت بعد ما امسيت. فقال " لا حرج
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, বিদায় হাজ্জের সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাওয়ারীতে) অবস্থান করছিলেন, তখন সাহাবীগণ তাঁকে জিজ্ঞেস করতে লাগলেনঃ একজন জিজ্ঞেস করলেন, আমি জানতাম না, তাই কুরবানী করার আগেই (মাথা) কামিয়ে ফেলেছি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি কুরবানী করে নাও, কোন দোষ নেই। অতঃপর অপর একজন এসে বললেন, আমি না জেনে কঙ্কর মারার পূর্বেই কুরবানী করে ফেলেছি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ কঙ্কর মেরে নাও, কোন দোষ নেই। সেদিন যে কোন কাজ আগে পিছে করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ করে নাও, কোন দোষ নেই। (৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عيسى بن طلحة، عن عبد الله بن عمرو، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم وقف في حجة الوداع، فجعلوا يسالونه، فقال رجل لم اشعر فحلقت قبل ان اذبح. قال " اذبح ولا حرج ". فجاء اخر فقال لم اشعر فنحرت قبل ان ارمي. قال " ارم ولا حرج ". فما سيل يوميذ عن شىء قدم ولا اخر الا قال افعل ولا حرج
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খুতবা দেওয়ার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তখন এক সাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন, আমার ধারণা ছিল অমুক কাজের আগে অমুক কাজ। এরপর অপর এক সাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন, আমার ধারণা ছিল অমুক কাজের আগে অমুক কাজ, আমি কুরবানী করার আগে মাথা কামিয়ে ফেলেছি। আর কঙ্কর মারার আগে কুরবানী করে ফেলেছি। এরূপ অনেক কথা জিজ্ঞেস করা হয়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ করে নাও, কোন দোষ নেই। সব কটির জবাবে তিনি এ কথাই বললেন। সেদিন তাঁকে যা-ই জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, উত্তরে তিনি বলেনঃ করে নাও, কোন দোষ নেই। (৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৮. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد، حدثنا ابي، حدثنا ابن جريج، حدثني الزهري، عن عيسى بن طلحة، عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنه حدثه انه، شهد النبي صلى الله عليه وسلم يخطب يوم النحر، فقام اليه رجل، فقال كنت احسب ان كذا قبل كذا. ثم قام اخر فقال كنت احسب ان كذا قبل كذا حلقت قبل ان انحر، نحرت قبل ان ارمي. واشباه ذلك. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " افعل ولا حرج ". لهن كلهن، فما سيل يوميذ عن شىء الا قال افعل ولا حرج
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উটনীর উপর অবস্থান করছিলেন। অতঃপর হাদীসের শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। যুহরী (রহ.) হতে এ হাদীস বর্ণনায় মা‘মার (রহ.) সালিহ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৮(ক). ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ
حدثنا اسحاق، قال اخبرنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، حدثني عيسى بن طلحة بن عبيد الله، انه سمع عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم على ناقته. فذكر الحديث. تابعه معمر عن الزهري
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন লোকদের উদ্দেশে একটি খুৎবাহ দিলেন। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! আজকের এ দিনটি কোন্ দিন? সকলেই বললেন, সম্মানিত দিন। অতঃপর তিনি বললেনঃ এ শহরটি কোন্ শহর? তাঁরা বললেন, সম্মানিত শহর। অতঃপর তিনি বললেনঃ এ মাসটি কোন্ মাস? তারা বললেনঃ সম্মানিত মাস। তিনি বললেনঃ তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের ইয্যত-সম্মান তোমাদের জন্য তেমনি সম্মানিত, যেমন সম্মানিত তোমাদের এ দিনটি, তোমাদের এ শহরে এবং তোমাদের এ মাস। এ কথাটি তিনি কয়েকবার বললেন। পরে মাথা উঠিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি কি (আপনার পয়গাম) পৌঁছিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি পৌঁছিয়েছি? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই এ কথাগুলো ছিল তাঁর উম্মতের জন্য অসীয়ত। [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ] উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছিয়ে দেয়। আমার পরে তোমরা পরস্পর পরস্পরকে হত্যা করে কুফরীর দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। (৭০৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬১৯. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثني يحيى بن سعيد، حدثنا فضيل بن غزوان، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس يوم النحر فقال " يا ايها الناس. اى يوم هذا ". قالوا يوم حرام. قال " فاى بلد هذا ". قالوا بلد حرام. قال " فاى شهر هذا ". قالوا شهر حرام. قال " فان دماءكم واموالكم واعراضكم عليكم حرام، كحرمة يومكم هذا، في بلدكم هذا في شهركم هذا ". فاعادها مرارا، ثم رفع راسه فقال " اللهم هل بلغت اللهم هل بلغت ". قال ابن عباس رضى الله عنهما فوالذي نفسي بيده انها لوصيته الى امته " فليبلغ الشاهد الغايب، لا ترجعوا بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ‘আরাফাত ময়দানে খুত্বা দিতে শুনেছি। (১৮৪১, ১৮৪৩, ৫৮০৪, ৫৮৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২০. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، قال اخبرني عمرو، قال سمعت جابر بن زيد، قال سمعت ابن عباس رضى الله عنهما قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب بعرفات. تابعه ابن عيينة عن عمرو
আবূ বাকরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের খুত্বা দিলেন এবং বললেনঃ তোমরা কি জান আজ কোন্ দিন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব চেয়ে বেশি জানেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব হয়ে গেলেন। আমরা ধারণা করলাম সম্ভবতঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাম পাল্টিয়ে অন্য নামে নামকরণ করবেন। তিনি বললেনঃ এটা কি কুরবানীর দিন নয়? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ এটি কোন্ মাস? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ই সবচেয়ে বেশি জানেন। তিনি নীরব হয়ে গেলেন। আমরা মনে করতে লাগলাম, হয়ত তিনি এর নাম পাল্টিয়ে অন্য কোন নামে নামকরণ করবেন। তিনি বললেনঃ এ কি যিলহজ্জের মাস নয়? আমরা বললাম, হাঁ। অতঃপর তিনি বললেনঃ এটি কোন্ শহর? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ই সবচেয়ে বেশি জানেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব হয়ে গেলেন। ফলে আমরা ভাবতে লাগলাম, হয়ত তিনি এর নাম বদলিয়ে অন্য নামকরণ করবেন। তিনি বললেনঃ এ কি সম্মানিত শহর নয়? আমরা বললাম, নিশ্চয়ই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের জান এবং তোমাদের মাল তোমাদের জন্য তোমাদের রবের সঙ্গে সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত এমন সম্মানিত যেমন সম্মান রয়েছে তোমাদের এ দিনের, তোমাদের এ মাসের এবং তোমাদের এ শহরের। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের লক্ষ্য করে বললেনঃ শোন! আমি কি পৌঁছিয়েছি তোমাদের কাছে? সাহাবীগণ বললেন, হাঁ (হে আল্লাহর রাসূল)। অতঃপর তিনি বললেনঃ প্রত্যেক উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে (আমার দাওয়াত) পৌঁছিয়ে দেয়। কেননা, যাদের কাছে পৌঁছানো হবে তাদের মধ্যে অনেক ব্যক্তি এমন থাকে যে, শ্রবণকারীর চেয়ে অধিক সংরক্ষণকারী। তোমরা আমার পরে পরস্পর পরস্পরকে হত্যা করে কুফরীর দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। (৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২১. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عامر، حدثنا قرة، عن محمد بن سيرين، قال اخبرني عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابي بكرة،، ورجل، افضل في نفسي من عبد الرحمن حميد بن عبد الرحمن عن ابي بكرة رضى الله عنه قال خطبنا النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر، قال " اتدرون اى يوم هذا ". قلنا الله ورسوله اعلم. فسكت حتى ظننا انه سيسميه بغير اسمه. قال " اليس يوم النحر ". قلنا بلى. قال " اى شهر هذا ". قلنا الله ورسوله اعلم. فسكت حتى ظننا انه سيسميه بغير اسمه. فقال " اليس ذو الحجة ". قلنا بلى. قال " اى بلد هذا ". قلنا الله ورسوله اعلم. فسكت حتى ظننا انه سيسميه بغير اسمه. قال " اليست بالبلدة الحرام ". قلنا بلى. قال " فان دماءكم واموالكم عليكم حرام، كحرمة يومكم هذا، في شهركم هذا، في بلدكم هذا، الى يوم تلقون ربكم. الا هل بلغت ". قالوا نعم. قال " اللهم اشهد، فليبلغ الشاهد الغايب، فرب مبلغ اوعى من سامع، فلا ترجعوا بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় অবস্থানকালে বললেনঃ তোমরা কি জান, এটি কোন্ দিন? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবচেয়ে বেশি জানেন। তিনি বললেনঃ এটি সম্মানিত দিন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি জান এটি কোন্ শহর? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবচেয়ে বেশি জানেন। তিনি বললেনঃ এটি সম্মানিত শহর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি জান এটি কোন্ মাস? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটি সম্মানিত মাস। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ মাস, এ শহর, এ দিনটি তোমাদের জন্য যেমন সম্মানিত, তেমনিভাবে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জান, তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের ইয্যত-আবরুকে তোমাদের পরস্পরের জন্য সম্মানিত করে দিয়েছেন। হিশাম ইবনু গায (রহ.) নাফি‘ (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাজ্জ আদায়কালে কুরবানীর দিন জামারাতের মধ্যবর্তী স্থলে দাঁড়িয়ে এ কথাগুলো বলেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন যে, এটি হল হাজ্জে আকবারের দিন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে লাগলেন, হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাক। এরপর তিনি সাহাবীগণকে বিদায় জানালেন। তখন সাহাবীগণ বললেন, এটি-ই বিদায় হাজ্জ। (৪৪০৩, ৬০৪৩, ৬১৬৬, ৬৭৮৫, ৬৮৬৮, ৭০৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২২. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا عاصم بن محمد بن زيد، عن ابيه، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم بمنى " اتدرون اى يوم هذا ". قالوا الله ورسوله اعلم. فقال " فان هذا يوم حرام، افتدرون اى بلد هذا ". قالوا الله ورسوله اعلم. قال " بلد حرام، افتدرون اى شهر هذا ". قالوا الله ورسوله اعلم. قال " شهر حرام قال فان الله حرم عليكم دماءكم واموالكم واعراضكم، كحرمة يومكم هذا، في شهركم هذا، في بلدكم هذا ". وقال هشام بن الغاز اخبرني نافع عن ابن عمر رضى الله عنهما وقف النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر بين الجمرات في الحجة التي حج بهذا، وقال " هذا يوم الحج الاكبر "، فطفق النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم اشهد ". وودع الناس. فقالوا هذه حجة الوداع
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, [‘আব্বাস (রাঃ) পানি পান করানোর জন্য মিনার রাতগুলোতে মক্কা্য় অবস্থানের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অনুমতি চাইলে] তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। (১৬৩৪ ) ( ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون، حدثنا عيسى بن يونس، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما رخص النبي صلى الله عليه وسلم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। (উপরোক্ত হাদীসের ন্যায় তবে এ হাদীসে পূর্বোক্ত হাদীসের শব্দرَخَّصَ -এর স্থলেأَذِنَ শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে)। (১৬৩৪) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا محمد بن بكر، اخبرنا ابن جريج، اخبرني عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم اذن
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আব্বাস (রাঃ) পানি পান করানোর জন্য মিনার রাতগুলোতে মক্কা্য় অবস্থানের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অনুমতি চাইলেন। তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। (১৬৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عبيد الله، قال حدثني نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان العباس رضى الله عنه استاذن النبي صلى الله عليه وسلم ليبيت بمكة ليالي منى، من اجل سقايته، فاذن له. تابعه ابو اسامة وعقبة بن خالد وابو ضمرة
وَقَالَ جَابِرٌ رَمَى النَّبِيُّ يَوْمَ النَّحْرِ ضُحًى وَرَمَى بَعْدَ ذَلِكَ بَعْدَ الزَّوَالِ জাবির (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন চাশতের সময় এবং পরবর্তী দিনগুলোতে সূর্য ঢলে যাওয়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করেছেন। ১৭৪৬. ওয়াবারা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, কখন কঙ্কর নিক্ষেপ করব? তিনি বললেন, তোমার ইমাম যখন কঙ্কর নিক্ষেপ করবে, তখন তুমিও নিক্ষেপ করবে। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন, আমরা সময়ের অপেক্ষা করতাম, যখন সূর্য ঢলে যেত তখনই আমরা কঙ্কর নিক্ষেপ করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৪. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا مسعر، عن وبرة، قال سالت ابن عمر رضى الله عنهما متى ارمي الجمار قال اذا رمى امامك فارمه. فاعدت عليه المسالة، قال كنا نتحين، فاذا زالت الشمس رمينا
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বাতন ওয়াদী হতে কঙ্কর মারেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! লোকেরা তো এর উচ্চস্থান হতে কঙ্কর মারে। তিনি বললেন, সে সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, এটা সে স্থান, যেখানে সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়ালীদ (রহ.)...আ‘মাশ (রহ.) হতে এরূপ বর্ণনা করেন। (১৭৪৮, ১৭৮৯, ১১৭৫০, মুসলিম ১৫/৫০, হাঃ ১২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال رمى عبد الله من بطن الوادي، فقلت يا ابا عبد الرحمن، ان ناسا يرمونها من فوقها، فقال والذي لا اله غيره هذا مقام الذي انزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم. وقال عبد الله بن الوليد حدثنا سفيان حدثنا الاعمش بهذا
ذَكَرَهُ ابْنُ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم এ কথাটি ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। ১৭৪৮. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি জামরাতুল কুবরা বা বড় জামরার কাছে গিয়ে বায়তুল্লাহকে বামে ও মিনাকে ডানে রেখে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। আর বলেন, যাঁর প্রতি সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে তিনিও এরূপ কঙ্কর মেরেছেন। (১৭৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن ع��د الله رضى الله عنه انه انتهى الى الجمرة الكبرى جعل البيت عن يساره، ومنى عن يمينه، ورمى بسبع، وقال هكذا رمى الذي انزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم
‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সঙ্গে হাজ্জ আদায় করলেন। তখন তিনি বাইতুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে বড় জামরাকে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। এরপর তিনি বললেন, এ তাঁর দাঁড়াবার স্থান যাঁর প্রতি সূরা বাকরা নাযিল হয়েছে। (১৭৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا الحكم، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، انه حج مع ابن مسعود رضى الله عنه فراه يرمي الجمرة الكبرى بسبع حصيات، فجعل البيت عن يساره، ومنى عن يمينه، ثم قال هذا مقام الذي انزلت عليه سورة البقرة
আ‘মাশ (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বরের উপর এরূপ বলতে শুনেছি, যে সূরার মধ্যে বাকারাহ’র উল্লেখ রয়েছে, সে সূরার মধ্যে আলে ‘ইমরানের উল্লেখ রয়েছে এবং যে সূরার মধ্যে নিসা-এর উল্লেখ রয়েছে অর্থাৎ সে সূরা আল-বাকারাহ, সূরা আলে ‘ইমরান ও সূরা আন-নিসা বলা পছন্দ করতো না। বর্ণনাকারী আ‘মাশ (রহ.) বলেন, এ ব্যাপারটি আমি ইবরাহীম (রহ.)-কে বললাম। তিনি বললেন, আমার কাছে ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জামারায়ে ‘আকাবাতে কংকর মারার সময় তিনি ইবনু মাস্‘ঊদ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলেন। ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বাতনে ওয়াদীতে গাছটির বরাবর এসে জামরাকে সামনে রেখে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর সহকারে কঙ্কর মারলেন। এরপর বললেন, সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, এ স্থানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি, যাঁর উপর নাযিল হয়েছে সুরা বাকারাহ (অর্থাৎ সূরা বাকারাহ বলা বৈধ)। (১৭৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৮. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، عن عبد الواحد، حدثنا الاعمش، قال سمعت الحجاج، يقول على المنبر السورة التي يذكر فيها البقرة، والسورة التي يذكر فيها ال عمران، والسورة التي يذكر فيها النساء. قال فذكرت ذلك لابراهيم، فقال حدثني عبد الرحمن بن يزيد انه كان مع ابن مسعود رضى الله عنه حين رمى جمرة العقبة، فاستبطن الوادي، حتى اذا حاذى بالشجرة اعترضها، فرمى بسبع حصيات، يكبر مع كل حصاة، ثم قال من ها هنا والذي لا اله غيره قام الذي انزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم
بَاب مَنْ رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ وَلَمْ يَقِفْ ২৫/১৩৯. অধ্যায় : জামরায়ে ‘আকাবায় কংকর নিক্ষেপ করে অপেক্ষা না করা। قَالَهُ ابْنُ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে ইবনু ‘উমার (রাঃ) এ কথা বর্ণনা করেন। ১৭৫১. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি প্রথম জামরায় সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন এবং প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সাথে তাকবীর বলতেন। তারপর সামনে অগ্রসর হয়ে সমতল ভূমিতে এসে কিবলামুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াতেন এবং উভয় হাত তুলে দু‘আ করতেন। অতঃপর মধ্যবর্তী জামরায় কঙ্কর মারতেন এবং একটু বাঁ দিকে চলে সমতল ভূমিতে এসে কিবলামুখী দাঁড়িয়ে উভয় হাত উঠিয়ে দু‘আ করতেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। এরপর বাতন ওয়াদী হতে জামরায়ে ‘আকাবায় কঙ্কর মারতেন। এর কাছে তিনি বিলম্ব না করে ফিরে আসতেন এবং বলতেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এরূপ করতে দেখেছি। (১৭৫২, ১৭৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৯. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا طلحة بن يحيى، حدثنا يونس، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر رضى الله عنهما انه كان يرمي الجمرة الدنيا بسبع حصيات، يكبر على اثر كل حصاة، ثم يتقدم حتى يسهل فيقوم مستقبل القبلة فيقوم طويلا، ويدعو ويرفع يديه، ثم يرمي الوسطى، ثم ياخذ ذات الشمال فيستهل ويقوم مستقبل القبلة فيقوم طويلا ويدعو ويرفع يديه، ويقوم طويلا، ثم يرمي جمرة ذات العقبة من بطن الوادي، ولا يقف عندها ثم ينصرف فيقول هكذا رايت النبي صلى الله عليه وسلم يفعله
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) নিকটবর্তী জামরায় সাতটি কঙ্কর মারতেন এবং প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সাথে তাকবীর বলতেন। এরপর সামনে এগিয়ে গিয়ে সমতল ভূমিতে এসে ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং উভয় হাত উঠিয়ে দু‘আ করতেন। অতঃপর মধ্যবর্তী জামরায় অনুরূপভাবে কঙ্কর মারতেন। এরপর বাঁ দিক হয়ে সমতল ভূমিতে এসে ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াতেন এবং উভয় হাত উঠিয়ে দু‘আ করতেন। অতঃপর বাতন ওয়াদী হতে জামরায়ে ‘আকাবায় কঙ্কর মারতেন এবং এর কাছে তিনি দেরী করতেন না। তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি অনুরূপ করতে দেখেছি। (১৭৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩০. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، قال حدثني اخي، عن سليمان، عن يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما كان يرمي الجمرة الدنيا بسبع حصيات، ثم يكبر على اثر كل حصاة، ثم يتقدم فيسهل، فيقوم مستقبل القبلة قياما طويلا، فيدعو ويرفع يديه، ثم يرمي الجمرة الوسطى كذلك، فياخذ ذات الشمال فيسهل، ويقوم مستقبل القبلة قياما طويلا، فيدعو ويرفع يديه، ثم يرمي الجمرة ذات العقبة من بطن الوادي، ولا يقف عندها، ويقول هكذا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل