Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৮ হাদিসসমূহ
(وَمَثَلُ الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ ابْتِغَاءَ مَرْضَاةِ اللهِ وَتَثْبِيتًا مِنْ أَنْفُسِهِمْ) الآيَةَ وَإِلَى قَوْلِهِ (مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ) আল্লাহর বাণীঃ ‘‘যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ও নিজেদের আত্মার দৃঢ়তার জন্যে ধন-সম্পদ ব্যয় করে- (আল-বাক্বারাহঃ ২৬৫)। তাদের উপমা কোন উচ্চভূমিতে অবস্থিত একটি উদ্যান... এবং যাতে সর্বপ্রকার ফলমূল আছে।’’ (আল-বাক্বারাহঃ ২৬৬) ১৪১৫. আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন সদাকাহর আয়াত নাযিল হলো তখন আমরা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বোঝা বহন করতাম। এক ব্যক্তি এসে প্রচুর মাল সদাকাহ করলো। তারা (মুনাফিকরা) বলতে লাগলো, এ ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে দান করেছে, আর এক ব্যক্তি এসে এক সা’ পরিমাণ দান করলে তারা বললো, আল্লাহ তো এ ব্যক্তির এক সা’ হতে অমুখাপেক্ষী। এ প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়ঃ ‘‘মু’মিনগণের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় সদাকাহ দেয় এবং যারা নিজ শ্রম ব্যতিরেকে কিছুই পায় না তাদেরকে যারা দোষারোপ করে.....’’- (আত্তওবাঃ ৭৯)। (১৪১৬, ২২৭৩, ৪৬৬৮, ৪৬৬৯, মুসলিম ১২/২১, হাঃ ১০১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا ابو النعمان الحكم هو ابن عبد الله البصري حدثنا شعبة، عن سليمان، عن ابي وايل، عن ابي مسعود رضى الله عنه قال لما نزلت اية الصدقة كنا نحامل، فجاء رجل فتصدق بشىء كثير فقالوا مرايي. وجاء رجل فتصدق بصاع فقالوا ان الله لغني عن صاع هذا. فنزلت {الذين يلمزون المطوعين من المومنين في الصدقات والذين لا يجدون الا جهدهم} الاية
আবূ মাস‘ঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সদাকাহ করতে আদেশ করলেন তখন আমাদের কেউ বাজারে গিয়ে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বোঝা বহন করে মুদ[1] পরিমাণ অর্জন করত (এবং তা হতেই সদাকাহ করত) অথচ আজ তাদের কেউ কেউ লক্ষপতি। (১৪১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن يحيى، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، عن شقيق، عن ابي مسعود الانصاري رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا امرنا بالصدقة انطلق احدنا الى السوق فتحامل فيصيب المد، وان لبعضهم اليوم لماية الف
‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, তোমরা জাহান্নাম হতে আত্মরক্ষা কর এক টুকরা খেজুর সদাকাহ করে হলেও। (১৪১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت عبد الله بن معقل، قال سمعت عدي بن حاتم رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اتقوا النار ولو بشق تمرة
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ভিখারিণী দু’টি শিশু কন্যা সঙ্গে করে আমার নিকট এসে কিছু চাইলো। আমার নিকট একটি খেজুর ব্যতীত অন্য কিছু ছিল না। আমি তাকে তা দিলাম। সে নিজে না খেয়ে খেজুরটি দু’ভাগ করে কন্যা দু’টিকে দিয়ে দিল। এরপর ভিখারিণী বেরিয়ে চলে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। তাঁর নিকট ঘটনা বিবৃত করলে তিনি বললেনঃ যাকে এরূপ কন্যা সন্তানের ব্যাপারে কোনরূপ পরীক্ষা করা হয় সে কন্যা সন্তান তার জন্য জাহান্নামের আগুন হতে আড় হয়ে দাঁড়াবে। (৫৯৯৫, মুসলিম ৪৫/৪৬, হাঃ ২৬২৯, আহমাদ ২৪১১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن محمد، قال اخبرنا عبد الله، اخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثني عبد الله بن ابي بكر بن حزم، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها قالت دخلت امراة معها ابنتان لها تسال، فلم تجد عندي شييا غير تمرة فاعطيتها اياها، فقسمتها بين ابنتيها ولم تاكل منها، ثم قامت فخرجت، فدخل النبي صلى الله عليه وسلم علينا، فاخبرته فقال " من ابتلي من هذه البنات بشىء كن له سترا من النار
لِقَوْلِ اللهِ تَعَالَى : (وَأَنْفِقُوا مِمَّا رَزَقْنَاكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَ أَحَدَكُمْ الْمَوْتُ) (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنْفِقُوا مِمَّا رَزَقْنَاكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لاَ بَيْعَ فِيهِ وَلاَ خُلَّةَ إِلَى الظَّالِمُونَ) إِلَى آخِرِهِ আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আর তোমরা তা হতে ব্যয় করবে যা আমি তোমাদেরকে রিয্ক হিসেবে দিয়েছি তোমাদের কারো মৃত্যু আসার পূর্বে।’’ (আল-মুনাফিকূনঃ ১০) তাঁর আরো বাণীঃ হে মু’মিনগণ! আমি যা তোমাদেরকে রিযক্ হিসেবে দিয়েছি তা হতে তোমরা ব্যয় কর সে দিন আসার পুর্বে যে দিন ক্রয়-বিক্রয়, বন্ধুত্ব এবং সুপারিশ থাকবে না। (আল-বাকারাঃ ২৫৪) ১৪১৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সাহাবী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কোন্ সদাকাহর সওয়াব বেশি পাওয়া যায়? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সুস্থ ও কৃপণ অবস্থায় তোমার সদাকাহ করা যখন তুমি দারিদ্রের আশঙ্কা করবে ও ধনী হওয়ার আশা রাখবে। সদাকাহ করতে এ পর্যন্ত দেরী করবে না যখন প্রাণবায়ু কণ্ঠাগত হবে, আর তুমি বলতে থাকবে, অমুকের জন্য এতটুকু, অমুকের জন্য এতটুকু, অথচ তা অমুকের জন্য হয়ে গেছে। (২৭৪৮, মুসলিম ১২/৩১, হাঃ ১০৩২, আহমাদ ৯৭৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا عمارة بن القعقاع، حدثنا ابو زرعة، حدثنا ابو هريرة رضى الله عنه قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اى الصدقة اعظم اجرا قال " ان تصدق وانت صحيح شحيح، تخشى الفقر وتامل الغنى، ولا تمهل حتى اذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا، ولفلان كذا، وقد كان لفلان
بَاب: অধ্যায়: ১৪২০. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, কোন নবী সহধর্মিনী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেনঃ আমাদের মধ্য হতে সবার পূর্বে (মৃত্যুর পর) আপনার সাথে কে মিলিত হবে? তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যার হাত সবচেয়ে লম্বা। তাঁরা একটি বাঁশের কাঠির মাধ্যমে হাত মেপে দেখতে লাগলেন। সওদার হাত সকলের হাতের চেয়ে লম্বা বলে প্রমাণিত হল। পরে [সবার আগে যায়নাব (রাঃ)-এর মৃত্যু হলে] আমরা বুঝলাম হাতের দীর্ঘতার অর্থ দানশীলতা। তিনি [যায়নাব (রাঃ)] আমাদের মধ্যে সবার আগে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) সাথে মিলিত হন এবং তিনি দান করতে ভালবাসতেন। (মুসলিম ৪৪/১৭, হাঃ ২৪৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابو عوانة، عن فراس، عن الشعبي، عن مسروق، عن عايشة، رضى الله عنها ان بعض، ازواج النبي صلى الله عليه وسلم قلن للنبي صلى الله عليه وسلم اينا اسرع بك لحوقا قال " اطولكن يدا ". فاخذوا قصبة يذرعونها، فكانت سودة اطولهن يدا، فعلمنا بعد انما كانت طول يدها الصدقة، وكانت اسرعنا لحوقا به وكانت تحب الصدقة
بَاب صَدَقَةِ الْعَلاَنِيَةِ ২৪/১২. অধ্যায় : প্রকাশ্যে সদাকাহ প্রদান করা। وَقَوْلِهِ : (الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سِرًّا وَعَلاَنِيَةً) الآيَةَ إِلَى قَوْلِهِ (وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ) আল্লাহর বাণীঃ ‘‘যারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ রাতে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে তাদের জন্য রয়েছে তাদের পুণ্যফল তাদের পালনকর্তার কাছে। তাদের নেই কোন ভয় আর তারা দুঃখিতও হবে না।’’ (আল-বাকারাঃ ২৭৪) 24/13. بَاب صَدَقَةِ السِّرِّ ২৪/১৩. অধ্যায় : গোপনে সদাকাহ প্রদান করা। وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ tعَنْ النَّبِيِّ وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَأَخْفَاهَا حَتَّى لاَ تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا صَنَعَتْ يَمِينُهُ وَقَوْلِهِ (إِنْ تُبْدُوا الصَّدَقَاتِ فَنِعِمَّا هِيَ وَإِنْ تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا الْفُقَرَاءَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ) الآيَةَ আবূ হুরায়রাই (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি গোপনে সদাকাহ করলো এমনভাবে যে তার ডান হাত যা ব্যয় করেছে বাম হাত তা জানতে পারেনি। এবং আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমরা যদি প্রকাশ্যে দান-খায়রাত কর তবে তা কতই না উত্তম; আর যদি তা গোপনে কর এবং অভাবগ্রস্তদের তা দিয়ে দাও তবে তোমাদের জন্য তা আরও ভাল।’’ (আল-বাকারাঃ ২৭১) ১৪২১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (পূর্ববর্তী উম্মাতের মধ্যে) এক ব্যক্তি বলল, আমি কিছু সদাকাহ করব। সদাকাহ নিয়ে বের হয়ে (ভুলে) সে এক চোরের হাতে তা দিয়ে দিলো। সকালে লোকেরা বলাবলি করতে লাগলো, চোরকে সদাকাহ দেয়া হয়েছে। এতে সে বললো, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই, আমি অবশ্যই সদাকাহ করবো। সদাকাহ নিয়ে বের হয়ে তা এক ব্যভিচারিণীর হাতে দিল। সকালে লোকেরা বলাবলি করতে লাগলো, রাতে এক ব্যভিচারিণীকে সদাকাহ দেয়া হয়েছে। লোকটি বললো, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই, (আমার সদাকাহ) ব্যভিচারিণীর হাতে পৌঁছল! আমি অবশ্যই সদাকাহ করব। এরপর সে সদাকাহ নিয়ে বের হয়ে কোন এক ধনী ব্যক্তির হাতে দিল। সকালে লোকেরা বলতে লাগলো, ধনী ব্যক্তিকে সদাকাহ দেয়া হয়েছে। লোকটি বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই, (আমার সদাকাহ) চোর, ব্যভিচারিণী ও ধনী ব্যক্তির হাতে গিয়ে পড়লো! পরে স্বপ্নযোগে তাকে বলা হলো, তোমার সদাকাহ চোর পেয়েছে, সম্ভবত সে চুরি করা হতে বিরত থাকবে, তোমার সদাকাহ ব্যভিচারিণী পেয়েছে, সম্ভবত সে তার ব্যভিচার হতে পবিত্র থাকবে আর ধনী ব্যক্তি তোমার সদাকাহ পেয়েছে, সম্ভবত সে শিক্ষা গ্রহণ করবে এবং আল্লাহর দেয়া সম্পদ হতে সদাকাহ করবে। (মুসলিম ১২/২৪, হাঃ ২২, আহমাদ ৮২৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لاتصدقن بصدقة. فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق فاصبحوا يتحدثون تصدق على سارق. فقال اللهم لك الحمد لاتصدقن بصدقة. فخرج بصدقته فوضعها في يدى زانية، فاصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية. فقال اللهم لك الحمد على زانية، لاتصدقن بصدقة. فخرج بصدقته فوضعها في يدى غني فاصبحوا يتحدثون تصدق على غني فقال اللهم لك الحمد، على سارق وعلى زانية وعلى غني. فاتي فقيل له اما صدقتك على سارق فلعله ان يستعف عن سرقته، واما الزانية فلعلها ان تستعف عن زناها، واما الغني فلعله يعتبر فينفق مما اعطاه الله
মা‘ন ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি, আমার পিতা (ইয়াযীদ) ও আমার দাদা (আখনাস) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বায়‘আত করলাম। তিনি আমার বিবাহের প্রস্তাব করেন এবং আমার বিবাহ সম্পন্ন করে দেন। আমি তাঁর কাছে (একটি বিষয়ে) বিচার প্রার্থী হই, একদা আমার পিতা ইয়াযীদ কিছু স্বর্ণমুদ্রা সদাকাহ করার নিয়্যাতে মসজিদে এক ব্যক্তির নিকট রেখে (তাকে তা বিতরণ করার সাধারণ অনুমতি দিয়ে) আসেন। আমি সে ব্যক্তির নিকট হতে তা গ্রহণ করে পিতার নিকট আসলাম। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! তোমাকে দেয়ার ইচ্ছা আমার ছিল না। বিষয়টি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে পেশ করলাম। তিনি বললেনঃ হে ইয়াযীদ! তুমি যে নিয়্যাত করেছ, তা তুমি পাবে আর হে মা‘ন! তুমি যা গ্রহণ করেছ তা তোমারই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا اسراييل، حدثنا ابو الجويرية، ان معن بن يزيد رضى الله عنه حدثه قال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم انا وابي وجدي وخطب على فانكحني وخاصمت اليه و كان ابي يزيد اخرج دنانير يتصدق بها فوضعها عند رجل في المسجد، فجيت فاخذتها فاتيته بها فقال والله ما اياك اردت. فخاصمته الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لك ما نويت يا يزيد، ولك ما اخذت يا معن
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে দিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকবে না সে দিন আল্লাহ তা‘আলা সাত প্রকার মানুষকে সে ছায়ায় আশ্রয় দিবেন। (১) ন্যায়পরায়ণ শাসক। (২) যে যুবক আল্লাহর ইবাদতের ভিতর গড়ে উঠেছে। (৩) যার অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সাথে থাকে। (৪) আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে যে দু’ব্যক্তি পরস্পর মহববত রাখে, উভয়ে একত্রিত হয় সেই মহববতের উপর আর পৃথক হয় সেই মহববতের উপর। (৫) এমন ব্যক্তি যাকে সম্ভ্রান্ত সুন্দরী নারী (অবৈধ মিলনের জন্য) আহবান জানিয়েছে। তখন সে বলেছে, আমি আল্লাহকে ভয় করি। (৬) যে ব্যক্তি গোপনে এমনভাবে সদাকাহ করে যে, তার ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জানতে পারে না। (৭) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাতে আল্লাহর ভয়ে তার চোখ হতে অশ্রু বের হয়ে পড়ে। (৬৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سبعة يظلهم الله تعالى في ظله يوم لا ظل الا ظله امام عدل، وشاب نشا في عبادة الله، ورجل قلبه معلق في المساجد، ورجلان تحابا في الله اجتمعا عليه وتفرقا عليه، ورجل دعته امراة ذات منصب وجمال فقال اني اخاف الله، ورجل تصدق بصدقة فاخفاها حتى لا تعلم شماله ما تنفق يمينه، ورجل ذكر الله خاليا ففاضت عيناه
হারিসাহ ইবনু অহব খুযা‘ঈ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমরা সদাকাহ কর। কেননা অচিরেই তোমাদের উপর এমন সময় আসবে, যখন মানুষ সদাকাহর মাল নিয়ে ঘুরে বেড়াবে, তখন এক ব্যক্তি বলবে, গতকাল নিয়ে এলে অবশ্যই গ্রহণ করতাম কিন্তু আজ এর কোন প্রয়োজন আমার নেই। (১৪১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن الجعد، اخبرنا شعبة، قال اخبرني معبد بن خالد، قال سمعت حارثة بن وهب الخزاعي رضى الله عنه يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " تصدقوا، فسياتي عليكم زمان يمشي الرجل بصدقته فيقول الرجل لو جيت بها بالامس لقبلتها منك، فاما اليوم فلا حاجة لي فيها
وَقَالَ أَبُو مُوسَى عَنْ النَّبِيِّ هُوَ أَحَدُ الْمُتَصَدِّقِينَ আবূ মূসা (আশ্‘আরী) (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, (সদাকাহর আদেশদাতার ন্যায়) খাদিমও সদাকাহকারীদের মধ্যে গণ্য। ১৪২৫. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন স্ত্রী যদি তার ঘর হতে বিপর্যয় সৃষ্টির উদ্দেশ্য ছাড়া খাদ্যদ্রব্য সদাকাহ করে তবে এ জন্যে সে সওয়াব লাভ করবে আর উপার্জন করার কারণে স্বামীও সওয়াব পাবে এবং খাজাঞ্চীও অনুরূপ সওয়াব পাবে। তাদের একজনের কারণে অন্য জনের সওয়াবে কোন কমতি হবে না। (১৪৩৭, ১৪৩৯, ১৪৪০, ১৪৪১, ২০৬৫, মুসলিম ১২/২৫, হাঃ ১০২৪, আহমাদ ২৪৭৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن شقيق، عن مسروق، عن عايشة رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا انفقت المراة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها اجرها بما انفقت ولزوجها اجره بما كسب، وللخازن مثل ذلك، لا ينقص بعضهم اجر بعض شييا
وَمَنْ تَصَدَّقَ وَهُوَ مُحْتَاجٌ أَوْ أَهْلُهُ مُحْتَاجٌ أَوْ عَلَيْهِ دَيْنٌ فَالدَّيْنُ أَحَقُّ أَنْ يُقْضَى مِنْ الصَّدَقَةِ وَالْعِتْقِ وَالْهِبَةِ وَهُوَ رَدٌّ عَلَيْهِ لَيْسَ لَهُ أَنْ يُتْلِفَ أَمْوَالَ النَّاسِ وَقَالَ النَّبِيُّ مَنْ أَخَذَ أَمْوَالَ النَّاسِ يُرِيدُ إِتْلاَفَهَا أَتْلَفَهُ اللهُ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ مَعْرُوفًا بِالصَّبْرِ فَيُؤْثِرَ عَلَى نَفْسِهِ وَلَوْ كَانَ بِهِ خَصَاصَةٌ كَفِعْلِ أَبِي بَكْرٍ حِينَ تَصَدَّقَ بِمَالِهِ وَكَذَلِكَ آثَرَ الأَنْصَارُ الْمُهَاجِرِينَ وَنَهَى النَّبِيُّ عَنْ إِضَاعَةِ الْمَالِ فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يُضَيِّعَ أَمْوَالَ النَّاسِ بِعِلَّةِ الصَّدَقَةِ وَقَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ tقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ مِنْ تَوْبَتِي أَنْ أَنْخَلِعَ مِنْ مَالِي صَدَقَةً إِلَى اللهِ وَإِلَى رَسُولهِ قَالَ أَمْسِكْ عَلَيْكَ بَعْضَ مَالِكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ قُلْتُ فَإِنِّي أُمْسِكُ سَهْمِي الَّذِي بِخَيْبَرَ যে ব্যক্তি সদাকাহ করতে চায়; অথচ সে নিজেই দরিদ্র বা তার পরিবার-পরিজন অভাবগ্রস্ত অথবা সে ঋণগ্রস্ত, এ অবস্থায় তার জন্য সদাকাহ করা, গোলাম আযাদ করা ও দান করার চেয়ে ঋণ পরিশোধ করা অধিক কর্তব্য। বরং তা ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির নিকট প্রত্যাবর্তনশীল লোকের সম্পদ বিনষ্ট করার অধিকার তার নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি বিনষ্ট করার ইচ্ছায় লোকের সম্পদ হস্তগত করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দিবেন। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন,] তবে এ ধরনের ব্যক্তি যদি ধৈর্যশীল বলে পরিচিত হয়, তথা নিজের দারিদ্র্য উপেক্ষা করে অন্যকে নিজের উপর প্রাধান্য দেয়, তাহলে সে সদাকাহ করতে পারে। যেমন আবূ বাকর (রাঃ)-এর (অমর) কীর্তি, তিনি সমুদয় সম্পদ সদাকাহ করে দিয়েছিলেন। তেমনিভাবে আনসারী সাহাবীগণ মুহাজির সাহাবীদেরকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পদ বিনষ্ট করতে নিষেধ করেছেন। কাজেই (ঋণ পরিশোধ না করে) সদাকাহ করার বাহানায় অন্যের সম্পদ বিনষ্ট করার কোন অধিকার কারো নেই। কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমার সম্পূর্ণ সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশে সদাকাহ করতে চাই আমি আমার তাওবার অংশ হিসাবে। তিনি বললেনঃ তোমার কিছু মাল নিজের জন্য রেখে দিবে। আর এটাই তোমার জন্য শ্রেয়। আমি বললাম, আমি খায়বারে প্রাপ্ত অংশটুকু রেখে দিবো। ১৪২৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ হতে সদাকাহ করা উত্তম। যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে, প্রথমে তাদেরকে দিবে। (১৪২৮, ৫৩৫৫, ৫৩৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال اخبرني سعيد بن المسيب، انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الصدقة ما كان عن ظهر غنى، وابدا بمن تعول
ওহায়ব (রহ.) বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (১৪২৬, মুসলিম ১২/৩২, হাঃ ১০৩৪, আহমাদ ১৫৩২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৪১ শেষাংশ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا هشام، عن ابيه، عن حكيم بن حزام رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اليد العليا خير من اليد السفلى، وابدا بمن تعول، وخير الصدقة عن ظهر غنى، ومن يستعفف يعفه الله، ومن يستغن يغنه الله ". وعن وهيب، قال اخبرنا هشام، عن ابيه، عن ابي هريرة رضى الله عنه بهذا
ওহায়ব (রহ.) বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (১৪২৬, মুসলিম ১২/৩২, হাঃ ১০৩৪, আহমাদ ১৫৩২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৪১ শেষাংশ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا هشام، عن ابيه، عن حكيم بن حزام رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اليد العليا خير من اليد السفلى، وابدا بمن تعول، وخير الصدقة عن ظهر غنى، ومن يستعفف يعفه الله، ومن يستغن يغنه الله ". وعن وهيب، قال اخبرنا هشام، عن ابيه، عن ابي هريرة رضى الله عنه بهذا
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মিম্বারের উপর থাকা অবস্থায় সদাকাহ করা ও ভিক্ষা করা হতে বেঁচে থাকা ও ভিক্ষা করা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেনঃ উপরের হাত নীচের হাত অপেক্ষা উত্তম। উপরের হাত দাতার, আর নীচের হাত হলো ভিক্ষুকের। (মুসলিম ১২/৩২, হাঃ ১০৩৩, আহমাদ ৪৪৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، قال حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ح. وحدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وهو على المنبر، وذكر الصدقة والتعفف والمسالة " اليد العليا خير من اليد السفلى، فاليد العليا هي المنفقة، والسفلى هي السايلة
بَاب الْمَنَّانِ بِمَا أَعْطَى ২৪/১৯. অধ্যায় : কিছু দান করে যে বলে বেড়ায়। لِقَوْلِهِ : ( الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللهِ ثُمَّ لاَ يُتْبِعُونَ مَا أَنْفَقُوا مَنًّا وَلاَ أَذًى ) الآيَةَ এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘(তারাই মু’মিন) যারা আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে এবং যা ব্যয় করে তার কথা বলে বেড়ায় না....।’’ (আল-বাকারাহঃ ২৬২) ১৪৩০. ‘উকবাহ ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত আদায় করে দ্রুত ঘরে প্রবেশ করলেন। অতঃপর বিলম্ব না করে বের হয়ে আসলেন। আমি বললাম বা তাঁকে বলা হলো, এমনটি করার কারণ কী? তখন তিনি বললেনঃ ঘরে সদাকাহর একখন্ড সোনা রেখে এসেছিলাম কিন্তু রাত পর্যন্ত তা ঘরে থাকা আমি পছন্দ করিনি। কাজেই তা বণ্টন করে দিয়ে এলাম। (৮৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن عمر بن سعيد، عن ابن ابي مليكة، ان عقبة بن الحارث رضى الله عنه حدثه قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم العصر، فاسرع ثم دخل البيت، فلم يلبث ان خرج، فقلت او قيل له فقال " كنت خلفت في البيت تبرا من الصدقة، فكرهت ان ابيته فقسمته
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন বের হলেন এবং দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন, এর আগে ও পরে কোন সালাত আদায় করেননি। এরপর তিনি বিলাল (রাঃ)-কে সাথে নিয়ে মহিলাদের কাছে গেলেন। তাদের উপদেশ দিলেন এবং সদাকাহ করার নির্দেশ দিলেন। তখন মহিলাগণ কানের দুল ও হাতের কংকন ছুঁড়ে মারতে লাগলেন। (৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، حدثنا عدي، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوم عيد فصلى ركعتين لم يصل قبل ولا بعد، ثم مال على النساء ومعه بلال، فوعظهن وامرهن ان يتصدقن، فجعلت المراة تلقي القلب والخرص
আবূ মূসা (আশ‘আরী) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কেউ কিছু চাইলে বা প্রয়োজনীয় কিছু চাওয়া হলে তিনি বলতেনঃ তোমরা সুপারিশ কর সওয়াব প্রাপ্ত হবে, আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা তাঁর নবীর মুখে চূড়ান্ত করেন। (৬০২৭, ৬০২৮, ৭৪৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا ابو بردة بن عبد الله بن ابي بردة، حدثنا ابو بردة بن ابي موسى، عن ابيه رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا جاءه السايل، او طلبت اليه حاجة قال " اشفعوا توجروا، ويقضي الله على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم ما شاء
আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি (সম্পদ কমে যাওয়ার আশঙ্কায়) সদাকাহ দেয়া বন্ধ করবে না। অন্যথায় তোমার জন্যও আল্লাহ কর্তৃক দান বন্ধ করে দেয়া হবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৪৬) ‘আব্দা (রহ.) হতে বর্ণিত যে, [পূর্বোক্ত সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন] তুমি (সম্পদ) গণনা করে জমা রেখো না, (এরূপ করলে) আল্লাহ তোমার রিযক বন্ধ করে দিবেন। (১৪৩৪, ২৫৯০, ২৫৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا صدقة بن الفضل، اخبرنا عبدة، عن هشام، عن فاطمة، عن اسماء رضى الله عنها قالت قال لي النبي صلى الله عليه وسلم " لا توكي فيوكى عليك ". حدثنا عثمان بن ابي شيبة، عن عبدة، وقال، " لا تحصي فيحصي الله عليك
আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এক সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি সম্পদ জমা করে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহ তোমা হতে তা আটকে রাখবেন। কাজেই সাধ্যানুসারে দান করতে থাক। (১৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، وحدثني محمد بن عبد الرحيم، عن حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال اخبرني ابن ابي مليكة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، اخبره عن اسماء بنت ابي بكر رضى الله عنهما انها جاءت الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لا توعي فيوعي الله عليك، ارضخي ما استطعت