Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪২ হাদিসসমূহ
وَقَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ بُسْرٍ إِنْ كُنَّا فَرَغْنَا فِي هَذِهِ السَّاعَةِ وَذَلِكَ حِينَ التَّسْبِيحِ. আবদুল্লাহ্ ইব্নু বুস্র (রাযি.) বলেছেন, আমরা চাশ্তের সালাতের সময় ঈদের সালাত সমাপ্ত করতাম। ৯৬৮. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন আমাদের উদ্দেশে খুৎবা দেন। তিনি বলেন, আজকের দিনে আমাদের প্রথম কাজ হল সালাত আদায় করা। অতঃপর ফিরে এসে কুরবানী করা। যে ব্যক্তি এরূপ করবে সে আমাদের রীতি পালন করল। যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বেই যবেহ্ করবে, তা শুধু গোশ্তের জন্যই হবে, যা সে পরিবারের জন্য তাড়াতাড়ি করে ফেলেছে। কুরবানী সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তখন আমার মামা আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাযি.) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো সালাতের পূর্বেই যবেহ্ করে ফেলেছি। তবে এখন আমার নিকট এমন একটি মেষশাবক আছে যা ‘মুসিন্না’* মেষের চাইতেও উত্তম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার স্থলে এটিই (কুরবানী) করে নাও। অথবা তিনি বললেনঃ এটিই যবহ্ কর। তবে তুমি ব্যতীত আর কারো জন্যই মেষ শাবক যথেষ্ট হবে না। (৯৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا شعبة، عن زبيد، عن الشعبي، عن البراء، قال خطبنا النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر قال " ان اول ما نبدا به في يومنا هذا ان نصلي ثم نرجع فننحر، فمن فعل ذلك فقد اصاب سنتنا، ومن ذبح قبل ان يصلي فانما هو لحم عجله لاهله، ليس من النسك في شىء ". فقام خالي ابو بردة بن نيار فقال يا رسول الله، انا ذبحت قبل ان اصلي وعندي جذعة خير من مسنة. قال " اجعلها مكانها او قال اذبحها ولن تجزي جذعة عن احد بعدك
(وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ )وَاذْكُرُوا اللَّهَ فِي أَيَّامٍ مَعْدُودَاتٍ ( أَيَّامُ الْعَشْرِ وَالْأَيَّامُ الْمَعْدُودَاتُ أَيَّامُ التَّشْرِيقِ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ وَأَبُو هُرَيْرَةَ يَخْرُجَانِ إِلَى السُّوقِ فِي أَيَّامِ الْعَشْرِ يُكَبِّرَانِ وَيُكَبِّرُ النَّاسُ بِتَكْبِيرِهِمَا وَكَبَّرَ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ خَلْفَ النَّافِلَةِ. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, وَاذْكُرُوا اللَّهَ فِي أَيَّامٍ مَعْدُودَاتٍ (সূরাহ্ আল-বাকরাহ ২/২০৩) দ্বারা (যিলহাজ্জ মাসের) দশ দিন বুঝায় এবং مَعْدُودَاتٍ দ্বারা ‘আইয়ামুত তাশরীক’ বুঝায়। ইবনু ‘উমার ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) এই দশ দিন তাকবীর বলতে বলতে বাজারের দিকে যেতেন এবং তাদের তাকবীরের সঙ্গে অন্যরাও তাকবীর বলত। মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলী (রহ.) নফল* সালাতের পরেও তাকবীর বলতেন। ৯৬৯. ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ‘আমলের চেয়ে অন্য কোন দিনের ‘আমলই উত্তম নয়। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ছাড়া যে নিজের জান ও মালের ঝুঁকি নিয়েও জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عرعرة، قال حدثنا شعبة، عن سليمان، عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " ما العمل في ايام العشر افضل من العمل في هذه ". قالوا ولا الجهاد قال " ولا الجهاد، الا رجل خرج يخاطر بنفسه وماله فلم يرجع بشىء
وَكَانَ عُمَرُtيُكَبِّرُ فِي قُبَّتِهِ بِمِنًى فَيَسْمَعُهُ أَهْلُ الْمَسْجِدِ فَيُكَبِّرُونَ وَيُكَبِّرُ أَهْلُ الْأَسْوَاقِ حَتَّى تَرْتَجَّ مِنًى تَكْبِيرًا وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُكَبِّرُ بِمِنًى تِلْكَ الْأَيَّامَ وَخَلْفَ الصَّلَوَاتِ وَعَلَى فِرَاشِهِ وَفِي فُسْطَاطِهِ وَمَجْلِسِهِ وَمَمْشَاهُ تِلْكَ الْأَيَّامَ جَمِيعًا وَكَانَتْ مَيْمُونَةُ تُكَبِّرُ يَوْمَ النَّحْرِ وَكُنَّ النِّسَاءُ يُكَبِّرْنَ خَلْفَ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ وَعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ لَيَالِيَ التَّشْرِيقِ مَعَ الرِّجَالِ فِي الْمَسْجِدِ. ‘উমার (রাযি.) মিনায় নিজের তাবূতে তাকবীর বলতেন। মসজিদের লোকেরা তা শুনে তারাও তাকবীর বলতেন এবং বাজারের লোকেরাও তাকবীর বলতেন। ফলে সমস্ত মিনা তাকবীরে আওয়াযে গুঞ্জরিত হয়ে উঠত। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সে দিনগুলোতে মিনায় তাকবীর বলতেন এবং সালাতের পরে, বিছানায়, খীমায়, মজলিসে এবং চলার সময় এ দিনগুলোতে তাকবীর বলতেন। মাইমূনাহ (রাযি.) কুরবানীর দিন তাকবীর বলতেন এবং মহিলারা আবান ইবনু ‘উসমান ও ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.)-এর পিছনে তাশরীকের রাতগুলোতে মসজিদে পুরুষদের সঙ্গে সঙ্গে তাকবীর বলতেন। ৯৭০. মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর সাক্বাফী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সকাল বেলা মিনা হতে যখন ‘আরাফাতের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)-এর নিকট তালবিয়াহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কিরূপ করতেন? তিনি বললেন, তালবিয়া পাঠকারী তালবিয়াহ পড়ত, তাকে নিষেধ করা হতো না। তাকবীর পাঠকারী তাকবীর পাঠ করত, তাকেও নিষেধ করা হতো না। (১৬৫৯; মুসলিম ১৫/৪৬, হাঃ ১২৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا مالك بن انس، قال حدثني محمد بن ابي بكر الثقفي، قال سالت انسا ونحن غاديان من منى الى عرفات عن التلبية كيف كنتم تصنعون مع النبي صلى الله عليه وسلم قال كان يلبي الملبي لا ينكر عليه، ويكبر المكبر فلا ينكر عليه
উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন আমাদের বের হবার আদেশ দেয়া হত। এমন কি আমরা কুমারী মেয়েদেরকেও অন্দর মহল হতে বের করতাম এবং ঋতুমতী মেয়েদেরকেও। তারা পুরুষদের পিছনে থাকতো এবং তাদের তাকবীরের সাথে তাকবীর বলতো এবং তাদের দু‘আর সাথে দু‘আ করত- সে দিনের বরকত এবং পবিত্রতা তারা আশা করত। (৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، حدثنا عمر بن حفص، قال حدثنا ابي، عن عاصم، عن حفصة، عن ام عطية، قالت كنا نومر ان نخرج يوم العيد، حتى نخرج البكر من خدرها، حتى نخرج الحيض فيكن خلف الناس، فيكبرن بتكبيرهم، ويدعون بدعايهم يرجون بركة ذلك اليوم وطهرته
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। ‘ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে যুদ্ধের হাতিয়ার রেখে দেয়া হত। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করতেন। (৪৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا عبد الوهاب، قال حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان تركز الحربة قدامه يوم الفطر والنحر ثم يصلي
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। ‘ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে বর্শা পুঁতে দেয়া হত। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করতেন। (৪৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، قال حدثنا الوليد، قال حدثنا ابو عمرو، قال اخبرني نافع، عن ابن عمر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يغدو الى المصلى، والعنزة بين يديه، تحمل وتنصب بالمصلى بين يديه فيصلي اليها
উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন (‘ঈদের সালাতের উদ্দেশে) যুবতী ও পর্দানশীন মেয়েদের নিয়ে যাবার জন্য আমাদের নির্দেশ দেয়া হতো। আইয়ূব (রহ.) হতে হাফসাহ (রাযি.) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে এবং হাফসাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে অতিরিক্ত বর্ণনা আছে, ‘ঈদগাহে ঋতুমতী নারীরা আলাদা থাকতেন। (৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، قال حدثنا حماد، عن ايوب، عن محمد، عن ام عطية، قالت امرنا ان نخرج، العواتق وذوات الخدور. وعن ايوب عن حفصة بنحوه. وزاد في حديث حفصة قال او قالت العواتق وذوات الخدور، ويعتزلن الحيض المصلى
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ‘ঈদুল ফিতর বা আযহার দিন বের হলাম। তিনি সালাত আদায় করলেন। অতঃপর খুৎবাহ দিলেন। অতঃপর নারীদের নিকট গিয়ে তাঁদের নাসীহাত করলেন এবং তাঁদেরকে সদাক্বাহ করার নির্দেশ দিলেন। (৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن عباس، قال حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن، قال سمعت ابن عباس، قال خرجت مع النبي صلى الله عليه وسلم يوم فطر او اضحى، فصلى ثم خطب، ثم اتى النساء فوعظهن وذكرهن، وامرهن بالصدقة
قَالَ أَبُو سَعِيدٍ قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُقَابِلَ النَّاسِ. আবূ সা‘ঈদ (রাযি.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসল্লীদের দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন। ৯৭৬. বারাআ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল আযহার দিন বাকী‘তে (নামক কবরস্থানে) যান। অতঃপর তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে আমাদের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন এবং তিনি বললেন, আজকের দিনের প্রথম ‘ইবাদাত হল সালাত আদায় করা। অতঃপর ফিরে গিয়ে কুরবানী করা। যে ব্যক্তি এরূপ করবে সে আমাদের নীতি অনুযায়ী কাজ করবে। আর যে এর পূর্বেই যবহ্ করবে তা হলে তার যবেহ্ হবে এমন একটি কাজ, যা সে নিজের পরিবারবর্গের জন্যই তাড়াতাড়ি করে ফেলেছে, এর সাথে কুরবানীর কোন সম্পর্ক নেই। তখন এক ব্যক্তি (আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাযি.) দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি (পূর্বেই) যবহ্ করে ফেলেছি। এখন আমার নিকট এমন একটি মেষশাবক আছে যা পূর্ণবয়স্ক মেষের চেয়ে উত্তম। (এটা কুরবানী করব কি?) তিনি বললেন, এটাই যবেহ্ কর। তবে তোমার পর আর কারো জন্য তা যথেষ্ট হবে না। (৯৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا محمد بن طلحة، عن زبيد، عن الشعبي، عن البراء، قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوم اضحى الى البقيع فصلى ركعتين، ثم اقبل علينا بوجهه وقال " ان اول نسكنا في يومنا هذا ان نبدا بالصلاة، ثم نرجع فننحر، فمن فعل ذلك فقد وافق سنتنا، ومن ذبح قبل ذلك فانما هو شىء عجله لاهله، ليس من النسك في شىء ". فقام رجل فقال يا رسول الله، اني ذبحت وعندي جذعة خير من مسنة. قال " اذبحها، ولا تفي عن احد بعدك
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কখনো ‘ঈদে উপস্থিত হয়েছেন? তিনি বললেন হাঁ। যদি তাঁর নিকট আমার মর্যাদা না থাকত তা হলে কম বয়সী হবার কারণে আমি ‘ঈদে উপস্থিত হতে পারতাম না। তিনি বের হয়ে কাসীর ইবনু সালাতের গৃহের নিকট স্থাপিত নিশানার নিকট এলেন এবং সালাত আদায় করলেন। অতঃপর খুৎবাহ দিলেন। অতঃপর তিনি মহিলাগণের নিকট উপস্থিত হলেন। তখন তাঁর সঙ্গে বিলাল (রাযি.) ছিলেন। তিনি নারীদের উপদেশ দিলেন, নাসীহাত করলেন এবং দান সদাকাহ করার জন্য নির্দেশ দিলেন। আমি তখন নারীদেরকে হাত বাড়িয়ে বিলাল (রাযি.)-এর কাপড়ে দান সামগ্রী ফেলতে দেখলাম। অতঃপর তিনি এবং বিলাল (রাযি.) নিজ বাড়ির দিকে চলে গেলেন। (৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني عبد الرحمن بن عابس، قال سمعت ابن عباس، قيل له اشهدت العيد مع النبي صلى الله عليه وسلم قال نعم، ولولا مكاني من الصغر ما شهدته، حتى اتى العلم الذي عند دار كثير بن الصلت فصلى ثم خطب ثم اتى النساء، ومعه بلال، فوعظهن وذكرهن، وامرهن بالصدقة، فرايتهن يهوين بايديهن يقذفنه في ثوب بلال، ثم انطلق هو وبلال الى بيته
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল ফিত্রের দিন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন, পরে খুৎবাহ দিলেন। খুৎবাহ শেষে নেমে নারীদের নিকট আসলেন এবং তাঁদের নাসীহাত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে ছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে ধরলেন। এতে নারীগণ দান সামগ্রী ফেলতে লাগলেন আমি (ইবনু জুরায়জ) আত্বা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এ কি ‘ঈদুল ফিত্রের সদাকাহ? তিনি বললেন না, বরং এ সাধারণ সদাকাহ যা তাঁরা ঐ সময় দিচ্ছিলেন। কোন মহিলা তাঁর আংটি দান করলে অন্যান্য নারীরাও তাঁদের আংটি দান করতে লাগলেন। আমি আতা (রহ.)-কে (আবার), জিজ্ঞেস করলাম, মহিলাগণকে উপদেশ দেয়া কি ইমামের জন্য জরুরী? তিনি বললেন, অবশ্যই, তাদের উপর তা জরুরী। তাঁদের (অর্থাৎ ইমামগণের) কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবেন না? (৯৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق بن ابراهيم بن نصر، قال حدثنا عبد الرزاق، قال حدثنا ابن جريج، قال اخبرني عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال سمعته يقول قام النبي صلى الله عليه وسلم يوم الفطر، فصلى فبدا بالصلاة ثم خطب، فلما فرغ نزل فاتى النساء، فذكرهن وهو يتوكا على يد بلال وبلال باسط ثوبه، يلقي فيه النساء الصدقة. قلت لعطاء زكاة يوم الفطر قال لا ولكن صدقة يتصدقن حينيذ، تلقي فتخها ويلقين. قلت اترى حقا على الامام ذلك ويذكرهن قال انه لحق عليهم، وما لهم لا يفعلونه
ইবনু জুরায়জ (রহ.) বলেছেন, হাসান ইবনু মুসলিম (রহ.) তাঊস (রহ.) এর মাধ্যমে ইবনু আব্বাস (রাযি.) হতে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, ‘উমার ও উসমান (রাযি.)-এর সঙ্গে ‘ঈদুল ফিত্রে আমি উপস্থিত ছিলাম। তাঁরা খুৎবার পূর্বে সালাত আদায় করতেন, পরে খুৎবা দিতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন, আমি যেন দেখতে পাচ্ছি তিনি হাতের ইঙ্গিতে (লোকদের) বসিয়ে দিচ্ছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ ‘‘হে নবী! যখন ঈমানদার মহিলাগণ আপনার নিকট এ শর্তে বায়‘আত করতে আসেন..... (সূরাহ্ মুমতাহিনাহ ৬০/১২)। এ আয়াত শেষ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা এ বায়‘আতের উপর আছ? তাঁদের মধ্যে একজন মহিলা বলল, হাঁ, সে ছাড়া আর কেউ এর জবাব দিল না। হাসান (রহ.) জানেন না, সে মহিলা কে? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা সদাক্বাহ কর। সে সময় বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে বললেন, আমার মা-বাপ আপনাদের জন্য কুরবান হোক, আসুন, আপনারা দান করুন। তখন নারীগণ তাঁদের ছোট-বড় আংটিগুলো বিলাল (রাযি.)-এর কাপড়ের মধ্যে ফেলতে লাগলেন। আবদুর রাযযাক (রহ.) বলেন, الْفَتَخُ হলো বড় আংটি যা জাহিলী যুগে ব্যবহৃত হতো। (৯৮; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৮৪, আহমাদ ৩০৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২২ শেষাংশ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
قال ابن جريج واخبرني الحسن بن مسلم، عن طاوس، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال شهدت الفطر مع النبي صلى الله عليه وسلم وابي بكر وعمر وعثمان رضى الله عنهم يصلونها قبل الخطبة، ثم يخطب بعد، خرج النبي صلى الله عليه وسلم كاني انظر اليه حين يجلس بيده، ثم اقبل يشقهم حتى جاء النساء معه بلال فقال {يا ايها النبي اذا جاءك المومنات يبايعنك} الاية ثم قال حين فرغ منها " انتن على ذلك ". قالت امراة واحدة منهن لم يجبه غيرها نعم. لا يدري حسن من هي. قال " فتصدقن " فبسط بلال ثوبه ثم قال هلم لكن فداء ابي وامي، فيلقين الفتخ والخواتيم في ثوب بلال. قال عبد الرزاق الفتخ الخواتيم العظام كانت في الجاهلية
হাফসাহ বিনত সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘ঈদের দিন আমাদের যুবতীদের বের হতে নিষেধ করতাম। একদা জনৈকা মহিলা এলেন এবং বনু খালাফের প্রাসাদে অবস্থান করলেন। আমি তাঁর নিকট গেলে তিনি বললেন, তাঁর ভগ্নিপতি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, এর মধ্যে ছয়টি যুদ্ধে স্বয়ং তাঁর বোনও স্বামীর সাথে অংশগ্রহণ করেছেন, (মহিলা বলেন) আমার বোন বলেছেন, আমরা রুগ্নদের সেবা করতাম, আহতদের শুশ্রুষা করতাম। একবার তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমাদের কারো ওড়না না থাকে, তখন কি সে বের হবে না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ অবস্থায় তার বান্ধবী যেন তাকে নিজ ওড়না পরিধান করতে দেয় এবং এভাবে মহিলাগণ যেন কল্যাণকর কাজে ও মু’মিনদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করেন। হাফ্সাহ (রহ.) বলেন, যখন উম্মে আতিয়্যাহ (রাযি.) এলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আপনি কি এসব ব্যাপারে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, হাফসাহ (রহ.) বলেন, আমরা পিতা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্য উৎসর্গিত হোক এবং তিনি যখনই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নাম উল্লেখ করতেন, তখনই একথা বলতেন। তাঁবুতে অবস্থানকারিণী যুবতীরা এবং ঋতুমতী নারীরা যেন বের হন। তবে ঋতুমতী নারীরা যেন সালাতের স্থান হতে সরে থাকেন। তারা সকলেই যেন কল্যাণকর কাজে ও মু’মিনদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করেন। হাফ্সা (রহ.) বলেন, আমি তাকে বললাম, ঋতুমতী নারীরাও? তিনি বললেন, হাঁ, ঋতুমতী নারী কি আরাফাত এবং অন্যান্য স্থানে উপস্থিত হয় না?(১) (৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، قال حدثنا عبد الوارث، قال حدثنا ايوب، عن حفصة بنت سيرين، قالت كنا نمنع جوارينا ان يخرجن يوم العيد، فجاءت امراة فنزلت قصر بني خلف فاتيتها فحدثت ان زوج اختها غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتى عشرة غزوة فكانت اختها معه في ست غزوات. فقالت فكنا نقوم على المرضى ونداوي الكلمى، فقالت يا رسول الله، على احدانا باس اذا لم يكن لها جلباب ان لا تخرج فقال " لتلبسها صاحبتها من جلبابها فليشهدن الخير ودعوة المومنين ". قالت حفصة فلما قدمت ام عطية اتيتها، فسالتها اسمعت في كذا وكذا قالت نعم، بابي وقلما ذكرت النبي صلى الله عليه وسلم الا قالت بابي قال " ليخرج العواتق ذوات الخدور او قال العواتق وذوات الخدور شك ايوب والحيض، ويعتزل الحيض المصلى، وليشهدن الخير ودعوة المومنين ". قالت فقلت لها الحيض قالت نعم، اليس الحايض تشهد عرفات وتشهد كذا وتشهد كذا
উম্মু আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (ঈদের দিন) আমাদেরকে বের হবার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। তাই আমরা ঋতুমতী, যুবতী এবং তাঁবুতে অবস্থানকারিণী নারীদেরকে নিয়ে বের হতাম। ইবনু ‘আওন (রহ.)-এর এক বর্ণনায় রয়েছে, অথবা তাঁবুতে অবস্থানকারিণী যুবতী নারীদেরকে নিয়ে বের হতাম। অতঃপর ঋতুমতী মহিলাগণ মুসলিমদের জামা‘আত এবং তাদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করতেন। তবে ‘ঈদমাঠে পৃথকভাবে অবস্থান করতেন। (২) (৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا ابن ابي عدي، عن ابن عون، عن محمد، قال قالت ام عطية امرنا ان نخرج فنخرج الحيض والعواتق وذوات الخدور. قال ابن عون او العواتق ذوات الخدور، فاما الحيض فيشهدن جماعة المسلمين ودعوتهم، ويعتزلن مصلاهم
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদমাঠে নাহর করতেন কিংবা যবেহ্ করতেন। (১৭১০, ১৭১১, ৫৫৫১, ৫৫৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال حدثنا الليث، قال حدثني كثير بن فرقد، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان ينحر او يذبح بالمصلى
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন সালাতের পর রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে খুৎবা দিলেন। খুৎবাহ্য় তিনি বললেন, যে আমাদের মতো সালাত আদায় করবে এবং আমাদের কুরবানীর মত কুরবানী করবে, তার কুরবানী যথার্থ বলে গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে কুরবানী করবে তার সে কুরবানী গোশ্ত খাওয়া ছাড়া আর কিছু হবে না। তখন আবূ বুরদাহ্ ইবনু নিয়ার (রাযি.) তখন দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! আমি তো সালাতে বের হবার পূর্বেই কুরবানী করে ফেলেছি। আমি ভেবেছি যে, আজকের দিনটি তো পানাহারের দিন। তাই আমি তাড়াতাড়ি করে ফেলেছি। আমি নিজে খেয়েছি এবং আমার পরিবারবর্গ ও প্রতিবেশীদেরকেও আহার করিয়েছি। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওটা গোশ্ত খাবার বকরী ছাড়া আর কিছু হয়নি। আবূ বুরদাহ (রাযি.) বলেন, তবে আমার নিকট এমন একটি মেষ শাবক আছে যা দু’টো (গোশ্ত খাওয়ার) বকরীর চেয়ে ভাল। এটা কি আমার পক্ষে কুরবানীর জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে তোমার পরে অন্য কারো জন্য যথেষ্ট হবে না। (৯৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا ابو الاحوص، قال حدثنا منصور بن المعتمر، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر بعد الصلاة فقال " من صلى صلاتنا ونسك نسكنا فقد اصاب النسك، ومن نسك قبل الصلاة فتلك شاة لحم ". فقام ابو بردة بن نيار فقال يا رسول الله والله لقد نسكت قبل ان اخرج الى الصلاة، وعرفت ان اليوم يوم اكل وشرب فتعجلت واكلت واطعمت اهلي وجيراني. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تلك شاة لحم ". قال فان عندي عناق جذعة، هي خير من شاتى لحم، فهل تجزي عني قال " نعم، ولن تجزي عن احد بعدك
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুৎবাহ দিলেন। অতঃপর নির্দেশ দিলেন, যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে কুরবানী করেছে সে যেন পুনরায় কুরবানী করে। তখন আনসারদের মধ্য হতে জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার প্রতিবেশীরা ছিল উপবাসী অথবা বলেছেন দরিদ্র। তাই আমি সালাতের পূর্বেই যবহ্ করে ফেলেছি। তবে আমার নিকট মেষশাবক আছে যা দু’টি হৃষ্টপুষ্ট বকরির চাইতেও আমার নিকট অধিক পছন্দসই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সেটা কুরবানী করার অনুমতি দেন। (৯৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حامد بن عمر، عن حماد بن زيد، عن ايوب، عن محمد، ان انس بن مالك، قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى يوم النحر، ثم خطب فامر من ذبح قبل الصلاة ان يعيد ذبحه فقام رجل من الانصار فقال يا رسول الله، جيران لي اما قال بهم خصاصة، واما قال بهم فقر واني ذبحت قبل الصلاة وعندي عناق لي احب الى من شاتى لحم. فرخص له فيها
জুনদাব ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুৎবাহ দেন। অতঃপর যবহ্ করেন এবং তিনি বলেনঃ সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি যবহ্ করতে হবে এবং যে যবেহ্ করেনি, আল্লাহর নামে তার যবেহ্ করা উচিত। (৫৫০০, ৫৫৬২, ৬৬৭৪, ৭৪০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم، قال حدثنا شعبة، عن الاسود، عن جندب، قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر ثم خطب، ثم ذبح فقال " من ذبح قبل ان يصلي فليذبح اخرى مكانها، ومن لم يذبح فليذبح باسم الله
জাবির (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদের দিন (বাড়ী ফেরার পথে) ভিন্ন পথে আসতেন। ইউনুস ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে হাদীস বর্ণনায় আবূ তুমাইলা ইয়াহ্ইয়া (রহ.) এর অনুসরণ করেছেন। তবে জাবির (রাযি.) হতে হাদীসটি অধিকতর বিশুদ্ধ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، قال اخبرنا ابو تميلة، يحيى بن واضح عن فليح بن سليمان، عن سعيد بن الحارث، عن جابر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا كان يوم عيد خالف الطريق. تابعه يونس بن محمد عن فليح. وحديث جابر اصح
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) আরো বলেছেন, হাবশীরা যখন মসজিদে (এর প্রাঙ্গণে) খেলাধূলা করছিল, তখন আমি তাদের দেখছিলাম এবং আমি দেখেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আড়াল করে রেখেছেন। ‘উমার (রাযি.) হাবশীদের ধমক দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ওদের ধমক দিও না। হে বনূ আরফিদা! তোমরা যা করছিলে তা কর। (৪৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩০ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، ان ابا بكر رضى الله عنه دخل عليها وعندها جاريتان في ايام منى تدففان وتضربان، والنبي صلى الله عليه وسلم متغش بثوبه، فانتهرهما ابو بكر فكشف النبي صلى الله عليه وسلم عن وجهه فقال " دعهما يا ابا بكر فانها ايام عيد ". وتلك الايام ايام منى. وقالت عايشة رايت النبي صلى الله عليه وسلم يسترني، وانا انظر الى الحبشة وهم يلعبون في المسجد، فزجرهم عمر فقال النبي صلى الله عليه وسلم " دعهم، امنا بني ارفدة ". يعني من الامن