Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৩ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ২১. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাদ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) ইশার পর এক রাকাআত বিতর পড়িতেন। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহার (এক রাকাআত বিতরের) উপর আমাদের আমল নাই। বরং সর্বনিম্ন বিতর-এর সংখ্যা তিন রাকাআত।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، ان سعد بن ابي وقاص، كان يوتر بعد العتمة بواحدة . قال مالك وليس على هذا العمل عندنا ولكن ادنى الوتر ثلاث
রেওয়ায়ত ২২. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, মাগরিবের নামায হইল দিনের বিতর। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রির প্রথমভাগে বিতর পড়িয়া ঘুমাইয়াছেন, অতঃপর জাগিয়াছেন, তখন তাহার নামায পড়িবার ইচ্ছা হইল। তবে তিনি দুই দুই রাকাআত করিয়া পড়িবেন। আমি (এই নামায সম্বন্ধে) যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার পছন্দনীয়।
وحدثني عن مالك، عن عبد الله بن دينار، ان عبد الله بن عمر، كان يقول صلاةالمغرب وتر صلاة النهار . قال مالك من اوتر اول الليل ثم نام ثم قام فبدا له ان يصلي فليصل مثنى مثنى فهو احب ما سمعت الى
রেওয়ায়ত ২৩. সাঈদ ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) এক রাত্র ঘুমাইলেন। জাগ্রত হওয়ার পর খাদিমকে বলিলেনঃ দেখিয়া আস লোকজন কি করিয়াছে। সেই সময় তাহার দৃষ্টিশক্তি চলিয়া গিয়াছিল। খাদিম গেল এবং প্রত্যাবর্তন করিয়া বলিলঃ লোকজন ফজরের নামায হইতে প্রত্যাবর্তন করিয়াছে। তারপর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) দাঁড়াইয়া বিতর পড়িলেন, তারপর ফজর-এর নামায পড়িলেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الكريم بن ابي المخارق البصري، عن سعيد بن جبير، ان عبد الله بن عباس، رقد ثم استيقظ فقال لخادمه انظر ما صنع الناس . وهو يوميذ قد ذهب بصره . فذهب الخادم ثم رجع فقال قد انصرف الناس من الصبح . فقام عبد الله بن عباس فاوتر ثم صلى الصبح
রেওয়ায়ত ২৪. মালিক (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস, উবাদা ইবন সামিত (রাঃ), কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রাঃ), আবদুল্লাহ ইবন আমির ইবন রাবীআ (রহঃ) (তাহারা প্রত্যেকেই) ভোর হওয়ার পর বিতর পড়িয়াছেন।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عباس، وعبادة بن الصامت، والقاسم بن محمد، وعبد الله بن عامر بن ربيعة، قد اوتروا بعد الفجر
রেওয়ায়ত ২৫. আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যদি ফজরের নামায আরম্ভ হইয়া যায় এবং আমি তখন বিতর পড়িতেছি, ইহাতে আমি উৎকণ্ঠা বোধ করি না।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان عبد الله بن مسعود، قال ما ابالي لو اقيمت صلاة الصبح وانا اوتر،
রেওয়ায়ত ২৬. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উবাদা ইবন সামিত (রহঃ) এক সম্প্রদায়ের ইমামতি করিতেন। একদিন ফজর পড়িতে গমন করিলেন, তখন মুয়াযযিন ফজরের নামায-এর ইকামত বলিতে লাগিলেন, উবাদা তাহাকে বিরত করিলেন, অতঃপর (প্রথমে) বিতর পড়িলেন। (তারপর) তাহাদের ফজরের নামায পড়াইলেন।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، انه قال كان عبادة بن الصامت يوم قوما فخرج يوما الى الصبح فاقام الموذن صلاة الصبح فاسكته عبادة حتى اوتر ثم صلى بهم الصبح
রেওয়ায়ত ২৭. মালিক (রহঃ) আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি আবদুল্লাহ্ ইবন আমীর ইবন রবী'আ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, (অনেক সময় এমনও হয়) আমি বিতর পড়ি, এমতাবস্থায় আমি ইকামত শুনিতে পাইতেছি অথবা (তিনি বলিয়াছেন) ফজরের পর। আবদুর রহমান (রহঃ) কোনটি বলিয়াছেন সেই বিষয়ে রবী'আ (রহঃ) দ্বিধা প্রকাশ করিয়াছেন।
وحدثني عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، انه قال سمعت عبد الله بن عامر بن ربيعة، يقول اني لاوتر وانا اسمع الاقامة، او بعد الفجر . يشك عبد الرحمن اى ذلك قال
রেওয়ায়ত ২৮. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) তাহার পিতা কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমি ফজরের পর বিতর পড়ি। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে বিতর পড়িতে পারে নাই, সে-ই ফজরের পর বিতর পড়িতে পারে। ইচ্ছাপূর্বক কাহারও পক্ষে এরূপ করা ঠিক নহে যে, সে বিতরের নামায রাখিয়া দিবে এবং ফজরের পরে পড়িবে।
وحدثني مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، انه سمع اباه القاسم بن محمد، يقول اني لاوتر بعد الفجر . قال مالك وانما يوتر بعد الفجر من نام عن الوتر ولا ينبغي لاحد ان يتعمد ذلك حتى يضع وتره بعد الفجر
রেওয়ায়ত ২৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী হাফসা (রাঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করিয়াছেন যে, যখন মুয়াযযিন ফজরের নামাযের জন্য আযান দিয়া নীরব হইতেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত নামায পড়িতেন। আর ইহা হইত ফজরের নামায আরম্ভ হইবার পূর্বে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان حفصة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا سكت الموذن عن الاذان لصلاة الصبح صلى ركعتين خفيفتين قبل ان تقام الصلاة
রেওয়ায়ত ৩০. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নত) খুবই সংক্ষিপ্তভাবে আদায় করিতেন, এমন কি আমি (মনে মনে) বলিতাম, তিনি সূরা ফাতিহা পড়িয়াছেন, না পড়েন নাই।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت ان كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليخفف ركعتى الفجر حتى اني لاقول اقرا بام القران ام لا
রেওয়ায়ত ৩১. আবূ সালমা ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ এক সম্প্রদায় ইকামত শুনিলেন, (শোনার পর) তাহারা (ফজরের সুন্নত) নামায পড়িতে দাঁড়াইয়া গেলেন। এমন সময়ে তাহাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করিলেন। তিনি (ইহা দেখিয়া) বলিলেনঃ দুই নামায এক সঙ্গে! দুই নামায এক সঙ্গে! ইহা ফজরের নামাযের ঘটনা, ফজরের পূর্বের দুই রাকাআত সম্পর্কে ইহা বলা হইয়াছে।
وحدثني عن مالك، عن شريك بن عبد الله بن ابي نمر، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، انه قال سمع قوم الاقامة، فقاموا يصلون فخرج عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " اصلاتان معا اصلاتان معا " . وذلك في صلاة الصبح في الركعتين اللتين قبل الصبح
রেওয়ায়ত ৩২. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নত) পড়িতে পারেন নাই। তিনি উক্ত দুই রাকাআত নামায সূর্যোদয়ের পর কাযা পড়িলেন।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عمر، فاتته ركعتا الفجر فقضاهما بعد ان طلعت الشمس
রেওয়ায়ত ৩৩. ইবন উমর (রাঃ) যেরূপ (দুই রাকাআত সুন্নত কাযা) করিয়াছেন কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রাঃ)-ও সেইরূপ কাযা পড়িয়াছেন।
وحدثني عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم بن محمد، انه صنع مثل الذي صنع ابن عمر