Loading...

Loading...
বইসমূহ
৮ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাত্রে মসজিদে নামায (তারাবীহ) আদায় করিলেন। তাহার (ইকতিদা) করিয়া লোকজনও নামায পড়িলেন। অতঃপর পরবর্তী রাত্রেও নামায পড়িলেন। (সেই রাত্রে) অনেক লোকের সমাগম হইল। তারপর তৃতীয় ও চতুর্থ রাত্রে তাহারা একত্র হইলেন। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহির হইলেন না। যখন প্রভাত হইল, তিনি (কারণ) বললেনঃ তোমাদের কার্যক্রম আমি লক্ষ করিয়াছি, তোমাদের উপর (তারাবীহ্) ফরয করিয়া দেওয়া হইবে, ইহা আমাকে বাহির হওয়া হইতে বারণ করিয়াছে। ইহা ছিল রমযানের ঘটনা।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في المسجد ذات ليلة فصلى بصلاته ناس ثم صلى الليلة القابلة فكثر الناس ثم اجتمعوا من الليلة الثالثة او الرابعة فلم يخرج اليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما اصبح قال " قد رايت الذي صنعتم ولم يمنعني من الخروج اليكم الا اني خشيت ان تفرض عليكم " . وذلك في رمضان
রেওয়ায়ত ২. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের তারাবীহর জন্য ওয়াজিব নামাযের মত নির্দেশ দান করিতেন না বটে, কিন্তু উহার জন্য অধিক উৎসাহ প্রদান করিতেন এবং ফরমাইতেনঃ যে ব্যক্তি ঈমান ও ইহতিসাব-এর (অর্থাৎ আল্লাহর উপর ঈমানসহ ও সওয়াবের আশায়) সহিত রমযানের তারাবীহ পড়িবে তাহার বিগত সমুদয় (সগীরা) গুনাহ্ ক্ষমা করা হইবে। ইবন শিহাব (যুহরী) (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের পরও তারাবীহর অবস্থা এইরূপই ছিল। আবু বকর সিদীক (রাঃ)-এর খিলাফতকালে এবং উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতের প্রথম দিকে (তারাবীহর) অবস্থা অনুরূপই ছিল।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب في قيام رمضان من غير ان يامر بعزيمة فيقول " من قام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه " . قال ابن شهاب فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم والامر على ذلك ثم كان الامر على ذلك في خلافة ابي بكر وصدرا من خلافة عمر بن الخطاب
রেওয়ায়ত ৩. আবদুর রহমান ইবন আবদিল কারিয়্যু (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি মাহে রমযানে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে মসজিদের দিকে গমন করিয়াছি, (সেখানে গিয়া) দেখি লোকজন বিভিন্ন দলে বিভক্ত। কেউ একা নামায পড়িতেছেন, আবার কেউ-বা নামায পড়িতেছেন এবং তাহার ইমামতিতে একদল লোকও নামায আদায় করিতেছেন। (এই দৃশ্য দেখিয়া) উমর (রাঃ) বলিলেনঃ আমি মনে করি যে, (কত ভালই না হইত) যদি এই মুসল্লিগণকে একজন কারীর সহিত একত্র করিয়া দেওয়া হইত। অতঃপর তিনি উৰাই ইবন কা'ব (রাঃ)-এর ইমামতিতে একত্র করিয়া দিলেন। (আবদুর রহমান) বলেনঃ দ্বিতীয় রাত্রেও আমি তাহার সহিত (মসজিদে) গমন করিলাম। তখন লোকজন তাহাদের কারীর ইকতিদায় নামায পড়িতেছিলেন। উমর (রাঃ) (ইহা অবলোকন করিয়া) বলিলেনঃ (نِعْمَتِ الْبِدْعَةُ هَذِهِ) ইহা অতি চমৎকার বিদ’আত বা নূতন পদ্ধতি। আর যে নামায হইতে তাহারা ঘুমাইয়া থাকে তাহা উত্তম ঐ নামায হইতে, যে নামাযের জন্য তাহারা জাগ্রত হয়, অর্থাৎ শেষ রাতের নামাযই উত্তম। উমর (রাঃ) ইহা এইজন্যই বলিয়াছিলেন, অনেক লোকের অবস্থা (এই ছিল) রাত্রের শুরু ভাগে তাহারা নামায পড়িয়া লইতেন। কেউ কেউ শেষ রাত্রে তারাবীহ পড়া উত্তম মনে করিতেন।
حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عبد الرحمن بن عبد القاري، انه قال خرجت مع عمر بن الخطاب في رمضان الى المسجد فاذا الناس اوزاع متفرقون يصلي الرجل لنفسه ويصلي الرجل فيصلي بصلاته الرهط فقال عمر والله اني لاراني لو جمعت هولاء على قاري واحد لكان امثل . فجمعهم على ابى بن كعب - قال - ثم خرجت معه ليلة اخرى والناس يصلون بصلاة قاريهم فقال عمر نعمت البدعة هذه والتي تنامون عنها افضل من التي تقومون . يعني اخر الليل وكان الناس يقومون اوله
রেওয়ায়ত ৪. সায়িব ইবন ইয়াযিদ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) উবাই ইবনে কা'ব এবং তামীমদারী (রাঃ)-কে লোকজনের (মুসল্লিগণের) জন্য এগার রাকাআত (তারাবীহ) কায়েম করিতে (পড়াইতে) নির্দেশ দিয়াছিলেন। কারী একশত আয়াতবিশিষ্ট সূরা পাঠ করিতেন, আর (আমাদের অবস্থা এই ছিল) আমরা নামযে দীর্ঘ সময় দাঁড়াইতে দাঁড়াইতে (ক্লান্ত) হইয়া পড়িলে সাহায্য গ্রহণ করিতাম অর্থাৎ লাঠির উপর ভর দিতাম। (এইভাবে নামায পড়িতে পড়িতে রাত শেষ হইত)। আমরা ভোর হওয়ার কিছু পূর্বে ঘরে প্রত্যাবর্তন করিতাম।
وحدثني عن مالك، عن محمد بن يوسف، عن السايب بن يزيد، انه قال امر عمر بن الخطاب ابى بن كعب وتميما الداري ان يقوما، للناس باحدى عشرة ركعة قال وقد كان القاري يقرا بالميين حتى كنا نعتمد على العصي من طول القيام وما كنا ننصرف الا في فروع الفجر
রেওয়ায়ত ৫. মালিক (রহঃ) ইয়াযিদ ইবনে রুমান (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেনঃ লোকজন উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতকালে রমযানে তেইশ রাক’আত তারাবীহ পড়িতেন- তিন রাকাআত বিতর এবং বিশ রাকাআত তারাবীহ।
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن رومان، انه قال كان الناس يقومون في زمان عمر بن الخطاب في رمضان بثلاث وعشرين ركعة
রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) দাউদ ইবন হুসায়ন (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আ'রাজ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ লোকজন রমযানের বিতর (وتر) নামাযে কাফিরদের প্রতি অভিশাপ প্রেরণ করিতেন। আর কারী অর্থাৎ ইমাম আট রাকাআতে সূরা বাকারা পাঠ করিতেন। কোন সময় উক্ত সূরা বার রাকাআতে পাঠ করিলে লোকেরা মনে করিতেন যে, কারী (ইমাম) নামায হালকা পড়িয়াছেন।
وحدثني عن مالك، عن داود بن الحصين، انه سمع الاعرج، يقول ما ادركت الناس الا وهم يلعنون الكفرة في رمضان . قال وكان القاري يقرا سورة البقرة في ثمان ركعات فاذا قام بها في اثنتى عشرة ركعة راى الناس انه قد خفف
وحدثني عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، قال سمعت ابي يقول، كنا ننصرف في رمضان فنستعجل الخدم بالطعام مخافة الفجر
وحدثني عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، قال سمعت ابي يقول، كنا ننصرف في رمضان فنستعجل الخدم بالطعام مخافة الفجر
রেওয়ায়ত ৭. মালিক (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন আবু বকর (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেনঃ (মসজিদে রাত কাটাইয়া) আমরা রমযানে (গৃহে) প্রত্যাবর্তন করিতাম, তখন ভোর হওয়ার আশংকায় খাদেমগণকে (খানা প্রস্তুতির) কাজে লাগাইতাম । উরওয়াহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, যাকওয়ান আবু আমর (রহঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর ক্রীতদাস ছিলেন। আয়েশা (রাঃ)-এর ওফাতের পর যাকওয়ান মুক্তিপ্রাপ্ত হইবেন বলিয়া ঘোষণা ছিল । (উক্ত যাকওয়ান) রমযান মাসে তারাবীহর নামায পড়িতেন এবং আয়েশা (রাঃ) তাহার পিছনে (অন্যদের সঙ্গে) মুকতাদী হইয়া নামায পড়িতেন অথবা আয়েশা (রাঃ) তাহার কুরআন পাঠ শুনিতেন।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان ذكوان ابا عمرو، - وكان عبدا لعايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فاعتقته عن دبر منها - كان يقوم يقرا لها في رمضان