Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৮ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি কেহ নিজের কোন ভাইকে কাফের বলে, তবে এতদুভয়ের মধ্যে একজন (নিশ্চয়ই) কাফের হইল।
حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال لاخيه يا كافر . فقد باء بها احدهما
রেওয়ায়ত ২. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি তুমি কাহাকেও এই কথা বলিতে শুনিতে পাও যে, মানুষ ধ্বংস হইয়াছে, তাহা হইলে সে সবচাইতে অধিক ধ্বংস হইয়াছে।
وحدثني مالك، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا سمعت الرجل يقول هلك الناس . فهو اهلكهم
রেওয়ায়ত ৩. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, তোমাদের কেহই যেন দাহরকে (যুগ বা জমানাকে) মন্দ না বলে। কেননা আল্লাহই দাহর (যুগ)।
وحدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يقل احدكم يا خيبة الدهر . فان الله هو الدهر
রেওয়ায়ত ৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ঈসা ইবনে মরিয়ম (আঃ)-এর সম্মুখে পথে একটি শূকর আসিল। তিনি তখন বলিলেন, নিরাপদে তুমি চলিয়া যাও। লোকেরা তাহাকে বলিল, আপনি শূকরের সাথে কথা বলিতেছেন? (অথচ ইহা সর্বনিকৃষ্ট অশুচি জীব। ইহাকে তো মারিয়া এবং গালমন্দ দিয়া তাড়াইয়া দেওয়া দরকার!) অতঃপর তিনি বলিলেন, ইহাতে আমার মুখ খারাপ কথায় অভ্যস্ত হইবে বলিয়া আমি ভয় করিতেছি।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، ان عيسى ابن مريم، لقي خنزيرا بالطريق فقال له انفذ بسلام . فقيل له تقول هذا لخنزير فقال عيسى اني اخاف ان اعود لساني النطق بالسوء
রেওয়ায়ত ৫. বিলাল ইবনে হারিস মুযানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, (অনেক সময়) মানুষ কথা বলে, কিন্তু সেই কথা কোথায় তাহাকে পৌছাইবে, সে তাহা জানে না। অথচ সেই কথার জন্য আল্লাহ তা’আলা তাহার জন্য স্বীয় সন্তুষ্টি কিয়ামত পর্যন্ত লিখিয়া দেন। আবার কোন সময় এমন কথা কেহ বলে, সেই কথা কোথায় গিয়া ক্রিয়া করে সে তাহা জানে না, অথচ সেই কথার জন্য আল্লাহ তা’আলা তাহার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত স্বীয় অসন্তুষ্টি লিখিয়া দেন।
حدثني مالك، عن محمد بن عمرو بن علقمة، عن ابيه، عن بلال بن الحارث المزني، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الرجل ليتكلم بالكلمة من رضوان الله ما كان يظن ان تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها رضوانه الى يوم يلقاه وان الرجل ليتكلم بالكلمة من سخط الله ما كان يظن ان تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها سخطه الى يوم يلقاه
রেওয়ায়ত ৬. আবূ সালেহ সাম্মান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলিয়াছেন যে, (অনেক সময়) মানুষ চিন্তা না করিয়া কথা বলে, পরিণামে সে জাহান্নামে পতিত হয়; আবার চিন্তা না করিয়া (এমন) কথা কেহ বলে, যাহার ফলে সে বেহেশতে গমন করে।
وحدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن ابي صالح السمان، انه اخبره ان ابا هريرة قال ان الرجل ليتكلم بالكلمة ما يلقي لها بالا يهوي بها في نار جهنم وان الرجل ليتكلم بالكلمة ما يلقي لها بالا يرفعه الله بها في الجنة
রেওয়ায়ত ৭. যায়দ ইবনে আসলম আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, পূর্বদিক হইতে দুইজন লোক আগমন করিল। তাহারা বক্তৃতা দান করিল এবং তাহাদের বক্তৃতায় জনসাধারণ আশ্চর্যান্বিত হইল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিঃসন্দেহে কোন কোন বক্তৃতা যাদুর মতো ক্রিয়া করে।
حدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن عبد الله بن عمر، انه قال قدم رجلان من المشرق فخطبا فعجب الناس لبيانهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان من البيان لسحرا " . او قال " ان بعض البيان لسحر
রেওয়ায়ত ৮. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, ঈসা ইবনে মরিয়ম (আঃ) বলতেন, আল্লাহর যিকির ব্যতীত অনর্থক বেশি কথা বলিও না। অন্যথায় তোমাদের অন্তর কঠিন হইয়া যাইবে। আর কঠিন হৃদয়ের ব্যক্তি আল্লাহ হইতে দূরে থাকে, অথচ তোমরা তাহা জান না। আর তোমরা অপরের গুনাহের দিকে (এইভাবে) তাকাইও না যেন তোমরা তাহাদের প্রভু! তোমরা নিজেদের গুনাহের দিকে (এইভাবে) তাকাও, যেন তোমরা গোলাম। কেননা মানুষ অনেক রকমের হয়। কেহ রোগী আর কেহ সুস্থ। অতএব, রোগীদের প্রতি সদয় হও এবং নিজের সুস্থতার জন্য আল্লাহর শোকর আদায় কর ।
وحدثني مالك، انه بلغه ان عيسى ابن مريم، كان يقول لا تكثروا الكلام بغير ذكر الله فتقسو قلوبكم فان القلب القاسي بعيد من الله ولكن لا تعلمون ولا تنظروا في ذنوب الناس كانكم ارباب وانظروا في ذنوبكم كانكم عبيد فانما الناس مبتلى ومعافى فارحموا اهل البلاء واحمدوا الله على العافية
রেওয়ায়ত ৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) ইশার নামাযের পর আপনজনদের কাছে বলিয়া পাঠাইতেন যে, লেখক ফেরেশতাদেরকে এখনও আরাম (অবসর) দিবে না?
وحدثني مالك، انه بلغه ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت ترسل الى بعض اهلها بعد العتمة فتقول الا تريحون الكتاب
রেওয়ায়ত ১০. মুত্তালিব ইবনে আবদুল্লাহ মাখযুমী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করিল, গীবত কি (বা গীবত কাহাকে বলে)? এতদুত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলিলেন, কাহারও অবর্তমানে তাহার এমন কথা প্রকাশ করা যাহা সে শুনিলে অসন্তুষ্ট হইবে। অতঃপর লোকটি (আবার) বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কথা যদি সত্য হয় (অর্থাৎ যাহা বলা হইতেছে উহা যদি মিথ্যা না হয়, বরং সত্য হয় তাহা হইলেও কি উহা গীবত হইবে)? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, যদি মিথ্যা হয়, (তবে উহাকে গীবত বলা হয় না; বরং) উহা বুহতান (অপবাদ)।
حدثني مالك، عن الوليد بن عبد الله بن صياد، ان المطلب بن عبد الله بن حنطب المخزومي، اخبره ان رجلا سال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما الغيبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان تذكر من المرء ما يكره ان يسمع " . قال يا رسول الله وان كان حقا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا قلت باطلا فذلك البهتان
রেওয়ায়ত ১১. আতা ইবনে ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আল্লাহ তা’আলা যাহাকে দুইটি জিনিসের অনিষ্ট হইতে রক্ষা করিবেন সে বেহেশতে যাইবে। (ইহা শুনিয়া) এক ব্যক্তি বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই দুইটি জিনিস কি? আপনি কি আমাদেরকে বলিবেন না? অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব হইয়া গেলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই প্রথম কথার পুনরাবৃত্তি করিলেন। লোকটি আবার বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদেরকে উহা বলিবেন না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব হইয়া গেলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় সেই কথা বলিলেন। লোকটি আবার বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদেরকে বলিবেন না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার সেই কথা বলিলেন। লোকটিও সেই একই কথা বলিল (অর্থাৎ আপনি আমাদেরকে উহা বলিবেন না?) অতঃপর লোকটির পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তি তাহাকে চুপ করাইল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই বলিলেন, “আল্লাহ্ পাক যাহাকে দুইটি জিনিসের অনিষ্ট হইতে রক্ষা করিবেন সে বেহেশতে যাইবে। একটি হইল দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী বস্তু (জিহ্বা), অপরটি হইল দুই রানের মধ্যবর্তী বস্তু (লজ্জাস্থান)। এই কথাটি তিনবার বলিলেন।
حدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من وقاه الله شر اثنين ولج الجنة " . فقال رجل يا رسول الله لا تخبرنا . فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم عاد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مثل مقالته الاولى فقال له الرجل لا تخبرنا يا رسول الله . فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذلك ايضا فقال الرجل لا تخبرنا يا رسول الله . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذلك ايضا . ثم ذهب الرجل يقول مثل مقالته الاولى فاسكته رجل الى جنبه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وقاه الله شر اثنين ولج الجنة ما بين لحييه وما بين رجليه ما بين لحييه وما بين رجليه ما بين لحييه وما بين رجليه
রেওয়ায়ত ১২. যাইদ ইবনে আসলম (রাঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট গিয়া দেখিলেন যে, আবু বকর (রাঃ) স্বীয় জিহ্বা ধরিয়া টানিতেছেন। উমর (রাঃ) বলিলেন, রাখুন (অর্থাৎ এই রকম করবেন না), আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। অতঃপর আবু বকর (রাঃ) বলিলেন, এই জিহ্বাই তো আমাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলিয়া দিয়াছে
وحدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، ان عمر بن الخطاب، دخل على ابي بكر الصديق وهو يجبذ لسانه فقال له عمر مه غفر الله لك . فقال ابو بكر ان هذا اوردني الموارد
রেওয়ায়ত ১৩. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) বলেন, আমি ও আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) খালিদ ইবন উকবা (রাঃ)-এর সেই ঘরের নিকটে ছিলাম যাহা বাজারে অবস্থিত ছিল। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি আসিয়া তাহার সহিত কানে কানে কিছু কথা বলিতে ইচ্ছা করিল। আবদুল্লাহ (ইবনে উমর)-এর সঙ্গে আমি ও সেই ব্যক্তি ব্যতীত, যে তাহার সহিত কানে কানে কথা বলিতে চাহিয়াছিল, আর কেহ ছিল না। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) অপর এক ব্যক্তিকে ডাকিয়া লইলেন। এখন আমরা চারিজন হইলাম এবং তিনি আমাকে ও সেই ব্যক্তিকে একটু সরিয়া যাইতে বললেন, যাহাকে ডাকিয়া লইয়াছিলেন এবং বলিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট শ্রবণ করিয়াছি, তিনি বলিয়াছেন, দুইজন একজনকে একা ছাড়িয়া কানে কানে কথা বলিবে না। ইহাতে তৃতীয় ব্যক্তি দুঃখিত হয়।
وحدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، قال كنت انا وعبد الله بن عمر، عند دار خالد بن عقبة التي بالسوق فجاء رجل يريد ان يناجيه وليس مع عبد الله بن عمر احد غيري وغير الرجل الذي يريد ان يناجيه فدعا عبد الله بن عمر رجلا اخر حتى كنا اربعة فقال لي وللرجل الذي دعاه استاخرا شييا فاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يتناجى اثنان دون واحد
রেওয়ায়ত ১৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি তিনজন এক সঙ্গে হয়, তবে একজনকে ছাড়িয়া অবশিষ্ট দুইজন কানে কানে কথা বলিবে না।
وحدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا كان ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون واحد
রেওয়ায়ত ১৫. সাফওয়ান ইবনে সুলাইম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট এক ব্যক্তি আসিয়া বলিল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে মিথ্যা বলিতে পারিব কি? এতদুত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, মিথ্যা কথায় কোন উপকার নাই। লোকটি আবার বলিল, আমি'তাহার সাথে ওয়াদা তো করিতে পারিব যে, আমি তোমাকে এই জিনিস দিব। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, ইহাতে কোন দোষ নাই।
حدثني مالك، عن صفوان بن سليم، ان رجلا، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم اكذب امراتي يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا خير في الكذب " . فقال الرجل يا رسول الله اعدها واقول لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا جناح عليك
রেওয়ায়ত ১৬. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলতেন, তোমরা সত্য বলা নিজের উপর ওয়াজিব (অনিবার্য) করিয়া লও। কেননা সত্য কথা নেকীর দিকে পথ প্রদর্শন করে এবং নেকী বেহেশতের পথ সুগম করে। আর তোমরা মিথ্যা বলা হইতে সংযত হও। কেননা মিথ্যা কথা গুনাহর দিকে পথ প্রদর্শন করে এবং গুনাহ দোযখের পথ সুগম করে। তুমি কি শোন নাই, ইহা বলা হয় যে, সত্যই নেকী এবং মিথ্যাই গুনাহ?
وحدثني مالك، انه بلغه ان عبد الله بن مسعود، كان يقول عليكم بالصدق فان الصدق يهدي الى البر والبر يهدي الى الجنة واياكم والكذب فان الكذب يهدي الى الفجور والفجور يهدي الى النار الا ترى انه يقال صدق وبر وكذب وفجر
রেওয়ায়ত ১৭. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে যে, লুকমান (আঃ)-এর নিকট কেহ জিজ্ঞাসা করিল, কিসের কারণে আপনি এই এত বুযুর্গী পাইলেন? লুকমান (আঃ) বলিলেন, সত্য কথা বলা, আমানতদারী এবং অনর্থক কাজ পরিহার করার কারণে।
وحدثني مالك، انه بلغه انه قيل للقمان ما بلغ بك ما نرى يريدون الفضل . فقال لقمان صدق الحديث واداء الامانة وترك ما لا يعنيني
রেওয়ায়ত ১৮. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলতেন, মানুষ মিথ্যা কথা বলে। শেষ পর্যন্ত তাহার অন্তরে একটা কাল দাগ পড়ে যাহার কারণে গোটা অন্তরই কাল হইয়া যায়। অবশেষে আল্লাহর নিকট তাহার নাম মিথ্যাবাদীদের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়।
وحدثني مالك، انه بلغه ان عبد الله بن مسعود، كان يقول لا يزال العبد يكذب وتنكت في قلبه نكتة سوداء حتى يسود قلبه كله فيكتب عند الله من الكاذبين
রেওয়ায়ত ১৯. সফওয়ান ইবনে সুলাইম (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট কেহ জিজ্ঞাসা করিল, মুমিন সাহসহীন বা ভীরু হইতে পারে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হ্যাঁ। আবার জিজ্ঞাসা করা হইল, মুমিন কৃপণ (বখিল) হইতে পারে কি? বলিলেন, হ্যাঁ। আবার জিজ্ঞাসা করা হইল, মু'মিন মিথ্যাবাদী হইতে পারে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, না।
وحدثني مالك، عن صفوان بن سليم، انه قال قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم ايكون المومن جبانا فقال " نعم " . فقيل له ايكون المومن بخيلا فقال " نعم " . فقيل له ايكون المومن كذابا فقال " لا
রেওয়ায়ত ২০. সুহাইল ইবন আবী সালেহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে, তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের তিনটি কাজে সন্তুষ্ট হন এবং তিনটি কাজে অসন্তুষ্ট হন। যেসব কাজে তিনি সন্তুষ্ট হন সেইগুলি হইল, (১) তোমরা তাহারই ইবাদত করিবে এবং তাহার সাথে আর কাহাকেও শরীক করিবে না। (২) আল্লাহর রজ্জু (অর্থাৎ কুরআন) মজবুত করিয়া ধরিবে। (৩) আল্লাহ যাহাকে শাসনের ভার দিয়াছেন তাহাকে নসীহত করবে। যেসব কাজে তিনি অসন্তুষ্ট হন, সেইগুলি হইল : (১) কথা অধিক বলা, (২) অপব্যয় করা, (৩) অধিক যাচনা করা (ভিক্ষা করা)।
حدثني مالك، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الله يرضى لكم ثلاثا ويسخط لكم ثلاثا يرضى لكم ان تعبدوه ولا تشركوا به شييا وان تعتصموا بحبل الله جميعا وان تناصحوا من ولاه الله امركم ويسخط لكم قيل وقال واضاعة المال وكثرة السوال