Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৫ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি তাহার দাসকে আযাদ করিয়াছে এবং পরিষ্কারভাবে আযাদ করিয়াছে। যেমন সে ক্রীতদাসের সাক্ষ্য বৈধ হয়, তাহার স্বত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং তাহার মর্যাদা পূর্ণতা লাভ করে, তবে গোলামের উপর যেরূপ শর্তারোপ করা হয় তাহার কর্তা তাহার উপর অনুরূপ কোন শর্তারোপ করিতে পারবে না এবং উহার উপর গোলামির কোন কিছু চাপাইতেও পারবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি তাহার অংশ আযাদ করিয়াছে গোলাম হইতে তাহার উপর সেই গোলামের (অবশিষ্ট অংশের) মূল্য ধার্য করা হইবে। তারপর শরীকদিগকে তাহাদের অংশ প্রদান করা হইবে, তাহার পক্ষে গোলাম আযাদ হইয়া যাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি গোলামে অন্য কাহারো অংশ না থাকে, তবে আযাদী পূর্ণ করার জন্য তিনি অধিক হকদার হইবেন এবং সেই আযাদীতে কোন প্রকার দাসত্ব মিশ্রিত থাকিবে না।
حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من اعتق شركا له في عبد فكان له مال يبلغ ثمن العبد قوم عليه قيمة العدل فاعطى شركاءه حصصهم وعتق عليه العبد والا فقد عتق منه ما عتق
রেওয়ায়ত ৩. হাসান ইবন আবিল-হাসান বসরী ও মুহাম্মদ ইবন শিরন (রহঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি মৃত্যুর সময় তাহার ছয়জন ক্রীতদাসকে আযাদ করিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের যুগে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাদের মধ্যে (নির্বাচনের উদ্দেশ্যে) লটারির ব্যবস্থা করিলেন এবং (লটারির মাধ্যমে) সেই ক্রীতদাসদের মধ্য হইতে এক-তৃতীয়াংশ (অর্থাৎ দুইজন) আযাদ করা হইল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকট এই মর্মে রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সেই ব্যক্তির নিকট ক্রীতদাস হাড়া জন্য মাল ছিল না।
حدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، وعن غير، واحد، عن الحسن بن ابي الحسن البصري، وعن محمد بن سيرين، ان رجلا، في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتق عبيدا له ستة عند موته فاسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فاعتق ثلث تلك العبيد . قال مالك وبلغني انه لم يكن لذلك الرجل مال غيرهم
রেওয়ায়ত ৪. রবিয়া ইবন আবদির রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবান ইবন উসমান (রহঃ) এর শাসনকালে এক ব্যক্তি তাহার সব কয়টি গোলামকে আযাদ করিয়া দিল, তাহার আর কোন মাল ছিল না সেই ক্রীতদাসগুলি ছাড়া। আবান ইন উসমানের নির্দেশে সব ক্রীতদাসকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হইল। তারপর লটারি দেওয়া হইল মৃত ব্যক্তির অংশ বেই ভাগে বাহির হইবে সেই ভাগের ক্রীতদাসদিগকে আযাদ করা হইবে, তিন অংশের মধ্য হইতে এক অংশের উপর লটারি উঠিল, ফলে যেই এক-তৃতীয়াংশের উপর লটারি উঠিল সে অংশ আযাদ হইল।
وحدثني مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، ان رجلا، في امارة ابان بن عثمان اعتق رقيقا له كلهم جميعا ولم يكن له مال غيرهم فامر ابان بن عثمان بتلك الرقيق فقسمت اثلاثا ثم اسهم على ايهم يخرج سهم الميت فيعتقون فوقع السهم على احد الاثلاث فعتق الثلث الذي وقع عليه السهم
রেওয়ায়ত ৫. মালিক (রহঃ) ইবন শিহাব (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন, ইহা প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম) যে, ক্রীতদাস আযাদ হইলে মাল তাহার পশ্চাদগামী হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরও স্পষ্ট করিয়া এই দৃষ্টান্তটি বলা যায় যে, ক্রীতদাস আযাদ হইলে তাহার মালও তাহার সাথে থাকিবে, কারণ মুকাতাব (যাহাকে মালের বিনিময়ে আযাদী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে)-কে (মালের বিনিময়ে) আযাদীর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইলে তবে শর্ত না করিলেও মাল তাহারই থাকিবে। ইহা এইজন্য যে, কিতাবতের কার্য পূর্ণতা লাভ করিলে (অর্থাৎ অর্থ আদায় করিলে) উহা হুবহু স্বত্বাধিকার (ولاء) এর চুক্তির মতো গণ্য হইবে, যেমন ক্রীতদাসকে আযাদ করিয়া দিলে সে স্বত্বাধিকার লাভ করে তদ্রুপ বদলে কিতাবত (আযাদীর জন্য নির্ধারিত অর্থ) আদায় করিলে ক্রীতদাস (مكاتب) আযাদ হইয়া যায় এবং তাহার সম্পদের স্বত্বাধিকারী সে নিজেই হইবে। আর ক্রীতদাস ও মুকাতাব-এর সম্পদ তাহদের সন্তান-সন্ততির মতো নহে, কারণ তাহাদের সন্তানগণ তাহাদেরই মতো (কর্তাগণ উহাদের মালিক বটে) উহারা তাহাদের সম্পদের মতো নহে অর্থাৎ সম্পদের মতো ক্রীতদাস ও মুকাতাব দাস সন্তানদের মালিক হইবে না। কারণ নিয়ম এই, যেই নিয়মে কোন দ্বিমত নাই অর্থাৎ ক্রীতদাস আযাদ হইলে তাহার মাল তাহার পশ্চাদানুসরণ করিবে, কিন্তু সন্তান তাহার পশ্চাদগামী হইবে না। আর মুকাতাব-এর সহিত যখন কিতাবত করা হয়, তখন তাহার মালও তাহার পশ্চাদানুসরণ করিবে, কিন্তু তাহার সন্তান তাহার পশ্চাদগামী হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যাহা ইহাকে আরও স্পষ্ট করে তাহা হইল, ক্রীতদাস ও মুকাতাব তাহারা উভয়ে দেউলিয়া হইলে তাহাদের সম্পদ ও তাহাদের উম্মে ওয়ালাদগণকে গ্রহণ করা হইবে কিন্তু তাহাদের সন্তানগণকে বিনিময়ে গ্রহণ করা হইবে না। কারণ সন্তান তাহদের মাল নহে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আর একটি নজীর ইহাকে স্পষ্ট করিয়া তোলে। তাহা হইল, যদি ক্রীতদাসকে এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে তাহার মাল ক্রেতা পাইবে, তবে ক্রীতদাসের সন্তান মালের অন্তর্ভুক্ত হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরও যে নজীর ইহাকে স্পষ্ট করে তাহা হইল এই যে, ক্রীতদাস কাহাকেও জখম করিলে, ক্রীতদাস ও উহার মাল বিনিময়ে লওয়া হইবে, কিন্তু (বিনিময়ে) সন্তানকে গ্রহণ করা হইবে না।
حدثني مالك، عن ابن شهاب، انه سمعه يقول مضت السنة ان العبد اذا عتق تبعه ماله . قال مالك ومما يبين ذلك ان العبد اذا عتق تبعه ماله ان المكاتب اذا كوتب تبعه ماله وان لم يشترطه وذلك ان عقد الكتابة هو عقد الولاء اذا تم ذلك وليس مال العبد والمكاتب بمنزلة ما كان لهما من ولد انما اولادهما بمنزلة رقابهما ليسوا بمنزلة اموالهما لان السنة التي لا اختلاف فيها ان العبد اذا عتق تبعه ماله ولم يتبعه ولده وان المكاتب اذا كوتب تبعه ماله ولم يتبعه ولده . قال مالك ومما يبين ذلك ايضا ان العبد والمكاتب اذا افلسا اخذت اموالهما وامهات اولادهما ولم توخذ اولادهما لانهم ليسوا باموال لهما . قال مالك ومما يبين ذلك ايضا ان العبد اذا بيع واشترط الذي ابتاعه ماله لم يدخل ولده في ماله . قال مالك ومما يبين ذلك ايضا ان العبد اذا جرح اخذ هو وماله ولم يوخذ ولده
রেওয়ায়ত ৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেন, যেই ক্রীতদাসী তাহার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করিতে পারিবে না, আর পরিবে না উহাকে দান করিতে, উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করিবে না, সে উহার দ্বারা উপকৃত হইবে, যখন কর্তার মৃত্যু হইবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হইবে।
حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان عمر بن الخطاب، قال ايما وليدة ولدت من سيدها فانه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فاذا مات فهي حرة
রেওয়ায়ত ৭. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী আসিল, যাহাকে তাহার কর্তা আগুন দ্বারা জখম করিয়াছে অথবা তাহার শরীরে আগুন লাগাইয়াছে। উমর (রাঃ) উহাকে আযাদ করিয়া দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করিয়া দেওয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন।) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট পছন্দনীয় হুকুম এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তাহার সমস্ত মাল ঘিরিয়া রাখিয়াছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নহে। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌছে, ততক্ষণ তাহার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হইবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হইয়াছে (এবং তাহাকে কার্য পরিচালনা হইতে বিরত রাখা হইয়াছে) সে বালিগ (সাবালক) হইলেও গোলাম আযাদ করিতে পরিবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হইবে।
وحدثني مالك، انه بلغه ان عمر بن الخطاب، اتته وليدة قد ضربها سيدها بنار او اصابها بها فاعتقها . قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا انه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وانه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم او يبلغ مبلغ المحتلم وانه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وان بلغ الحلم حتى يلي ماله
রেওয়ায়ত ৮. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) উমর ইবন হাকাম[1] (রাঃ) হইতে ৰণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত হইলাম। আমি বলিলাম, ইয়া-রাসূলাল্লাহ! আমার এক ক্রীতদাসী আমার ছাগপাল চরাইতেছিল। একদিন আমি তাহার নিকট গেলাম এবং জানিতে পারিলাম সে একটি বকরী হারাইয়া ফেলিয়াছে। আমি তাহাকে বকরীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিলাম। সে বলিল, উহাকে বাঘে খাইয়া ফেলিয়াছে। আমি উহার জন্য দুঃখিত হইলাম, আর আমি আদম সন্তানের একজন (আমার রাগ হইল)। তাই আমি ক্রীতদাসীর মুখের উপর চড় মারিলাম। আমার উপর (পূর্বে) একটি দাস বা দাসী আযাদ করা জরুরী ছিল, এখন আমি উহাকে (ক্রীতদাসীকে) আযাদ করিব কি? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (ক্রীতদাসীকে) জিজ্ঞাসা করিলেন, আল্লাহ কোথায়? সে বলিল, উর্ধ্বলোকে। তিনি [রাসূল সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লাম] বললেন, আমি কে? সে বলল, আপনি আল্লাহর রাসূল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লাম বলিলেনঃ ইহাকে আযাদ করিয়া দাও।
حدثني مالك، عن هلال بن اسامة، عن عطاء بن يسار، عن عمر بن الحكم، انه قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ان جارية لي كانت ترعى غنما لي فجيتها وقد فقدت شاة من الغنم فسالتها عنها فقالت اكلها الذيب فاسفت عليها وكنت من بني ادم فلطمت وجهها وعلى رقبة افاعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " اين الله " . فقالت في السماء . فقال " من انا " . فقالت انت رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعتقها
রেওয়ায়ত ৯. ওবায়দুল্লাহ্ ইবন আবদিল্লাহ ইবন উতবা ইবন মাসউদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আনসারের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট তাহার একটি কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসীকে লইয়া উপস্থিত হইল এবং বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার উপর একটি ঈমানদার ক্রীতদাসী আযাদ করা ওয়াজিব হইয়াছে, তবে আমি এই ক্রীতদাসীটিকে আযাদ করিতে পারি কি? আপনি যদি ইহাকে ঈমানদার মনে করেন তবে আমি তাহাকে আযাদ করিব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (উদ্দেশ্য করিয়া) বলিলেন, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই (لا اله الا الله) তুমি কি ইহার সাক্ষ্য দাও। সে বলিল, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল (محمد رسول الله) তুমি এই সাক্ষ্য দাও কি? সে বলিল, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (মৃত্যুর পর) পুনরুত্থানে তুমি বিশ্বাস কর কি? সে বলিল, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি ইহাকে মুক্তি দাও।
وحدثني مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان رجلا، من الانصار جاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم بجارية له سوداء فقال يا رسول الله ان على رقبة مومنة فان كنت تراها مومنة اعتقها . فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتشهدين ان لا اله الا الله " . قالت نعم . قال " اتشهدين ان محمدا رسول الله قالت نعم . قال " اتوقنين بالبعث بعد الموت " . قالت نعم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعتقها
রেওয়ায়ত ১০. মাকবুরী (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যাহার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হইয়াছে। প্রশ্নটি হইল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করিতে পারিবে কি ? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলিলেন, হ্যাঁ, উহা তাহার জন্য যথেষ্ট হইবে।
وحدثني مالك، انه بلغه عن المقبري، انه قال سيل ابو هريرة عن الرجل، تكون عليه رقبة هل يعتق فيها ابن زنا فقال ابو هريرة نعم ذلك يجزي عنه
রেওয়ায়ত ১১. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে ফুযাল ইবন উবায়দ আনসারী (রাঃ) হইতে, তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের একজন। তাহার নিকট প্রশ্ন করা হইল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যাহার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তাহার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, উহা তাহার পক্ষে যথেষ্ট হইবে।
وحدثني مالك، انه بلغه عن فضالة بن عبيد الانصاري، وكان، من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم انه سيل عن الرجل تكون عليه رقبة هل يجوز له ان يعتق ولد زنا قال نعم ذلك يجزي عنه
রেওয়ায়ত ১২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল, যেই ক্রীতদাসকে আযাদ করা ওয়াজিব হইয়াছে উহাকে (ক্রেতা কর্তৃক আযাদ করার) শর্তে ক্রয় কম যায় কি? তিনি বলিলেন, না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রাকাবা ওয়াজিব [ক্রীতদাস বা দাসীকে কোন ব্যাপারে আবাদ করা ওয়াজিব হইলে উহাকে রাকাবা-ই ওয়াজিবা’ বলা হয়। যেমন মানত এবং কাফফারাতে গোলাম আযাদ করা ওয়াজিব হয়] সম্বন্ধে যাহা আমি শুনিয়াছি (তন্মধ্যে) সর্বাপেক্ষা সুন্দরতম (এই যে,) 'রাকাবা-ই ওয়াজিবা'-কে যে আযাদ করিবে, সে আযাদী দেওয়ার শর্ত করিয়া ক্রয় করিবে না। কারণ এইরূপ শর্ত করিলে ঐ রাকাবা’ পূর্ণ রাকাবা হইবে না, কেননা যে এইরূপ শর্ত করিবে তাহার উদ্দেশ্যে বিক্রেতা মূল্য কমাইয়া দিবে (কাজেই রাকাবা অসম্পূর্ণ থাকিবে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ নফল নিয়্যত আযাদ করার জন্য গোলাম ক্রয় করিতে যাইয়া আযাদ করিবে বলিয়া শর্ত করিয়া ক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রিকাবে-ওয়াজিবা সম্পর্কে সবচাইতে সুন্দর যাহা আমি শুনিয়াছি, (তাহা হইল এই), উহাতে নাসূরানী অথবা ইহুদী গোলাম আযাদ করা যাইবে না। মাকাতাব (যে ক্রীতদাসকে অন্য কিছুর বিনিময়ে আযাদ করিবে বলিয়া ঠিক করা হইয়াছে) ও মুদাব্বর (কর্তার মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস আযাদ)-কে অথবা যাহাকে কয়েক বৎসরের জন্য আযাদ করা হইয়াছে উহাকে আযাদ করা যাইবে না (আরও আযাদ করা যাইবে না) উম্মু ওয়ালাদকে এবং অন্ধকেও না, তবে নফল রূপে নাসরানী, ইহুদী ও মজুসীকে আযাদ করাতে কোন দোষ নাই। কারণ আল্লাহ তা'আলা কিতাবে বলিয়াছেনঃ (فَإِمَّا مَنًّا بَعْدُ وَإِمَّا فِدَاءً) এখানে মান্না (مَنَّ) হইতেছে আযাদ করা। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ওয়াজিবরূপে যে ব্যাপারে ক্রীতদাসকে আযাদ করা হয়, যাহার উল্লেখ আল্লাহু তা'আলা কিতাবে বর্ণনা করিয়াছেন, সেই সকল ব্যাপারে মু'মিন ‘রাকাবা’-কেই আযাদ করিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কাফফারাতে মিসকীনদিগকে ভোজ দেওয়াতে মুসলিম মিসকীন ছাড়া অন্য কাহাকেও ভোজ দেওয়া ঠিক নহে, এই ব্যাপারে কোন অমুসলিমকে খাওয়াইবে না।
حدثني مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عمر، سيل عن الرقبة الواجبة، هل تشترى بشرط فقال لا . قال مالك وذلك احسن ما سمعت في الرقاب الواجبة انه لا يشتريها الذي يعتقها فيما وجب عليه بشرط على ان يعتقها لانه اذا فعل ذلك فليست برقبة تامة لانه يضع من ثمنها للذي يشترط من عتقها . قال مالك ولا باس ان يشتري الرقبة في التطوع ويشترط ان يعتقها . قال مالك ان احسن ما سمع في الرقاب الواجبة انه لا يجوز ان يعتق فيها نصراني ولا يهودي ولا يعتق فيها مكاتب ولا مدبر ولا ام ولد ولا معتق الى سنين ولا اعمى ولا باس ان يعتق النصراني واليهودي والمجوسي تطوعا لان الله تبارك وتعالى قال في كتابه {فاما منا بعد واما فداء} فالمن العتاقة . قال مالك فاما الرقاب الواجبة التي ذكر الله في الكتاب فانه لا يعتق فيها الا رقبة مومنة . قال مالك وكذلك في اطعام المساكين في الكفارات لا ينبغي ان يطعم فيها الا المسلمون ولا يطعم فيها احد على غير دين الاسلام
রেওয়ায়ত ১৩. আবদুর রহমান ইবন আবি আমরা আনসারী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার মাতা কিছু ওসীয়াত করার ইচ্ছা করিয়াছিলেন, পরে ভোর হওয়া পর্যন্ত উহাতে বিলম্ব করিলেন, অতঃপর ওসীয়াত করার পূর্বেই তাহার মৃত্যু হয়, তিনি (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করার সংকল্প করিয়াছিলেন। আবদুর রহমান বলেনঃ আমি কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ)-কে বলিলাম, তাহার পক্ষ হইতে আমি আযাদ করিলে ইহা তাহার উপকার করিবে কি? কাসিম বলিলেনঃ সা’দ ইবন উবাদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আরয করিলেন, আমার মাতার মৃত্যু হইয়াছে, আমি তাহার পক্ষ হইতে গোলাম আযাদ করিলে ইহা তাহার উপকার করিবে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হ্যাঁ।
حدثني مالك، عن عبد الرحمن بن ابي عمرة الانصاري، ان امه، ارادت ان توصي ثم اخرت ذلك الى ان تصبح فهلكت وقد كانت همت بان تعتق فقال عبد الرحمن فقلت للقاسم بن محمد اينفعها ان اعتق عنها فقال القاسم ان سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم ان امي هلكت فهل ينفعها ان اعتق عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نعم
রেওয়ায়ত ১৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আবদুর রহমান ইবন আবী বকর (রহঃ)-এর আকস্মিক ওফাত হয় তাহার নিদ্রাতে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রাঃ) তাহার পক্ষ হইতে অনেকগুলো দাস-দাসী আযাদ করেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহা আমার নিকট উত্তম।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، انه قال توفي عبد الرحمن بن ابي بكر في نوم نامه فاعتقت عنه عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رقابا كثيرة . قال مالك وهذا احب ما سمعت الى في ذلك
রেওয়ায়ত ১৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট প্রশ্ন কর হইল, যেসব ব্যাপারে দাস-দাসী আযাদ করা ওয়াজিব উহাতে কোন প্রকার দাস-দাসী (আযাদ করা) উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, যাহার মূল্য বেশি এবং যাহারা কর্তাদের (এবং তাহাদের পরিজনের) নিকট মনোরম ও আদরণীয়।
حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سيل عن الرقاب ايها افضل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اغلاها ثمنا وانفسها عند اهلها
রেওয়ায়ত ১৬. নাফি (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি অবৈধ সন্তান ও তাহার মাতাকে আযাদ করিয়াছেন।
وحدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه اعتق ولد زنا وامه
রেওয়ায়ত ১৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেন, বরীরা (রাঃ) (তাহার নিকট) আসিয়া বলিলেন, আমি আমার কর্তাদের সহিত প্রতি বৎসর এক উকীয়া (এক উকীয়াতে চল্লিশ দিরহাম হয়- আওজাস) হিসাবে (সর্বমোট) নয় উকীয়ার বিনিময়ে মুকাতাবত (আযাদী লাভের কথা ঠিক) করিয়াছি। আপনি আমাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। আয়েশা (রাঃ) বলিলেন যদি তোমার কর্তারা পছন্দ করেন যে, আমি উহার ব্যবস্থা করি তবে উহা (আদায়) করিব আর তোমার অভিতাবকত্ব আমার জন্য হইবে। বরীরা তাহার কর্তাদের নিকট গেলেন এবং এই বিষয়ে তাহাদিগকে অবহিত করিলেন। তাহারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিলেন। বারীরা তাহার কর্তাদের নিকট হইতে যখন (ফিরিয়া) আসিলেন তখন (আয়েশার গৃহে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। বরীরা আয়েশা (রাঃ)-কে বলিলেনঃ আমি তাহাদের নিকট সেই কথা পেশ করিয়াছিলাম। তাহারা ইহা অস্বীকার করিয়াছে। কিন্তু যদি অভিভাবত্ব তাহাদের জন্য হয় (তবে তাহারা রাজী)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা শুনিলেন। অতঃপর তাহাকে (আয়েশাকে) জিজ্ঞাসা করিলেন। আয়েশা ব্যাপারটি তাহাকে জানাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ইহা শুনিয়া) বলিলেন, তুমি বরীরাকে (মূল্য পরিশোধ করিয়া) গ্রহণ কর এবং তাহাদের জন্য (অভিভাবকত্বের) শর্ত মানিয়া লও, (কিন্তু উহা যেহেতু অবৈধ তাই স্বত্ব তাহারা পাইবে না)। অভিভাবকত্ব হইবে যে আযাদ করিবে তাহার। তারপর আয়েশা (রাঃ) উহা করিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকের (সাহাবীদের) মধ্যে কিছু বলার জন্য দাঁড়াইলেন। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করিলেন, তারপর বলিলেনঃ কিছু লোকের অবস্থা কি? তাহারা এমন সব শর্ত আরোপ করে যাহা আল্লাহর কিতাবে নাই, আর যেই সকল শর্ত আল্লাহর কিতাবে নাই, উহা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। যদিও শর্তাশর্তও হইয়া থাকে। আল্লাহর হুকুমই গ্রহণযোগ্য, আল্লাহর শর্ত অতি দৃঢ়। (জানিয়া রাখুন) অভিভাবকত্ব তাহারই হইবে যে আযাদ করিবে।
حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت جاءت بريرة فقالت اني كاتبت اهلي على تسع اواق في كل عام اوقية فاعينيني . فقالت عايشة ان احب اهلك ان اعدها لهم عنك عددتها ويكون لي ولاوك فعلت . فذهبت بريرة الى اهلها فقالت لهم ذلك فابوا عليها فجاءت من عند اهلها ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فقالت لعايشة اني قد عرضت عليهم ذلك فابوا على الا ان يكون الولاء لهم . فسمع ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالها فاخبرته عايشة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خذيها واشترطي لهم الولاء فانما الولاء لمن اعتق " . ففعلت عايشة ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله واثنى عليه ثم قال " اما بعد فما بال رجال يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله فهو باطل وان كان ماية شرط قضاء الله احق وشرط الله اوثق وانما الولاء لمن اعتق
রেওয়ায়ত ১৮. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, আয়েশা উম্মুল মু'মিনীন (রাঃ) জনৈকা ক্রীতদাসীকে খরিদ করিয়া আযাদ করার ইচ্ছা করিলেন। ক্রীতদাসীর কর্তারা বলিল আমরা উহাকে আপনার নিকট এই শর্তে বিক্রয় করিতে পারি যে, উহার অভিভাবকত্ব আমাদের জন্য থাকিবে। আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট ইহা উল্লেখ করিলেন। তিনি বলিলেন এই শর্তারোপ যেন তোমাকে (উহাকে ক্রয় করিয়া আযাদ করিতে) বারণ না করে। অভিভাবকত্ব উহারই হইবে, যে আযাদ করিবে।
وحدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان عايشة ام المومنين، ارادت ان تشتري جارية تعتقها فقال اهلها نبيعكها على ان ولاءها لنا فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا يمنعنك ذلك فانما الولاء لمن اعتق
রেওয়ায়ত ১৯. আমরা বিনত আবদির রহমান (রাঃ) হইতে বর্ণিত, বরীরা আসিলেন উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট সাহায্য চাহিতে। আয়েশা (রাঃ) বলিলেন যদি তোমার কর্তারা পছন্দ করে যে আমি তাহাদিগকে একবারে মূল্য পরিশোধ করিব এবং তোমাকে আযাদ করিয়া দিব তবে আমি উহা করিব। বরীরা কর্তাদের নিকট ইহা পেশ করিলেন। তাহারা বলিল, আমরা ইহাতে রাজী নহি, তবে যদি তোমার অভিভাবকত্ব আমাদের জন্য থাকে। মালিক (রহঃ) বলেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলিয়াছেন, আমরা ধারণা করেন যে, আয়েশা (রাঃ) ইহা উল্লেখ করিয়াছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি বরীরাকে খরিদ কর এবং তাহাকে আযাদ করিয়া দাও, অভিভাবকত্ব অবশ্য তাহারই জন্য থাকিবে যে আযাদ করিবে।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن، ان بريرة، جاءت تستعين عايشة ام المومنين فقالت عايشة ان احب اهلك ان اصب لهم ثمنك صبة واحدة واعتقك فعلت . فذكرت ذلك بريرة لاهلها فقالوا لا الا ان يكون لنا ولاوك . قال يحيى بن سعيد فزعمت عمرة ان عايشة ذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشتريها واعتقيها فانما الولاء لمن اعتق
রেওয়ায়ত ২০. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিভাবকত্ব বিক্রি ও দান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ক্রীতদাস নিজকে ক্রয় করিয়া লয় আপন কর্তা হইতে এই শর্তে যে, সে যাহাকে চায় তাহাকে অভিভাবকত্ব প্রদান করবে। ইহা জায়েয হইবে না। অভিভাবকত্ব তাহার জন্য হইবে, যে আযাদ করিবে। আর যদি কোন ব্যক্তি নিজের মুক্তিপ্রাপ্ত ত্রীতদাসকে যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে অভিভাবকত্ব প্রদানের অনুমতি দিয়াছে তবে ইহা বৈধ হইবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন অভিভাবকত্ব তাহারই হইবে যে আযাদ করিবে এবং তিনি স্বত্বাধিকার বিক্রয় ও দান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। যদি কর্তার পক্ষে ক্রীতদাসের জন্য এইরূপ শর্ত করা বৈধ হয় অথবা সে ক্রীতদাসকে অনুমতি দেয় যে, সে যাহাকে ইচ্ছা অভিভাবকত্ব প্রদান করিবে, তবে ইহা দান করা হইল।
وحدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وعن هبته
حدثني مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، . ان الزبير بن العوام، اشترى عبدا فاعتقه ولذلك العبد بنون من امراة حرة فلما اعتقه الزبير قال هم موالي . وقال موالي امهم بل هم موالينا . فاختصموا الى عثمان بن عفان فقضى عثمان للزبير بولايهم
حدثني مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، . ان الزبير بن العوام، اشترى عبدا فاعتقه ولذلك العبد بنون من امراة حرة فلما اعتقه الزبير قال هم موالي . وقال موالي امهم بل هم موالينا . فاختصموا الى عثمان بن عفان فقضى عثمان للزبير بولايهم