Loading...

Loading...
বইসমূহ
৯ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, কোন মুসলিমের নিকট কিছু সম্পদ থাকিলে যাহার সম্বন্ধে ওসীয়াত করা তাহার কর্তব্য, তবে সেই ক্ষেত্রে তাহার জন্য দুই রাত্রিও দেরী করা উচিত না (কেননা মৃত্যু আসার আশংকা রহিয়াছে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিষয় যে, যদি কোন মুসলিম সুস্থ অথবা অসুস্থ অবস্থায় কোন ওসীয়্যত করিয়া যায় যেমন গোলাম আযাদ করা কিংবা অন্যান্য বিষয়, তবে সে মারা যাওয়ার পূর্বে তাহার মধ্যে পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করিতে পরিবে এবং ওসীয়্যতকে মওকুফও করিতে পরিবে। অন্য কোন ওসীয়্যতও করিতে পারবে। কিন্তু কোন গোলামকে যদি মুদাব্বের করিয়া থাকে তবে তাহাতে আর কোন পরিবর্তন করিতে পারবে না, কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, কোন মুসলিমের এমন কিছু থাকিলে যাহা ওসীয়াত করা কর্তব্য, তবে ওসীয়্যত করা ব্যতীত দুই রাত অতিবাহিত করা তাহার উচিত নয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ওসীয়াতকারীর নিজ ওসীয়্যতে পরিবর্তন করার ক্ষমতা না থাকিত তবে তাহার ইখতিয়ার হইতে বাহির হইয়া আটক থাকিত। যেমন গোলাম আযাদের কথা অথচ মানুষ কোন সময় ভ্রমণে যাওয়ার সময় ওসীয়্যত করে আবার সুস্থ থাকাকালীন ওসীয়্যত করে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট প্রত্যেক ওসীয়্যতই বদলানো যায় কিন্তু গোলামকে মুদাব্বের করা হইলে তাহা পরিবর্তনের ইখতিয়ার নাই।
حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما حق امري مسلم له شىء يوصى فيه يبيت ليلتين الا ووصيته عنده مكتوبة
রেওয়ায়ত ২. আবু বকর ইবন হাযম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আমর ইবন সুলায়ম যারকী বলিয়াছেন, উমর (রাঃ)-কে বলা হইয়াছে যে, এইখানে গাসসান গোত্রের একটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে আছে, তাহার ওয়ারিস সিরিয়াতে এবং তাহার সম্পত্তিও আছে মদীনাতে, তাহার এক চাচাতো বোন ব্যতীত আর কোন ওয়ারিস নাই। উমর (রাঃ) বলিলেন, তাহার জন্যই ওসীয়্যত করা চাই। অবশেষে ঐ ছেলে নিজ মালের ওসীয়্যত চাচাতো বোনের জন্য করিয়াছিল। তাহার সম্পত্তির নাম বীরে জুশাম ছিল। আমর (রাঃ) বলেন যে, ঐ সম্পত্তি ত্রিশ হাজার দিরহামে বিক্রয় হইয়াছিল। আর তাহার চাচাতো বোনের নাম উম্মে আমর ইবন সুলাইমি যারকী ছিল।
حدثني مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن حزم، عن ابيه، ان عمرو بن سليم الزرقي، اخبره انه، قيل لعمر بن الخطاب ان ها هنا غلاما يفاعا لم يحتلم من غسان ووارثه بالشام وهو ذو مال وليس له ها هنا الا ابنة عم له . قال عمر بن الخطاب فليوص لها . قال فاوصى لها بمال يقال له بير جشم قال عمرو بن سليم فبيع ذلك المال بثلاثين الف درهم وابنة عمه التي اوصى لها هي ام عمرو بن سليم الزرقي
রেওয়ায়ত ৩. আবু বকর ইবন হাযম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, গাসসান বংশের একটি ছেলের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হইল, আর তাহার ওয়ারিস সিরিয়াতে ছিল। তাহার কথা উমর (রাঃ)-এর কাছে বলা হইল এবং জিজ্ঞাসা করা হইল যে, সে ওসীয়্যত করিবে কি? তিনি বলিলেন হ্যাঁ, সে যেন ওসীয়াত করে। আবু বকর বলেন, ঐ ছেলের বয়স দশ অথবা বার বৎসর ছিল। অতঃপর সে তাহার বীরে জুশাম নামক সম্পত্তি ওসীয়্যত করিয়া গেল, যাহার বিক্রয়মূল্য বাবদ প্রাপ্ত হইয়াছিল ত্রিশ হাজার দিরহাম । মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিষয় যে, দুর্বল বুদ্ধির লোক, নির্বোধ, পাগল যাহার মাঝে মাঝে হুশ ফিরিয়া আসে এমন লোকদের ওসীয়্যত শুদ্ধ হইবে যখন তাহার এতদূর আকল থাকে যে, সে যাহা কিছু ওসীয়্যত করিতেছে তাহা সে বুঝে। আর যদি এতদূর আকলও না থাকে তবে তাহার ওসীয়াত শুদ্ধ হইবে না।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن ابي بكر بن حزم، ان غلاما، من غسان حضرته الوفاة بالمدينة ووارثه بالشام فذكر ذلك لعمر بن الخطاب فقيل له ان فلانا يموت افيوصي قال فليوص . قال يحيى بن سعيد قال ابو بكر وكان الغلام ابن عشر سنين او اثنتى عشرة سنة . قال فاوصى ببير جشم فباعها اهلها بثلاثين الف درهم . قال يحيى سمعت مالكا يقول الامر المجتمع عليه عندنا ان الضعيف في عقله والسفيه والمصاب الذي يفيق احيانا تجوز وصاياهم اذا كان معهم من عقولهم ما يعرفون ما يوصون به فاما من ليس معه من عقله ما يعرف بذلك ما يوصي به وكان مغلوبا على عقله فلا وصية له
রেওয়ায়ত ৪. সা’আদ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার অসুখের সময় আমাকে দেখিতে আসেন, আমার অসুখ খুব কঠিন ছিল। আমি বলিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি দেখিতেছেন যে, আমার অবস্থা কি এবং আমি খুব সম্পদশালী, আমার কেহই ওয়ারিস নাই এক মেয়ে ব্যতীত। এখন আমি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ সদকা করিয়া দিতে পারিব কি? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, না। আমি বলিলাম, তাহা হইলে অর্ধেক দান করিয়া দেই? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, না। অতঃপর তিনি নিজেই বলিলেন এক-তৃতীয়াংশ দান কর, যদিও ইহাও অনেক। মনে রাখিও, তুমি তোমার ওয়ারিসদিগকে ধনী রাখিয়া যাওয়া উত্তম তাহাদিগকে দরিদ্র এবং লোকের কাছে ভিক্ষা করুক এমন অবস্থায় রাখিয়া যাওয়ার চাইতে। তুমি যাহা কিছু আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য খরচ করিবে তাহার বিনিময় পাইবেই, চাই নিজ স্ত্রীর মুখে লোকমা উঠাইয়া দাও না কেন। অতঃপর আমি বলিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আমার সঙ্গীদের পিছনে থাকিয়া যাইব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, যদি তুমি তাহাদের পিছনে পড় এবং নেকী করিতে থাক তবে তোমার সম্মান বুলন্দ হইবে। এমনও হইতে পারে যে, তুমি জীবিত থাকিবে এবং তোমার দ্বারা আল্লাহ্ তা'আলা বহু লোককে উপকৃত করিবেন, আর এক দলের তোমার দ্বারা ক্ষতি হইবে। হে আল্লাহ আমার সাহাবীগণের হিজরত পূর্ণ কর এবং তাহাদিগকে পশ্চাদপসরণ করিও না। কিন্তু বেচারা সা’আদ ইবন খাওলা যাহার জন্য রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্তর ব্যথিত হইয়াছিল, কেননা তিনি মক্কায় ইন্তিকাল করিয়াছিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কাহারও জন্য এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তির ওসীয়্যত করিয়া যায় এবং ইহাও বলে যে, আমার অমুক গোলাম অমুকের খেদমত আজীবন করিবে, অতঃপর সে আযাদ। তাহার পর যদি গোলামের মূল্য সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ হয় তবে গোলামের খেদমত গ্রহণ করা হইবে এবং গোলামের ভাগ বন্টন করা হইবে; যাহার জন্য সম্পদের ওসীয়াত করা হইয়াছে তাহার হিস্যা হইবে এবং যাহার জন্য খেদমত করার ওসীয়াত করা হইয়াছে তাহারও হিস্য খেদমতের মূল্য অনুযায়ী হইবে এবং এই দুইজন লোকই ঐ গোলামের কামাই ও খেদমত হইতে নিজ হিস্যা প্রাপ্ত হইবে। যখন ঐ ব্যক্তি মারা যাইবে যাহার খেদমতের কথা বলা হইয়াছে, তখন গোলাম আযাদ হইয়া যাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কয়েক ব্যক্তির নাম লইয়া বলে যে, অমুককে এত অমুককে এত দিবার ওসীয়্যত করিলাম; অতঃপর তাহার ওয়ারিসগণ বলে যে, ওসীয়্যত এক-তৃতীয়াংশের চাইতে অধিক হইয়াছে তবে ওয়ারিসগণের ইখতিয়ার হইবে, হয় তাহারা ওসীয়াত যাহাদেরকে করা হইয়াছে তাহাদের প্রত্যেককেই ঐ পরিমাণ বিনিময় দেবে এবং পূর্ণ সম্পদ নিজেরা লইয়া লইবে অথবা তাহাদিগকে এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ দিয়া দেবে যেন তাহারা বন্টন করিয়া লইতে পারে।
রেওয়ায়ত ৫. হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, এক নপুংসক ব্যক্তি উম্মুল মু'মিনীন উম্মু সালমার নিকট বসা ছিল। সে আবদুল্লাহ্ ইবন আবু উমাইয়াকে বলিতেছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাহার কথা শুনিতেছিলেন; যদি আল্লাহ্ তা'আলা তায়েফে তোমাদিগকে বিজয়ী করেন আগামীকাল, তবে তুমি গাইলানের মেয়েকে নিশ্চয় গ্রহণ করিবে। কারণ যখন সে সম্মুখ দিয়া আসে তখন তাহার পেটে চারিটি (ভাজ) থাকে আর যখন প্রস্থান করে তখন আটটি ভাজ লইয়া প্রস্থান করে। (শুনিয়া) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ এই সকল লোক যেন তোমাদের নিকট আর না আসে।
حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان مخنثا، كان عند ام سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم . فقال لعبد الله بن ابي امية ورسول الله صلى الله عليه وسلم يسمع يا عبد الله ان فتح الله عليكم الطايف غدا فانا ادلك على ابنة غيلان فانها تقبل باربع وتدبر بثمان . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يدخلن هولاء عليكم
রেওয়ায়ত ৬. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, একজন আনসারী মেয়েলোক উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন। তাহার গর্ভে একটি ছেলে সন্তান জন্মিল। তাহার নাম আসিম রাখা হইয়াছিল। ইত্যবসরে উমর (রাঃ) ঐ স্ত্রীকে তালাক দিলেন। একদা উমর (রাঃ) মসজিদে কুবার বারান্দায় এ সন্তানকে অন্যান্য ছেলের সহিত খেলাধুলা করিতে দেখিতে পাইলেন এবং তাহাকে স্বীয় সাওয়ারীতে বসাইয়া লইলেন। আসিমের মাতামহী (নানী) তাহা দেখিয়া উমরকে বাঁধা দিলেন এবং তাহার সঙ্গে ঝগড়া করিতে লাগিলেন। অতঃপর উভয়ে আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আসিয়া সন্তানের দাবি জানাইলেন। আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) বলিলেনঃ সন্তানটিকে উভয়ের মধ্যে ছাড়িয়া দাও (সে যাহাকে গ্রহণ করে তাহারই হইবে)। উমর (রাঃ) ইহাতে চুপ হইয়া গেলেন।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، انه قال سمعت القاسم بن محمد، يقول كانت عند عمر بن الخطاب امراة من الانصار فولدت له عاصم بن عمر ثم انه فارقها فجاء عمر قباء فوجد ابنه عاصما يلعب بفناء المسجد فاخذ بعضده فوضعه بين يديه على الدابة فادركته جدة الغلام فنازعته اياه حتى اتيا ابا بكر الصديق فقال عمر ابني . وقالت المراة ابني . فقال ابو بكر خل بينها وبينه . قال فما راجعه عمر الكلام . قال وسمعت مالكا يقول وهذا الامر الذي اخذ به في ذلك
রেওয়ায়ত ৭. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ হইতে বর্ণিত, আবু দারদা (রাঃ) সালমান ফার্সী (রাঃ)-এর নিকট লিখিয়াছেন যে, পবিত্র ভূমিতে চলিয়া আস। উত্তরে সালমান লিখিলেন, ভূমি কাহাকেও পবিত্র করিতে সক্ষম নয়, বরং মানুষকে তাহার আমলই পবিত্র করে। শুনিতে পাইলাম, তোমাকে ডাক্তার (বিচারপতি) নিযুক্ত করা হইয়াছে এবং মানুষকে ঔষধপত্র দিয়া চিকিৎসা করিয়া থাক, যদি তুমি চিকিৎসাশাস্ত্র শিখিয়া তাহা করিয়া থাক এবং ইহাতে রোগ নিরাময় হয় তবে তাহা উত্তম। আর যদি চিকিৎসাশাস্ত্রের জ্ঞান লাভ না করিয়া তুমি চিকিৎসক সাজিয়া থাক তবে সাবধান ও সতর্ক হও— এমন না হয় যে, তোমার ভুল সিদ্ধান্তের দ্বারা মানুষকে মারিয়া ফেলিবে, ফলে তুমি দোযখে প্রবেশ করিবে। অতঃপর তিনি যখন কোন দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা করিতেন এবং উভয়ে চলিয়া যাইতে শুরু করিলে তখন উভয়কে বলিতেন, তোমরা পুনরায় তোমাদের ঘটনা বর্ণনা কর, আমি আবার বিবেচনা করি। কারণ আমি তো তোমাদের মূল উদ্দেশ্য জানি না, কেবল শুনিয়া চিকিৎসা করি।[1] মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ অন্যের গোলামকে মালিকের অনুমতি ব্যতীত কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিযুক্ত করে এবং সেই কাজ পারিশ্রমিকযোগ্য, তদ্বারা হয় তবে গোলামের কোন ক্ষতি হইলে, কর্মে নিয়োগকারীকে ইহার ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে। আর ক্রীতদাস অক্ষত অবস্থায় কর্ম সম্পাদন করিলে এবং তাহার কর্তা পারিশ্রমিক দাবি করিলে তবে পারিশ্রমিক কর্তার প্রাপ্য হইবে, ইহাই আমাদের ফয়সালা। মালিক (রহঃ) বলেনঃ গোলামের কিছু অংশ যদি স্বাধীন এবং কিছু অংশ পরাধীন থাকে তবে গোলামের মাল তাহার হাতেই থাকিবে, তাহা সে কোন নুতন কাজে ব্যয় করিতে পারিবে না। কেবল নিজের ভরণপোষণে নিয়ম মুতাবিক ব্যয় করবে। তাহার মৃত্যুর পর যাহা অবশিষ্ট থাকে তাহা যে মালিক তাহার অংশ আযাদ করে নাই সে পাইবে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের ফায়সালা হইল, যে দিন সন্তান ধনবান হইয়া যায়, পিতা ইচ্ছা করেন যে, যাহা তাহার প্রতি খরচ করা হইয়াছে তাহা ফেরত লইবে, তবে যেদিন হইতে তাহার জন্য খরচ করা হইয়াছে সেইদিন হইতে হিসাব করিয়া খরচ আদায় করিয়া লইবে, মাল নগদ অর্থই হউক বা অন্য কোন বস্তু হউক।
حدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، ان ابا الدرداء، كتب الى سلمان الفارسي ان هلم الى الارض المقدسة فكتب اليه سلمان ان الارض لا تقدس احدا وانما يقدس الانسان عمله وقد بلغني انك جعلت طبيبا تداوي فان كنت تبري فنعما لك وان كنت متطببا فاحذر ان تقتل انسانا فتدخل النار . فكان ابو الدرداء اذا قضى بين اثنين ثم ادبرا عنه نظر اليهما وقال ارجعا الى اعيدا على قصتكما متطبب والله . قال وسمعت مالكا يقول من استعان عبدا بغير اذن سيده في شىء له بال ولمثله اجارة فهو ضامن لما اصاب العبد ان اصيب العبد بشىء وان سلم العبد فطلب سيده اجارته لما عمل فذلك لسيده وهو الامر عندنا . قال وسمعت مالكا يقول في العبد يكون بعضه حرا وبعضه مسترقا انه يوقف ماله بيده وليس له ان يحدث فيه شييا ولكنه ياكل فيه ويكتسي بالمعروف فاذا هلك فماله للذي بقي له فيه الرق . قال وسمعت مالكا يقول الامر عندنا ان الوالد يحاسب ولده بما انفق عليه من يوم يكون للولد مال - ناضا كان او عرضا - ان اراد الوالد ذلك
রেওয়ায়ত ৮. আমর ইবন আবদির রহমান ইবন দালাক মুযামী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, জুহাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি (উসাইফ) সকল হাজীর পূর্বে যাইয়া ভাল ভাল উট উচ্চমূল্যে খরিদ করিয়া লইত এবং তাড়াতাড়ি মক্কা যাইয়া পৌছিত। এক সময় সে গরীব হইয়া পড়িল। পাওনাদারগণ স্বীয় টাকা আদায়ের জন্য উমর (রাঃ) ইবন খাত্তাবের নিকট বিচার প্রার্থী হইল। উমর (রাঃ) হামদ ও সালাত পাঠ করার পর সকলকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন উসাইফা “জুহাইনা গোত্রের উসাইফা” টাকা কৰ্জ করিয়াছিল এবং আমানত হস্তক্ষেপ করিয়াছিল। এজন্য যে লোক তাহাকে বলিবে, উসাইফা সকলের পূর্বে মক্কা পৌছিয়াছে। তোমরা জানিয়া রাখ, সে কর্জ করিয়া তাহা আদায় করার মনোবৃত্তি রাখে নাই। বর্তমানে সে দরিদ্র হইয়া পড়িয়াছে, অথচ কর্জ তাহার সমুদয় মাল গ্রাস করিয়া ফেলিয়াছে। পাওনাদারগণ আগামীকল্য সকালে আমার নিকট উপস্থিত হইবে। আমি তাহার মাল সকল পাওনাদারকে বন্টন করিয়া দিব। তোমরা কর্জ লইতে হুঁশিয়ার থাকিও। কেননা, কর্জের প্রারম্ভ হইতেছে দুশ্চিন্তা, পরিশেষ হইতেছে কলহ-বিবাদ।
وحدثني مالك، عن عمر بن عبد الرحمن بن دلاف المزني، عن ابيه، ان رجلا، من جهينة كان يسبق الحاج فيشتري الرواحل فيغلي بها ثم يسرع السير فيسبق الحاج فافلس فرفع امره الى عمر بن الخطاب فقال اما بعد ايها الناس فان الاسيفع اسيفع جهينة رضي من دينه وامانته بان يقال سبق الحاج الا وانه قد دان معرضا فاصبح قد رين به فمن كان له عليه دين فلياتنا بالغداة نقسم ماله بينهم واياكم والدين فان اوله هم واخره حرب
রেওয়ায়ত ৯. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উসমান (রাঃ) ইবন আফফান বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে কোন বস্তু দান করে, যে সন্তান এখনও উহা গ্রহণ করার উপযুক্ত হয় নাই এবং এই দানের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করিয়া দেয় এবং উহাতে সাক্ষী নিযুক্ত করে তবে ইহা জায়েয হইবে যদিও তাহার অভিভাবক পিতা থাকেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিয়ম মতে যদি কোন ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য দান করে, অতঃপর তাহার সন্তান মারা যায় এবং পিতাই অভিভাবক থাকে তবে ঐ মাল সন্তানের হইবে না বরং পিতারই থাকিবে। হ্যাঁ, যদি পিতা সেই মাল পৃথক করিয়া দিয়া থাকে কিংবা কাহারও নিকট আমানত রাখিয়া থাকে তবে তাহা সন্তানের বলিয়া সাব্যস্ত হইবে।
حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، ان عثمان بن عفان، قال من نحل ولدا له صغيرا لم يبلغ ان يحوز نحله فاعلن ذلك له واشهد عليها فهي جايزة وان وليها ابوه . قال مالك الامر عندنا ان من نحل ابنا له صغيرا ذهبا او ورقا ثم هلك وهو يليه انه لا شىء للابن من ذلك الا ان يكون الاب عزلها بعينها او دفعها الى رجل وضعها لابنه عند ذلك الرجل فان فعل ذلك فهو جايز للابن
حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن عامر بن سعد بن ابي وقاص، عن ابيه، انه قال جاءني رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني عام حجة الوداع من وجع اشتد بي فقلت يا رسول الله قد بلغ بي من الوجع ما ترى وانا ذو مال ولا يرثني الا ابنة لي افاتصدق بثلثى مالي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا " . فقلت فالشطر قال " لا " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الثلث والثلث كثير انك ان تذر ورثتك اغنياء خير من ان تذرهم عالة يتكففون الناس وانك لن تنفق نفقة تبتغي بها وجه الله الا اجرت حتى ما تجعل في في امراتك " . قال فقلت يا رسول الله ااخلف بعد اصحابي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انك لن تخلف فتعمل عملا صالحا الا ازددت به درجة ورفعة ولعلك ان تخلف حتى ينتفع بك اقوام ويضر بك اخرون اللهم امض لاصحابي هجرتهم ولا تردهم على اعقابهم لكن البايس سعد ابن خولة يرثي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ان مات بمكة