Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) ও আবু সালমা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ জিনিসের মধ্যে শুফ'আর ফায়সালা করিয়াছেন যাহা শরীকদারদের মধ্যে বন্টন হয় নাই। সুতরাং যখন তাহদের মধ্যে সীমা নির্ধারিত হইয়া যাইবে তখন আর তাহাতে শুফ’আ চলিবে না। মালিক (রহঃ) বলেন, এই মাসআলাতে কোন মতবিরোধ নাই এবং আমার মতও ইহাই।
حدثنا يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، وعن ابي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالشفعة فيما لم يقسم بين الشركاء فاذا وقعت الحدود بينهم فلا شفعة فيه
রেওয়ায়ত ২. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছিল শুফ’আ সম্বন্ধে, উহার কি কোন নিয়ম আছে? উত্তরে তিনি বলিলেন, শুফ’আ ঘর ও জমির মধ্যে হয় এবং একমাত্র শরীকদারগণই তাহা পায়।
قال مالك انه بلغه ان سعيد بن المسيب سيل عن الشفعة هل فيها من سنة فقال نعم الشفعة في الدور والارضين ولا تكون الا بين الشركاء
রেওয়ায়ত ৩. মালিক (রহঃ) বলেনঃ সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতেও এইরূপ বর্ণিত আছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন ব্যক্তি কয়েকজন একযোগে মালিক এমন কোন জমির এক অংশ কোন জন্তু অথবা গোলামের পরিবর্তে কিংবা এই ধরনের কোন মালের (যেমন জিনিসপত্র) পরিবর্তে খরিদ করে, অতঃপর শরীকদার নিজ শুফ’আ নেওয়ার জন্য আসে কিন্তু এই সময়ে ঐ গোলাম অথবা দাসী মারা গিয়া থাকে এবং তাহাদের মূল্য কত ছিল কেহ জানে না। কিন্তু খরিদ্দার বলে যে, তাহার মূল্য একশত দীনার ছিল এবং শুফ’আ দাবিদার পঞ্চাশ দীনার বলে, তবে খরিদ্দার হইতে এই ব্যাপারে কসম (শপথ) গ্রহণ করা হইবে যে, উহার মূল্য একশত দীনার ছিল। তাহার পর শুফ’আ দাবিদারের ইচ্ছা হইলে উহা গ্রহণও করিতে পারে অথবা দাবি ছাড়িয়াও দিতে পারবে। কিন্তু যদি শুফআর দাবিদার তাহার দাবির সপক্ষে প্রমাণ করে যে, উক্ত দাস দাসীর মূল্য খরিদ্দার যাহা বলে তাহা হইতে কম ছিল, তবে তাহার কথা মানিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ একযোগে কয়েক ব্যক্তি মালিক এমন ঘর অথবা জমির নিজ অংশ দান করিয়া দেয় কিন্তু যাহাকে দান করা হইয়াছে সে দানকারীকে তাহার মূল্য দিয়া দেয়, তবে শুফআর দাবি করার অধিকার শরীকদারদের থাকিবে এবং গ্রহীতাকে টাকা-পয়সা ফেরত দিয়া তাহা লইবার ইখতিয়ার শরীকদারদের থাকিবে, দীনার অথবা দিরহাম যাহা দিয়া হউক মূল্য শোধ করিবে। মালিক (রহঃ) বলেন যে, যদি কেহ তাহার সঙ্গে অন্যেরাও মালিক এমন ঘর অথবা জমি হেবা (দান) করে এবং এখনও কোন বিনিময় গ্রহণ করে নাই এবং বিনিময় তলবও করে নাই, এমন সময় শরীকদার যদি চাহে যে, উহার বিনিময় দিয়া দখল করিবে তবে উহার বিনিময় প্রদান না করিয়া দখল করা জায়েয হইবে না। যদি বিনিময় দিয়া দেয় তবে উহা শুফ’আ দাবিকারীর জন্য বৈধ হইবে এই শর্তে যে, পূর্ণ মূল্য সে দিয়া দিবে ও দখল লইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে কেহ যদি শরীকী জমির এক ভাগ বাকী খরিদ করে, অতঃপর শরীকদারদের কেহ যদি শুফআর দাবি করে যদি সে ধনী হয় তবে ঐ মূল্যেই এবং ঐ ওয়াদা অনুযায়ী নিবে, আর যদি দরিদ্র হয় যে, ঐ মূল্য ওয়াদা অনুযায়ী দিতে পারিবে না তবে কোন একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ, যে খরিদ্দারের সমতুল্য, জামিন হইলে লইতে পারিবে। মালিক (রহঃ) বলেন যে, শুফ'আর দাবিদার যদি জমির বেচাকেনার সময় অনুপস্থিত থাকে তবে তাহার শুফ'আর অধিকার বাতিল হইবে না, যদিও সে অনেক দিন গায়েব থাকে। আর গায়েব থাকার কোন সীমা আমাদের নিকট নাই যে, এতদিন গায়েব থাকিলে শুফ'আর অধিকার থাকিবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তির কয়েকজন সন্তান কোন জমির ওয়ারিসসূত্রে মালিক হইল, তাহার পর তাহাদের কাহারও সন্তান জন্ম হওয়ার পর সে মারা গেল এবং তাহার এক সন্তান মৃত পিতার প্রাপ্য অংশ বিক্রয় করিতে চাহে, তবে বিক্রেতার ভাই তাহার চাচার চাইতে শুফ'আর অধিকার বেশি রাখে। মালিক (রহঃ) বলেন যে, আমাদের নিকটও হুকুম অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি শুফআর শরীকদারদের মধ্যে কয়েকজন দাবি করে তবে বিক্রীত সম্পদ হইতে প্রত্যেকে হিস্যা অনুযায়ী লইবে। যদি কম হয় কমই নেবে আর বেশি হইলে বেশিই নেবে। ইহা তখনই করিবে যখন তাহাদের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে, অথবা একজন তাহার সঙ্গীর নিকট হইতে তাহার হিস্যা খরিদ করিয়া কোন শরীকদারকে বলিবে যে, আমি আমার হিস্যা পরিমাণ শুফ’আ লইব। অতঃপর খরিদ্দার বলিবে যে, তুমি যদি চাহ তবে সবটুকুরই শুফ’আ লইয়া যাও, আমি তোমাকে সবই দিয়া দিতেছি। কিংবা শুফআর দাবিও পরিহার কর। এই অবস্থায় শুক'আর দাবিদারের উচিত পূর্ণ হিস্যা খরিদ্দার হইতে খরিদ করিয়া লওয়া অথবা শুফ'আর দাবি পরিত্যাগ করা। যদি পূর্ণ নিতে চায় তবে সে বেশি হকদার, অন্যথায় সে হকদার হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি কিছু জমি খরিদ করিল, অতঃপর উহা আবাদ করিল ও উহাতে ঘর নির্মাণ করিল অথবা কূপ খনন করিল। তাহার পর এক ব্যক্তি আসিয়া হক দাবি করিল এবং শুফআর মাধ্যমে উহা নেওয়ার ইচ্ছা করিল, তবে তাহার শুফ’আ দাবির কোন অধিকার নাই যতক্ষণ বানানো ঘর অথবা কূপ খননের মূল্য আদায় না করে। যদি উহার মূল্য আদায় করিয়া দেয় তবে তাহার শুফআর দাবি গ্রাহ্য হইবে। অন্যথায় তাহার কোন শুফ'আর দাবি চলিবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি শরীকের ঘর অথবা জমি বিক্রয় করিয়া জানিতে পারিল যে, শুফআর দাবিদার শুফ’আ দাবি করবে। তাই ক্রেতা মূল্যের ব্যাপারে মিথ্যার আশ্রয় লইতে চাহিল এবং বিক্রেতাও তাহাই করিল। তাহাতে শুফ'আর দাবিদারের শুফ’আ নষ্ট হইবে না। এই ব্যাপারে শুফ'আর দাবিদারই শুফআর অধিকারী, যে মূল্যে বিক্রয় করিয়াছে তাহা আদায় করার পর। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ শরীকী ঘর অথবা জমির এক অংশ ও ১টি জন্তু এবং কিছু জিনিসপত্র একই বৈঠকে আফদে (দাম) খরিদ করে, অতঃপর শুফ’আ দাবিকারীর শুফ’আ দাবি করে, শুধু ঘরে অথবা জমিতে, কিন্তু খরিদ্দার বলে যে, আমি যাহা খরিদ করিয়াছি সকলই নিয়া যাও, কারণ আমি সবই খরিদ করিয়াছি। তখন শুফআর দাবিদার জমি ও ঘরেরই শুফ'আ লইবে, তাহার হিস্যা যতদূর আসে। তখন ঐ পূর্বের মূল্যের হিসাবে প্রত্যেকটি জিনিসের মূল্য ধরিতে হইবে পৃথকভাবে। অতঃপর শুফ'আ লইয়া যাইবে ঐ খরিদকৃত আসল দামের হিসাবে, যাহা হয় তাহা দিয়া। জন্তু ও জিনিসপত্র কোনটাই নেবে না, কিন্তু সে যদি ইচ্ছা করিয়া সবগুলি লইয়া যায় তবে উহাও জায়েয। মালিক (রহঃ) বলেনঃ শরীকী জমির এক অংশ কেহ বিক্রয় করিল, অতঃপর যাহাদের শুফ'আর অধিকার আছে তাহদের কেহ খরিদ্দারের পক্ষে দাবি প্রত্যাখ্যান করিল কিন্তু তাহাদের আর কেহ তাহা দাবি করিয়া বসিল, এই অবস্থায় খরিদ্দারের পূর্ণ অংশ তাহার নিতে হইবে। ইহা হইবে না যে, সে তাহার ভাগের অংশই নিবে এবং বাকী অংশ ছাড়িয়া দিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি অনেকেই মালিক এমন একটি ঘরের কোন এক শরীক তাহার অংশ বিক্রয় করিল। একজন শরীকদার ছাড়া আর সকলেই অনুপস্থিত। অতঃপর সেই উপস্থিত শরীকদারকে এই মর্মে জিজ্ঞাসা করা হইবে যে, শুফ'আর দাবিতে আপনি ইহা লইয়া যান অথবা ছাড়িয়া দেন; সে বলিল, আমি আমার অংশ নিতেছি, এবং শরীকদারদের অংশ ছাড়িয়া দিতেছি, তাহারা হাযির হওয়ার পর যদি তাহাদের অংশ তাহারা নেয় তবে তো ভাল, না হয় আমি সবটুকু লইব। এই পন্থা জায়েয নহে, হয়ত সে পূর্ণ হিস্যা নেবে, না হয় পূর্ণ দাবি ছাড়িয়া দেবে। অতঃপর যদি অন্যান্য শরীকদার আসে তবে তাহার নিকট হইতে তাহারা অংশ লইবে অথবা ছাড়িয়া দেবে। আর উক্ত ব্যক্তি যদি তাহা গ্রহণই না করে তবে তাহার আর শুফ'আরর অধিকার থাকিবে না।
রেওয়ায়ত ৪. উসমান ইবন আফফান (রাঃ) বলেন যে, জমির সীমানা নির্ধারিত হইয়া গেলে তখন আর উহাতে শুফ'আ চলে না এবং কূপের মধ্যেও শুফ’আ চলে না, আর চলিবে না নর খেজুর গাছেও। মালিক (রহঃ) বলেন যে, আমাদের নিকট এই হুকুমই গ্রহণযোগ্য। মালিক (রহঃ) বলেনঃ পথের মধ্যে শুফ'আ চলিবে না, তাহা বন্টনের যোগ্য হউক অথবা বন্টনের যোগ্য নাই হউক। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছে ঘরের বারান্দায়ও শুফ'আ চলিবে না, তাহা বন্টনের উপযোগী হউক বা না হউক। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ অনেকে মালিক এমন কোন জমির কোন অংশ খেয়ারের শর্তে খরিদ করে এবং বিক্রেতার শরীকদারগণ ইচ্ছা করিল যে, তাহাদের শরীকদার যাহা বিক্রয় করিয়াছে তাহা শুফআর মাধ্যমে লইয়া লইবে, খরিদ্দারের ইখতিয়ার পূর্ণ হইবার পূর্বে এইরূপ ক্ষেত্রে তাহদের জন্য শুফ'আ জায়েয হইবে না। যতক্ষণ খরিদ্দারের খরিদ পাকাপোক্ত না হয়, অতঃপর যদি তাহার খরিদ পাকাপোক্ত হয় তবেই তাহাদের জন্য শুফ’আ জায়েয হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি এক ব্যক্তি একটি জমি খরিদ করিয়া অনেক দিন পর্যন্ত নিজ দখলে রাখে। অতঃপর এক ব্যক্তি আসিয়া তার মীরাসের দাবি করিয়া শুফ'আর অধিকার দাবি করিল। যদি তাহার মীরাসের হক প্রমাণিত হয় তবে তাহার জন্য শুফআর দাবি থাকিবে। এই সময় যাহা উৎপন্ন হইয়াছে তাহা খরিদ্দারের থাকিবে, যে দিন হইতে দ্বিতীয় জনের হক প্রতিষ্ঠিত হয় সেই দিন পর্যন্ত। কেননা যদি জমি বন্যায় নষ্ট হইয়া যাইত তবে সে তাহারই অধীনে থাকিত। আর যদি অনেক দিন চলিয়া যায় অথবা সাক্ষী কিংবা বিক্রেতা ও ক্রেতা মরিয়া যায় অথবা তাহারা জীবিতই, কিন্তু বেচাকেনার মূল্য অনেক দিন অতিবাহিত হওয়ার কারণে ভুলিয়া গিয়াছে এই অবস্থায় তাহার শুফ’আ চলিবে না। কিন্তু তাহার (মীরাসের) হক পাইবে যাহা প্রমাণিত হয়। আর যদি ব্যাপার অন্য রকম হয় যেমন বেশি দিন অতিবাহিত হয় নাই কিন্তু বিক্রেতা বিক্রয়কে এইজন্য গোপন করিতেছে যেন প্রতিবেশী শুফ'আর দাবি না করিতে পারে; তবে আসল জমির দাম যাচাই করিয়া দেখিতে হইবে, তাহার দাম কত। অতঃপর জমি যদি আরো বাড়িয়া থাকে - যেমন ঘরবাড়ি বাগ-বাগিচা তবে তাহার মূল্য আদায় করিয়া প্রতিবেশী শুফ'আর দাবিতে লইয়া লইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ জীবিতদের সম্পত্তির নয়, মৃত ব্যক্তিদের সম্পত্তিতেও শুফ’আ চলিবে। কিন্তু যদি অংশীদাররা অংশ বন্টন করিয়া নেয় এবং বিক্রয় করিয়া ফেলে তবে আর শুফ'আ চলিবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে গোলাম, বাদী, উট, গরু, বকরী ও জীব-জন্তুতে এবং কাপড়-চোপড় ও কূপে যাহার আশেপাশে জমি নাই শুফআর দাবি চলিবে না, কেননা শুফ’আ তো ঐখানেই হইয়া থাকে যেখানে সীমানা নির্ধারিত করা যায়। সুতরাং যেখানে ভাগবাটোয়ারা চলে না সেখানে শুফ আও চলিবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ এমন জমি খরিদ করে যেখানে মানুষের শুফ’আর অধিকার চলে, তবে তাহার উচিত সে যেন সমস্ত প্রতিবেশীকে বিচারকের নিকট লইয়া যায় এবং বলে যে, হয়তো তোমরা লইয়া যাও অথবা শুফ'আর দাবি পরিত্যাগ কর। আর সে যদি সকল প্রতিবেশীকে লইয়া যায় নাই কিন্তু বেচাকেনার বিষয় (সময় মতো) সকল প্রতিবেশীই খবর পাইয়াছিল এবং এতদসত্ত্বেও অনেক দিন পর্যন্ত শুফআর দাবি করে নাই, অতঃপর শুফ'আর দাবি করিলে তাহাদের দাবি অগ্রাহ্য হইবে।
وحدثني مالك، انه بلغه عن سليمان بن يسار، مثل ذلك . قال مالك في رجل اشترى شقصا مع قوم في ارض بحيوان عبد او وليدة او ما اشبه ذلك من العروض فجاء الشريك ياخذ بشفعته بعد ذلك فوجد العبد او الوليدة قد هلكا ولم يعلم احد قدر قيمتهما فيقول المشتري قيمة العبد او الوليدة ماية دينار ويقول صاحب الشفعة الشريك بل قيمتهما خمسون دينارا . قال مالك يحلف المشتري ان قيمة ما اشترى به ماية دينار ثم ان شاء ان ياخذ صاحب الشفعة اخذ او يترك الا ان ياتي الشفيع ببينة ان قيمة العبد او الوليدة دون ما قال المشتري . قال مالك من وهب شقصا في دار او ارض مشتركة فاثابه الموهوب له بها نقدا او عرضا فان الشركاء ياخذونها بالشفعة ان شاءوا ويدفعون الى الموهوب له قيمة مثوبته دنانير او دراهم . قال مالك من وهب هبة في دار او ارض مشتركة فلم يثب منها ولم يطلبها فاراد شريكه ان ياخذها بقيمتها فليس ذلك له ما لم يثب عليها فان اثيب فهو للشفيع بقيمة الثواب . قال مالك في رجل اشترى شقصا في ارض مشتركة بثمن الى اجل فاراد الشريك ان ياخذها بالشفعة . قال مالك ان كان مليا فله الشفعة بذلك الثمن الى ذلك الاجل وان كان مخوفا ان لا يودي الثمن الى ذلك الاجل فاذا جاءهم بحميل ملي ثقة مثل الذي اشترى منه الشقص في الارض المشتركة فذلك له . قال مالك لا تقطع شفعة الغايب غيبته وان طالت غيبته وليس لذلك عندنا حد تقطع اليه الشفعة . قال مالك في الرجل يورث الارض نفرا من ولده ثم يولد لاحد النفر ثم يهلك الاب فيبيع احد ولد الميت حقه في تلك الارض فان اخا البايع احق بشفعته من عمومته شركاء ابيه . قال مالك وهذا الامر عندنا . قال مالك الشفعة بين الشركاء على قدر حصصهم ياخذ كل انسان منهم بقدر نصيبه ان كان قليلا فقليلا وان كان كثيرا فبقدره وذلك ان تشاحوا فيها . قال مالك فاما ان يشتري رجل من رجل من شركايه حقه فيقول احد الشركاء انا اخذ من الشفعة بقدر حصتي . ويقول المشتري ان شيت ان تاخذ الشفعة كلها اسلمتها اليك وان شيت ان تدع فدع فان المشتري اذا خيره في هذا واسلمه اليه فليس للشفيع الا ان ياخذ الشفعة كلها او يسلمها اليه فان اخذها فهو احق بها والا فلا شىء له . قال مالك في الرجل يشتري الارض فيعمرها بالاصل يضعه فيها او البير يحفرها ثم ياتي رجل فيدرك فيها حقا فيريد ان ياخذها بالشفعة انه لا شفعة له فيها الا ان يعطيه قيمة ما عمر فان اعطاه قيمة ما عمر كان احق بالشفعة والا فلا حق له فيها . قال مالك من باع حصته من ارض او دار مشتركة فلما علم ان صاحب الشفعة ياخذ بالشفعة استقال المشتري فاقاله . قال ليس ذلك له والشفيع احق بها بالثمن الذي كان باعها به . قال مالك من اشترى شقصا في دار او ارض وحيوانا وعروضا في صفقة واحدة فطلب الشفيع شفعته في الدار او الارض فقال المشتري خذ ما اشتريت جميعا فاني انما اشتريته جميعا . قال مالك بل ياخذ الشفيع شفعته في الدار او الارض بحصتها من ذلك الثمن يقام كل شىء اشتراه من ذلك على حدته على الثمن الذي اشتراه به ثم ياخذ الشفيع شفعته بالذي يصيبها من القيمة من راس الثمن ولا ياخذ من الحيوان والعروض شييا الا ان يشاء ذلك . قال مالك ومن باع شقصا من ارض مشتركة فسلم بعض من له فيها الشفعة للبايع وابى بعضهم الا ان ياخذ بشفعته ان من ابى ان يسلم ياخذ بالشفعة كلها وليس له ان ياخذ بقدر حقه ويترك ما بقي . قال مالك في نفر شركاء في دار واحدة فباع احدهم حصته وشركاوه غيب كلهم الا رجلا فعرض على الحاضر ان ياخذ بالشفعة او يترك . فقال انا اخذ بحصتي واترك حصص شركايي حتى يقدموا فان اخذوا فذلك وان تركوا اخذت جميع الشفعة . قال مالك ليس له الا ان ياخذ ذلك كله او يترك فان جاء شركاوه اخذوا منه او تركوا ان شاءوا فاذا عرض هذا عليه فلم يقبله فلا ارى له شفعة
قال يحيى قال مالك عن محمد بن عمارة، عن ابي بكر بن حزم، ان عثمان بن عفان، قال اذا وقعت الحدود في الارض فلا شفعة فيها ولا شفعة في بير ولا في فحل النخل . قال مالك وعلى هذا الامر عندنا . قال مالك ولا شفعة في طريق صلح القسم فيها او لم يصلح . قال مالك والامر عندنا انه لا شفعة في عرصة دار صلح القسم فيها او لم يصلح . قال مالك في رجل اشترى شقصا من ارض مشتركة على انه فيها بالخيار فاراد شركاء البايع ان ياخذوا ما باع شريكهم بالشفعة قبل ان يختار المشتري ان ذلك لا يكون لهم حتى ياخذ المشتري ويثبت له البيع فاذا وجب له البيع فلهم الشفعة . وقال مالك في الرجل يشتري ارضا فتمكث في يديه حينا ثم ياتي رجل فيدرك فيها حقا بميراث ان له الشفعة ان ثبت حقه وان ما اغلت الارض من غلة فهي للمشتري الاول الى يوم يثبت حق الاخر لانه قد كان ضمنها لو هلك ما كان فيها من غراس او ذهب به سيل . قال فان طال الزمان او هلك الشهود او مات البايع او المشتري او هما حيان فنسي اصل البيع والاشتراء لطول الزمان فان الشفعة تنقطع وياخذ حقه الذي ثبت له وان كان امره على غير هذا الوجه في حداثة العهد وقربه وانه يرى ان البايع غيب الثمن واخفاه ليقطع بذلك حق صاحب الشفعة قومت الارض على قدر ما يرى انه ثمنها فيصير ثمنها الى ذلك ثم ينظر الى ما زاد في الارض من بناء او غراس او عمارة فيكون على ما يكون عليه من ابتاع الارض بثمن معلوم ثم بنى فيها وغرس ثم اخذها صاحب الشفعة بعد ذلك . قال مالك والشفعة ثابتة في مال الميت كما هي في مال الحى فان خشي اهل الميت ان ينكسر مال الميت قسموه ثم باعوه فليس عليهم فيه شفعة . قال مالك ولا شفعة عندنا في عبد ولا وليدة ولا بعير ولا بقرة ولا شاة ولا في شىء من الحيوان ولا في ثوب ولا في بير ليس لها بياض انما الشفعة فيما يصلح انه ينقسم وتقع فيه الحدود من الارض فاما ما لا يصلح فيه القسم فلا شفعة فيه . قال مالك ومن اشترى ارضا فيها شفعة لناس حضور فليرفعهم الى السلطان فاما ان يستحقوا واما ان يسلم له السلطان فان تركهم فلم يرفع امرهم الى السلطان وقد علموا باشترايه فتركوا ذلك حتى طال زمانه ثم جاءوا يطلبون شفعتهم فلا ارى ذلك لهم