Loading...

Loading...
বইসমূহ
১২২ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ৯২. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিয়াছেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর মৃত্যু হইলে তাহার ইদ্দত হইতেছে এক হায়য। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) বলিতেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হইলে তাহার ইদ্দত হইবে এক হায়য। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকটও মাস্'আলা এইরূপ। মালিক (রহঃ) বলেন, উম্মে ওয়ালদ-এর যদি ঋতুস্রাব না হয় তবে তাহার ইদ্দত হইবে তিন মাস।
وحدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، انه كان يقول عدة ام الولد اذا توفي عنها سيدها حيضة . قال مالك وهو الامر عندنا . قال مالك وان لم تكن ممن تحيض فعدتها ثلاثة اشهر
রেওয়ায়ত ৯৩. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) তাহারা উভয়ে বলিতেন, ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হইলে তাহার ইদ্দত হইবে দুই মাস ও পাঁচ রাত্রি। মালিক (রহঃ) ইবন শিহাব হইতে অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন।
حدثني يحيى، عن مالك، انه بلغه ان سعيد بن المسيب، وسليمان بن يسار، كانا يقولان عدة الامة اذا هلك عنها زوجها شهران وخمس ليال
রেওয়ায়ত ৯৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ ক্রীতদাস (স্বামী) ক্রীতদাসী (স্ত্রী)-কে এমন তালাক দিল যাহা বাইন নহে এবং উহাতে স্ত্রীর দিকে রুজু করার ইখতিয়ার আছে। তারপর তাহার মৃত্যু ঘটিল এবং স্ত্রী তখন তালাকের ইদ্দত পালন করিতেছে, তবে সে যে ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে তাহার মতো ইদ্দত পালন করিবে, আর ইহা দুই মাস পাঁচ রাত্রি। আর যদি তাহাকে মুক্তি দান করা হয় তাহার স্বামীর রুজু করার ক্ষমতা থাকাবস্থায়, তারপর তাহার স্বামীর মৃত্যুকাল পর্যন্ত সে স্বামী হইতে বিচ্ছেদ গ্রহণ করে নাই এবং সে তখনও তালাকের ইদ্দতে রহিয়াছে, তবে সে (ক্রীতদাসী) আযাদ মহিলার মতো (যাহার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে) চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করিবে। ইহা এইজন্য যে, আযাদ হওয়ার পর তাহার উপর (স্বামীর) ওফাতের ইদ্দত বর্তাইয়াছে। তাই তাহার ইদ্দত হইবে আযাদ স্ত্রীর ইদ্দতের মতো। [মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহাই আমাদের নির্ধারিত মত।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، مثل ذلك . قال مالك في العبد يطلق الامة طلاقا لم يبتها فيه له عليها فيه الرجعة ثم يموت وهي في عدتها من طلاقه انها تعتد عدة الامة المتوفى عنها زوجها شهرين وخمس ليال وانها ان عتقت وله عليها رجعة ثم لم تختر فراقه بعد العتق حتى يموت وهي في عدتها من طلاقه اعتدت عدة الحرة المتوفى عنها زوجها اربعة اشهر وعشرا وذلك انها انما وقعت عليها عدة الوفاة بعد ما عتقت فعدتها عدة الحرة . قال مالك وهذا الامر عندنا
রেওয়ায়ত ৯৫. ইবন মুহায়রিয (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি মসজিদে প্রবেশ করিলাম। আমি (তথায়) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-কে দেখিতে পাইলাম এবং আমি তাহার নিকট বসিলাম ও তাহাকে আযল[1] সম্পর্কে প্রশ্ন করিলাম। (উত্তরে) আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলিলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সহিত ‘বনী মুস্তালিক’ যুদ্ধে বাহির হইলাম। আমরা (সেই যুদ্ধে) কিছু সংখ্যক আরবী যুদ্ধবন্দিনী লাভ করিলাম। (এইদিকে) নারীর প্রতি আমাদের প্রবৃত্তি জাগ্রত হইল, স্ত্রী সংশ্রব হইতে দূরে থাকা আমাদের জন্য কঠিন হইয়া দাঁড়াইল। (অপরদিকে) উহাদের মূল্য পাইতেও আমরা আগ্রহী। তাই আমরা (তাহদের সহিত) আযল করার ইচ্ছা করিলাম। আমরা বলিলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে বিরাজমান; তাহার কাছে জিজ্ঞাসা করার পূর্বে আমরা আযল করিব (ইহা কিরূপে হয়)। আমরা এই বিষয়ে তাহার নিকট প্রশ্ন করিলাম। তিনি বলিলেন, ইহা না করিলে তোমাদের কোন ক্ষতি নাই। কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যত প্রাণীর জন্ম অবধারিত উহা অবশ্যই অস্তিতে আসিবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، انه قال دخلت المسجد فرايت ابا سعيد الخدري فجلست اليه فسالته عن العزل، فقال ابو سعيد الخدري خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فاصبنا سبيا من سبى العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة واحببنا الفداء فاردنا ان نعزل فقلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين اظهرنا قبل ان نساله . فسالناه عن ذلك فقال " ما عليكم ان لا تفعلوا ما من نسمة كاينة الى يوم القيامة الا وهي كاينة
রেওয়ায়ত ৯৬. সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাসের ছেলে আমির ইবন সা'দ বর্ণনা করেন যে, সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) আযল করিতেন ।
وحدثني عن مالك، عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن ابي وقاص، عن ابيه، انه كان يعزل
রেওয়ায়ত ৯৭. আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-এর উম্মে ওয়ালাদ বর্ণনা করেন যে, আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ) আযল করিতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن ابن افلح، مولى ابي ايوب الانصاري عن ام ولد، لابي ايوب الانصاري انه كان يعزل
রেওয়ায়ত ৯৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আযল করিতেন না এবং তিনি উহাকে মাকরূহ তাহরীমা জানিতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه كان لا يعزل وكان يكره العزل
রেওয়ায়ত ৯৯. হাজ্জাজ ইবন আমর ইবন গাযিয়্যা[1] (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবন ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাহার নিকট আসিল এবং বলিল, হে আবূ সাঈদ, আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রহিয়াছে যে, আমার স্ত্রীগণ উহাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নহে।আমার দ্বারা উহাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হউক ইহা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করিতে পারি কি? যায়দ বলিলেন, হে হাজ্জাজ; তুমি ফতোয়া দাও; আমি বলিলাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার নিকট ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বলিলেনঃ হে হাজ্জাজ। ফতোয়া বলিয়া দাও। হাজ্জাজ বলিলেনঃ তারপর আমি বলিলাম-উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুষ্ক করিয়া রাখ। তিনি বলেন, আমি ইহা যায়দ হইতে শুনিয়াছি। অতঃপর যায়দ বলিলেন, (হাজ্জাজ) সত্য বলিয়াছে।
وحدثني عن مالك، عن ضمرة بن سعيد المازني، عن الحجاج بن عمرو بن غزية، انه كان جالسا عند زيد بن ثابت فجاءه ابن قهد - رجل من اهل اليمن - فقال يا ابا سعيد ان عندي جواري لي ليس نسايي اللاتي اكن باعجب الى منهن وليس كلهن يعجبني ان تحمل مني افاعزل فقال زيد بن ثابت افته يا حجاج . قال فقلت يغفر الله لك انما نجلس عندك لنتعلم منك . قال افته . قال فقلت هو حرثك ان شيت سقيته وان شيت اعطشته . قال وكنت اسمع ذلك من زيد فقال زيد صدق
রেওয়ায়ত ১০০. যকীফ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল আযল সম্পর্কে। তিনি তাহার জনৈকা দাসীকে ডাকিয়া বলিলেন-ইহাদিগকে বাতলাইয়া দাও। দাসী লজ্জাবোধ করিল। ইবন আব্বাস বলিলেনঃ ইহা তাহাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও উহা করিয়া থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তাহার অনুমতি ছাড়া উহার সহিত আযল করাতে কোন দোষ নাই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করিলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সহিত আযল করিবে না।
وحدثني عن مالك، عن حميد بن قيس المكي، عن رجل، يقال له ذفيف انه قال سيل ابن عباس عن العزل فدعا جارية له فقال اخبريهم . فكانها استحيت . فقال هو ذلك اما انا فافعله . يعني انه يعزل . قال مالك لا يعزل الرجل عن المراة الحرة الا باذنها ولا باس ان يعزل عن امته بغير اذنها ومن كانت تحته امة قوم فلا يعزل الا باذنهم
রেওয়ায়ত ১০১. যয়নাব বিনত আবু সালমা (রহঃ) নাফি' (রহঃ)-এর নিকট তিনটি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে হাবীব (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করিলাম, যখন তাহার পিতা আবু সুফিয়ান ইবন হারব (রাঃ) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি হলুদ বর্ণের কিছু সুগন্ধি চাহিলেন। খুলুক [পাঁচ মিশালী খোশবু যাহাতে কয়েক প্রকারের সুগন্ধি দ্রব্যের সংমিশ্রণ রহিয়াছে যাফরান উহাদের অন্যতম] ছিল বা অন্য কোন সুগন্ধি। তিনি উহা তাহার বাদীকে লাগাইলেন। তারপর তাহার গণ্ডদ্বয়ে (খোশবু মাখা) হাত বুলাইলেন, অতঃপর বলিলেনঃ আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন নাই। কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি, আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন নারীর পক্ষে কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির বেশি শোক পালন করা হালাল নহে। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন (শোক পালন করিবে)।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت ابي سلمة، انها اخبرته هذه الاحاديث الثلاثة، قالت زينب دخلت على ام حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي ابوها ابو سفيان بن حرب فدعت ام حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق او غيره فدهنت به جارية ثم مسحت بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد على ميت فوق ثلاث ليال الا على زوج اربعة اشهر وعشرا
রেওয়ায়ত ১০৪. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীদ্বয় আয়েশা ও হাফসা (রাঃ) হইতে বর্ণিত-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন স্ত্রীলোকের জন্য স্বামী ব্যতীত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত শোক পালন করা হালাল নহে।
قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي اخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب حاجة غير اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر تحد على ميت فوق ثلاث ليال الا على زوج اربعة اشهر وعشرا
রেওয়ায়ত ১০৩. যয়নাব বলেন, আমি আমার মাতা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, একজন মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলেন এবং বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে, তাহার চক্ষুতে ব্যথা, আমি কি তাহার চক্ষুতে সুরমা লাগাইতে পারি? (উত্তরে) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ না, দুইবার অথবা তিনবার বলিলেন; প্রতিবার এইরূপ না বলিলেন। অতঃপর বলিলেনঃ ইদ্দত হইতেছে চার মাস দশ দিন। জাহিলিয়্যা যুগে তোমাদের প্রথা ছিল, একজন এক বৎসর পূর্ণ হইলে উটের মল ছুড়িয়া মারিত। হুমায়িদ ইবন নাফি' বলেনঃ আমি যয়নাবকে বলিলাম, এক বৎসর পূর্ণ হইলে উটের মল কেন ছুড়িয়া মারিত? যয়নাব (রাঃ) বলিলেন, কোন মেয়েলোকের স্বামীর মৃত্যু হইলে (নিয়ম এই ছিল যে,) সে একটি কুঠরিতে প্রবেশ করিত এবং নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করিত, খোশবু এবং এই জাতীয় কোন (সাজ-সজ্জার কোন কিছু) বস্তু স্পর্শ করিত না। এইভাবে এক বৎসর অতিবাহিত হইলে পর তাহার নিকট উপস্থিত করা হইত চতুষ্পদ জন্তু গাধা, বকরী অথবা কোন পাখী এবং উহা দ্বারা (তাহার লজ্জাস্থানে) ঘর্ষণ করা হইত, ঘর্ষণ করার পর সেই জীব প্রায় মারা যাইত, তারপর সে বন্ধ ঘর হইতে বাহির হইত। অতঃপর তাহার সম্মুখে উটের মল উপস্থিত করা হইত সে উহাকে ছুড়িয়া মারিত। তারপর যাহা ইচ্ছা খোশবু ইত্যাদি ব্যবহার করিত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হিফশ (حفش) শব্দের অর্থ নিকৃষ্ট ঘর, (تفتض)-এর অর্থ উহাকে দেহের চামড়ায় ঘর্ষণ করিত যেমন করাত।
قالت زينب وسمعت امي ام سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول جاءت امراة الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله ان ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينيها افتكحلهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا " . مرتين او ثلاثا كل ذلك يقول " لا " ثم قال " انما هي اربعة اشهر وعشرا وقد كانت احداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على راس الحول " . قال حميد بن نافع فقلت لزينب وما ترمي بالبعرة على راس الحول فقالت زينب كانت المراة اذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شييا حتى تمر بها سنة ثم توتى بدابة حمار او شاة او طير فتفتض به فقلما تفتض بشىء الا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب او غيره
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن صفية بنت ابي عبيد، عن عايشة، وحفصة، زوجى النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لامراة تومن
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن صفية بنت ابي عبيد، عن عايشة، وحفصة، زوجى النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لامراة تومن
রেওয়ায়ত ১০৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ), স্বামীর জন্য শোক পালন করিতেছিল এমন এক মহিলাকে, যাহার চক্ষুতে পীড়া হইয়াছিল এবং চক্ষুপীড়া চরমে পৌছিয়াছিল, বলিয়াছিলেন, ইসমিদ সুরমা রাত্রিতে চক্ষুতে লাগাও, দিনের বেলায় সুরমা মুছিয়া ফেল।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان ام سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لامراة حاد على زوجها اشتكت عينيها فبلغ ذلك منها اكتحلي بكحل الجلاء بالليل وامسحيه بالنهار
রেওয়ায়ত ১০৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গিয়াছে (সে ইদ্দত পালনরতা) সেই স্ত্রীলোক সম্পর্কে সালিম ইবন আবদিল্লাহ ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিতেনঃ যদি চক্ষুর প্রতি কোন আশংকা দেখা দেয় চক্ষু উঠা বা অন্য কোন চক্ষুপীড়ার দরুন সে সুরমা লাগাইবে এবং সুরমা অথবা অন্য কোন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করিবে যদিও উহাতে সুগন্ধ থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আবশ্যক হইলে উহা করিবে, কারণ আল্লাহর দীন সহজ।
وحدثني عن مالك، انه بلغه عن سالم بن عبد الله، وسليمان بن يسار، انهما كانا يقولان في المراة يتوفى عنها زوجها انها اذا خشيت على بصرها من رمد او شكو اصابها انها تكتحل وتتداوى بدواء او كحل وان كان فيه طيب . قال مالك واذا كانت الضرورة فان دين الله يسر
রেওয়ায়ত ১০৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সফিয়া বিন্ত আবী উবাইদ-এর চক্ষুতে রোগ দেখা দিল। তিনি তখন তাহার স্বামী আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর মৃত্যুর শোক পালন করিতেছিলেন। তাহার চক্ষু পীড়িত হইয়া চক্ষুদ্বয়ে ছানি পড়িয়াছে, তবুও তিনি সুরমা ব্যবহার করেন নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে স্ত্রীর স্বামী মারা গিয়াছে সে স্ত্রী ইদ্দতের সময় যায়তুন তৈল এবং এই জাতীয় অন্য তৈল, যাহাতে খোশবু নাই, ব্যবহার করিতে পারিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্বামীর জন্য শোক পালনরতা স্ত্রী গহনা পরিধান করিবে না, যেমন আংটি, পায়ের চুড়ি বা অন্য কোন গহনা এবং য়ামানী নামক বস্ত্রও পরিধান করিবে না। যদি উহা মোটা হয় তবে পরিধান করিতে পারবে। কেবলমাত্র কাল রঙ ব্যতীত কোন প্রকার রঙ্গীন কাপড় পরিধান করিবে না। কুল পাতা বা সেই জাতীয় বস্তু যাহাতে বর্ণ ও গন্ধ নাই এবং যাহা সুগন্ধিস্বরূপ ব্যবহৃত হয় না। তাহা ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য দ্বারা মাথা ধুইবে না এবং চিরুনী ব্যবহার করিবে না।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان صفية بنت ابي عبيد، اشتكت عينيها وهي حاد على زوجها عبد الله بن عمر فلم تكتحل حتى كادت عيناها ترمصان . قال مالك تدهن المتوفى عنها زوجها بالزيت والشبرق وما اشبه ذلك اذا لم يكن فيه طيب . قال مالك ولا تلبس المراة الحاد على زوجها شييا من الحلى خاتما ولا خلخالا ولا غير ذلك من الحلى ولا تلبس شييا من العصب الا ان يكون عصبا غليظا ولا تلبس ثوبا مصبوغا بشىء من الصبغ الا بالسواد ولا تمتشط الا بالسدر وما اشبهه مما لا يختمر في راسها
রেওয়ায়ত ১০৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করিলেন উম্মে সালমা (রাঃ)-এর নিকট। তখন তিনি (তাহার পূর্ব স্বামী) আবু সালমা (রাঃ)-এর (মৃত্যুর) শোক পালন করিতেছিলেন। তিনি চক্ষুতে সবির (এক প্রকার গাছের নির্যাস) লাগাইয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালমাকে বলিলেনঃ ইহা কি? তিনি (উম্মে সালমা) বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইহা সবির। তিনি [রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলিলেনঃ ইহা রাত্রিতে ব্যবহার কর এবং দিনে মুছিয়া ফেল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে কিশোরী বালেগা হয় নাই, তাহার শোক পালন বালেগা মহিলার মতো হইবে, তাহার স্বামীর মৃত্যু হইলে বালেগা মহিলা যে সব হইতে বিরত থাকিবে সেও সেই সব (বস্তু বা কার্য) হইতে বিরত থাকিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ বাদী তাহার স্বামীর মৃত্যু হইলে তাহার ইদতের মতো দুই মাস পাচ রাত্রি শোক পালন করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হইলে তাহাকে শোক পালন করিতে হইবে না। বাদীর কর্তা মারা গেলে তাহার উপরও শোক পালন নাই। শোক পালন করিবে তাহারা, যাহাদের স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على ام سلمة وهي حاد على ابي سلمة وقد جعلت على عينيها صبرا فقال " ما هذا يا ام سلمة " . فقالت انما هو صبر يا رسول الله . قال " اجعليه في الليل وامسحيه بالنهار
রেওয়ায়ত ১০৯. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) বলিতেন, শোক পালনরতা স্ত্রী তাহার মাথার চুল কুলপতা ও তেল দ্বারা বাঁধিতে পারবে।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان ام سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول تجمع الحاد راسها بالسدر والزيت