Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৫৩ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১২৭. আবূয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বলেনঃ আবা মায়িয আসলামী আবদুল্লাহ ইবন সুফইয়ান (রহঃ) তাহার নিকট বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। তখন এক মহিলা আসিয়া বলিলঃ আমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফের ইচ্ছা করিয়াছিলাম। মসজিদের দরওয়াজা পর্যন্ত পৌছিতেই আমার ঋতুস্রাব আরম্ভ হইল। এমতাবস্থায় আমি ফিরিয়া যাই। পরে ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে আবার তাওয়াফের জন্য আসি, কিন্তু মসজিদের দরওয়াজা পর্যন্ত পৌছিতেই আবার ঋতুস্রাব শুরু হইল। ফলে আবার ফিরিয়া গেলাম। শেষে ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে আবার তাওয়াফ করিতে গেলাম। কিন্তু এইবারও দরওয়াজা পর্যন্ত যাইতে না যাইতে পুনরায় রক্ত দেখা দেয়। এখন কি করিব? আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ ইহা শয়তানের কাণ্ড! গোসল করিয়া লজ্জাস্থানে কাপড়ের পটি দিয়া তাওয়াফ সারিয়া নাও।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزبير المكي، ان ابا ماعز الاسلمي عبد الله بن سفيان، اخبره انه، كان جالسا مع عبد الله بن عمر فجاءته امراة تستفتيه فقالت اني اقبلت اريد ان اطوف بالبيت حتى اذا كنت بباب المسجد هرقت الدماء فرجعت حتى ذهب ذلك عني ثم اقبلت حتى اذا كنت عند باب المسجد هرقت الدماء فرجعت حتى ذهب ذلك عني ثم اقبلت حتى اذا كنت عند باب المسجد هرقت الدماء . فقال عبد الله بن عمر انما ذلك ركضة من الشيطان فاغتسلي ثم استثفري بثوب ثم طوفي
রেওয়ায়ত ১২৮. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) মক্কায় পৌছিয়া যদি দেখিতেন নয় তারিখ অতি নিকটবর্তী (সময় অতি অল্প), তবে তাওয়াফ ও সায়ী করার পূর্বেই আরাফাতে চলিয়া যাইতেন এবং সেখান হইতে ফিরিবার পর তাওয়াফ করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সময় সংকীর্ণ হইলে এইরূপ করা (আরাফাতে প্রথমে যাওয়া) জায়েয। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ ওয়াজিব তাওয়াফ আদায় করার সময় কাহারও সঙ্গে কথা বলার জন্য কি থামিয়া যাওয়া বৈধ? তিনি বলিলেনঃ আমি উহা পছন্দ করি না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সায়ী পবিত্রতার সহিত করা উচিত।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان سعد بن ابي وقاص، كان اذا دخل مكة مراهقا خرج الى عرفة قبل ان يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يطوف بعد ان يرجع . قال مالك وذلك واسع ان شاء الله . وسيل مالك هل يقف الرجل في الطواف بالبيت الواجب عليه يتحدث مع الرجل فقال لا احب ذلك له . قال مالك لا يطوف احد بالبيت ولا بين الصفا والمروة الا وهو طاهر
রেওয়ায়ত ১২৯. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদ হইতে সাফার উদ্দেশ্যে যখন বাহির হইলেন তখন শুনিয়াছি, তিনি বলিতেছেনঃ আল্লাহ যে স্থানটির উল্লেখ প্রথমে করিয়াছিলেন আমরাও সেই স্থান হইতে শুরু করিব। অতঃপর তিনি সাফা হইতে সায়ী করা শুরু করেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن جعفر بن محمد بن علي، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، انه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين خرج من المسجد وهو يريد الصفا وهو يقول " نبدا بما بدا الله به " . فبدا بالصفا
রেওয়ায়ত ১৩০. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাফায় গিয়া দাঁড়াইতেন তখন তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ বলিতেন এবং এই দু'আ পড়িতেনঃ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ অর্থাৎ, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তাহার কোন শরীক নাই, সকল সাম্রাজ্য, ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা শুধু তাহারই, আর তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাশীল। তিনবার ইহা পড়িয়া পরে দুআ করিতেন। মারওয়া পাহাড়েও তিনি এইরূপ করিতেন।
وحدثني عن مالك، عن جعفر بن محمد بن علي، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا وقف على الصفا يكبر ثلاثا ويقول " لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير " . يصنع ذلك ثلاث مرات ويدعو ويصنع على المروة مثل ذلك
রেওয়ায়ত ১৩১. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে সাফার উপর দাঁড়াইয়া এই দুআ পড়িতে শুনিয়াছেনঃ اللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ وَإِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلإِسْلاَمِ أَنْ لاَ تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি বলিয়াছেনঃ আমার কাছে চাও, আমি তাহা কবুল করিব। আর আপনি কখনও ওয়াদা খেলাফ করেন না। এখন আপনার নিকটই আমি চাহিতেছি, আমাকে যেরূপ ইসলামের দিকে হিদায়াত করিয়াছেন উহা আমার নিকট হইতে ছিনাইয়া নিবেন না। আমার মৃত্যু পর্যন্ত আমি মুসলিম হিসাবে আপনার অনুগত বান্দা হইয়াই যেন থাকি।
وحدثني عن مالك، عن نافع، انه سمع عبد الله بن عمر، وهو على الصفا يدعو يقول اللهم انك قلت ادعوني استجب لكم وانك لا تخلف الميعاد واني اسالك كما هديتني للاسلام ان لا تنزعه مني حتى تتوفاني وانا مسلم
রেওয়ায়ত ১৩২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম (তখন আমি অল্প বয়স্ক), দেখুন, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ (إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) সুতরাং যে কেউ বাইতুল্লাহর হজ্জ বা উমরা করিবে তাহার জন্য এই দুইটির মধ্যে সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই- তাই কেউ যদি সায়ী না করে তবে ইহাতে তাহার গুনাহ হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ সাবধান, তুমি যাহা বুঝিয়াছ তাহা ঠিক নহে। তাহাই যদি হইত তবে আয়াতে বলার ভঙ্গী হইত- এই দুইয়ের মধ্যে সায়ী না করায় কোন গুনাহ নাই। (অথচ আল্লাহ্ তা'আলা বলিয়াছেনঃ সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই।) এই আয়াতটি মূলত আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হইয়াছিল। ইহারা জাহিলী যুগে মানাতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বাধিয়া হজ্জের নিয়তে আসিত। মক্কার পথে কুদায়দ নামক স্থানের বিপরীতে ছিল ওদের দেবী মানাত। সাফা-মারওয়ায় সায়ী করা তাহারা মনে করিত গুনাহর কাজ। ইসলাম আসার পর তাহারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন নাযিল হয় এই আয়াতঃ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا অর্থাৎ, সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেহ কাবা গৃহের হজ্জ কিংবা উমরা সম্পন্ন করে এই দুইটির মধ্যে যাতায়াত করিলে তাহার কোন পাপ নাই। (বাকারাঃ)
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، انه قال قلت لعايشة ام المومنين وانا يوميذ، حديث السن ارايت قول الله تبارك وتعالى {ان الصفا والمروة من شعاير الله فمن حج البيت او اعتمر فلا جناح عليه ان يطوف بهما} فما على الرجل شىء ان لا يطوف بهما . فقالت عايشة كلا لو كان كما تقول لكانت فلا جناح عليه ان لا يطوف بهما انما انزلت هذه الاية في الانصار كانوا يهلون لمناة وكانت مناة حذو قديد وكانوا يتحرجون ان يطوفوا بين الصفا والمروة فلما جاء الاسلام سالوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فانزل الله تبارك وتعالى {ان الصفا والمروة من شعاير الله فمن حج البيت او اعتمر فلا جناح عليه ان يطوف بهما}
রেওয়ায়ত ১৩৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর কন্যা সাওদা (রহঃ) ছিলেন উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ)-এর স্ত্রী। একবার হজ্জ বা উমরার সময় তিনি সাফা-মারওয়ার সায়ীর জন্য বাহির হন। তিনি মোটা ধরনের মহিলা ছিলেন। ইশার নামায পড়িয়া মানুষ যখন বাহির হইয়াছিল তখন তিনি হাঁটিয়া হাঁটিয়া হজ্জ অথবা উমরার তাওয়াফ ও সায়ী শুরু করিয়াছিলেন। কিন্তু তখনও সায়ী শেষ হইতে পারে নাই, আর এইদিকে ফজরের আযান হইয়া যায়। সায়ী শেষ করিতে তাহার ইশা হইতে ফজর পর্যন্ত সময় লাগিয়াছিল। উরওয়াহ কাহাকেও কোন কিছুতে আরোহণ করিয়া সায়ী করিতে দেখিলে কঠোরভাবে নিষেধ করিতেন। লোকেরা তাহাকে দেখিলে অসুস্থতার বাহানা করিত। তিনি পরে আমাদের নিকট আলাপে বলিতেনঃ ইহারা (যাহারা সওয়ার হইয়া সায়ী করে) ক্ষতিগ্রস্ত, তাহারা স্বীয় উদ্দেশ্য হাসিল করিতে পারে নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমরা করার সময় সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতে যদি ভুলিয়া যায় এবং মক্কা হইতে দূরে চলিয়া যাওয়ার পর ইহা স্মরণ হইলে তাহাকে পুনরায় মক্কায় আসিয়া সায়ী করিতে হইবে। আর ইহার মধ্যে স্ত্রী সহবাস করিয়া থাকিলে তবে ফিরিয়া আসিয়া সায়ী করিবে এবং দ্বিতীয়বার উমরা করিবে এবং হাদয়ী কুরবানী দিবে। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ সায়ী করার সময় যদি কেউ কাহারও সঙ্গে দাঁড়াইয়া কথা বলিতে শুরু করে তবে কেমন হইবে? তিনি বলিলেনঃ আমি ইহাকে পছন্দ করি না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ যদি তাওয়াফ করিতে গিয়া কোন চক্কর ভুলিয়া যায় বা এই সম্পর্কে তাহার সন্দেহ হয়, পরে সায়ী করার সময় যদি তাহার উহা খেয়াল হয় তবে সায়ী মওকুফ করিয়া দিবে এবং প্রথমে ইয়াকীনের উপর ভিত্তি করিয়া তাওয়াফ পুরা করিয়া দুই রাকাআত তাওয়াফের নামায পড়িয়া নুতনভাবে সায়ী করিবে।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، ان سودة بنت عبد الله بن عمر، كانت عند عروة بن الزبير فخرجت تطوف بين الصفا والمروة في حج او عمرة ماشية وكانت امراة ثقيلة فجاءت حين انصرف الناس من العشاء فلم تقض طوافها حتى نودي بالاولى من الصبح فقضت طوافها فيما بينها وبينه . وكان عروة اذا راهم يطوفون على الدواب ينهاهم اشد النهى فيعتلون بالمرض حياء منه فيقول لنا فيما بيننا وبينه لقد خاب هولاء وخسروا . قال مالك من نسي السعى بين الصفا والمروة في عمرة فلم يذكر حتى يستبعد من مكة انه يرجع فيسعى وان كان قد اصاب النساء فليرجع فليسع بين الصفا والمروة حتى يتم ما بقي عليه من تلك العمرة ثم عليه عمرة اخرى والهدى . وسيل مالك عن الرجل يلقاه الرجل بين الصفا والمروة فيقف معه يحدثه فقال لا احب له ذلك . قال مالك ومن نسي من طوافه شييا او شك فيه فلم يذكر الا وهو يسعى بين الصفا والمروة فانه يقطع سعيه ثم يتم طوافه بالبيت على ما يستيقن ويركع ركعتى الطواف ثم يبتدي سعيه بين الصفا والمروة
রেওয়ায়ত ১৩৪. জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা ও মারওয়াতে সায়ী করিতে আসিলে সাধারণভাবে হাঁটিতেন, মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে (বাতনে ওয়াদী) যখন চলিতেন তখন ইহা হইতে বাহির না হওয়া পর্যন্ত দ্রুত চলিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি অজ্ঞতার কারণে তাওয়াফের পূর্বে সায়ী করিয়া ফেলে তবে সে ফিরিয়া আসিয়া তাওয়াফ করার পর পুনরায় সায়ী করিবে। তাওয়াফের কথা তুলিয়া মক্কা হইতে দূরে চলিয়া গেলে যত দূরেই যাক তাহাকে ফিরিয়া আসিতে হইবে এবং বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতে হইবে। আর স্ত্রী সহবাস করিয়া থাকিলে তবে ফিরিয়া আসিয়া তাওয়াফ ও সায়ী করিতে হইবে এবং উমরার বাকি কার্যাদি সমাধা করিবে। তাহার পক্ষে পুনরায় উমরা করা এবং হাদয়ী কুরবানী করা ওয়াজিব।
وحدثني عن مالك، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا نزل من الصفا والمروة مشى حتى اذا انصبت قدماه في بطن الوادي سعى حتى يخرج منه
রেওয়ায়ত ১৩৫. হারিস তনয়া উম্মুল ফযল (রাঃ) বর্ণনা করেন- আরাফাত দিবসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাদার কিনা এই সম্পর্কে কতিপয় সাহাবী আমার নিকট আসিয়া তাহাদের সন্দেহ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ বলিয়াছেন, তিনি রোযা রাখিয়াছেন, কেউ কেউ বলিলেন, আজ রোযা রাখেন নাই। উম্মুল ফযল (রাঃ) তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে একটি দুধভর্তি পেয়ালা পাঠাইলেন। তিনি তাহা পান করিলেন। তখন তিনি আরাফাতে একটি উটের উপর আসীন ছিলেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن عمير، مولى عبد الله بن عباس عن ام الفضل بنت الحارث، ان ناسا، تماروا عندها يوم عرفة في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بعضهم هو صايم وقال بعضهم ليس بصايم فارسلت اليه بقدح لبن وهو واقف على بعيره فشرب
রেওয়ায়ত ১৩৬. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) বর্ণনা করেনঃ উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) আরাফাত দিবসে রোযা রাখিতেন। কাসিম ইবন মুহাম্মদ বলেনঃ আমি তাহাকে (আয়েশা (রাঃ)-কে আরাফাত দিবসে সন্ধ্যায় দেখিয়াছি, ইমামের (আমীরুল মু'মিনীন) প্রত্যাবর্তনের পরও তিনি [আয়েশা (রাঃ)] অপেক্ষা করিলেন এবং পরে ভিড় কমিয়া পথ পরিষ্কার হইলে পানি আনাইয়া ইফতার করিলেন।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، ان عايشة ام المومنين، كانت تصوم يوم عرفة . قال القاسم ولقد رايتها عشية عرفة يدفع الامام ثم تقف حتى يبيض ما بينها وبين الناس من الارض ثم تدعو بشراب فتفطر
রেওয়ায়ত ১৩৭. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইয়্যামে তাশরীকে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابي النضر��، مولى عمر بن عبيد الله عن سليمان بن يسار، . ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام ايام منى
রেওয়ায়ত ১৩৮. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মিনার দিবসগুলিতে আবদুল্লাহ ইবন হুযাফা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুরিয়া ফিরিয়া ঘোষণা প্রচার করিতে বলিলেনঃ খাওয়া, পান করা আর আল্লাহর স্মরণের জন্য এই দিনগুলি।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث عبد الله بن حذافة ايام منى يطوف يقول انما هي ايام اكل وشرب وذكر الله
রেওয়ায়ত ১৩৯. আবু হুৱায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইদিন রোযা রাখতে নিষেধ করিয়াছেন- ঈদুল ফিতরের দিন আর ঈদুল আযহার দিন।
وحدثني عن مالك، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الاضحى
রেওয়ায়ত ১৪০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রহঃ) তাহার পিতা আমর ইবনু আস (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। দেখিতে পাইলেন তিনি আহার করিতেছেন, আবদুল্লাহকেও তিনি ডাকিলেন। আমি বলিলামঃ আমি আজ রোযা আছি। তিনি বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই দিনে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন সেই দিনগুলিতে তুমি রোযা রাখিলে! পরে তিনি আবদুল্লাহকে রোযা ভাঙিয়া ফেলিতে হুকুম করিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই দিনগুলি হইতেছে আইয়্যামে তাশরীক, (যিলহজ্জ মাসের ১১, ১২ এবং ১৩ তারিখ) যেগুলিতে আমর ইবনু আস (রাঃ) তাহার পুত্রকে রোযা রাখতে নিষেধ করিলেন।
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن عبد الله بن الهادي، عن ابي مرة، مولى ام هاني اخت عقيل بن ابي طالب عن عبد الله بن عمرو بن العاص، انه اخبره انه، دخل على ابيه عمرو بن العاص فوجده ياكل قال فدعاني قال فقلت له اني صايم . فقال هذه الايام التي نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامهن وامرنا بفطرهن
রেওয়ায়ত ১৪১. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন হাযম (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ বা উমরাতে একটি উট যাহা পূর্বে (আবু জাহল ইবন হিশামের ছিল) হাদয়ী হিসাবে পঠাইয়াছিলেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اهدى جملا كان لابي جهل بن هشام في حج او عمرة
রেওয়ায়ত ১৪২. আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একটি কুরবানীর উট হাকাইয়া নিয়া যাইতে দেখিতে পাইয়া বলিলেনঃ ইহার উপর আরোহণ কর। সে বলিলঃ হে আল্লাহর রাসূল, ইহা তো কুরবানীর উদ্দেশ্যে নিয়া যাইতেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তোমার অনিষ্ট হউক, আরোহণ কর। এই কথা তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় বারে বলিয়াছিলেন।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى رجلا يسوق بدنة فقال " اركبها " . فقال يا رسول الله انها بدنة . فقال " اركبها ويلك " . في الثانية او الثالثة
রেওয়ায়ত ১৪৩. আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হজ্জের সময় দুইটি করিয়া আর উমরার সময় একটি করিয়া কুরবানী দিতেন। আমি তাহাকে খালিদ ইবন আসীদের স্বরে বাঁধা তাঁহার উমরার কুরবানীর উটটিকে নাহর করিতে দেখিয়াছি। আমি উমরার সময় দেখিয়াছি তাহার কুরবানীর উটের উপর এমন জোরে বর্শা মারিয়াছিলেন (নাহর করার জন্য) যে, উহা ভেদ করিয়া অপরদিকে গিয়া ঘাড়ের নিচ দিকে বাহির হইয়া গিয়াছিল।
وحدثني عن مالك، عن عبد الله بن دينار، انه كان يرى عبد الله بن عمر يهدي في الحج بدنتين بدنتين وفي العمرة بدنة بدنة . قال ورايته في العمرة ينحر بدنة وهي قايمة في دار خالد بن اسيد وكان فيها منزله . قال ولقد رايته طعن في لبة بدنته حتى خرجت الحربة من تحت كتفها
রেওয়ায়ত ১৪৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) হজ্জ কিংবা উমরার সময় একটি উট হাদয়ী হিসাবে প্রেরণ করিয়াছিলেন।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، ان عمر بن عبد العزيز، اهدى جملا في حج او عمرة
রেওয়ায়ত ১৪৫. আবূ জাফর কারী (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন আইয়াশ ইবন আবি রবী'আ মাখযূমী দুইটি উটের কুরবানী করিয়াছিলেন। ইহার মধ্যে একটি বুখতী ধরনের উষ্ট্রীও ছিল।
وحدثني عن مالك، عن ابي جعفر القاري، . ان عبد الله بن عياش بن ابي ربيعة المخزومي، اهدى بدنتين احداهما بختية
রেওয়ায়ত ১৪৬. নাফি’ (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ কুরবানীর উদ্দেশ্যে প্রেরিত উষ্ট্রীর যদি বাচ্চা পয়দা হয় তবে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকেও কুরবানীর জন্য লইয়া যাওয়া হইবে। লইয়া যাওয়ার জন্য যদি কোন যানবাহন না পাওয়া যায় তবে বাচ্চাটিকে মার উপর চাপাইয়া লইয়া যাওয়া হইবে, যাহাতে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকে নাহর করা যায়।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يقول اذا نتجت الناقة فليحمل ولدها حتى ينحر معها فان لم يوجد له محمل حمل على امه حتى ينحر معها