Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৫৩ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. আসমা বিনত উমাইস (রাঃ) বলেন, বায়দা নামক স্থানে মুহাম্মদ ইবন আবূ বকর (রাঃ)-এর জন্ম হয়। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বলিলেনঃ আসমাকে বলিয়া দিন সে যেন গোসল করিয়া ইহরাম বাধিয়া নেয়।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن اسماء بنت عميس، انها ولدت محمد بن ابي بكر بالبيداء فذكر ذلك ابو بكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مرها فلتغتسل ثم لتهل
রেওয়ায়ত ২. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বর্ণনা করেন- জুল-হুলায়ফা নামক স্থানে আসমা বিনত উমাইসের গর্ভে আবূ বকর (রাঃ)-এর পুত্র মুহাম্মদের জন্ম হয়। আবু বকর (রাঃ) তখন আসমাকে গোসল করিয়া ইহরাম বাধিয়া নিতে নির্দেশ দেন।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، ان اسماء بنت عميس، ولدت، محمد بن ابي بكر بذي الحليفة فامرها ابو بكر ان تغتسل، ثم تهل
রেওয়ায়ত ৩. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইহরাম বাঁধার উদ্দেশ্যে গোসল করিতেন। মক্কায় প্রবেশের পূর্বে এবং যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখে আরাফাতে অবস্থানের জন্যও তিনি গোসল করতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يغتسل لاحرامه قبل ان يحرم ولدخوله مكة ولوقوفه عشية عرفة
রেওয়ায়ত ৪. ইবরাহীম ইবন আবদুল্লাহ ইবন হুনায়ন (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- আব্বাস (রাঃ) এবং মিসওয়ার ইবন মাখরামার মধ্যে আবওয়া’ নামক স্থানে বিতর্ক হয়। ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর অভিমত ছিল মুহরিম অর্থাৎ ইহরামরত ব্যক্তি মাথা ধুইতে পারে আর মিসওয়ারের অভিমত ছিল যে, মুহরিম মাথা ধুইতে পারে না। আবদুল্লাহ ইবন হুনায়ন বলেনঃ শেষে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাকে এই বিষয়ের মীমাংসার জন্য আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-এর নিকট প্রেরণ করেন। তখন তিনি একটি কুয়ার ধারে পর্দা টাঙ্গাইয়া গোসল করিতেছিলেন। আমি পর্দার বাহির হইতে তাহাকে সালাম করিলাম। তিনি বলিলেনঃ কে? আমি বলিলামঃ আবদুল্লাহ ইবন হুনায়ন। আমাকে আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) পাঠাইয়াছেন, ইহরাম অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিরূপে মাথা ধুইতেন তাহা জানিবার জন্য। আবু আইয়ূব (রাঃ) মাথায় হাত রাখিয়া মাথার কাপড় সরাইয়া দিলেন, আমি তাহার মাথাটি তখন স্পষ্ট দেখিতে পাইতেছিলাম। যে ব্যক্তি তাঁহার গায়ে পানি ঢালিতেছিল তাহাকে বলিলেনঃ পানি ঢাল। ঐ ব্যক্তি তাহার মাথায় পানি ঢালিতে লাগিল আর তিনি তাহার দুই হাত মাথার সামনে এবং পিছনে মর্দন করিয়া বলিলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এইরূপ করিতে দেখিয়াছি।
حدثني يحيى، عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابراهيم بن عبد الله بن حنين، عن ابيه، ان عبد الله بن عباس، والمسور بن مخرمة، اختلفا بالابواء فقال عبد الله يغسل المحرم راسه . وقال المسور بن مخرمة لا يغسل المحرم راسه . قال فارسلني عبد الله بن عباس الى ابي ايوب الانصاري فوجدته يغتسل بين القرنين وهو يستر بثوب فسلمت عليه فقال من هذا فقلت انا عبد الله بن حنين ارسلني اليك عبد الله بن عباس اسالك كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل راسه وهو محرم قال فوضع ابو ايوب يده على الثوب فطاطاه حتى بدا لي راسه ثم قال لانسان يصب عليه اصبب . فصب على راسه ثم حرك راسه بيديه فاقبل بهما وادبر ثم قال هكذا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل
রেওয়ায়ত ৫. আতা ইবন আবি রাবাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) গোসল করিতেছিলেন এবং ইয়ালা ইবন মুনইয়া (রহঃ) পানি ঢালিয়া দিতেছিলেন। উমর (রাঃ) ইয়ালাকে বলিলেনঃ আমার মাথায় পানি ঢালিয়া দাও। তখন তিনি বলিলেনঃ আপনি কি আমার দ্বারা এই কাজ করাইতে চান? (অর্থাৎ পানি মাথায় ঢালা সম্পর্কে ইয়ালার ভিন্নমত ছিল।) যদি হুকুম করেন তবে পানি ঢালিতে পারি। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেনঃ পানি ঢাল, কারণ পানি চুলের রুক্ষতাই বাড়াইবে।
وحدثني مالك، عن حميد بن قيس، عن عطاء بن ابي رباح، ان عمر بن الخطاب، قال ليعلى ابن منية وهو يصب على عمر بن الخطاب ماء وهو يغتسل اصبب على راسي . فقال يعلى اتريد ان تجعلها بي ان امرتني صببت . فقال له عمر بن الخطاب اصبب فلن يزيده الماء الا شعثا
রেওয়ায়ত ৬. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন মক্কার নিকটবর্তী হইতেন তখন দুই গিরিপথের মধ্যবর্তী যি-তুওয়া নামক স্থানে রাত্রিযাপন করিতেন। পরে ফজরেই নামাযের পর উপরের গিরিপথ বাহিয়া মক্কায় প্রবেশ করিতেন। আর হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে আসিলে যি-তুওয়ায় গোসল না করিয়া সেখানে প্রবেশ করিতেন না। সঙ্গীগণকে মক্কা প্রবেশের পূর্বে গোসল করিতে তিনি নির্দেশ দিতেন।
وحدثني مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا دنا من مكة بات بذي طوى بين الثنيتين حتى يصبح ثم يصلي الصبح ثم يدخل من الثنية التي باعلى مكة ولا يدخل اذا خرج حاجا او معتمرا حتى يغتسل قبل ان يدخل مكة اذا دنا من مكة بذي طوى ويامر من معه فيغتسلون قبل ان يدخلوا
রেওয়ায়ত ৭. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইহরামের অবস্থায় মাথা ধুইতেন না। তবে স্বপ্নদোষ হইলে বাধ্যতামূলক ধুইতে হইত। মালিক (রহঃ) বলেন, বিজ্ঞ আলিমদের নিকট শুনিয়াছি যে, জমরা-এ-আকাবার রমি করার পর মাথা কামাইবার পূর্বেই সাবান ইত্যাদি দ্বারা মাথা ধৌত করা যায়। কেননা জমরা-এ-আকাবায় প্রস্তর নিক্ষেপের পর উকুন মারা, মাথা কামানো, ময়লা বিদূরিত করা, কাপড় পরা ইত্যাদি কাজ মুহরিমের জন্য হালাল হইয়া যায়।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان لا يغسل راسه وهو محرم الا من الاحتلام . قال مالك سمعت اهل العلم يقولون لا باس ان يغسل الرجل المحرم راسه بالغسول بعد ان يرمي جمرة العقبة وقبل ان يحلق راسه وذلك انه اذا رمى جمرة العقبة فقد حل له قتل القمل وحلق الشعر والقاء التفث ولبس الثياب
রেওয়ায়ত ৮. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞাসা করিল, ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিধান করিতে পারে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বলিলেনঃ কোর্তা পরিবে না, পাগড়ি বাধিবে না, টুপি, পাজামা এবং মোজা পরিবে না। তবে কাহারও চপ্পল না থাকিলে সে মোজা পরিতে পারে বটে কিন্তু উহা এমনভাবে কাটিয়া পরিবে যাহাতে পায়ের টাখনা বাহির হইয়া থাকে। জাফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার সুগন্ধযুক্ত রঙিন ঘাস) রঞ্জিত কাপড়ও পরিতে পারিবে না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-এর নিকট একবার জিজ্ঞাসা করা হইল, একটি হাদীস হইতে জানা যায় যে, লুঙ্গি না পাইলে সে পায়জামা পরিতে পরিবে। মুহরিমের জন্য পায়জামা পরা কি জায়েয হইবে? মালিক (রহঃ) উত্তরে বললেনঃ এই ধরনের কোন হাদীস আমি শুনি নাই। আমার মতে মুহরিমের জন্য পায়জামা পরিধান করা উচিত হইবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিমকে পায়জামা পরিতে নিষেধ করিয়াছেন এবং মোজার ব্যাপারে যেমন অনুমতি প্রদান করা হইয়াছে পায়জামার ব্যাপারে তদ্রুপ অনুমতি প্রদান করা হয় নাই।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رجلا، سال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يلبس المحرم من الثياب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تلبسوا القمص ولا العمايم ولا السراويلات ولا البرانس ولا الخفاف الا احد لا يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما اسفل من الكعبين ولا تلبسوا من الثياب شييا مسه الزعفران ولا الورس
রেওয়ায়ত ৯. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ার্স রঞ্জিত কাপড় পরিধান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন, যাহার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরিতে পারবে, কিন্তু টাখনার[1] নিচ পর্যন্ত উহা কাটিয়া নিবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، انه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران او ورس وقال " من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما اسفل من الكعبين
রেওয়ায়ত ১০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরিতে দেখিয়া তাহাকে বলিলেনঃ তালহা, এ রঙিন কাপড় কেন? তিনি বলিলেনঃ আমীরুল মুমিনীন, ইহা তো মাটির রঙ। ইহাতে দোষ কি? উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, দেখ, তোমরা হইলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করিয়া চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখিলে মনে করিবে, তাহা ইবন উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নহে।
وحدثني عن مالك، عن نافع، انه سمع اسلم، مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر ان عمر بن الخطاب، راى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا امير المومنين انما هو مدر . فقال عمر انكم ايها الرهط ايمة يقتدي بكم الناس فلو ان رجلا جاهلا راى هذا الثوب لقال ان طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الاحرام فلا تلبسوا ايها الرهط شييا من هذه الثياب المصبغة
রেওয়ায়ত ১১. আসমা বিনত আবু বকর (রাঃ) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরিতেন। তবে ইহাতে জাফরান মিশ্রিত হইত না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ সুগন্ধি বিদূরিত হইয়া গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলে তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, পরিতে পারে। তবে শর্ত হইল জাফরান এবং ওয়ার্স-এর রঙ যেন উহাতে না থাকে।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن اسماء بنت ابي بكر، انها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران . قال يحيى سيل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ زعفران او ورس
রেওয়ায়ত ১২. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাধা মাকরুহ বলিয়া মনে করিতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يكره لبس المنطقة للمحرم
রেওয়ায়ত ১৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করেন- সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) বলেনঃ উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরিলে কোন অসুবিধা নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহা আমি শুনিয়াছি।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، انه سمع سعيد بن المسيب، يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه انه لا باس بذلك اذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها الى بعض . قال مالك وهذا احب ما سمعت الى في ذلك
রেওয়ায়ত ১৪. ফারাফিসা ইবন উমায়র আল-হানাকী (রহঃ) আরজ নামক স্থানে উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করিতে দেখিয়াছেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، انه قال اخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي، انه راى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم
রেওয়ায়ত ১৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ চিবুকের উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরন্ত নহে।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يقول ما فوق الذقن من الراس فلا يخمره المحرم
রেওয়ায়ত ১৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) নিজে তাহাকে কাফন পরান। তিনি তখন বলিয়াছিলেনঃ আমরা ইহরাম অবস্থায় না হইলে তাহাকে সুগন্ধি লাগাইতাম। তিনি তাহার মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢাকিয়া দিয়াছিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করিতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হইয়া যায়।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر راسه ووجهه وقال لولا انا حرم لطيبناه . قال مالك وانما يعمل الرجل ما دام حيا فاذا مات فقد انقضى العمل
রেওয়ায়ত ১৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলিবে না বা হাতে দস্তানা পরিবে না।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يقول لا تنتقب المراة المحرمة ولا تلبس القفازين
রেওয়ায়ত ১৮. ফাতিমা বিনতে মুনযির (রহঃ) বলেনঃ আমরা আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢাকিয়া ফেলিতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলিতেন না।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن فاطمة بنت المنذر، انها قالت كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع اسماء بنت ابي بكر الصديق
রেওয়ায়ত ১৯. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ ইহরাম বাধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সুগন্ধি লাগাইয়া দিতাম।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت كنت اطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم لاحرامه قبل ان يحرم ولحله قبل ان يطوف بالبيت
রেওয়ায়ত ২০. আতা ইবন আবি রাবাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হুনাইনে অবস্থান করিতেছিলেন তখন হলুদ রঙের চিহ্ন আছে এমন জামা পরিহিত এক বেদুঈন ব্যক্তি তাহার কাছে আসিয়া বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি উমরার নিয়ত করিয়াছি। এখন আপনি আমাকে কি করিতে নির্দেশ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ জামাটি খুলিয়া হলুদ দাগগুলি ধুইয়া ফেল এবং হজ্জের বেলায় যাহা করিতে এখন তাহাই কর।
وحدثني عن مالك، عن حميد بن قيس، عن عطاء بن ابي رباح، ان اعرابيا، جاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بحنين وعلى الاعرابي قميص وبه اثر صفرة فقال يا رسول الله اني اهللت بعمرة فكيف تامرني ان اصنع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " انزع قميصك واغسل هذه الصفرة عنك وافعل في عمرتك ما تفعل في حجك