Loading...
Loading...
বইসমূহ
58 হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ২১. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত— আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেনঃ আসরের পর ও ফজরের পর জানাযার নামায পড়া যাইতে পারে, যদি উভয় নামায যথাসময়ে পড়া হইয়া থাকে।
রেওয়ায়ত ২২. আবুন নাযর (রহঃ) হইতে বর্ণিত-সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর যখন মৃত্যু হয়, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) তাহার জানাযা মসজিদের ভিতর আয়েশা (রাঃ)-এর সামনে দিয়া লইয়া যাও...
রেওয়ায়ত ২৩. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ তিনি উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-এর জানাযার নামায মসজিদের ভিতর আদায় করিয়াছেন।
রেওয়ায়ত ২৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট খবর পৌছিয়াছে যে, উসমান ইবনে আফফান (রাঃ), আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) এবং আবু হুরায়রা (রাঃ) মদীনায় পুরুষ ও স্ত্রীলোকের জানাযার নামায (একত্রে) পড়িতেন। তখন তাহারা পুরুষদিগকে (লাশ)...
রেওয়ায়ত ২৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) যখন জানাযার নামায পড়িতেন, তখন (নামাযান্তে) পার্শ্ববর্তী লোকে শুনে এইভাবে উচ্চস্বরে সালাম ফিরাইতেন।
রেওয়ায়ত ২৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) বলিতেনঃ ওযু ছাড়া কোন লোক যেন জানাযার নামায না পড়ে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিতেনঃ আমি আহলে ইলমের মধ্যে কাহাকেও জারজ সন্তান ও তাহার মাতার জানায...
রেওয়ায়ত ২৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওফাত পাইয়াছেন সোমবার এবং তাঁহাকে দাফন করা হইয়াছে মঙ্গলবার, আর লোকে তাহার (জানাযার) নামায পড়িয়াছেন পৃথক পৃথক...
রেওয়ায়ত ২৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন- মদীনায় দুইজন লোক ছিলেন, একজন বোগলী কবর (لحد) তৈয়ার করিতেন, অন্যজন বোগলী করিতেন না। তাহারা (সাহাবীগণ) বলিলেন, দুইজনের মধ্যে যি...
রেওয়ায়ত ২৯. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী উম্মে সালমা (রাঃ) বলিতেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যু সংবাদ বিশ্বাস করি না...
রেওয়ায়ত ৩০. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি স্বপ্নে দেখিলাম, তিনটি চাঁদ আমার হুজরায় পতিত হইয়াছে। অতঃপর আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আমার স্বপ্ন বর্ণনা করিলাম। আয়েশা (রাঃ) ব...
রেওয়ায়ত ৩১. মালিক (রহঃ) বর্ণনা করেন- সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং সাঈদ ইবন যায়দ ইবন আমর ইবন নুফাইল (রাঃ) আকিক নামক স্থানে ওফাত পান। তাহাদিগকে মদীনায় আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।
রেওয়ায়ত ৩২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি [যুবায়র (রাঃ)] বলিয়াছেনঃ বাকীতে আমাকে দাফন করা হউক, তাহা আমি পছন্দ করি না, কারণ আমাকে বাকীতে দাফন করা অপেক্ষা অন্যত্র দাফন করা আমার নিকট অধিক পছন্...
রেওয়ায়ত ৩৩. আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার সম্মানার্থে দাঁড়াইতেন, পরবর্তী সময়ে তিনি দাঁড়াইতেন না বরং বসিয়া থাকিতেন।
রেওয়ায়ত ৩৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) কবরকে তাকিয়া বানাইতেন আর উহার উপর শুইতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমরা যাহা জানি তাহা হইল, মলমূত্র ত্যাগের জন্য কবরের উপর বসিতে নিষেধ...
রেওয়ায়ত ৩৫. আবু বকর ইবন উসমান ইবন সাহল ইবনে হুনায়ফ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি আবু উমামা ইবন সাহল ইবন হুনায়ফকে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমরা জানাযায় শরীক হইতাম, তবে লোকদের মধ্যে শেষ ব্যক্তিও বসিতেন না, যতক্ষণ না তাহাকে সকলে অন...
রেওয়ায়ত ৩৬. জাবির ইবনে আতিক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে রোগশয্যায় দেখিতে আসিলেন। তাহাকে রোগে কাহিল অবস্থায় পাইলেন। তিনি তাহাকে ডাকিলেন, কিন্তু তিনি কোন উ...
রেওয়ায়ত ৩৭. আমরা বিনত আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন- তাহার নিকট উল্লেখ করা হয় যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, জীবিত ব্যক্তির ক্ৰন্দনের কারণে মৃত ব্যক্তিকে আযাব...
রেওয়ায়ত ৩৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মুসলিমদের কাহারও তিনটি সন্তানের মৃত্যু হইলে তাহাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করিবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর...
রেওয়ায়ত ৩৯. আবূ নাযর[1] সালামী (রহঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মুসলিমদের কাহারও যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি উহাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তাহার জন্য (জ...
রেওয়ায়ত ৪০. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ সর্বদা মুমিনের উপর মুসিবত পৌছিয়া থাকে, তাহার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এইভাবে সে আল্লাহর সহিত...