হাদিসসমূহ
#198
সুনান আত-তিরমিজী - Salat (Prayer)
। বিলাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ ফযরের নামায ছাড়া অন্য কোন নামাযে ‘তাসবীব করো না। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭১৫) এ অনুচ্ছেদে আবূ মাহযুরা (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও আছে। আবূ ঈসা বলেন, আমরা শুধু আবূ ইসরাঈলের সূত্রে বিলাল (রাঃ)-এর হাদীসটি জানতে পেরেছি। অথচ আবূ ইসরাঈল হাকামের নিকট এ হাদীসটি কখনও শুনেননি। বরং তিনি হাসান ইবনু উমারার মাধ্যমে হাকামের নিকট হতে এ হাদীসটি সংগ্রহ করেছেন। আবূ ইসরাঈলের নাম ইসমাঈল ইবনু আবূ ইসহাক। তিনি হাদীস বিশারদদের মতে নির্ভরযোগ্য রাবী নন। তাসবীব শব্দের ব্যাখ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মাঝে মতপার্থক্য আছে। ইবনুল মুবারাক ও আহমাদের মতে, ফযরের আযানের 'আসসালাতু খাইরুম মিনান্ নাওম’ বাক্যটিকে তাসবীব বলা হয়। ইসহাকের মতে, আযানের পর যদি লোকেরা আসতে দেরি করে তবে আযান ও ইকামাতের মাঝখানে কাদ কামাতিস্ সালাহ, হাইয়াঅলাস্ সালাহ ও হাইয়া আলাল ফালাহ' বলে লোকদের ডাকার নাম হল তাসবীব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর লোকেরা এটা নতুনভাবে চালু করেছে বিধায় ইসহাকের উল্লেখিত এ তাসবীবকে আলিমগণ মাকরূহ বলেছেন। ইবনুল মুবারাক ও আহমাদ তাসবীবের (উপরের উল্লেখিত) যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেটাই নির্ভুল এবং সহীহ। ফজরের আযানে এ তাসবীব করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে একেই তাসবীব বলা হয়। আর আলিমগণ এ তাসবীবকেই পছন্দ করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি ভোরের নামাযের সময় আস-সালাতু খাইরুম মিনান্ নাওম' বলে (লোকদের) ডাকতেন। মুজাহিদ হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে কোন এক মসজিদে গেলাম। সেখানে আগেই আযান হয়ে গেছে। আমরা নামায আদায়ের উদ্দেশে সেখানে গিয়েছিলাম, এমন সময় মুয়াযযিন তাসবীব শুরু করে দিল। তা শুনা মাত্রই ইবনু উমর (রাঃ) এ বলতে বলতে মাসজিদ হতে বের হয়ে আসলেনঃ “এ বিদ'আতীর কাছ থেকে চলে আস।" তিনি সেখানে নামায আদায় করলেন না। পরবর্তী সময়ে লোকেরা যে তাসবীব আবিষ্কার করেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) এটাকে খুবই মন্দ জানতেন।
Metadata
- Edition
- সুনান আত-তিরমিজী
- Book
- Salat (Prayer)
- Hadith Index
- #198
- Book Index
- 50
Grades
- Ahmad Muhammad ShakirDaif
- Al-AlbaniDaif
- Zubair Ali ZaiDaif