হাদিসসমূহ
#6074
সহীহ বুখারী - Ethics
‘আওফ ইবনু মালিক ইবনু তুফায়ল ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর বৈপিত্রেয় ভ্রাতুষ্পুত্র হতে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জানানো হলো যে, তাঁর কোন বিক্রীর কিংবা দান করা সম্পর্কে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র(রাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! ‘আয়িশাহ অবশ্যই বিরত থাকবেন, নতুবা আমি নিশ্চয়ই তার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবো। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ সত্যিই কি তিনি এ কথা বলেছেন? তারা বললেনঃ হাঁ। তখন ‘আয়িশাহ(রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি আমার উপর মানৎ করে নিলাম যে, আমি ইবনু যুবায়রের সাথে আর কখনও কথা বলবো না। যখন এ বর্জনকাল লম্বা হলো, তখন ইবনু যুবায়র ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট সুপারিশ পাঠালেন। তখন তিনি বললেনঃ না, আল্লাহর কসম! এ ব্যাপারে আমি কখনো কোন সুপারিশ গ্রহণ করব না। আর আমার মানৎও ভাঙ্গব না। এভাবে যখন বিষয়টি ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর জন্য দীর্ঘ হতে লাগলো, তখন তিনি যহুরা গোত্রের দু’ব্যক্তি মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও ‘আবদুর রহমান ইবনু আসওয়াদ ইবনু আবদ ইয়াগুসের সাথে আলোচনা করলেন। তিনি তাদের দু’জনকে বললেনঃ আমি তোমাদের আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি যে, তোমরা দু’জন আমাকে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে যাও। কারণ আমার সাথে তাঁর বিচ্ছিন্ন থাকার মানৎ জায়িয নয়। তখন মিসওয়ার ও ‘আবদুর রহমান উভয়ে চাদর দিয়ে ইবনু যুবায়রকে ঢেকে নিয়ে এলেন এবং উভয়ে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে অনুমতি চেয়ে বললেনঃ আসসালামু আলাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু’ আমরা কি ভেতরে আসতে পারি? ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ আপনারা ভেতরে আসুন। তাঁরা বললেনঃ আমরা সবাই? তিনি বললেনঃ হাঁ, তোমরা সবাই প্রবেশ কর। তিনি জানতেন না যে, এদের সঙ্গে ইবনু যুবায়র রয়েছেন। তাই যখন তাঁরা ভেতরে প্রবেশ করলেন, তখন ইবনু যুবায়র পর্দার ভেতর ঢুকে গেলেন এবং ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জড়িয়ে ধরে, তাঁকে আল্লাহর কসম দিতে লাগলেন এবং কাঁদতে শুরু করলেন। তখন মিসওয়ার ও ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-ও তাঁকে আল্লাহর কসম দিতে শুরু করলেন। তখন ‘আয়িশাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর সঙ্গে কথা বললেন এবং তার ওযর গ্রহণ করলেন। আর তাঁরা বলতে লাগলেনঃ আপনি তো নিশ্চয়ই জানেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্ক বর্জন করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ কোন মুসলিমের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রাখা অবৈধ। যখন তাঁরা ‘আয়িশাহ -কে অধিক বুঝাতে ও চাপ দিতে লাগলেন, তখন তিনিও তাদের বুঝাতে ও কাঁদতে লাগলেন এবং বললেনঃ আমি ‘মানৎ’ করে ফেলেছি। আর মানৎ তো কঠিন ব্যাপার। কিন্তু তাঁরা বারবার চাপ দিতেই থাকলেন, অবশেষে তিনি ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে কথা বললেন এবং তার নযরের জন্য (কাফফারা হিসেবে) চল্লিশ জন গোলাম মুক্ত করে দিলেন। এর পরে, যখনই তিনি তাঁর মানতের কথা মনে করতেন তখন তিনি এত অধিক কাঁদতেন যে, তাঁর চোখের পানিতে তাঁর ওড়না ভিজে যেত। [৩৫০৩] (আধুনিক প্রকাশনী-৫৬৩৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني عوف بن مالك بن الطفيل هو ابن الحارث وهو ابن اخي عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم لامها ان عايشة حدثت ان عبد الله بن الزبير قال في بيع او عطاء اعطته عايشة والله لتنتهين عايشة، او لاحجرن عليها. فقالت اهو قال هذا قالوا نعم. قالت هو لله على نذر، ان لا اكلم ابن الزبير ابدا. فاستشفع ابن الزبير اليها، حين طالت الهجرة فقالت لا والله لا اشفع فيه ابدا، ولا اتحنث الى نذري. فلما طال ذلك على ابن الزبير كلم المسور بن مخرمة وعبد الرحمن بن الاسود بن عبد يغوث، وهما من بني زهرة، وقال لهما انشدكما بالله لما ادخلتماني على عايشة، فانها لا يحل لها ان تنذر قطيعتي. فاقبل به المسور وعبد الرحمن مشتملين بارديتهما حتى استاذنا على عايشة فقالا السلام عليك ورحمة الله وبركاته، اندخل قالت عايشة ادخلوا. قالوا كلنا قالت نعم ادخلوا كلكم. ولا تعلم ان معهما ابن الزبير، فلما دخلوا دخل ابن الزبير الحجاب، فاعتنق عايشة وطفق يناشدها ويبكي، وطفق المسور وعبد الرحمن يناشدانها الا ما كلمته وقبلت منه، ويقولان ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عما قد علمت من الهجرة، فانه لا يحل لمسلم ان يهجر اخاه فوق ثلاث ليال. فلما اكثروا على عايشة من التذكرة والتحريج طفقت تذكرهما نذرها وتبكي وتقول اني نذرت، والنذر شديد. فلم يزالا بها حتى كلمت ابن الزبير، واعتقت في نذرها ذلك اربعين رقبة. وكانت تذكر نذرها بعد ذلك فتبكي، حتى تبل دموعها خمارها
Metadata
- Edition
- সহীহ বুখারী
- Book
- Ethics
- Hadith Index
- #6074
- Book Index
- 103
Grades
- -
