হাদিসসমূহ
#4815
সহীহ বুখারী - Prophetic Commentary on the Qur'an
سُوْرَةُ الْمُؤْمِنِ সূরাহ (৪০) : আল-মু’মিন (গাফির) قَالَ مُجَاهِدٌ (حم)مَجَازُهَا مَجَازُ أَوَائِلِ السُّوَرِ وَيُقَالُ بَلْ هُوَ اسْمٌ لِقَوْلِ شُرَيْحِ بْنِ أَبِيْ أَوْفَى الْعَبْسِيِّ يُذَكِّرُنِيْ حَامِيْمَ وَالرُّمْحُ شَاجِرٌ فَهَلَّا تَلَا حاميم قَبْلَ التَّقَدُّمِ (الطَّوْلِ) التَّفَضُّلُ (دَاخِرِيْنَ) خَاضِعِيْنَ وَقَالَ مُجَاهِدٌ (إِلَىالنَّجَاةِ) الإِيْمَانُ (لَيْسَلَهُدَعْوَةٌ) يَعْنِي الْوَثَنَ (يُسْجَرُوْنَ) تُوْقَدُ بِهِمْ النَّارُ (تَمْرَحُوْنَ) تَبْطَرُوْنَ وَكَانَ الْعَلَاءُ بْنُ زِيَادٍ يُذَكِّرُ النَّارَ فَقَالَ رَجُلٌ لِمَ تُقَنِّطْ النَّاسَ قَالَ وَأَنَا أَقْدِرُ أَنْ أُقَنِّطَ النَّاسَ وَاللهُ عَزَّ وَجَلَّ يَقُوْلُ (قُلْ يٰعِبَادِيَ الَّذِيْنَ أَسْرَفُوْا عَلٰٓى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوْا مِنْ رَّحْمَةِ اللهِ)وَيَقُوْلُ (وَأَنَّ الْمُسْرِفِيْنَ هُمْ أَصْحَابُ النَّارِ) وَلَكِنَّكُمْ تُحِبُّوْنَ أَنْ تُبَشَّرُوْا بِالْجَنَّةِ عَلَى مَسَاوِئِ أَعْمَالِكُمْ وَإِنَّمَا بَعَثَ اللهُ مُحَمَّدًا e مُبَشِّرًا بِالْجَنَّةِ لِمَنْ أَطَاعَهُ وَمُنْذِرًا بِالنَّارِ مَنْ عَصَاهُ. মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, অন্যান্য সূরাতে حم শব্দটি যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, এখানেও তা একইভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন حم এই সূরার নাম। এর প্রমাণস্বরূপ তাঁরা শুরায়হ্ ইবনু আবূ আওফা আবসীর কবিতাটি পেশ করছেন। তিনি বলেছেনيُذَكِّرُنِيْ حاميم وَالرُّمْحُ شَاجِرٌ فَهَلَّا تَلَا حاميم قَبْلَ التَّقَدُّمِ (জঙ্গে জামালের মধ্যে) বর্শা যখন উভয় দিক থেকে বর্ষিত হচ্ছিল, তখন আমার حَامِيْمَ স্মরণ এল। হায়! যুদ্ধে আসার পুর্বে কেন حم পাঠ করা হল না। الطَّوْلِ সম্মানিত হওয়া। دَاخِرِيْنَ অর্থ خَاضِعِيْنَ লাঞ্ছিত বা বিনয়ী। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, إِلَى النَّجَاةِ এর النَّجَاةঅর্থ الإِيْمَانُঈমান। لَيْسَ لَهُ دَعْوَةٌ -এর لَهُ মানে প্রতিমা। يُسْجَرُوْنَ তাদের জন্য আগুন জ্বালানো হবে تَمْرَحُوْنَ তোমরা দম্ভ করতে। আলা ইবনু যিয়াদ (রহ.) লোকদেরকে জাহান্নামের ভয় দেখাতেন। ফলে এক ব্যক্তি তাকে প্রশ্ন করলেন, আপনি লোকদের নিরাশ করে দিচ্ছেন কেন? তিনি বললেন, আমি কি (আল্লাহর রহমত থেকে) লোকদের নিরাশ করে দিতে পারি! কেননা, আল্লাহ্ বলেছেন, ‘‘হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।’’ আরও বলেছেন, ‘‘সীমাতিক্রমকারীরাই জাহান্নামের অধিবাসী।’’ বস্তুত তোমরা চাও, পাপাচারে লিপ্ত থাকা সত্ত্বেও তোমাদের জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হোক। কিন্তু তোমরা জেনে রেখ, আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ঐ সমস্ত লোকদের সুসংবাদদাতারূপে পাঠিয়েছেন, যারা তাঁর আনুগত্য করে এবং যারা তাঁর নাফরমানী করবে তাদের জন্য তিনি ভয় প্রদর্শনকারী। ৪৮১৫. ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর ইবনুল আ‘স (রাঃ)-কে বললাম, মুশরিকরা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কঠোরতম কী আচরণ করেছে, সে সম্পর্কে আপনি আমাকে বলুন। তিনি বললেন, একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বার আঙ্গিণায় সালাত আদায় করছিলেন। এমন সময় ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু’আইত আসল এবং সে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘাড় ধরল এবং তার কাপড় দিয়ে তাঁর গলায় পেচিয়ে খুব শক্ত করে চিপা দিল। এ সময় আবূ বক্র (রাঃ) হাজির হয়ে তার ঘাড় ধরে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাকে সরিয়ে দিলেন এবং বললেন, তোমরা কি এ ব্যক্তিকে এ জন্য হত্যা করবে যে সে বলে ‘আমার রব আল্লাহ্’; অথচ তিনি তোমাদের রবের নিকট থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণ সহকারে তোমাদের কাছে এসেছেন। [৩৬৭৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Metadata
- Edition
- সহীহ বুখারী
- Book
- Prophetic Commentary on the Qur'an
- Hadith Index
- #4815
- Book Index
- 337
Grades
- -