হাদিসসমূহ
#1409
মুয়াত্তা ইমাম মালিক - Judgements
মালিক (রহঃ) বলেন যে, যদি কোন বস্তু রেহেন রাখার পর তাহা রেহেন গ্রহীতার নিকট নষ্ট হইয়া যায় এবং রাহেন ও মুরতাহেন উভয়ই রেহেনের বস্তু ও পরিমাণ সম্পর্কে কোন দ্বিমত রাখে না, কিন্তু রেহেনের বস্তুর মূল্যে তাহাদের মতভেদ হয়, যেমন রাহেন বলে যে, তাহার মূল্য বিশ দীনার আর মুরতাহেন বলে যে, তাহার মূল্য দশ দীনার অথচ রেহেনকৃত বস্তুর মূল্য বিশ দীনারই ছিল। এই অবস্থায় রেহেন গ্রহীতাকে বলা হইবে যে, তুমি রেহেনের গুণ বর্ণনা কর। যদি সে বর্ণনা করে তবে তাহাকে এই ব্যাপারে কসমও দেওয়া হইবে। অতঃপর এই ব্যাপারে ওয়াকিফহাল এমন লোক তাহার মূল্য নির্ণয় করবে। যদি নির্ণয় করার মূল্য রেহেনের বস্তুর মূল্যের চাইতে অধিক হয় তবে মুরতাহেনকে বলা হইবে যে, অবশিষ্ট মূল্য রেহেনদাতাকে ফেরত দিয়া দাও। আর যদি সেই নির্ধারিত মূল্য রেহেনের বস্তুর মূল্যের চাইতে কম হয় তবে অবশিষ্ট মূল্য রাহেনকে ফেরত দিতে বলা হইবে। আর যদি সমান হয় তবে আর কোন কথাই থাকিবে না। মালিক (রহঃ) বলেন যে, দুইজনের মধ্যে যদি মতভেদ হয় রেহেনদাতা বলে যে, তোমার কাছে উহা আমি দশ দীনার রেহেন রাখিয়াছি, আর রেহেন গ্রহীতা বলে যে, আমি তোমার নিকট হইতে উহা বিশ দীনার প্রদান করার পরিবর্তে গ্রহণ করিয়াছি। আর জিনিস গ্রহীতার নিকট আছে, এই অবস্থায় গ্রহীতাকে কসম দেওয়া হইবে। অতঃপর যদি ঐ অর্থের অংক রেহেনের বস্তুর মূল্যের সমান হয় তবে তো কোন কথাই নাই। আর যদি গ্রহীতার দাবি বিশ দীনার উহা হইতে মূল্য কম হয় তবে রেহেনদাতাকে কসম দেওয়া হইবে। সে মুরতাহেনের হক আদায় করিয়া তাহা (রেহেন বস্তু) গ্রহণ করিতেও পারে, নাও করিতে পারে। উহা দিয়া মুরতাহেন ডাহার হক গ্রহণ করিবে। মুরতাহেনকেই প্রথমে কসম দেওয়ান উত্তম, কারণ রেহেনের বস্তুটি তাহার কবজায় আছে। মালিক (রহঃ) বলেন যে, যদি রেহেন বিশ দীনার হইতে কম হয় তবে রেহেন গ্রহীতাকে কসম দেওয়া হইবে। অতঃপর রেহেনদাতাকে বলা হইবে যে, তোমার এখন ইচ্ছা বিশ দীনার আদায় করিয়া নিজ বস্তু লইয়া যাইবে অথবা নিজেও কসম করিবে যে, এত অর্থে আমি উহা রেহেন রাখিয়াছিলাম। যদি কসম করিয়া নেয় তবে রেহেনগ্রহীতা রেহেনের বস্তুর চাইতে যতদূর কর্জের কথা অধিক বলিয়াছিল তাহা তাহার জিম্মী হইতে উঠিয়া যাইবে। আর যদি কসম না করে তবে তাহাকে মুরতাহেনের দাবি যাহা তাহা দিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি রেহেনের বস্তু নষ্ট হইয়া যায় এবং তাহাদের নিজ নিজ দাবির মধ্যে মতভেদ হইয়া যায় যেমন রেহেনগ্রহীতা বলে যে, রেহেনের অর্থ বিশ দীনার ছিল। আর রেহেনের মূল্য মাত্র দশ দীনার ছিল। পক্ষান্তরে রেহেনদাতা বলে যে, রেহেনের বস্তুর মূল্য বিশ দীনার এবং রেহেনের বাবদে প্রদত্ত অর্থ দশ দীনার ছিল, তবে এই অবস্থায় রেহেন গ্রহীতাকে বলা হইবে যে, তুমি রেহেনের বস্তুর বর্ণনা দাও। অতঃপর অভিজ্ঞ লোকগণ বর্ণনা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করবে। যদি মূল্য বিশ দীনারের চাইতে অধিক হয় তবে রেহেনগ্রহীতাকে হলফ করাইয়া যতদূর বেশি হয় দাতাকে দেওয়া হইবে। আর যদি বিশ দীনার হইতে কম হয় তবে রেহেন গ্রহীতাকে কসম দেওয়া হইবে। মূল্য যাহা আদায় হইয়াছে তাহা তো গ্রহীতার, আর বাকির জন্য দাতার নিকট হইতে কসম লওয়া হইবে। যদি সে কসম করে তবে গ্রহীতা দাতার নিকট হইতে কিছুই নিতে পারিবে না। আর কসম না করিলে বিশ দীনার হইতে যত কম তত দীনার দাতার দিতে হইবে।
قال يحيى قال مالك عن جميل بن عبد الرحمن الموذن، انه كان يحضر عمر بن عبد العزيز وهو يقضي بين الناس فاذا جاءه الرجل يدعي على الرجل حقا نظر فان كانت بينهما مخالطة او ملابسة احلف الذي ادعي عليه وان لم يكن شىء من ذلك لم يحلفه . قال مالك وعلى ذلك الامر عندنا انه من ادعى على رجل بدعوى نظر فان كانت بينهما مخالطة او ملابسة احلف المدعى عليه فان حلف بطل ذلك الحق عنه وان ابى ان يحلف ورد اليمين على المدعي فحلف طالب الحق اخذ حقه
Metadata
- Edition
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক
- Book
- Judgements
- Hadith Index
- #1409
- Book Index
- 11
Grades
- Salim al-HilaliMaqtu Hasan
