হাদিসসমূহ
#1363
মুয়াত্তা ইমাম মালিক - Business Transactions
রেওয়ায়ত ৭৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা হইতে নিষেধ করিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুলামাসা হইতেছে এই, এক ব্যক্তি বস্ত্র স্পর্শ করিল সে উহা খুলিয়া দেখিল না এবং উহাতে কি দোষ-গুণ রহিয়াছে তাহাও বর্ণনা করা হয় নাই। কিংবা রাত্রিতে উহা ক্রয় করিল উহাতে কি আছে তাহা সে জ্ঞাত নহে। আর মুনাবাযা হইল, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দিকে তাহার বস্ত্র ছুড়িয়া মারিল, অপর ব্যক্তিও তাহার বস্ত্র ইহার দিকে ছুড়িয়া মারিল, কোন প্রকার চিন্তা-ভাবনা না করিয়া (ইহা করিল) এবং একে অপরকে বলিল-ইহা উহার বিনিময়ে (বেচাকেনা হইয়াছে)। হাদীসে নিষেধ করা হইয়াছে মুলামাসা ও মুনাবাযা হইতে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ‘সাজ’ যাহা ঝোলাতে আবদ্ধ রহিয়াছে কিংবা থানবন্দী কিবতী[1] বস্ত্র এতদুভয়কে না খুলিয়া এবং ভিতরে কি রহিয়াছে না দেখিয়া বিক্রয় করা জায়েয নহে। কারণ [এই অবস্থায়] এতদুভয়ের বিক্রয় ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং ইহা হইতেছে নিষিদ্ধ মুলামাসার একটি রূপ।মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন-বস্তা বা গাঁইটবন্দী মাল ফর্দ সম্বলিত অবস্থায় বিক্রয় করা ঝোলাতে সাজ বস্ত্র বা থানে কাপড় বা এতদুভয়ের সদৃশ কোন বস্তু বিক্রয় করার মতো নহে। এতদুভয়ের মধ্যে পার্থক্য এই—ব্যবহারে ইহার প্রচলন ও পরিচয় রহিয়াছে। (উলামা শ্রেণীর) লোকের সীনাতে ইহার অর্থাৎ বিষয়টি তাহাদের জানা আছে। পূর্বের মনীষী ও উলামা ইহার মতো কাজ করিয়াছেন এবং লোকের মধ্যে বৈধ বিক্রয় হিসাবে সর্বদা ইহা চালু রহিয়াছে। অন্যপক্ষে তাহারা ইহাতে কোন দোষ মনে করেন না। কারণ গাইট বা বস্তা ফর্দ সম্বলিত অবস্থায় উহাকে না খুলিয়া বিক্রয় করাতে ধোঁকার কোন ইচ্ছা করা হয় না। ইহা মুলামাসার অন্তর্ভুক্ত নহে।
Metadata
- Edition
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক
- Book
- Business Transactions
- Hadith Index
- #1363
- Book Index
- 25
Grades
- Salim al-HilaliSahih