হাদিসসমূহ
#1229
মুয়াত্তা ইমাম মালিক - Divorce
রেওয়ায়ত ৭১. সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) বলিয়াছেনঃ মুসতাহাজা (রোগের কারণে যাহার অনিয়মিত স্রাব হয়) ঐ নারীর ইদ্দত হইতেছে এক বৎসর। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোক সম্পর্কে আমাদের মাস'আলা হইল, এই তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর যেই স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হইয়া যায়, সে নয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করিবে। এই নয় মাসের মধ্যে ঋতুস্রাব না হইলে তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করিবে। আর তিন মাস পূর্ণ করার পূর্বে যদি ঋতুস্রাব হয় তবে পুনরায় হায়য-এর ইদ্দত পালন শুরু করবে। কিন্তু যদি হায়য আসার পূর্বে নয় মাস পূর্ণ হইয়া যায় তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তৃতীয় মাসে উপনীত হইয়াছে এমন অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব হয় তবে সে ইদ্দতের সময় পূর্ণ করিয়াছে। অন্য পক্ষে যদি তাহার ঋতুস্রাব না হয় তবে তিনমাস ইদ্দত পূর্ণ করিবে। তারপর অন্য স্বামীর রুজু করার অধিকার থাকিবে, কিন্তু যদি সে বায়েন তালাক দিয়া থাকে তবে আর রুজু করিতে পারিবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সুন্নাত (নিয়ম হইল) এই যে, যদি কোন লোক তাহার স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার (রুজু করা) ইখতিয়ারও তাহার থাকে, এমতাবস্থায় স্ত্রী কিছু ইদ্দত পালন করিয়াছে। অতঃপর স্বামী তাহার প্রতি রুজু করিয়াছে এবং তাহাকে স্পর্শ করার পূর্বে পুনরায় তালাক দিয়াছে। তবে সেই স্ত্রী ইদ্দতের যাহা অতীত হইয়াছে উহার উপর ভিত্তি করিবে না বরং সে তাহাকে (দ্বিতীয়বার) তালাক দেওয়ার দিন হইতে নূতনভাবে ইদ্দত পালন করিবে, তাহার স্বামী এইরূপ করিয়া নিজের ক্ষতি করিয়াছে এবং তাহার আবশ্যক না থাকিলে স্ত্রীর দিকে রুজু করিয়া সে ভুল করিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে তাহার স্বামী (তখনও) কাফের। তারপর স্বামীও ইসলাম গ্রহণ করিল, তবে আমাদের নিকট ফয়সালা হইতেছে এইঃ ইদ্দতে থাকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাহার স্বামী তাহার হকদার হইবে, আর যদি ইদ্দত শেষ হইয়া যায় তবে তাহার জন্য স্ত্রীকে পাওয়ার কোন পথ নাই। আর যদি ইদ্দত সমাপ্তির পর তাহাকে বিবাহ করে তবে পূর্বে প্রদত্ত তালাক তালাক বলিয়া গণ্য হইবে না। এই ঘটনায় স্ত্রীকে বিচ্ছেদ করাইয়াছে ইসলাম গ্রহণ, তালাক নহে।
Metadata
- Edition
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক
- Book
- Divorce
- Hadith Index
- #1229
- Book Index
- 26
Grades
- Salim al-HilaliMaqtu Sahih