হাদিসসমূহ
#1088
মুয়াত্তা ইমাম মালিক - Fara'id
রেওয়ায়ত ১৫. রবীয়া ইবন আবু আবদুর রহমান (রহঃ) একাধিক আলেম সূত্রে বর্ণনা করেন যে, জামাল যুদ্ধে, সিফফীন যুদ্ধে এবং হাররা দিবসে যাহারা নিহত হইয়াছেন তাহারা মীরাস পান নাই। এরপর ফুদাইদ দিবসে যাহারা নিহত হইয়াছে তাহারাও একে অপরের মীরাস পান নাই। কিন্তু মীরাস পাইবে সেই ক্ষেত্রে যেই ক্ষেত্রে নিশ্চিত জানা গিয়াছে যে, তিনি তাহার সাথির পূর্বে নিহত হইয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ আমি মালিক (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, আমাদের উলামায়ে কিরামের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন বিরোধ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কয়েকজন পানিতে ডুবিয়া অথবা মাটিতে ধ্বসিয়া মৃত্যুবরণ করে অথবা নিহত হয়, আর কে আগে কে পরে[1] মৃত্যুবরণ করিয়াছে তাহা অজ্ঞাত থাকে, তবে তাহারা একে অন্যের ওয়ারিস হইবে না, বরং প্রত্যেকের মাল তাহাদের ওয়ারিসগণ পাইবে, যাহারা জীবিত রহিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেহ সন্দেহস্থলে কাহারও ওয়ারিস হইবে না, ওয়ারিস হওয়ার জন্য নিঃসন্দেহ হওয়া প্রয়োজন। যেমন কেহ মৃত্যুবরণ করিল, আর সে তাহার যে দাসকে মুক্ত করিয়াছিল সেও মৃত্যুবরণ করিল, এখন যদি এই সন্তান বলে যে, আমার পিতা এই দাসের ওয়ারিস হইবে তবে তাহা ততক্ষণ পর্যন্ত সাব্যস্ত হইবে না যতক্ষণ না সে সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করিবে যে, ঐ দাস তাহার পিতার পূর্বে মারা গিয়াছে। যদি প্রমাণ করিতে না পারে তবে ঐ দাসের জীবিত ওয়ারিসগণ তাহার মাল পাইবে।মালিক (রহঃ) বলেন, অনুরূপভাবে যদি দুই সহোদর ভাই মারা যায় যাহাদের একজনের সন্তান রহিয়াছে অন্যজন নিঃসন্তান, আর তাহদের উভয়ের একজন সৎ ভাইও রহিয়াছে। কিন্তু ইহা জানা যায় নাই যে, প্রথমে কোন ভাই মরিয়াছে। এখন নিঃসন্তান ভাই-এর মাল তাহার সৎ ভাই পাইবে, তাহার ভাতিজারা পাইবে না। এইরূপে ফুফু ভাতিজা একত্রে মারা গেলে বা চাচা ভাতিজা একত্রে মারা গেলে আর কে আগে মারা গিয়াছে তাহা জানা নাই, তবে চাচা স্বীয় ভাতিজার এবং ভাতিজা স্বীয় ফুফুর ওয়ারিস হইবে না।
Metadata
- Edition
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক
- Book
- Fara'id
- Hadith Index
- #1088
- Book Index
- 15
Grades
- Salim al-HilaliMaqtu Sahih