হাদিসসমূহ
#942
মুয়াত্তা ইমাম মালিক - Hajj
রেওয়ায়ত ২৪২. কাব ইবন উজরা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসিলেন। আমি চুলায় আগুন ধরাইয়া সঙ্গীদের জন্য রান্না-বান্নায় ব্যস্ত ছিলাম। আমার মাথা ও দাড়ি উকুনে ভরা ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পেরেশানী অনুভব করিয়া আমার ললাটে হাত রাখিলেন এবং বলিলেনঃ চুল কাটিয়া ফেল এবং তিনদিন রোযা রাখ বা ছয় জন মিসকীনকে খাদ্য দিয়া দাও। আর আমার নিকট কুরবানী করার মত কিছু ছিল না, এই কথা তিনি জানিতেন। মালিক (রহঃ) বলেন, অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কিছু ফিদয়া দিবে না। কারণ অপরাধ করার পরই শুধু কাফফারা ওয়াজিব হইয়া থাকে। কাফফারার বেলায় কুরবানী বা রোযা বা মিসকীনকে খাদ্য প্রদান, এই তিনটির যেকোন একটি এবং মক্কা বা মক্কার বাহিরে যেকোন শহরে উহা আদায় করার ইখতিয়ার রহিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহরাম না খোলা পর্যন্ত মুহরিমের জন্য চুল উপড়ান বা কামানো বা ছাটা কিছুই জায়েয নহে। চুলে উকুন ইত্যাদি হইয়া গেলে উহা জায়েয। কিন্তু উহার পরিবর্তে আল্লাহর নির্দেশমত ফিদয়া দিতে হইবে। মুহরিমের জন্য নখ কাটা, উকুন মারা বা মাথার চুল হইতে উকুন বাহির করিয়া মাটিতে ফেলিয়া দেওয়া বা শরীর ও কাপড়ের উকুন বাহির করা জায়েয নহে। এইরূপ করিলে এক মুষ্টি খাদ্য খয়রাত করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নাকের চুল বা বগলতলা বা নাভীর নিচের লোম চিমটি দ্বারা উপড়ায় অথবা মাথায় যখম হওয়ার দরুন প্রয়োজনের খাতিরে চুল কামায় বা সিঙ্গা লাগাইবার উদ্দেশ্যে গর্দানের চুল কাটে, এইসব জানিয়া করুক বা ভুলবশত করুক, সকল অবস্থায়ই তাহার জন্য ফিদয়া দেওয়া ওয়াজিব। সিঙ্গা লাগানো স্থানের চুল কামানো মুহরিমের জন্য জায়েয নহে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অজ্ঞতার দরুন যদি কেউ কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বেই মাথার চুল কামাইয়া ফেলে তবে তাহাকে ফিদয়া দিতে হইবে।
Metadata
- Edition
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক
- Book
- Hajj
- Hadith Index
- #942
- Book Index
- 15
Grades
- Salim al-HilaliSahih Lighairihi