হাদিসসমূহ
#817
মুয়াত্তা ইমাম মালিক - Hajj
রেওয়ায়ত ১১৯. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি দুই সাবআর মাঝখানে নামায না পড়িয়া উভয়কে একত্র করিতেন না, বরং তিনি প্রত্যেক সাবআর পর দুই রাকাআত নামায পড়িতেন মাকামে ইবরাহীমের নিকট, আর কখনও পড়িতেন অন্যত্র।[1] মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ কেউ যদি কয়েক সাব্আর পর একত্রে সবগুলির নামায আদায় করে তবে তাহা জায়েয হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ জায়েয হইবে না। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাকাআত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ভুল করিয়া যদি কেউ আট বা নয় চক্কর (তাওয়াফ) দিয়া ফেলে তবে যখনই মনে পড়িবে তাওয়াফ ছাড়িয়া দিবে এবং দুই রাকাআত নামায আদায় করিয়া নিবে। অতিরিক্ত তাওয়াফগুলি ধর্তব্যের বলিয়া মনে করিবে না এবং দুই সাবআ সমাধা করিয়া পরে একত্রে নামায আদায় করা সঙ্গত নহে। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাকাআত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ করিয়া দুই রাকাআত নামায আদায় করার পর সাত তাওয়াফ (চক্কর) পুরা হয় নাই বলিয়া যদি কাহারও মনে সন্দেহ হয় তবে তাহাকে ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস)-এর উপর ভিত্তি করিয়া তাওয়াফ পুরা করিয়া আবার দুই রাকাআত নামায আদায় করিতে হইবে। কারণ সাত চক্কর পূর্ণ করার পরই তাওয়াফের নামায পড়িতে হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ বা সায়ী করার সময় যদি কাহারও ওযু নষ্ট হইয়া যায়, তবে ওযু করিয়া পুনরায় নূতন করিয়া তাওয়াফ করিবে এবং সায়ীর যে কয় চক্কর অবশিষ্ট ছিল তাহা পুরা করিবে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ ওযু নষ্ট হওয়ার দরুন সায়ী বাতিল হয় না। তবে সায়ী শুরু করার সময় ওযু করিতে হয়।
Metadata
- Edition
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক
- Book
- Hajj
- Hadith Index
- #817
- Book Index
- 113
Grades
- Salim al-HilaliMaqtu Sahih