Loading...
Loading...
বইসমূহ
170 হাদিসসমূহ
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ তার বসার স্থান থেকে উঠে গিয়ে আবার ফিরে এলে সে-ই উক্ত স্থানের অধিক হকদার।
। জাওদান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের নিকট ওযর বা অপারগতা প্রকাশ করলে এবং সে তা গ্রহণ না করলে, সে কর আদায়কারীর অপরাধের সমান অপরাধী গণ্য হবে। ২/৩৭...
। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ইনতিকালের এক বছর পূর্বে আবূ বাকর (রাঃ) ব্যবসা উপলক্ষে বুসরা যান। নুআইমান (রাঃ) এবং হারমালার পুত্র সুয়াইবিত তার সাথে ছিলেন। তারা উভয়ে বদর...
। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে মেলামেশা করতেন, এমনকি তিনি আমার এক ছোট ভাইকে বলতেনঃ হে আবূ উমাইর! কী করেছে নুগাইর? ওয়াকী‘ (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ যে পাখিটি নিয়ে আবূ...
। আমর ইবনে শুআইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদা চুল উপড়াতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ এটা মুমিনের নূর।
। ইবনে বুরাইদা (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছায়া ও রোদের মাঝামাঝি বসতে নিষেধ করেছেন।
। কায়েস ইবনে তিখফা (তাহ্ফা) আল-গিফারী (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মসজিদে উপুড় হয়ে শোয়া অবস্থায় পেলেন। তিনি তাঁর পা দ্বারা আমাকে খোঁচা মেরে বলেনঃ তোমার এ...
। আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পাশ দিয়ে গেলেন। তিনি আমাকে তাঁর পা দ্বারা খোঁচা মেরে বলেনঃ হে জুনাইদিব! এটা তো জাহান্নামীর শয়ন।
। আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে উপুড় হয়ে শায়িত এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যেতে তাঁর পা দ্বারা তাকে খোঁচা মেরে বলেনঃ দাঁড়াও অথবা বসো! কেননা এটা জাহান্নামীর শয়ন।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করলো, সে যেন যাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করলো, এখন তা যত বাড়ায় বাড়াক।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। কারণ তা আল্লাহর রহমতের অন্তর্ভুক্ত, তা রহমত ও শাস্তি বয়ে আনে। তোমরা আল্লাহর নিকট এর মধ্যে নিহিত কল...
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মহান আল্লাহর নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় নাম হলো আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান।
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইনশাআল্লাহ আমি বেঁচে থাকলে রাবাহ, নাজীহ, আফলাহ, নাফে‘ ও ইয়াসার নাম রাখতে নিষেধ করবো।
। সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দাসদের চারটি নামে নামকরণ করতে নিষেধ করেছেনঃ আফলাহ, নাফে‘ রাবাহ ও ইয়াসার।
। মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) -এর সাথে সাক্ষাত করলে তিনি বলেন, তুমি কে? আমি বললাম, মাসরূক ইবনুল আজদা‘। উমরা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ...
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। যয়নব (রাঃ)-র নাম ছিলো বাররাহ (পুণ্যবতী)। এতে বলাবলি হলো যে, তিনি নিজেই নিজের পবিত্রতা প্রকাশ করছেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখলেন যয়নব।
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উমার (রাঃ) -র এক কন্যাকে আসিয়া (গুনাহগার) নামে ডাকা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখলেন জামীলা (সুন্দরী)।
। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হলাম, তখন আমার নাম রাখেন আবদুল্লাহ ইবনে সালাম।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না।
। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না।