Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৯ হাদিসসমূহ
মুহাম্মদ ইব্ন বাশার (রহঃ) ... শুরায়হ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি উমর (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন লিখলেন। জবাবে তিনি তাঁকে লিখেন, তুমি মীমাংসা কর, যা আল্লাহর কিতাবে রয়েছে, তা দ্বারা; যদি আল্লাহর কিতাবে তা না থাকে, তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নত দ্বারা; আর যদি ঐ বিষয়টি আল্লাহর কিতাব এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নতে পাওয়া না যায়, তবে নেক্কারগণ যে মীমাংসা করেছেন, তা দ্বারা মীমাংসা কর। আর যদি তা আল্লাহর কিতাবে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নতে না থাকে এবং নেক্কার লোকেরাও এমন কোন মীমাংসা না দিয়ে থাকেন, তবে তোমার ইচ্ছা হলে সামনে অগ্রসর হবে, আর ইচ্ছা হলে স্থগিত রাখবে। আমার মতে, তোমার স্থগিত রাখাই উত্তম। তোমাদের প্রতি সালাম।
اخبرنا محمد بن بشار، قال حدثنا ابو عامر، قال حدثنا سفيان، عن الشيباني، عن الشعبي، عن شريح، انه كتب الى عمر يساله فكتب اليه ان اقض بما في كتاب الله فان لم يكن في كتاب الله فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم فان لم يكن في كتاب الله ولا في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقض بما قضى به الصالحون فان لم يكن في كتاب الله ولا في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يقض به الصالحون فان شيت فتقدم وان شيت فتاخر ولا ارى التاخر الا خيرا لك والسلام عليكم
হুসায়ন ইবন হুরায়স (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈসা ইবন মারয়াম (আঃ)-এর পর এমন কয়েকজন বাদশাহ ছিলেন, যারা তাওরাত এবং ইঞ্জিলে পরিবর্তন সাধন করেন। তাদের মধ্যে এমন কিছু ঈমানদার লোকও ছিলেন, যারা তাওরাত পাঠ করতেন। তখন তাদের বাদশাহদেরকে বলা হলো—এ সকল লোক আমাদেরকে যে গালি দিচ্ছে, এর চেয়ে কঠিন গালি আর কি হতে পারে? তারা পাঠ করেঃ “যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দ্বারা মীমাংসা করে না, তারা কাফির। তাদের পড়ার মধ্যে থাকে এই আয়াত এবং ঐ সকল আয়াত, যাতে আমাদের কর্মকাণ্ডের দোষ প্রকাশ পায়। তাদেরকে আহবান করুন, তারা যেন আমরা যেরূপ পাঠ করি, সেরূপ পাঠ করে, আর আমরা যেরূপ ঈমান এনেছি, সেরূপ ঈমান আনে। বাদশাহ তাদের সকলকে ডেকে একত্র করলেন এবং তাদের সামনে পেশ করলেন যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে, যদিনা তারা তাওরাত ও ইঞ্জিল পাঠ ত্যাগ করে, তবে ঐ সকল আয়াত ব্যতীত, যা পরিবর্তন হয়েছে। তারা বললোঃ এর দ্বারা তোমাদের উদ্দেশ্য কী? আমাদেরকে আমাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। তাদের একদল বললোঃ আমাদের জন্য একটি স্তম্ভ তৈরি কর, এরপর আমাদেরকে তাতে চড়িয়ে দাও এবং আমাদেরকে এমন কিছু দান কর, যা দ্বারা আমরা আমাদের খাদ্য ও পানীয় উঠিয়ে নিতে পারি, তা হলে আমরা আর তোমাদের নিকট আসবো না। তাদের আর একদল বললোঃ আমাদেরকে ছেড়ে দাও, আমরা পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াবে এবং বন্য পশুর ন্যায় আহার ও পান করবো। আর এরপর যদি তোমাদের দেশে আমাদেরকে পাও, তবে আমাদেরকে হত্যা করো। তাদের আর একদল বললোঃ মরুভূমিতে আমাদের জন্য গির্জা তৈরি করে দাও। আমরা কূপ খনন করবো এবং তরি-তরকারি ফলাব, আমরা তোমাদের কাছেও আসবাে না এবং তোমাদের পাশ দিয়ে কোথাও যাব না। আর এমন কোন গোত্র ছিল না, যাতে তাদের আত্মীয়-স্বজন না ছিল। পরে তারা এরূপই করলো। তখন আল্লাহ্ তা'আলা আয়াত নাযিল করেনঃ “তারা নিজেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য সন্যাসবাদ প্রবর্তন করেছিল। আমি তাদেরকে এর বিধান দেইনি, অথচ তারা তাও যথাযথভাবে পালন করেনি” (হাদীদঃ ২৭)। অন্যান্য লোকেরা বলতে লাগলোঃ আমরাও ইবাদত-বন্দেগী করব, যেমন অমুক করে থাকে, আমরাও ভ্রমণ করব, যেমন অমুক ভ্রমণ করে থাকে এবং আমরাও গির্জা তৈরি করব, যেমন অমুক লোকেরা করে থাকে। অথচ তারা শিরকে পতিত ছিল, তারা যাদের অনুকরণ করছিল, তাদের ঈমান সম্বন্ধেও অবহিত ছিল না। যখন আল্লাহ্ তা'আলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রেরণ করলেন, তখন তাদের মধ্যে কিছু লোক অবশিষ্ট ছিল। তাদের মধ্যে যে ইবাদতখানায় ছিল, সে ইবাদতখানা হতে নেমে আসলো, ভ্রমণকারী তার ভ্রমণ হতে ফিরে আসলো, গির্জাবাসী তার গিজা হতে নেমে আসলো। তারা তাঁর প্রতি ঈমান আনলো এবং তাকে বিশ্বাস করলো। এ সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন, “হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনয়ন কর, তা হলে তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমতে দ্বিগুণ দান করবেন (হাদীদঃ ২৮)। এক তো ঈসা (আঃ)-এর উপর ঈমান আনয়ন ও তাওরাত-ইঞ্জিলে বিশ্বাস স্থাপনের কারণে। আর দ্বিতীয়ত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর ঈমান আনা এবং তাঁকে সত্যবাদী জানার কারণে। আল্লাহ্ বলেন, “তিনি তোমাদেরকে দেবেন আলো, যার সাহায্যে তোমরা চলবে [অর্থাৎ কুরআন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ] যেন আহলে কিতাব জানতে পারে, আল্লাহর সামান্যতম অনুগ্রহের উপরও তাদের কোন অধিকার নেই। (হাদীদঃ ২৮), অর্থাৎ যেই কিতাবীগণ তোমাদের অনুকরণ করে, অথচ ঈমান আনে না, তারা ।
اخبرنا الحسين بن حريث، قال انبانا الفضل بن موسى، عن سفيان بن سعيد، عن عطاء بن السايب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كانت ملوك بعد عيسى ابن مريم عليه الصلاة والسلام بدلوا التوراة والانجيل وكان فيهم مومنون يقرءون التوراة قيل لملوكهم ما نجد شتما اشد من شتم يشتمونا هولاء انهم يقرءون {ومن لم يحكم بما انزل الله فاوليك هم الكافرون} وهولاء الايات مع ما يعيبونا به في اعمالنا في قراءتهم فادعهم فليقرءوا كما نقرا وليومنوا كما امنا. فدعاهم فجمعهم وعرض عليهم القتل او يتركوا قراءة التوراة والانجيل الا ما بدلوا منها فقالوا ما تريدون الى ذلك دعونا. فقالت طايفة منهم ابنوا لنا اسطوانة ثم ارفعونا اليها ثم اعطونا شييا نرفع به طعامنا وشرابنا فلا نرد عليكم. وقالت طايفة منهم دعونا نسيح في الارض ونهيم ونشرب كما يشرب الوحش فان قدرتم علينا في ارضكم فاقتلونا. وقالت طايفة منهم ابنوا لنا دورا في الفيافي ونحتفر الابار ونحترث البقول فلا نرد عليكم ولا نمر بكم وليس احد من القبايل الا وله حميم فيهم. قال ففعلوا ذلك فانزل الله عز وجل {ورهبانية ابتدعوها ما كتبناها عليهم الا ابتغاء رضوان الله فما رعوها حق رعايتها} والاخرون قالوا نتعبد كما تعبد فلان ونسيح كما ساح فلان ونتخذ دورا كما اتخذ فلان. وهم على شركهم لا علم لهم بايمان الذين اقتدوا به فلما بعث الله النبي صلى الله عليه وسلم ولم يبق منهم الا قليل انحط رجل من صومعته وجاء سايح من سياحته وصاحب الدير من ديره فامنوا به وصدقوه فقال الله تبارك وتعالى {يا ايها الذين امنوا اتقوا الله وامنوا برسوله يوتكم كفلين من رحمته} اجرين بايمانهم بعيسى وبالتوراة والانجيل وبايمانهم بمحمد صلى الله عليه وسلم وتصديقهم قال {يجعل لكم نورا تمشون به} القران واتباعهم النبي صلى الله عليه وسلم قال {ليلا يعلم اهل الكتاب} يتشبهون بكم {ان لا يقدرون على شىء من فضل الله} الاية
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে থাক। আমিতো মানুষই। হয়তো তোমাদের কেউ তার প্রতিপক্ষ অপেক্ষা তার দাবি উত্থাপনে বেশি পারদর্শী। কাজেই যদি আমি কাউকে তার ভাইয়ের কোন হক দিয়ে ফেলি, তবে সে যেন তা গ্রহণ না করে। কেননা এমতাবস্থায় আমি তাকে আগুনের এক অংশই দান করি।
اخبرنا عمرو بن علي، قال حدثنا يحيى، قال حدثنا هشام بن عروة، قال حدثني ابي، عن زينب بنت ابي سلمة، عن ام سلمة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انكم تختصمون الى وانما انا بشر ولعل بعضكم الحن بحجته من بعض فمن قضيت له من حق اخيه شييا فلا ياخذه فانما اقطعه به قطعة من النار
ইমরান ইবন বাককার ইবন রাশিদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুই নারী এক স্থানে তাদের নিজ নিজ সন্তান নিয়ে ছিল। এমন সময় একটি নেকড়ে বাঘ এসে তাদের একজনের সন্তান নিয়ে গেল। তাদের একজন তার সঙ্গিণীকে বললোঃ তোমার ছেলে নিয়ে গেছে। অন্যজন বললোঃ তোমার সন্তান নিয়েছে। তারা উভয়ে এ ব্যাপারে দাউদ (আঃ)-এর নিকট মীমাংসা প্রার্থনা করলো। দাউদ (আঃ) তাদের মধ্যে বয়সে যে বড় ছিল, তাকে সন্তান দিয়ে দিলেন। এরপর তারা উভয়ে সুলায়মান ইবন দাউদ (আঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি বর্ণনা করলে, তিনি বললেনঃ আমার নিকট একখানা ছুরি নিয়ে এস, আমি এই বাচ্চাকে তাদের উভয়ের মধ্যে দুই টুকরা করে দিচ্ছি। একথা শুনে যে নারী বয়সে ছোট ছিল, সে বললোঃ এমন কাজ করবেন না; আল্লাহ্ আপনার উপর রহম করুন, এ বাচ্চা তারই। তখন তিনি ঐ বাচ্চা ছোট নারীকে দিলেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ আমি এই দিনের পূর্বে ছুরিকে (سكين) বলতে শুনিনি, আমরা একে মুদয়া (مدية) বলতাম।
اخبرنا عمران بن بكار بن راشد، قال حدثنا علي بن عياش، قال حدثنا شعيب، قال حدثني ابو الزناد، مما حدثه عبد الرحمن الاعرج، مما ذكر انه سمع ابا هريرة، يحدث به عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وقال " بينما امراتان معهما ابناهما جاء الذيب فذهب بابن احداهما فقالت هذه لصاحبتها انما ذهب بابنك . وقالت الاخرى انما ذهب بابنك . فتحاكمتا الى داود عليه السلام فقضى به للكبرى فخرجتا الى سليمان بن داود فاخبرتاه فقال ايتوني بالسكين اشقه بينهما . فقالت الصغرى لا تفعل يرحمك الله هو ابنها . فقضى به للصغرى " . قال ابو هريرة والله ما سمعت بالسكين قط الا يوميذ ما كنا نقول الا المدية
রবী' ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুইজন নারী বের হলো, আর তাদের সাথে ছিল তাদের দুই সন্তান। এক নারীকে নেকড়ে বাঘ আক্রমণ করে তার সন্তান নিয়ে গেল। অবশিষ্ট সন্তানের ব্যাপারে উভয় নারী দাউদ (আঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে নিজের সন্তান বলে দাবি করলো। তিনি তাদের মধ্যে যে নারী বয়সে বড় ছিল, তার পক্ষে রায় দিলেন। অবশেষে তারা যখন সুলায়মান (আ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমাদের ব্যাপারে কি আদেশ দেয়া হয়েছে? তারা তাঁর নিকট ঘটনা বর্ণনা করল। তিনি বললেনঃ একখানা ছুরি নিয়ে এস, আমি এই শিশুটিকে দু'ভাগ করে তাদের মধ্যে বণ্টন করে দিব। তখন ছোট নারী বললোঃ আপনি কি তাকে দ্বিখণ্ডিত করবেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সে বললোঃ আপনি এরূপ করবেন না, আমার অংশ আমি তাকে দিয়ে দিলাম। তখন তিনি বললেনঃ এই শিশুটি তোমার; তিনি তার পক্ষেই রায় দিলেন।
اخبرنا الربيع بن سليمان، قال حدثنا شعيب بن الليث، قال حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " خرجت امراتان معهما صبيان لهما فعدا الذيب على احداهما فاخذ ولدها فاصبحتا تختصمان في الصبي الباقي الى داود عليه السلام فقضى به للكبرى منهما فمرتا على سليمان فقال كيف امركما فقصتا عليه فقال ايتوني بالسكين اشق الغلام بينهما . فقالت الصغرى اتشقه قال نعم . فقالت لا تفعل حظي منه لها . قال . هو ابنك . فقضى به لها
মুগীরা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুই নারী বের হলো, আর তাদের সাথে ছিল তাদের দুই সন্তান। এক নেকড়ে বাঘ তাদের থেকে এক সন্তানকে নিয়ে গেল। তারা এই শিশুর ব্যাপারে ঝগড়া করে দাউদ (আঃ)-এর নিকট বিচারপ্রার্থী হল। তিনি ঐ নারীদ্বয়ের মধ্যে যে বড় ছিল, তার পক্ষে রায় দিলেন। তারপর তারা সুলায়মান (আঃ)-এর নিকট দিয়ে গেলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমাদের ব্যাপারে কি রায় দিয়েছেন? তারা বললোঃ তিনি বড় নারীর পক্ষে রায় দিয়েছেন। সুলায়মান (আঃ) বললেনঃ আমি তাকে কেটে সমান দুই অংশ করবো, এক অংশ এই নারীর এবং অপর অংশ ঐ নারীর। তখন বড় নারী বললোঃ জ্বি-হ্যাঁ, আপনি তা-ই করুন, তাকে খণ্ডিত করুন। কিন্তু ছােট নারী বললোঃ তাকে কাটবেন না, সে ঐ নারীরই সন্তান। তখন তিনি যে নারী কাটতে অস্বীকার করলো, তার পক্ষেই রায় দিলেন।
اخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن، قال حدثنا مسكين بن بكير، قال حدثنا شعيب بن ابي حمزة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خرجت امراتان معهما ولداهما فاخذ الذيب احدهما فاختصمتا في الولد الى داود النبي صلى الله عليه وسلم فقضى به للكبرى منهما فمرتا على سليمان عليه السلام فقال كيف قضى بينكما قالت قضى به للكبرى . قال سليمان اقطعه بنصفين لهذه نصف ولهذه نصف . قالت الكبرى نعم اقطعوه . فقالت الصغرى لا تقطعه هو ولدها . فقضى به للتي ابت ان يقطعه
যাকারিয়া ইবন ইয়াহ্ইয়া ও আহমদ ইবন আলী ইবন সাঈদ (রহঃ) ... সালিম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালিদ ইবন ওলীদ (রাঃ)-কে জাযীমা গোত্রের নিকট প্রেরণ করেন। তিনি তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান করেন; কিন্তু তারা ভালভাবে বললো না যে, আমরা ইসলাম গ্রহণ করলাম। বরং তারা বললোঃ আমরা স্বীয় ধর্ম ত্যাগ করলাম। খালিদ (রাঃ) তাদেরকে হত্যা ও বন্দী করতে আরম্ভ করলেন এবং প্রত্যেকের কাছে এক-একজন বন্দী অর্পণ করলেন। ভোরে খালিদ (রাঃ) প্রত্যেক ব্যক্তিকে স্ব-স্ব বন্দীকে হত্যা করার আদেশ দেন। ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি বললামঃ আল্লাহর শপথ! আমি আমার কয়েদীকে হত্যা করবো না, আর কেউই নিজ বন্দীকে হত্যা করবে না। অথবা তিনি বলেছেনঃ আমার বন্ধুদের কেউই তার কয়েদীকে হত্যা করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, পরে আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁর নিকট খালিদ (রাঃ) এর কার্যকলাপ বর্ণনা করলাম। তিনি তাঁর হস্তদ্বয় উত্তোলনপূর্বক বললেনঃ হে আল্লাহ! খালিদ যা করেছে, আমি আপনার নিকট সে ব্যাপারে পবিত্র। তিনি এ কথা দু’বার বলেন।
اخبرنا زكريا بن يحيى، قال حدثنا عبد الاعلى بن حماد، قال حدثنا بشر بن السري، قال حدثنا عبد الله بن المبارك، عن معمر، ح وانبانا احمد بن علي بن سعيد، قال حدثنا يحيى بن معين، قال حدثنا هشام بن يوسف، وعبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم خالد بن الوليد الى بني جذيمة فدعاهم الى الاسلام فلم يحسنوا ان يقولوا اسلمنا فجعلوا يقولون صبانا وجعل خالد قتلا واسرا - قال - فدفع الى كل رجل اسيره حتى اذا اصبح يومنا امر خالد بن الوليد ان يقتل كل رجل منا اسيره . قال ابن عمر فقلت والله لا اقتل اسيري ولا يقتل احد - وقال بشر - من اصحابي اسيره - قال - فقدمنا على النبي صلى الله عليه وسلم فذكر له صنع خالد فقال النبي صلى الله عليه وسلم ورفع يديه " اللهم اني ابرا اليك مما صنع خالد " . قال زكريا في حديثه فذكر وفي حديث بشر فقال " اللهم اني ابرا اليك مما صنع خالد " . مرتين
কুতায়বা (রহঃ) ... আব্দুর রহমান ইবন আবূ বাকরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমার দ্বারা সিজিস্তানের বিচারপতি উবায়দুল্লাহ ইবন আবূ বাকরাকে লিখে পাঠান যে, তুমি রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসা করবে না। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই ব্যাক্তির মধ্যে মীমাংসা না করে।
اخبرنا قتيبة، قال حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، قال كتب ابي وكتبت له الى عبيد الله بن ابي بكرة وهو قاضي سجستان ان لا، تحكم بين اثنين وانت غضبان فاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحكم احد بين اثنين وهو غضبان
ইউনুস ইবন আবদুল আ'লা ও হারিস ইবন মিসকীন (রহঃ) ... যুবায়র ইবনুল আওয়াম (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি এমন একজন আনসারী ব্যক্তির সাথে হাররা নামক স্থানের পানি প্রবাহ নিয়ে ঝগড়া করেন, যিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। তাঁরা উভয়ে এই পানি দ্বারা খেজুর বাগানে পানি দিতেন। ঐ আনসারী ব্যক্তি বললেনঃ পানি ছেড়ে দিন, যাতে তা এর উপর দিয়ে বয়ে যায়। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি নিজের যমীনে পানি দিয়ে তা স্বীয় প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও। একথায় আনসারী ব্যক্তি রাগান্বিত হয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! যুবায়র আপনার ফুফাত ভাই বলে? এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারার রং পরিবর্তিত হলো। তিনি বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি বাগানে পানি দাও এবং পরে পানি বন্ধ করে দাও, যতক্ষণ না পানি গাছের চতুর্দিকের আইলে পৌঁছে যায়। এবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়রকে তাঁর পূর্ণ অধিকার দান করলেন। এর পূর্বে তিনি যুবায়র (রাঃ)-কে যে আদেশ দিয়েছিলেন, তাতে যুবায়র (রাঃ) এবং আনসারী উভয়ের জন সুবিধা ছিল, কিন্তু যখন আনসারী তাঁকে রাগান্বিত করলেন, তখন তিনি যুবায়র (রাঃ)-এর অংশ তাঁকে পূর্ণরূপে দান করলেন। যুবায়র (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয় (فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ) [সূরা নিসাঃ ৬৫] আয়াতটি এ ব্যাপারেই নাযিল হয়।
اخبرنا يونس بن عبد الاعلى، والحارث بن مسكين، عن ابن وهب، قال اخبرني يونس بن يزيد، والليث بن سعد، عن ابن شهاب، ان عروة بن الزبير، حدثه ان عبد الله بن الزبير حدثه عن الزبير بن العوام، انه خاصم رجلا من الانصار قد شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شراج الحرة كانا يسقيان به كلاهما النخل فقال الانصاري سرح الماء يمر عليه . فابى عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسق يا زبير ثم ارسل الماء الى جارك " . فغضب الانصاري وقال يا رسول الله ان كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " يا زبير اسق ثم احبس الماء حتى يرجع الى الجدر " . فاستوفى رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير حقه وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل ذلك اشار على الزبير براى فيه السعة له وللانصاري فلما احفظ رسول الله صلى الله عليه وسلم الانصاري استوفى للزبير حقه في صريح الحكم . قال الزبير لا احسب هذه الاية انزلت الا في ذلك { فلا وربك لا يومنون حتى يحكموك فيما شجر بينهم } واحدهما يزيد على صاحبه في القصة
আবূ দাউদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন কা'ব (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, কা'ব (রাঃ) ইবন আবু হাদরাদ হতে তাঁর প্রাপ্য করযের ব্যাপারে তাগাদা দিলেন। এতে তাদের উভয়ের শব্দ উচ্চ হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তার তাঁর বাসস্থান হতে তা শ্রবণ করলেন। তিনি তাদের প্রতি অগ্রসর হয়ে তাঁর ঘরের পর্দা উঠালেন এবং উচ্চস্বরে বললেনঃ হে কা'ব! কা'ব (রাঃ) বললেনঃ আমি উপস্থিত আছি, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি কা'ব (রাঃ)-কে বললেনঃ তোমার করয হতে কমাও এবং তিনি অর্ধেকের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। কা'ব (রাঃ) বললেনঃ আমি তা করলাম। এরপর তিনি ইবন আবু হাদরাদকে বললেনঃ ওঠো, তা আদায় কর।
اخبرنا ابو داود، قال حدثنا عثمان بن عمر، قال انبانا يونس، عن الزهري، عن عبد الله بن كعب، عن ابيه، انه تقاضى ابن ابي حدرد دينا كان عليه فارتفعت اصواتهما حتى سمعهما رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في بيته فخرج اليهما فكشف ستر حجرته فنادى " يا كعب " . قال لبيك يا رسول الله . قال " ضع من دينك هذا " . واوما الى الشطر قال قد فعلت . قال " قم فاقضه
হুসায়ন ইবন মানসূর ইবন জাফর (রহঃ) ... আব্বাদ ইবন শারাহীল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার চাচাদের সাথে মদীনায় আগমন করলাম এবং তথাকার বাগানের মধ্যে এক বাগানে প্রবেশ করলাম, আর একটি ফলের গুচ্ছ নিয়ে তা মুচড়ে ফেললাম। তখন ঐ বাগানের মালিক এসে আমার কম্বল কেড়ে নিল এবং আমাকে মারধর করলো। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট ফরিয়াদ করলাম। তিনি ঐ ব্যক্তিকে ডেকে পাঠালে তারা তাকে নিয়ে আসলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কেন এরূপ করলে? সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সে আমার বাগানে প্রবেশ করে ফলের গুচ্ছ নিয়ে তা মুচড়ে ফেলেছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে অজ্ঞ ছিল, তুমি তাকে শিক্ষা দিলে না কেন? সে ক্ষুধার্ত ছিল, তখন তুমি তাকে খাওয়ালে না কেন? যাও, তুমি তার কম্বল ফিরিয়ে দাও। পরে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এক ওসক অথবা আধা ওসক দেওয়ার আদেশ দেন।
اخبرنا الحسين بن منصور بن جعفر، قال حدثنا مبشر بن عبد الله بن رزين، قال حدثنا سفيان بن حسين، عن ابي بشر، جعفر بن اياس عن عباد بن شراحيل، قال قدمت مع عمومتي المدينة فدخلت حايطا من حيطانها ففركت من سنبله فجاء صاحب الحايط فاخذ كسايي وضربني فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استعدي عليه فارسل الى الرجل فجاءوا به فقال " ما حملك على هذا " . فقال يا رسول الله انه دخل حايطي فاخذ من سنبله ففركه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما علمته اذ كان جاهلا ولا اطعمته اذ كان جايعا اردد عليه كساءه " . وامر لي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوسق او نصف وسق
মুহাম্মদ ইবন সালামা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা এবং যায়দ ইবন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাদের এক ঝগড়া নিয়ে উপস্থিত হলো। তাদের একজন বললোঃ আমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাবের দ্বারা মীমাংসা করুন! অন্যজন, যে ছিল তাদের মধ্যে অধিক জ্ঞানী, সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে নিজের বক্তব্য পেশ করার অনুমতি দিন। সে বললোঃ আমার ছেলে এই লোকের চাকর ছিল এবং সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে। লোকেরা আমাকে বললোঃ তোমার ছেলেকে পাথর মেরে হত্যা করা হবে। আমি একশত ছাগল এবং আমার এক দাসীর বিনিময়ে আমার ছেলেকে ছাড়িয়েছি। এরপর আমি আলিমদের নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, তারা বললোঃ আমার ছেলের শাস্তি একশত বেত্রাঘাত এবং এক বৎসর নির্বাসন, আর তার স্ত্রীকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। তখন রাসূলুল্লাহ আল বললেনঃ যার হাতে আমার জীবন, সেই সত্তার শপথ করে বলছিঃ আমি অবশ্যই আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করবো। তোমার ছাগসমূহ এবং দাসী তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে। তারপর তিনি তার ছেলেকে একশত বেত্রাঘাত করলেন এবং এক বছরের জন্য নির্বাসন দিলেন। এরপর তিনি উনায়স (রাঃ)-কে অন্য ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যেতে বললেন এবং আদেশ করলেন, যদি সে ব্যভিচার করেছে বলে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করবে। পরে ঐ নারী স্বীকার করলে তিনি তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করলেন।
اخبرنا محمد بن سلمة، قال انبانا عبد الرحمن بن القاسم، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، انهما اخبراه ان رجلين اختصما الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال احدهما اقض بيننا بكتاب الله . وقال الاخر وهو افقههما . اجل يا رسول الله وايذن لي في ان اتكلم . قال ان ابني كان عسيفا على هذا فزنى بامراته فاخبروني ان على ابني الرجم فافتديت بماية شاة وبجارية لي ثم اني سالت اهل العلم فاخبروني انما على ابني جلد ماية وتغريب عام وانما الرجم على امراته . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لاقضين بينكما بكتاب الله اما غنمك وجاريتك فرد اليك " . وجلد ابنه ماية وغربه عاما وامر انيسا ان ياتي امراة الاخر " فان اعترفت فارجمها " . فاعترفت فرجمها
কুতায়বা (রহঃ) ... আবু হুরায়রা, যায়দ ইবন খালিদ এবং শিল (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললোঃ আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি আমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী মীমাংসা করুন। পরে তার বিপক্ষ যে অধিক বুদ্ধিমান ছিল, সে বললোঃ ঠিকই আপনি আমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাবানুযায়ী মীমাংসা করুন। তখন তিনি বললেনঃ বল! সে বললোঃ আমার পুত্র এই ব্যক্তির চাকর ছিল, এবং সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে। আমি আমার একশত ছাগল এবং খাদিম দ্বারা তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছি। তাকে কেউ খবর দিয়েছিল যে, তার পুত্রের শাস্তি এই যে, তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। তাই সে এর বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। এরপর আমি কয়েকজন আলিমের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তারা বললোঃ আমার পুত্রের উপর একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন বর্তাবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাবানুযায়ী মীমাংসা করবো। একশত ছাগল ও খাদিম তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে এবং তোমার ছেলের উপর একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন বর্তাবে। এরপর তিনি বলেনঃ হে উনায়স! তুমি ঐ দ্বিতীয় ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যাবে, যদি সে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করবে। তিনি তার নিকট গমন করলে সে তা স্বীকার করলো, ফলে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করলেন।
اخبرنا قتيبة، قال حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابي هريرة، وزيد بن خالد، وشبل، قالوا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقام اليه رجل فقال انشدك بالله الا ما قضيت بيننا بكتاب الله . فقام خصمه - وكان افقه منه - فقال صدق اقض بيننا بكتاب الله . قال " قل " . قال ان ابني كان عسيفا على هذا فزنى بامراته فافتديت منه بماية شاة وخادم - وكانه اخبر ان على ابنه الرجم فافتدى منه - ثم سالت رجالا من اهل العلم فاخبروني ان على ابني جلد ماية وتغريب عام . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لاقضين بينكما بكتاب الله عز وجل اما الماية شاة والخادم فرد عليك وعلى ابنك جلد ماية وتغريب عام اغد يا انيس على امراة هذا فان اعترفت فارجمها " . فغدا عليها فاعترفت فرجمها
হাসান ইবন আহমাদ কারমানী (রহঃ) ... আবূ উমামা ইবন সাহল ইবন হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক নারীকে আনা হলো, যে ব্যভিচার করেছিল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করেনঃ কার সাথে? মহিলাটি বললোঃ ঐ পঙ্গু লোকটির সাথে! যে সাদ (রাঃ)-এর বাগানে অবস্থান করে। তিনি তার নিকট লোক পাঠালেন। তাকে তুলে আনা হলো। তারপর তাকে তাঁর সামনে রাখা হলো। সে তা স্বীকার করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাকা খেজুরের একখানা ডাল আনিয়ে তা দ্বারা তাকে কয়েক ঘা লাগান, আর তিনি তাকে তার পঙ্গুত্বের জন্য সহজ শাস্তি দেন।
اخبرنا الحسن بن احمد الكرماني، قال حدثنا ابو الربيع، قال حدثنا حماد، قال حدثنا يحيى، عن ابي امامة بن سهل بن حنيف، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتي بامراة قد زنت فقال " ممن " . قالت من المقعد الذي في حايط سعد . فارسل اليه فاتي به محمولا فوضع بين يديه فاعترف فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم باثكال فضربه ورحمه لزمانته وخفف عنه
মুহাম্মাদ ইবন মানসূর (রহঃ) ... সাহল ইবন সা'দ সাঈদী (রাঃ) বলেন, আনসারদের দুই গোত্রের মধ্যে বচসা হলে তারা একে অন্যের প্রতি প্রস্তর নিক্ষেপ করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করানোর জন্য তথায় গমন করেন। এমন সময় নামাযের সময় হলে বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপেক্ষায় রইলেন। কিন্তু তিনি তথায় আটকে গেলেন। শেষে বিলাল (রাঃ) ইকামত বললেন এবং ইমামতির জন্য আবু বকর (রাঃ) সামনে গেলেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করলেন। আবু বকর (রাঃ) নামাযে ইমামতি করছিলেন। লোক তাঁকে দেখে হাতে তালি দিয়ে শব্দ করলো। আবু বকর (রাঃ) নামাযে কোনদিকে ভ্রুক্ষেপ করতেন না। কিন্তু তিনি যখন সকলের হাতের শব্দ শুনলেন, তখন লক্ষ্য করে দেখলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করেছেন। কাজেই তিনি পেছনে সরে আসতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে স্থির থাকতে ইঙ্গিত করলেন। আবু বকর (রাঃ) তাঁর হস্তদ্বয় উত্তোলন করে আল্লাহর শোকর আদায় করলেন এবং তিনি উল্টো পায়ে পেছনে সরে আসলেন। আর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমনে এগিয়ে গিয়ে সালাতে ইমামতি করলেন। তিনি নামায শেষে আবু বকর (রাঃ)-কে বললেন : আপনি স্বীয় স্থানে অবস্থান করলেন না কেন? অবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ এটা কিরূপে সম্ভব যে, আল্লাহ্ তা'আলা আবু কুহাফার পুত্রকে স্বীয় নবীর সামনে দেখবেন। এরপর তিনি জনসাধারণের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমাদের অবস্থা কী? তোমরা যখন নামাযে কোন ঘটনা ঘটে, তখন তোমরা নারীদের ন্যায় কেন হাতে তালি দাও? এতো নারীদের জন্য। যখন নামাযে কারো কোন ঘটনা ঘটে, তখন সে যেন বলে, সুবহানাল্লাহ।
اخبرنا محمد بن منصور، قال حدثنا سفيان، قال حدثنا ابو حازم، قال سمعت سهل بن سعد الساعدي، يقول وقع بين حيين من الانصار كلام حتى تراموا بالحجارة فذهب النبي صلى الله عليه وسلم ليصلح بينهم فحضرت الصلاة فاذن بلال وانتظر رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحتبس فاقام الصلاة وتقدم ابو بكر رضى الله عنه فجاء النبي صلى الله عليه وسلم وابو بكر يصلي بالناس فلما راه الناس صفحوا - وكان ابو بكر لا يلتفت في الصلاة - فلما سمع تصفيحهم التفت فاذا هو برسول الله صلى الله عليه وسلم اراد ان يتاخر فاشار اليه ان اثبت فرفع ابو بكر رضى الله عنه يعني يديه ثم نكص القهقرى وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة قال " ما منعك ان تثبت " . قال ما كان الله ليرى ابن ابي قحافة بين يدى نبيه . ثم اقبل على الناس فقال " ما لكم اذا نابكم شىء في صلاتكم صفحتم ان ذلك للنساء من نابه شىء في صلاته فليقل سبحان الله
রবী' ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... কা'ব ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ্ ইবন হাদরাদ আসলামী (রাঃ)-এর নিকট কিছু পাওনা ছিল। একদা তিনি তার সাথে সাক্ষাত করে সে ব্যাপারে তাগাদা দিলেন। উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হল। এক পর্যায়ে তাদের শব্দ উচ্চ হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে কা'ব এবং তিনি হাতে ইঙ্গিত করলেন, যেন তিনি বললেনঃ অর্ধেক। সুতরাং তিনি পাওনার অর্ধেক গ্রহণ করলেন, আর বাকী অর্ধেক ছেড়ে দিলেন।
اخبرنا الربيع بن سليمان، قال حدثنا شعيب بن الليث، عن ابيه، عن جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن الاعرج، عن عبد الله بن كعب بن مالك الانصاري، عن كعب بن مالك، انه كان له على عبد الله بن ابي حدرد الاسلمي - يعني دينا - فلقيه فلزمه فتكلما حتى ارتفعت الاصوات فمر بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " يا كعب " . فاشار بيده كانه يقول النصف فاخذ نصفا مما عليه وترك نصفا
মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ওয়ায়ল (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত ছিলাম, যখন এক নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস হত্যাকারীকে রশিতে বেঁধে টেনে নিয়ে আসলো। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নিহত ব্যক্তির অভিভাবককে বললেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করবে? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তা হলে তুমি রক্তপণ গ্রহণ করবে? সে বললোঃ না। তিনি আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি খুনের বদলায় তাকে খুন করবে? সে ব্যক্তি বললোঃ হ্যাঁ। তখন তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তাকে নিয়ে যাও। যখন সে তাকে নিয়ে চললো এবং তাঁর নিকট হতে বিদায় নিল, তিনি তাকে আবার ডাকলেন এবং বললেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করবে? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি কি দিয়াত গ্রহণ করবে? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তবে কি তুমি তাকে হত্যা করবে? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তবে তুমি তাকে নিয়ে যাও। যখন সে তাকে নিয়ে চললো এবং তাঁর নিকট হতে বিদায় নিল, তিনি তাকে আবার ডাকলেন এবং বললেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করবে? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তবে কি তুমি তার বিনিময়ে দিয়াত গ্রহণ করবে? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তবে কি তুমি তাকে হত্যা করবে? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তবে তাকে নিয়ে যাও। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তুমি তাকে ক্ষমা করতে, তবে সে তার এবং তোমার নিহত সাথীর পাপের বােঝা বহন করতো। তখন ঐ ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করল এবং তাকে ছেড়ে দিল। আমি দেখলাম, ঐ ব্যক্তি তার রশি টেনে চলছে।
اخبرنا محمد بن بشار، قال حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف، قال حدثني حمزة ابو عمر العايذي، قال حدثنا علقمة بن وايل، عن وايل، قال شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جاء بالقاتل يقوده ولي المقتول في نسعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول " اتعفو " . قال لا . قال " فتاخذ الدية " . قال لا . قال " فتقتله " . قال نعم . قال " اذهب به " . فلما ذهب فولى من عنده دعاه فقال " اتعفو " . قال لا قال " فتاخذ الدية " . قال لا . قال " فتقتله " . قال نعم . قال " اذهب به " . فلما ذهب فولى من عنده دعاه فقال " اتعفو " . قال لا . قال " فتاخذ الدية " . قال لا . قال " فتقتله " . قال نعم . قال " اذهب به " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك " اما انك ان عفوت عنه يبوء باثمه واثم صاحبك " . فعفا عنه وتركه فانا رايته يجر نسعته
কুতায়বা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ ইবন যুবায়র (রাঃ) বলেন, এক আনসারী ব্যক্তি হাররা নামক স্থানের পানি প্রবাহ নিয়ে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে মোকদ্দমা দায়ের করলো যে, পানি তারা খেজুর গাছে সিঞ্চন করতো। আনসারী বললো, পানি ছেড়ে দিন, যাতে প্রবাহিত হয়, কিন্তু যুবায়র (রাঃ) তা অস্বীকার করলেন। তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এসে ঝগড়া করলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি তোমার বাগানে সেচ দিয়ে দাও, তোমার পড়শীর দিকে ছেড়ে দাও। এতে আনসারী ব্যক্তি রাগান্বিত হয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! বাস্তবপক্ষে যুবায়র তো আপনার ফুফুর ছেলে, তাই! এতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা পরিবর্তিত হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি গাছে পানি দিয়ে তা বন্ধ করে রাখ, যেন তা বাগানের দেয়াল পর্যন্ত পৌঁছে। যুবায়র (রাঃ) বলেনঃ আমার মনে হয়, (فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ) আয়াতটি এ ব্যাপারেই নাযিল হয়েছে।
اخبرنا قتيبة، قال حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، انه حدثه ان عبد الله بن الزبير حدثه ان رجلا من الانصار خاصم الزبير الى رسول الله صلى الله عليه وسلم في شراج الحرة التي يسقون بها النخل فقال الانصاري سرح الماء يمر . فابى عليه فاختصموا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسق يا زبير ثم ارسل الماء الى جارك " . فغضب الانصاري فقال يا رسول الله ان كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " يا زبير اسق ثم احبس الماء حتى يرجع الى الجدر " . فقال الزبير اني احسب ان هذه الاية نزلت في ذلك { فلا وربك لا يومنون } الاية
মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। বারীরা (রাঃ)-এর স্বামী ছিলেন একজন দাস, তাঁর নাম ছিল মুগীস। তিনি বলেন, আমি যেন এখনও দেখছি, তিনি বারীরার পিছে পিছে ঘুরছেন এবং এমনভাবে কাঁদছেন যে, তাঁর অশ্রু তাঁর দাড়ি বেয়ে পড়ছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্বাস (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আব্বাস! আপনি কি বারীরার জন্য মুগীসের ভালবাসায় আর মুগীসের প্রতি বারীরার অনীহাতে আশ্চর্যবােধ করছেন না? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারীরা (রাঃ)-কে বললেনঃ যদি তুমি মুগীসের নিকট প্রত্যাবর্তন করতে, তা হলে ভাল হতো। কারণ সে তোমার সন্তানের পিতা। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি কি আমাকে আদেশ করছেন? তিনি বললেনঃ না, আমি তোমরা তোমার নিকট সুপারিশ করছি। তখন সে বললোঃ তা হলে এতে আমার কোন প্রয়োজন নেই।
اخبرنا محمد بن بشار، قال حدثنا عبد الوهاب، قال حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان زوج، بريرة كان عبدا يقال له مغيث كاني انظر اليه يطوف خلفها يبكي ودموعه تسيل على لحيته فقال النبي صلى الله عليه وسلم للعباس " يا عباس الا تعجب من حب مغيث بريرة ومن بغض بريرة مغيثا " . فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم " لو راجعتيه فانه ابو ولدك " . قالت يا رسول الله اتامرني . قال " انما انا شفيع " . قالت فلا حاجة لي فيه
আবদুল আ'লা ইবন ওয়াসিল ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, এক আনসারী ঘোষণা করেছিল তার মৃত্যুর পর তার দাস মুক্ত। সে ব্যক্তি ছিল অভাবগ্রস্ত এবং ঋণগ্রস্ত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ দাসকে আটশত দিরহামে বিক্রি করে ঐ টাকা তাকে দিয়ে বললেনঃ তুমি এর দ্বারা তোমার ঋণ পরিশোধ কর এবং তোমার পোষ্যদের জন্য ব্যয় কর।
اخبرنا عبد الاعلى بن واصل بن عبد الاعلى، قال حدثنا محاضر بن المورع، قال حدثنا الاعمش، عن سلمة بن كهيل، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال اعتق رجل من الانصار غلاما له عن دبر وكان محتاجا وكان عليه دين فباعه رسول الله صلى الله عليه وسلم بثمانماية درهم فاعطاه فقال " اقض دينك وانفق على عيالك