Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩২৪ হাদিসসমূহ
। ইয়াহয়া ইবনু হাবীব আরাবী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমরা আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ, অন্য লোকদের বাদ দিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বিশেষভাবে কোন বিষয়ে বলেননি, তিনটি বিষয় ব্যতীতঃ (১) তিনি আমাদের পরিপূর্ণভাবে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার নির্দেশ দিয়েছেন; (২) আমাদের সা’দকা খেতে নিষেধ করেছেন; (৩) নিষেধ করেছেন গাধাকে ঘোড়ার উপর পাল দিতে।
اخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، قال حدثنا حماد، قال حدثنا ابو جهضم، قال حدثني عبد الله بن عبيد الله بن عباس، قال كنا جلوسا الى عبد الله بن عباس فقال والله ما خصنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بشىء دون الناس الا بثلاثة اشياء فانه امرنا ان نسبغ الوضوء ولا ناكل الصدقة ولا ننزي الحمر على الخيل
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পরিপূর্ণরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে।
اخبرنا قتيبة، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن ابي يحيى، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسبغوا الوضوء
কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন বস্তুর সন্ধান দিবনা, যা দ্বারা আল্লাহ তা’য়ালা গুনাহসমূহ দূর করে দিবেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন? তা হল, কষ্ট অবস্থায়ও পূর্ণরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করা, মসজিদের দিকে অধিক পদচালনা করা, আর এক সালাত (নামায/নামাজ)-এর পর অন্য সালাত (নামায/নামাজ)-এর অপেক্ষায় থাকা। এটাই রিবাত, এটাই রিবাত, এটাই রিবাত।* অর্থাৎ ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেয়ার ন্যায় সওয়াব এতে রয়েছে।
اخبرنا قتيبة، عن مالك، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الا اخبركم بما يمحو الله به الخطايا ويرفع به الدرجات اسباغ الوضوء على المكاره وكثرة الخطا الى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة فذلكم الرباط فذلكم الرباط فذلكم الرباط
। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আসিম ইবনু সাকাফী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তারা ‘সুলাসিল’ যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন কিন্তু যুদ্ধ করার সুযোগ পাননি। পরে তার শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত রইলেন এবং মুআবিয়া (রাঃ) এর নিকট প্রত্যাবর্তন করলেন। তখন তার নিকট আবূ আইয়্যুব এবং উকবা ইবনু আমির ছিলেন। তখন আসিম বললেন, হে আবূ আইয়্যুব! এ বৎসর আমরা যুদ্ধ করার সুযোগ পেলাম না। আর আমাদের সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, যে ব্যাক্তি চারটি মসজিদে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে, তার পাপ মার্জনা করা হবে। তিনি বললেনঃ হে ভাতিজা! আমি কি এর চেয়ে সহজতর পন্থা বলে দিব না? আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি নির্দেশ মোতাবেক উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে আর নির্দেশ মোতাবেক সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে, তার পূর্বেকার পাপ ক্ষমা করা হবে। সত্যি কি তাই হে উকবা? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাই।
اخبرنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا الليث، عن ابي الزبير، عن سفيان بن عبد الرحمن، عن عاصم بن سفيان الثقفي، انهم غزوا غزوة السلاسل ففاتهم الغزو فرابطوا ثم رجعوا الى معاوية وعنده ابو ايوب وعقبة بن عامر فقال عاصم يا ابا ايوب فاتنا الغزو العام وقد اخبرنا انه من صلى في المساجد الاربعة غفر له ذنبه . فقال يا ابن اخي ادلك على ايسر من ذلك اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من توضا كما امر وصلى كما امر غفر له ما قدم من عمل " . اكذلك يا عقبة قال نعم
। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ... হুমরান ইবনু আবান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ বুরদা (রহঃ) কে মসজিদে এ মর্মে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি উসমান (রাঃ) কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত করতে শুনেছেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক উযূ (ওজু/অজু/অযু) সম্পন্ন করবে, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ)-এর মধ্যবর্তী সময়ের পাপসমূহের জন্য কাফফারা স্বরূপ গণ্য হবে।
اخبرنا محمد بن عبد الاعلى، قال حدثنا خالد، عن شعبة، عن جامع بن شداد، قال سمعت حمران بن ابان، اخبر ابا بردة، في المسجد انه سمع عثمان، يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من اتم الوضوء كما امره الله عز وجل فالصلوات الخمس كفارات لما بينهن
। কুতায়বা (রহঃ) ... উসমান (রাঃ) এর আযাদকৃত দাস হুমরান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উসমান (রাঃ) বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যাক্তি সুন্দরভাবে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে এবং পরে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার এ সালাত ও পরবর্তী সালাত আদায়ের মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মাফ করে দেওয়া হবে।
اخبرنا قتيبة، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن حمران، مولى عثمان ان عثمان، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من امري يتوضا فيحسن وضوءه ثم يصلي الصلاة الا غفر له ما بينه وبين الصلاة الاخرى حتى يصليها
। আমর ইবনু মনসূর (রহঃ) ... মুআবিয়া ইবনু সালেহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ ইয়াহয়া সুলায়ম ইবনু আমির, যামরাহ ইবনু হাবীব এবং আবূ তালহা নুয়ায়ম ইবনু যিয়াদ (রহঃ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমরা আবূ উমামা বাহিলী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমি আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমি বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! উযূ (ওজু/অজু/অযু) কিরূপ করতে হয়? তিনি বললেন, উযূ! তুমি যখন উযূ কর এবং তোমার হস্ত তালুদ্বয় ধৌত কর এবং পরিস্কার করে ধৌত কর তখন তোমার পাপসমুহ তোমার নখের ভিতর হতে এবং তোমার আঙ্গুলির অগ্রভাগ হতে বের হয়ে যায়। এবং যখন তুমি কুলি কর এবং নাকের ভিতরকার অংশ ধৌত কর এবং তোমার মুখমন্ডল ধৌত কর এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর এবং মাথা মসেহ কর এবং গোড়ালী পর্যন্ত পা ধৌত কর, তখন তুমি তোমার সাধারণ পাপসমূহ ধুয়ে ফেললে। আর যখন তুমি তোমার মুখমন্ডল আল্লাহ তা’আলার জন্য স্থাপন কর, তখন তুমি তোমার পাপ হতে ঐ দিনের মত মুক্ত হয়ে যাও, যেদিন তোমার জননী তোমাকে জন্ম দিয়েছিল। আবূ উমামা বলেনঃ আমি বললাম, হে আমর ইবনু আবাসাহ! দেখ তুমি কি বলছ। একই মজলিসে এ সব কিছু দান করা হয়? তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি বৃদ্ধাবস্থায় উপনীত হয়েছি আর আমার মৃত্যু নিকটবর্তী। আর আমার কোন অভাবও নেই, এমতাবস্থায় কি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্পর্কে মিথ্যা বলবো? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার উভয় কান তা শ্রবণ করেছে এবং আমার অন্তর তা স্মরণ রেখেছে।
اخبرنا عمرو بن منصور، قال حدثنا ادم بن ابي اياس، قال حدثنا الليث، - هو ابن سعد - قال حدثنا معاوية بن صالح، قال اخبرني ابو يحيى، سليم بن عامر وضمرة بن حبيب وابو طلحة نعيم بن زياد قالوا سمعنا ابا امامة الباهلي، يقول سمعت عمرو بن عبسة، يقول قلت يا رسول الله كيف الوضوء قال " اما الوضوء فانك اذا توضات فغسلت كفيك فانقيتهما خرجت خطاياك من بين اظفارك واناملك فاذا مضمضت واستنشقت منخريك وغسلت وجهك ويديك الى المرفقين ومسحت راسك وغسلت رجليك الى الكعبين اغتسلت من عامة خطاياك فان انت وضعت وجهك لله عز وجل خرجت من خطاياك كيوم ولدتك امك " . قال ابو امامة فقلت يا عمرو بن عبسة انظر ما تقول اكل هذا يعطى في مجلس واحد فقال اما والله لقد كبرت سني ودنا اجلي وما بي من فقر فاكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم ولقد سمعته اذناى ووعاه قلبي من رسول الله صلى الله عليه وسلم
। মুহাম্মদ ইবনু আলী ইবনু হারব মারওয়াযী (রহঃ) ... উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি উত্তমরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে আর বলেঃ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ তার বান্দা ও রাসূল” তার জন্য বেহেশতের আটটি দরজাই খুলে দেওয়া হবে। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে প্রবেশ করবে।
اخبرنا محمد بن علي بن حرب المروزي، قال حدثنا زيد بن الحباب، قال حدثنا معاوية بن صالح، عن ربيعة بن يزيد، عن ابي ادريس الخولاني، وابي، عثمان عن عقبة بن عامر الجهني، عن عمر بن الخطاب، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله " من توضا فاحسن الوضوء ثم قال اشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله فتحت له ثمانية ابواب الجنة يدخل من ايها شاء
। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) সালাত (নামায/নামাজ)-এর জন্য উযূ (ওজু/অজু/অযু) করছিলেন। আর আমি তাঁর পেছনে ছিলাম, তিনি তার হস্তদ্বয় ধৌত করছিলেন তাঁর বগল পর্যন্ত, তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ হুরায়রা! এ কোন ধরনের উযূ? তিনি আমাকে বললেনঃ হে ফররূখের বংশধর! তোমরা এখানে? যদি আমি পূর্বে জানতাম যে, তোমরা এখানে আছ তাহলে আমি এরূপ উযূ করতাম না। আমি আমার বন্ধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, মুমিনের জ্যোতি ঐ পর্যন্ত পৌছবে, যে পর্যন্ত উযূর পানি পৌছে।
اخبرنا قتيبة، عن خلف، - وهو ابن خليفة - عن ابي مالك الاشجعي، عن ابي حازم، قال كنت خلف ابي هريرة وهو يتوضا للصلاة وكان يغسل يديه حتى يبلغ ابطيه فقلت يا ابا هريرة ما هذا الوضوء فقال لي يا بني فروخ انتم ها هنا لو علمت انكم ها هنا ما توضات هذا الوضوء سمعت خليلي صلى الله عليه وسلم يقول " تبلغ حلية المومن حيث يبلغ الوضوء
। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কবরস্থানের দিকে গেলেন। (তথায় উপস্থিত হয়ে) তিনি বললেনঃ হে মুমিন সম্প্রদায়ের ঘরের অধিবাসী! তোমাদেরকে সালাম, আমরাও ইনশাল্ললাহ তোমাদের সাথে মিলিত হব। আমি আশা করি আমার ভ্রাতৃবৃন্দকে দেখতে পাব। উপস্থিত সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা কি আপনার ভ্রাতা নই? তিনি বললেনঃ বরং তোমরা আমার সাহাবী। আর আমার ভ্রাতৃবৃন্দ হল যারা পরবর্তীকালে আসবে, আর আমি হাউযে কাওসারে তাদের অগ্রবর্তী হব। তারা বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার যেসকল উম্মত পরবর্তীকালে আগমন করবে, আপনি তাদের কিভাবে চিনবেন? তিনি বললেনঃ তোমরা বল তো, যদি কোন ব্যাক্তির একদল কালো ঘোড়ার মধ্যে সা’দা চেহারা ও সা’দা পদবিশিষ্ট ঘোড়া থাকে, তবে কি সেই ব্যাক্তি তার ঘোড়া চিনে নিতে পারবে না? তারা বলেনঃ নিশ্চয়ই। তিনি বললেনঃ কিয়ামতের দিন উযূর দরুণ তাদের হস্তপদ উজ্জ্বল হবে। আর আমি হাউযে কাওসারে তাদের আগে গিয়ে অপেক্ষা করব।
اخبرنا قتيبة، عن مالك، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج الى المقبرة فقال " السلام عليكم دار قوم مومنين وانا ان شاء الله بكم لاحقون وددت اني قد رايت اخواننا " . قالوا يا رسول الله السنا اخوانك قال " بل انتم اصحابي واخواني الذين لم ياتوا بعد وانا فرطهم على الحوض " . قالوا يا رسول الله كيف تعرف من ياتي بعدك من امتك قال " ارايت لو كان لرجل خيل غر محجلة في خيل بهم دهم الا يعرف خيله " . قالوا بلى . قال " فانهم ياتون يوم القيامة غرا محجلين من الوضوء وانا فرطهم على الحوض
। মূসা ইবনু আবদুর রহমান মাসরূকী (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমির জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি উত্তমরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে তারপর দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে নিষ্ঠার সাথে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
اخبرنا موسى بن عبد الرحمن المسروقي، قال حدثنا زيد بن الحباب، قال حدثنا معاوية بن صالح، قال حدثنا ربيعة بن يزيد الدمشقي، عن ابي ادريس الخولاني، وابي، عثمان عن جبير بن نفير الحضرمي، عن عقبة بن عامر الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من توضا فاحسن الوضوء ثم صلى ركعتين يقبل عليهما بقلبه ووجهه وجبت له الجنة
। হান্নাদ ইবনু সাররী (রহঃ) ... আবূ আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি এমন ছিলাম যে, প্রায় আমার মযী* নির্গত হতো, আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা আমার সহধর্মিনী হওয়ায় আমি তাকে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করতাম। অতএব আমার পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যাক্তিকে এ ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করতে বললাম। সে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ এতে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে।
اخبرنا هناد بن السري، عن ابي بكر بن عياش، عن ابي حصين، عن ابي عبد الرحمن، قال قال علي كنت رجلا مذاء وكانت ابنة النبي صلى الله عليه وسلم تحتي فاستحييت ان اساله فقلت لرجل جالس الى جنبي سله . فساله فقال " فيه الوضوء
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মিকদাদকে বললাম, আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করুন যে, যদি কোন ব্যাক্তি স্বীয় স্ত্রীর সাথে আমোদ করে এবং তদ্দরুন তার মযী নির্গত হয় অথচ সে সহবাস করেনি, তাহলে সে কি করবে? কেননা তার কন্যা আমার সহধর্মিনী হওয়ায় আমি জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করি। তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে ব্যাক্তি তার লজ্জাস্থান ধৌত করবে এবং সালাত (নামায/নামাজ)-এর উযূর ন্যায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে।
اخبرنا اسحاق بن ابراهيم، قال اخبرنا جرير، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن علي، - رضى الله عنه - قال قلت للمقداد اذا بنى الرجل باهله فامذى ولم يجامع فسل النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فاني استحي ان اساله عن ذلك وابنته تحتي . فساله فقال " يغسل مذاكيره ويتوضا وضوءه للصلاة
। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আয়িশ ইবনু আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) বলেছেনঃ আমার প্রায়ই মযী নির্গত হত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা আমার সহধর্মিণী হওয়ায় আম্মার ইবনু ইয়াসিরকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞাসা করতে অনুরোধ করলাম। তিনি এর উত্তরে বললেন, এর জন্য উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেই চলবে।
اخبرنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا سفيان، عن عمرو، عن عطاء، عن عايش بن انس، ان عليا، قال كنت رجلا مذاء فامرت عمار بن ياسر يسال رسول الله صلى الله عليه وسلم من اجل ابنته عندي فقال " يكفي من ذلك الوضوء
। উসমান ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ... রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) আম্মারকে অনুরোধ করলেন, তিনি যেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মযীর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেন। উত্তরে তিনি বললেনঃ সে ব্যাক্তি তার লজ্জাস্থান ধৌত করবে এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে।
اخبرنا عثمان بن عبد الله، قال انبانا امية، قال حدثنا يزيد بن زريع، ان روح بن القاسم، حدثه عن ابن ابي نجيح، عن عطاء، عن اياس بن خليفة، عن رافع بن خديج، ان عليا، امر عمارا ان يسال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المذى فقال " يغسل مذاكيره ويتوضا
। উতবা ইবনু আবদুল্লাহ মারওয়াযী (রহঃ) ... মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করার জন্য তাকে অনুরোধ করলেন যে, কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হলে যদি তদ্দরুন তার মযী নির্গত হয়, তাহলে তার কি করতে হবে? কারণ তার কন্যা আমার সহধর্মিণী থাকায় আমি তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করি। তারপর আমি এ ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তোমাদের কারও এরূপ হয় তাহলে সে যেন স্বীয় লজ্জাস্থান ধৌত করে এবং সালাত (নামায/নামাজ)-এর উযূর ন্যায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে।
اخبرنا عتبة بن عبد الله المروزي، عن مالك، - وهو ابن انس - عن ابي النضر، عن سليمان بن يسار، عن المقداد بن الاسود، ان عليا، امره ان يسال، رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل اذا دنا من اهله فخرج منه المذى ماذا عليه فان عندي ابنته وانا استحي ان اساله فسالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " اذا وجد احدكم ذلك فلينضح فرجه ويتوضا وضوءه للصلاة
। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমা (রাঃ) আমার বিবাহাধীন থাকায় মযী সম্বন্ধে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করতাম। অতএব আমি মিকদাদ ইবনু আসওয়াদকে অনুরোধ করলাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এতে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে।
اخبرنا محمد بن عبد الاعلى، قال حدثنا خالد، عن شعبة، قال اخبرني سليمان، قال سمعت منذرا، عن محمد بن علي، عن علي، قال استحييت ان اسال النبي، صلى الله عليه وسلم عن المذى من اجل فاطمة فامرت المقداد بن الاسود فساله فقال " فيه الوضوء
। মুহাম্মদ ইবনু আ’লা (রহঃ) ... আসিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যির ইবনু হুরায়শকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেনঃ আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল নামক এক ব্যাক্তির নিকট আসলাম এবং তার দরজায় বসে রইলাম। তিনি বের হয়ে বললেন, তোমার খবর কি? আমি বললাম, ইলমের সন্ধানে এসেছি। তিনি বললেন, ইলম অন্বেষণকারীর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ফেরেশতাগণ ডানা বিছিয়ে দেন। তারপর তিনি বললেন, কোন বিষয়ে তুমি জিজ্ঞাসা করতে চাও? আমি বললাম, মোজা পরিধান সম্পর্কে। তিনি বললেন, আমরা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফরে আসতাম, তিনি আমাদের আদেশ করতেন, আমরা যেন একমাত্র জানাবাত ব্যতীত, পায়খানা-পেশাব এবং নিদ্রার কারণে তিনদিন পর্যন্ত তা না খুলি।
اخبرنا محمد بن عبد الاعلى، قال حدثنا خالد، حدثنا شعبة، عن عاصم، انه سمع زر بن حبيش، يحدث قال اتيت رجلا يدعى صفوان بن عسال فقعدت على بابه فخرج فقال ما شانك قلت اطلب العلم . قال ان الملايكة تضع اجنحتها لطالب العلم رضا بما يطلب . فقال عن اى شىء تسال قلت عن الخفين . قال كنا اذا كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر امرنا ان لا ننزعه ثلاثا الا من جنابة ولكن من غايط وبول ونوم
। আমর ইবনু ইবনু আলী ও ইসমাঈল ইবনু মাসঊদ (রহঃ) ... যির (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সাফওয়ান ইবনু আসসাল (রাঃ) বলেছেনঃ আমরা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সফরে বের হতাম তখন তিনি আমাদের আদেশ করতেন আমরা যেন একমাত্র জানাবাত ব্যতীত পায়খানা-পেশাব এবং নিদ্রার কারণে তিন দিন পর্যন্ত তা না খুলি।
اخبرنا عمرو بن علي، واسماعيل بن مسعود، قالا حدثنا يزيد بن زريع، قال حدثنا شعبة، عن عاصم، عن زر، قال قال صفوان بن عسال كنا اذا كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر امرنا ان لا ننزعه ثلاثا الا من جنابة ولكن من غايط وبول ونوم
। কুতায়বা ও মুহাম্মদ ইবনু মনসুর (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অভিযোগ করল, সে সালাত (নামায/নামাজ)-এ কিছু অনুভব করে।[১] তিনি বললেনঃ সে সালাত (নামায/নামাজ) পরিত্যাগ করবেনা যতক্ষণ না গন্ধ বা শব্দ শুনতে পায়।
اخبرنا قتيبة، عن سفيان، عن الزهري، ح واخبرني محمد بن منصور، عن سفيان، قال حدثنا الزهري، قال اخبرني سعيد، - يعني ابن المسيب - وعباد بن تميم عن عمه، - وهو عبد الله بن زيد - قال شكي الى النبي صلى الله عليه وسلم الرجل يجد الشىء في الصلاة قال " لا ينصرف حتى يجد ريحا او يسمع صوتا