Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৫৬ হাদিসসমূহ
। জুবাইর ইবনু মুতইম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আবদ মানাফের বংশধরগণ! তোমরা কোন লোককে রাত ও দিনের যে কোন সময় ইচ্ছা বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে এবং নামায আদায় করতে বাধা দিও না। — সহীহ, সহীহ ইবনু মা-জাহ (১২৫৪) ইবনু আব্বাস ও আবু যার (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আবু নাজীহও এই হাদীস আবদুল্লাহ ইবনু বাবা হতে বর্ণনা করেছেন। ইমামদের মধ্যে মক্কা শারীফে আসর ও ফজরের নামাযের পর অন্য কোন নামায আদায় করার বৈধতা প্রসঙ্গে মতের অমিল আছে। কিছু সংখ্যক আলিম আসর ও ফজরের পরে নামায ও তাওয়াফে কোন সমস্যা না থাকার কথা বলেছেন। এই অভিমত ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকেরও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই হাদীসকে তারা প্রমাণ হিসাবে হাযির করেন। আরেক দল আলিম বলেন, আসরের পর যদি কোন লোক তাওয়াফ করে তাহলে সে লোক সূর্য না ডোবা পর্যন্ত তাওয়াফের নামায আদায় করবে না। এমনিভাবে ফজরের পর কোন লোক যদি তাওয়াফ করে তাহলে সে লোক সূর্য না উঠা পর্যন্ত তাওয়াফের নামায আদায় করবে না। তারা নিজেদের মতের অনুকূলে উমার (রাঃ)-এর হাদীস পেশ করেছেন। ফজরের নামাযের পড় তিনি তাওয়াফ করলেন, কিন্তু (তাওয়াফের) নামায আদায় করলেন না। সূর্য উঠার পর তিনি ঐ নামায ঘতুয়া নামক জায়গাতে পৌছে আদায় করেন। এই মত সুফিয়ান সাওরী ও মালিকেরও।
حدثنا ابو عمار، وعلي بن خشرم، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزبير، عن عبد الله بن باباه، عن جبير بن مطعم، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يا بني عبد مناف لا تمنعوا احدا طاف بهذا البيت وصلى اية ساعة شاء من ليل او نهار " . وفي الباب عن ابن عباس وابي ذر . قال ابو عيسى حديث جبير بن مطعم حديث حسن صحيح . وقد رواه عبد الله بن ابي نجيح عن عبد الله بن باباه ايضا . وقد اختلف اهل العلم في الصلاة بعد العصر وبعد الصبح بمكة فقال بعضهم لا باس بالصلاة والطواف بعد العصر وبعد الصبح . وهو قول الشافعي واحمد واسحاق واحتجوا بحديث النبي صلى الله عليه وسلم هذا . وقال بعضهم اذا طاف بعد العصر لم يصل حتى تغرب الشمس وكذلك ان طاف بعد صلاة الصبح لم يصل حتى تطلع الشمس . واحتجوا بحديث عمر انه طاف بعد صلاة الصبح فلم يصل وخرج من مكة حتى نزل بذي طوى فصلى بعد ما طلعت الشمس . وهو قول سفيان الثوري ومالك بن انس
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায আদায়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইখলাসের দুইটি সূরা তিলাওয়াত করেনঃ সূরা কাফিরূন এবং সূরা ইখলাস। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৭৪), মুসলিম
اخبرنا ابو مصعب المدني، قراءة عن عبد العزيز بن عمران، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قرا في ركعتى الطواف بسورتى الاخلاص : ( قل يا ايها الكافرون ) و ( قل هو الله احد)
। জাফর ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, তাওয়াফের দুরাকাআত নামাযে তিনি (মুহাম্মাদ আল-বাকির) সূরা কাফিরূন ও সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করতে পছন্দ করতেন। – সনদ সহীহ, মাকতু’ আব্দুল আজীজ ইবনু ইমরানের হাদীসের তুলনায় এই হাদীসটিকে আবু ঈসা বেশি সহীহ বলেছেন। কেননা বর্ণনাকারী আবদুল আযীয ইবনু ইমরান হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল।
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، انه كان يستحب ان يقرا، في ركعتى الطواف ب ( قل يا ايها الكافرون ) و ( قل هو الله احد ) . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث عبد العزيز بن عمران وحديث جعفر بن محمد عن ابيه في هذا اصح من حديث جعفر بن محمد عن ابيه عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وعبد العزيز بن عمران ضعيف في الحديث
। যাইদ ইবনু উসাই (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আলী (রাঃ)-কে আমি প্রশ্ন করলাম, কি বিষয় সহকারে আপনাকে (নবম হিজরীতে মক্কায়) পাঠানো হয়েছিল? তিনি বললেন, চারটি বিষয় (ঘোষণা করার জন্য)। মুসলিম ছাড়া আর কোন লোক জান্নাতে যাবে না; কোন লোক উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না; এইখানে (কা'বা শারীফে) মুসলিম ও মুশরিকগণ এই বছরের পর একত্র হতে পারবে না এবং যে সব লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চুক্তি আছে সে সব লোকের চুক্তি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, কিন্তু যে সব লোকের চুক্তিতে কোন মেয়াদের উল্লেখ নেই সে সব লোকের চুক্তির মেয়াদ (আজ হতে) চার মাস পর্যন্ত। — সহীহ, ইরওয়া (১১০১) আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا سفيان بن عيينة، عن ابي اسحاق، عن زيد بن اثيع، قال سالت عليا باى شيء بعثت قال باربع لا يدخل الجنة الا نفس مسلمة ولا يطوف بالبيت عريان ولا يجتمع المسلمون والمشركون بعد عامهم هذا ومن كان بينه وبين النبي صلى الله عليه وسلم عهد فعهده الى مدته ومن لا مدة له فاربعة اشهر . قال وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى حديث علي حديث حسن
। ইবনু আবু উমার ও নাসর ইবনু আলী তারা উভয়ে সুফিয়ান হতে, তিনি আবু ইসহাকের বরাতে পূর্বোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। তবে যাইদ ইবনু উসাইর স্থলে তারা উভয়ে ইয়ুসাই উল্লেখ করেছেন, এটাই বেশি সহীহ। — সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস আবু ঈসা বলেন, এই ক্ষেত্রে শুবার ভুল আছে। বর্ণনাকারীর নামটি তিনি যাইদ ইবনু উসাইল বলে উল্লেখ করেছেন।
حدثنا ابن ابي عمر، ونصر بن علي، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي اسحاق، نحوه وقالا زيد بن يثيع . وهذا اصح . قال ابو عيسى وشعبة وهم فيه فقال زيد بن اثيل
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট হতে আচঞ্চল চোখে ও প্রফুল্ল মনে চলে গেলেন কিন্তু (কিছুক্ষণ পর) ফিরে আসলেন চিন্তগ্রস্ত অবস্থায়। আমি তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি কাবার ভেতরে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মন বলছিল আমি যদি এরূপ না করতাম (তবে সেটাই ভাল ছিল)। আমার ভয় হচ্ছে আমার পরে আমার উম্মাতদেরকে যন্ত্রণায় ফেললাম কি-না। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩০৬৪) আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا وكيع، عن اسماعيل بن عبد الملك، عن ابن ابي مليكة، عن عايشة، قالت خرج النبي صلى الله عليه وسلم من عندي وهو قرير العين طيب النفس فرجع الى وهو حزين فقلت له فقال " اني دخلت الكعبة ووددت اني لم اكن فعلت اني اخاف ان اكون اتعبت امتي من بعدي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। বিলাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, কাবার অভ্যন্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করেছেন। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৬৩), বুখারী, মুসলিম ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি নামায আদায় করেননি, বরং তাকবীর ধ্বনি করেছেন। উসামা ইবনু যাইদ, ফাযল ইবনু আব্বাস, উসমান ইবনু তালহা ও শাইবা ইবনু উসমান (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। বিলাল (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী বেশিরভাগ আলিম মত দিয়েছেন। কাবার অভ্যন্তরে নামায আদায় করাতে কোন সমস্যা আছে বলে তারা মনে করেন না; ইমাম মালিক বলেন, নফল নামায কা'বার অভ্যন্তরে আদায় করাতে কোন সমস্যা নেই; তবে ফরয নামায আদায় করা মাকরূহ। ইমাম শাফিঈ বলেন, যে কোন নামায কাবার অভ্যন্তরে আদায় করায় সমস্যা নেই তা ফরয হোক বা নফল হোক। কেননা, কিবলামূখী হওয়া, পবিত্রতা অর্জন করা ইত্যাদি প্রসঙ্গে ফরয ও নফলের বিধান একই।
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن ابن عمر، عن بلال، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى في جوف الكعبة . قال ابن عباس لم يصل ولكنه كبر . قال وفي الباب عن اسامة بن زيد والفضل بن عباس وعثمان بن طلحة وشيبة بن عثمان . قال ابو عيسى حديث بلال حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اكثر اهل العلم لا يرون بالصلاة في الكعبة باسا . وقال مالك بن انس لا باس بالصلاة النافلة في الكعبة . وكره ان تصلى المكتوبة في الكعبة . وقال الشافعي لا باس ان تصلى المكتوبة والتطوع في الكعبة لان حكم النافلة والمكتوبة في الطهارة والقبلة سواء
। আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, ইবনু যুবাইর (রাঃ) তাকে বললেন, তোমাকে উম্মুল মু'মিনীন আইশা (রাঃ) যে হাদীস বলেছেন, তা আমার নিকটে বর্ণনা কর। আসওয়াদ বলেন, তিনি আমাকে বলেছেন যে, তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ যদি তোমার সম্প্রদায় জাহিলী যুগের এত নিকটে এবং ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে নবদীক্ষিত না হত তাহলে আমি কা'বা ঘরকে ভেঙ্গে (পুনঃনির্মাণ করে) এর দুটো দরজা বানাতাম। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৮৭৫) বর্ণনাকারী বলেন, পরে যখন ইবনুয যুবাইর (রাঃ) ক্ষমতাধিকারী হন তখন এটিকে ভেঙ্গে (পুনঃনির্মাণ করেন এবং) এর দুইটি দরজা তৈরী করেন। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، عن شعبة، عن ابي اسحاق، عن الاسود بن يزيد، ان ابن الزبير، قال له حدثني بما، كانت تفضي اليك ام المومنين يعني عايشة فقال حدثتني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لها " لولا ان قومك حديثو عهد بالجاهلية لهدمت الكعبة وجعلت لها بابين " . قال فلما ملك ابن الزبير هدمها وجعل لها بابين . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কাবা ঘরের অভ্যন্তরে ঢুকে সেখানে আমি নামায আদায়ের ইচ্ছা করতম তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে হিজর (হাতীম)-এ প্রবেশ করিয়ে আমাকে বললেনঃ যদি তুমি বাইতুল্লায় চাও তাহলে এই হিজরেই নামায আদায় করে নাও। কেননা এও বাইতুল্লাহর অংশ। কিন্তু তোমার সম্প্রদায় কা'বা ঘর ছোট করে নির্মাণ করে এবং (অর্থাভাবে) এই স্থানটিকে কা'বার বাইরে রেখে দেয়। — হাসান সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (১৭৬৯), সহীহাহ (৪৩) এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। বর্ণনাকারী আলকামার পিতার নাম বিলাল।
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن علقمة بن ابي علقمة، عن امه، عن عايشة، قالت كنت احب ان ادخل، البيت فاصلي فيه فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدي فادخلني الحجر فقال " صلي في الحجر ان اردت دخول البيت فانما هو قطعة من البيت ولكن قومك استقصروه حين بنوا الكعبة فاخرجوه من البيت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وعلقمة بن ابي علقمة هو علقمة بن بلال
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাত হতে হাজরে আসওয়াদ অবতীর্ণ হয়েছিল দুধ হতেও বেশি সাদা অবস্থায়। কিন্তু এটিকে আদম সন্তানের গুনাহ এমন কালো করে দিয়েছে। — সহীহ, মিশকাত (২৫৭৭), তা’লীকুর রাগীব (২/১২৩), আল-হাজ্জ্বল কাবীর আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن عطاء بن السايب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نزل الحجر الاسود من الجنة وهو اشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني ادم " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের ইয়াকুত (দীপ্তিশীল মূল্যবান মণি) হতে দুটো ইয়াকুত। আল্লাহ্ তা'আলা এই দুটির আলোকপ্রভা নিম্প্রভ করে দিয়েছেন। এ দু'টির প্রভা যদি তিনি নিস্তেজ করে না দিতেন তাহলে তা পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যে যা কিছু আছে সব আলোকিত করে দিত। — সহীহ, মিশকাত (২৫৭৯) আবু ঈসা বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর এই বক্তব্য মাওকৃফভাবে বর্ণিত আছে। আনাস (রাঃ) হতেও এই বিষয়ে হাদীস বর্ণিত আছে, তবে তা গারীব।
حدثنا قتيبة، حدثنا يزيد بن زريع، عن رجاء ابي يحيى، قال سمعت مسافعا الحاجب، قال سمعت عبد الله بن عمرو، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس الله نورهما ولو لم يطمس نورهما لاضاءتا ما بين المشرق والمغرب " . قال ابو عيسى هذا يروى عن عبد الله بن عمرو موقوفا قوله . وفيه عن انس ايضا وهو حديث غريب
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় যুহর, আসর, মাগরিব, এশা ও ফজরের নামায আদায় করলেন, তারপর ভোরে যাত্রা শুরু করেন আরাফাতের দিকে। — সহীহু, হাজ্জাতুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (৫৫/৬৯), মুসলিম, জাবির হতে আবু ঈসা বলেন, হাদীস বিশারদগণ বর্ণনাকারী ইসমাঈল ইবনু মুসলিমের স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا عبد الله بن الاجلح، عن اسماعيل بن مسلم، عن عطاء، عن ابن عباس، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى الظهر والعصر والمغرب والعشاء والفجر ثم غدا الى عرفات . قال ابو عيسى واسماعيل بن مسلم قد تكلموا فيه من قبل حفظه
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় যুহর ও ফজরের নামায (অর্থাৎ যুহর হতে পরবর্তী ফজর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্তের নামায) আদায় করলেন। তারপর ভোরেই আরাফাতের দিকে যাত্রা শুরু করেন। -সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর ও আনাস (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, মিকসাম-ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীস সম্পর্কে আলী ইবনুল মাদীনী ইয়াহইয়ার সনদে শুবা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, হাকাম মিকসাম হতে মাত্র পাঁচটি হাদীস শুনেছেন। এরপর এই পাঁচটি হাদীস তিনি বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন, কিন্তু এগুলোর মধ্যে উক্ত হাদীসটি ছিল না।
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا عبد الله بن الاجلح، عن الاعمش، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى بمنى الظهر والفجر ثم غدا الى عرفات . قال وفي الباب عن عبد الله بن الزبير وانس . قال ابو عيسى حديث مقسم عن ابن عباس قال علي بن المديني قال يحيى قال شعبة لم يسمع الحكم من مقسم الا خمسة اشياء . وعدها وليس هذا الحديث فيما عد شعبة
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহু! আমরা মিনায় আপনার জন্য কি একটা ঘর বানিয়ে দিব যা আপনাকে ছায়া দিবে? তিনি বললেনঃ না। যে ব্যক্তি মিনায় যে জায়গাতে আগে পৌছবে সেটিই হবে তার অবস্থানস্থল। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩০০৬) আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا يوسف بن عيسى، ومحمد بن ابان، قالا حدثنا وكيع، عن اسراييل، عن ابراهيم بن مهاجر، عن يوسف بن ماهك، عن امه، مسيكة عن عايشة، قالت قلنا يا رسول الله الا نبني لك بيتا يظلك بمنى قال " لا منى مناخ من سبق " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن
। হারিসা ইবনু ওয়াহব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, পূর্ণ নিরাপত্তা বজায় থাকা অবস্থায় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সর্বাধিক সংখ্যক লোকসহ মিনায় (চার রাক’আত ফরযের স্থলে) দুই রাকাআত নামায আদায় করেছি। — সহীহ, সহীহ আবু দাউদ (১৭১৪), বুখারী, মুসলিম ইবনু মাসউদ, ইবনু উমার ও আনাস (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি মিনাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দুই রাকাআত নামায আদায় করেছি এবং এখানে আবু বাকর, উমার ও উসমান (রাঃ)-এর খিলাফাতের প্রথম দিকেও দুই রাকাআত নামায আদায় করেছি। মক্কাবাসীদের জন্য মিনায় নামায কসর করা প্রসঙ্গে ইমামদের মধ্যে মতের অমিল আছে। একদল আলিম বলেন, মিনায় মুসাফির ছাড়া অন্য কোন মক্কাবাসী সেখানে নামায কসর করবে না। এই মত দিয়েছেন ইবনু জুরাইজ, সুফিয়ান সাওরী, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)। কিছু আলিম বলেছেন, মক্কাবাসীর জন্য মিনায় নামায কসর করায় কোন সমস্যা নেই। এই অভিমত আওযাঈ, (রহঃ)-এর।
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن حارثة بن وهب، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم بمنى امن ما كان الناس واكثره ركعتين . قال وفي الباب عن ابن مسعود وابن عمر وانس . قال ابو عيسى حديث حارثة بن وهب حديث حسن صحيح . وروي عن ابن مسعود انه قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم بمنى ركعتين ومع ابي بكر ومع عمر ومع عثمان ركعتين صدرا من امارته . وقد اختلف اهل العلم في تقصير الصلاة بمنى لاهل مكة فقال بعض اهل العلم ليس لاهل مكة ان يقصروا الصلاة بمنى الا من كان بمنى مسافرا . وهو قول ابن جريج وسفيان الثوري ويحيى بن سعيد القطان والشافعي واحمد واسحاق . وقال بعضهم لا باس لاهل مكة ان يقصروا الصلاة بمنى . وهو قول الاوزاعي ومالك وسفيان بن عيينة وعبد الرحمن بن مهدي
ইয়াযীদ ইবনু শাইবান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ইবনু মিরবা আনসারী (রাঃ) আমাদের নিকটে আসলেন। আরাফাতের এমন এক জায়গায় আমরা অবস্থান করছিলাম যাকে আমর (রাঃ) (ইমামের স্থান হতে) বহু দূর বলে মনে করছিলেন। ইবনু মিরবা আনসারী (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতিনিধি হিসাবে আমি তোমাদের নিকটে এসেছি। তিনি বলেছেনঃ হাজ্জের নির্ধারিত স্থানসমূহে তোমরা অবস্থান কর। কারণ, তোমরা ইবরাহীম (আঃ)-এর ওয়ারিসী প্রাপ্ত হয়েছ। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০১১) আলী, আইশা, জুবাইর ইবনু মুতইম ও শারীদ ইবনু সুওয়াইদ সাকাফী (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আমরা হাদীসটি প্রসঙ্গে শুধু ইবনু উআইনা হতে-আমর ইবনু দীনারের সূত্রেই জানতে পারি। ইবনু মিরবার নাম ইয়াযীদ আনসারী। এই একটি হাদীসই তার সূত্রে বর্ণিত আছে বলে জানা যায়।
حدثنا قتيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن عبد الله بن صفوان، عن يزيد بن شيبان، قال اتانا ابن مربع الانصاري ونحن وقوف بالموقف مكانا يباعده عمرو - فقال اني رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم اليكم يقول " كونوا على مشاعركم فانكم على ارث من ارث ابراهيم " . قال وفي الباب عن علي وعايشة وجبير بن مطعم والشريد بن سويد الثقفي . قال ابو عيسى حديث ابن مربع الانصاري حديث حسن لا نعرفه الا من حديث ابن عيينة عن عمرو بن دينار . وابن مربع اسمه يزيد بن مربع الانصاري وانما يعرف له هذا الحديث الواحد
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কুরাইশ এবং তাদের ধর্মের যারা অনুসারী ছিল তাদেরকে হুম্স বলা হত। তারা মুযদালফায় অবস্থান করত এবং বলত, আমরা আল্লাহর ঘরের অধিবাসী। তারা ব্যতীত অন্য লোকেরা আরাফাতে অবস্থান করত। আল্লাহ্ তাআলা এই বিষয়ে আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “অতঃপর যেখান হতে লোকেরা প্রত্যাবর্তন করে তোমরাও সেখান হতে প্রত্যাবর্তন কর” (সূরা বাকারাঃ ১৯৯)। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০১৮)বুখারী, মুসলিম এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। হাদীসটির তাৎপর্য এই যে, মক্কাবাসীরা (হাজের সময়) হারাম শারীফের বাইরে বের হত না। হারাম শরীফের বাইরে আরাফাতের ময়দান অবস্থিত। তাই তারা মুযদালফায় অবস্থান করত এবং আল্লাহর ঘরের অধিবাসী বলে (গর্ববোধের) নিজদেরকে পরিচয় দিত। আরাফাতে তারা ব্যতীত অন্যান্য লোক থাকত। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ্ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ “অতঃপর লোকেরা যেখান হতে প্রত্যাবর্তন করে তোমরাও সেখান হতে প্রত্যাবর্তন কর”। “হুমস” হল হারামবাসী।
حدثنا محمد بن عبد الاعلى الصنعاني البصري، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، قالت كانت قريش ومن كان على دينها وهم الحمس يقفون بالمزدلفة يقولون نحن قطين الله . وكان من سواهم يقفون بعرفة فانزل الله تعالى : (ثم افيضوا من حيث افاض الناس ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال ومعنى هذا الحديث ان اهل مكة كانوا لا يخرجون من الحرم وعرفة خارج من الحرم واهل مكة كانوا يقفون بالمزدلفة ويقولون نحن قطين الله يعني سكان الله ومن سوى اهل مكة كانوا يقفون بعرفات . فانزل الله تعالى: (ثم افيضوا من حيث افاض الناس ) . والحمس هم اهل الحرم
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে অবস্থান গ্রহণ করলেন, তারপর বললেনঃ এটাই আরাফাতের ময়দান, এটাই অবস্থান স্থল। আর গোটা আরাফাতই অবস্থান স্থল। এরপর সূর্য ডুবে গেলে তিনি সেখান হতে ফিরে আসলেন এবং তার বাহনের পিছনে উসামা ইবনু যাইদকে বসালেন। স্বীয় অবস্থান হতে তিনি হাত দিয়ে ইশারা করছিলেন। লোকজন তাদের উটগুলো ডানে বামে হাকাচ্ছিল। তাদের দিকে তিনি তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেনঃ হে লোক সকল! তোমরা শান্তভাবে পথ চল। লোকদেরকে নিয়ে মুযদালফায় পৌছে তিনি দুই ওয়াক্তের (মাগরিব ও এশা) নামায একসাথে আদায় করলেন। ভোরে ‘কুযাহ' নামক জায়গাতে এসে তিনি অবস্থান করলেন এবং বললেনঃ এটা হলো কুযাহ; এটাও অবস্থান স্থল, আর সম্পূর্ণ মুযদালফাই অবস্থানের জায়গা। এরপর তিনি ওয়াদী মুহাসসারে আসলেন। তার উটটিকে তিনি বেত মারলেন, ফলে তা দ্রুত উপত্যকাটি অতিক্রম করল। তারপর তিনি থামলেন এবং তার পিছনে ফাযলকে বসালেন এরপর তিনি জামরায় আসলেন এবং এখানে কংকর নিক্ষেপ করলেন। তিনি কুরবানীর জায়গায় পৌছে বললেনঃ এটা কুরবানী করার জায়গা। আর সম্পূর্ণ মিনাই কুরবানী করার জায়গা। এরকম সময় তাকে খাসআম গোত্রের এক যুবতী ফাতাওয়া জিজ্ঞাসা করল, আমার বাবা খুবই বয়স্ক ব্যক্তি। আল্লাহ্ তা'আলার নির্ধারিত হাজ্জ তার উপর ফরয হয়েছে। তার পক্ষ হতে আমি হাজ্জ আদায় করলে সেটা কি তার জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ তোমার বাবার পক্ষ হতে হাজ আদায় কর। আলী (রাঃ) বলেন, তিনি এমন সময় ফাযলের ঘাড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘাড় কেন ঘুরিয়ে দিলেন? তিনি বললেনঃ আমি লক্ষ্য করলাম এরা দুইজন যুবক-যুবতী। সুতরাং তাদেরকে আমি শাইতান হতে নিরাপদ মনে করিনি। এরপর এক লোক এসে তাকে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যে মাথা মুণ্ডনের পূর্বেই তাওয়াফ (ইফাযা) করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ মাথা মুণ্ডন করে ফেলো, কোন সমস্যা নেই, অথবা বললেন, চুল ছেটে ফেলো, কোন সমস্যা নেই। বর্ণনাকারী বলেন, আরেক লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কংকর মারার পূর্বেই কুরবানী করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ কংকর মেরে নাও, কোন সমস্যা নেই। আলী (রাঃ) বলেন, তারপর বাইতুল্লাহ্ পৌছে তিনি তাওয়াফ করলেন, তারপর যমযম কূপের নিকটে এসে বললেনঃ হে আবদুল মুত্তালিব বংশের লোকেরা। জনতা তোমাদের উপর প্রবল হয়ে উঠবে এই ভয় যদি না হত তবে আমি (তোমাদের সঙ্গে) অবশ্যই পানি টেনে তুলতাম। – হাসান, হিযাবুল মারঅা, আল-হাজ্জ্বল কাবীর (২৮) জাবির (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে, এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আলী (রাঃ)-এর এই হাদীসটি আমাদের নিকটে আবদুর রাহমান ইবনুল হারিস ইবনু আইয়্যাশের সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে বর্ণিত আছে বলে জানা নেই। সাওরী হতে একাধিক বর্ণনাকারী অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী আলিমগণ আরাফাতে যুহরের ওয়াক্তে যুহর ও আসর একসাথে আদায় করতে বলেছেন। কিছু আলিম বলেন, নিজের অবস্থান স্থলেই কোন লোক নামায আদায় করলে এবং ইমামের সঙ্গে নামাযে হাযির না হয়ে নিজ অবস্থান স্থলে নামায আদায় করলে সে চাইলে ইমামের মত দুই নামায একসাথে আদায় করতে পারে। বর্ণনাকারী যাইদ ইবনু আলী হলেন ইমাম হুসাইন (রাঃ)-এর পৌত্র।
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াদী মুহাসসারে তার উট দ্রুত হাকিয়ে যান। এই হাদীসে বিশর আরো উল্লেখ করেন যে, তিনি শান্তভাবে মুযদালিফা হতে ফিরে আসেন এবং লোকদেরকেও শান্তভাব অবলম্বনের হুকুম দেন। আবু নুআইম আরো বর্ণনা করেনঃ তিনি নুড়ি পাথর (জামরায়) ছুড়ে মারার হুকুম দেন এবং বলেনঃ এই বছরের পর হয়ত আমি আর তোমাদের দেখা পাব না। — সহীহ, সহীহ আবু দাউদ (১৬৯৯, ১৭১৯), মুসলিম উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، وبشر بن السري، وابو نعيم قالوا حدثنا سفيان، عن ابي الزبير، عن جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم اوضع في وادي محسر . وزاد فيه بشر وافاض من جمع وعليه السكينة وامرهم بالسكينة . وزاد فيه ابو نعيم وامرهم ان يرموا بمثل حصى الخذف وقال " لعلي لا اراكم بعد عامي هذا " . قال وفي الباب عن اسامة بن زيد . قال ابو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح
আবদুল্লাহ ইবনু মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুযদালিফাতে ইবনু উমর (রাঃ) নামায আদায় করলেন। সেখানে তিনি এক ইকামাতে দুই নামায (মাগরিব ও এশা) একসাথে আদায় করলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসায়ামকে এই স্থানে আমি এরকমই করতে দেখেছি। — সহীহ, সহীহ আবু দাউদ (১৬৮২, ৬৯০), নাসা-ঈ, মুসলিমের শব্দ ইকামাতুন ওয়াহিদাতুল ঐ বর্ণনাটি শাজ, বুখারীর শব্দ প্রত্যেক নামাযের জন্যই ইকামাত, এ বর্ণনাটি সংরক্ষিত।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا سفيان الثوري، عن ابي اسحاق، عن عبد الله بن مالك، ان ابن عمر، صلى بجمع فجمع بين الصلاتين باقامة وقال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل مثل هذا في هذا المكان
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن الحارث بن عياش بن ابي ربيعة، عن زيد بن علي، عن ابيه، عن عبيد الله بن ابي رافع، عن علي بن ابي طالب، رضى الله عنه قال وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرفة فقال " هذه عرفة وهذا هو الموقف وعرفة كلها موقف " . ثم افاض حين غربت الشمس واردف اسامة بن زيد وجعل يشير بيده على هييته والناس يضربون يمينا وشمالا يلتفت اليهم ويقول " يا ايها الناس عليكم السكينة " . ثم اتى جمعا فصلى بهم الصلاتين جميعا فلما اصبح اتى قزح فوقف عليه وقال " هذا قزح وهو الموقف وجمع كلها موقف " . ثم افاض حتى انتهى الى وادي محسر فقرع ناقته فخبت حتى جاوز الوادي فوقف واردف الفضل ثم اتى الجمرة فرماها ثم اتى المنحر فقال " هذا المنحر ومنى كلها منحر " . واستفتته جارية شابة من خثعم فقالت ان ابي شيخ كبير قد ادركته فريضة الله في الحج افيجزي ان احج عنه قال " حجي عن ابيك " . قال ولوى عنق الفضل فقال العباس يا رسول الله لم لويت عنق ابن عمك قال " رايت شابا وشابة فلم امن الشيطان عليهما " . ثم اتاه رجل فقال يا رسول الله اني افضت قبل ان احلق . قال " احلق او قصر ولا حرج " . قال وجاء اخر فقال يا رسول الله اني ذبحت قبل ان ارمي . قال " ارم ولا حرج " . قال ثم اتى البيت فطاف به ثم اتى زمزم فقال " يا بني عبد المطلب لولا ان يغلبكم الناس عنه لنزعت " . قال وفي الباب عن جابر . قال ابو عيسى حديث علي حديث حسن صحيح لا نعرفه من حديث علي الا من هذا الوجه من حديث عبد الرحمن بن الحارث بن عياش . وقد رواه غير واحد عن الثوري مثل هذا . والعمل على هذا عند اهل العلم راوا ان يجمع بين الظهر والعصر بعرفة في وقت الظهر . وقال بعض اهل العلم اذا صلى الرجل في رحله ولم يشهد الصلاة مع الامام ان شاء جمع هو بين الصلاتين مثل ما صنع الامام . قال وزيد بن علي هو ابن حسين بن علي بن ابي طالب عليه السلام