Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৮ হাদিসসমূহ
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক অভিযানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তিনশত লোকের একটি বাহিনী প্রেরণ করেন। আমরা আমাদের রসদপত্র ও অন্যান্য সামগ্ৰী আমাদের কাঁধে নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম। রসদ (পাথেয়) (ছিল খুবই সামান্য, কাজেই তাড়াতাড়ি তা) ফুরিয়ে গেল। এমনকি প্রতি জনের জন্য দিনশেষে একটি করে খেজুর নির্ধারিত হতো। তাকে বলা হলো, হে আবূ আবদুল্লাহ! একজন লোকের জন্য সারাদিনে একটি খেজুরে কি হতো? তিনি বললেন, একটি খেজুরে কিছুই হতো না, কিন্তু আমরা একটির উপকারিতাও তখন বুঝতে পারলাম, যখন হতে একটি করে খেজুর পাবার সুযোগও ফুরিয়ে গেল। তারপর আমরা সাগরের সামনে এসে একটি বিরাট আকারের মৎস্য দেখতে পেলাম। সমুদ্র তা নিক্ষেপ করেছে। আমরা আঠার দিন পর্যন্ত এটা খেলাম। আমাদের নিকট তা কতই না প্রিয় ছিল। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৪১৫৯), বুখারী, মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। এই হাদীসটি জাবির (রাঃ) হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এটিকে ওয়াহাব ইবনু কাইসানের সূত্রে মালিক ইবনু আনাস (রাঃ) আরো পরিপূর্ণ ও লম্বা করে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن ثلاثماية نحمل زادنا على رقابنا ففني زادنا حتى ان كان يكون للرجل منا كل يوم تمرة . فقيل له يا ابا عبد الله واين كانت تقع التمرة من الرجل فقال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها واتينا البحر فاذا نحن بحوت قد قذفه البحر فاكلنا منه ثمانية عشر يوما ما احببنا . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح وقد روي من غير وجه عن جابر بن عبد الله . ورواه مالك بن انس عن وهب بن كيسان اتم من هذا واطول
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। এমন সময় চামড়ার তালিযুক্ত একটি ছেড়া চাঁদর গায়ে জড়িয়ে মুসআব ইবনু উমাইর (রাঃ) এসে আমাদের সামনে হাযির হন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বর্তমান করুণ অবস্থা দেখে এবং তার পূর্বের স্বচ্ছল অবস্থার কথা মনে করে কেঁদে ফেললেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে সময় তোমাদের কি অবস্থা হবে, যখন তোমাদের কেউ সকালে এক জোড়া পোশাক পরবে আর বিকেলে পরবে অন্য জোড়া। আর তার সামনে খাদ্যভর্তি একটি পেয়ালা রাখা হবে আর অন্যটি উঠিয়ে নেয়া হবে। তোমরা তোমাদের ঘরগুলো এমনভাবে পর্দায় ঢেকে রাখবে, যেভাবে কা'বা ঘরকে গেলাফে ঢেকে রাখা হয়। সাহাবীগণ আরয করেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো তখন বর্তমানের চাইতে অনেক স্বচ্ছল থাকব। বিপদাপদ ও অভাব-অনটন হতে নিরাপদ থাকব। ফলে ইবাদাত বন্দিগীর জন্য যথেষ্ট অবসর পাব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন; বরং বর্তমানটাই তোমাদের জন্য তখনকার তুলনায় অনেক ভালো। যইফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৫৩৬৬) দেখুন হাদীস নং (২৫৯১) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। ইয়াযীদ ইবনু যিয়াদ হলেন ইবনু মাইসারা, তিনি মাদীনার অধিবাসী। মালিক ইবনু আনাস-সহ একাধিক বিশেষজ্ঞ আলিম তার সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর ইয়াযীদ ইবনু যিয়াদ আদ-দিমাশকী যুহরীর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তার সূত্রে ওয়াকী, মারওয়ান ইবনু মুআবিয়া হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর কুফার অধিবাসী ইয়াযীদ ইবনু আবূ যিয়াদের সূত্রে সুফিয়ান, শুবা, ইবনু উআইনা-সহ একাধিক ইমাম হাদীস বর্ণনা করেছেন। বিঃদ্রঃ - আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) প্রথমে তিরমিযী ও য'ঈফুল জামি'-তে য'ঈফ বলেন পরে তিনি যুহদু হান্নাদ; কিতাবে ২/৩৮৯-৩৯১ পৃষ্ঠায় এর শাহিদ পেয়ে যান। যাতে হাদীসটি হাসান পর্যায়ে উন্নীত হয়, যেমনটি তিরমিযীও বলেছেন। দেখুন- সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ২৩৮৪, হিদায়াতুর রুওয়াত ৫/৮০ পৃ.।
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن اسحاق، حدثني يزيد بن زياد، عن محمد بن كعب القرظي، حدثني من، سمع علي بن ابي طالب، يقول انا لجلوس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد اذ طلع علينا مصعب بن عمير ما عليه الا بردة له مرقوعة بفرو فلما راه رسول الله صلى الله عليه وسلم بكى للذي كان فيه من النعمة والذي هو اليوم فيه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف بكم اذا غدا احدكم في حلة وراح في حلة ووضعت بين يديه صحفة ورفعت اخرى وسترتم بيوتكم كما تستر الكعبة " . قالوا يا رسول الله نحن يوميذ خير منا اليوم نتفرغ للعبادة ونكفى المونة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لانتم اليوم خير منكم يوميذ " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ويزيد بن زياد هو ابن ميسرة وهو مدني وقد روى عنه مالك بن انس وغير واحد من اهل العلم ويزيد بن زياد الدمشقي الذي روى عن الزهري روى عنه وكيع ومروان بن معاوية ويزيد بن ابي زياد كوفي روى عنه سفيان وشعبة وابن عيينة وغير واحد من الايمة
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুফফাবাসীগণ ছিলেন মুসলিমদের অতিথি, তাদের আশ্রয় লাভের মতো ধন-দৌলত, পরিবার-স্বজন কিছুই ছিল না। আল্লাহর শপথ, যিনি ব্যতীত আর কোন মা'বূদ নেই। আমি ক্ষুধার কষ্টে আমার পেট মাটিতে চেপে ধরে থাকতাম, আর কখনো পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। কোন একদিন আমি তাদের (সাহাবাদের) পথে বসে গেলাম। এমন সময় আবূ বাকর (রাঃ) আমাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করলাম। উদ্দেশ্য ছিল তিনি আমাকে তার পিছনে যেতে বলেন (এবং কিছু খেতে দেন)। কিন্তু তিনি চলে গেলেন, কিছুই করলেন না। এরপর উমর (রাঃ) এই পথ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। আমি তাকেও আল্লাহ্ তা'আলার কিতাবের একটি আয়াত প্রসঙ্গে সেই একই উদ্দেশে প্রশ্ন করলাম, কিন্তু তিনিও চলে গেলেন এবং কিছুই করলেন না। তারপর আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আমাকে দেখা মাত্রই (আসল ব্যাপার বুঝতে পেরে) মুচকি হাসলেন এবং বললেন, হে আবূ হুরাইরাহ! আমি বললাম, লাব্বাইকা ইয়া (রাসূলাল্লাহ)। তিনি বললেন, চলো, তারপর তিনি চললেন, আমি তার অনুসরণ করলাম। তিনি তাঁর গৃহে প্রবেশ করলেন, আমিও ঢোকার অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে সম্মতি প্রদান করলেন। তিনি ঘরে এক পেয়ালা দুধ দেখে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের জন্য এই দুধ কোথা হতে এসেছে? বলা হলো, আমাদের জন্য অমুক ব্যক্তি উপহারস্বরূপ পাঠিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ হুরাইরাহ! আমি বললাম, লাব্বাইকা। তিনি বললেন, যাও সুফফাবাসীদেরকে ডেকে নিয়ে এসো, তারা তো মুসলিমদের অতিথি, তাদের নির্ভর করার মতো ধন-সম্পদ, পরিবার পরিজন বলতে কিছুই নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সাদাকাহর কোন মাল আসলে তিনি তার কোন অংশই না রেখে তাদের জন্য সবটুকু পাঠিয়ে দিতেন। আর উপহার আসলে তিনি তা হতে তাদের জন্য কিছু পাঠিয়ে দিতেন এবং নিজেও কিছু নিতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশ শুনে আমি নিরাশ হয়ে গেলাম এবং (মনে মনে) বললাম, এই এক পেয়ালা দুধ দিয়ে আসহাবে সুফফার কি হবে? অথচ আমাকে তাদের নিকট পাঠানো হচ্ছে। এই দুধ তাদের মধ্যে পরিবেশন করার জন্য তো তিনি আমাকেই আদেশ করবেন। তখন তার কোন অংশই আমার জন্য জুটবে না। অথচ আমি আশা করছিলাম যে, আমি এটুকু পান করতে পারলে আমার জন্য যথেষ্ট হবে। কিন্তু আল্লাহ ও তার রাসূলের আদেশ পালন করা ব্যতীত আর কোন পথও নেই। অতএব আমি তাদের নিকট এসে তাদেরকে ডাকলাম। তারা এসে ঘরে প্রবেশ করে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করলে তিনি বললেনঃ হে আবূ হুরাইরাহ! পেয়ালাটা নিয়ে তাদেরকে দুধ পরিবেশন কর। আমি পেয়ালাটি নিলাম তারপর আমি একজন করে দিতে থাকলাম। সে পান করে পরিতৃপ্ত হয়ে পেয়ালাটি আমাকে ফিরত দিলে আমি অন্যজনকে দিতাম। সেও পরিতৃপ্ত হতো। এভাবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌছলাম। সমবেত সকলেই পরিতৃপ্ত হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালাটি তার হাতে নিয়ে মাথা তুলে আমার দিকে তাকিয়ে মুচুকি হাসলেন এবং বললেন, আবূ হুরাইরাহ্! এখন তুমি পান কর। আমি পান করলাম। তিনি আবার বললেন, পান কর। তারপর আমি পান করতেই থাকলাম আর তিনি বলতেই থাকলেন, পান কর। অবশেষে আমি বলতে বাধ্য হলাম যে, আল্লাহর শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে পাঠিয়েছেন, আমার পেটে আর জায়গা নেই। তারপর তিনি পেয়ালা হাতে নিয়ে আল্লাহ্ তা'আলার প্রশংসা করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে অবশিষ্ট দুধ পান করলেন। সহীহঃ বুখারী (৬৪৫২)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন একদিন এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে ঢেকুর তুললো। তিনি বললেন, আমাদের সামনে তোমার ঢেকুর তোলা বন্ধ কর। অবশ্যই যে সকল ব্যক্তি দুনিয়াতে বেশি পরিতৃপ্ত হবে তারাই কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত থাকবে। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (৩৩৫০-৩৩৫১)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান এই সনদসূত্রে গারীব। আবূ জুহাইফা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا عبد العزيز بن عبد الله القرشي، حدثنا يحيى البكاء، عن ابن عمر، قال تجشا رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " كف عنا جشاءك فان اكثرهم شبعا في الدنيا اطولهم جوعا يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . وفي الباب عن ابي جحيفة
। আবূ বুরদা (রহঃ) হতে তার বাবা মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত, তিনি (আবূ মূসা) বলেন, হে বাছা! যদি তুমি আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বৃষ্টিতে সিক্ত অবস্থায় দেখতে তাহলে নিশ্চয়ই আমাদের শরীরের গন্ধকে ভেড়ার গন্ধ বলে ধারণা করতে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৩৫৬২)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি সহীহ। এই হাদীসের মর্ম এই যে, তাদের শরীরে পশমী কাপড় থাকতো, বৃষ্টির পানিতে ভিজলে তা হতে ভেড়ার শরীরের দুর্গন্ধের মতো দুৰ্গন্ধ বের হতো।
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن ابي بردة بن ابي موسى، عن ابيه، قال يا بنى لو رايتنا ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم واصابتنا السماء لحسبت ان ريحنا ريح الضان . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . ومعنى هذا الحديث انه كان ثيابهم الصوف فكان اذا اصابهم المطر يجيء من ثيابهم ريح الضان
। ইবরাহীম নাখঈ হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ দালান কোঠা সবই বিপদের কারণ। আবূ হামযা বলেনঃ আমি প্রশ্ন করলাম যা না হইলেই নয় সে সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেনঃ এতে সাওয়াবও নেই, গোনাহও নেই। দুর্বল সনদ, বিচ্ছিন্ন।
حدثنا الجارود بن معاذ، حدثنا الفضل بن موسى، عن سفيان الثوري، عن ابي حمزة، عن ابراهيم النخعي، قال البناء كله وبال قلت ارايت ما لا بد منه قال لا اجر ولا وزر
। মু'আয ইবনু আনাস আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক ক্ষমতা থাকার পরেও আল্লাহ তা'আলার প্রতি নম্রতাবশতঃ দামী জামা পরা ছেড়ে দিবে, তাকে কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা'আলা সকল সৃষ্টির সামনে ডেকে আনবেন এবং ঈমানদারদের পোশাকের মধ্যে যে কোন পোশাক পরিধান করার অধিকার দিবেন। হাসানঃ সহীহা (৭১৭)। এ হাদীসটি হাসান। হুলালুল ঈমান শব্দের অর্থ ঈমানদারগণকে জান্নাতের যে পোশাক পরতে দেয়া হবে তা।
حدثنا عباس بن محمد الدوري، حدثنا عبد الله بن يزيد المقري، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، عن ابي مرحوم عبد الرحيم بن ميمون، عن سهل بن معاذ بن انس الجهني، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ترك اللباس تواضعا لله وهو يقدر عليه دعاه الله يوم القيامة على رءوس الخلايق حتى يخيره من اى حلل الايمان شاء يلبسها " . هذا حديث حسن . ومعنى قوله " حلل الايمان " . يعني ما يعطى اهل الايمان من حلل الجنة
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দালানকোঠা নির্মাণের খরচ ব্যতীত জীবন যাপনের সকল খরচই আল্লাহ্ তা'আলার রাস্তায় বলে পরিগণিত। দালানকোঠা নির্মাণের খরচের মধ্যে কোন কল্যাণ নেই। যঈফ, যঈফা (১০৬১), তা’লীকুর রাগীব (২/১১৩) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব।
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا زافر بن سليمان، عن اسراييل، عن شبيب بن بشير، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " النفقة كلها في سبيل الله الا البناء فلا خير فيه " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . هكذا قال محمد بن حميد شبيب بن بشير وانما هو شبيب بن بشر
। হারিসা ইবনু মুযাররিব (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন একদিন আমরা রুগ্ন খাব্বাব (রাঃ)-কে দেখতে গেলাম। তখন তিনি তার শরীরে সাতবার উত্তপ্ত লোহার দাগ দিয়েছেন। তিনি বললেন, আমার রোগ দীর্ঘস্থায়ী হলো। যদি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে না শুনতামঃ “তোমরা মৃত্যু কামনা করো না”, তাহলে আমি নিশ্চয়ই মৃত্যু কামনা করতাম। তিনি আরো বললেন, মানুষকে শুধুমাত্র মাটিতে খরচ (দালান-কোঠা স্থাপনে খরচ) ছাড়া, সকল খরচেই নেকি দেয়া হবে। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম। ৯৫৭ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن ابي اسحاق، عن حارثة بن مضرب، قال اتينا خبابا نعوده وقد اكتوى سبع كيات فقال لقد تطاول مرضي ولولا اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تمنوا الموت " . لتمنيت وقال " يوجر الرجل في نفقته كلها الا التراب او قال في البناء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। হুসাইন (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, জনৈক ভিক্ষুক এসে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নিকটে কিছু চাইল। ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, তুমি কি রামাযানের রোযা রাখ? সে বলল, হ্যাঁ। এবার তিনি বললেন, তুমি আমার নিকটে কিছু চেয়েছ। আর যাঞ্চাকারীর অধিকার আছে। এখন তোমার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করা আমার কর্তব্য। এ কথা বলে তিনি তাকে একটি কাপড় দান করলেন, তারপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলিম অপর মুসলিমকে কাপড় পরতে দিলে সে তত দিন আল্লাহ তা'আলার হিফাযাতে থাকে, যত দিন পর্যন্ত সেই কাপড়ের সামান্য অংশও তার শরীরে থাকে। যঈফ, মিশকাত (১৯২০), তা’লীকুর রাগীব (৩/১১২) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এবং উপরোক্ত সূত্রে গারীব।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا خالد بن طهمان ابو العلاء، حدثنا حصين، قال جاء سايل فسال ابن عباس فقال ابن عباس للسايل اتشهد ان لا، اله الا الله قال نعم . قال اتشهد ان محمدا رسول الله قال نعم . قال وتصوم رمضان قال نعم . قال سالت وللسايل حق انه لحق علينا ان نصلك . فاعطاه ثوبا ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من مسلم كسا مسلما ثوبا الا كان في حفظ الله ما دام منه عليه خرقة " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه
। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মাদীনায় এসে পৌছলেন, মানুষ তখন দলে দলে তার নিকট দৌড়ে গেল। বলাবলি হতে লাগলো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন। অতএব তাকে দেখার জন্য আমিও লোকদের সাথে উপস্থিত হলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখে বুঝতে পারলাম যে, এই চেহারা কোন মিথ্যুকের চেহারা নয়। তখন তিনি সর্বপ্রথম যে কথা বললেন তা এইঃ হে মানুষগণ! তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, খাদ্য দান কর এবং মানুষ ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় কর। তাহলে নিশ্চয়ই তোমরা সহীহ-সালামতে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৩৩৪, ৩২৫১)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، ومحمد بن جعفر، وابن ابي عدي، ويحيى بن سعيد، عن عوف بن ابي جميلة الاعرابي، عن زرارة بن اوفى، عن عبد الله بن سلام، قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة انجفل الناس اليه وقيل قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فجيت في الناس لانظر اليه فلما استبنت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم عرفت ان وجهه ليس بوجه كذاب وكان اول شيء تكلم به ان قال " ايها الناس افشوا السلام واطعموا الطعام وصلوا والناس نيام تدخلون الجنة بسلام " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কৃতজ্ঞ আহারকারী ধৈর্যশীল রোযাদারের সমান মর্যাদাশীল। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৭৬৪, ১৭৬৫)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান গারীব।
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا محمد بن معن المدني الغفاري، حدثني ابي، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الطاعم الشاكر بمنزلة الصايم الصابر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মাদীনায় আগমন করলেন, মুহাজিরগণ তখন তার নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমরা যাদের কাছে হিজরাত করে এসেছি, তাদের মতো আর কাউকে দেখিনি সম্পদশালী অবস্থায় ও অস্বচ্ছল অবস্থায় (আল্লাহ তা'আলার পথে) এত ব্যয় করতে এবং এত উত্তমরূপে সহানুভূতি দেখাতে। আমাদের দুঃখ-দুর্দশা কমানোর জন্য তারাই যথেষ্ট এবং তারা নিজেদের পরিশ্রমে অর্জিত সম্পদে আমাদেরকে ভাগীদার করেছেন। এমনকি আমাদের ভয় হচ্ছে যে, তারাই সমস্ত সাওয়াব নিয়ে যাবেন। এসব কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, তোমরা যতদিন তাদের জন্য দুআ করবে এবং তাদের গুণগান করবে ততদিন তোমাদেরও সাওয়াব হতে থাকবে। সহীহঃ মিশকাত (৩২০৬), তা’লীকুর রাগীব (২/৫৬)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ, এই সূত্রে গারীব।
حدثنا الحسين بن الحسن المروزي، بمكة حدثنا ابن ابي عدي، حدثنا حميد، عن انس، قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة اتاه المهاجرون فقالوا يا رسول الله ما راينا قوما ابذل من كثير ولا احسن مواساة من قليل من قوم نزلنا بين اظهرهم لقد كفونا المونة واشركونا في المهنا حتى خفنا ان يذهبوا بالاجر كله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا ما دعوتم الله لهم واثنيتم عليهم " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح حسن غريب من هذا الوجه
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবো না, কোন ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম এবং জাহান্নামের জন্য কোন ব্যক্তি হারাম? যে ব্যক্তি মানুষের কাছাকাছি (জনপ্রিয়), সহজ-সরল, নম্রভাষী ও সদাচারী। সহীহঃ সহীহাহ (৯৩৫)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান গারীব।
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن موسى بن عقبة، عن عبد الله بن عمرو الاودي، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا اخبركم بمن يحرم على النار او بمن تحرم عليه النار على كل قريب هين لين سهل " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাঃ) কে প্রশ্ন করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে থাকাবস্থায় কি করতেন? তিনি বললেন, তিনি সংসারের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতেন, তারপর নামাযের সময় ঘনিয়ে এলে তিনি উঠে গিয়ে নামায আদায় করতেন। সহীহঃ মুখতাসার শামায়িল (২৯৩)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن الحكم، عن ابراهيم، عن الاسود بن يزيد، قال قلت لعايشة اى شيء كان النبي صلى الله عليه وسلم يصنع اذا دخل بيته قالت كان يكون في مهنة اهله فاذا حضرت الصلاة قام فصلى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাক্ষাতে এসে মুসাফাহা (করমর্দন) করত, তখন সেই ব্যক্তি তার হাত টেনে না নেয়া পর্যন্ত তিনি নিজের হাত টেনে নিতেন না। আর সে তার চেহারা ফিরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত তিনি ঐ ব্যক্তি হতে নিজের চেহারা ফিরিয়ে নিতেন না। তিনি কখনো তার পা দুটি তার সামনে বসা লোকদের দিকে প্রসারিত করতেন না। দুর্বল, তবে মুসাফাহার অংশটুকু সহীহ ইবনু মাজাহ (৩৭১৬) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব।
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عمران بن زيد التغلبي، عن زيد العمي، عن انس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا استقبله الرجل فصافحه لا ينزع يده من يده حتى يكون الرجل الذي ينزع ولا يصرف وجهه عن وجهه حتى يكون الرجل هو الذي يصرفه ولم ير مقدما ركبتيه بين يدى جليس له . قال هذا حديث غريب
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের আগের উন্মাতের মধ্যে কোন এক লোক তার দামী জামা পরে গর্বভরে পথে বের হলে আল্লাহ তা'আলা তখন তাকে গ্রাস করার জন্য যমীনকে নির্দেশ দিলেন। অতএব যমীন তাকে গ্রাস করে এবং সে কিয়ামত পর্যন্ত এভাবে ধ্বসতেই থাকবে। সহীহঃ আস-সহীহ আল জামি' (৩২১৭), বুখারী, মুসলিম আবূ হুরাইরা হতে। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি সহীহ।
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن عطاء بن السايب، عن ابيه، عن عبد الله بن عمرو، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خرج رجل ممن كان قبلكم في حلة له يختال فيها فامر الله الارض فاخذته فهو يتجلجل فيها او قال يتلجلج فيها الى يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح
। আমর ইবনু শু'আইব (রহঃ) হতে ক্রমানুসারে তার বাবা ও দাদার সুত্রে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দাম্ভিক ব্যাক্তিদের কিয়ামত দিবসে ক্ষুদ্র পিপড়ার ন্যায় মানুষের রূপে সমবেত করা হবে। তাদেরকে চারদিক হতে অপমান ও লাঞ্ছনা ছেয়ে ফেলবে। জাহান্নামের বুলাস’ নামক একটি কারাগারের দিকে তাদেরকে টেনে নেয়া হবে, আগুন তাদেরকে গ্রাস করবে, জাহান্নামীদের গলিত রক্ত ও পুঁজ তাদেরকে পান করানো হবে। হাসানঃ মিশকাত তাহকীক সানী (৫১১২), তা’লীকুর রাগীব (৪/১৮)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن محمد بن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يحشر المتكبرون يوم القيامة امثال الذر في صور الرجال يغشاهم الذل من كل مكان فيساقون الى سجن في جهنم يسمى بولس تعلوهم نار الانيار يسقون من عصارة اهل النار طينة الخبال " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن
। মু'আয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাগ কার্যকর করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তা দমন করে, আল্লাহ্ তা'আলা কিয়ামতের দিন তাকে আহবান করে সকল মাখলুকের (সৃষ্টি) সামনে আনবেন এবং তাকে তার ইচ্ছামতো যে কোন হুর বেছে নেয়ার ক্ষমতা (স্বাধীনতা) দিবেন। হাসানঃ রাওযুন নায়ীর (৪৮১,৮৫৪), তা’লীকুর রাগীব (৩/২৭৯)। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান গারীব।
حدثنا عبد بن حميد، وعباس بن محمد الدوري، قالا حدثنا عبد الله بن يزيد المقري، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، حدثني ابو مرحوم عبد الرحيم بن ميمون، عن سهل بن معاذ بن انس، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من كظم غيظا وهو يقدر على ان ينفذه دعاه الله على رءوس الخلايق يوم القيامة حتى يخيره في اى الحور شاء " . قال هذا حديث حسن غريب
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মধ্যে নিম্নোক্ত তিনটি গুণ রয়েছে, আল্লাহ তা'আলা তার উপর তার (রহমতের) ডানা প্রসারিত করবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেনঃ দুর্বলদের সাথে ভদ্র ব্যবহার, পিতা-মাতার সাথে মমতা জড়ানো কোমল ব্যবহার এবং দাস-দাসীর প্রতি অনুগ্রহপূর্ণ ও সৌজন্যমূলক আচরণ। মাওযু, যঈফা (৯২) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবূ বাকর ইবনুল মুনকাদির হলেন মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদিরের ভাই।
حدثنا سلمة بن شبيب، حدثنا عبد الله بن ابراهيم الغفاري المدني، حدثني ابي، عن ابي بكر بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ثلاث من كن فيه نشر الله عليه كنفه وادخله جنته رفق بالضعيف وشفقة على الوالدين واحسان الى المملوك " قال هذا حديث حسن غريب . وابو بكر بن المنكدر هو اخو محمد بن المنكدر
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، حدثني عمر بن ذر، حدثنا مجاهد، عن ابي هريرة، قال كان اهل الصفة اضياف اهل الاسلام لا ياوون على اهل ولا مال والله الذي لا اله الا هو ان كنت لاعتمد بكبدي على الارض من الجوع واشد الحجر على بطني من الجوع ولقد قعدت يوما على طريقهم الذي يخرجون فيه فمر بي ابو بكر فسالته عن اية من كتاب الله ما سالته الا ليستتبعني فمر ولم يفعل ثم مر بي عمر فسالته عن اية من كتاب الله ما اساله الا ليستتبعني فمر ولم يفعل ثم مر بي ابو القاسم صلى الله عليه وسلم فتبسم حين راني وقال " ابا هريرة " . قلت لبيك يا رسول الله . قال " الحق " . ومضى فاتبعته ودخل منزله فاستاذنت فاذن لي فوجد قدحا من لبن فقال " من اين هذا اللبن لكم " . قيل اهداه لنا فلان . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابا هريرة " . قلت لبيك . فقال " الحق الى اهل الصفة فادعهم " . وهم اضياف اهل الاسلام لا ياوون على اهل ولا مال اذا اتته صدقة بعث بها اليهم ولم يتناول منها شييا واذا اتته هدية ارسل اليهم فاصاب منها واشركهم فيها فساءني ذلك وقلت ما هذا القدح بين اهل الصفة وانا رسوله اليهم فسيامرني ان اديره عليهم فما عسى ان يصيبني منه وقد كنت ارجو ان اصيب منه ما يغنيني ولم يكن بد من طاعة الله وطاعة رسوله فاتيتهم فدعوتهم فلما دخلوا عليه فاخذوا مجالسهم فقال " ابا هريرة خذ القدح واعطهم " . فاخذت القدح فجعلت اناوله الرجل فيشرب حتى يروى ثم يرده فاناوله الاخر حتى انتهيت به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد روي القوم كلهم فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم القدح فوضعه على يديه ثم رفع راسه فتبسم فقال " ابا هريرة اشرب " . فشربت ثم قال " اشرب " . فلم ازل اشرب ويقول " اشرب " . حتى قلت والذي بعثك بالحق ما اجد له مسلكا فاخذ القدح فحمد الله وسمى ثم شرب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح