Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫০ হাদিসসমূহ
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুখমণ্ডলে দাগ দিতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, ইরওয়া (২১৮৫), সহীহ আবূ দাউদ (২৩১০), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا روح بن عبادة، عن ابن جريج، عن ابي الزبير، عن جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الوسم في الوجه والضرب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে কোন এক সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে হাযির করা হয়। তখন আমার বয়স চৌদ বছর ছিল। তিনি আমাকে গ্রহণ করেননি। আমাকে আবার পরের বছর সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে তার সামনে হাযির করা হয়। তখন আমার বয়স পনের বছর ছিল। এবার তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন। নাফি (রাহঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ)-এর সামনে বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এটাই বালেগ ও নাবালেগের মধ্যে পার্থক্যকারী বয়সসীমা। তারপর যারা পনের বছর বয়সে পদার্পণ করেছে তিনি তাদের জন্য বাইতুল মাল হতে ভাতা নির্ধারণের নির্দেশ জারী করেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৫৪৩), নাসা-ঈ ইবনু আবী উমার-সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ রহঃ)-এর সূত্রে একইরকম বর্ণনা করেছেন। এতে নাফি (রাহঃ) বলেন, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রাহঃ) বললেনঃ এ হলো বালেগ ও নাবালেগের যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়সসীমা। এই সূত্রে ভাতা নির্ধারণের উল্লেখ নেই। - সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস আবু ঈসা বলেন, ইসহাক ইবনু ইউসুফের সুত্রে বর্ণিত হাদিস হাসান সহীহ এবং সুফিয়ান সাওরীর বর্ণনা হিসাবে গারীব।
। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ কাতাদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে তিনি তার পিতা (কাতাদা রাঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সময় তাদের মাঝে দাড়ালেন। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ আল্লাহ তা'আলার পথে জিহাদ এবং আল্লাহ্ তা'আলার উপর ঈমান হল সবচেয়ে উত্তম কাজ। একজন লোক দাড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি মনে করেন, আমি আল্লাহ্ তা'আলার পথে নিহত হলে তাতে আমার গুনাহসমূহ কি মাফ হয়ে যাবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হ্যাঁ। আল্লাহ্ তা'আলার পথে তুমি যদি এরূপভাবে নিহত হও যে, তুমি ধৈর্য ধারণকারী, সাওয়াবের আশাবাদী, অগ্রগামী হও এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শনকারী না হও। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কিভাবে প্রশ্ন করেছিলে (তা আবার বল)? লোকটি বলল, আপনি কি মনে করেন, আল্লাহ্ তা'আলার পথে আমি নিহত হলে কি তাতে আমার গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যাবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, তোমার গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যাবে, যদি তুমি ধৈর্যশীল হও, সাওয়াবের আকাঙ্ক্ষী ও সৎ উদ্দেশ্য পোষণকারী হও, অগ্রগামী হও এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শনকারী না হও। কিন্তু ঋণের ক্ষমা হবে না, কেননা আমাকে জিবরীল এ কথা বলেছেন। সহীহ, ইরওয়া (১১৯৭), মুসলিম আবূ ঈসা বলেন, আনাস, মুহাম্মাদ ইবনু জাহশ ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। কয়েকজন বর্ণনাকারী সাঈদ আল-মাকবুরী হতে, তিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপভাবে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-আনসারী প্রমুখ-সাঈদ আল-মাকবুরী হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আবী কাতাদা হতে, তিনি তার পিতা আবূ কাতাদা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনাটি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে সাঈদ আল-মাকবুরীর বর্ণনার তুলনায় অনেক বেশি সহীহ।
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، انه سمعه يحدث، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قام فيهم فذكر لهم ان الجهاد في سبيل الله والايمان بالله افضل الاعمال فقام رجل فقال يا رسول الله ارايت ان قتلت في سبيل الله ايكفر عني خطاياى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نعم ان قتلت في سبيل الله وانت صابر محتسب مقبل غير مدبر " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف قلت " . قلت ارايت ان قتلت في سبيل الله ايكفر عني خطاياى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نعم وانت صابر محتسب مقبل غير مدبر الا الدين فان جبريل قال لي ذلك " . قال ابو عيسى وفي الباب عن انس ومحمد بن جحش وابي هريرة . وهذا حديث حسن صحيح . وروى بعضهم هذا الحديث عن سعيد المقبري عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا وروى يحيى بن سعيد الانصاري وغير واحد نحو هذا عن سعيد المقبري عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا اصح من حديث سعيد المقبري عن ابي هريرة
। হিশাম ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধের সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শহীদদের কথা বলা হলে তিনি বললেনঃ প্রশস্তভাবে কবর খনন কর, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ কর এবং একই কবরে দুই-দুইজন অথবা তিন-তিনজনকে দাফন কর। এদের মধ্যে যে কুরআনে বেশি পারদর্শী ছিল তাকে সম্মুখে (কিবলার দিকে) রাখ। বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতাও মারা যান। তাকে দু'জনের সামনে রাখা হয়। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৫৬০) আবূ ঈসা বলেন, খাব্বাব, জাবির ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এই হাদীসটি আইয়ুব হতে, তিনি হুমাইদ ইবনুল হিলাল হতে, তিনি হিশাম ইবনু আমর (রাহঃ)-এর সূত্রে সুফিয়ান সাওরী প্রমুখ বর্ণনা করেছেন। আবূদ দাহমার নাম কিরফা, পিতার নাম বুহাইস বা বাইহাস।
حدثنا ازهر بن مروان البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن ايوب، عن حميد بن هلال، عن ابي الدهماء، عن هشام بن عامر، قال شكي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم الجراحات يوم احد فقال " احفروا واوسعوا واحسنوا وادفنوا الاثنين والثلاثة في قبر واحد وقدموا اكثرهم قرانا " . فمات ابي فقدم بين يدى رجلين . قال ابو عيسى وفي الباب عن خباب وجابر وانس . وهذا حديث حسن صحيح . وروى سفيان الثوري وغيره هذا الحديث عن ايوب عن حميد بن هلال عن هشام بن عامر . وابو الدهماء اسمه قرفة بن بهيس او بيهس
। আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বদর যুদ্ধবন্দীদের নিয়ে আসা হলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এসব বন্দীর ব্যাপারে তোমাদের কি মত? এরপর রাবী দীর্ঘ ঘটনা বর্ণনা করেন। যঈফ, ইরওয়া (৫/৪৭-৪৮) আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে উমার, আবূ আইউব, আনাস ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান। আবূ উবাইদা তার পিতা হতে হাদীস শুনার সুযোগ পাননি। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপেক্ষা নিজ সঙ্গীদের সাথে অধিক পরামর্শকারী আমি আর কাউকে দেখিনি।”
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن عمرو بن مرة، عن ابي عبيدة، عن عبد الله، قال لما كان يوم بدر وجيء بالاسارى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تقولون في هولاء الاسارى " . فذكر قصة في هذا الحديث طويلة . قال ابو عيسى وفي الباب عن عمر وابي ايوب وانس وابي هريرة . وهذا حديث حسن وابو عبيدة لم يسمع من ابيه . ويروى عن ابي هريرة قال ما رايت احدا اكثر مشورة لاصحابه من رسول الله صلى الله عليه وسلم
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদা মুশরিকরা তাদের এক মুশরিকের লাশ কিনতে চাইল। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকটে লাশ বিক্রয় করতে অস্বীকার করেন। সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধু হাকামের রিওয়ায়াত হিসেবেই জেনেছি। হাজ্জাজ ইবনু আরতাতও এটিকে হাকামের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, ইবনু আবূ লাইলার কোন হাদীস দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ইমাম বুখারী বলেন, ইবনু আবূ লাইলা ব্যক্তিগতভাবে খুবই সৎলোক। কিন্তু তার সহীহ হাদীসগুলো দুর্বল হাদীসগুলো হতে আলাদা করা কঠিন। তাই আমি তার নিকট হতে হাদীসই বর্ণনা করি না। ইবনু আবূ লাইলা ব্যক্তিগতভাবে সত্যবাদী ও ফিকহবিদ, কিন্তু তিনি সনদের বর্ণনায় গোলমাল করেন। সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, আমাদের ফিকহবিদ হলেন ইবনু আবূ লাইলা ও আবদুল্লাহ ইবনু শুবরুমা। বিচ্ছিন্ন সনদ সহীহ
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد، حدثنا سفيان، عن ابن ابي ليلى، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان المشركين، ارادوا ان يشتروا، جسد رجل من المشركين فابى النبي صلى الله عليه وسلم ان يبيعهم اياه . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث الحكم . ورواه الحجاج بن ارطاة ايضا عن الحكم . وقال احمد بن الحسن سمعت احمد بن حنبل يقول ابن ابي ليلى لا يحتج بحديثه . وقال محمد بن اسماعيل ابن ابي ليلى صدوق ولكن لا يعرف صحيح حديثه من سقيمه ولا اروي عنه شييا . وابن ابي ليلى صدوق فقيه وانما يهم في الاسناد . حدثنا نصر بن علي قال حدثنا عبد الله بن داود عن سفيان الثوري قال فقهاونا ابن ابي ليلى وعبد الله بن شبرمة
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের একটি বাহিনী অভিযানে পাঠান। (শত্রুর আক্রমণে) এক পর্যায়ে আমাদের কিছু লোক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমরা মাদীনায় ফিরে এসে (লজ্জায়) আত্মগোপন করে থাকলাম আর (মনে মনে) বললাম, আমরা ধ্বংস হয়ে গেছি। তারপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এসে তাকে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) পলায়নকারী। তিনি বললেন; বরং তোমরা (নিজেদের ইমামের কাছে) পুনঃপ্রত্যাবর্তনকারী এবং আমি তোমাদের দলের সাথেই আছি। যঈফ, ইরওয়া (১২০৩) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা শুধু ইয়াযীদ ইবনু আবূ যিয়াদের সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। “ফাহাসান-নাসু হাইসাতান"-এর অর্থঃ “তারা যুদ্ধক্ষেত্র হতে পালালো”। “বাল আনতুমুল আক্কারূন" অর্থ “যারা নেতার সাহায্যের জন্য তার নিকটে ফিরে আসে", এটা যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলানো উদ্দেশ্য নয়।
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن يزيد بن ابي زياد، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن ابن عمر، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فحاص الناس حيصة فقدمنا المدينة فاختبينا بها وقلنا هلكنا ثم اتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله نحن الفرارون . قال " بل انتم العكارون وانا فيتكم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن لا نعرفه الا من حديث يزيد بن ابي زياد . ومعنى قوله فحاص الناس حيصة يعني انهم فروا من القتال . ومعنى قوله " بل انتم العكارون " . والعكار الذي يفر الى امامه لينصره ليس يريد الفرار من الزحف
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার ফুফু উহুদের যুদ্ধে আমার বাবার মৃতদেহ নিজেদের কবরস্থানে দাফনের উদ্দেশ্যে আনেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘোষক ঘোষণা করলেন, “শহীদদেরকে তাদের নিহত হওয়ার জায়গায় ফিরিয়ে আন"। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৫১৬) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। নুবাইহ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، اخبرنا شعبة، عن الاسود بن قيس، قال سمعت نبيحا العنزي، يحدث عن جابر، قال لما كان يوم احد جاءت عمتي بابي لتدفنه في مقابرنا فنادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم ردوا القتلى الى مضاجعهم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال ابو عيسى ونبيح ثقة
। সাইব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধ শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে আসলে জনগণ তাকে অভ্যর্থনা জানানোর উদ্দেশ্যে সানিয়াতুল বিদা পর্যন্ত এগিয়ে যায়। সাইব (রাঃ) বলেন, জনগণের সাথে আমিও এগিয়ে গেলাম। আমি তখন বালক ছিলাম। সহীহ, বুখারী এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا ابن ابي عمر، وسعيد بن عبد الرحمن المخزومي، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن السايب بن يزيد، قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم من تبوك خرج الناس يتلقونه الى ثنية الوداع . قال السايب فخرجت مع الناس وانا غلام . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। মালিক ইবনু আওস ইবনু হাদাসান (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ ফাই হিসাবে আল্লাহ তার রাসূলকে যেসব সম্পদ দিয়েছিলেন, তার মধ্যে নায়ীর গোত্র হতে প্রাপ্ত সম্পদও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তা অর্জনের লক্ষে মুসলিমরা না ঘোড়া দৌড়িয়েছে আর না উট হাকিয়েছে (বিনা যুদ্ধে অর্জিত)। বিশেষভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য এই সম্পদ নির্দিষ্ট ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সম্পদ হতে তার পরিবার-পরিজনের সাংবাৎসরিক ভরণ-পোষণের যোগাড় করতেন এবং বাকী সম্পদ আল্লাহ তা'আলার পথে জিহাদের উদ্দেশ্যে ঘোড়া ও যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে খরচ করতেন। সহীহ, মুখতাসার শামাইল (৩৪১), সহীহ আবূ দাউদ (২৬২৪-২৬২৬), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীসটি সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা মামারের সূত্রে, তিনি ইবনু শিহাবের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن ابن شهاب، عن مالك بن اوس بن الحدثان، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول كانت اموال بني النضير مما افاء الله على رسوله مما لم يوجف المسلمون عليه بخيل ولا ركاب وكانت لرسول الله صلى الله عليه وسلم خالصا وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعزل نفقة اهله سنة ثم يجعل ما بقي في الكراع والسلاح عدة في سبيل الله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروى سفيان بن عيينة هذا الحديث عن معمر عن ابن شهاب