Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৭ হাদিসসমূহ
। আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি তার বিদায় হাজ্জের বক্তৃতায় বলতে শুনেছিঃ ধার করা বস্তু ফেরত দিতে হবে, যামিনদার, পাওনা পরিশোধ করার দায় বহন করবে এবং ঋণ পরিশোধ করতে হবে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩৯৮) সামুরা, সাফওয়ান ইবনু উমাইয়্যা ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا هناد، وعلي بن حجر، قالا حدثنا اسماعيل بن عياش، عن شرحبيل بن مسلم الخولاني، عن ابي امامة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في خطبته عام حجة الوداع " العارية موداة والزعيم غارم والدين مقضي " . قال ابو عيسى وفي الباب عن سمرة وصفوان بن امية وانس . قال وحديث ابي امامة حديث حسن . وقد روي عن ابي امامة عن النبي صلى الله عليه وسلم ايضا من غير هذا الوجه
। সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যা গ্রহণ করেছে তা ফিরিয়ে না দেয়া পর্যন্ত এর জন্য সে দায়বদ্ধ থাকবে। কাতাদা বলেন, পরবর্তীতে হাসান এ হাদীস ভুলে যান। ফলে তিনি বলেছেন, সে তোমার আমানাতদার, তার উপর এর ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হবে না অর্থাৎ তা আরিয়া। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২৪০০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈ এ হাদীস অনুসারে মত দিয়েছেন। অর্থাৎ কর্জ গ্রহণকারীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শাফিঈ ও আহমাদের এই মত। অপর একদল সাহাবী ও তাবিঈ বলেছেন, কর্জ গ্রহণকারীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না, কিন্তু আমানাতদাতার কথার খিলাপ করলে ক্ষতিপুরণ দিতে হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের এই মত। ইসহাকও এই মত দিয়েছেন।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " على اليد ما اخذت حتى تودي " . قال قتادة ثم نسي الحسن فقال هو امينك لا ضمان عليه . يعني العارية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد ذهب بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم الى هذا وقالوا يضمن صاحب العارية . وهو قول الشافعي واحمد . وقال بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ليس على صاحب العارية ضمان الا ان يخالف . وهو قول الثوري واهل الكوفة وبه يقول اسحاق
। মামার ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নাযলাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ “শুধুমাত্র দুর্নীতিপরায়ণ মানুষই মজুতদারি করে থাকে।” আমি (মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম) সাঈদকে বললাম, হে মুহাম্মাদের পিতা! আপনিও তো মজুতদারি করে থাকেন। তিনি বললেন, মজুতদারি তো মা’মারও করতেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১৫৪), মুসলিম আবূ ঈসা বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে যে, তিনি তেল, গম ও এই জাতীয় জিনিস মজুত করতেন। উমার, আলী, আবূ উমামা ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। মামার (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস মোতাবিক আলিমগণ আমল করেছেন। খাদ্যদ্রব্যের মজুতদারি করাকে তারা মাকরূহ বলেছেন। খাদ্যদ্রব্য ব্যতীত অন্য কিছুর মজুতদারি করার পক্ষে কিছু সংখ্যক আলিম অনুমতি দিয়েছেন। ইবনুল মুবারাক বলেছেন, তুলা, ছাগলের চামড়া বা ঐ ধরণের অন্য কিছুর মজুতদারি করাতে কোন সমস্যা নেই।
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا يزيد بن هارون، اخبرنا محمد بن اسحاق، عن محمد بن ابراهيم، عن سعيد بن المسيب، عن معمر بن عبد الله بن نضلة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحتكر الا خاطي " . فقلت لسعيد يا ابا محمد انك تحتكر . قال ومعمر قد كان يحتكر . قال ابو عيسى وانما روي عن سعيد بن المسيب انه كان يحتكر الزيت والحنطة ونحو هذا . قال ابو عيسى وفي الباب عن عمر وعلي وابي امامة وابن عمر . وحديث معمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم كرهوا احتكار الطعام . ورخص بعضهم في الاحتكار في غير الطعام . وقال ابن المبارك لا باس بالاحتكار في القطن والسختيان ونحو ذلك
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বাজারের বাইরে গিয়ে পণ্যদ্রব্য আনিত বণিকদলের সাথে মিলিত হবে না, পশুর স্তনে দুধ জমিয়ে রাখবে না এবং দাম বৃদ্ধি করে একজন অন্যজনের পণ্য বিক্রয় করে দেওয়ার অপকৌশল অবলম্বন করবে না। হাসান, বেচা-কেনার হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু মাসউদ ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস মোতাবিক আলিমগণ আমল করেছেন। তাদের মতে কয়েক দিনের দুধ পশুর স্তনে জমিয়ে স্তন ফুলিয়ে তা বিক্রয় করা মাকরুহ। এতে ক্রেতা ধোকার মধ্যে পড়ে যায়। এটাও এক ধরণের প্রতারনা ও ধোঁকাবাজি।
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تستقبلوا السوق ولا تحفلوا ولا ينفق بعضكم لبعض " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن مسعود وابي هريرة . وحديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم كرهوا بيع المحفلة وهي المصراة لا يحلبها صاحبها اياما او نحو ذلك ليجتمع اللبن في ضرعها فيغتر بها المشتري . وهذا ضرب من الخديعة والغرر
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মিথ্যা শপথের মাধ্যমে যদি কোন লোক কোন মুসলিমের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করে তবে সে এরূপ অবস্থায় আল্লাহ্ তা'আলার সামনে উপস্থিত হবে যে, তিনি তার প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট থাকবেন। আশআস ইবনু কাইস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! তিনি এ হাদীসটি আমার সম্পর্কে বলেছেন। আমার ও এক ইয়াহদীর মধ্যে একটি শরীকানা জমি ছিল। কিন্তু সে আমার অংশ দিতে অস্বীকার করে বসে। আমি তাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমার সাক্ষীপ্রমাণ আছে কি? আমি বললাম, না। তিনি ইয়াহুদীকে বললেনঃ শপথ কর। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ তো শপথ করবেই এবং আমার সম্পদ আত্মসাৎ করবে। আল্লাহ তা'আলা তখন এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যারা আল্লাহ তা'আলার সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথসমূহ সামান্য স্বার্থের বিনিময়ে বিক্রয় করে, আখিরাতে তাদের জন্য কোন অংশ নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা না তাদের সাথে কথা বলবেন, না তাদের প্রতি তাকাবেন আর না তাদেরকে পবিত্র করবেন। তাদের জন্য রয়েছে কঠিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি" (সূরাঃ আলে-ইমরান - ৭৭)। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩২৩), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে ওয়াইল ইবনু হুজর, আবূ মূসা, আবূ উমামা ও ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن شقيق بن سلمة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف على يمين وهو فيها فاجر ليقتطع بها مال امري مسلم لقي الله وهو عليه غضبان " . فقال الاشعث بن قيس في والله لقد كان ذلك كان بيني وبين رجل من اليهود ارض فجحدني فقدمته الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " الك بينة " . قلت لا . فقال لليهودي " احلف " . فقلت يا رسول الله اذا يحلف فيذهب بمالي . فانزل الله تعالى: (ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا ) . الى اخر الاية . قال ابو عيسى وفي الباب عن وايل بن حجر وابي موسى وابي امامة بن ثعلبة الانصاري وعمران بن حصين . وحديث ابن مسعود حديث حسن صحيح
। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রয়কারী ও বিক্রয়কারীদের মধ্যে মত পার্থক্য হলে বিক্রেতার মতই বেশি প্রাধান্য পাবে, তবে ক্রয়কারীর ক্রয় বাতিলের স্বাধীনতা থাকবে। সহীহ, ইরওয়া (১৩২২, ১৩২৪), বেচা-কেনার হাদীস এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা মুরসাল বলেছেন। ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর সাথে কখনও আওন ইবনু আবদুল্লাহর সাক্ষাৎ ঘটেনি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর এ হাদীসটি কাসিম ইবনু আবদুর রাহমানও ইবনু মাসউদ হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনাটিও মুরসাল। ইসহাক ইবনু মানসূর বলেন, আমি ইমাম আহমাদকে প্রশ্ন করলাম, ক্রয়কারী ও বিক্রয়কারী একে অপরের সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়লে এবং কোন সাক্ষী না থাকলে কি করতে হবে? তিনি বললেন, বিক্রেতার মতই বেশি প্রাধান্য পাবে অথবা দুজনই ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করবে। ইমাম ইসহাক কিছুটা এভাবে বলেছেন, যার মতকে বিনা প্রমাণে গ্রহণ করা হবে তাকে শপথ করাতে হবে। কিছু সংখ্যক তাবিঈও একইরকম কথা বলেছেন। শুরাইহ (রাহঃ) তাদের অন্যতম।
حدثنا قتيبة، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن عون بن عبد الله، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اختلف البيعان فالقول قول البايع والمبتاع بالخيار " . قال ابو عيسى هذا حديث مرسل عون بن عبد الله لم يدرك ابن مسعود . وقد روي عن القاسم بن عبد الرحمن عن ابن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم هذا الحديث ايضا وهو مرسل ايضا . قال ابو عيسى قال اسحاق بن منصور قلت لاحمد اذا اختلف البيعان ولم تكن بينة قال القول ما قال رب السلعة او يترادان . قال اسحاق كما قال وكل من كان القول قوله فعليه اليمين . قال ابو عيسى هكذا روي عن بعض اهل العلم من التابعين منهم شريح وغيره نحو هذا
। ইয়াস ইবনু আবদ আল-মুযানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৪৭৬) জাবির, বুহাইসা (তার পিতার সূত্রে), আবূ হুরাইরা, আইশ, আনাস ও আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইয়াস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী বেশিরভাগ আলিম আমল করার পক্ষে সম্মতি দিয়েছেন। পানি বিক্রয়কে তারা মাকরূহ বলেছেন। এই মত দিয়েছেন ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। পানি বিক্রয়ের পক্ষে কিছু আলিম অনুমতি প্রদান করেছেন। তাদের মধ্যে হাসান বাসরী অন্যতম।
حدثنا قتيبة، حدثنا داود بن عبد الرحمن العطار، عن عمرو بن دينار، عن ابي المنهال، عن اياس بن عبد المزني، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع الماء . قال وفي الباب عن جابر وبهيسة عن ابيها وابي هريرة وعايشة وانس وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى حديث اياس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم انهم كرهوا بيع الماء . وهو قول ابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق . وقد رخص بعض اهل العلم في بيع الماء . منهم الحسن البصري
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঘাস হতে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে উদ্ধৃত্ত পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে লোকদের কোন প্রকার বাধা দেওয়া নিষেধ। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৪৭৮), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূল মিনহালের নাম আবদুর রাহমান, পিতা মুতঈম। তিনি কূফার অধিবাসী ছিলেন এবং তার নিকট হতে হাবীব ইবনু আবূ সাবিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। অপরদিকে আবূল মিনহাল সাইয়্যার ইবনু সালামা বাসরার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি আবূ বারযা আল-আসলামী (রাঃ)-এর সহচর ছিলেন।
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يمنع فضل الماء ليمنع به الكلا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو المنهال اسمه عبد الرحمن بن مطعم كوفي وهو الذي روى عنه حبيب بن ابي ثابت . وابو المنهال سيار بن سلامة بصري صاحب ابي برزة الاسلمي
ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, পাল দেওয়ার উদ্দেশ্যে ষাঁড় প্রদান করে মজুরি নিতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, বেচা-কেনার হাদীস, বুখারী আবূ হুরাইরা, আনাস ও আবূ সাঈদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসের সমর্থনে একদল আলিম মত দিয়েছেন। পাল দেওয়ার বিনিময়ে পুরস্কার গ্রহণের পক্ষে অন্য একদল আলিম অনুমতি প্রদান করেছেন।
حدثنا احمد بن منيع، وابو عمار قالا حدثنا اسماعيل ابن علية، قال اخبرنا علي بن الحكم، عن نافع، عن ابن عمر، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن عسب الفحل . قال وفي الباب عن ابي هريرة وانس وابي سعيد . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وقد رخص بعضهم في قبول الكرامة على ذلك
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, পাল দেওয়ার উদ্দেশ্যে ষাঁড় প্রদান করে মজুরি নেওয়া প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কিলাব গোত্রের এক লোক প্রশ্ন করলে তিনি তা নিতে বারণ করেন। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা পাল দেওয়ার উদ্দেশ্যে ষাঁড় দেই এবং আমাদেরকে (দাবি ব্যতীতই) পুরস্কার স্বরূপ কিছু দেওয়া হয়। তিনি তাকে এ ধরণের পুরষ্কার নেওয়ার অনুমতি দেন। সহীহ, মিশকাত তাহকীক ছানী (২৮৬৬), বেচা-কেনার হাদীস এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধু উল্লেখিত সূত্রেই জেনেছি।
حدثنا عبدة بن عبد الله الخزاعي البصري، حدثنا يحيى بن ادم، عن ابراهيم بن حميد الرواسي، عن هشام بن عروة، عن محمد بن ابراهيم التيمي، عن انس بن مالك، ان رجلا، من كلاب سال النبي صلى الله عليه وسلم عن عسب الفحل فنهاه فقال يا رسول الله انا نطرق الفحل فنكرم . فرخص له في الكرامة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ابراهيم بن حميد عن هشام بن عروة
। রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রক্তক্ষরণের মজুরি ঘৃণিত, ব্যভিচারের বিনিময় মূল্য জঘন্য এবং কুকুরের বিক্রয় মূল্যও ঘৃণিত। সহীহ, বেচা-কেনার হাদীস, মুসলিম উমার, আলী, ইবনু মাসউদ, আবু মাসউদ, জাবির, আবু হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু জাফার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক বেশিরভাগ আলিম আমল করেছেন। কুকুরের বিক্রয় মূল্য গ্রহণকে তারা মাকরূহ বলেছেন। এই মত দিয়েছেন ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। শিকারী কুকুরের বিক্রয় মূল্য গ্রহণের পক্ষে কিছু আলিম অনুমতি প্রদান করেছেন।
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابراهيم بن عبد الله بن قارظ، عن السايب بن يزيد، عن رافع بن خديج، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كسب الحجام خبيث ومهر البغي خبيث وثمن الكلب خبيث " . قال وفي الباب عن عمر وعلي وابن مسعود وابي مسعود وجابر وابي هريرة وابن عباس وابن عمر وعبد الله بن جعفر . قال ابو عيسى حديث رافع حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم كرهوا ثمن الكلب . وهو قول الشافعي واحمد واسحاق . وقد رخص بعض اهل العلم في ثمن كلب الصيد
। আবূ মাসউদ আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের বিক্রয় মূল্য, যিনার বিনিময় এবং গণকের উপঢৌকন গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১৫৯), নাসা-ঈ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، ح وحدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، وغير، واحد، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن ابي بكر بن عبد الرحمن، عن ابي مسعود الانصاري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن . هذا حديث حسن صحيح
। মুহাইয়্যিসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রক্তক্ষরণের মজুরি নেওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনুমতি চাইলে তিনি তাকে তা নিতে নিষেধ করেন। তিনি তার নিকট বারবার কাকুতি-মিনতি করতে থাকলেন। অবশেষে তিনি বললেনঃ এই আয় তোমার পানি বহনকারী উট এবং তোমার গোলামের খাবারের জন্য খরচ কর। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১৬৬), বেচা-কেনার হাদীস রাফি ইবনু খাদীজ, আবূ জুহাইফা, জাবির ও সাইব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। মুহাইয়্যিসা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী কিছু সংখ্যক আলিম আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, আমার নিকট রক্তক্ষরণকারী মজুরি নেওয়ার অনুমতি চাইলে আমি তাকে অনুমতি প্রদান করব না এবং নিজের মতের সপক্ষে এই হাদীসটি দলীল হিসাবে উপস্থাপন করব।
حدثنا قتيبة، عن مالك بن انس، عن ابن شهاب، عن ابن محيصة، اخي بني حارثة عن ابيه، انه استاذن النبي صلى الله عليه وسلم في اجارة الحجام فنهاه عنها فلم يزل يساله ويستاذنه حتى قال " اعلفه ناضحك واطعمه رقيقك " . قال وفي الباب عن رافع بن خديج وابي جحيفة وجابر والسايب بن يزيد . قال ابو عيسى حديث محيصة حديث حسن . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم . وقال احمد ان سالني حجام نهيته واخذ بهذا الحديث
হুমাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রক্তক্ষরণকারীর পারিশ্রমিক প্রসঙ্গে আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রক্তক্ষরণ করিয়েছেন। আবূ তাইবা তার রক্তক্ষরণ করেন। তিনি তাকে দুই সা’ পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য দেওয়ার হুকুম দেন। তার মালিক পরিবারের সাথে তিনি আলোচনা করলে তারা তার উপর ধার্যকৃত অর্থের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তিনি বলেনঃ তোমরা যেসব চিকিৎসা গ্রহণ কর সে সবের মধ্যে রক্তক্ষরণ উত্তম চিকিৎসা। অথবা তোমাদের ঔষধগুলোর মধ্যে রক্তক্ষরণ উত্তম ঔষধ। সহীহ, মুখতাসার শামাইল (৩০৯), বেচা-কেনার হাদীস, নাসা-ঈ আলী, ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। রক্তক্ষরণের মজুরি গ্রহণের পক্ষে একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈ সম্মতি দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈরও এই মত।
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا اسماعيل بن جعفر، عن حميد، قال سيل انس عن كسب الحجام، فقال انس احتجم رسول الله صلى الله عليه وسلم وحجمه ابو طيبة فامر له بصاعين من طعام وكلم اهله فوضعوا عنه من خراجه وقال " ان افضل ما تداويتم به الحجامة " . او " ان من امثل دوايكم الحجامة " . قال وفي الباب عن علي وابن عباس وابن عمر . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن صحيح . وقد رخص بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في كسب الحجام . وهو قول الشافعي
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কুকুর ও বিড়ালের বিক্রয় মূল্য নিতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১৬১, মুসলিম আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসের সনদে গরমিল আছে। বিড়ালের মূল্য সম্পর্কে সহীহ হাদীস নেই। এই হাদীসটি আমাশের কোন কোন শাগরিদ জাবির (রাঃ) হতেও বর্ণনা করেছেন। আমাশের স্তরে এসে বর্ণনাকারীগণ গরমিল করেছেন। বিড়ালের বিক্রয় মূল্য নেওয়াকে একদল বিশেষজ্ঞ আলিম মাকরূহ বলেছেন, কিন্তু তা গ্রহণের পক্ষে অন্য দল সম্মতি প্রদান করেছেন। এই শেষোক্ত মত পোষণ করেন ইমাম আহমাদ ও ইসহাক। হাদীসটি ইবনু ফুযাইল আমাশ হতে, তিনি আবূ হাযিম হতে, তিনি আবূ হুরাইরা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অন্যভাবে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا علي بن حجر، وعلي بن خشرم، قالا انبانا عيسى بن يونس، عن الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب والسنور . قال ابو عيسى هذا حديث في اسناده اضطراب ولا يصح في ثمن السنور . وقد روي هذا الحديث عن الاعمش عن بعض اصحابه عن جابر . واضطربوا على الاعمش في رواية هذا الحديث . وقد كره قوم من اهل العلم ثمن الهر ورخص فيه بعضهم وهو قول احمد واسحاق . وروى ابن فضيل عن الاعمش عن ابي حازم عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم من غير هذا الوجه
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিড়ালের গোশত খেতে এবং এর বিক্রয় মূল্য নিতে নিষেধ করেছেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩২৫০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আবদুর রাযযাক ব্যতীত অন্য কোন বড় আলিম উমার ইবনু যাইদের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا عمر بن زيد الصنعاني، عن ابي الزبير، عن جابر، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن اكل الهر وثمنه . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وعمر بن زيد لا نعرف كبير احد روى عنه غير عبد الرزاق
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, শিকারী কুকুর ব্যতীত অন্যান্য কুকুরের বিক্রয় মূল্য নিতে নিষেধ করা হয়েছে। হাসান, তা’লীক আলা রাওযাতিন নাদিয়্যাহ (২/৯৪) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি উল্লেখিত সনদসূত্রে সহীহ নয়। আবূল মুহাযযিমের নাম ইয়াযীদ, পিতা সুফিয়ান। শুবা ইবনুল হাজ্জাজ তার সমালোচনা করেছেন এবং তাকে দুর্বল বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে জাবির (রাঃ)-ও উল্লেখিত হাদীসের মত একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এই সূত্রটিও সহীহ নয়।
اخبرنا ابو كريب، اخبرنا وكيع، عن حماد بن سلمة، عن ابي المهزم، عن ابي هريرة، قال نهى عن ثمن الكلب، الا كلب الصيد . قال ابو عيسى هذا حديث لا يصح من هذا الوجه . وابو المهزم اسمه يزيد بن سفيان وتكلم فيه شعبة بن الحجاج وضعفه . وقد روي عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ولا يصح اسناده ايضا
। আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গায়িকা বিক্রয় কর না, ক্রয়ও কর না এবং তাদেরকে গানের প্রশিক্ষণও দিও না। এদের ব্যবসায়ের মধ্যে কোনরকম কল্যাণ নেই এবং এদের বিনিময় মূল্য হারাম। এই আয়াত এ ধরণের লোকদের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেঃ “মানুষের মধ্যে কিছু এমন ধরণের লোকও আছে, যে মন ভুলানো কথা ক্রয় করে আনে, যেন আল্লাহ তা'আলার পথ হতে লোকদেরকে তাদের অজান্তেই বিভ্রান্ত করতে পারে এবং আল্লাহ্ তা'আলার পথকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে। এই ধরণের লোকদের জন্য আছে কঠিন ও অপমানজনক শাস্তি।" (সূরাঃ লুকমান-৬)। যঈফ, সহীহা (২৯২২), তবে আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার ঘটনা বর্ণনা সহীহ। উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আমরা শুধু উল্লেখিত সনদ সূত্রেই আবূ উমামা (রাঃ)-এর হাদীসটি জেনেছি। কিছু হাদীস বিশারদ আলী ইবনু ইয়ামীদের সমালোচনা করেছেন এবং তাকে হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল বলেছেন। তিনি একজন সিরিয়ার অধিবাসী ছিলেন।
حدثنا قتيبة، اخبرنا بكر بن مضر، عن عبيد الله بن زحر، عن علي بن يزيد، عن القاسم، عن ابي امامة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تبيعوا القينات ولا تشتروهن ولا تعلموهن ولا خير في تجارة فيهن وثمنهن حرام في مثل هذا انزلت هذه الاية : ( ومن الناس من يشتري لهو الحديث ليضل عن سبيل الله ) الى اخر الاية " . قال وفي الباب عن عمر بن الخطاب . قال ابو عيسى حديث ابي امامة انما نعرفه مثل هذا من هذا الوجه . وقد تكلم بعض اهل العلم في علي بن يزيد وضعفه وهو شامي
। আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ মা ও তার সন্তানদের পরস্পর হতে যে ব্যক্তি পৃথক করে ফেলবে, আল্লাহ্ তা'আলা ঐ ব্যক্তি ও তার প্রিয়জনকে পরস্পর হতে কিয়ামতের দিন পৃথক করে দিবেন। হাসান, মিশকাত (৩৩৬১) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন।
حدثنا عمر بن حفص الشيباني، اخبرنا عبد الله بن وهب، قال اخبرني حيى بن عبد الله، عن ابي عبد الرحمن الحبلي، عن ابي ايوب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من فرق بين الوالدة وولدها فرق الله بينه وبين احبته يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দু’জন ক্রীতদাস দান করেন। এরা ছিল আপন ভাই। আমি তাদের একজনকে বেচে দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আলী! তোমার আর একটি গোলাম কোথায়? আমি বিষয়টি তাঁকে জানালে তিনি বললেনঃ তাকে ফেরত নিয়ে আস, তাকে ফেরত নিয়ে আস। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২২৪৯) অন্য শব্দে সংক্ষিপ্তভাবে সহীহ সনদে আবূ দাউদে আছে। (২৪১৫) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈ কয়েদীদের বিক্রয় করার সময় (হাদীসে উল্লেখিত সম্পর্ক থাকলে) পরস্পর হতে আলাদা করতে মানা করেছেন। অবশ্য কিছু আলিম ইসলামী রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী কয়েদীদের একে অপরের নিকট হতে আলাদা করে বিক্রয় করার সম্মতি দিয়েছেন। কিন্তু প্রথম মতই বেশী সহীহ। ইবরাহীম নাখঈ প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে যে, তিনি মা ও তার সন্তানকে আলাদা আলাদাভাবে বিক্রয় করেছেন। তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি তার (সন্তানের মায়ের) সম্মতি নিয়ে তা করেছি।
حدثنا الحسن بن قزعة، اخبرنا عبد الرحمن بن مهدي، عن حماد بن سلمة، عن الحجاج، عن الحكم، عن ميمون بن ابي شبيب، عن علي، قال وهب لي رسول الله صلى الله عليه وسلم غلامين اخوين فبعت احدهما فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا علي ما فعل غلامك " . فاخبرته فقال " رده رده " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقد كره بعض�� اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم التفريق بين السبى في البيع ويكره ان يفرق بين الوالدة وولدها وبين الوالد والولد وبين الاخوة والاخوات في البيع . ورخص بعض اهل العلم في التفريق بين المولدات الذين ولدوا في ارض الاسلام . والقول الاول اصح . وروي عن ابراهيم النخعي انه فرق بين والدة وولدها في البيع فقيل له في ذلك فقال اني قد استاذنتها بذلك فرضيت