Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৪৫ হাদিসসমূহ
। মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইয়ামান দেশে পাঠানোর সময় এ নির্দেশ দেন যে, গরুর (যাকাত) প্রতি ত্রিশটির জন্য পূর্ণ এক বছর বয়সী একটি এড়ে বাছুর বা বকনা বাছুর এবং প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক যিম্মী থেকে এক দীনার বা এর সম-মূল্যের কাপড়- যা ইয়ামেনে তৈরি হয় আদায় করতে হবে।[1] সহীহ।
حدثنا النفيلي، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن معاذ، ان النبي صلى الله عليه وسلم لما وجهه الى اليمن امره ان ياخذ من البقر من كل ثلاثين تبيعا او تبيعة ومن كل اربعين مسنة ومن كل حالم - يعني محتلما - دينارا او عدله من المعافر ثياب تكون باليمن
। মু‘আয (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، والنفيلي، وابن المثنى، قالوا حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن ابراهيم، عن مسروق، عن معاذ، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
। মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইয়ামান দেশে প্রেরণ করেন... অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে ইয়ামান দেশের তৈরি কাপড়ের কথা উল্লেখ করেননি এবং প্রাপ্তবয়স্কদের সম্পর্কে কিছুই বলেননি।[1] সহীহ।
حدثنا هارون بن زيد بن ابي الزرقاء، حدثنا ابي، عن سفيان، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن مسروق، عن معاذ بن جبل، قال بعثه النبي صلى الله عليه وسلم الى اليمن فذكر مثله لم يذكر ثيابا تكون باليمن . ولا ذكر يعني محتلما . قال ابو داود ورواه جرير ويعلى ومعمر وشعبة وابو عوانة ويحيى بن سعيد عن الاعمش عن ابي وايل عن مسروق - قال يعلى ومعمر - عن معاذ مثله
। সুওয়াইদ ইবনু গাফালার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সফর করেছি অথবা যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যাকাত আদায়কারীর সঙ্গে সফর করেছেন তিনি আমাকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে (নিয়ম ছিলো) দু প্রদানকারী পশু নেয়া যাবে না। বিচ্ছিন্নকে একত্র করা এবং একত্রকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এরপর লোকেরা তাদের পশুপালকে পানি পান করানোর জন্য কূপের কাছে নিয়ে এলে আদায়কারী পানির কূপের নিকট এসে বলতেন, তোমরা তোমাদের সম্পদের যাকাত আদায় করো’। বর্ণনাকারী বলেন, তাদের এক ব্যক্তি একটি কূমাআ উষ্ট্রী নিয়ে এলো। আমি বললাম, হে আবূ সলিহ! কূমাআ কি? তিনি বললেন, উঁচু কুঁজবিশিষ্ট। বর্ণনাকারী বলেন, (আদায়কারী সেটা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে) যাকাতদাতা বললো, আমি আকাঙ্খা করেছি যে, আপনি আমার সর্বোৎকৃষ্ট উটটি গ্রহণ করুন। বর্ণনাকারী বলেন, আদায়কারী তা গ্রহণ না করায় সে ওটার চেয়ে নিকৃষ্ট মানের একটি উটে লাগাম ধরে নিয়ে এলো কিন্তু তিনি এটাও গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালে পরে ওটার চাইতে আরো নিকৃষ্ট মানের একটি উট লাগাম ধরে নিয়ে আসেন এবং তিনি তা গ্রহণ করলেন। অতঃপর বললেন, আমি তা গ্রহণে এজন্য ভয় করছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে একথা না বলেন যে, এ ব্যক্তি তার উটের উপর তোমাকে স্বাধীনতা দেয়ায় তুমি তার উত্তম সম্পদটিই নিয়ে এসেছো।[1] হাসান।
حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن هلال بن خباب، عن ميسرة ابي صالح، عن سويد بن غفلة، قال سرت او قال اخبرني من، سار مع مصدق النبي صلى الله عليه وسلم فاذا في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان لا تاخذ من راضع لبن ولا تجمع بين مفترق ولا تفرق بين مجتمع " . وكان انما ياتي المياه حين ترد الغنم فيقول ادوا صدقات اموالكم . قال فعمد رجل منهم الى ناقة كوماء - قال - قلت يا ابا صالح ما الكوماء قال عظيمة السنام - قال - فابى ان يقبلها قال اني احب ان تاخذ خير ابلي . قال فابى ان يقبلها قال فخطم له اخرى دونها فابى ان يقبلها ثم خطم له اخرى دونها فقبلها وقال اني اخذها واخاف ان يجد على رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لي عمدت الى رجل فتخيرت عليه ابله . قال ابو داود ورواه هشيم عن هلال بن خباب نحوه الا انه قال " لا يفرق
। সুয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যাকাত আদায়কারী আমাদের নিকট আসলে আমি তার হাত ধরে মুসাফাহা করি। অতঃপর আমি তার কাছে যাকাত সম্পর্কিত যে নির্দেশনামা ছিলো তাতে এ বিষয়টি পাঠ করেছিঃ যাকাত আদায়ের ভয়ে বিচ্ছিন্নকে একত্র এবং একত্রকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। তবে তিনি এ কথা বর্ণনা করেননি যে, ‘দু দানকারী পশু’ (নেয়া যাবে না)।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا شريك، عن عثمان بن ابي زرعة، عن ابي ليلى الكندي، عن سويد بن غفلة، قال اتانا مصدق النبي صلى الله عليه وسلم فاخذت بيده وقرات في عهده " لا يجمع بين مفترق ولا يفرق بين مجتمع خشية الصدقة " . ولم يذكر " راضع لبن
। মুসলিম ইবনু শু‘বাহ (রহঃ) বলেন, নাফি’ ইবনু আলকামাহ (রহঃ) আমার পিতাকে নিজ গোত্রপ্রধান নিযুক্ত করে তাদের কাছ থেকে যাকাত আদায়ের নির্দেশ দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা আমাকে তাদের এক গোষ্ঠীর কাছে প্রেরণ করেন। অতঃপর আমি সা‘র ইবনু দায়সাম নামক এক বৃদ্ধের কাছে এসে বললাম, আমার পিতা আমাকে আপনার কাছে যাকাত উসূল করতে পাঠিয়েছেন। তিনি বললেন, হে ভাতিজা! তুমি কিভাবে নিবে? আমি বললাম, আমরা বাছাই করবো, আমরা বকরীর বাঁট দেখে যাচাই করবো। তিনি বললেন, হে ভাতিজা! আমি তোমাকে একটি হাদীস বলছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একদা আমি কোন এক উপত্যকায় আমার মেষপাল চরাচ্ছিলাম। এমন সময় দুইজন লোক একটি উটে চড়ে আমার নিকট এসে বললো, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতিনিধি হিসাবে আপনার মেষপালের যাকাত উসূল করতে আপনার কাছে প্রেরিত হয়েছি। আমি বললাম, আমি কি প্রদান করবো? তারা বলেন, বকরী। সুতরাং আমি এমন একটি বিশেষ বকরী দেয়ার মনস্থ করলাম, সেটির বাট দুগ্ধে ভর্তি, খুব মোটাতাজা চর্বিওয়ালা। আমি তাদেরকে সেটা বের করে দিলে তারা বললেন, এটা তো জোড়াওয়ালা (বাচ্চাওয়ালা) বকরী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জোড়াওয়ালা বকরী নিতে বারণ করেছেন। আমি বললাম, তাহলে আপনারা কেমন বকরী নিবেন? তারা বললেন, এক বছর কিংবা দুই বছর বয়সী বকরী। তিনি বলেন, তখন আমি একটি ‘মু‘তাত্’ বকরীর দেয়ার মনস্থ করলাম। মু‘তাত্ ঐ বকরীকে বলে যা কোনো বাচ্চা দেয়নি, কিন্তু গর্ভধারণের উপযুক্ত হয়েছে। সেটি এনে তাদেরকে দিলে তারা বললেন, হ্যাঁ, আমরা এটি নিতে পারি। অতঃপর তারা বকরীটিকে তাদের উটের পিঠে তুলে নিয়ে চলে যান।[1] দুর্বল।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا وكيع، عن زكريا بن اسحاق المكي، عن عمرو بن ابي سفيان الجمحي، عن مسلم بن ثفنة اليشكري، - قال الحسن روح يقول مسلم بن شعبة - قال استعمل نافع بن علقمة ابي على عرافة قومه فامره ان يصدقهم قال فبعثني ابي في طايفة منهم فاتيت شيخا كبيرا يقال له سعر بن ديسم فقلت ان ابي بعثني اليك - يعني لاصدقك - قال ابن اخي واى نحو تاخذون قلت نختار حتى انا نتبين ضروع الغنم . قال ابن اخي فاني احدثك اني كنت في شعب من هذه الشعاب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم في غنم لي فجاءني رجلان على بعير فقالا لي انا رسولا رسول الله صلى الله عليه وسلم اليك لتودي صدقة غنمك . فقلت ما على فيها فقالا شاة . فاعمد الى شاة قد عرفت مكانها ممتلية محضا وشحما فاخرجتها اليهما . فقالا هذه شاة الشافع وقد نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ناخذ شافعا . قلت فاى شىء تاخذان قالا عناقا جذعة او ثنية . قال فاعمد الى عناق معتاط . والمعتاط التي لم تلد ولدا وقد حان ولادها فاخرجتها اليهما فقالا ناولناها . فجعلاها معهما على بعيرهما ثم انطلقا . قال ابو داود رواه ابو عاصم عن زكرياء قال ايضا مسلم بن شعبة . كما قال روح
। যাকারিয়্যাহ ইবনু ইসহাক (রহঃ) হতে তার সানাদে উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত। বর্ণনাকারী মুসলিম ইবনু শু‘বাহ তার বর্ণনায় বলেন, শাফি‘ বলা হয় গর্ভবতী বকরীকে। দুর্বল। গাদিরাহ ক্বায়িসের ‘আবদুল্লাহ ইবনু মু‘আবিয়াহ আল-গাদিরী সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তিনটি কাজ করেছে সে ঈমানের স্বাদ পেয়েছে। (এক) যে এক আল্লাহর ‘ইবাদাত করে। (দুই) এ বিশ্বাস করে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। (তিন) যে স্বতঃস্ফূর্ত মনে নিঃসঙ্কোচে প্রতি বছর তার মালের যাকাত দেয়। বৃদ্ধ বয়সের, রোগগ্রস্ত, ক্রটিপূর্ণ ও নিকৃষ্ট মাল যাকাত দেয় না, বরং মধ্যম মানের যাকাত দিয়ে থাকে। কেননা আল্লাহ তোমাদের উৎকৃষ্ট সম্পদ চান না এবং তোমাদের নিকৃষ্ট দেয়ারও নিদের্শ করেন না।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن يونس النسايي، حدثنا روح، حدثنا زكرياء بن اسحاق، باسناده بهذا الحديث قال مسلم بن شعبة . قال فيه والشافع التي في بطنها الولد . قال ابو داود وقرات في كتاب عبد الله بن سالم بحمص عند ال عمرو بن الحارث الحمصي عن الزبيدي قال واخبرني يحيى بن جابر عن جبير بن نفير عن عبد الله بن معاوية الغاضري - من غاضرة قيس - قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ثلاث من فعلهن فقد طعم طعم الايمان من عبد الله وحده وانه لا اله الا الله واعطى زكاة ماله طيبة بها نفسه رافدة عليه كل عام ولا يعطي الهرمة ولا الدرنة ولا المريضة ولا الشرط اللييمة ولكن من وسط اموالكم فان الله لم يسالكم خيره ولم يامركم بشره
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে পাঠালেন। অতঃপর আমি এক ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হলে সে তার মাল (উট) একত্র করলো। আমি দেখলাম যে, তার উপর একটি বিনতু মাখাদ ফারয হয়েছে। সুতরাং আমি তাকে বললাম, একটি বিনতু মাখাদ দিন। কেননা তোমার যাকাত সেটাই। সে বললো, এর এতে দুগ্ধও নেই এবং এটি বাহনের উপযোগীও নয়, বরং এর পরিবর্তে আমার এই বড় মোটাতাজা যুবতী উটনী নিন। আমি বললাম, আমি এটা নিতে পারবো না, এরূপ নিতে আমাকে আদেশ করা হয়নি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো তোমার নিকটেই আছেন। তুমি আমাকে যা বলেছো, তা ইচ্ছে হলে তাকে বলে দেখতে পারো। তিনি এটা গ্রহণ করলে আমি নিবো, আর প্রতাখ্যান করলে আমিও প্রত্যাখ্যান করবো। সে বললো, আমি তাই করবো। অতঃপর সে আমাকে নিয়ে উক্ত উষ্ট্রী সহ রওয়ানা হলো। অবশেষে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে উপস্থিত হই। লোকটি বললো, হে আল্লাহর রসূল! আপনার প্রতিনিধি আমার কাছে আমার সম্পদের যাকাত নিতে এসেছে। আল্লাহর শপথ! এর পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং কিংবা তাঁর প্রতিনিধি কখনো আমার সম্পদের যাকাত নিতে আসেননি। কাজেই আমি আমার সমস্ত মাল তাঁর সম্মুখে একত্র করেছি। কিন্তু তিনি বলেন, আমার মালের উপর নাকি একটি মাখাদ ফারয। অথচ তাতে দুগ্ধও নেই বা আরোহণেরও অনুপযোগী। তাই আমি একটি বড় ও মোটাতাজা যুবতী উষ্ট্রী পেশ করেছি। কিন্তু তিনি এটা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। আর সেটি এটাই, আমি আপনার কাছে নিয়ে এসেছি। হে আল্লাহর রসূল! এটা গ্রহণ করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আদায়কারী যা বলেছে তাই তোমার উপর ফারয। তবে তুমি স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত দিলে আল্লাহ তোমাকে এর প্রতিদান দিবেন এবং আমরাও সেটা তোমার থেকে গ্রহণ করলাম। সে বললো, এটাই সেই উষ্ট্রী, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনার নিকট নিয়ে এসেছি, গ্রহণ করুন। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা গ্রহণ করতে আদেশ দিলেন এবং তার ও তার সম্পদের বরকতের জন্য দু‘আ করলেন।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن منصور، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن ابن اسحاق، قال حدثني عبد الله بن ابي بكر، عن يحيى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سعد بن زرارة، عن عمارة بن عمرو بن حزم، عن ابى بن كعب، قال بعثني النبي صلى الله عليه وسلم مصدقا فمررت برجل فلما جمع لي ماله لم اجد عليه فيه الا ابنة مخاض فقلت له اد ابنة مخاض فانها صدقتك . فقال ذاك ما لا لبن فيه ولا ظهر ولكن هذه ناقة فتية عظيمة سمينة فخذها . فقلت له ما انا باخذ ما لم اومر به وهذا رسول الله صلى الله عليه وسلم منك قريب فان احببت ان تاتيه فتعرض عليه ما عرضت على فافعل فان قبله منك قبلته وان رده عليك رددته . قال فاني فاعل فخرج معي وخرج بالناقة التي عرض على حتى قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له يا نبي الله اتاني رسولك لياخذ مني صدقة مالي وايم الله ما قام في مالي رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا رسوله قط قبله فجمعت له مالي فزعم ان ما على فيه ابنة مخاض وذلك ما لا لبن فيه ولا ظهر وقد عرضت عليه ناقة فتية عظيمة لياخذها فابى على وها هي ذه قد جيتك بها يا رسول الله . خذها فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذاك الذي عليك فان تطوعت بخير اجرك الله فيه وقبلناه منك " . قال فها هي ذه يا رسول الله قد جيتك بها فخذها . قال فامر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقبضها ودعا له في ماله بالبركة
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে বর্ণিত। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূ‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণকালে বললেন, তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে যাচ্ছো যারা আহলি কিতাব। তুমি (সর্বপ্রথম) তাদেরকে এ সাক্ষ্য দিতে আহবান করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং আমি (মুহাম্মাদ) আল্লাহর রসূল। তারা তোমার এ কথা মেনে নিলে তাদেরকে অবহিত করবে, আল্লাহ তাদের উপর তাদের মালের যাকাত প্রদান ফারয করেছেন, যা তাদের ধনীদের কাছ থেকে নেয়া হবে এবং তাদের গরীবদের মাঝে বিতরণ করা হবে। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয়, তাহলে তাদের উত্তম সম্পদগুলো গ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে। আর মযলুমের বদদু‘আকে ভয় করবে। কেননা তার দু‘আ ও আল্লাহর মাঝে কোনো প্রতিবন্ধক নেই।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا وكيع، حدثنا زكريا بن اسحاق المكي، عن يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن ابي معبد، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث معاذا الى اليمن فقال " انك تاتي قوما اهل كتاب فادعهم الى شهادة ان لا اله الا الله واني رسول الله فان هم اطاعوك لذلك فاعلمهم ان الله افترض عليهم خمس صلوات في كل يوم وليلة فان هم اطاعوك لذلك فاعلمهم ان الله افترض عليهم صدقة في اموالهم توخذ من اغنيايهم وترد في فقرايهم فان هم اطاعوك لذلك فاياك وكرايم اموالهم واتق دعوة المظلوم فانها ليس بينها وبين الله حجاب
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাকাত সংগ্রহে সীমালংঘনকারী ঐ ব্যক্তির মতই যে যাকাত দিতে অস্বীকার করে।[1] হাসান।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن سعد بن سنان، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المعتدي في الصدقة كمانعها
। বাশীর ইবনুল খাসাসিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। বর্ণনাকারী ইবনু ‘উবাইদ তার বর্ণনায় বলেন, আসলে তার নাম বাশীর ছিলো না, বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম বাশীর রাখেন। তিনি বলেন, আমরা বললাম, যাকাত আদায়কারীরা আমাদের উপর সীমালঙ্ঘন করেন (ফারযের অধিক নিয়ে যান)। কাজেই তারা যে পরিমাণ মাল আমাদের উপর সীমালঙ্ঘন করেন ঐ পরিমাণ মাল কি আমরা গোপন করবো? তিনি বলেন, না।[1] দুর্বল।
حدثنا مهدي بن حفص، ومحمد بن عبيد، - المعنى - قالا حدثنا حماد، عن ايوب، عن رجل، يقال له ديسم - وقال ابن عبيد من بني سدوس - عن بشير بن الخصاصية، - قال ابن عبيد في حديثه وما كان اسمه بشيرا - ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم سماه بشيرا قال قلنا ان اهل الصدقة يعتدون علينا افنكتم من اموالنا بقدر ما يعتدون علينا فقال " لا
। আইয়ূব (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের ভাবার্থ একই সানাদে বর্ণিত হয়েছে। তবে তাতে রয়েছেঃ আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! যাকাত আদায়কারীগণ সীমালঙ্ঘন করে।[1] দুর্বল। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এটি ‘আবদুর রাযযাক্ব (রহঃ) মা‘মার হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসরূপে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا الحسن بن علي، ويحيى بن موسى، قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ايوب، باسناده ومعناه الا انه قال قلنا يا رسول الله ان اصحاب الصدقة يعتدون . قال ابو داود رفعه عبد الرزاق عن معمر
। ‘আবদুর রহমান ইবনু জাবির ইবনু আতীক (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অচিরেই তোমাদের কাছে অপছন্দনীয় যাকাত আদায়কারী দল আসবে, যাদের আচরণে অসন্তুষ্ট হবে। তারা এলে তোমরা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানাবে এবং যা গ্রহণ করতে চায়, তাদের মাঝে তা উন্মুক্ত করে দিবে। তারা ন্যায়নীতি অনুসরণ করলে তাদের নিজেদের জন্যই কল্যাণকর হবে। আর যদি যুলুম করে তাহলে এর পাপ তাদেরই উপর বর্তাবে। তোমরা তাদেরকে সন্তুষ্ট করবে, কেননা তোমাদের যাকাতের পরিপূর্ণতা তাদের সন্তুষ্টির মধ্যেই নিহিত। তাদের উচিত হলো, তারা যেন তোমাদের জন্য দু‘আ করে।[1] দুর্বল।
حدثنا عباس بن عبد العظيم، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا بشر بن عمر، عن ابي الغصن، عن صخر بن اسحاق، عن عبد الرحمن بن جابر بن عتيك، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " سياتيكم ركب مبغضون فاذا جاءوكم فرحبوا بهم وخلوا بينهم وبين ما يبتغون فان عدلوا فلانفسهم وان ظلموا فعليها وارضوهم فان تمام زكاتكم رضاهم وليدعوا لكم " . قال ابو داود ابو الغصن هو ثابت بن قيس بن غصن
। জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা কতিপয় বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, যাকাত আদায়কারীগণ আমাদের কাছে এসে আমাদের উপর যুলুম করেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমাদের যাকাত আদায়কারীদেরকে তোমরা সন্তুষ্ট রাখবে। তারা বললো, হে আল্লাহর রসূল! তারা আমাদের উপর যুলুম করলেও? তিনি বললেন, তোমাদের যাকাত আদায়কারীদেরকে সন্তুষ্ট রাখবে। বর্ণনাকারী ‘উসমানের বর্ণনায় এটাও আছেঃ যদিও তারা তোমাদের উপর যুলুম করে।[1] বর্ণনাকারী আবূ কামিল তার হাদীসে বলেন, জারীর (রাঃ) বলেছেন, আমি যখন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একথা শুনেছি, তখন থেকে প্রত্যেক যাকাত আদায়কারী আমার উপর সন্তুষ্ট হয়েই ফিরেছেন। সহীহ।
حدثنا ابو كامل، حدثنا عبد الواحد يعني ابن زياد، ح وحدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، - وهذا حديث ابي كامل - عن محمد بن ابي اسماعيل، حدثنا عبد الرحمن بن هلال العبسي، عن جرير بن عبد الله، قال جاء ناس - يعني من الاعراب - الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ان ناسا من المصدقين ياتونا فيظلمونا . قال فقال " ارضوا مصدقيكم " . قالوا يا رسول الله وان ظلمونا قال " ارضوا مصدقيكم " . زاد عثمان " وان ظلمتم " . قال ابو كامل في حديثه قال جرير ما صدر عني مصدق بعد ما سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم الا وهو عني راض
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা ছিলেন গাছের নিচে বাইয়াতে রিদওয়ান গ্রহণকারীদের একজন। কোন সম্প্রদায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাদের যাকাত নিয়ে এলে তিনি বলতেন, হে আল্লাহ! অমুক পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমার পিতা তাঁর কাছে তার সাদাকা নিয়ে এলে তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আবূ আওফার পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম। باب تَفْسِيرِ أَسْنَانِ الإِبِلِ অনুচ্ছেদ-৮ : উটের বয়স সম্পর্কে قَالَ أَبُو دَاوُدَ سَمِعْتُهُ مِنَ الرِّيَاشِيِّ، وَأَبِي، حَاتِمٍ وَغَيْرِهِمَا وَمِنْ كِتَابِ النَّضْرِ بْنِ شُمَيْلٍ وَمِنْ كِتَابِ أَبِي عُبَيْدٍ وَرُبَّمَا ذَكَرَ أَحَدُهُمُ الْكَلِمَةَ قَالُوا يُسَمَّى الْحُوَارَ ثُمَّ الْفَصِيلَ إِذَا فَصَلَ ثُمَّ تَكُونُ بِنْتَ مَخَاضٍ لِسَنَةٍ إِلَى تَمَامِ سَنَتَيْنِ فَإِذَا دَخَلَتْ فِي الثَّالِثَةِ فَهِيَ ابْنَةُ لَبُونٍ فَإِذَا تَمَّتْ لَهُ ثَلَاثُ سِنِينَ فَهُوَ حِقٌّ وَحِقَّةٌ إِلَى تَمَامِ أَرْبَعِ سِنِينَ لأَنَّهَا اسْتَحَقَّتْ أَنْ تُرْكَبَ وَيُحْمَلَ عَلَيْهَا الْفَحْلُ وَهِيَ تَلْقَحُ وَلَا يُلْقِحُ الذَّكَرُ حَتَّى يُثَنِّيَ وَيُقَالُ لِلْحِقَّةِ طَرُوقَةُ الْفَحْلِ لأَنَّ الْفَحْلَ يَطْرُقُهَا إِلَى تَمَامِ أَرْبَعِ سِنِينَ فَإِذَا طَعَنَتْ فِي الْخَامِسَةِ فَهِيَ جَذَعَةٌ حَتَّى يَتِمَّ لَهَا خَمْسُ سِنِينَ فَإِذَا دَخَلَتْ فِي السَّادِسَةِ وَأَلْقَى ثَنِيَّتَهُ فَهُوَ حِينَئِذٍ ثَنِيٌّ حَتَّى يَسْتَكْمِلَ سِتًّا فَإِذَا طَعَنَ فِي السَّابِعَةِ سُمِّيَ الذَّكَرُ رَبَاعِيًّا وَالأُنْثَى رَبَاعِيَّةً إِلَى تَمَامِ السَّابِعَةِ فَإِذَا دَخَلَ فِي الثَّامِنَةِ وَأَلْقَى السِّنَّ السَّدِيسَ الَّذِي بَعْدَ الرَّبَاعِيَةِ فَهُوَ سَدِيسٌ وَسَدَسٌ إِلَى تَمَامِ الثَّامِنَةِ فَإِذَا دَخَلَ فِي التِّسْعِ وَطَلَعَ نَابُهُ فَهُوَ بَازِلٌ أَىْ بَزَلَ نَابُهُ - يَعْنِي طَلَعَ - حَتَّى يَدْخُلَ فِي الْعَاشِرَةِ فَهُوَ حِينَئِذٍ مُخْلِفٌ ثُمَّ لَيْسَ لَهُ اسْمٌ وَلَكِنْ يُقَالُ بَازِلُ عَامٍ وَبَازِلُ عَامَيْنِ وَمُخْلِفُ عَامٍ وَمُخْلِفُ عَامَيْنِ وَمُخْلِفُ ثَلَاثَةِ أَعْوَامٍ إِلَى خَمْسِ سِنِينَ وَالْخَلِفَةُ الْحَامِلُ . قَالَ أَبُو حَاتِمٍ وَالْجَذُوعَةُ وَقْتٌ مِنَ الزَّمَنِ لَيْسَ بِسِنٍّ وَفُصُولُ الأَسْنَانِ عِنْدَ طُلُوعِ سُهَيْلٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَأَنْشَدَنَا الرِّيَاشِيُّ إِذَا سُهَيْلٌ أَوَّلَ اللَّيْلِ طَلَعْ فَابْنُ اللَّبُونِ الْحِقُّ وَالْحِقُّ جَذَعْ لَمْ يَبْقَ مِنْ أَسْنَانِهَا غَيْرُ الْهُبَعْ وَالْهُبَعُ الَّذِي يُولَدُ فِي غَيْرِ حِينِهِ . ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি আর-রিয়াশী, আবূ হাতিম ও অন্যদের কাছে শুনেছি এবং নাদর ইবনু শুমাইল ও আবূ ‘উবাইদের কিতাবে দেখেছি। তাদের দু’ জনের একজন কর্তৃক আলোচ্য বিষয়টি উল্লেখ হয়েছে। তারা বলেছেন, গর্ভস্থ ভ্রুণের নাম ‘আল-হুয়ার’। নবজাত বাচ্চার নাম ‘আল-ফাসিল’। এক বছর হতে দু’ বছরে পদার্পণকারী হচ্ছে ‘বিনতু মাখাদ’। তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী ‘ইবনাতু লাবূন’। তিন বছর হতে চতুর্থ বছর পূর্ণ হলে ‘হিককাহ’। কারণ তখন তা আরোহণ এবং প্রজননের উপযোগী হয়। আর ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার আগে পুরুষ উট বালেগ হয় না। হিককহকে ‘ত্বরুক্বাতুল ফাহল’ বলার কারণ হলো পুরুষ উট তাকে পাল দেয়। চতুর্থ বছর শেষে পঞ্চম বছরে পদার্পনকারীকে ‘জাযাআহ’ বলে। ষষ্ঠ বছরে পদার্পন করলে এবং সামনে দুটি দাঁত পড়ে গেলে তা হয় ‘সানি’। এ নাম ষষ্ঠ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকে। অতঃপর সপ্তম বছর হলে উটের নাম হয় ‘রুবাঈ’ এবং উষ্ট্রীর নাম হয় ‘রুবাঈয়াহ’, সপ্তম বছর শেষ হওয়া পর্যন্ত এ নাম বহাল থাকে। অষ্টম বছরে প্রবেশ করলে তার রুবাঈ দাতের পাশের দাত সাদুখ পড়ে যায়। তাই তাকে সাদীস বলা হয়। অতঃপর নবম বছরে প্রবেশ করলে এবং পাশের ধারালো দাঁত প্রকাশ হলে এ দাঁত প্রকাশ হওয়ার কারণে তাকে বলা হয় ‘বাযিল’। সবশেষে দশম বছরে পদার্পন করলে তার নাম ‘মাখলাফ’। এরপর তার আর কোনো নাম নেই। অবশ্য (এরপর) এক বর্ষীয়া ‘বাযিল’, দুই বর্ষীয়া ‘বাযিল’ এবং এক বর্ষীয়া ‘মাখলাফ’, দুই বর্ষীয়া মাখলাফ এবং তিন বর্ষীয়া ‘মাখলাফ’ এভাবে পাঁচ বছর পর্যন্ত। খুলফাহ হচ্ছে গর্ভধারী উষ্ট্রী। আবূ হাতিম (রহঃ) বলেন, ‘আল-জাযু‘আহ’ শব্দটি কালের একটি সময়কে বুঝায়, এর অর্থ দাঁত নয়। উটের বয়সের ব্যবধান ঘটে সুহাইল তারকার উদয়ের সাথে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কবি আর-রিয়াশী আমাদের নিকট তা কয়েক লাইন কবিতার মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেনঃ ‘‘রাতের প্রথম প্রহরে যখন সুহাইল তারকা উদিত হয় তখন ইবনু লাবূন হয় হিককাহ আর হিককাহ হয় জাযাআহ। তারপর হুবা‘ ছাড়া উটের বয়স আর গণনা করা হয় না। সুহাইল তারকার উদয়ের সাথে জন্মগ্রহণকারী উটকে হুবা‘ বলা হয়।
। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দূরে অবস্থান করে যাকাত আদায় করবে না এবং যাকাতের মালও দুরে সরিয়ে নিবে না। যাকাত দাতাদের বসতি থেকেই যাকাত আদায় করতে হবে।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ابن ابي عدي، عن ابن اسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا جلب ولا جنب ولا توخذ صدقاتهم الا في دورهم
। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘লা জালাবা ওয়া লা জানাবা’-এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, চতুষ্পদ জন্তুর যাকাত তার অবস্থানস্থল থেকেই নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই তা আদায়কারীর নিকট টেনে নিতে বাধ্য করা যাবে না এবং ‘ওয়া লা জানাবা’-ও একইরূপ। মালের অধিকারী তা আদায়কারীর কাছে হাঁকিয়ে নিবে না। বর্ণনাকারী বলেন, যাকাত আদায়কারী যাকাত দাতার নিকট থেকে দূরে অবস্থান করবে না, বরং, বরং মালের স্থানে থেকেই যাকাত নেয়া হবে।[1] সহীহ মাক্বতূ‘।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، قال سمعت ابي يقول، عن محمد بن اسحاق، في قوله " لا جلب ولا جنب " . قال ان تصدق الماشية في مواضعها ولا تجلب الى المصدق والجنب عن غير هذه الفريضة ايضا لا يجنب اصحابها يقول ولا يكون الرجل باقصى مواضع اصحاب الصدقة فتجنب اليه ولكن توخذ في موضعه
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। একদা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে জিহাদের উদ্দেশ্যে একটি ঘোড়া দান করেন। পরে তিনি ঐ ঘোড়াটি বিক্রি হতে দেখে তা কেনার ইচ্ছা করলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি তা কিনবে না এবং তোমার সাদাকা তুমি ফিরিয়ে নিবে না।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان عمر بن الخطاب، - رضى الله عنه - حمل على فرس في سبيل الله فوجده يباع فاراد ان يبتاعه فسال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " لا تبتعه ولا تعد في صدقتك
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঘোড়া ও দাস-দাসীতে কোন যাকাত নেই। কিন্তু দাস-দাসীর পক্ষ হতে সাদাকাতুল ফিতর (ফিতরাহ) দিতে হবে।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن يحيى بن فياض، قالا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا عبيد الله، عن رجل، عن مكحول، عن عراك بن مالك، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس في الخيل والرقيق زكاة الا زكاة الفطر في الرقيق
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুসলিমদের উপর তার দাস-দাসী ও তার ঘোড়ার কোনো যাকাত নেই।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا مالك، عن عبد الله بن دينار، عن سليمان بن يسار، عن عراك بن مالك، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس على المسلم في عبده ولا في فرسه صدقة
حدثنا حفص بن عمر النمري، وابو الوليد الطيالسي، - المعنى - قالا اخبرنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن ابي اوفى، قال كان ابي من اصحاب الشجرة وكان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اتاه قوم بصدقتهم قال " اللهم صل على ال فلان " . قال فاتاه ابي بصدقته فقال " اللهم صل على ال ابي اوفى