Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩০ হাদিসসমূহ
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কুরআন এক মাসে খতম করবে। তিনি বলেন, আমার এর চেয়ে অধিক শক্তি আছে। তিনি বললেনঃ তাহলে তিন দিনে খতম করবে।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن حفص ابو عبد الرحمن القطان، خال عيسى بن شاذان اخبرنا ابو داود، اخبرنا الحريش بن سليم، عن طلحة بن مصرف، عن خيثمة، عن عبد الله بن عمرو، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقرا القران في شهر " . قال ان بي قوة . قال " اقراه في ثلاث " . قال ابو علي سمعت ابا داود يقول سمعت احمد - يعني ابن حنبل - يقول عيسى بن شاذان كيس
। ইবনুল হাদ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাফি‘ ইবনু জুবাইর ইবনু মুত্ব‘ইম (রহঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করে বললেন, আপনি কুরআন মাজীদ কতটুকু পাঠ করেন? আমি বললাম, আমি কুরআন নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে পড়ি না। নাফি‘ (রহঃ) আমাকে বললেন, নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে পড়ি না- এরূপ বলো না। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘আমি কুরআনের একাংশ পাঠ করেছি’। তিনি (ইবনুল হাদ) বলেন, আমার ধারণা, এ হাদীস তিনি মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، اخبرنا ابن ابي مريم، اخبرنا يحيى بن ايوب، عن ابن الهاد، قال سالني نافع بن جبير بن مطعم فقال لي في كم تقرا القران فقلت ما احزبه . فقال لي نافع لا تقل ما احزبه فان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قرات جزءا من القران " . قال حسبت انه ذكره عن المغيرة بن شعبة
। ‘উসমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আওস (রাঃ) হতে তার দাদা আওস ইবনু হুযাইফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা বনু সাক্বীফ গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল সহ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যাই। তিনি বলেন, মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহর সাথে চুক্তিবদ্ধ লোকেরা তার মেহমান হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু মালিককে তাঁর এক তাঁবুতে স্থান দিলেন। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ বনু সাক্বীফের যে প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসেছিল তাদের মধ্যে আওস ইবনু হুযাইফাহও ছিলেন। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক রাতে ‘ইশার সালাতের পর আমাদের কাছে এসে আমাদের সাথে কথাবার্তা বলতেন। আবূ সাঈদের বর্ণনায় আছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় কথাবার্তা বলতেন এবং (দীর্ঘক্ষণ) দাঁড়ানোর কারণে কখনো এক পায়ের উপর দাঁড়াতেন এবং কখনো আরেক পায়ের উপর। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময় আমাদেরকে তাঁর কুরাইশ সম্প্রদায়ের পক্ষ হতে তাঁর উপর চালানো নির্যাতনের কথা শুনাতেন এবং বলতেনঃ আমরা ও তারা সমপর্যায়ের ছিলাম না, বরং মাক্কায় আমরা ছিলাম অসহায় ও দুর্বল। অতঃপর আমরা মাদীনায় চলে আসার পর যুদ্ধের পাল্লা কখনো আমাদের ও কখনো তাদের মধ্যে পরিবর্তিত হতে থাকে। কখনো আমরা তাদের উপর বিজয়ী হতাম আবার কখনো তারা আমাদের উপর বিজয়ী হতো। এক রাতে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে তাঁর আসার নির্দিষ্ট সময় থেকে অনেক দেরীতে আসলেন। আমরা বললাম, আপনি তো আজ রাতে আমাদের কাছে আসতে অনেক দেরী করেছেন। তিনি বললেনঃ কুরআনের যে নির্ধারিত অংশ আমি নিয়মিত তিলাওয়াত করি, তা শেষ না করে এখানে আসা আমি পছন্দ করিনি। আওস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথীদের জিজ্ঞেস করি, প্রতিদিন আপানারা কিভাবে কুরআনকে ভাগ করে পড়েন? তারা বললেন, তিন সূরাহ, পাঁচ সূরাহ, সাত সূরাহ, নয় সূরাহ, এগার সূরাহ, তের সূরাহ এবং এককভাবে মুফাস্সাল সূরাহসমুহ (অর্থাৎ সাত দিনে কুরআন খতম করি)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদের হাদীস পরিপূর্ণ।[1] দুর্বল।
حدثنا مسدد، اخبرنا قران بن تمام، ح وحدثنا عبد الله بن سعيد، اخبرنا ابو خالد، - وهذا لفظه - عن عبد الله بن عبد الرحمن بن يعلى، عن عثمان بن عبد الله بن اوس، عن جده، - قال عبد الله بن سعيد في حديثه اوس بن حذيفة - قال قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد ثقيف - قال - فنزلت الاحلاف على المغيرة بن شعبة وانزل رسول الله صلى الله عليه وسلم بني مالك في قبة له . قال مسدد وكان في الوفد الذين قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم من ثقيف قال كان كل ليلة ياتينا بعد العشاء يحدثنا . قال ابو سعيد قايما على رجليه حتى يراوح بين رجليه من طول القيام واكثر ما يحدثنا ما لقي من قومه من قريش ثم يقول لا سواء كنا مستضعفين مستذلين - قال مسدد بمكة - فلما خرجنا الى المدينة كانت سجال الحرب بيننا وبينهم ندال عليهم ويدالون علينا فلما كانت ليلة ابطا عن الوقت الذي كان ياتينا فيه فقلنا لقد ابطات عنا الليلة . قال انه طرا على جزيي من القران فكرهت ان اجيء حتى اتمه . قال اوس سالت اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف يحزبون القران قالوا ثلاث وخمس وسبع وتسع واحدى عشرة وثلاث عشرة وحزب المفصل وحده . قال ابو داود وحديث ابي سعيد اتم
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করে, সে কিছুই হৃদয়ঙ্গম করতে পারে না।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن المنهال، اخبرنا يزيد بن زريع، اخبرنا سعيد، عن قتادة، عن ابي العلاء، يزيد بن عبد الله بن الشخير عن عبد الله، - يعني ابن عمرو - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يفقه من قرا القران في اقل من ثلاث
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কুরআন খতমের সময়সীমা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, চল্লিশ দিনে। অতঃপর বলেনঃ এক মাসে, অতঃপর বলেনঃ বিশ দিনে, অতঃপর বলেনঃ পনের দিনে, অতঃপর বলেনঃ দশ দিনে, সর্বশেষে বলেন, সাত দিনে। আর তিনি সাত দিনের কম উল্লেখ করেননি।[1] সহীহ : তবে ‘‘সাত দিনের কমে’’ কথাটি শায। পূর্বের (১৩৯১ নং) হাদীসের এ কথাটির কারণে ‘‘তাহলে তিন দিনে খতম করবে।’’
حدثنا نوح بن حبيب، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن سماك بن الفضل، عن وهب بن منبه، عن عبد الله بن عمرو، انه سال النبي صلى الله عليه وسلم في كم يقرا القران قال " في اربعين يوما " . ثم قال " في شهر " . ثم قال " في عشرين " . ثم قال " في خمس عشرة " . ثم قال " في عشر " . ثم قال " في سبع " . لم ينزل من سبع
। ‘আলকামাহ ও আল-আসওয়াদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু মাসউদের (রাঃ) নিকট এসে বললো, আমি মুফাসসাল সূরাহগুলো (সূরাহ হুজরাত থেকে সূরাহ নাস পর্যন্ত) এক রাক‘আতেই পাঠ করে থাকি। তিনি বললেন, এটা তো (খুবই দ্রুত তিলাওয়াত) কবিতা পাঠর অনুরূপ কিংবা গাছ থেকে শুকনো পাতা ঝরে পড়ার মতই। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমান দৈর্ঘ্যের দু‘টি সূরাহ একত্রে এক রাক‘আতে তিলাওয়াত করতেন। যেমন, সূরাহ আন-নাজম ও আর-রহমান এক রাক‘আতে এবং ওয়াকতারাবাত ও আল-হাক্কাহ আরেক রাক‘আতে। সূরাহ আত-তূর ও ওয়ায্-যারিয়াত এক রাক‘আতে এবং সূরাহ ইযা ওয়াক্ব‘আত ও সূরাহ নূন অপর রাক‘আতে। সাআলা সায়িলুন ও ওয়ান-নাযিআতি এক রাক‘আতে, ওয়াইলুল্লিল মুতাফফিফিন ও ‘আবাসা আরেক রাক‘আতে। আল-মুদ্দাসসির ও আল-মুযযাম্মিল এক রাক‘আতে এবং হাল আতা ও লা উক্বসিমু বি-ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ অপর রাক‘আতে, ‘আম্মা ইয়াতাসাআলুন ও ওয়াল-মুরসিলাত এক রাক‘আতে এবং আদ্-দুখান ও ইযাশ-শামসু কুবিবরাত অপর রাক‘আতে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কুরআনের সূরাহগুলোর এ তারতীব ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عباد بن موسى، اخبرنا اسماعيل بن جعفر، عن اسراييل، عن ابي اسحاق، عن علقمة، والاسود، قالا اتى ابن مسعود رجل فقال اني اقرا المفصل في ركعة . فقال اهذا كهذ الشعر ونثرا كنثر الدقل لكن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرا النظاير السورتين في ركعة الرحمن والنجم في ركعة واقتربت والحاقة في ركعة والطور والذاريات في ركعة واذا وقعت ون في ركعة وسال سايل والنازعات في ركعة وويل للمطففين وعبس في ركعة والمدثر والمزمل في ركعة وهل اتى ولا اقسم بيوم القيامة في ركعة . وعم يتساءلون والمرسلات في ركعة والدخان واذا الشمس كورت في ركعة . قال ابو داود هذا تاليف ابن مسعود رحمه الله
। ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) বলেন, একদা আবূ মাসউদ (রাঃ) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন, এমন সময় আমি তাকে কুরআন পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সূরাহ বাক্বারাহর শেষ আয়াত দু‘টি পাঠ করবে, সেটা তার জন্য যথেষ্ট হবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا حفص بن عمر، اخبرنا شعبة، عن منصور، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال سالت ابا مسعود وهو يطوف بالبيت فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قرا الايتين من اخر سورة البقرة في ليلة كفتاه
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের সালাতে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম গাফিলদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি (রাতের) সালাতে এক শত আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে। আর যে ব্যক্তি সালাতে দাঁড়িয়ে এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، اخبرنا عمرو، ان ابا سوية، حدثه انه، سمع ابن حجيرة، يخبر عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قام بعشر ايات لم يكتب من الغافلين ومن قام بماية اية كتب من القانتين ومن قام بالف اية كتب من المقنطرين " . قال ابو داود ابن حجيرة الاصغر عبد الله بن عبد الرحمن بن حجيرة
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ রসূল! আমাকে কুরআন পড়া শিখান। তিনি বললেন, ‘আলিফ-লাম-রা’ বিশিষ্ট তিনটি সূরাহ পাঠ করো। সে বললো, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি, আমার অন্তর শক্ত হয়ে গেছে এবং আমার জিহবা ভারী হয়ে গেছে। তিনি বললেনঃ তাহলে ‘হা-মীম’ বিশিষ্ট তিনটি সূরাহ পাঠ করো। সে পূর্বের ন্যায় উক্তি করলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ এমন তিনটি সূরাহ পাঠ করো যেগুলোর শুরুতে ‘সাব্বাহা’ বা ইউসাব্বিহু’ আছে। সে এবারও অনুরূপ উক্তি করে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে এমন একটি সূরাহ শিক্ষা দিন যা সর্বদিক হতে পরিপূর্ণ। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সূরাহ ‘‘ইযা যুলযিলাতিল আরদু যিলযালাহা’’ শেষ পর্যন্ত পাঠ করালেন। লোকটি বললো, ঐ সত্ত্বার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি এর অতিরিক্ত করবো না। অতঃপর লোকটি চলে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকটি সফলকাম হয়েছে, লোকটি কামিয়াব হয়েছে।[1] দুর্বল।
حدثنا يحيى بن موسى البلخي، وهارون بن عبد الله، قالا اخبرنا عبد الله بن يزيد، اخبرنا سعيد بن ابي ايوب، حدثني عياش بن عباس القتباني، عن عيسى بن هلال الصدفي، عن عبد الله بن عمرو، قال اتى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اقريني يا رسول الله . فقال " اقرا ثلاثا من ذوات الراء " . فقال كبرت سني واشتد قلبي وغلظ لساني . قال " فاقرا ثلاثا من ذوات حم " . فقال مثل مقالته . فقال " اقرا ثلاثا من المسبحات " . فقال مثل مقالته فقال الرجل يا رسول الله اقريني سورة جامعة . فاقراه النبي صلى الله عليه وسلم { اذا زلزلت الارض } حتى فرغ منها . فقال الرجل والذي بعثك بالحق لا ازيد عليها ابدا ثم ادبر الرجل فقال النبي صلى الله عليه وسلم " افلح الرويجل " . مرتين
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনে তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরাহ রয়েছে। সূরাহটি তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে, শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। সূরাহটি হচ্ছে ‘তাবারকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক।’[1] হাসান।
حدثنا عمرو بن مرزوق، اخبرنا شعبة، اخبرنا قتادة، عن عباس الجشمي، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سورة من القران ثلاثون اية تشفع لصاحبها حتى يغفر له { تبارك الذي بيده الملك}