Loading...

Loading...
বইসমূহ
১২১ হাদিসসমূহ
। আবূ আইয়ূব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যুহরের পূর্বে এক সালামে চার রাক‘আত সালাত রয়েছে, এগুলোর জন্য আকাশের সকল দরজা খুলে দেয়া হয়।[1] হাসান।
حدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت عبيدة، يحدث عن ابراهيم، عن ابن منجاب، عن قرثع، عن ابي ايوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اربع قبل الظهر ليس فيهن تسليم تفتح لهن ابواب السماء " . قال ابو داود بلغني عن يحيى بن سعيد القطان قال لو حدثت عن عبيدة بشىء لحدثت عنه بهذا الحديث . قال ابو داود عبيدة ضعيف . قال ابو داود ابن منجاب هو سهم
। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির উপর অনুগ্রহ করেন, যে ‘আসরের পূর্বে চার রাক‘আত সালাত আদায় করে।[1] হাসান।
حدثنا احمد بن ابراهيم، حدثنا ابو داود، حدثنا محمد بن مهران القرشي، حدثني جدي ابو المثنى، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله امرا صلى قبل العصر اربعا
। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসরের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।[1] হাসান, তবে (চার রাক‘আত) শব্দযোগে।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، عليه السلام ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي قبل العصر ركعتين
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা-এর মুক্তদাস কুরাইব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস, ‘আবদুর রহমান ইবনু আযহার ও আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) সকলেই তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর কাছে প্রেরণ করেন। (তারা তাকে বললেন), আমাদের পক্ষ হতে ‘আয়িশাহকে সালাম জানাবে, তাঁকে ‘আসরের পরে দু’ রাক‘আত সালাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমরা জানতে পেরেছি, আপনি ঐ দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে থাকেন। অথচ আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পড়তে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনাকারী কুরাইব বলেন), অতঃপর আমি তাঁর কাছে যাই এবং তারা আমাকে যে সংবাদসহ পাঠিয়েছেন, তা পৌঁছাই। তিনি বললেন, এ বিষয়ে উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করো। তারপর আমি তাদের নিকট ফিরে এসে তার বক্তব্য তাদেরকে জানাই। তারা আমাকে পুনরায় উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর নিকট ‘আয়িশাহর অনুরূপ সংবাদসহ পাঠালেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’ রাক‘আত আদায় করতে নিষেধ করেছেন, তা আমিও শুনেছি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি তাকে এ দু’ রাক‘আত আদায় করতে দেখেছি। তবে তিনি এ দু’ রাক‘আত আদায় করেছেন ‘আসরের (ফারয) সালাতের পরে। অতঃপর তিনি যখন আমার কাছে আসেন, তখন আনসারের বনি হারাম গোত্রীয় কতিপয় মহিলা আমার কাছে উপস্থিত ছিল। তিনি সে সময় তা আদায় করেছেন। আমি আমার এক দাসীকে তাঁর কাছে এ বলে প্রেরণ করি যে, তুমি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, হে আল্লাহর রসূল! উম্মু সালামাহ (রাঃ) এ দু’ রাক‘আত সালাত সম্পর্কে আপনাকে নিষেধ করতে শুনেছেন। অথচ এখন তিনি দেখছেন যে, আপনি তা নিজেই আদায় করছেন। এ সময় তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলে তাঁর থেকে সরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, দাসী তাই করলো। তিনি তাকে হাত দ্বারা ইঙ্গিত করায় সে সরে দাঁড়িলো। অতঃপর তিনি সালাত শেষে বললেনঃ হে আবূ উমাইয়্যার কন্যা! তুমি আমাকে ‘আসরের পরে দু’ রাক‘আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো। ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশ্যে ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রীয় কতিপয় লোক আমার নিকট আসার কারণে আমি যুহরের পরের দু’ রাক‘আত আদায় করতে পারিনি। এটা সেই দু’ রাক‘আত।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الاشج، عن كريب، مولى ابن عباس ان عبد الله بن عباس، وعبد الرحمن بن ازهر، والمسور بن مخرمة، ارسلوه الى عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا اقرا عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وقل انا اخبرنا انك تصلينهما وقد بلغنا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنهما . فدخلت عليها فبلغتها ما ارسلوني به فقالت سل ام سلمة . فخرجت اليهم فاخبرتهم بقولها فردوني الى ام سلمة بمثل ما ارسلوني به الى عايشة فقالت ام سلمة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما ثم رايته يصليهما اما حين صلاهما فانه صلى العصر ثم دخل وعندي نسوة من بني حرام من الانصار فصلاهما فارسلت اليه الجارية فقلت قومي بجنبه فقولي له تقول ام سلمة يا رسول الله اسمعك تنهى عن هاتين الركعتين واراك تصليهما فان اشار بيده فاستاخري عنه . قالت ففعلت الجارية فاشار بيده فاستاخرت عنه فلما انصرف قال " يا بنت ابي امية سالت عن الركعتين بعد العصر انه اتاني ناس من عبد القيس بالاسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان
। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসরের পর সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অবশ্য সূর্য উঁচুতে থাকাবস্থায় আদায় করা যায়।[1] সহীহ।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن وهب بن الاجدع، عن علي، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر الا والشمس مرتفعة
। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর ও ‘আসর ব্যতীত প্রত্যেক ফারয সালাতের পরে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في اثر كل صلاة مكتوبة ركعتين الا الفجر والعصر
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কতিপয় আল্লাহর প্রিয় লোক আমার কাছে সাক্ষ্য দেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন। মূলতঃ আমার নিকট ‘উমার (রাঃ) ছিলেন তাদের মধ্যকার অধিক আল্লাহর প্রিয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সালাত নেই এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا ابان، حدثنا قتادة، عن ابي العالية، عن ابن عباس، قال شهد عندي رجال مرضيون فيهم عمر بن الخطاب وارضاهم عندي عمر ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لا صلاة بعد صلاة الصبح حتى تطلع الشمس ولا صلاة بعد صلاة العصر حتى تغرب الشمس
। ‘আমর ইবনু আনবাসাহ আস-সুলামী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! রাতের কোন অংশ অধিক শ্রবণীয় (অর্থাৎ আল্লাহ দু‘আ বেশি কবুল করেন)? তিনি বলেনঃ রাতের শেষাংশ, এ সময় যতটুকু ইচ্ছা সালাত আদায় করবে। কেননা এ সময়ে মালায়িকাহ (ফিরিশতাগণ) এসে ফজরের সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন এবং লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সূর্য উঠা পর্যন্ত সালাত হতে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না তা এক কিংবা দুই তীর পরিমাণ উপরে উঠে। কারণ সূর্য উদিত হয় শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্য দিয়ে। আর কাফিররা এ সময় তার পূজা করে থাকে। এরপর তীরের ছায়া ঠিক থাকা (দ্বি প্রহরের পূর্ব) পর্যন্ত যত ইচ্ছা সালাত আদায় করবে, এ সময়ের সালাত সম্পর্কে ফিরিশতাগণ সাক্ষ্য দিয়ে থাকেন এবং তা লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সালাত হতে বিরত থাকবে, কেননা এ সময় জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় এবং তার সমস্ত দরজা খুলে দেয়া হয়। যখন সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়বে তখন যত ইচ্ছা সালাত আদায় করবে, কেননা ‘আসরের সালাত পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যকার সালাত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়া হয়। অতঃপর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সালাত হতে বিরত থাকবে, কেননা তা শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্য দিয়ে অস্ত যায় এবং এ সময় কাফিররা তার উপাসনা করে থাকে। অতঃপর বর্ণনাকারী এ বিষয়ে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন।[1] আল-‘আব্বাস (রহঃ) বলেন, আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে আবূ সাল্লাম (রহঃ) আমার কাছে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে আমি অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল করেছি, সেজন্যে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তওবা করি। সহীহ : মুসলিম, এ বাক্য বাদে (جوف الليل)।
حدثنا الربيع بن نافع، حدثنا محمد بن المهاجر، عن العباس بن سالم، عن ابي سلام، عن ابي امامة، عن عمرو بن عبسة السلمي، انه قال قلت يا رسول الله اى الليل اسمع قال " جوف الليل الاخر فصل ما شيت فان الصلاة مشهودة مكتوبة حتى تصلي الصبح ثم اقصر حتى تطلع الشمس فترتفع قيس رمح او رمحين فانها تطلع بين قرنى شيطان وتصلي لها الكفار ثم صل ما شيت فان الصلاة مشهودة مكتوبة حتى يعدل الرمح ظله ثم اقصر فان جهنم تسجر وتفتح ابوابها فاذا زاغت الشمس فصل ما شيت فان الصلاة مشهودة حتى تصلي العصر ثم اقصر حتى تغرب الشمس فانها تغرب بين قرنى شيطان ويصلي لها الكفار " . وقص حديثا طويلا قال العباس هكذا حدثني ابو سلام عن ابي امامة الا ان اخطي شييا لا اريده فاستغفر الله واتوب اليه
। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা-এর মুক্তদাস ইয়াসার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা আমাকে সুবহি সাদিকের পর সালাত আদায় করতে দেখে বললেন, হে ইয়াসার! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। ঠিক ঐ সময় আমরা এ সালাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেনঃ অবশ্যই তোমাদের উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছিয়ে দেয় যে, সুবহি সাদিকের পর (ফজরের) দু’ রাক‘আত সুন্নাত ব্যতীত তোমরা অন্য কোন সালাত আদায় করবে না।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا قدامة بن موسى، عن ايوب بن حصين، عن ابي علقمة، عن يسار، مولى ابن عمر قال راني ابن عمر وانا اصلي، بعد طلوع الفجر فقال يا يسار ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج علينا ونحن نصلي هذه الصلاة فقال " ليبلغ شاهدكم غايبكم لا تصلوا بعد الفجر الا سجدتين
। আল-আসওয়াদ ও মাসরূক্ব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, আমরা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দিনই আমার কাছে আসতেন, তখন তিনি ‘আসরের পর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن الاسود، ومسروق، قالا نشهد على عايشة - رضى الله عنها - انها قالت ما من يوم ياتي على النبي صلى الله عليه وسلم الا صلى بعد العصر ركعتين
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর মুক্তদাস যাকওয়ান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাকে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে ‘আসরের পরে সালাত আদায় করতেন, তবে লোকদেরকে নিষেধ করতেন এবং তিনি বিরতিহীনভাবে (বহুদিন) সওম পালন করতেন, কিন্তু অন্যদেরকে বিরতিহীনভাবে সওম পালনে নিষেধ করতেন।[1] দুর্বল।
حدثنا عبيد الله بن سعد، حدثنا عمي، حدثنا ابي، عن ابن اسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ذكوان، مولى عايشة انها حدثته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر وينهى عنها ويواصل وينهى عن الوصال
। ‘আবদুল্লাহ আল-মুযানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করো। তিনি দু’ বার এরূপ বললেন। অতঃপর বললেন, যার ইচ্ছা হয়। এ আশংকায় যে, লোকেরা হয়ত এটাকে সুন্নাত (বা স্থায়ী নিয়ম) বানিয়ে নিবে।[1] সহীহ : বুখারী।
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن الحسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله المزني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلوا قبل المغرب ركعتين " . ثم قال " صلوا قبل المغرب ركعتين لمن شاء " . خشية ان يتخذها الناس سنة
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছি। মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাদের সালাত আদায় করতে দেখেছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে দেখেছেন। তবে তিনি আমাদেরকে এ বিষয়ে কোন আদেশ বা নিষেধ করেননি।[1] সহীহ : মুসলিম, অনুরূপ বুখারী।
حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، اخبرنا سعيد بن سليمان، حدثنا منصور بن ابي الاسود، عن المختار بن فلفل، عن انس بن مالك، قال صليت الركعتين قبل المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال قلت لانس اراكم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم رانا فلم يامرنا ولم ينهنا
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে, যার ইচ্ছে হয় পড়তে পারে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا ابن علية، عن الجريري، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله بن مغفل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بين كل اذانين صلاة بين كل اذانين صلاة لمن شاء
। তাঊস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা-কে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আমি কাউকে এ সালাত আদায় করতে দেখিনি। তবে ‘আসরের পরে দু’ রাক‘আত সালাত আদায়ের অনুমতি আছে।[1] দুর্বল।
حدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي شعيب، عن طاوس، قال سيل ابن عمر عن الركعتين، قبل المغرب فقال ما رايت احدا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما . ورخص في الركعتين بعد العصر . قال ابو داود سمعت يحيى بن معين يقول هو شعيب يعني وهم شعبة في اسمه
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আদম সন্তানের শরীরের প্রতিটি অস্থি প্রতিদিন নিজের উপর সাদাকা ওয়াজিব করে। কারোর সাক্ষাতে তাকে সালাম দেয়া একটি সাদাকা। সৎ কাজের আদেশ একটি সাদাকা, অন্যায় হতে নিষেধ করা একটি সাদাকা। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্ত্ত সরিয়ে ফেলা একটি সাদাকা। পরিবার-পরিজনের দায়-দায়িত্ব বহন করা একটি সাদাকা। আর চাশতের দু’ রাক‘আত সালাত এসব কিছুর পরিপূরক হয়ে যাবে।[1] ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী ‘আববাদের বর্ণনাটি পরিপূর্ণ ও ক্রটিমুক্ত। অপর বর্ণনকারী মুসাদ্দাদ তার বর্ণনায় ‘‘সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় হতে নিষেধ’’ বাক্যটি উল্লেখ করেননি। তিনি তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, ‘‘এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অমুক অমুক কাজ।’’ ইবনু মানী‘ তার হাদীসে বৃদ্ধি করেছেন যে, লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূুল! আমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে যৌন-তৃপ্তি মিটাবে এটাও কি তার জন্য সাদাকা? তিনি বললেনঃ তোমার কি ধারণা, যদি সে তা অবৈধ স্থানে ব্যবহার করতো তবে কি সে গুনাহগার হতো না? সহীহ : মুসলিম।
حدثنا احمد بن منيع، عن عباد بن عباد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، - المعنى - عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن ابي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يصبح على كل سلامى من ابن ادم صدقة تسليمه على من لقي صدقة وامره بالمعروف صدقة ونهيه عن المنكر صدقة واماطته الاذى عن الطريق صدقة وبضعة اهله صدقة ويجزي من ذلك كله ركعتان من الضحى " . قال ابو داود وحديث عباد اتم ولم يذكر مسدد الامر والنهى زاد في حديثه وقال كذا وكذا وزاد ابن منيع في حديثه قالوا يا رسول الله احدنا يقضي شهوته وتكون له صدقة قال " ارايت لو وضعها في غير حلها الم يكن ياثم
। আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা আবূ যার (রাঃ)-এর নিকট অবস্থানকালে তিনি বলেছেন, প্রতিদিন তোমাদের প্রত্যেকের দেহের প্রতিটি অস্থি একটি সাদাকা ওয়াজিব করে। প্রত্যেক সালাত, প্রত্যেক সওম, প্রত্যেক হজ, প্রত্যেক তাসবীহ, প্রত্যেক তাকবীর এবং প্রত্যেক তাহমীদ তার জন্য সাদাকা স্বরূপ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ উত্তম কাজগুলোকে গণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেনঃ চাশতের দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলে তা ঐগুলোর পরিপূরক হবে (অনুরূপ সওয়াব পাবে)।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا وهب بن بقية، اخبرنا خالد، عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن ابي الاسود الدولي، قال بينما نحن عند ابي ذر قال " يصبح على كل سلامى من احدكم في كل يوم صدقة فله بكل صلاة صدقة وصيام صدقة وحج صدقة وتسبيح صدقة وتكبير صدقة وتحميد صدقة " . فعد رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذه الاعمال الصالحة ثم قال " يجزي احدكم من ذلك ركعتا الضحى
। সাহল ইবনু মু‘আয ইবনু আনাস আল-জুহানী (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় শেষে চাশতের সালাত আদায় পর্যন্ত তার জায়গাতে বসে থাকলে এবং এ সময়ে উত্তম কথা ছাড়া অন্য কিছু না বললে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হয়। যদিও গুনাহের পরিমাণ সমুদ্রের ফেনারাশির চেয়ে অধিক হয়।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا ابن وهب، عن يحيى بن ايوب، عن زبان بن فايد، عن سهل بن معاذ بن انس الجهني، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قعد في مصلاه حين ينصرف من صلاة الصبح حتى يسبح ركعتى الضحى لا يقول الا خيرا غفر له خطاياه وان كانت اكثر من زبد البحر
। আবূ উমামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক সালাতের পরে আরেক সালাত যার মধ্যবর্তী সময়ে কোনো গুনাহ হয়নি, তা ইল্লীয়্যুনে (উচ্চ মর্যাদায়) লিপিবদ্ধ করা হয়।[1] হাসান।
حدثنا ابو توبة الربيع بن نافع، حدثنا الهيثم بن حميد، عن يحيى بن الحارث، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن ابي امامة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " صلاة في اثر صلاة لا لغو بينهما كتاب في عليين
। নু‘আইম ইবনু হাম্মার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন, হে আদম সন্তান! তোমার দিনের পূর্বাহ্নের মধ্যে চার রাক‘আত সালাত হতে আমাকে ত্যাগ করো না, তাহলে আমি আখিরাতে তোমার জন্য যথেষ্ট হবো।[1] সহীহ।
حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد، عن سعيد بن عبد العزيز، عن مكحول، عن كثير بن مرة ابي شجرة، عن نعيم بن همار، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يقول الله عز وجل يا ابن ادم لا تعجزني من اربع ركعات في اول نهارك اكفك اخره