Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭৭০ হাদিসসমূহ
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ জুমু‘আহর (ফারয) সালাতের পর সালাত আদায় করতে চাইলে সে যেন চার রাক‘আত আদায় করে। ইবনু ইউনুসের বর্ণনায় রয়েছে, জুমু‘আহর সালাত আদায়ের পরে তোমরা চার রাক‘আত সালাত আদায় করবে। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, হে বৎস! তুমি মসজিদে দু’ রাক‘আত (সুন্নাত) আদায়ের পর গন্তব্যে পৌছলে অথবা বাড়িতে এলে সেখানেও দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করবে।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، ح وحدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا اسماعيل بن زكريا، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال ابن الصباح قال - " من كان مصليا بعد الجمعة فليصل اربعا " . وتم حديثه وقال ابن يونس " اذا صليتم الجمعة فصلوا بعدها اربعا " . قال فقال لي ابي يا بنى فان صليت في المسجد ركعتين ثم اتيت المنزل او البيت فصل ركعتين
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর (ফারয) সালাত আদায়ের পর ঘরে ফিরে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম। বুখারী অর্থগতভাবে। এটি গত হয়েছে হাদীস ১১২৭ নং।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بعد الجمعة ركعتين في بيته . قال ابو داود وكذلك رواه عبد الله بن دينار عن ابن عمر
। ‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জুমু‘আহর সালাতের পর সালাত আদায় করতে দেখেছেন। তিনি (ইবনু ‘উমার) জুমু‘আহর (ফারয) সালাত আদায়ের স্থান থেকে বেশী নয় বরং একটু সরে গিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। বর্ণনাকারী ‘আত্বা বলেন, অতঃপর সেখান থেকে একটু সরে গিয়ে চার রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। হাদীসের বর্ণনাকারী ইবনু জুরায়িজ বলেন, আমি ‘আত্বাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে কতবার এরূপ করতে দেখেছেন? তিনি বললেন, কয়েকবার।[1] সহীহ।
حدثنا ابراهيم بن الحسن، حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، اخبرني عطاء، انه راى ابن عمر يصلي بعد الجمعة فينماز عن مصلاه الذي، صلى فيه الجمعة قليلا غير كثير قال فيركع ركعتين قال ثم يمشي انفس من ذلك فيركع اربع ركعات قلت لعطاء كم رايت ابن عمر يصنع ذلك قال مرارا قال ابو داود ورواه عبد الملك بن ابي سليمان ولم يتمه
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাতে এসে দেখেন, মাদীনাহবাসীরা নির্দিষ্ট দু’টি দিনে খেলাধুলা ও আনন্দ করে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ এ দু‘টি দিন কিসের? সকলেই বললো, জাহিলী যুগে আমরা এ দু’ দিন খেলাধুলা করতাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মহান আল্লাহ তোমাদের এ দু’ দিনের পরিবর্তে উত্তম দু‘টি দিন দান করেছেন। তা হলো, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিত্বরের দিন।[1] সহীহ।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن حميد، عن انس، قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة ولهم يومان يلعبون فيهما فقال " ما هذان اليومان " . قالوا كنا نلعب فيهما في الجاهلية . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله قد ابدلكم بهما خيرا منهما يوم الاضحى ويوم الفطر
। ইয়াযীদ ইবনু খুমাইর আর-রাহাবী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুসর (রাঃ) লোকদের সাথে ঈদুল ফিত্বর কিংবা ঈদুল আযহার সালাত আদায় করতে যান। (সালাত আরম্ভ করতে) ইমাম দেরী করায় তিনি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে বললেন, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) যুগে এ (ইশরাকের) সময় আমরা ঈদের সালাত আদায় শেষ করতাম।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا ابو المغيرة، حدثنا صفوان، حدثنا يزيد بن خمير الرحبي، قال خرج عبد الله بن بسر صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم مع الناس في يوم عيد فطر او اضحى فانكر ابطاء الامام فقال انا كنا قد فرغنا ساعتنا هذه وذلك حين التسبيح
। উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার জন্য গৃহিণীদের নির্দেশ দেন। বলা হলো, ঋতুবতী মেয়েরা কি করবে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ কল্যাণমুলক কাজ ও মুসলিমদের দু‘আয় তাদের শরীক হওয়া উচিত। এক মহিলা বললো, হে আল্লাহর রসূল! কারো (শরীর ঢাকার মত) কাপড় না থাকলে সে কি করবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার বান্ধবীর (সঙ্গীর) কাপড়ের কিছু অংশে জড়িয়ে যাবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن ايوب، ويونس، وحبيب، ويحيى بن عتيق، وهشام، - في اخرين - عن محمد، ان ام عطية، قالت امرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان نخرج ذوات الخدور يوم العيد . قيل فالحيض قال " ليشهدن الخير ودعوة المسلمين " . قال فقالت امراة يا رسول الله ان لم يكن لاحداهن ثوب كيف تصنع قال " تلبسها صاحبتها طايفة من ثوبها
। উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। (এতে রয়েছে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঋতুবতী নারীরা মুসলিমদের সালাতের স্থান হতে পৃথক থাকবে। এ হাদীসে কাপড়ের বিষয় উল্লেখ নাই। বর্ণনাকারী হাফসাহ ও আরেক মহিলার হতে জনৈক মহিলা সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! ... অতঃপর মূসা বর্ণিত হাদীসের কাপড় বিষয়টি বর্ণনা করেন।[1] সহীহ : বুখারী।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد، حدثنا ايوب، عن محمد، عن ام عطية، بهذا الخبر قال " ويعتزل الحيض مصلى المسلمين " . ولم يذكر الثوب . قال وحدث عن حفصة عن امراة تحدثه عن امراة اخرى قالت قيل يا رسول الله فذكر معنى حديث موسى في الثوب
। উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এ (উপরোক্ত) হাদীস মোতাবেক আমল করতে আদিষ্ট হতাম। বর্ণনাকারী বলেন, ঋতুবতী নারীরা সকলের পিছনে অবস্থান করতো এবং লোকদের সাথে তাকবীর পাঠ করতো।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا عاصم الاحول، عن حفصة بنت سيرين، عن ام عطية، قالت كنا نومر بهذا الخبر قالت والحيض يكن خلف الناس فيكبرن مع الناس
। ইসমাইল ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আত্বিয়্যাহ (রহঃ) হতে তার দাদী উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় আগমন করে আনসার মহিলাদেরকে একটি ঘরে সমবেত করে ‘উমার ইবনুল খাত্তাবকে আমাদের নিকট প্রেরণ করলেন। ‘উমার (রাঃ) এসে দরজায় দাঁড়িয়ে আমাদেরকে সালাম জানালে আমরা তার সালামের উত্তর দেই। ‘উমার বলেন, আমি আপনাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সংবাদবাহক হিসেবে এসেছি। অতঃপর তিনি আমাদের ঋতুবতী ও কুমারী মেয়েদের দুই ঈদের সালাতে অংশগ্রহণের আদেশ দেন, মহিলাদের জন্য জুমু‘আহ বাধ্যতামূলক নয় বলে জানান এবং আমাদেরকে জানাযার সালাতে অংশগ্রহণে নিষেধ করেন।[1] দুর্বল।
حدثنا ابو الوليد، - يعني الطيالسي - ومسلم قالا حدثنا اسحاق بن عثمان، حدثني اسماعيل بن عبد الرحمن بن عطية، عن جدته ام عطية، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما قدم المدينة جمع نساء الانصار في بيت فارسل الينا عمر بن الخطاب فقام على الباب فسلم علينا فرددنا عليه السلام ثم قال انا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم اليكن . وامرنا بالعيدين ان نخرج فيهما الحيض والعتق ولا جمعة علينا ونهانا عن اتباع الجنايز
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘ঈদের দিন মারওয়ান ঈদের মাঠে মিম্বার স্থাপন করে সালাতের পূর্বেই খুত্ববাহ শুরু করায় জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলেন, হে মারওয়ান! তুমি সুন্নাত বিরোধী কাজ করলে। তুমি ‘ঈদের দিন বাইরে মিম্বার এনেছো এবং সালাতের পূর্বেই খুত্ববাহ শুরু করেছো। অথচ ইতিপূর্বে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও খুলাফায়ি রাশিদীনের যুগে) কখনো এমনটি করা হয়নি। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, লোকটি কে? লোকজন বললো, অমুকের পুত্র অমুক। তিনি বললেন, সে তার দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কেউ কোন গর্হিত (শারী‘আত বিরোধী) কাজ সংঘটিত হতে দেখলে তাকে হাত দিয়ে প্রতিরোধ করবে। এরূপ করতে অক্ষম হলে তা কথার দ্বারা প্রতিহত করবে। যদি এতেও অক্ষম হয় তাহলে সে তা অন্তরে ঘৃণা করবে (বা তা দূর করার উপায় অন্বেষনে চিন্তা-ভাবনা করবে)। তবে এটি হচ্ছে দুর্বলতম ঈমানের পরিচায়ক।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن اسماعيل بن رجاء، عن ابيه، عن ابي سعيد الخدري، ح وعن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن ابي سعيد الخدري، قال اخرج مروان المنبر في يوم عيد فبدا بالخطبة قبل الصلاة فقام رجل فقال يا مروان خالفت السنة اخرجت المنبر في يوم عيد ولم يكن يخرج فيه وبدات بالخطبة قبل الصلاة . فقال ابو سعيد الخدري من هذا قالوا فلان بن فلان . فقال اما هذا فقد قضى ما عليه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من راى منكرا فاستطاع ان يغيره بيده فليغيره بيده فان لم يستطع فبلسانه فان لم يستطع فبقلبه وذلك اضعف الايمان
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল ফিত্বরের দিন দাঁড়িয়ে খুত্ববাহর পূর্বেই সালাত আদায় করলেন। তারপর লোকদের উদ্দেশে খুত্ববাহ দিলেন এবং খুত্ববাহ শেষে মহিলাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে নসীহত করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বিলালের হাতের উপর ভর করেছিলে এবং বিলাল (রাঃ) তার কাপড় বিছিয়ে রেখেছিলেন। মহিলারা তাতে দানের বস্তু নিক্ষেপ করছিলেন। কোন কোন মহিলা তাতে নিজেদের গহনা তাতে ছুড়ে দিচ্ছিলো এবং অন্যরা আরো অনেক কিছু নিক্ষেপ করছিলো।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، ومحمد بن بكر، قالا اخبرنا ابن جريج، اخبرني عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال سمعته يقول ان النبي صلى الله عليه وسلم قام يوم الفطر فصلى فبدا بالصلاة قبل الخطبة ثم خطب الناس فلما فرغ نبي الله صلى الله عليه وسلم نزل فاتى النساء فذكرهن وهو يتوكا على يد بلال وبلال باسط ثوبه تلقي فيه النساء الصدقة قال تلقي المراة فتخها ويلقين ويلقين وقال ابن بكر فتختها
। ‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি আর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বরের দিন রওয়ানা হয়ে সালাত আদায়ের পর খুত্ববাহ দিলেন। অতঃপর নারীদের নিকট গেলেন। তাঁর সাথে বিলাল (রাঃ) ছিলেন। ইবনু কাসীর বলেন, হাদীস বর্ণনাকারী শু‘বাহর দৃঢ় ধারণা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদেরকে সাদাকা করতে আদেশ করলে তারা নিজেদের অলংকারাদী ছুড়ে দিতে লাগলেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن كثير، اخبرنا شعبة، عن ايوب، عن عطاء، قال اشهد على ابن عباس وشهد ابن عباس على رسول الله صلى الله عليه وسلم انه خرج يوم فطر فصلى ثم خطب ثم اتى النساء ومعه بلال . قال ابن كثير اكبر علم شعبة فامرهن بالصدقة فجعلن يلقين
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করলেন যে, (দূরে অবস্থানের কারণে) মহিলারা তাঁর কথা শুনতে পাননি। কাজেই তিনি বিলালকে সাথে নিয়ে মহিলাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাদেরকে নসীহত প্রদান করেন ও সাদাকা করতে আদেশ করেন। মহিলারা তাদের কানের রিং ও হাতের আংটি খুলে বিলালের কাপড়ের মধ্যে নিক্ষেপ করতে লাগলেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا مسدد، وابو معمر عبد الله بن عمرو قالا حدثنا عبد الوارث، عن ايوب، عن عطاء، عن ابن عباس، بمعناه قال فظن انه لم يسمع النساء فمشى اليهن وبلال معه فوعظهن وامرهن بالصدقة فكانت المراة تلقي القرط والخاتم في ثوب بلال
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তিনি আরো বলেন, মহিলারা তাদের কানের রিং ও হাতের আংটি খুলে দিতে লাগলেন এবং বিলাল (রাঃ) স্বীয় চাদরে সেগুলো তুলে রাখলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলো অভাবী মুসলিমদের মাঝে বিতরণ করে দিলেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن عطاء، عن ابن عباس، في هذا الحديث قال فجعلت المراة تعطي القرط والخاتم وجعل بلال يجعله في كسايه قال فقسمه على فقراء المسلمين
। ইয়াযীদ ইবনুল বারাআ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ঈদের দিন একটি ধনুক দেয়া হলে তিনি তাতে ভর করে খুত্ববাহ দেন।[1] হাসান।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن عيينة، عن ابي جناب، عن يزيد بن البراء، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم نول يوم العيد قوسا فخطب عليه
। ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবিস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কোন ঈদের সালাত আদায় করেছেন কি? তিনি বললেন, হাঁ। তাঁর সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা না থাকলে শিশু হওয়ার কারণে আমি হয়ত তাঁর সাথে সালাতে শরীক হতে পারতাম না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন কাসীর ইবনুল সলত-এর বাড়ির পাশে স্থাপিত ঝান্ডার নিকটে এসে সালাত আদায় করার পর খুত্ববাহ দেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের কথা উল্লেখ করেননি। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাকা করতে আদেশ করলে মহিলারা তাদের কান ও গলার দিকে ইশারা করেন, ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে তাদের নিকট পাঠান। বিলাল (রাঃ) তাদের কাছে গিয়ে (সাদাকা সংগ্রহ করে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে আসেন।[1] সহীহ : বুখারী।
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، قال سال رجل ابن عباس اشهدت العيد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم ولولا منزلتي منه ما شهدته من الصغر فاتى رسول الله صلى الله عليه وسلم العلم الذي عند دار كثير بن الصلت فصلى ثم خطب ولم يذكر اذانا ولا اقامة قال ثم امر بالصدقة - قال - فجعل النساء يشرن الى اذانهن وحلوقهن قال فامر بلالا فاتاهن ثم رجع الى النبي صلى الله عليه وسلم
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর এবং ‘উমার অথবা ‘উসমান (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ছাড়াই ‘ঈদের সালাত আদায় করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، عن الحسن بن مسلم، عن طاوس، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى العيد بلا اذان ولا اقامة وابا بكر وعمر او عثمان شك يحيى
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে দুই ঈদের সালাত আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ছাড়া এক দুইবার নয়, বরং অনেকবার আদায় করেছি।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، وهناد، - وهذا لفظه - قالا حدثنا ابو الاحوص، عن سماك، - يعني ابن حرب - عن جابر بن سمرة، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم غير مرة ولا مرتين العيدين بغير اذان ولا اقامة
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বর ও ঈদুল আযহার সালাতে প্রথম রাক‘আতে সাতবার এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে পাচঁবার তাকবীর বলতেন।[1] সহীহ।
حدثنا قتيبة، حدثنا ابن لهيعة، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يكبر في الفطر والاضحى في الاولى سبع تكبيرات وفي الثانية خمسا
। ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস একই সানাদে বর্ণিত হয়েছে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, রুকূ‘র দুই তাকবীর ব্যতীত।[1] সহীহ।
حدثنا ابن السرح، اخبرنا ابن وهب، اخبرني ابن لهيعة، عن خالد بن يزيد، عن ابن شهاب، باسناده ومعناه قال سوى تكبيرتى الركوع