Loading...
Loading...
বইসমূহ
770 হাদিসসমূহ
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আবূ যার! যখন তোমার শাসকগণ সালাতকে মেরে ফেলবে বা বিলম্ব করে সালাত আদায় করবে তখন তুমি কি করবে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল...
। ‘আমর ইবনু মায়মূন আল-আওদী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দূত হিসেবে মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) ইয়ামানে আমাদের নিকট আসলেন। আমি ফজরের সালাতে তাঁর তাকবীর শুনতে পেলাম। তিনি উচ্চ কণ...
। ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ অচিরেই আমার পরে তোমাদের উপর এমন শাসকদের আগমন ঘটবে কর্মব্যস্ততা যাদেরকে নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় হতে বিরত রাখ...
। কাবীসাহ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পরে তোমাদের এমন শাসকগণ আসবে, যারা বিলম্বে সালাত আদায় করবে। এতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই, বরং তাদের জন্যই ক্ষতিক...
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তনের একরাতে বিরতিহীনভাবে সফর করতে থাকলে আমাদের ক্লান্তি ভাব দেখা দেয়। ফলে শেষ রাতে তিনি যাত্রা বিরতি করেন এবং বিল...
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা ঐ স্থান ত্যাগ কর যেখানে তোমাদেরকে গাফলতি পেয়ে বসেছিল। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর বিলালকে নির্দেশ দেয়া হলে তিনি আ...
। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিকে মনোনিবেশ করলে আমিও তাঁর সাথে মনোনিবেশ করি। তিনি বললেনঃ লক্ষ্য রাখ। আমি বললাম, এই...
। খালিদ ইবনু সুমাইর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু রাবাহ আল-আনসারী (রাঃ) মাদীনাহ থেকে আমাদের এখানে আসলেন। আনসারগণ তাঁকে জ্ঞানী লোক (বিশিষ্ট ফাক্বীহ) হিসেবে গণ্য করতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই...
। আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা মোতাবেক তোমাদের রূহসমূহকে আটকে রেখেছিলেন, আবার তাঁর ইচ্ছা মোতাবেক ছেড়েও দিয়েছ...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ তার পিতার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে রয়েছেঃ সূর্য উপরে উঠার পর তিনি অযু করে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।[1] সহীহ : অনুরূপ বু...
। আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘুমের কারণে সালাতের গাফলতি হলে দোষ নেই। কিন্তু জাগ্রতবস্থায় গাফিলতি করে বিলম্বে সালাত আদায় করা অন্যায়, এতে করে আরেক সালা...
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে নেয়। এটাই তার সালাতের কাফফারা।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোন এক সফরে ছিলেন সে সময় লোকেরা ফজরের সালাতের ওয়াক্তে ঘুমিয়ে ছিল। অতঃপর সূর্যের তাপে তাদের ঘুম ভাঙ্গে। তারা কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার প...
। ‘আমর ইবনু উমায়্যাহ আদ-দামরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাঁর কোন এক সফরে ছিলাম। তিনি ফজরের ওয়াক্তে ঘুমিয়ে ছিলেন। সূর্যোদয়ের পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি...
। যু-মিখবার আল-হাবাশী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাত করতেন। তার বর্ণনায় রয়েছেঃ তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতটুকু পরিমাণ পানি দিয়ে অযু করলেন যে, তাতে জমিন ভিজল না। অতঃপর...
। নাজ্জাশীর ভ্রাতুষ্পুত্র যু-মিখবার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি অনুরূপ ঘটনার বর্ণনাতে বলেন, অতঃপর বিলাল কোনরূপ তাড়াহুড়া না করে ধীরেসুস্থে আযান দিলেন।[1] শায।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির মেয়াদকালে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আগমন করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (রাতের বেলায়) আমাদের পাহারা দেয়ার দা...
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে উঁচু করে মাসজিদ বানানোর নির্দেশ দেয়া হয়নি। ইবনু ‘আব্বাস বলেন, তোমরা (অচিরেই) মাসজিদ সমূহকে এমনভাবে সুসজ্জিত ও কারুকা...
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকেরা মাসজিদ নিয়ে পরস্পর গৌরব ও অহঙ্কারে মেতে না উঠা পর্যন্ত ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না।[1] সহীহ।
। ‘উসমান ইবনু আবূল ‘আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তায়িফের ঐ স্থানে মাসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিলেন যেখানে মুশরিকদের মূর্তিসমূহ স্থাপিত ছিল।[1] দুর্বল।