Loading...
Loading...
বইসমূহ
390 হাদিসসমূহ
। হুমাইদ আল-হিময়ারী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এমন এক সাহাবীর সঙ্গে আমার সাক্ষাত হয়েছিল যিনি চার বছর তাঁর সাহচর্যে ছিলেন, যেমন তাঁর সাহচর্যে ছিলেন আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)। তিনি বলেছ...
। আল-হাকাম ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকের (অযু বা গোসলের) অবশিষ্ট পানি দ্বারা পুরুষকে অযু করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সমুদ্রে যাত্রা করি এবং পান করার জন্য সাথে সামান্য (মিঠা) পানি বহন করি। আমরা যদি তা দিয়ে...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্বীন আগমনের রাতে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমার পাত্রে কি আছে? তিনি বলেন, নবীয। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, খেজুর পবিত্র আর পা...
। আলকামাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, জ্বীন আগমনের রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আপনাদের মধ্যকার কে ছিলেন? তিনি বললেন, তাঁর সঙ্গে আমাদের কেউ ছ...
। ‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি দুধ ও ‘নবীয’ দ্বারা অযু করা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন, আমার মতে এর চেয়ে তায়াম্মুম করা বেশী শ্রেয়।[1] সহীহ।
। আবু খাল্দা (রহঃ) বলেন, আমি আবুল ‘আলিয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এক ব্যক্তির গোসল ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে পানি নেই, বরং নবীয আছে। সে কি নবীয দিয়ে গোসল করবে? তিনি বললেন, না।[1] সহীহ।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি হজ বা ‘উমরার উদ্দেশ্যে বের হলেন। তার সঙ্গে কিছু লোক ছিল। তিনি তাদের ইমামতি করতেন। একদিন ফজরের সালাত আরম্ভ হতে যাচ্ছে, এমতাবস্থায় তিনি বললেন, তোমাদের কেউ ইমামতি করুক। এ...
। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের ভাই ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় তাঁর খাবার আনা হলো। তখনই কাসিম সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে গেলে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল...
। সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনটি কাজ করা কারো জন্য হালাল নয়। (এক) কোন ব্যক্তি ইমাম হয়ে অন্যের জন্য দু‘আ না করে শুধুমাত্র নিজের জন্য দু‘আ করা। এরূপ করলে সে...
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন ব্যক্তির জন্য পায়খানা-পেশাবের বেগ হতে মুক্ত না হয়ে সালাত আদায় করা বৈধ নয়। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত শব্দযোগে পূর্বোক...
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ‘সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং এক ‘মুদ্’ পানি দিয়ে অযু করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ আবান কাতাদাহ সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি সাফিয়্যা (রাঃ)...
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ‘সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন আর এক মুদ্ পানি দিয়ে অযু করতেন।[1] সহীহ।
। উম্মু ‘উমারাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অযু করার ইচ্ছা করলে তাঁর জন্য একটি পাত্রে পানি আনা হয়। তিনি তা দিয়ে অযু করলেন। তাতে পানির পরিমাণ ছিল এক মুদের দুই-তৃতীয়াংশ।[1] সহীহ।
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পাত্রের পানি দিয়ে অযু করতেন, তাতে পানি ধরত দু’ রতল পরিমাণ। আর তিনি গোসল করতেন এক ‘সা’ পানি দিয়ে। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু জাবর (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ আমি...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাঁর পুত্রকে দু‘আ করতে শুনলেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি, আমি যখন জান্নাতে প্রবেশ করব তখন জান্নাতের ডান দিকে যেন সাদা অট্টালিকা থাকে। (একথা শুনে) ‘আব্দু...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল লোকের (অযু করার পরও) পায়ের গোড়ালি শুকনা দেখতে পেলেন। তিনি বললেনঃ দুর্ভাগ্য ঐ লোকদের জন্য যারা গোড়ালির কারণে জাহান্নামে যাবে। তো...
। হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ সূত্রে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেছেন, আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাম্র নির্মিত পাত্রের (পানি দিয়ে) গোসল করতাম।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1] সহীহ।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। আমরা তাঁর জন্য তামার একটি পাত্রে পানি দিলাম। তিনি তা দ্বারা অযু করলেন।[1] সহীহ : বুখারী- ১৯৭।